খবর্নয়, খবর্দার (আগস্ট ৫)


লিখছেন -- মিঠুন ভৌমিক ও দ্বৈপায়ন বসু


আপনার মতামত         


এ সপ্তাহের খবর্নয় -- দ্বৈপায়ন বসু
----------------------------
গানে গুগল ভরিয়ে দেবে
-------------------
ইন্টারনেট আসার পর থেকে গানের জগতে সত্যি একটা বড় সড় পরিবর্তন এসে গেছে। আগে পুরনো কোনো গান হঠাৎ শোনার ইচ্ছে হলে, যেতে হত ধর্ম তলার ক্যাসেটের দোকানে, না হলে পাড়ার কোনো দাদা, কাকার কাছে, যার কাছে পুরনো ক্যাসেটের কালেকশান আছে। কিন্তু সেই দিন আর নেই।

এখন তো গুগল খুলে সার্চ মারলেই পাওয়া যায় সব রকমের গান। সে ইউরোপের কোনো প্রান্তের জিপসি মিউজিক হোক বা 'ভুলে যাওয়া হিমাংশু দত্তের' গান হোক। কপিরাইট বা কপিলেফট, সব কিছু কে কাঁচ কলা দেখিয়ে ইন্টারনেট জুড়ে রয়েছে সুরের অবাধ আনা গোনা। কিন্তু সমস্যা টা হয়, যখন হঠাৎ মনে আসা কোনো গানের কথা গুলো ঠিক সাজানো যায় না, খালি সুর টা মাথায় ঘোরে। অথবা বেড়াতে গিয়ে, হঠাৎ করে শোনা কোনো গান, লিরিকস টা মনে আসে না। তখন তো ইন্টারনেট অচল।
কিন্তু আপাতত সেই সমস্যার হাত থেকেও মুক্তি পেতে চলেছেন সঙ্গীত প্রেমী রা। শুধু গুগলে টাইপ করে গান সার্চ করা নয়, এখন থেকে গান গেয়ে বা গানের সুর বাজিয়ে শোনাতে পারলেও ইন্টারনেট খুঁজে এনে দিতে পারবে সেই গান। মেলবোর্নের RMIT University র গবেষকরা আপাতত ব্যাস্ত এই নতুন সার্চ ইঞ্জিন বানাতে। প্রোজেক্টের প্রধান, ডক্টর আন্ড্রার মতে, তাঁদের এই গবেষনা সবচেয়ে উপকারে আসবে ক্লাসিকাল সঙ্গীতের জগতে।
এই নতুন টেকনোলজিকে নিজের কাজে লাগাতে গেলে দরকার পড়বে শুধু একটা মাইক্রোফোন আর এঁদের তৈরি সফটওয়ার। মাইক্রোফোনে গাওয়া যে কোনো গান প্রথমে নিজের কম্পিউটারে আসবে ওয়েভ ফরমাটে। আর এই বিশেষ সফটওয়ার শুরু করবে ফরম্যাট ম্যাচিং এর কাজ। এই ফরম্যাট ম্যাচিং টাই বড় চ্যালেঞ্জ গবেষক দের কাছে। লক্ষ লক্ষ গানের মধ্যে থেকে বেছে আনতে হবে কিছু গান, যাদের সাথে মোটা মুটি মেলানো যায় ইউজারের গাওয়া গান বা সুর। আপাতত সফলতা এসেছে MIDI ধরনের মিউজিক ফাইলের ক্ষেত্রে। পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে mp3 বা অন্য আরো জটিল ফরম্যাটিং এর ওপরেও।
গবেষক উইটডেনবোগার্ডের ধারনা যে চার বছরের মতন সময় লাগবে এই টেকনোলজি কে বাজারে আনতে। তারপর হয়তো apple i tune এর মতন নতুন কোনো ওয়েব সাইট বানাবেন ওনারা, যেখানে সুরের ওপর গানের index বা লিস্ট থাকবে। গবেষক দের আশা যে, বাজারে আসার পর খুব দ্রুত এই টেকনোলজি জনপ্রিয়তা পেয়ে যাবে।
এখন দেখা যাক, চান ঘরে গান গাওয়া গায়ক দের ক্ষেত্রে এই টেকনোলজি কত টা সফল হয় !


হয়তো পায়রার জন্য
----------------
হলিউডের বাসিন্দারা বহুদিন ধরে মহা সমস্যায় আছেন তাঁদের প্রতিবেশী দের জন্য। নাহ, আমি রুপোলী পর্দার সেলিব্রিটি দের কথা বলছি না। আপাতত হলিউডের বাসিন্দাদের কাছে বড় সমস্যা হলো পায়রা। এখানকার সিনেমা তে তো বলিউডের মতন পায়রা হাতে নিয়ে নায়িকাদের গান গাওয়ার রেওয়াজ নেই, আর তার ওপর ইন্টারনেট আর ইমেল এসে যাওয়াতে পুর্ব রাগ পর্বে পায়রাদের ডেকে আনার ও দরকার হয় না। তাই বেকার পায়রা রা এখানে ঘোরে ফেরে, খায়, দায় এবং খুব বেশি হারে বংশ বৃদ্ধি করে। আর সেটাই হয়ে দাড়িয়েছে মাথা ব্যথার মুল কারন। এই মুহুর্তে হলিউডে পায়রার সংখ্যা ৫০০০ এর ওপর।

সারাক্ষন নিজেদের মধ্যে বক বকম ছাড়াও , নোংরা করে চলেছে চার পাশ। এতদিন নানা ভাবে এদের কে তাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে। ইলেক্ট্রিক শক গেট, ছদে বসানো স্পাইক, বিষাক্ত খাবার ... কোনো কিছুই বাদ যায় নি। তাও পায়রা রা হলিউড ছাড়তে নারাজ। তার প্রধান কারন অবশ্যই রুপোলী পর্দার আকর্ষন নয়, বরং সেই সব পায়রা প্রেমী মানুষ, যাঁরা আজ ও এদের কে ইন্ধন জুগিয়ে যাচ্ছেন। এক জন মহিলা, যাঁর নাম হয়ে দাড়িয়েছে 'বার্ড লেডি', প্রতিদিন প্রায় ২৫ পাউন্ড খাবারের দানা নিয়ে হলিউডের আশে পাশে ২৯ টা জায়গায় পায়রা দের খাবার খাওয়ন। তার ওপর আছে বিভিন্ন অ্যানিমাল রাইট্‌স গ্রুপ, যারা পায়রা মারার প্রচন্ড বিরোধী।
তবে এত দিন পরে হয়তো মুক্তি মিলতে চলেছে এই সমস্যা থেকে। হলিউডের সিভিল অ্যাসোসিয়েশানের সিদ্ধান্ত যে, এখন থেকে পায়রার খাবারের সাথে জন্ম নিয়ন্ত্রনের পিল মিশিয়ে দেয়া হবে আর সেই খাবার ছড়ানো হবে সর্বত্র। OvoControl P নামের এই পিল খাওয়ালে পায়রাদের ডিম ফুটবে না, বা ফোটার মতন পরিনত অবস্থায় পৌঁছাবেও না। nicarbazin দিয়ে তৈরি এই ওষুধ এর সাইড এফেক্ট ও কম। ফলে অ্যানিমাইল রাইটস কমিটি গুলোর ও কোনো আপত্তি নেই এই পিল ব্যবহার করাতে। সিভিল অ্যাসোসিয়েশানের প্রেসিডেন্ট Laura Dodson জানান যে এই বছরেই শুরু হয়ে যাবে এই পাইলট প্রোজেক্ট। ২০১২ সালের মধ্যে পায়রা দের জনসংখ্যা কমিয়ে অর্ধেক করে দেওয়ার টার্গেট নিয়ে নেমেছেন এরা। হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে হলিউডবাসী।
হায় পায়রা ! "তোমার দিন গিয়াছে'।

নাম দিয়ে যায় চেনা
---------------
সন্তান দের নামের ব্যপারে বাবা মায়েদের চিন্তার শেষ নেই। সব বাবা মাই চান তাঁদের ছেলে মেয়েদের জন্য বেশ নতুন ধরনের নাম খুজতে। শুরু হয়ে যায় বই পত্তর খোঁজা, চলন্তিকার ধুলো ঝাড়া, বন্ধু বান্ধব, অত্মীয় স্বজনের পরামর্শ নেয়া। এক গাদা চিন্তা আর ঝামেলা।
তবে এতদিনে পাওয়া গেছে এই সব ঝামেলা থেকে মুক্তির উপায়। এখন বাজারে এসে গেছে বেশ কিছু নতুন কনসালট্যান্সি যারা পরামর্শ দেবে নামের ব্যপারে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের রিপোর্ট বলছে যে আমেরিকাতে রম রমিয়ে ব্যাবসা করছে এই কনসালটেন্সি গুলো।
মাত্র $50 খরচে ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ি তারা এসে নামের লিস্ট ধরিয়ে দিয়ে যাবে হাতে। আর যদি তাদের সাথে অলোচনা করতে চান নামের ব্যপারে, তবে তাতেও সমস্যা নেই। আধ ঘন্টার পরামর্শ মিলবে মাত্র $95 খরচে। স্পেশাল ডীল ও পেয়ে যেতেন ভাগ্য বান বাবা মায়েরা। হয়তো $350 এ মিলে যাবে ৩ ঘন্টার পরামর্শ, সাথে সমস্ত পছন্দ হওয়ার নামের লম্বা ইতিহাস, নামের উৎস, নামের সাথে জড়িয়ে থাকা শুভ অশুভ সমস্ত কিছু।
ওয়াল স্ট্রীটের রিপোর্ট বলছে ক্যালিফোর্নিয়া র এক কন্সাল্টেন্সি শুধু একজন মহিলার কাছেই $475 এর নাম বিক্রি করেছে। বিশেষজ্ঞদের অভিমত যে, আমেরিকান বাবা মায়েরা ভাবেন, বাচ্চাদের নামের সাথে তাদের ভবিষ্যৎ জড়িয়ে থাকে। তাছরা নতুন ধরনের নাম হলে, বাচ্চারা সহজেই অন্যদের চোখে পরবে। তাই সবার আকর্ষনের কেন্দ্রে ছেলে মেয়েকে রাখার জন্য ডলার খরচ করতে প্রস্তুত এরা।

তবে যতই এই সব কনসালটেন্সি আসুক, আর যতই নামের লিঙ্গুইস্টিক হিস্ট্রি নিয়ে ঘাঁটা ঘাঁটি হোক, নিজেদের ছেলে মেয়েদের নাম দেওয়ার ক্ষেত্রে কিন্তু সবচেয়ে এগিয়ে আছে পশ্চিমের নাম যাদা সেলিব্রিটি রা। এই সুযোগে এক ঝলক জানিয়ে দি কয়কে জন বিখ্যাত জুনিয়ার সেলিব্রিটি দের নাম (শুধু নাম কিন্তু, কেউ ভেবে বসবেন না যে এখানে পদবী ও দেয়া আছে)। এই লিস্ট দেখে উৎসাহ পেতে পারেন নামের খোঁজে হয়রান, হওয়া সব বাবা মা রা।
Apple : Macy Gray
Camera : Arthur Ashe and Jeanne Moutoussamy
Diezel Ky : Toni Braxton and Keri Lewis
Fifi Trixibell : Bob Geldof and Paula Yates
Heavenly Hiraani Tiger Lily : Paula Yates and Michael Hutchence
Ireland : Alec Baldwin and Kim Basinger
Lark Song : Mia Farrow and André Previn
Moon Unit : Frank Zappa
Moxie CrimeFighter : Penn Jillette
Rufus Tiger : Roger Taylor
Saffron Sahara : Simon and Yasmin Le Bon
Sage Moonblood : Sylvester Stallone and Sasha Czack

হয়তো আর বেশি দিন নেই, যেদিন নাম বেচা কেনার সাথে সাথে, ভাড়াতেও নাম পাওয়া যাবে।


এ সপ্তাহের খবর্দার -- মিঠুন ভৌমিক
-----------------------------
অবাক পৃথিবী
-----------
আপনার কি অবাক হওয়ার ক্ষমতা কমে গেছে? হযবরল'র মামাদের মত কি আপনিও দিনদিন হোঁতকা থেকে হোঁতকাতর হয়ে পড়ছেন? এইবেলা চিকিৎসা করিয়ে নিন। নয়ত আর্থিক ক্ষতিস্বীকার করতে হতে পারে। বিশ্বাস হচ্ছেনা বুঝি? বেশ, কেভিন টেলরকে জিজ্ঞেস করুন। সদ্য আয়োজিত এক টেক্সট মেসেজ কন্টেস্টে কেভিনবাবু ১০০০ ডলার হাতছাড়া করেছেন, শুধু একটি ""! '' চিহ্নের জন্যে। নর্থ ডাকোটা স্টেট ফেয়ারে ঐ প্রতিযোগিতায় কেভিন টেলর আর বেথ ব্রেভিকের মধ্যে টাইব্রেকার চলছিল। শেষে দুই যুযুধানকে থামানোর জন্য সাডেন ডেথ চালু হয়। আর সেখানেই কেভিন ঐ মোক্ষম ভুলটি করেন, নিজের বাক্যের শেষে বিস্ময়বোধক চিহ্ন না দিয়ে। ফলে তাঁকে মাত্র ২০০ ডলার নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়।
আম্রিকার আকাশে বাতাসে এখন টেক্সট মেসেজিং এর হাওয়া, কদিন আগেই খোদ নিউ ইয়র্কে এরকমই এক প্রতিযোগিতায় ১৩ বছরের এক বালিকা ৫০০০০ ডলার জিতে সবাইকে অবাক করে দেয়। আর কে না জানে, বাচ্চাদের অবাক হওয়ার ক্ষমতা অনেক বেশি। তাই বলছিলাম, সুযোগ পেলেই বিস্ময়ে হতবাক হোন। আজব টাকার খেলার গুজবে মেতে উঠুন। এ সুযোগ হেলায় হারাবেন না।

চুরি হল সুইমিং পুল
-----------------
বাড়ির সামনে থেকে চুরি হয়ে গেল একটা গোটা সুইমিং পুল। ১০০০ গ্যালন জল সমেত। বাড়ির মালকিন ডেইজি ভেবেই পাচ্ছেননা কিভাবে ১০ ফুট ব্যাসের কোমরসমান ঐ পুলটা কেউ চুরি করল, একফোঁটা জল-ও না ফেলে।
গত বুধবারের ঘটনা। সেদিন রাত একটা নাগাদ ডেইজির পতিদেব পরিবারের শেষতম সদস্য হিসেবে ঘুমোতে যান। তখনো দিব্যি টলটলে জল নিয়ে সুইমিং পুল বাড়ির সামনেই ছিল। ভোর পাঁচটার ঘুম ভেঙ্গে ডেইজি আবিষ্কার করেন পুল গায়েব। পুলবিয়োগে ডেইজিরা যে মোটেই পুলকিত নন বলাই বাহুল্য। ""এতকিছু থাকতে ওরা পুলটাই নিল! আমাদের আরো তো কত জিনিস ছিল, সেগুলো চুরি করাও সহজ হত"" -সংবাদসংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন তাঁরা।
এই চুরির কিনারা করতে নেমে পুলিশ জানিয়েছে ,"" এটা অনেকদিন ধরে প্ল্যান করে করা চুরি। একে ছোটখাটো সাইকেল বা ছাতা চুরির সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। কোন গভীর ইঙ্গিত আছে এর মধ্যে ''। আমাদের আশা, শিগ্গির এই চুরির দায় স্বীকার করে আল কায়দা বা তার তুতো ভাই জাল ময়দা ভিডিও টেপ পাঠাবে। সাথে নির্ঘাত হুমকি দেওয়া হবে, অচিরেই আম্রিকার সমস্ত পুল অপহরণের।

আহ্লাদি শেখ ও ধর্মের কল
----------------------
কাতারের এক শেখ আত্মীয়-পরিজন, চাকর, খানসামা নিয়ে চড়ে বসলেন লন্ডনমুখী বিমানে। রানীর দেশের বিমানের চালক যেইনা ইঞ্জিন চালু করেছেন, অমনি একটা গোলমালের আওয়াজ এল তাঁর কানে। কি ব্যাপার? না, শেখের তিন আত্মীয়াকে অন্য আসন দিতে হবে, কারন তাঁদের পাশের সিটে অনাত্মীয় পুরুষ সহযাত্রী। হতভম্ব পাইলটকে শেখ ব্যাখ্যা করলেন, ইসলামে বারন আছে, তাই যেন ঐ পুরুষ যাত্রীদের অন্যত্র ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। কিন্তু গোলযোগ বাড়তেই থাকল, কারন বিলাসবহুল প্রথম শ্রেণীর যাত্রীরা সবাই দুর্যোধনের স্ট্যান্ড নিয়ে জানিয়ে দিলেন, "" বিনাযুদ্ধে নাহি দিব'' সুচ্যগ্র আসন। শেখও অনড়, তিনি-ই বা ধর্মযুদ্ধে পিছু হঠেন কি করে? খোদ সুলতানের লতায়পাতায় আত্মীয় বলে কথা। কাজে কাজেই তিনঘন্টা ধরে ধর্মযুদ্ধ চলল মিলানের লিনেট বিমানবন্দরে। তারপর নিতান্ত বাধ্য হয়ে পাইলট শেখ অ্যান্ড কম্পানিকে বিমান থেকে নামিয়ে দেন। কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গেছে। ১১৫ জন যাত্রীর মধ্যে ৫০ জন-ই সেদিন সংযোগকারী বিমান ধরতে পারেন নি।

টুকরো খবর
------------
একেই বলে উলটপুরান। ক্যালিফোর্নিয়ার দুজন পুলিশ অফিসার ছুটি কাটাতে ব্রাজিল গিয়ে নিজেরাই ছিনতাই এর শিকার হলেন। একটি নাইট ক্লাবের বাইরে তাঁদের ড্রাগ রাখার অভিযোগে প্রথমে সার্চ করা হয়। কিছুই না পাওয়া গেলেও তারপর ব্রাজিল পুলিশের দুই অফিসার তাঁদের কাছ থেকে ঘুষ চান। শেষপর্যন্ত ২২০০ ডলার আর একটি মিউজিক প্লেয়ারের বিনিময়ে ""রেহাই'' মেলে। বলা বাহুল্য, ঐ দুই বীরপুঙ্গব ধরা পড়েছেন। সরকারের তরফে এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়েছে এই প্রবণতা দূর করতে বিশেষ কর্মসূচী নেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, ব্রাজিলে পুলিশ অফিসারেরা খুবই কম মাইনে পান, অনেককেই রাত্রে সিকিউরিটির কাজ করে বাড়তি রোজগার করতে হয়।

প্রত্যেকদিন মোবাইলফোনের নতুন নতুন ব্যবহার আবিষ্কৃত হচ্ছে। ইন্টার্নেট সার্ফিং, মেইল চেকিং বা গান শোনার মত ছোটখাট কাজ করার পর এবার অপারেশান থিয়েটারেও ""আলোর পথ'' দেখাল মোবাইল। আর্জেন্টিনার সেন্ট লুইসের এক হাসপাতালে লিওনার্দো মোলিনার অ্যাপে¾ডিক্স অপারেশান চলাকালীন পাওয়ার কাট হয়। অন্ধকারে যখন সবাই দিশেহারা, তখন মোলিনার এক আত্মীয় আশেপাশের লোকেদের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোনে জড়ো করে আলোর বিকল্প ব্যবস্থা করে দেন। সেই আলোয় প্রায় কুড়ি মিনিট অপারেশান চলার পর তা সম্পূর্ণ হয়। বোঝাই যাচ্ছে, মোবাইল কম্পানিগুলোর বিজ্ঞাপনের চটকে আরো একটা পালক যোগ হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা।

টেক্সাসের ডালাসে জনৈক ব্যক্তিকে পুলিশ তাড়া করে ধরে ও পরে তার বাড়ি সার্চ করে ফ্রিজ থেকে বেশ কয়েকটি মৃত বিড়াল উদ্ধার করে। এছাড়াও আরো ১১টি কুকুর ও সন্তান সন্ততি সহ ৪৩টি বিড়ালকে জীবন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়, যদিও তাদের অবস্থা সংকটজনক। পুলিশের চোখে ধুলো দেওয়ার জন্যে গ্রেপ্তার হওয়া রন টেগ নামের ঐ উন্মাদকে আপাতত খাঁচায় রাখা হয়েছে।

অ্যাডিলেডের কাছে এক মাছের দোকানে ডাকাতি করতে এসে আক্ষরিক অর্থেই কপাল পুড়লো ডাকাতের। ভিক্টর হারবারের কাছে এক দোকানে ঐ সশস্ত্র ডাকাত চড়াও হয়। লুঠপাট সেরে যখন সে পালাচ্ছে, তখন দোকানদার রেগেমেগে গরম তেল ছোঁড়েন। জখম অবস্থায় সেই ডাকাত তখনকার মত পালায়। যদিও সে শিগ্গির ধরা পড়ে যাবে, এমনটাই পুলিশের বিশ্বাস। ইতিমধ্যেই সমস্ত হাসপাতালে খোঁজখবর নেওয়া শুরু হয়েছে।


আগস্ট ৫,২০০৭