Salil Biswas RSS feed

[email protected]
Salil Biswasএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা... বাংলাদেশের রাজনীতির গতিপথ পরিবর্তন হওয়ার দিন
    বিএনপি এখন অস্তিত্ব সংকটে আছে। কিন্তু কয়েক বছর আগেও পরিস্থিতি এমন ছিল না। ক্ষমতার তাপে মাথা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল দলটার। ফলাফল ২০০৪ সালের ২১ আগস্টে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেনেড মেরে হত্যার চেষ্টা। বিরোধীদলের নেত্রীকে হত্যার চেষ্টা করলেই ...
  • তোমার বাড়ি
    তোমার বাড়ি মেঘের কাছে, তোমার গ্রামে বরফ আজো?আজ, সীমান্তবর্তী শহর, শুধুই বেয়নেটে সাজো।সারাটা দিন বুটের টহল, সারাটা দিন বন্দী ঘরে।সমস্ত রাত দুয়ারগুলি অবিরত ভাঙলো ঝড়ে।জেনেছো আজ, কেউ আসেনি: তোমার জন্য পরিত্রাতা।তোমার নমাজ হয় না আদায়, তোমার চোখে পেলেট ...
  • বার্সিলোনা - পর্ব ২
    বার্সিলোনা আসলে স্পেনের শহর হয়েও স্পেনের না। উত্তর পুর্ব স্পেনের যেখানে বার্সিলোনা, সেই অঞ্চল কে বলা হয় ক্যাটালোনিয়া। স্বাধীনদেশ না হয়েও স্বশাসিত প্রদেশ। যেমন কানাডায় কিউবেক। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই মনে হয় এরকম একটা জায়গা থাকে, দেশি হয়েও দেশি না। ...
  • বার্সিলোনা - পর্ব ১
    ঠিক করেছিলাম আট-নয়দিন স্পেন বেড়াতে গেলে, বার্সিলোনাতেই থাকব। বেড়ানোর সময়টুকুর মধ্যে খুব দৌড় ঝাঁপ, এক দিনে একটা শহর দেখে বা একটা গন্তব্যের দেখার জায়গা ফর্দ মিলিয়ে শেষ করে আবার মাল পত্তর নিয়ে পরবর্তী গন্তব্যের দিকে ভোর রাতে রওনা হওয়া, আর এই করে ১০ দিনে ৮ ...
  • লাল ঝুঁটি কাকাতুয়া
    -'একটা ছিল লাল ঝুঁটি কাকাতুয়া।আর ছিল একটা নীল ঝুঁটি মামাতুয়া।'-'এরা কারা?' মেয়েটা সঙ্গে সঙ্গে চোখ বড়ো করে অদ্ভুত লোকটাকে জিজ্ঞেস করে।-'আসলে কাকাতুয়া আর মামাতুয়া এক জনই। ওর আসল নাম তুয়া। কাকা-ও তুয়া বলে ডাকে, মামা-ও ডাকে তুয়া।'শুনেই মেয়েটা ফিক করে হেসে ...
  • স্টার্ট-আপ সম্বন্ধে দুচার কথা যা আমি জানি
    স্টার্ট-আপ সম্বন্ধে দুচার কথা যা আমি জানি। আমি স্টার্ট-আপ কোম্পানিতে কাজ করছি ১৯৯৮ সাল থেকে। সিলিকন ভ্যালিতে। সময়ের একটা আন্দাজ দিতে বলি - গুগুল তখনও শুধু সিলিকন ভ্যালির আনাচে-কানাচে, ফেসবুকের নামগন্ধ নেই, ইয়াহুর বয়েস বছর চারেক, অ্যামাজনেরও বেশি দিন হয়নি। ...
  • মৃণাল সেন : এক উপেক্ষিত চলচ্চিত্রকার
    [আজ বের্টোল্ট ব্রেশট-এর মৃত্যুদিন। ভারতীয় চলচ্চিত্রে যিনি সার্থকভাবে প্রয়োগ করেছিলেন ব্রেশটিয় আঙ্গিক, সেই মৃণাল সেনকে নিয়ে একটি সামান্য লেখা।]ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কীভাবে যেন পরিচালক ত্রয়ী সত্যজিৎ-ঋত্বিক-মৃণাল এক বিন্দুতে এসে মিলিত হন। ১৯৫৫-তে মুক্তি ...
  • দময়ন্তীর সিজনস অব বিট্রেয়াল পড়ে
    পড়লাম সিজনস অব বিট্রেয়াল গুরুচন্ডা৯'র বই দময়ন্তীর সিজনস অব বিট্রেয়াল। বইটার সঙ্গে যেন তীব্র সমানুভবে জড়িয়ে গেলাম। প্রাককথনে প্রথম বাক্যেই লেখক বলেছেন বাঙাল বাড়ির দ্বিতীয় প্রজন্মের মেয়ে হিসেবে পার্টিশন শব্দটির সঙ্গে পরিচিতি জন্মাবধি। দেশভাগ কেতাবি ...
  • দুটি পাড়া, একটি বাড়ি
    পাশাপাশি দুই পাড়া - ভ-পাড়া আর প-পাড়া। জন্মলগ্ন থেকেই তাদের মধ্যে তুমুল টক্কর। দুই পাড়ার সীমানায় একখানি সাতমহলা বাহারী বাড়ি। তাতে ক-পরিবারের বাস। এরা সম্ভ্রান্ত, উচ্চশিক্ষিত। দুই পাড়ার সাথেই এদের মুখ মিষ্টি, কিন্তু নিজেদের এরা কোনো পাড়ারই অংশ মনে করে না। ...
  • পরিচিতির রাজনীতি: সন্তোষ রাণার কাছে যা শিখেছি
    দিলীপ ঘোষযখন স্কুলের গণ্ডি ছাড়াচ্ছি, সন্তোষ রাণা তখন বেশ শিহরণ জাগানাে নাম। গত ষাটের দশকের শেষার্ধ। সংবাদপত্র, সাময়িক পত্রিকা, রেডিও জুড়ে নকশালবাড়ির আন্দোলনের নানা নাম ছড়িয়ে পড়ছে আমাদের মধ্যে। বুঝি না বুঝি, পকেটে রেড বুক নিয়ে ঘােরাঘুরি ফ্যাশন হয়ে ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?

Salil Biswas

যে কোনো শিক্ষকের ক্ষেত্রেই একথাগুলো প্রযোজ্য, বিশেষ করে প্রযোজ্য শ্রমজীবীর শিক্ষাব্রতীদের (আমার নিজের তো বটেই) সম্পর্কে।

এই প্রশ্নগুলো/কথাগুলো মাথায় এল বলে লিখে ফেললাম। আপনাদের কী মনে হয় জানতে পারলে একটা আলোচনা করা যেতে পারে।

১) আপনি কি বাচ্চাদের অপছন্দ করেন? যে বয়সের বাচ্চাদের আপনি পড়ান তাদের মধ্যে থাকার সময় আপনি কি আনন্দ পান? না কি বিরক্ত বোধ করেন?

২) যে বিষয়টি আপনি পড়ান তা কি আপনার ভালো লাগে, না কি, ক্লান্তিকর মনে হয়? ‘বিষয়টি কেন পড়ান’, জিগ্যেস করলে আপনি এই উত্তরগুলোর কোনটা দেন – ‘সিলেবাসে আছে তাই’; ‘পরীক্ষায় আসবে তাই’; ‘কী-ই বা আর পড়াবো তাই’; ‘এগুলো ওদের জানা দরকার তাই’; ‘এগুলো ওদের শেখাতে চাই তাই’; ‘ওরা জ্ঞানার্জন করতে চাইছে, যৌথতায় উত্তরণের চেষ্টা করছে, সেখানে আমি অনুঘটক (সব বিষয়ের ক্ষেত্রেই) হিসেবে থাকতে চাই তাই’।

৩) আপনার বিষয়টি আপনি সম্যক জানেন? পড়ানোর পদ্ধতি বা ক্লাসে আচরণ (আপনার এবং শিক্ষার্থীদের) বা মূল্যায়ণ (পরীক্ষা নয়) নিয়ে আপনি যা যা বলেন তা আপনি পুরো বিশ্বাস করেন? না কি সকলে যা বলছে তাই আপনি মেনে নেন।

৪) আপনি কি ক্লাসের একটা বড় অংশের দিকে খুব একটা নজর দেন না? বকুনি দেবার সময় ছাড়া? আপনি কি জনাকতক বাধ্য, উৎসাহী, মনোযোগী ছাত্রদের নিয়ে ব্যস্ত থাকেন?

৫) ‘আমার কিছু আসে যায় না’-গোছের মনোভাব নিয়ে পড়াতে যান? ‘তোরাই পাশ বা ফেল করবি – আমার আর কী?’ – এই কথাটা ছাত্রদের কখনো আপনি বলেন? ছাত্রদের সঙ্গে ব্যক্তিগত মানবিক স্তরে পারস্পরিক আদানপ্রদান (যাকে তথাকথিত ‘ভালো’ বাংলায় বলে ‘মিথষ্ক্রিয়া’) কেমন? আপনি পড়াবার দৈনন্দিন বিষয় ঠিক করেন কী ভাবে? যৌথ ভাবে পূর্বনির্ধারিত ও পরিকল্পিত ছক অনুসারে। না কি, যেদিন যা মনে হয় সেই মত?

৬) নিজেকে আপনি জানেন তো? চেনেন তো? আধ্যাত্মিক কোনো কিছু বলা হচ্ছে না, নিছক নিজের ভাবনা-চিন্তাকে যথাসম্ভব পরিষ্কার করে জানার কথা বলা হচ্ছে। সেই জানা নিশ্চয় গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু তার চাইতে গুরুত্বপূর্ণ হল খুব ভালো করে জানা যে কেন আপনি এখানে পড়াতে এসেছেন, কী পড়াতে এসেছেন, আর কী ভাবে কী পদ্ধতিতে পড়াতে এসেছেন। মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক বা উচ্চতর পাশ-ফেলের পড়া কি ততটুকুই যতটুকু না হলে চলবে না, না কি ওইটাই সব?

৭) কী প্রয়োজন? একটা সুচিন্তিত শিক্ষাভাবনা। শিক্ষাদর্শন কথাটা একটু বেশি ভারী শোনায়। যে সব কথা নিয়ে ভাবতে হবে সেগুলো এই রকম – কাকে শিক্ষা? কার জন্য শিক্ষা? কী শিক্ষা? কী জন্য শিক্ষা? কেন শিক্ষা? কোথায় শিক্ষা?

৮) কী প্রয়োজন? ভাবা দরকার, শিক্ষা সম্পর্কে আপনার মনে যে সব গভীরভাবে প্রথিত ধারণা আছে (থাকাই স্বাভাবিক) সেগুলি নিয়ে কিছু দ্বিধা আছে কি আপনার মনে? শিক্ষা-শিক্ষার্থী-শিক্ষক ও তাদের প্রকৃতি, আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে আপনি ভাবেন কি? কোন কোন বিষয় বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে আপনি কী ভাবেন? আরও বড় কথা, বিদ্যালয়-ব্যবস্থা, তার সামাজিক ভূমিকা, বা আদৌ কোনো তার ভূমিকা আর আছে কি না, এবিষয়ে ভাবেন কি আপনি? নিশ্চয় ভাবেন, নইলে আপনি শ্রমজীবী বিদ্যালয়ে পড়াতে এসেছেন কেন। সেই ভাবনাকে সুগঠিত রূপ দেবার কাজে আপনার ভূমিকা কী?

৯) আপনি কি আপনার বিষয় পড়ানোর পদ্ধতি এমনভাবে সাজিয়ে নেন যাতে আপনার সহ-শিক্ষাব্রতীরা তা সহজেই আত্মস্থ করে প্রয়োগ করতে পারেন?

১০) আপনি কি মনে করেন শিক্ষার্থীর মনোজগতে শিক্ষাবস্তুকে আবশ্যকীয় করে তোলা, তার সামাজিক ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয়তাকে চেতনায় গভীর বিশ্বাসের স্তরে নিয়ে যাওয়া সম্ভব? শিক্ষক হিসাবে আপনি কি অজানা থেকে জানার জগতে যাওয়ার জন্য সাঁকো তৈরি করে দিতে পারবেন বলে মনে করেন?

১১) আপনার কি মনে হয় কোনো ছাত্রকে পিছনে ফেলে বাকি সকলের এগিয়ে যাওয়া উচিত? সত্যি কি কোনো ছাত্র এত পশ্চাৎপদ হতে পারে যাকে ‘খারাপ’ বলে ‘ফেলু’ ছাত্র বলে দেওয়া যেতে পারে? না কি শিক্ষকের কাজ এক একজন ছাত্রের যে এক একটা পছন্দ আর জোরের এলাকা থাকতে পারে যেটা খুঁজে বার করে প্রত্যেককে একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যায়? মনে হয় কি যে এক একজন ছাত্রের এগোনোর গতি এক এক রকম হতে পারে নানা কারণে? গতির সেই বিভিন্নতা চিহ্নিত করা শিক্ষকের দায়িত্ব?

১২) আপনার কি মনে হয় – ক) শিক্ষকদের প্রত্যেক ছাত্রের সংস্কৃতি সম্পর্কে সংবেদনশীল হতে হবে? খ) শিক্ষকদের মানা দরকার যে প্রত্যেক ছাত্রই সফল হতে পারে, তার নিজস্ব লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে? গ) শিক্ষককে শিক্ষার্থীদের এক সম্প্রদায় গড়ে তোলার চেষ্টা করা উচিত? ঘ) শিক্ষকদের সব সময় নতুন কিছু শেখার জন্য তৈরি থাকা দরকার? ঞ) শিক্ষণ পদ্ধতিতে সব সময় বৈচিত্র আনার চেষ্টা করা উচিত? চ) প্রত্যেকটি ছাত্রকে ঘনিষ্ঠ ভাবে চেনা উচিত? তাদের পরিবারগুলির কাছাকাছি যাবার চেষ্টা করা উচিত? ছ) নিজেরা চিন্তাশীল আর অন্তর্মুখী হয়েও ছাত্রদের জন্য মন খোলা হওয়া উচিত?

১৩) শিক্ষকদের প্রযুক্তিগত প্রকৌশলগত দক্ষতা – অন্তত কাজ চালাবার মত – থাকা উচিত?

১৪) মনে হয় কি যে শিক্ষকরা কখনই
নিজেদের বিচারকের আসনে বসাবেন না।
‘নীতিবাগীশ’ (কদর্থে) হবেন না।
শিশু বা কিশোর কিশোরীদের কাণ্ডকারখানায় সহজে আশ্চর্য/তাজ্জব হবেন না।
নিজেদের পরিত্রাতা মনে করবেন না।
ছাত্রদের উপরে নিজেকে বিজেতা মনে করবেন না।
ছাত্রদের উপকার করছেন মনে করবেন না।

মনে হয় কি যে শিক্ষকরা সব সময়েই

ছাত্রদের আত্মসম্মান আত্মনির্ভরতা বাড়াতে, আরও মানবিক হয়ে উঠতে, যৌথতায় বিশ্বাসী হয়ে উঠতে সাহায্য করাই নিজের কাজ বলে মনে করবেন।
জ্ঞানার্জনে সাহায্য করতে পেরে আনন্দিত বোধ করবেন।
কখনোই নিজেকে ‘ক্ষমতা’র আসনে বসাবেন না।
প্রশ্ন করা, আত্মসমালোচনা করায় উৎসাহ দেবেন।
নিজেও তাই করবেন প্রতি মুহূর্তে।


772 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 20 -- 39
Avatar: cm

Re: আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?

শারীরিক নির্যাতনে দেহে লাগে। আর দেহে ব্যথা না দিয়েও মনে ব্যথা দিলে? আমার মনে হয় ওতে বেশি লাগে।
Avatar: সে

Re: আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?

শারীরিক নির্যাতন এর দরকার কেন? মানসিক নির্যাতনের কথা তো তুলিই নি। নির্যাতন করতে হবে কেন? কোনো নির্যাতনের পক্ষেই তো বলছি না। কম বেশির তুলনাও টানিনি। কিন্তু তারমানে শারীরিক নির্যাতন বন্ধ করার পক্ষে নিশ্চয় কেউ কেউ আছেন? নাকি ভুল ভাবছি। এক নির্যাতনের বিপক্ষে বলা মানে অন্য নির্যাতনের পক্ষে বলা নয়। ছাত্রদের কি আলোচনা করে, কথার মাধ্যমে কিছু দোষ ত্রুটি বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়? শিক্ষকরা কি সেই পদ্ধতি শিখে নিতে পারবেন না? শারীরিক নির্যাতনেও মনের ওপরে প্রভাব পড়ে বৈকি! শরীরেও ব্যথা লাগে। কোন অধিকারে কোনো শিক্ষক বা মাতাপিতা যথাক্রমে ছাত্র বা সন্তানের সঙ্গে শারীরিক নির্যাতন (সে কম হোক কি বেশি) করে, সেই জায়গাটা জানতে বুঝতে চাইছি।
Avatar: সে

Re: আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?

আর হ্যাঁ, মার খাওয়া একবার অভ্যাস হয়ে গেলে শিশুর মানসিক বিকাশ কি খুব ভালো হবে? এতক্ষণ যা বুঝতে পারলাম, যাদের মার খাবার অভ্যাস আছে তারা এতে খুব একটা দোষের কিছু দেখছেন না। শিশু বয়স থেকেই ভায়োলেন্স জাস্টিফায়েড হয়ে যাচ্ছে।
Avatar: Atoz

Re: আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?

আসলে প্রভু-ভৃত্য, মালিক-সম্পত্তি মাস্টার-স্লেভ টাইপের দ্বৈত সম্পর্কের কালচারে মারধোর ভায়োলেন্স আরো নানারকম উঁচু নিচু নানা মাত্রার ডমিনেশন ডমিনেটেড ব্যাপারগুলো হাওয়া-বাতাসের মতন টেকেন ফর গ্র্যান্টেড।
এটা উপর থেকে সারানো প্রায় অসম্ভব বলেই মনে হয়। পুরো কালচারে জিনিসগুলো তরকারিতে নুনচিনির দানার মতন ছড়িয়ে আছে।
Avatar: aranya

Re: আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?

'বাবা মা টিচার বা অন্য কোনো লোকের অধিকার নেই বাচ্চার গায়ে হাত দেবার'

- এটা তো একশ বার সত্যি। কিন্তু ছোটবেলায় কেউ মারলেই তাকে ঘৃণা করতে হবে কেন?

ঘৃণার ব্যাপারে sm-এর পোস্ট-টা ভাল লাগল।


Avatar: aranya

Re: আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?

ছোটরা ভালবাসাটাও বুঝতে পারে। বাবার কাছে দু একবার মার খেয়েছি। কিন্তু ভালবাসা এত বেশি পেতাম, ঘৃণার প্রশ্নই আসে না।
আর ঘৃণা করছি না মানে, মারধর-কে লেজিটিমাইজ করছি -এটা অতি সরলীকরণ।

বড়-রা ছোটদের মারুক এটা কখনো ই চাই না। কিন্তু কেউ মারলেই তাকে ঘৃণা করতে হবে - সমীকরণ অত সহজ নয়
Avatar: Atoz

Re: আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?

কেউ মারলে তাকে পাল্টা মার দিতে হবে। সুদে আসলে।

শোধবোধ।
Avatar: aranya

Re: আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?

অ্যান আই ফর অ্যান আই মেকস দ্য ওয়ার্ল্ড ব্লাইন্ড
Avatar: Atoz

Re: আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?

অ্যান আই ফর অ্যান আই
আ টুথ ফর আ টুথ
আ হ্যান্ড ফর আ হ্যান্ড
আ ফিঙ্গার ফর আ ফিঙ্গার
আ টো ফর আ টো
--
---
---
বাট আ টিট ফর আ ট্যাট।
Avatar: Atoz

Re: আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?

একটা থাপ্পড় মেরে কেউ যদি বলে "তোর ভালোর জন্যই মারছি যাতে তুই আর আবাধ্যতা না করিস", সঙ্গে সঙ্গে যদি ঠাঁটিয়ে ঐ প্রহারকারীকে জোড়া থাপ্পড় মেরে বলা হয়, "তোর ভালোর জন্যই মারলাম রে, নইলে তুই একটা অ্যাবিউজার হয়ে যেতিস"---
তাইলে কেমন হয়?
Avatar: Atoz

Re: আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?

ছোটোবেলা মারধোর খেয়ে বড় হতে হতে যারা শুনতে থাকে, "তোর ভালোর জন্যই মারি", তারা জিনিসটাকে রোমান্টিসাইজ করে ফ্যালে, বড় হয়ে তারাই র‌্যাগিং সমর্থন করে, "আহা আমাদের ভালোর জন্যই তো বড়ো দাদারা র‌্যাগিং করছে"। আরো বড়ো হয়ে তারা রেপকেও রোমান্টিসাইজ করতে থাকে, "আহা তোর ভালোর জন্যই তো করছি, নইলে তুই কেমন ব্যাঁকা হয়ে যাচ্ছিস" ---এই অলাতচক্র চলতে থাকে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বইতে থাকে, কোনোদিন শেষ হয় না।
Avatar: aranya

Re: আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?

এই সুইপিং জেনারালাইজেশন, কেউ ছোটবেলায় মার খেলে আর তাই নিয়ে উপদেশ শুনলে সে বড় হয়ে র‌্যাগিং বা রেপ সমর্থন করবে - এসব কি আতোজ সিরিয়াসলি লিখছে? !!

মানুষ সম্বন্ধে এত সহজে এমন একটা কার্য-কারণ সিদ্ধান্তে আসা যায়?
Avatar: Atoz

Re: আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?

অরণ্যদা,
কোনো ব্যক্তি না, কারুর সম্পর্কে না, আমাদের সমাজের ওভার-অল গড় ট্রেন্ড বিষয়ে একটা পর্যবেক্ষণমাত্র।
Avatar: cm

Re: আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?

"বড়-রা ছোটদের মারুক এটা কখনো ই চাই না। কিন্তু কেউ মারলেই তাকে ঘৃণা করতে হবে - সমীকরণ অত সহজ নয়" ঠিক কথা।

ঘৃণা জিনিসটা আগুনের মত নিজেকেও জ্বালায়।
Avatar: q

Re: আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?

আপনার কি মনে হয় যে ছাত্র রা মেধার দিক থেকে এগিয়ে তাদের আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে পথ দেখানো উচিত নাকি "প্রত্যেককে একসঙ্গে " সমান তালে একসঙ্গে নিয়ে চলা উচিত ? যদি একসঙ্গে ঢিমেতালে চলেন তাহলে ওই সব মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের তথা সমাজের ভবিষ্যতের প্রতি অবিচার হলো না ?
Avatar: aranya

Re: আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?

কম মেধাবী ছাত্রছাত্রী-রাও তো সমাজের অঙ্গ
Avatar: q

Re: আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?

কিন্তু কম মেধাবী ছাত্রছাত্রী টি ভবিষ্যতে বড় ডাক্তার হয়ে কঠিন রোগ সরাতে পারবে বা বিজ্ঞানী হয়ে গবেষণা করে মানুষের সমস্যা সমাধান করতে পারবে ? সাম্যের গান গেয়ে মেধাবী ছাত্রছাত্রী দের আরো পড়াশোনার খিদে , কঠিন বিষয় জানার পড়ার অনুসন্ধিত্সা , শক্ত অঙ্ক কষার আগ্রহ যদি ছোটবেলাতেই মেরে দেওয়া হয় তাহলে মানুষ এর ভবিষ্যত বড় অন্ধকার ময় ।
Avatar: cm

Re: আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?

এ অতি জটিল ইস্যু মিনম্যাক্স বনাম ম্যাক্সমিন।
Avatar: aranya

Re: আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?

এটা একটা চ্যালেন্ঞ্জ তো বটেই - বিভিন্ন মানের ছাত্রছাত্রী-দের একসাথে পড়ানো। তবে পথ দেখানো-টা সবার জন্যই হওয়া উচিত। কিভাবে সেটা সম্ভব তা নিয়ে বিতর্ক চলতে পারে।
Avatar: pi

Re: আমি কি নিজেকে ভালো শিক্ষক (না কি বলব জ্ঞানার্জন সহায়ক) বলে মনে করি?


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 20 -- 39


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন