খবর্নয়? (২৩শে মার্চ)


লিখছেন --- খবরোলা অ্যান্ড কোং


আপনার মতামত         




বাজারচলতি কাগজ বা চ্যানেলগুলির কোণায় পড়ে থাকা এইসব টুকরোগুলি এমনিতে চোখে পড়েনা। মিডিয়ার মার্জিনে পড়ে থাকা সেই সব এবড়োখেবড়ো টুকরোটাকরাগুলি তুলে এনে তৈরি করা হল এই বিভাগ।
শিল্প : আমাদের অতীত
---------------------------

না, কৃষকদের মতন এনাদের আত্ম্যহত্যার কোন সরকারী পরিসংখ্যান পাওয়া মুশকিল। এনাদের কেউ কেউ ঐ সুখচর মোড়ের "সরকার-দা'র মতন খেতে না পেয়ে বিনা চিকিৎসায়ো মারা যান। কেউ আত্মহত্যা করেন। সেইসব টুপটাপ খুচরো ঝরে যাওয়ার ঘটনা কি কোনো অস্বাভাবিক মৃত্যুর তালিকাভুক্ত হয়? মনে হয় না।

এনারা বলতে যাঁরা কারখানার শ্রমিক, ছিলেন। সেইসব লক আউট কারখানা, যারা কাগজে হেডিং হয়, কিছুদিন। তারপর দিন-মাস-বছর চলে যায়, খবরের কাগজে নতুন হেডলাইন ঝলমল করে। আর সেই কারখানার শ্রমিকরা বাঁচলেন না মরলেন সেসব খবর আর আমাদের জানা হয়না। ওসব আমাদের জন্য নয়।

তবে কেউ কেউ রাখেন বটে সেসব খবর। লিপিবদ্ধও করেন । নাগরিক মঞ্চের এই গবেষণাধর্মী প্রতিবেদনটির মতন।
http://sanhati.com/front-page/1233/


এই লেখা তাঁদের নিয়ে, আত্ম্যহত্যার সহজ পথ যাঁরা বেছে নিলেন না। অনাহারে মৃত্যুর কঠিন পথ এঢ়াতে যাঁরা এখনো বেঁচে থাকার কঠিনতর পথ খুঁজে বেড়াচ্ছেন, কেউ গামছা বেচে, কেউ সিকিউরিটি গার্ডের উর্দি চড়িয়ে, কেউ সকালে পুরুতগিরি করে তো দুপুরে ডাব্বা বয়ে দিয়ে। আর সেখানেই জানা যায়, এসব করেও এনাদের বেশিরভাগের রোজগার ই দশ বারো বছর আগে কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার সময়কার মাইনের ধারে কাছেও পৌঁছয় না, যেখানে বেঁচে থাকার খরচ প্রতিদিন ই আগের দিনের চেয়ে বেশি।

তবু এনারা বাঁচেন, আশায় পকেট ভরে। কারখানা আবার খোলার দুরাশা সবাই না করলেও, বাকি মাইনে, বকেয়া প্রভিডেন্ড ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, বোনাস, লোসার বেনিফিট বাবদ নিজেদের ন্যায্য প্রাপ্যটুকু পাবেন , অন্তত সেই আশায়। ঐ "সরকার-দা'র মতন মরতে চান না এনারা, বিনা চিকিৎসায় মরার সময় যাঁর Hindwire কোম্পানি থেকে আইনত পাওনা ছিল পঁচাশি হাজার টাকা।

প্রতিবেদনটি আমাদের জানায়, যে, বেণী লিমিটেডের ১৩০০ র মধ্যে প্রায় ৪০০ জন মারা গেছেন আত্ম্যহত্যা করে, খেতে না পেয়ে, চিকিৎসার অভাবে, কিন্তু বারো বছর ধরে চলা আইনি লড়াই তিন কোটি টাকার বরাদ্দ পি এফ অন্তত আদায় করে দিতে পেরেছে। হয়তো সেজন্য ই হাল ছাড়েননা মোহিনী মিলের প্রাক্তন শ্রমিকরা, যাঁদের পাওনা বারো কোটি টাকার ও বেশি কি বাসন্তী কটন মিলের লোকজন, যেখানে বাকি পড়ে আছে তিন কোটির বেশি টাকা। অথবা মেটাল বক্স পাঁচশো শ্রমিক এখনো তাঁদের পি এফ এর পাঁচ কোটি টাকা পাবার লড়াই চালিয়ে যান, আরো পাঁচশো যখন অনাহারে বা আত্মহত্যায় মৃত।

যদিও এইসব তথ্য আইনি পথে তেমন আশার আলো দেখায় না। যেমন, আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে রাতারাতি জমির ভোল বদলে বঙ্গোদয় কটন মিলের জমি বেচে তৈরি যায় পিয়ারলেস আবাসন, কিন্তু বকেয়া বাকি থেকে যায়। যথাপূর্বং। স্মল টুলস ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানীর জমিতে বানানো হতে থাকে 'কাঁকুড়গাছির উচ্চতম লাক্সারি অ্যাপার্টেমেন্ট'। আর শ্রমিকদের পি এফ এর ২.৮৫ কোটি টাকা পাবার আশা দূর অস্ত ই থেকে যায়।

মেটাল বক্সের ম্যানেজমেন্টের অসাধু উপায়ে জমি বিক্রির খবর বিধায়ক মারফত পেয়েও নীরব থাকেন শিল্পমন্ত্রী। ম্যানেজমেন্টের দেওয়া পি এফ চেক বাউন্স ব্যাক করে, এফ আই আর দাখিল করলেও কোনো অ্যাকশন নেওয়া হয়না। নতুন মেশিন কেনার নামে অ্যামকোর পুরানো মেশিন বেচে দ্যায় কর্তৃপক্ষ, যে নতুন দেখা দ্যায়নি আজ অবধি। হাই কোর্টের আদেশ অমান্য করা হয় পদে পদে। বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে ইত্যাদি।

এইসব কারখানা বন্ধ কেন? না, চাহিদা নাই, তদ্বজনিত কারণে রুগ্ন, অত: লক-আউট । লক-আউটের পিছনে মালিকপক্ষের এই চিরাচরিত সুবিধাবাদী যুক্তি যে কত অসার তার প্রমাণ লেখাটির বহু তথ্যে। একটি ছোটো উদাহরণ, রবীন্দ্রনাথের হাতে উদ্বোধন হওয়া স্বদেশী যুগের সেই বাসন্তী কটন মিল যে বছর চাহিদার অভাবে লক-আউট হয়, তার এক বছর পরের তারিখের একটি চিঠি পাওয়া যায়, পাওয়ার লুম আয়াসোসিয়েশন থেকে, যেখানে জানানো হয় ঐ মিলের কাপড়ের জনপ্রিয়তা ও চহিদার কথা।

সরকারপক্ষের ইউনিয়নের ভূমিকার নমুনা? বেণি লিমিটেডের সিটুর প্রেসিডেন্ত লক্ষ্মী চ্যাটার্জী হাতে নাতে ধরা পড়েন পুলিশের হাতে। মালিকের হাত থেকে এক লাখ টাকা ঘুষ নেবার সময়।

কারখানা খোলার ব্যাপারে সরকারী হস্তক্ষেপের নমুনা ? মুখ্যমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের তারকাখচিত উপস্থিতিতে পুনরোদ্বোধন হয় 'কোলে বিস্কুট কোম্পানী' র , যদিও একটাও বিস্কুট তারপর বেরোয়নি ঐ কারখানা থেকে। এক ই গল্প সুলেখা ইঙ্কের ও। আর আরো অনেক কারখানার ই।


সামগ্রিকভাবে পুরো চিত্রে একবার চোখ বোলানো যাক। পশিমবঙ্গে প্রভিডেন্ট ফান্ডের আওতায় আসেন মাত্র ৮।৭% শ্রমিক, আর তার মধ্যেও এই বাবদ প্রাপ্য টাকা গত পনের বছরে তিন গুণ হয়েছে, ২০০৩-০৪ এর হিসেবে প্রয় সাড়ে তিনশো কোটি টাকা বাকি। পি এফ বোর্ডের ট্রাস্টিদের বিরুদ্ধে আজ অব্দি একটাও কোনো কেস নেই। এমপ্লয়ি স্টেট ইন্সিওরেন্স স্কীমের গত চোদ্দ বছরের হিসেবতাও একটু দেখে নেওয়া যাক। এর আওতায় আসা শ্রমিকের সংখ্যা কোমেছে সাত লাখ আর অনাদায়ী টাকার পরিমাণ বেড়েছে আটষট্টি কোটি। কর্পোরেশেনাএর নিজের আয় যে চল্লিশ কোটি টাকা বেড়েছে সে অবশ্য খালি ছিদ্রান্বেষীদের ই চোখে পড়বে। ন্যূনতম ভাতা যেখানে প্রতি চার বছর অন্তর সংশোধন হওয়ার কথা, গত কুড়ি বছরে কুড়িটা জীবিকায় তা নিয়ে কোন উচ্চবাচ্য হয়নি, ইত্যাদি ইত্যাদি।

কি, শিল্প আমাদের ভবিষ্যত বলতে একটু গলা কাঁপছে ?



ওবামার গুয়ানতানামো?
--------------------------
zmag এ বেরোনো এই লেখাটা পড়তে গিয়ে মনে পড়ে যায় ২০০৭ এর একটা সিনেমা। Rendition । ছবির শুরুতে ওয়াশিংটন এয়ারপোর্ট থেকে উধাও হয়ে যান এক মিশর জাত এবং আমেরিকাতে পড়াশুনো করে বড় হওয়া কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার - আনওয়ার এল ইব্রাহিমি। জানা যায় কোন একটি দেশে একটি সুইসাইড বম্বিং এর মূল পাণ্ডা রশিদ এর ফোন এসেছিল আনওয়ারের সেল ফোনে। সেই সূত্র ধরে সি আই এ extraordinary rendition নামক একটি সন্ত্রাসদমন ধারায় আনওয়ার কে ধরে নিয়ে যায় সেই দেশের কোন একটি গোপন কারাগারে। কাকপক্ষীটিও টের পায় না। আনওয়ারের আমেরিকান স্ত্রী-ও না। কোনো আইন আদালতের গল্প নেই, বাইরের দুনিয়ার থেকে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, এমন একটা অবস্থায় শুধুমাত্র সন্দেহের বশে একটি লোককে দিনের পর দিন আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের নামে তাঁর উপর অকথ্য অত্যাচার চালানো হয়। অত্যাচারের মুখে প্রথমে না ভাঙলেও শেষ পর্যন্ত আনওয়ার কিছু সন্ত্রাসবাদীর নাম দেয়। তদন্তকারী একটি তরুণ আমেরিকান অফিসারের প্রথম থেকেই আনওয়ারকে নির্দোষ মনে হত। কিন্তু উপরওয়ালার চাপে সে বাধ্য হত ঐ অমানুষিক অত্যাচারের পথকে মেনে নিতে। আনওয়ারের স্বীকারোক্তিতে তার সন্দেহ হয়। সে গুগল করে দেখে আনওয়ার যে নামগুলো দিয়েছে সেগুলো আসলে আনওয়ার যে বছর মিশর ছাড়ে সেই বছরের মিশরীয় ফুটবল টিমের ®খেলোয়ারদের নাম। অত্যাচার করে তথ্য বের করার এই পদ্ধতি নিয়ে কোনো একটি কথোপকথনে সে শেক্সপীয়ারের মার্চেন্ট অফ ভেনিস থেকে কোট করে "I fear you speak upon the rack. When men enforced do speak anything".

গুয়ানতানামো, আবু ঘ্রাইব-এর পর এবার বাগরাম। ২০০২ সালে আফগানিস্তানের একটি পরিত্যক্ত রাশিয়ান এয়ার বেস দখল করে তৈরী হওয়া আর একটি মার্কিন কারাগার। ওবামার গুয়ানতানামো বে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তে যে স্বস্তির আবহাওয়া তৈরী হয়েছিল পৃথিবীজুড়ে তার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই আবারো কিছু অস্বস্তিকর প্রশ্ন তুলে দিল বাগরামের এই কারাগারটি। সুনাম অবশ্য ছিল না কোনকালেই। নিউ ইয়র্ক টাইম্‌স-এর কিছু সাংবাদিকের বানানো একটি ডকুমেন্টারি Taxi to the Dark Side এ জানা গিয়েছিল ২০০২ সালের ডিসেম্বর মাসে সেখানে দুই আফগান বন্দীকে ইউ এস আর্মির প্রশ্নকর্তাদের দ্বারা পিটিয়ে মেরে ফেলার ঘটনা। বুঝতে পারা যাচ্ছিল এরকম মারধর অত্যাচারের ঘটনা সেখানে খুব নতুন কিছু নয়। শোনা যাচ্ছিল সেখানে নাকি সাধারণ বন্দীশালা ছাড়াও রয়েছে সি আই এ-র একটি গোপন কারাগার। কানে আসছিল মিলিটারি অফিসিয়ালরা বলছেন জিজ্ঞাসাবদের কৌশল নাকি গুয়ানতানামো-র চেয়েও বেশী সাফল্য পাচ্ছে বাগরামে। এবং আরো ইন্টারেস্টিং হল,সুপ্রীম কোর্ট যখন ২০০৪ সালে রায় দিল যে গুয়ানতানামো-র বন্দীরা তাঁদের বন্দিত্বকে চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন, তখন থেকে দেখা গেল হঠাৎ-ই বাড়তে শুরু করেছে বাগরামের বন্দী সংখ্যা।

কিন্তু এসব তো বুশের সময়কার গল্প। এখন দিন বদলেছে। বদলাচ্ছে পলিসি। কিন্তু সত্যি-ই বদলাচ্ছে কি? বুশের সময়ে কোনো কারগারে কতজন বন্দী আছেন, কি অপরাধে তাঁরা বন্দী আছেন, তাঁরা সবাই সঠিক আইনগত সুবিধা পাচ্ছেন কি না - এমনতরো প্রশ্নের কোনো সদু¤ত্তর পাওয়া যেত না। দু:খজনক হলেও সত্যি যে ওবামার জমানাতেও বাগরামের বিষয়ে কোনো সঠিক এবং সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। সম্প্রতি একজন ফেডের‌্যাল বিচারপতি জানতে চেয়েছিলেন বাগরামে কতজন বন্দী আছেন এবং তাঁদের মধ্যে আফগান নাগরিক কতজন এবং কতজন বাইরের? সেই তথ্যও গোপনীয়তার অজুহাতে জনগণের জন্য প্রকাশ করা হয় নি। বুশ জমানার মতই বাগরামের বন্দীদের হেবিয়াস রাইট অর্থাৎ তাঁদের বন্দিত্বকে চ্যালেঞ্জ করার অধিকার দেয় নি ওবামার ডিপার্টর্মেন্ট অফ জাস্টিস। এবং সবচেয়ে গুরুত্ত্বপূর্ণ হল - বুশ জমানার মতই এখানেও দেওয়া হচ্ছে একই অজুহাত - ওখানে যুদ্ধপরিস্থিতি।

শোনা যাচ্ছে বাগরামের কারাগারের সম্প্রসারণ ঘটছে। আর ইরাক থেকে সেনা সরিয়ে আফগানিস্তানে মজুত করার ওবামা নীতি তো এখন সর্বজনবিদিত। তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই আশংকা জাগছে - বাগরাম কি তবে হতে চলেছে ওবামার গুয়ানতানামো? সম্প্রতি এই প্রশ্ন তুলেছেন নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ ল - এর সেন্টার অন ল এন্ড সিকিওরিটি-র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ক্যারেন জে গ্রীনবার্গ, zmag এর লেখাটিতে : http://www.zmag.org/znet/viewArticle/20830
আর হ্যাঁ। Rendition ছবিটি দেখে নিতে পারেন। হয়তো মন্দ লাগবে না।


পশ্চিমের dump-yard : ভারতবর্ষ
----------------------------------------

নিউ ইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের ধাতব বর্জ্য, ইরাক বা সোমালিয়ার তাজা মিসাইল, কানাডার ফেলে দেওয়া লেড অ্যাসিড ব্যাটারী অথবা ইউরোপের বাতিল হয়ে যাওয়া তেলের ট্যাঙ্কার - এসবের একটা বড় অংশ নিয়মিত আমদানি হচ্ছে ভারতে। গত দুই দশক ধরেই, দক্ষিণ এশিয়া হল শিল্পোন্নত পৃথিবীর ডাস্টবিন। কারন এক, ইউরোপ বা আমেরিকাতে শিল্পজাত বা মিউনিসিপাল বর্জ্য ডিসপোজাল এর খরচা অত্যন্ত বেশি এবং দুই, দক্ষিন এশিয়ার উন্নয়ন-শীল দেশগুলিতে বিষাক্ত বর্জ্য আমদানীর ব্যাপারে সরকারী বা সামাজিক স্তরে কোন সচেতনতা না থাকা। ১৯৯২অবধি পশ্চিমের ফেভারিট ডাম্পিং গ্রাউন্ড ছিল আফ্রিকা। কিন্তু ১৯৯২ সালে বেসেল কনভেনশনে আফ্রিকার দেশগুলি আর বর্জ্য নিতে অস্বীকার করায় পশ্চিমের নজর পড়ে দক্ষিণ এশিয়া - বিশেষ করে ভারতের ওপর। ফলে ১৯৯৩ এর জানুয়ারী থেকে জুলাই এর মধ্যে শুধু ভারতেই ডাম্পিং বাড়ে ৯৭% । ভারত সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০০০ সালে (আইন মেনে) আমদানী করা প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিমান ছিল ৬১০০০ টন। শুধুই কি প্লাস্টিক? সঙ্গে আরও আছে - বিভিন্ন ধাতব বর্জ্য ( তামা, লোহা, সীসা, টিন, পারদ, ইত্যাদি), মেটাল অ্যাশ - যার মধ্যে থাকে ভয়ঙ্কর বেশী মাত্রায় ক্যাডমিয়াম, সীসা, আর্সেনিকের মতো বিষাক্ত ধাতু। আবার এই ধাতব বর্জ্যের সাথে পাচার করে দেওয়া হয় তাজা বিস্ফোরক - যার মধ্যে থাকে ডিপ্লিটেড ইউরেনিয়াম। এ তো গেল ধাতব বর্জ্য। এবার এর সঙ্গে যোগ করুন ইলেকট্রনিক বর্জ্য ও কৃষিজ বর্জ্য। আদালতের হস্তক্ষেপে মাঝে মধ্যে এই সব মাল পোর্ট থেকেই ফেরত পাঠানো হলেও আর কোন চিন্তা নেই। আমাদের পরিবেশ মন্ত্রালয় এবার Hazardous Waste Rules এর উদারিকরণের জন্য একটি নোটিশ দিয়েছেন। নতুন আইন অনুযায়ী বর্জ্যকে পণ্য হিসাবে দেখা হবে, আমদানিতে বাধা থাকবে না, আর আমদানি করা পণ্য যে বিষাক্ত তা প্রমাণ করার দায় এবার থেকে সরকারি সংস্থাগুলির। World's largest dump-yard হয়ে উঠতে ভারতের আর বেশী দেরী নেই।

http://www.thesouthasian.org/archives/2005/waste_dumping_grounds_of_the_w.html
http://www.tehelka.com/story_main37.asp?filename=cr090208Waste.asp

মার্চ ২৩, ২০০৯