অবন্তিকা RSS feed

দিবারাত্রির চব্য

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা... বাংলাদেশের রাজনীতির গতিপথ পরিবর্তন হওয়ার দিন
    বিএনপি এখন অস্তিত্ব সংকটে আছে। কিন্তু কয়েক বছর আগেও পরিস্থিতি এমন ছিল না। ক্ষমতার তাপে মাথা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল দলটার। ফলাফল ২০০৪ সালের ২১ আগস্টে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেনেড মেরে হত্যার চেষ্টা। বিরোধীদলের নেত্রীকে হত্যার চেষ্টা করলেই ...
  • তোমার বাড়ি
    তোমার বাড়ি মেঘের কাছে, তোমার গ্রামে বরফ আজো?আজ, সীমান্তবর্তী শহর, শুধুই বেয়নেটে সাজো।সারাটা দিন বুটের টহল, সারাটা দিন বন্দী ঘরে।সমস্ত রাত দুয়ারগুলি অবিরত ভাঙলো ঝড়ে।জেনেছো আজ, কেউ আসেনি: তোমার জন্য পরিত্রাতা।তোমার নমাজ হয় না আদায়, তোমার চোখে পেলেট ...
  • বার্সিলোনা - পর্ব ২
    বার্সিলোনা আসলে স্পেনের শহর হয়েও স্পেনের না। উত্তর পুর্ব স্পেনের যেখানে বার্সিলোনা, সেই অঞ্চল কে বলা হয় ক্যাটালোনিয়া। স্বাধীনদেশ না হয়েও স্বশাসিত প্রদেশ। যেমন কানাডায় কিউবেক। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই মনে হয় এরকম একটা জায়গা থাকে, দেশি হয়েও দেশি না। ...
  • বার্সিলোনা - পর্ব ১
    ঠিক করেছিলাম আট-নয়দিন স্পেন বেড়াতে গেলে, বার্সিলোনাতেই থাকব। বেড়ানোর সময়টুকুর মধ্যে খুব দৌড় ঝাঁপ, এক দিনে একটা শহর দেখে বা একটা গন্তব্যের দেখার জায়গা ফর্দ মিলিয়ে শেষ করে আবার মাল পত্তর নিয়ে পরবর্তী গন্তব্যের দিকে ভোর রাতে রওনা হওয়া, আর এই করে ১০ দিনে ৮ ...
  • লাল ঝুঁটি কাকাতুয়া
    -'একটা ছিল লাল ঝুঁটি কাকাতুয়া।আর ছিল একটা নীল ঝুঁটি মামাতুয়া।'-'এরা কারা?' মেয়েটা সঙ্গে সঙ্গে চোখ বড়ো করে অদ্ভুত লোকটাকে জিজ্ঞেস করে।-'আসলে কাকাতুয়া আর মামাতুয়া এক জনই। ওর আসল নাম তুয়া। কাকা-ও তুয়া বলে ডাকে, মামা-ও ডাকে তুয়া।'শুনেই মেয়েটা ফিক করে হেসে ...
  • স্টার্ট-আপ সম্বন্ধে দুচার কথা যা আমি জানি
    স্টার্ট-আপ সম্বন্ধে দুচার কথা যা আমি জানি। আমি স্টার্ট-আপ কোম্পানিতে কাজ করছি ১৯৯৮ সাল থেকে। সিলিকন ভ্যালিতে। সময়ের একটা আন্দাজ দিতে বলি - গুগুল তখনও শুধু সিলিকন ভ্যালির আনাচে-কানাচে, ফেসবুকের নামগন্ধ নেই, ইয়াহুর বয়েস বছর চারেক, অ্যামাজনেরও বেশি দিন হয়নি। ...
  • মৃণাল সেন : এক উপেক্ষিত চলচ্চিত্রকার
    [আজ বের্টোল্ট ব্রেশট-এর মৃত্যুদিন। ভারতীয় চলচ্চিত্রে যিনি সার্থকভাবে প্রয়োগ করেছিলেন ব্রেশটিয় আঙ্গিক, সেই মৃণাল সেনকে নিয়ে একটি সামান্য লেখা।]ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কীভাবে যেন পরিচালক ত্রয়ী সত্যজিৎ-ঋত্বিক-মৃণাল এক বিন্দুতে এসে মিলিত হন। ১৯৫৫-তে মুক্তি ...
  • দময়ন্তীর সিজনস অব বিট্রেয়াল পড়ে
    পড়লাম সিজনস অব বিট্রেয়াল গুরুচন্ডা৯'র বই দময়ন্তীর সিজনস অব বিট্রেয়াল। বইটার সঙ্গে যেন তীব্র সমানুভবে জড়িয়ে গেলাম। প্রাককথনে প্রথম বাক্যেই লেখক বলেছেন বাঙাল বাড়ির দ্বিতীয় প্রজন্মের মেয়ে হিসেবে পার্টিশন শব্দটির সঙ্গে পরিচিতি জন্মাবধি। দেশভাগ কেতাবি ...
  • দুটি পাড়া, একটি বাড়ি
    পাশাপাশি দুই পাড়া - ভ-পাড়া আর প-পাড়া। জন্মলগ্ন থেকেই তাদের মধ্যে তুমুল টক্কর। দুই পাড়ার সীমানায় একখানি সাতমহলা বাহারী বাড়ি। তাতে ক-পরিবারের বাস। এরা সম্ভ্রান্ত, উচ্চশিক্ষিত। দুই পাড়ার সাথেই এদের মুখ মিষ্টি, কিন্তু নিজেদের এরা কোনো পাড়ারই অংশ মনে করে না। ...
  • পরিচিতির রাজনীতি: সন্তোষ রাণার কাছে যা শিখেছি
    দিলীপ ঘোষযখন স্কুলের গণ্ডি ছাড়াচ্ছি, সন্তোষ রাণা তখন বেশ শিহরণ জাগানাে নাম। গত ষাটের দশকের শেষার্ধ। সংবাদপত্র, সাময়িক পত্রিকা, রেডিও জুড়ে নকশালবাড়ির আন্দোলনের নানা নাম ছড়িয়ে পড়ছে আমাদের মধ্যে। বুঝি না বুঝি, পকেটে রেড বুক নিয়ে ঘােরাঘুরি ফ্যাশন হয়ে ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর

অবন্তিকা

পার্থ ডিম-কলা-পাউরুটি দিয়ে প্রাতরাশ খেয়েছেন, পার্থ দাঁত মাজার জন্য দামি টুথপেস্ট চেয়েছেন, পার্থ রবীন্দ্রসঙ্গীতের বই নিয়েছেন কিন্তু সংবাদপত্র হাতে নেন নি – সম্প্রতি জানলাম l পার্থ কে, আপামর বাঙালিকে আর এই মুহূর্তে বলে দিতে হবে না l আপাতত এটুকু মনে করিয়ে দেওয়া জরুরি, তিন নম্বর রবিনসন স্ট্রিটের পার্থ দে স্বীকৃতভাবে একজন মনোরোগী l স্বয়ং মনোরোগ বিশেষজ্ঞরাই পরীক্ষা করে এ কথা জানিয়েছেন l তর্কের খাতিরে বলা যেতেই পারে, যেকোনো ধর্ষক, যেকোনো খুনী এক একজন মনোরোগী, সুতরাং মনোরোগের দোহাই দিয়ে অপরাধকে লঘু করা যায় না l কিন্তু অন্যান্য অপরাধীর সাপেক্ষে পার্থ দে-র বিষয়টা যে আলাদা সেটা আগে বুঝে নেওয়া দরকার l প্রথমত, পার্থর অপরাধ এখনও প্রমাণিত নয়, কিছু তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের অনুমান মাত্র l কঙ্কালটি আদৌ তার দিদির কিনা সে ফরেনসিক পরীক্ষার রিপোর্ট-ও এখনও পাওয়া যায়নি l দ্বিতীয়ত, পার্থর অসুস্থতা এ মুহূর্তে সেই পর্যায়ে যেখানে তিনি খুন বা অপরাধ সম্পর্কে যথেচ্ছ জ্ঞাত বা অবহিত নন l

এ লেখাটা লেখার তাগিদ অনুভব করতাম না, যদি না সমান্তরালভাবে উঠে আসত আরো একটি মনোরোগের ঘটনা l গল্ফ গ্রীনে জনৈকা মা ও ছেলে ঘরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বানিয়ে রেখেছেন আবর্জনার স্তূপ l সেখানে ‘আমের খোসা ও আঁটি/ কাঁঠালের ভুতি/ মাছের কানকা/ মড়া বেড়ালের ছানা’ কী নেই ! জিজ্ঞাসাবাদের পর বাবা জানিয়েছেন ছেলের মানসিক বিকারের কথা l রবিনসন স্ট্রিট ও তৎপরবর্তী গল্ফ গ্রীনের ঘটনার প্রেক্ষিতে কিছু অবশ্যম্ভাবী প্রশ্ন এসে যায় l ধরা যাক আপনার কোনো নিকটাত্মীয়ের টার্মিনাল ম্যালিগ্নেন্সি ধরা পড়েছে l শহরের দুঁদে ডাক্তাররা জানিয়ে দিয়েছেন ওই ব্যক্তির আর বাঁচার আশা নেই l এমতাবস্থায় ঘটনাটা কখন ‘খবর’ হয়ে উঠতে পারে? যদি অত্যাধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থা প্রয়োগ করে কোনো ডাক্তার বা প্রতিষ্ঠান তাঁকে পুরোপুরি সুস্থ করে তোলেন, অথবা জানা যায় যে ওই রোগটি আদৌ টার্মিনাল ম্যালিগ্নেন্সি ছিল না, চিকিৎসকদের অনুমান ভুল ছিল- তবেই l অর্থাৎ একটা সাধারণ শারীরিক অসুস্থতা যেমন মেনিনজাইটিসে মারা যাওয়া অথবা কোলেসিসটাইটিসে বেঁচে ওঠা কিন্তু এমনি এমনি ‘খবরে’ পরিণত হয় না l অনুষঙ্গে থাকতে হয় অন্য কোনো প্রেক্ষিত l অপেক্ষাকৃতভাবে মানসিক অসুস্থতা অনেক বেশি ‘খবর’ l এই পার্থর ক্ষেত্রটাই ধরা যাক না কেন l অনুমানের ভিত্তিতে গোটা ঘটনায়- হুমকি, টাকাপয়সার লোভ, খুন, সাসপেন্স, ইনসেস্ট- কী নেই l বলতে গেলে এক্কেবারে টানটান বলিউডি থ্রিলার l প্রসঙ্গত জেনে নেওয়া ভালো, শারীরিক হোক বা মানসিক, যেকোনো অসুখের ক্ষেত্রে চিকিৎসার নৈতিকতার ধারাগুলো কিন্তু এক l একজন ডাক্তার, রোগী অথবা তার পরিবারের ‘কনসেন্ট’ ছাড়া কোনো অসুস্থতাকে ‘পাবলিক’ করে ফেলতে পারেন না l মেডিকেল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার ২০০২ সালের কোড অফ এথিক্স-এ উল্লিখিত দ্বিতীয় অধ্যায়ের ২.২ দাগের নির্দেশ অনুযায়ী- “Patience and delicacy should characterize the physician. Confidences concerning individual or domestic life entrusted by patients to a physician and defects in the disposition or character of patients observed during medical attendance should never be revealed unless their revelation is required by the laws of the State. Sometimes, however, a physician must determine whether his duty to society requires him to employ knowledge, obtained through confidence as a physician, to protect a healthy person against a communicable disease to which he is about to be exposed. In such instance, the physician should act as he would wish another to act toward one of his own family in like circumstances.” অর্থাৎ, একজন চিকিৎসক তখনই রোগটিকে সর্বসমক্ষে তুলে আনতে পারেন যদি তা রাষ্ট্রের পক্ষে দরকারি হয়; অথবা জনসাধারণ ও সমাজের পক্ষে জরুরি, যেমন- কোনো সংক্রামক রোগ বিষয়ে সচেতনতার প্রচার l পার্থর ক্ষেত্রে সংবাদমাধ্যম আত্মপক্ষ সমর্থনে প্রথম যুক্তিটি ব্যবহার করতে পারেন l তবে সেক্ষেত্রেও বলব, রাষ্ট্রের প্রয়োজনে পার্থর ঘটনায় কর্তব্যরত চিকিৎসক বা চিকিৎসাকর্মীরা তথ্যের আদানপ্রদান পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে করতেই পারেন, কিন্তু সংবাদমাধ্যমের বদান্যতায় গড়পরতায় সাধারণ মানুষ পার্থ বা তার বাবার মানসিক বৈকল্যের কথা বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের খবর (বৈধ বা অবৈধ যাই হোক না কেন) জেনে যাবেন তাদের পরিবারের ‘কনসেন্ট’ ছাড়াই- এ একপ্রকার মানবাধিকার লঙ্ঘন ছাড়া আর কী! এ ঘটনায় একটা সুবিধে হয়েছে যে, পার্থর পরিবারের সরাসরি নিকটাত্মীয়রা কেউই জীবিত নেই l যাঁরা আছেন তাঁরাও প্রাথমিকভাবে মুখ খুলতে রাজি নন l ফলত পার্থর হয়ে কনসেন্ট দেওয়ার কেউ নেই l তাই পার্থকে ট্রিট করা হচ্ছে কিছুটা অবলা জন্তুর মতোই l সে কী খেল, কী খেল না, কী লিখল, কী লিখল না, তার আপডেট জনসমক্ষে তুলে ধরা হচ্ছে ঘন্টায় ঘন্টায় l

গল্ফ গ্রীনের সাহা পরিবারের প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, রবিনসন স্ট্রিটের খবর জেনে তাঁদের মনে হয়েছে সাহাবাবুর ছেলে আসলে মানসিকভাবে সুস্থ নন l অথচ সাহা পরিবার ওই অঞ্চলের বেশ পুরনো বাসিন্দা l বাড়িটাকে ভ্যাট বানিয়ে ফেলার পরেও, দুর্গন্ধে অতিষ্ট পরিপার্শ্বের কেউই উদ্যোগী হয়ে সাহা দম্পতির ছেলেকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন নি l তাহলে চিকিত্সকের কাছে না নিয়ে গিয়ে, এখন গায়ে পড়ে সংবাদমাধ্যম বা পুলিশকে জানানোর পিছনে পড়শীদের কতটা সচেতনতা ও কতখানি লাইমলাইটে আসার আকাঙ্ক্ষা তা নিয়ে ধন্দ থেকেই যায় l মনোরোগ বিষয়ে সাধারণ মানুষের ধ্যান ধারণা ও সচেতনতার অভাব দিকে দিকে সুস্পষ্ট l গ্রামে ডাইনি সন্দেহে পুড়িয়ে মারার ঘটনা এখনও শোনা যায় l আর রবিনসন স্ট্রিট বা গল্ফ গ্রীনের জোয়ারে শহরের কথা নতুন করে নাই বা তুললাম ! আক্ষরিক অর্থেই কিছুদিন আগে পর্যন্ত আদমসুমারি হলে তার মাথা কেউ গুনতো না l বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে শহরের বেশকিছু মনোরোগী এই কয়েকমাস আগে তাদের রেশনকার্ড পেল, প্রথমবার l মনোরোগীর মানবিক অধিকারের প্রশ্নে কয়েকটি সংগঠন যখন নিরলস কাজ করে চলেছে, তখন খুন ও অবৈধ যৌনতার ঘটনাকে (যা আবার এখনও প্রমাণিতও নয়) দৃষ্টান্ত করে জনমানসে একটা প্যানিক ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতাকে তীব্র সমালোচনা করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে কী? তবে মিডিয়া সস্তায় খবর বেচে হাততালি কুড়োবে আর কলরবী জনতা তার বিপক্ষে প্রতিবাদ চালিয়ে যাবে- এও বুঝি এক নিরন্তর প্রক্রিয়া l যাই হোক, মনোরোগ বিষয়ে প্রচার আর প্রসারের ফলে এই টালমাটাল সময়ে দাঁড়িয়েও মানুষের জ্ঞান ও সচেতনতা ক্রমশ বাড়বে, এ প্রত্যাশাটুকু রেখে গেলাম l


1211 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3]   এই পাতায় আছে 41 -- 60
Avatar: pi

Re: রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর

কোলকাতার মিডিয়াই এই 'মরবিড কিউরিওসিটি' নিয়ে সরব হয়েছে দেখে ভাল লাগছে।
Avatar: শ্রী সদা

Re: রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর

মিঠুদি, গায়ের জ্বালা মেটানোর জন্যে লিখছিনা। আমার দাবী হল মিডিয়াগুলো যা দেখাচ্ছে তাতে তাদের টি আর পি বাড়ছে বলেই দেখাচ্ছে, মানে মেজরিটি জনতা এই ধরণের নিউজ/এন্টারটেনমেন্টই পছন্দ করে। তো এই অবস্থায় আমাদের মতো মুষ্ঠিমেয় লোকজনের ভালো-খারাপ লাগার উপর বেস করে জাজমেন্ট দিয়ে দেওয়া মনে হয় না খুব একটা কাজের জিনিস, মানে দেওয়াই যায় কিন্তু তাতে না মিডিয়া না ম্যাঙ্গো পাবলিক কারোরই কিছু আসবে যাবে না। বরং আরো গভীরে গিয়ে ভাবা উচিত যে কেন মানুষকে এই বিকৃত আনএথিক্যাল জিনিসপত্তর থেকে এন্টারটেইনমেন্ট পেতে হয়, এবং আমার ধারণা লাইফস্টাইল, কসমোপলিটান কালচার, অর্থনৈতিক অবস্থা সবই কন্ট্রিবিউট করে এই চাহিদাতে। আমেরিকায় কী হয় সে নিয়ে আমার বিশেষ আইডিয়া নেই, কিন্তু এই লেভেলের ছিঁচকে রিপোর্টিং এবং পাবলিকলি মিথ্যা প্রচার হয় কিনা আম্রুগুরুরা কনফার্ম করতে পারেন।
Avatar: pi

Re: রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর

মিডিয়াতে এই লেখাগুলোও আসছে দেখে ভাল লাগল।

http://www.ebela.in/epaperimages/16062015/1662015-md-hr-2/2224416.jpg
Avatar: avi

Re: রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর

Avatar: avi

Re: রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর

যাচ্চলে, রিপিট হয়ে গেল তো।
Avatar: pi

Re: রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর

রিপিটেন্তু ন দোষায়। অন্ততঃ এধরণের লেখার রিপিট।
আসলে এই 'পাবলিক' বা 'আমরা ' ব্যাপারটা তো ঠিক সমসত্ব নয়, তার চাপে বা তাকে ক্যাটার করা মিডিয়ার ক্ষেত্রেও সেটা না হলেই ভাল হয়। এবং হবেনা, সেটুকু আশা বোধহয় এখনো রাখা যায়। বাজারের চাপ কথাটা যদিও আসবেই। তাপসদার সুতোয় এই নিয়ে বেশ ভালো কিছু আলোচনা হয়েছিল।
Avatar: quark

Re: রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর

আমি আবার পড়লাম "পাবলিক ব্যাপারটা ঠিক আমসত্ব নয়"। সময়ের দোষ হবে।
Avatar: de

Re: রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর

চিঠি লেখা হলে আমিও সাইন করবো। কি অসহ্য লাগছে কয়েকদিনের আবাপর কাগজ আর চ্যানেল - প্রথম পাতার ছবিগুলোই এতো ডিস্টার্বিং ছিলো - গত কয়েকদিন ধরে এই জঘন্য চ্যানেল ও কাগজ দুটোই দেখা ছেড়েছি। মিডিয়া এতো অমানবিক কি করে হয়?
Avatar: he he party

Re: রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর

hna hna চিঠি হোক,
হয়ে যাক আজ ফয়সালা সন্বাদ্পত্ত বড় না পেরাইভেট ইনফো, গর্জে উঠুক বাঙালি আজ আবার এই গুরুর পাতায়

কতা হচ্ছে পাত্ত দার আজকের মেনু কি?
ওদিকে তো পাভলভ এ সহবাসীরা পাত্তদার ওপর আদিখ্যাতায় হেব্বি খাপ্পুশ
কঙ্কাল টা সোজা ছিল না উপুর হয়ে কেউ তো কিচ্ছু বললনা
Avatar: a x

Re: রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর

Avatar: a x

Re: রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর

ওপরেরটা রত্নাবলী রায়ের লেখা।

এইটা সোমা মুখোপাধ্যায়ের। http://www.anandabazar.com/calcutta/pavlov-patients-fume-against-autho
rity-for-giving-extra-facilities-to-partha-dey-1.161381


খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন আছে।
Avatar: se

Re: রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর

মানসিক রোগীর নাগরিক কোনো অধিকার থাকে না? এতো ভয়ংকর ব্যাপার। এইটেই কি মূল কারণ সামাজিক স্টিগমার পেছনে। বিষয় সম্পত্তি থেকে অধিকার হারায় মানসিক রোগী? কতটা অসুস্থ হলে? কোন কোন মানসিক রোগে? ডেঞ্জারাস নিয়ম তো। অন্যদেশে কিরম আইন?
Avatar: একক

Re: রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর

পাগল হলে লোকে ঢিল মারবে এই ভয়ে লোকে পাগলকে ঢিল মারে ।
Avatar: lcm

Re: রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর

এপাড়ার জয়দীপ/নন্দনা ছিল পার্থর ক্লাসমেট, রাজাবাজার সায়েন্স কলেজে - জয়দীপের একটা লেখা বেরিয়েছে পার্থকে নিয়ে -
http://www.telegraphindia.com/1150620/jsp/calcutta/story_26807.jsp
Avatar: byaang

Re: রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর

লেখাটা ভালো লাগল এলসিএম। এই সময়ের (খবরের কাগজ নয়) জন্য খুবই দরকারি লেখা।
Avatar: সে

Re: রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর

Avatar: a x

Re: রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর

আমি ড্রাফটটা করে কজনকে দিয়েছি। তাদের একটু সময় লাগছে। লোকে কিছু ব্যপারে খুব ক্লিয়ারও না। বহু প্রশ্নও আছে। আল্টিমেটলি পাঠানো হবে কিনা জানিনা।

এই লেখাটা থাকুক -কিছু জায়গায় এক মত নই, তাও একটা অন্যরকম পার্সপেকটিভ থেকে লেখা। http://kindlemag.in/je-suis-partha/
Avatar: সে

Re: রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর

পড়লাম
Avatar: Abhyu

Re: রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর

Avatar: এমেম

Re: রবিনসন স্ট্রিট, গল্ফ গ্রীন, ও খবর


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3]   এই পাতায় আছে 41 -- 60


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন