খবর্নয়? (১২ই এপ্রিল)


লিখছেন --- খবরোলা অ্যান্ড কোং


আপনার মতামত         





আজকের "খবর্নয়?' এর বিষয় -- ভোটপর্ব



ভোট বাজার

বিশ্বের সর্ব বৃহৎ গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উৎসব এখন প্রায় দোর গোড়ায়। চারদিকে তাই রীতিমতন সাজ সাজ রব। একশো কোটি মানুষের দেশ যখন, তার জাতীয় উৎসবটাতো তো একটু জাঁক-জমকপূর্ণ হবেই। তো একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক, এই ২০০৯ এর লোক সভা নির্বাচনের খরচা পাতির দিকে। দুই প্রধান যুযুধান দল, অর্থাৎ কংগ্রেস এবং বিজেপির মোট নির্বাচনী খরচ প্রায় ৮০০ মিলিয়ান ডলার ছুঁতে চলেছে। এছাড়াও অন্যান্য যে সব দল বা উপদল আছে, তাদের ও আনুমানিক খরচ প্রায় ২০০ মিলিয়ান (ডলার)। এরপরেও আছে সরকারী খরচ যা প্রায় ৯০০০ কোটির মতন। এই বিপুল পরিমান টাকা খরচ হচ্ছে কিসের জন্য? দেশের আইন কি বলে এই ধরনের মাত্রাহীন খরচের ব্যপারে? উত্তর খুব সহজে পাওয়া যেতে পারে। আসুন, উদাহরণ হিসেবে একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া অন্ধ্র প্রদেশের দিকে।

অন্ধ্র প্রদেশে লোকসভা আর বিধানসভার ভোট হতে চলেছে একসাথে। স্বভাবতই খরচা পাতির হার অনেকটাই বেশি এখানে। তিনটি বড় দল মিলিয়ে তাই ৩৬০০ কোটি টাকা ঢেলে দিয়েছে নির্বাচনের জন্য। এই বিপুল পরিমাণ টাকার প্রায় ৭০% খরচ হবে শুধু মাত্র ভোট কেনার জন্য। এক একটা বিধানসভা কেন্দ্রে দেড় থেকে আড়াই লাখ ভোটার আছেন, যাদের মধ্যে অন্তত ৭০% মানুষ ভোট দেবেন। এদের ভোট কেনার জন্য রীতিমতন প্রাতিযোগিতা চলবে দল গুলোর মধ্যে। প্রতিটা ভোট বিক্রি হয়ে যাবে ২০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে। কোথাও কোথাও ১০০০ টাকা অব্দি উঠবে ভোটের দাম। এর পরেও এসে জুড়বে মদের খরচ এবং অন্যান্য।

ভোটের জন্য এক একজন বিধানসভা প্রার্থীর খরচ দাঁড়াতে চলেছে ২ থেকে ৬ কোটি টাকার মধ্যে। এই খরচ আরো বেড়ে যাবে লোকসভার প্রার্থীদের জন্য। ১০ থেকে ১৫ কোটি টাকা খরচ করবেন এক একজন লোকসভার প্রার্থীরা। যদিও নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুসারে বিধানসভা ভোটে প্রার্থীরা খরচ করতে পারেন ১৫ লাখ এবং লোকসভা ভোটে ২৫ লাখ। প্রশ্ন উঠতেই পারে যে নির্বাচন কমিশনের চোখের সামনে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এই বিপুল খরচের মহা যজ্ঞ তাহলে চলছে কি ভাবে। আসলে ভুত রয়েছে সর্ষের মধ্যেই। সেকসান ৭৭(১), Representation of the Peoples Act ১৯৫১ এর Explanation ১ অনুসারে নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দীদের খরচের হিসেব করবে নির্বাচন কমিশন, কিন্তু হিসেবে আনতে পারবে শুধু মাত্র ঐ প্রার্থী এবং তার নির্বাচনী এজেন্টদের খরচকে। প্রার্থীর হয়ে কোনো তৃতীয় ব্যাক্তি বা ব্যাক্তিবর্গের খরচকে প্রার্থীর খরচের ভেতর আনা যাবে না। আর তাই লাগাম ছাড়া ভাবে খরচ করে, ভোট কিনে 'জন প্রতিনিধি' হতে বাধা নেই কারোর।
বিশদ জানতে চোখ বোলান:
http://www.hindu.com/2009/04/06/stories/2009040660001400.htm
http://timesofindia.indiatimes.com/articleshow/4146208.cms
http://indianelection2009.wordpress.com/2009/03/01/general-elections-spending-could-provide-stimulus-to-economy/#more-30


আদিবাসীর অধিকার

আ--দি--বা--সী-র অ-ধি-কা-র? সেই নিয়ে লড়াই? লিড করছেন লক্ষ্মী ওরাং নামধারী অনার্য ললনা? ঠিক পড়লাম/শুনলাম তো?
নামটা যাঁদের ঠিক মনে পড়ছেনা, একটু স্মরণ করিয়ে দেওয়া যাক। বেশি আগের কথা নয়, এই তো সেদিন, ২০০৭ নভেম্বর। আসামের বেলতলায় কি বেধড়ক মারটাই না খেয়েছিল মেয়েটা। বেদম মার, উলঙ্গ করে মার। কি না, All Adivasi Sudent's Association of Assam আয়োজিত এক জনসভায় গিয়েছিল আসামের আদিবাসী দের SC status এর দাবীতে। হল তো? পরের দিনের টিভি, কাগজে, দেখেছেন নিশ্চই। বেশ ফলাও করেই বেরিয়েছিল । Inquiry commission অবশ্য জনসভাটিকে 'বে-আইনি' আখ্যা দিয়েছেন।

তবু মেয়ে আমাদের একদম দমেনি ! সরকারী চাকরি দু-দুবার ফিরিয়ে দিল,ক্ষতিপূরণ বাবদ এক লাখ টাকাও! নিজের ও ভাইদের বেকারত্ব কে বুড়োআঙ্গুল দেখিয়ে এখন ধ্যান জ্ঞ্যান রাজনীতি । আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে Assam United Democratic Front থেকে প্রার্থী মনোনয়ন পেয়েছিলেন। উদ্দেশ্য, আদিবাসী কন্ঠ কেন্দ্রীয় দরবারে পৌঁছে দেয়া। গত এপ্রিল ৯,২০০৭ বয়সের কারণ(?) দেখিয়ে তা বাতিল করা হয়। ওদিকে প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীর নাগরিকত্ব নিয়ে ধোঁয়াশা থাকুক ,কিচ্ছু যায় আসে না।

কোন আদিবাসীদের কথা বলছেন লক্ষী? এই আদিবাসীরা কারা? মূলত ইংরেজ আমলে ভারতের অন্যান্য রাজ্য থেকে আমদানি করা চা-শ্রমিক। এখন যদিও দাসখত মুক্ত, তবু শিক্ষায় স্বাস্থ্যে,সরকারী বরাদ্দে, ভারতের সবচেয়ে অনগ্রসর শ্রেনীর অন্যতম। অনেকের বাসস্থান ঠিক নেই। নির্বাচনের প্রাক্কালে লক্ষ্মী ওরাং রা চেষ্টা করছেন, এদের লড়াই সামনে নিয়ে আসতে, রাজনীতির মূলধারায়।

http://infochangeindia.org/200904097686/Human-Rights/Changemaker/Laxmi-Orang%E2%80%99s-fight-for-justice.html


ভোটার্নয় ?

ভোট আসছে হনহনিয়ে। এবছর গুগলিয়েই পেতে পারেন নিজের কেন্দ্রে প্রার্থীর নামধাম, টাকাপয়সার হিসেব। জানতে পারেন কদিন তিনি সংসদে গিয়েছিলেন আর কদিন বায়োস্কোপে। কিন্তু সব তথ্যই কি আর জানা যাবে? লক্ষ্মণ শেঠের ক্রিমিনাল রেকর্ড দেখতে পাবেন? না। অবশ্য হ্যাঁ হলেই বা কি ? দিনের শেষে কালুপ্রসাদ নয় ভালুপ্রসাদ, একজনের চপেটাঘাত তো হজম করতেই হবে। দুজন একসাথে হারবে না।

এইসব টুকরো-টাকরা জিনিস নিয়ে চুপচাপ মামলা-মোকদ্দমা চলছে। অনেকটা চোখের আড়ালেই। কোনো নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে একজনও গ্রহণযোগ্য না হলে তাদের যুগপৎ অর্ধচন্দ্র দেওয়ার উপায় যে ভোটারদের হাতে থাকা উচিত, এই ধারণা থেকেই ২০০৪ সালে সুপ্রীম কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলায় পেশ হয় নেতিবাচক ভোটের প্রস্তাব। নেতিবাচক ভোটের একটা উপায় চলতি নির্বাচন পদ্ধতিতে আছে বটে, কিন্তু তাতে ভোটদাতার পরিচয় গোপন থাকে না। পোলিং অফিসারেরাও এতে প্রচুর বেগড়বাঁই করে থাকেন, বাড়তি কাজ করতে হয় বলে।

আইন কমিশনের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সংশোধন সংক্রান্ত ১৭০তম রিপোর্টে নেতিবাচক ভোট প্রস্তাবের স্বপক্ষে বলা হয়েছে - এতে রাজনৈতিক দলগুলিকে চাপে রাখা যাবে। অনেকে মনে করছেন - নেতিবাচক ভোট সংখ্যাগরিষ্ঠ হলে তার ভিত্তিতে পুনর্নির্বাচন বাধ্যতামূলক হবে কিনা - তার উপর নির্ভর করবে এর সাফল্য। প্রত্যাশিতভাবেই এই প্রস্তাবের বিরোধিতা আসে সরকার ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলির তরফ থেকে। সাধারণ নাগরিকের হাতে এইসব বাড়াবাড়ি রকমের ক্ষমতার ব্যাপারে সরকারি উদ্বেগ অবশ্য এই প্রথম নয়। এর আগে ২০০০ সালে দিল্লী হাইকোর্টের রায়ে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয় - প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কোন ক্রিমিনাল চার্জ বা চলতি মামলা থাকলে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। এর বিরুদ্ধে ভারত সরকারের আবেদন খারিজ হয় সুপ্রিম কোর্টে। জবাবে জুলাই ২০০২এ সর্বদলীয় সমর্থনে একটি বিল পাস হয়, প্রার্থীদের সম্বন্ধে তথ্যপ্রকাশের স্বাধীনতায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাটছাঁট করে। মার্চ ২০০৩এ অবশ্য সুপ্রিম কোর্ট সেইসব পরিবর্তনগুলিকে অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়ে ফের উলটে দেয়।

গত ২৩শে ফেব্রুয়ারি, জনমতের ভিত্তিতে নেতিভোটের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের আর্জি ও সরকারি পিপুফিশুর পাঁচ বছর পরে নেতিভোটের প্রস্তাব সুপ্রীম কোর্টের দুই সদস্য বেঞ্চের পক্ষ থেকে সুপারিশ করা হয় একটি বৃহত্তর সাংবিধানিক বেঞ্চের কাছে। সাংবিধানিক বেঞ্চের রায় কি হয়, সেটাই এখন দেখার।

সূত্র:
১) http://www.indiatogether.org/2009/mar/gov-negvote.htm
২) http://www.indiatogether.org/2003/mar/law-ncerscverd.htm
৩) http://economictimes.indiatimes.com/articleshow/4243465.cms


বিদর্ভে ভোট

১৯৯৭ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে এখানে ৩৪,৪২৮ টি আত্মহত্যার ঘটনা সরকারী হিসেবে পাওয়া যায়। ২০০৬ সালে সাংবাদিক পি সাইনাথ যখন নিউ ইয়র্কে এখানকার কৃষক আত্মহত্যার পরিসংখ্যান জানান, সারা পৃথিবী স্তম্ভিত হয়ে যায়। তারপরে তিন বছর কেটে গেছে। ২০০৬ এর পরে আবার নতুন ভোট উৎসবের দামামা বেজে উঠেছে। সেই বিদর্ভে, ১৯৯৭ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে যেখানে ৩৪,৪২৮ টি আত্মহত্যার ঘটনা সরকারী হিসেবে পাওয়া যায়।

ভোট ভোট আসে, ভোট যায়, শুধু বিদর্ভের তুলোচাষীদের অবস্থার কোনো উন্নতি হয় না। তুলোচাষীরা নিজেদের লড়াই নিজেদের মতো করেই লড়ছেন, লড়েছেন। প্রথমে লড়াইটা ছিল গণতান্ত্রিক পথে। ভোট দিয়ে বদলানোর লড়াই। ২০০৬ সালে কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত বিদর্ভে ১১টার মধ্যে ১০টা কেন্দ্রেই পরাজিত হয় কংগ্রেস। নেতৃত্ব নড়ে চড়ে বসেন। ১৪০০০ কোটি টাকার ঋণ মকুব করার স্কিম ঘোষিত হয়। মৃত চাষীদের পরিবারকে দেওয়া হয় ১ লাখ টাকা করে। কিন্তু সমস্যার কোনো দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করা হয়নি। ২০০৬ সালে জেতা বিজেপির সাংসদরাও তুলোচাষীদের অবস্থার উন্নতির জন্য বিশেষ কিছুই করেননি।

ফলে, তিন বছর বাদেও বিদর্ভ সেই একই তিমিরে। দেহগাঁও গ্রামে শেষ দু বছরে দশজন কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। আর দেহগাঁও সহ ইয়েভেতমাল এলাকার প্রায় ১০টি গ্রামের মানুষ এবারে ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছেন। কি বলছেন তাঁরা? আত্মঘাতী এক কৃষকের মা, শান্তিদেবীর কন্ঠে আক্ষেপের সুর -- রাজনীতিবিদরা ভোট চাইতে আসে, তারপর চলে যায়। তাদেরকে আর আমরা দেখতে পাই না।

মূল খবরটি পাবেন এখানে:
http://www.ndtv.com/convergence/ndtv/story.aspx?id=NEWEN20090090289

প্রসঙ্গত, নেতাদের খিল দেওয়া কানে না পৌঁছলেও বিদর্ভের কৃষকদের দুরবস্থা নিয়ে বহুদিন ধরে লিখে যাচ্ছেন সাংবাদিক পি সাইনাথ। এখানে পাবেন বিদর্ভ নিয়ে লেখা সাইনাথের কলামগুলির সংকলন

http://www.indiatogether.org/opinions/psainath/vidharbha.htm


ভ্রাম্যমাণ শ্রমিকের ভোটাধিকার

প্রতিবছর-ই প্রচুর কর্মক্ষম মানুষ উড়িষ্যার বিভিন্ন খরা-দুর্গত জেলা ছেড়ে ভারতের অন্যান্য প্রান্তে কাজের সন্ধানে চলে যান, মূলত: দারিদ্রের কারণে। অফিসিয়াল রেকর্ডে দেখা যাচ্ছে, গতবছর বলংগিরের ৪০০০০ এরও বেশী লোক কাজের সন্ধানে বাইরে গ্যাছেন। অবশ্য, উড়িষ্যার অন্যান্য অংশ থেকেও এই কাজের সন্ধানে বাইরে যাওয়ার ঘটনা দ্যাখা যাচ্ছে। গঞ্জমের ১.২৬ লক্ষ মানুষ সরকারী হিসেব মতে বাইরে কাজ করতে গেছেন। যদিও প্রকৃত সংখ্যাটি সরকারী তথ্যের থেকে অনেকটাই বেশি। আর, এই বিপুল সংখ্যক মানুষের ন:ষধয়ড়-এর ফসল তোলে রাজনৈতিক দলগুলি। বাইরে থাকা ভোটারদের বেশিরভাগ-ই ভোট দিতে নিজের অঞ্চলে ফিরতে পারেন না, কিন্তু তাঁদের মধ্যে বড়ো অংশের ভোট-ই দলগুলির বদান্যতায় ব্যালটবাক্সে ঢোকে।
(http://www.expressbuzz.com/edition/story.aspx?Title=Absence+makes+the+vote+grow+stronger&artid=7MqOOwyrDAs=&SectionID=AMqePYI/D30=&MainSectionID=AMqePYI/D30=&SEO=Orissa&SectionName=r|6ubJhvSMue9wsQ1WPQJg==)

আশার কথা যে এবছরে অনুপস্থিত ভোটারদের একটা লিস্ট বানানো হচ্ছে ভুয়ো ভোট এড়াতে।

অর্থনৈতিক মন্দার জন্যে পুনের কাছে শিরুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটার অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। এমনিতে এই অঞ্চলটিতে অটোমোবাইল ও তার সহায়ক বিভিন্ন ক্ষুদ্রশিল্পে প্রায় ৬ লক্ষ লোক নিযুক্ত ছিলেন, বর্তমানে যাঁদের মধ্যে প্রায় একলক্ষ কর্মচ্যুত। এঁদের সমস্যা নিয়ে ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (যারা ওখানকার বেশিরভাগ শ্রমিক ইউনিয়নগুলি চালাতেন) গত তিনমাসে একটি মিটিং-এর বেশি কিছুই করে উঠতে পারেন নি- যদিও ভোটের হাওয়া বুঝে প্রতিশ্রুতি আসছে শিবসেনার দিক থেকে। কিন্তু, মোটের অপর এই বিশাল সংখ্যার মানুষের না থাকা, সেখানকার ভোটের ফলাফলেও প্রভাব ফেলতে পারে, যা নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজনৈতিক দলগুলি (http://www.expressindia.com/latest-news/migration-casts-slowdown-shadow-on-industrial-voting/445386/) ।

কর্মসূত্রে বাইরে থাকা শ্রমিকদের ভোট দিতে না পারার সমস্যা ভারতীয় গণতন্ত্রের কাছে একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ। পরিচয়পত্র এবং স্থায়ী বাসস্থানের প্রমাণ না থাকায় তাঁদের বেশিরভাগ-ই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন না।এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বর্তমান নিয়ম (যেখানে বাসস্থানের বদলে নিকটবর্তী কোনও ল্যান্ডমার্কের ঠিকানা দিতে হচ্ছে) অন্ধ্রপ্রদেশের প্রায় সাড়ে চারলক্ষ ভোটারকে নথিভুক্ত করতে পেরেছে, যদিও গোদাবরীর চরে বসবাসকারী জেলে পরিবারগুলি নিজেদের ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত করতে পারেন নি, কারণ নদীর দুপারে দুটি পৃথক জেলার কোনোটিই তাদের স্বীকৃতি দিচ্ছে না!
(http://www.expressbuzz.com/edition/story.aspx?Title=Marooned+on+an+island+of+little+hope&artid=t15cSM|P8sY=&SectionID=AMqePYI/D30=&MainSectionID=AMqePYI/D30=&SEO=Andhra+Pradesh&SectionName=r|6ubJhvSMue9wsQ1WPQJg==)
April 12, 2009