খবর্নয়, খবর্দার (আগস্ট ১২)


লিখছেন -- মিঠুন ভৌমিক ও দ্বৈপায়ন বসু


আপনার মতামত         


এ সপ্তাহের খবর্নয় -- লিখছেন দ্বৈপায়ন বসু
------------------------------------

সুইস চীন
---------
সুইজারল্যান্ডের নাম মনে পরলেই ঠিক কোন কোন জিনিসের নাম মনে আসে বলুন তো? সুইস ঘড়ি, সুইস চকোলেট, সুইস আর্মি নাইফ --- ব্যাস ব্যাস, ওখানেই থেমে যান। আপনি ভুল করে ফেলেছেন একটা। সুইস আর্মি নাইফের দিন শেষ। আর্মি নাইফ হয়তো পাবেন এখন থেকে কিন্তু তাকে আর সুইস আর্মি নাইফ বলতে পারবেন না।
আসলে এই সর্বকাজে দক্ষ ছুরি তার কৌলিন্য হারাতে চলেছে শিগ্গির। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই সুইস নাইফের গায়েও দেখা যাবে ছোট্ট করে লেখা "made in china" ট্যাগ।
সুইস আর্মির এই মুহুর্তে দরকার নতুন ৬৫০০০ আর্মি নাইফ। তাই তার জন্য টেন্ডার ডাকার দরকার হয়ে পরেছে। এদিকে WTO র কঠোর নিয়ম কানুন যে, খুব বেশী টাকার কনট্র্যাক্ট হলে সেটা কে বিশ্বের খোলা বাজারের সামনে এনে ফেলতে হবে। তাই আপাতত সুইস আর্মি নাইফ তার সুইসত্ব হারাতে চলেছে। সব কিছু ঠিক ঠাক চললে, ১ . ৭ মিলিয়ন ফ্রাঁ তে টেন্ডার তুলে নেবে এক চাইনিজ কোম্পানি। অবশ্য ঠিক পেছনেই লাইন দিয়ে আছে তাইওয়ান এবং বুলগেরিয়া।
আপ্পাতত সুইস আর্মির কৌলিন্য হারানো নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দেশের রাজনীতি। Swiss People's party র মতে এটা জাতীয় লজ্জা। দেশের ভাবমুর্তি আর সন্মান নষ্ট হচ্ছে এতে। চলছে দোষারোপ এবং পালটা দোষারোপের পালা। পাশা পাশি শুরু হয়ে গেছে ক্যাম্পেন এবং সই সংগ্রহ। WTO এর নিয়ম কানুনের ফাঁক ফোকর খুজতে ব্যস্ত আইনজ্ঞরা।
Victorinox কম্পানি, যারা এতদিন ধরে বানাতো সুইস নাইফ, তারা ও কোমর বেঁধে নামতে চাইছে এই লড়াই তে।
দেখা যাক ছুরির নীল রক্ত শেষ অব্দি কতদিন বজায় থাকে।


নতুন করে পাওয়া
---------------
চীনের Yangtze river ডলফিনের অবলুপ্তি নিয়ে যখন পরিবেশ বিদরা চিন্তিত, ঠিক তখনই তাদের জন্য পাওয়া গেছে একটা নতুন সুখবর। কঙ্গোর পুর্ব দিকে টাঙ্গানিকা হ্রদের আশে পাশের গভীর জঙ্গল থেকে খুঁজে পাওয়া গেছে ৬ রকমের নতুন প্রজাতির প্রানী। এর মধ্যে আছে এক নতুন প্রজাতির বাদুড়, নতুন এক ইঁদুরের প্রজাতি এবং দু রকম ব্যাঙ ও স্রিউ।
কঙ্গোর অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য বহুকাল ধরেই এই দেশে গবেষক দের কাজ কর্মে বাধা পড়তো। ফলে এই দেশের সিংহ ভাগ দখল করে থাকা জঙ্গল গুলো তে কোনো দিন গুরুত্ব সহকারে সার্ভে করা যায় নি। এখন পরিস্থিতি কিছু টা শান্ত হওয়ায় কোমর বেঁধে নেমে পরেছেন বিভিন্ন গবেষকরা।
Wildlife Conservation Society এই বছরের শুরু থেকে টাঙ্গানিকা হ্রদের ধারে সার্ভে শুরু করে। এই কয়েক মাসে, মাত্র এক বর্গ কিলোমিটার সার্ভে করে দেখা মিলেছে এই নতুন অতিথি দের।
এই সাফল্যে প্রচন্ড উৎফুল্ল গবেষকরা। Dr Andrew Plumptre র মতে এই অল্প সময়ে এত টা সাফল্য পাওয়া আশাতীত। উনি নিজেই জানান যে নতুন পাওয়া প্রানী দের মধ্যে আছে একটা ছোট কালো ব্যাঙ, যার জেনাস টাই একদম নতুন।
শুধু নতুন প্রানী নয়, গবেষকরা খুজে পেয়েছেন অনেক নতুন উদ্ভিদ প্রজাতিও। তবে সেগুলো নিয়ে এখনো কিছু মত বিরোধ আছে। আরো কিছু বিশেষজ্ঞদের দিয়ে সেগুলো পরীক্ষা করানোর পরই তাদের লিস্ট বার করা হবে। তবে অনেক বিশেষজ্ঞ বলছেন যে হয়তো এই জঙ্গলে আরো অনেক অজানা প্রজাতি ছিল আগে। ১৯৬০ এর অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতির সময়ে প্রচুর রাজনৈতিক কর্মী এই জঙ্গলে আশ্রয় নেন আর তার পর থেকে শুরু হয় অবাধ চোরা শিকার। ফলে এখন জঙ্গলের ফ্লোরা এবং ফনা আগের থেকে অনেক টাই কম।
এই বছরের পুরোটা জুড়েই WCS এর এই জঙ্গল পরিক্রমন চলবে। হয়তো বছর শেষে আমরা পাবো আরো অনেক নতুন প্রজাতি। খুব আশ্চর্য লাগে, যখন দেখি যে একদিকে প্রজাতি বিলুপ্ত হচ্ছে অন্যদিকে ট্যাক্সোনমির বইরের পাতায় উঠে আসছে নতুনরা।


ম্যাগো :
(কঠোর ভাবে কঠিন হৃদয় ব্যক্তিদের জন্য)
-----------------------------------
চাইনিজ খাবারের কদর তো বিশ্ব জোড়া। চীনা খাবার বলতেই মনে পরে যায় নুডলস, চিকেন আর পর্কের তৈরি দারুন সব লোভনীয় খাবার। সারা পৃথিবীর সব জায়গায় রমরমিয়ে চলে চাইনিজ রেস্টুরেন্টের ব্যবসা। খাদ্য রসিকদের পছন্দের তালিকার একদম ওপরে দিকে থাকে চীনা পদ গুলো। তবে এখন থেকে কোনো চাইনিজ রেস্টুরেন্টে যদি খেতে যান, তবে একটু সাবধানে যাবেন। ভেতরে ঢুকে খুব ভাল করে জেনে আর বুঝে নেবেন খাবার গুলো। ভাবছেন যে হঠাৎ এই সাবধান বানী কেন? তাহলে আসুন, একবার ঘুরেই আসা যাক Guolizhuang রেস্টুরেন্ট থেকে। বেজিং এর অভিজাত এলাকার সবচেয়ে অভিজাত রেস্টুরেন্ট গুলোর মধ্যে এটা একটা। দারুন সাজানো গোছানো। ভেতরে ঢুকলে, এখানেই সময় কাটাতে ইচ্ছে হবে। কিন্তু এত রেস্টুরেন্ট থাকতে হঠাৎ এটা কে নিয়ে পরলাম কেন? সেটা বুঝতে হলে, একটি বার চোখ বোলাতে হবে রেস্টুরেন্টের মেনুর দিকে।
ঐ যে দুরের টেবিলের ভদ্রলোক, চপস্টিক নিয়ে একা একা খেয়ে চলেছেন , সামনে প্লেট ভর্তি করে রাখা দারুন লোভনীয় রসালো একটা খাবার, ওটি কি বলুন তো?
ওটি রাশিয়ান কুকুর।
আরে সে তো কোরিয়াতেও খায়, এমনকি আমাদের দেশেও খায়।
ওটি আসলে সর্ব জন ভোগ্য কুকুরের মাংস নয়। ওটি রাশিয়ান কুকুরের পুরুষাঙ্গ। আর পাশে আলু সেদ্ধ বলে যেটাকে মনে হচ্ছিল, সেটা আসলে টেস্টিকলস, সসে ভেজানো আছে।
নাক কোঁচকাবার আগে জেনে নিন যে, কুকুরের পেনিস এই রেস্টুরেন্টের সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার গুলোর মধ্যে অন্যতম। ভাবছেন অন্য কিছু খাবেন ? তবে দেখুন ঐ যে টেবিলের ওপর রাখা আছে একটা দারুন দেখতে খাবার, পাশে গাজরের স্যালাড, ওটি আসলে কুমীরের পুরুষাঙ্গ। যদি একান্তই কুমীর চাখতে না ইচ্ছে হয় তবে অন্তত চোখে দেখে নিন।
সত্যি এই সুযোগ আর পাবেন না। এটি আসলে চীনের একমাত্র পেনিস এম্পোরিয়াম। ১৯৪৯ সালে Mr Guo নামে এক ভদ্রলোক তৈরি করেন এটি। চীনা চিকিৎসাশাস্ত্রে প্রচন্ড উৎসাহ ছিল এনার। আর চৈনিক শাস্ত্র মতে যৌবন ধরে রাখার একমাত্র উপায় হলো অন্য প্রানীর পুরুষাঙ্গ ভক্ষন। তাই দেশের মানুষের যৌবন ধরে রাখার জন্য তৈরি হয় এই রেস্টুরেন্ট। এখানে প্রাচীন পদ্ধতি তেও পুরুষাঙ্গ খেতে দেয়া হয়, অর্থাৎ সম্পুর্ন কাঁচা অবস্থাতে। আবার নানা ভাবে রান্নাও করা হয় এখানে।
এক ই ছাদের তলায় পেয়ে যাবে আচার এ ডোবানো ষাঁড়, ভেড়া আর ঘোড়ার পেনিস। এক প্লেটে যদি দেখেন পাশা পাশি দুটো পেনিস সাজানো আছে, তবে বুঝবেন আপনি সাপের পুরুষাঙ্গ খেতে চলেছেন। আর ভাগ্য যদি সু প্রসন্ন হয় তবে প্লেট ভর্তি কালো সসে ডোবানো মাঞ্চুরিয়ান রেনডিয়ারের যৌনাঙ্গ এসে যাবে আপনার টেবিলে। সাথে গলা ভেজানোর জন্য পাবেন হরিণের রক্ত আর ভদকার ককটেল।
সারা বছর এখানে ভীড় লেগে থাকে। চীনের অভিজাত ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সরকারী আমলারাও আসেন এখানে। তাঁদের জন্য আলাদা VIP কেবিনের ব্যবস্থা। দু হাতে টাকা ওড়ান এঁরা, পুরুষাঙ্গের লোভে। বাঘের পুরুষাঙ্গ বিক্রি হয় ৬০০০ ডলারে। তবে দামের জন্য খরিদ্দারের অভাব হয় না কোনোদিন। ভীড় সামলাতে হিমসিম খেতে হয় কর্তৃপক্ষ কে। পুরুষাঙ্গ লোভী দের সংখ্যা ক্রম বর্ধমান চীনে।
এতকাল ধরে যৌনাঙ্গ নিয়ে আমাদের দেশের ছুৎমার্গ দেখে হেসেছি, এই প্রথম বার মনে হচ্ছে "ভাগ্যিস !! "




এ সপ্তাহের খবর্দার -- লিখছেন মিঠুন ভৌমিক
---------------------------------------

বাঁদরের মনুষ্যত্ব
--------------
জাদুকরদের টুপির তলা থেকে খরগোশ বের করে আনতে দেখা যায় প্রায়শই। কিন্তু আস্ত একটা বাঁদরকে টুপির তলায় লুকিয়ে রাখা? এবং তারপর প্রকাশ্য দিবালোকে সবার চোখ এড়িয়ে তাকে নিয়ে প্লেনে ওঠা? আমেরিকার মত নিরাপত্তার বজ্র আঁটুনির দেশে এমনটাই ঘটিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন জনৈক ব্যক্তি।
নাটকের সূত্রপাত গত মঙ্গলবার। সেদিন পেরু থেকে একটি বিমানে ফ্লোরিডা এসে পৌঁছান ঐ ব্যক্তি, সাথে ছোট্ট একরত্তি বাঁদরটাও ছিল। কিন্তু কিভাবে সবার চোখ এড়িয়ে তিনি সমস্ত চেকিং এর বাধা টপকালেন, সে এক রহস্য। এরপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে ঐ এয়ারপোর্ট থেকেই নিউ ইয়র্কগামী একটি বিমান ধরেন তিনি। এবং ক্লাইম্যাক্স শুরু হয়।
চলন্ত বিমানে কয়েকজন যাত্রী লক্ষ্য করেন, একটা ক্ষুদে বাঁদর ভদ্রলোকের টুপির তলা থেকে বেরিয়ে ইতিউতি চাইছে। তক্ষুনি জানতে চাওয়া হয় ওটি তিনি সাথে করে প্লেনে তুলেছেন কিনা। উত্তর পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। কিন্তুু ভদ্রলোক তেমন কোন গোলমাল করেননি বাধা পেয়ে। আর বাঁদরটিকেও বেশ ""শিক্ষিত"" বলেই মনে হয়। সে চুপটি করে পাশের সিটেই বসেছিল বাকি যাত্রাপথ। ঐ ফ্লাইটের যাত্রীরা দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েছেন তাকে।
নিউ ইয়র্ক পৌঁছানো মাত্র বাঁদরটির মনিব গ্রেপ্তার হন। তাঁকে এখন জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, বাঁদরটিকে কোন চিড়িয়াখানায় রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে তার একটা নামও ঠিক হয়েছে। আগাগোড়া ""মানুষের"" মত ( কিংবা তার থেকেও বেশি) ভদ্র সভ্য ব্যবহারের জন্য সেই শাখামৃগের নাম রাখা হয়েছে স্পিরিট।

নিয়মানুবর্তিতার বিপদ
------------------
কাজে সময়মত না পৌঁছানোর জন্য আমাদের মাঝেমধ্যেই বসের লালচোখ দেখতে হয়। কখনো বা দু একটা হালকা বা ভারী বকাও শুনতে হয়। কিন্তু সময়মত কাজে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করে হাজতবাসের ঘটনা এর আগে শোনা যায়নি বোধহয়। ডেট্রয়েটের কাছে এক মোটরবাইক আরোহী স্পিডিং এর জন্যে পুলিশের খপ্পরে পড়েন। সেই উচ্চাকাঙ্খী সম্ভবত কোন বৃহত্তর ক্ষেত্রের প্রস্তুতি হিসেবে ফ্রি-ওয়েকে বেছে নিয়েছিলেন, এরকমই সন্দেহ পুলিশের। কারণ সেই ব্যক্তি ঘন্টায় ১৩৭ মাইল স্পিডে বাইক ছোটাচ্ছিলেন তখন। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদের সময় স্পিডিং এর কারণ শুনে শেরিফ তাজ্জব! কর্মস্থলে পৌঁছাতে দেরি হবে বলেই নাকি অমন পাগলের মত ছুটছিলেন ঐ বাইকার। তাও আবার ভোর সাড়ে তিনটের সময়। ভাবা যায়?
এইসব তথ্য দিয়ে কাউন্টি শেরিফ জেমস জানিয়েছেন, ""স্পিডিং এর ক্ষেত্রে এটা নতুন রেকর্ড। যখনই কেউ ঘন্টায় ১০০মাইলের বেশি বেগে চলে, আমরা টুকে রাখি। এইটা আগের সবকটা স্পিডিং এর ঘটনাকে ছাড়িয়ে গেছে।"" তবে এই ""কৃতিত্বে"" সংশ্লিষ্ট কৃতি ব্যক্তিটি কতটা খুশি হয়েছেন সে খবর জানা যাচ্ছেনা।

টুকরো খবর
----------
স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করে সাত-সাতটি বছর স্রেফ পার্কিং লটে গাড়ির মধ্যে কাটিয়ে দিলেন পিটসবার্গের স্টিভ গ্রাহাম। গ্রাহাম বেকার বলে নাকি তাঁর স্ত্রী তাকে খেদিয়ে দিয়েছেন, এমনটাই তাঁর বক্তব্য। কিন্তু পড়শিরা অন্য কথা বলছে। স্টিভের জীবনযাত্রার ধরণ নাকি সুবিধের নয়, তার প্রচুর বদনাম। তার ওপর পার্কিং লট লাগোয়া যাঁর বাড়ি তাঁরা বেমক্কা প্রতিবেশি পেয়ে বেজায় চটেছেন। সবাই মিলে মামলা ঠুকে দিয়েছেন, এবার সুবিচারের অপেক্ষা খালি। তারপরেই গ্রাহামের শেষ আশ্রয়টুকু নিয়েও টান পড়বে।

মাথা কেটে নেওয়ার পরেও কামড়ালো সাপ। অবাক করা এই ঘটনা ঘটে গেছে ওয়াশিংটনে। মি: অ্যান্ডারসন আর তাঁর পুত্র বেঞ্জামিন মিলে একটা র‌্যাটল স্নেকের মোকাবিলা করছিলেন। শাবল দিয়ে বেঞ্জামিন সাপের মাথাটা কাটতেই তিনি সেটা হাতে তুলে নিতে যান। আর তক্ষুনি সেই কাটা মাথা ছোবল মারে। তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ায় অবস্থা আয়ত্তের বাইরে যায়নি। তবে ঐটুকু সময়েই বিষ ছড়িয়ে পড়ার লক্ষণ স্পষ্ট হচ্ছিল। যাই হোক, আপাতত মানে মানে প্রাণে বেঁচে খ্রীষ্টনাম স্মরণ করছেন ভদ্রলোক।

দারুণ সাহসের পরিচয় দিয়ে খালি হাতেই একটি রেকুন মেরে ফেললেন এক ভদ্রমহিলা। জঙ্গলের পথে একদল বাচ্চাদের সাথে হাঁটতে হাঁটতেই হঠাৎ ঐ মাংশাসী জন্তুটির সামনে পড়ে যান তিনি। একটি বাচ্চা জখমও হয়। তবে অন্য কাউকে আক্রমণ করার আগেই ঐ বীরাঙ্গনা এগিয়ে যান। এবং সবাইকে উদ্ধার করেন। এখন মুশকিল হল, এরকম একটা সাহসিকতার জন্যে তাঁর একটা খেতাব পাওয়া উচিত। কিন্তু রেকুনের সাথে জুড়ে একটা যুৎসই নাম দিলে তিনি কতটা পছন্দ করবেন, সেইটা বোঝা যাচ্ছেনা।


আগস্ট ১২, ২০০৭