BanglaPlain Version | Unicode Version(beta) | Pdf Version calcutta web
গুরুচন্ডালি bangla গুরুচন্ডা৯
bangla lekha bangla forum bangla forumbangla literature
Can not see Bangla



     লিখতে থাকুন, পড়তে থাকুন টইপত্তর


           ইউনিকোডে মতামত দিন।

এই সুতোর পাতাগুলি: [1] [2]      এই পাতায় আছে: 16--46


           বিষয় : শিল্পায়ন না কৃষিজমি ?
           বিভাগ : অন্যান্য
           বিষয়টি শুরু করেছেন : dd
          IP Address : 58.68.4.2          Date:06 Dec 2006 -- 08:46 PM




Name:  dri           Mail:             Country:  

IP Address : 199.106.103.254          Date:07 Dec 2006 -- 07:06 AM

ডেমোক্রেসি, আনফরচুনেটলি শেষমেস হল একটা নাম্বার গেম। একান্ন জন কে খুশী রাখতে পারলে, বাকি উনপঞ্চাশ জনকে মাঝেসাঝে চোখ রাঙানো চলে।

(ক্রমশ)



Name:  dri           Mail:             Country:  

IP Address : 199.106.103.254          Date:07 Dec 2006 -- 07:34 AM

ভারতে ৬০% মানুষ কৃষিভিত্তিক। একটা ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজ্ড দেশ, উদাহরণ আমেরিকায় মোটে ২% কৃষক। ৬০% থেকে ২% এর ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশনের পথ দীর্ঘ। এব,ং নাইন টেনের রচনার ভাষায়, কন্টকাকীর্ণ।

আমেরিকায় ইন্ডাস্ট্রি হবে কি হবে না এ প্রশ্ন অবান্তর। উত্তর সবসময়েই হবে। নো ব্রেনার, কারন ৯৮% মানুষের ইন্টারেস্ট ইন্ডাস্ট্রির সাথে জড়িত। ভারতে ইন্ডাস্ট্রির কথা বলা অত সোজা নয়। ৬০% মানুষ, হাত তুলে বলবেন, ওয়েট আ মিনিট। এতে আমার কি লাভ? ইন্ডাস্ট্রির আইডিয়া অ্যাট্রাকটিভ করতে গেলে কৃষিভিত্তিক মানুষকে শিল্পের নৌকোয় লাফ দিয়ে আসতে সাহায্য করতে হবে। (এবং এতে একটা খুব বড় রিকোয়্যারমেন্ট হল একটা মিনিমাম এডুকেশান। এখানেই আমি একটা বড় ঘাটতি দেখি।)

এখন আমরা যেটা দেখছি সেটা হল এক ধরনের ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন যাতে একটা গ্রুপ ভীষণ ভাবে অ্যালিয়েনেটেড হয়ে পড়ছে। এইটে বেশীদিন চললে সেটা হবে পরবর্তী সোশাল আনরেস্টের রেসিপি। (এখানে আমি অবশ্য মমতার কোন অপর্চুনিটি দেখিনা, বরং মাওবাদীদের অপর্চুনিটি দেখতে পাই)।



Name:  Ishan           Mail:             Country:  

IP Address : 67.173.95.163          Date:07 Dec 2006 -- 09:19 AM

দ্রি হেবি লিখেছেন, কিন্তু খালি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আর কিছুই করার নেই, বা ছিলনা এটা মানতে পারলামনা। একদম চোখের সামনে দেখা যাচ্ছে, যেগুলো করা যেতো, বা যে সমস্ত আচরণের সঙ্গে শিল্পপতিদের চাপের কোনো সম্পর্কে নেই, সেগুলো এই:

এক। একটি ল্যান্ড ম্যাপ বানানো। এটা অনেকগুলো রাজ্য আগেই করেছে। পশ্চিমবঙ্গ করেনি। যদিও টানা তিরিশ বছর ক্ষমতায়, এবং শিল্পায়নের অ্যাজেন্ডাও আজকের নয়।

মনে রাখতে হবে টাটাকে যেকটি জায়গা দেখানো হয়েছে, টাটা তার মধ্যে একটি পছন্দ করেছে। এরকম একেবারেই নয়, যে, টাটা বলেছে সিঙ্গুর না দিলে রাজ্য ছেড়ে চলে যাব। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ধারেপাশে অন্য কোনো জায়গায় অফার করতে পারছেনা, কারণ সেখানকারও কোনো ল্যান্ড ম্যাপ নেই। এটা টাটার সঙ্গে নেগোশিয়েশনের প্রশ্নই নয়, একান্তই নিজেদের অপদার্থতা।

দুই। টাটার সঙ্গে ডিলের প্রশ্নে সরকার চুপ। এবং একটি বাক্যও উচ্চারণ করছেনা। কি শর্তে ডিলটা হল, সেটা জানা যাবেনা, কারণ ওটা ট্রেড সিক্রেট। এটা অবশ্যই হাস্যকর যুক্তি। টাটা কি করবে বা কি করবেনা সেটা ট্রেড সিক্রেট হতেই পারে, কিন্তু টাটাকে কি শর্তে জমি দিচ্ছি সেটা ট্রেড সিক্রেট হয় কিকরে?

এরকম যেকোনো ডিল অন্য যেকোনো রাজ্যে হলে "শিল্পপতিদের সঙ্গে অশুভ আঁতাত' বলে সিপিএম আন্দোলনে নামত। এবং নামলে ঠিকই করত। এখানে সিপিএম সরকারকেও সেই একই যুক্তিকে অভিযুক্ত করতে হয়। যে, পর্দার আড়ালে লেনদেন আছে। অন্য কোনো যুক্তিতেই ডিলটা চেপে রাখার কোনো মানে নেই।

তিন। সিঙ্গুরে নাহয় হৈচৈ হচ্ছে বলে এযাবত্কালের বেস্ট ডিলটা চাষীদের দেওয়া হচ্ছে। সেটা কতটা ভালো, যথেষ্ট কিনা, সে অন্য প্রশ্ন। কিন্তু অন্যন্য জায়গার ডিলের থেকে এটা যে ভালো সে নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

তো গপ্পোটা হল, অন্য যে সব জায়গায়, যথা রাজারহাটে জমি নেওয়া হয়েছে, সেখানে কেউ হৈচৈ করেনি বলে কি তাহলে সরকার কৃষক স্বার্থ দেখেননি? হৈচৈ কি টাকা বাড়ানোর পূরশর্ত? তাই যদি হয়, তাহলে কৃষক দরদী বলে নিজেকে প্রচার করার কি দরকার?

মনে রাখতে হবে, রাজারহাটে চাষীদের ক্ষতিপূরণ দেবার ব্যাপারে শিল্পপতিদের কোনো চাপ টাপ ছিলনা। এবং সরকার ঐ প্রজেক্টটা থেকে প্রচুর লাভ করেছে। ১০ হাজার টাকা কাঠার দিয়ে কিনে মিনিমাম এক লাখ ষাট হাজার টাকায় বেচছে।

চার। ভারতের প্রতিটি রাজ্য সরকারই কমবেশি এইসব করেছে শিল্পায়নের নাম করে। জমি নিয়ে প্রোমোটারি করেছে, পেটোয়া শিল্পপতিদের পাইয়ে দিয়েছে। কিন্তু পশইমবঙ্গ সরকারের মতো অঘোষিত জরুরি অবস্থা কাউকে জারি করতে হয়েছে বলে শুনিনি। সীতারাম ইয়েচুরি/বৃন্দা কারাত দিব্বি গিয়ে বিক্ষোভ টিক্ষোভও দেখিয়ে এসেছেন। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের সিঙ্গুর সাইটখানা কার্যত: সারা পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন। এই অগণতান্ত্রিক, আচরণের সঙ্গে শিল্পপতিদের চাপের কোনো সম্পর্ক নেই।



Name:  dd           Mail:             Country:  

IP Address : 58.68.4.2          Date:07 Dec 2006 -- 10:04 AM

ঈশেনের পোস্টিং নিয়ে আমার মোহরগুলি :

. তুমি ভুল বল্লে। এখন আর মনে নেই কোথায় পড়েছি - কিন্তু সিংগুর না হলে টাটা ভিন রাজ্যে চলে যাবে এরকম একটা থেট্র ছিলো। এখানেও তাই দেখি - দক্ষিনের রাজ্যে। এখানে প্রথম পাতা জুড়ে হেডলাইন - অন্ধ আবার করনাটককে হারিয়ে জিতে নিলো আরেকটা কারখানা ... ইত্যাদি।

এমনি কমপিটিশন চলে রাজ্যে রাজ্যে।

2 একমত
3 একমত
4 একমত

5 খালি সিংগুর নিয়েই আলোচনা করবে তো হোথায় যাও। হেথায় ক্যানো? এই সুতোর প্রশ্ন ... জমি তুমি কার?

৬ আর প্র
. বৈ . . কোথায় গ্যালেন? তার ফুটা পয়সাগুলি কই ?





Name:  Ishan           Mail:             Country:  

IP Address : 67.173.95.163          Date:07 Dec 2006 -- 10:35 AM

থেট্র্টা ছিল টাটা সময়ে জমি না পেলে উত্তরাঞ্চলে চলে যাবে। এখন উত্তরপ্রদেশও ডেকেছে।

আমার সেনটেন্স ফ্রেমিং ঠিকঠাক হয়নি । আমি বলছিলাম, যে সিঙ্গুরই চাই, এটা টাটার দাবী নয়। টাটাকে যে তিনটে জায়গা দেখানো হয়েছে, তার মধ্যে টাটা সিঙ্গুরকে পছন্দ করেছে। সিঙ্গুর ইজ বেস্ট অফ থি, ন্র্ট দি বেস্ট। আরও অনেক অপশন হতেই পারত।আবার নাও হতে পারত। কিন্তু সরকারের হাতে কোনো তথ্য নেই, যা দিয়ে সেটা জানা যাবে।

এবং এখানে শুধু সিঙ্গুর নিয়ে বলার জন্য ছরি। তবে দোষ শুধু আমার একার নয়, দ্রিরও আছে :-)।



Name:  dd           Mail:             Country:  

IP Address : 58.68.4.2          Date:07 Dec 2006 -- 11:09 AM

মাথা পিছু কৃষি জমি কমে যাওয়ায় কি হছে জানাচ্ছেন গুরচরন দাস।

ধান গমের ফলন কম হচ্ছে। ছোটো জমিতে ফুল,ফল আর আনাজের চাষ ই লাভজনক। এই
" হাই ভ্যালু " ফলন এখন ভারতের কৃষি উত্পাদনের ৪৪% - ১৯৮৩ সালে ছিলো ৩২%। গ্রামাঞ্চলে ফল ও আনাজের কনসাম্পশন (শুধু উত্পাদন বা বিক্রী নয়) বেড়েছে তিন গুন - গত দুই দশকে।

আর যেটা কম লোক খবর রাখেন - ক্ষুদ্র চাষীরা ক্রমেই বিরাট কর্পোরেটের
" কন্টাক্ট কৃষক " হয়ে যাচ্ছেন। সরকারী পাঞ্জাব অ্যাগ্রো কর্পরেশনের অধীনে এখন একলক্ষ ষাট হাজার একর। আর পাঁচিশ হাজার চাষী।

আর ও ভাবেই ব্যবসা শুরু করেছেন আই টি সি আর হিন্দুস্তান লিভার। শুরু করতে যাচ্ছেন রিলায়েন্স আর আদিত্য বিড়লা গ্রুপ।

ছোটো কৃষকের দিন গিয়াছে। তাকে পথ ছাড়তে হবে । এটা গ্র্যাভিটির মতন অবশ্যম্ভাবী।

জমি শিল্পের। এই ট্রেড অফ মানতে হবে।




Name:  b           Mail:             Country:  

IP Address : 59.145.136.1          Date:07 Dec 2006 -- 11:13 AM

মন দিয়ে পড়ছি এই থেড্র। যথারীতি ডিডি, ইশান,দ্রি, র‌্৯AFাট র ডিবেটের কোয়ালিটি চমত্কার। এই বার র আইলে শেখা যাবে আরো।

ডিডির প্রস্তাবনার পোস্ট টা পড়েছি - কয়েকটি বক্তব্য:

১। পশ্চিমবঙ্গে কৃষক
empowerment হয়েছে যেটা তার ফলে এই সব প্রতিবাদ হচ্ছে আর cpim এর নতুন ও পুরোনো বিরোধী গণ তাতে সামিল হচ্ছেন। বর্গা না হলে এইটা আদৌ হত কিনা সন্দেহ।

ডিডির পোস্ট পড়ে মনে হচ্ছে জমির মাপ ,
per capita মালিকানা অর্থে, কমছে বলে সেটা ফলনের ক্ষেত্রে ক্ষতিকারক। এইটা over generalisation । দু তিনটি করোলারি জরুরী।

ক। জমির মাপের সংগে যে পর্যায়ে গেলে ফলন কমে সেটা আমাদের দেশের বেশির ভাগ অংশেই আসে নি। সাধারণত এই যুক্তি বড় জমির মালিক দের স্বার্থ রক্ষার্থে ব্যবহতৃ হয় , যথা মহেন্দ্র টিকাইত। সেচ, বীজ, সার, এপিডেমোলোজিকাল কাজ এই গুলো কিসুই হয় না, অথচ জমির ছোতো নতুন মালিক দের পক্ষে মাপ কমাকে দোষ দেওয়া হয়। আর প: বঙ্গে সাধারণ ভাবে এই যুক্তি জাস্ট খাটেনি, শ্যালো সেচ বাড়ার ফলে, তাও এখনো ক্যানেল সংস্কার প্রয়োজনের তুলোনায় বাজে। এই রকম কোন এক্টা কথা সু লিখেছিলো সিঙ্গুর এর প্রথম থেডে।
খ। অনেক রাজ্যে, যথা মহারাষ্ট, হ্র্রিয়ানা,কর্ণাটকে বড় জমির মালিক দের আন্দোলন
strong বহুদিন ধরে। শরদ যোশির শ্বেতকারী দল, টিকাইত, দেবীলাল, পাওয়ার এর পেয়াজ ও অখ লবি। এরা বিভিন্ন adjustment এর মাধ্যমে industrial interest এর সঙ্গে ই থাকবে। সে ধরুন মন্সান্তো বীজ কেস, mechanisation কেস, price control , import control সব ইসুতেই। অতএব প্রতিবদ না থাকাটা শুধু conspicuous নয়, expected । বড় জমির মালিকদের সঙ্গে capitalism এর negotiation এর ইতিহাস, মোটামুটি ভারতের অর্থনৈতিক ইতিহাস!

হতে পারে আমি ডিডি র বক্তব্যের নিহিতার্থ বুঝি নাই।

খ।
capitalism
private accumulation এর পধ্ধতি যত ব্যাপক হয়েছে, theoretically practically , বিরোধী পক্ষে গোল genealisatin ছাড়া কিসু হয় নাই।

class/cast/gender/green এই চারটি politics কে theoretically কছা কাছি আনার কাজ হওয়া দরকার, প্রতিবাদ এর সঙ্গে সঙ্গে।



Name:  b           Mail:             Country:  

IP Address : 59.145.136.1          Date:07 Dec 2006 -- 11:25 AM

গ। food production protection employment generation এর মধ্যেকার dialectic , short term এ একমাত্র welfare state দ্বারাই resolution সম্ভব।নচেত নয়। তাতে অনেকের অসুবিধে।



Name:  santanu           Mail:             Country:  

IP Address : 80.122.170.93          Date:07 Dec 2006 -- 12:38 PM

টাটা কে নিশ্চই অন্য অপশন জমি দেখানো যেত, টাটার পছন্দ ও হতো। কিন্তু ১০০০ একর জমি (মোটামুটি ভদ্র জায়্গা, রাস্তা টাস্তা আছে) যেখানেই টাটা র পছন্দ হোক না কেন, এক্জনের জমি তো আর হোতো না। তা সেই ১০০০ একরের মাঝে কিছু লোক নাচতে নাচতে জমি দিয়ে দিত, কিন্তু কিছু জমির মালিক বেরোতো, যারা আপত্তি জানাতো।

তখন কি হতো?

মাঝখানে কিছু জমি কে বাদ দিয়ে তো আর ফ্যক্টারী হয় না (কিছুই হয় না)। তখন তাদের জমির দাম বাড়ানো হতো বা ১ জন কে চাকরি দেবার কথা হতো, তা শুনে বাকিরা বলতো সেকি, আমরা কি দোষ করলাম! এই চলতো গনতান্ত্রিক উপায়ে।

অথবা লাকি সিং আর সার্কিট বা বুদ্ধবাবু আর পুলিশ এসে কান ধরে ঐ মাঝের জমির লোক গুলোকে বার করে দিত।




Name:  b t            Mail:             Country:  

IP Address : 61.95.167.91          Date:07 Dec 2006 -- 12:44 PM

আমার বৌটা এপাড়ায় আসলে পোচুর লিখতে পাত্তো। WBCS র‌্৯AFাঙ্কে ল্যান্ড রেভিনিউ অফিসার হিসেবে কাজ করে এসেছে মালদার গ্রামে বছর দেড়েক। জমিজমার অনেক খবর রাখে। ভূমি সংস্কার আর বন্টনের ব্যাপারেও।

মালটা গু চ পড়েই না।



Name:  ®           Mail:             Country:  

IP Address : 203.197.96.50          Date:07 Dec 2006 -- 01:35 PM

কৃষিজমিতে তো কৃষিনির্ভর শিল্প ও হতে পারে। ডিডির দেওয়া উদাহরনের মত বড় বড় কর্পোরেট যদি কৃষিক্ষেত্রে ঢোকে তাহলে ক্ষতি কি?
যৌথ খামারের স্বপ্ন কম্যুনিস্ট রা যতই দেখুক তা ইমপ্লিমেন্ট হতে পারে কিন্তু কোন বড় কর্পোরেট ছাতার তলাতেই।সরকারের হাতে এত পয়সা নেই এই উদ্যোগ শুরু করার।আর পয়সা ছাড়া কিছুই হয় না এটাও কঠিন সত্যি।
হেক্টর প্রতি ফলন বাড়ানোর জন্যে যে আধুনিক প্রযুক্তি,ফলন কে হিমঘরে সংরক্ষণ দরকার সেটা কেনার ক্ষমতাও আছে এই কর্পোরেটের ই , প্লাস ফলনকে প্যাকেজিং করে সরাসরী বাজারে আনতে পারলে মাঝের নেপো দালালেরা দই মেরে নিয়ে যাবে না।আর এই শিল্পে কিন্তু প্রচুর অদক্ষ চাষী/শ্রমিক কেও কাজ দেওয়া যাবে। ডোলের বিখ্যাত জ্যুসের দৃষ্টান্ত ছেড়েই দ্যান পাতি আমাদের আরামবাগ বা ভেংকিস হ্যাচারি যদি পারে তবে কেন কৃষিফলনের ক্ষেত্রে অন্য রিটেল চেন চলবে না? বর্ধমানের খাস চাল বা হুগলির কলা কি সেভাবেই প্যাকেজিং করে বেচা যেত না?

জমির চরিত্র দেখে শিল্পের প্রকার অনুযায়ী কোন জমি তে কি ধরনের শিল্প হবে ঠিক হওয়া উচিত



Name:  -           Mail:             Country:  

IP Address : 203.197.96.50          Date:07 Dec 2006 -- 01:44 PM

উফ অজস্র টাইপো আর বানান ভুল।লেখাটা এক্টু ঘেঁটে গ্যাচে,সরি
শেষ লাইন টায় বলতে চেয়েছিলুম পোল্টির্র ব্যবসায় যদি আরামবাগ পারে তবে কৃষিপণ্যের ব্যবসায়
.........



Name:  r           Mail:             Country:  

IP Address : 61.95.167.91          Date:07 Dec 2006 -- 02:41 PM

কৃষিক্ষেত্রে উত্পাদন কমে আসছে। সারা ভারতে এটা সত্যি। খুব সম্প্রতি একটা সমীক্ষায় বেশির ভাগ কৃষিজীবী বিকল্প পেশা নেওয়ার ইচ্ছা জানিয়েছেন। বহু আলোচনায় দুটো কথা দেখছি। এক, আমাদের প্রাচীন কৌমভিত্তিক কর্ষণজীবী সভ্যতা আর দুই, পরিবেশের ইস্যু। কিন্তু দায়টা কৃষকের উপর কেন? তারা যদি শহুরে লোকের মত বাঁচতে চায় সেইভাবেই বাঁচবে। আমরা যারা শহরে থাকি তারা পরিবেশের যা সর্বনাশ করার করেছি। এখন হঠাত্ মনে হয়েছে পরিবেশের কি হবে? কাজেই পুরো দায় চাপাচ্ছি কৃষকের ঘাড়ে যাতে তারা যুগের পর যুগ চাষবাষ করে যায়। অর্থনৈতিক ইতিহাস যা বলে তা হল, প্রথমে কৃষির সিংহভাগ, তারপরে ম্যানুফ্যাকচারিং এবং শেষে পরিষেবা। আমাদের দেশে জাতীয় আয়ের শতকরা ভাগ দেখলে বোঝা যায় যে আমরা সেই পথেই এগোচ্ছি। কিন্তু অন্যান্য দেশে এই সেক্টরগুলিতে কর্মনিযুক্তির হারও সমানুপাতিকভাবে কমেছে বা বেড়েছে। সেইখানে আমাদের দেশের ছবি অন্যরকম। এখনও এক বৃহত্ অংশ কৃষিতে যুক্ত যদিও কৃষির উত্পাদন ক্রমাগত কমছে। সেইজন্য আমাদের দেশে মুশকিলটা আরও বেশি। এইবার উত্পাদনের কথা। দুটো পথ আছে যাতে কৃষকেরা সত্যি লাভবান হন। এক, খাদ্যশস্যের ভাগ কমিয়ে বাণিজ্যিক ফসলের চাষ করা এবং দুই, উন্মুক্ত রফতানি যাতে তারা বিদেশের দাম পেতে পারেন। কিন্তু এই দুটোর সাথেই খাদ্য নিরাপত্তার প্রশ্ন যুক্ত। উচ্চফলনের প্রযুক্তি নিয়ে লোকজনের প্রচুর আপত্তি আছে। পুরো পরিবেশ আন্দোলনের একটা বড়ো দিক হল উচ্চ ফলনশীল প্রযুক্তির বিরোধিতা। অতএব উত্পাদন বাড়াবার পথ খুব একটা সহজ নয়। জবাব অবশ্যই শিল্প কিন্তু সেই শিল্পায়নেরও অনেক রকমফের রয়েছে।



Name:  b           Mail:             Country:  

IP Address : 59.145.136.1          Date:07 Dec 2006 -- 03:40 PM

শিল্প চাই বললে অনেক কিছু বলতে হয়, শিক্ষা চাই, skill transfer চাই ইত্যাদি। সেটা ভারতে এই মুহুর্তে যে শিল্পায়ন হচ্ছে তা ensure করছে না।

পরিবেশের পলিটিক্স এর ঝাড় হল এর কাছে ঐ
self sufficient village economy ছাড়া আর যেটা আছে, সেটা হল প্রচন্ড expensive, organic farming , তবু এর থেকে শিক্ষার আছে অনেক কিছু, বিশেষ করে decentralisation small scale irrigation এর ক্ষেত্রে। এবং বীজের রিসার্চ এর ক্ষেত্রে।

আরেকটা ঝাড় তো
political , যেটা ডিডি বলেছিলেন, মেধা কি কি করেন নি ইত্যাদি।

তবে এই যে শিল্পায়ন আর বিশ্বায়ন এর এজেন্ডা টা যেহেতু ঠিক শ্রমজীবী মানুষের নয়, তাই যে ফর্ম এই হোক
একটা উল্টো চাপ থাকবে, থাকবেই।

R্জু কে একটা রিজয়েন্ডার, ওয়ালমার্ট আর আরামবাগ এক কথা নয়, সেইটে তুমিও বোঝো আমিও বুঝি।
contract farming যতটা কৃষকের স্বার্থে শিল্পায়ন সভবত ততটা-ই স্বার্থে!!



Name:  r           Mail:             Country:  

IP Address : 61.95.167.91          Date:07 Dec 2006 -- 04:43 PM

শিল্পায়নের প্রথম ঝাড় শিক্ষার জন্য। চীনের শিল্পায়নের সাথে তুলনা করে লাভ নেই কারণ এক, চীন অগণতান্ত্রিক এবং দুই, চীন গ্রামীণ শিক্ষার হার অনেক বেশি। শিল্পায়নের জন্য গণতন্ত্রকে বিসর্জন দেওয়া মনে হয় উচিত হবে না। কিন্তু যেহেতু গ্রামীণ শিক্ষায় আমাদের পারফোর্মেন্স অতীব খারাপ, উচ্ছেদ হওয়া চাষীদের এই সব শিল্পে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। মনে রাখতে হবে ভারি শিল্পের উপর জোর আবার ফিরে এসেছে। এই সব ভারি শিল্পের শ্রমিকদের দক্ষতা অর্জন করতে হয়। অন্যদিকে ক্ষুদ্রশিল্পে মোটামুটি অদক্ষ শ্রমিক দিয়ে অনেক কাজ করানো যায়। কিন্তু চাকচিক্য না থাকার কারণে ক্ষুদ্রশিল্প নিয়ে কোনো সরকারই মাথা ঘামান না। এ গেল বাইরের দেশের সাথে আমাদের দেশের শিল্পায়নের তুলনা। পশ্চিমবঙ্গে ঝাড়টা দ্বিগুণ। কারণ মহারাষ্ট, গ্রুজরাত, তামিলনাড়ুতে গ্রাম ও শহরের পরিকাঠামোর বৈষম্য অনেক কম। কাজেই সবাই মুম্বাই, আমেদাবাদ বা চেন্নাইয়ের আশেপাশে জমি চায় না। সেইখানে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত উন্নতি কলকাতাকেন্দ্রিক। কলকাতা এবং তার আশেপাশের জেলার পরিকাঠামোর সাথে উত্তর বা পশ্চিমাঞ্চলের পরিকাঠামোর আকাশপাতাল তফাত্। স্বাভাবিকভাবেই বিনিয়োগকারীরা কলকাতার আশেপাশে জমি চান।



Name:  b           Mail:             Country:  

IP Address : 59.145.136.1          Date:07 Dec 2006 -- 07:10 PM

র সোনামুখ করে যা চাপ দিয়া গেল, তার উত্তর দিতে পারে একমাত্র কোন ইকোনমিস্ট, তবু আমি কিছু বলব, কারন খবরের কাগজের বিদ্যাতেও কয়েকটা inconsistency চোখে পড়ছে।

বড় শহর কেন্দ্রিক শিল্পায়ন সব জায়গাতেই হয়। গুজরাটে ধর এইরকম শহর একের বেশ বেশি।

আর এই গুলো (যেমন ভাপি, আংক্লেশ্বর) সরাসরি সরকারি উদ্যোগে করে দেওয়া ,
planned economoy license raj এর স্বর্ণযুগে। সুরাত ও আহমেদাবাদ বহুদিন ধরে বিরাট শিল্পাঞ্চল, শিলিগুড়ি, বর্ধমান does not stand a chance

কিন্তু তাইলে যা দাঁড়াচ্ছে, সরকারের তৈরি ব্যবস্থায় যে
private accumulation enterprise এর সুযোগ করে দেওয়া হল! যে ট্রাডিশন এই ভারত উদয়ের যুগে এখনও চলছে। সস্তায় পছন্দ সই জমি না দিলে, labour law তুলে না দিলে, corporate tax না কমালে, শিল্প হবে না, হলেও যে রাজ্যে দেয় সেখানে হবে!

তবে শিক্ষা নিয়ে কিছু বলার নেই। আমি নেতিগত ভাবে শিক্ষা ক্ষেত্রে ন্যুনতম মানের বিরোধী। শিক্ষার কোন ন্যুনতম মান হতে পারে না। শিক্ষা ক্ষেত্রে সব সময়ে সমালোচনা আত্ম সমালোচনা চলা উচিত কারণ এইটা শিক্ষার পার্ট। যদি পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষার মান প্রচন্ড উন্নতি হয়ে যায়, তাও হওয়া উচিত।

তবে শিল্পে কাজে লাগার লেখাপড়া করতে গেলে
vocational education এবং dignity of labour এর culture আসা উচিত, এটার থেকে আমরা অনেক দূরে। সেটায় যেতে গেলে অনেক পথ পেরোতে হবে। এটা হওয়ার জন্য বসে থাকলে শিল্প কৃষি দুইটাতেই ঝাড়।



Name:  Ishan           Mail:             Country:  

IP Address : 130.36.62.140          Date:08 Dec 2006 -- 01:13 AM

শান্তনু,

পুরো সমস্যাটাই প্র্যাকটিক্যালি ম্যানেজমেন্টের সমস্যা। যেকোনো জায়গায় যেকোনো জমি নিতে গেলেই কিছু না কিছু ঝামেলা হবে। পুরো জমির মাঝখানে, কথার কথা বলছি, হয়তো এক বুড়ির বাড়ি, সে কোটি টাকা দিলেও উঠতে রাজি নয়, কারণ এই বাড়িতেই সে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করতে চায় -- এরকম সমস্যা হতেই পারে।

সেই জন্যই সরকার প্রথমেই যেটা করে, সেটা হল, ঝামেলার এলাকাগুলো এড়িয়ে যেতে চায়। প্রথমে দেখে খাস জমি আছে কিনা, থাকলে ল্যাটা চুকে গেল, কোনো ঝামেলাই নেই। না পেলে তারপর দেখে পতিত জমি, তারপর একফসলি
... ইত্যাদি ইত্যাদি। এবার এর সঙ্গে লোকেশানের একটা ট্রেড অফ করতে হয়। হয়তো বাঁকুড়াতে প্রচুর খাস জমি আছে, কিন্তু শিল্পপতি জমি চায় হুগলীতে। ফলে বাঁকুড়ার খাস না দিয়ে লোকেশানের প্রেফারেন্সের জন্য হুগলীতে একফসলি জমি হয়তো কিছু নিতে হয়। ইত্যাদি ইত্যাদি।

এবার এই ট্রেড অফের সঙ্গেই আসে আনুষঙ্গিক ঝামেলা। খুবই সহজবোধ্য, যে, খাস জমি নেবার থেকে ফসলি জমি নেবার ঝামেলা বেশি। বাস্তু জমি নেবার ঝামেলা আরো বেশি। সরকার এই ঝামেলা গুলো এড়ানোর জন্য চেষ্টা করে পছন্দের লোকেশনের কাছেপিঠে কোনো খাস বা পতিত জমি আছে কিনা খুঁজে দেখার। সেটাও এই ট্রেড অফেরই অংশ। যে, ক্লায়েন্টকে বললাম, এই দেখো ভাই তোমার পছন্দের জায়গা থেকে দশ মাইল দূরে আরেকটা জায়গা আছে, এইটা যদি দিই তোমার কি চলবে? হতেও পারে, সে সেটা মেনে নিল, তখন সরকারের ঝামেলা অর্থ সবই বাঁচল।

এবার এই পুরো জিনিসটা এফেক্টিভলি করার জন্য প্রথমেই যেটা চাই, সেটা হল, একটা সত্যিকারের ল্যান্ড ম্যাপ। যা থেকে বোঝা যায়, এই জমিটা ঝামেলার, এই জমিটা নয়। জমি নিতে গেলে যে জমির ম্যাপ বানাতে হয়, এটা খুব কঠিন একটা ফান্ডা নয়, যেকোনো কান্ডজ্ঞানসম্পন্ন মানুষই বুঝবেন। কিন্তু আনফরচুনেটলি সরকারের সেটা নেই। ফলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে লাট।

ফলে ঐ যে বলা হচ্ছে, যে সিঙ্গুরের জায়গায় অন্যত্র জমি নিলে একই ঝামেলা হত, সেটা ঠিক কথা নয়। হুগলীতেই দুর্গাপুর রোডের ধারেই প্রচুর খাস জমি /পতিত জমি আছে, কিন্তু সেটা কতোটা, কেউ জানেনা। হতেই পারে, ঐখানে সাইটটা বানালে ঝামেলা টা হতনা।

এটা এসেন্সিয়ালি একটা পুয়োর ম্যানেজমেন্টের সমস্যা। সেইটুকুই বলছিলাম। আর পুয়োর ম্যানেজমেন্টকে ঢাকার জন্য চক্রান্ত, বাইরের লোক, ১৪৪ ধারা ইত্যাদি ইত্যাদি জিনিসপত্র নামিয়ে ড্যামেজ কন্টোল করার চেষ্টা হচ্ছে।

এইটুকুই বক্তব্য। আবার এই থেডে সিনুর নিয়ে লিখলাম। ছরি :-)



Name:  Arjit           Mail:             Country:  

IP Address : 82.39.106.251          Date:08 Dec 2006 -- 03:25 AM

গ্রীণ বেল্ট আর ইন্ডাসট্রিয়াল বেল্টের কনফ্লিক্টটা মনে হয় সব দেশেই প্রকট। এই সেদিন এখানে হেডলাইন ছিলো এই গ্রীণবেল্টগুলোতে হাউজিং রেগুলেশন রিল্যাক্স করা নিয়ে। হাউজিং সমস্যা এখানে খুবই প্রকট, তাই লোকে বাধ্য হচ্ছে গ্রীণবেল্টে হাউজিং কমপ্লেক্স বানাতে, সেটা আবার চাষবাস, পরিবেশে ভালো প্রভাব ফেলবে ...



Name:  dri           Mail:             Country:  

IP Address : 199.106.103.254          Date:08 Dec 2006 -- 05:11 AM

আরেকটু হোক।

শিল্প না কৃষি, এই নিয়ে তজ্জ্ব কপচানো, যুক্তিজাল এসব তো হচ্ছে। খুব ভালো কথা। একটা ব্যাপার তত হচ্ছেনা। সেটা হল ম্যানডেট কাউন্ট করা। বোঝার চেষ্টা করা কত মানুষ শিল্প চান ভার্সেস কত মানুষ চান না। আমরা খুবই বোদ্ধা। একশবার। কিন্তু তাই যদি হবে তাহলে তো আমাদের কোন একজনকে দেশের রাজা বানিয়ে দিলেই তো সব সমস্যা মিটে যায়। তবু আমরা রাজতন্ত্র না বেছে গণতন্ত্র বেছেছি। গণতন্ত্রের একটা বড় শর্ত হল আপনি যদি স্পষ্ট বুঝতেও পারেন যে এই পথে হাঁটলে দেশের সর্বনাশ অনিবার্য্য কিন্তু দেশের অধিকাংশ মানুষই সেটা চান আপনাকে সেটা মেনে নিতে হবে।

ভারতে ইলেকশানের সময় ভুরি ভুরি গুল মেরে ইলেকশান জেতার পর বিভিন্ন ইস্যুতে মানুষের মত জানতে চাওয়ার কালচার নেই। এটা ডেমোক্রেটিক স্পিরিটের সাবভার্সান, এক ধরনের। আমেরিকায় দুটো ব্যাপার দেখি যেটা আমার ভালো লাগে। সেটা হল বিভিন্ন ইস্যু ফ্লোট করার আগে সেই ইস্যুতে জনমত কি সেই নিয়ে সমীক্ষা হয়। বেশ ডিটেলড, সায়েন্টিফিক সমীক্ষা। সেই সমীক্ষার রেসাল্ট ইমপ্লিমেন্টেশনের সময় অন্তত কনসিডার করা হয়। সব সময় মানা হয় না (যেটাও ডেমোক্রেসির সাবভার্সান), কিন্তু অন্তত কনসিডার করা হয়। আরেকটা ব্যাপার হল বিভিন্ন ইস্যুতে ভোট নেওয়া। এখানে বলে প্রপোজিশান। একটা প্রপোজিশান হতে পারে, স্যান ডিয়েগো চিড়িয়াখানার পাশে একটা জমিতে একটা বেসবল স্টেডিয়াম হবে কিনা। সেটা মানুষ ভোট দিয়ে ঠিক করে। আরেকটা প্রপোজিশান হতে পারে সিগারেটের ওপর আরো নতুন ট্যাক্স বসানো হবে কিনা। ইত্যাদি। এটা হল পার্টিসিপেটরি ডেমোক্রেসি।

একবার মিথ্যে কথা বলে একটা ইলেকশান জিতে তারপর ইলেকটরেটদের প্রতি সব দায়িত্ব শেষ। কারখানা হবে তার ডিটেল মানুষকে জানানো নেই, মানুষের ওপিনিয়ান জানার চেষ্টা নেই। এই ব্যাপারটাই কিছু ফ্লড।



Name:  dri           Mail:             Country:  

IP Address : 199.106.103.254          Date:08 Dec 2006 -- 05:44 AM

যে ধরণের কন্টাক্ট ফার্মিং এর কথা ডিডি বলছেন সেটা যদি কৃষকের স্বেচ্ছায় হয় তবে কোন কথা নেই। নিশ্চয় তিনি ভালো ডিল পেয়েছেন বলেই গেছেন। এবং এতে করে তাঁর অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। কিন্তু জবরদস্তি করে হলে আবার ব্যাপারটা অন্য। তখন অনেক প্রশ্ন ওঠে।

খুব প্রব্লেম্যাটিক হল এই কনক্লুশান যে কিছু লোক কন্টাক্ট ফার্মিং এ রাজি হয়েছে মানে সমস্ত কৃষককুল শিল্পের জন্য জমি ছেড়ে দিতে প্রস্তুত।





Name:  ®           Mail:             Country:  

IP Address : 203.197.96.50          Date:08 Dec 2006 -- 10:35 AM

বোধি দা,
শুধু বিতর্কে না আটকে থেকে একটা সমাধানের কথাই ভাবছিলুম।কনট্র্যাক্ট ফার্মিং মানেই ওয়ালমার্টের উদাহরন টানা হবে কেন? কেন উইনকো ফুড্স,টপস ইত্যাদির নাম ও আসবে না যারা পুরোপুরি এমপ্লয়ী মালিকানাধীনে চলে এবং দাবী করে ওখানে ডিরেক্টলি চাষীদের কাছ থেকেই ওরা কেনে ?
কৃষিভিত্তিক শিল্প হলে সেটা পুরো চাষীর স্বার্থেই কাজ করবে সেটা সম্ভব নয় আজকের দুনিয়ায় কিন্তু কিছুটা স্বার্থ তো রক্ষিত হতেই পারে।অসংগঠিত কৃষি ক্ষেত্র ১৫-২০ বছর বাদে কতটা টিকে থাকবে সন্দেহ আছে।দুনিয়া পাল্টাচ্ছে আর বিশ্বায়নের ঢেউ অলরেডি আচড়ে পড়ছে



Name:  r           Mail:             Country:  

IP Address : 61.95.167.91          Date:08 Dec 2006 -- 02:52 PM

ব-এর কথার পিঠে: শিল্পায়ন শহরের আশেপাশেই হবে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে কলকাতা ছাড়া ঠিকঠাক দ্বিতীয় শহর এতদিনেও গড়ে ওঠে নি। কল্যাণী এবং দুর্গাপুর স্বয়ংসম্পূর্ণ শহর হিসেবে ফ্লপ। শিলিগুড়ি মূলত: কেনাবেচার জায়গা। অন্যান্য শিল্পোন্নত রাজ্যে আর্বানাইজেশন প্রক্রিয়া আমাদের মত লপ-সাইডেড নয়। আমাদের নগরোন্নয়নের চিন্তাভাবনা পুরোটাই কলকাতামুখী। অথচ সঠিক নগরোন্নয়নের মডেলে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শহরের সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেওয়া উচিত। সেই কাজ ঠিকঠাক হয়ে ওঠে নি। কাজেই সব চাহিদা কলকাতা এবং কলকাতার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো ঘিরে। তারপরেই কোঁদল-কাজিয়া।



Name:  dkroy           Mail:  dkroy@gail.co.in           Country:  india

IP Address : 203.200.111.33          Date:10 Jan 2007 -- 01:01 PM

শিল্প / কৃষি জমি একে অপরের পরিপুরক। কিন্তু কৃষি জমি বাদ দিয়ে শিল্প কখোনো ই প্রাধান্য পেতে পারেনা।

মানুষ জমির অনুপাত থেকে আম রা জানি ভবিষ্যতে হয়ে্তা আমাদের কাছে অনেক পয়্সা হবে কিন্তু চাল বা গম চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল থেকে যাবে, কারন চাষ যোগ্য জমি আর থাক বেনা ।



Name:  r           Mail:             Country:  

IP Address : 61.95.167.91          Date:10 Jan 2007 -- 02:16 PM

এই ঢপগুলো লোকে যে কেমন করে খায়?

পশ্চিমবঙ্গে মোট কর্ষিত জমি (
net swon area ) হল ১৩৫০১০২২ একর, যার থেকে এক লক্ষ একর যা শিল্পায়নের জন্য নেওয়া হলে বাকি পড়ে থাকে ৯৯ . ২৫ শতাংশ কর্ষিত জমি। এইবার উত্পাদন এবং উপভোক্তার হিসেবে। ভারতের জনসংখ্যার ৭ . ৮ শতাংশ পশ্চিমবঙ্গে বাস করে। ভারতের মোট কৃষি উত্পাদনের মধ্যে, খাদ্যশস্যের ৭ . ৫ শতাংশ, তৈলবীজের ২ . ৬ শতাংশ এবং আখের ০ . ৫ শতাংশ উত্পন্ন হয় পশ্চিমবঙ্গে। ধান-গম-তেল-চিনির বাকিটা আমাদের অন্য রাজ্য থেকে নিয়ে আসতে হয়। তাও ডিম-মাছ-দুধের হিসেবটা আনি নি। সব রাজ্যকেই তাই করতে হয়। এই খাদ্যে স্বয়ংনির্ভরতার ঢপ কে আমদানি করল কে জানে?







Name:  dri           Mail:             Country:  

IP Address : 199.106.103.254          Date:11 Jan 2007 -- 03:47 AM

এই ঢপগুলো আজকাল লোকে কম খাচ্ছে। হাজার একর আলুর জমি গেল মানেই আলুচাষ ও আলুশিল্প ধ্বংস হয়ে গেল, এ রকম প্যারানয়েড নি-জার্ক রিঅ্যাকশান ইশেনের লেখাতেও পেলাম। একশ খানা টাটার মত কারখানা হলেও চাষজমির পরিমানের শতাংশ খুব বেশী হেরফের হবে না। কিন্তু খুব ইম্পর্ট্যান্ট হল এই প্রসেসের মধ্যে দিয়ে যদি চাষ থেকে অনেককে শিল্পে এনে ফেলা যায় তবে যারা চাষ করবেন তারাও একটু হাত পা ছড়িয়ে বেশী জায়গায় চাষ করতে পারবেন। ঠেলাঠেলি কম করতে হবে।

এই পরিবর্তন ইনক্লুসিভ হওয়া খুব জরুরী।



Name:  Suvajit           Mail:             Country:  

IP Address : 203.51.52.40          Date:11 Jan 2007 -- 07:42 PM

কৃষি নিয়ে কিছু তথ্য।
১। পশ্চিমবংগের
GSDP র ২৪ . ৪% কৃষি (২০০১-০২), ভারতের ১৮ . ৬%।
২। পশ্চিমবংগে কৃষির বাত্সরিক বৃদ্ধির হার ৮
. ৫%, সর্বভারতীয় গড় ১১ . ৪%। সুতরাং এখনও (অর্থাত্ এই দেশব্যাপী শিল্পায়নের যুগেও) ভারতের গড় বৃদ্ধি প:ব:র থেকে বেশ বেশি।
৩। প:ব:র জনসংখ্যা ৮
. ৩ কোটি, ভারতের ৭ . ৬%, অথচ আয়তনে প:ব: ভারতের মাত্র ২ . ৭%। এই জনসংখ্যার ৭০% প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে কৃষির সংগে যুক্ত (যেখানে ভারতের ৬০% কৃষিজিবী)।
৪। প:ব:র কৃষিজমি ১
. ৩৫ কোটি একর যার ৭২% ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীরা চাষ করে। এই জমির মাত্র ২৮ . ১% সেচজমি (ভারতের আন্দাজ ৩৮ . ৪% কৃষিজমি সেচজমি, পঞ্জাবের ৮৯ . ৭%, হরিয়ানার ৬৫%)। তার মানে যে কৃষির ওপর জনসংখ্যার সিংহভাগ নির্ভরশীল, তার উন্নতিসাধনে প:ব: এখনো অনেক পিছিয়ে।
৫। কৃশিজমির
ceiling এর হিসাব প:ব: ভারতের অন্যান্য রাজ্যের মতো ই, সেচজমি ১২ . ৫ একর, সেচহীন জমি ১৭ . ৫ একর।
৬।
average size of operational holdings by major size groups in hectare
প্রান্তিক চাষীরা, প:ব: ০
. ৪৮, ভারত ০ .
ক্ষুদ্র চাষীরা, প:ব: ১
. ৪৮, ভারত ১ . ৪২
ক্ষুদ্র ও মাঝারি, প:ব: ২
. ৭৪, ভারত ২ . ৭৩
মাঝারি, প:ব: ৫
. ২৫, ভারত ৫ . ৮৪
বৃহত্, প:ব: ১৭৫
. ৮৩, ভারত ১৭ .
অর্থাত্ প:ব:য়ে বড় চাষীর সংখ্যা নগন্য।





Name:  r           Mail:             Country:  

IP Address : 61.95.167.91          Date:11 Jan 2007 -- 07:58 PM

এই দুই নম্বর তথ্যটার উত্স জানতে পারি কি? মানে কৃষির বাত্সরিক বৃদ্ধি বলতে কি বুঝিয়েছেন?



Name:  Suvajit           Mail:             Country:  

IP Address : 203.51.52.40          Date:11 Jan 2007 -- 08:06 PM

এতসত্যেও প:ব:র কৃষীতে কি অবদান?
চাল ১
. ৪৪ কোটি টন (ভারতের ১৯ . ৮%)
খাদ্যশস্য ১
. ৫৫ কোটি টন (ভারতের ৮ . ৯%)
পাট ০
. ৮৬ কোটি টন (ভারতের ৭৫ . ৪%)
আলু ০
. ৭ কোটি টন (ভারতের ২৯ . ৮%)
মাছ ১১
. ২ লক্ষ টন (ভারতের ১৮%)
আরো আছে চা, সর্ষে ও রেপসীড, ফল আর ফুল এসবেও প:ব:র অবদান যথেষ্ট।
তাই কৃষিজমির বদলে শিল্পের চিন্তাভাবনার মধ্যে কৃষির বিকাষের একটা দাবী থেকেই যাচ্চে।




Name:  Suvajit           Mail:             Country:  

IP Address : 203.51.52.40          Date:11 Jan 2007 -- 08:13 PM

কৃষির বাত্সরিক বৃদ্ধি বলতে %age increase of agriculture as State GDP over previous year বুঝিয়েছি, এই figure টা ২০০১-০২ সালের (জানিনা বাংলা অনুবাদটা ঠিক হয়েছে কিনা)
এই
figure গুলো অনেকই এই report থেকে নেওয়া। http://agricoop.nic.in/Statatglance2004/AtGlance.pdf



Name:  dri           Mail:             Country:  

IP Address : 199.106.103.254          Date:13 Jan 2007 -- 01:52 AM

এই তথ্যগুলো মনে হয় এক বছরের ডেটা। এক বছরের ডেটা নিয়ে ট্রেন্ড এস্টিমেট করা ঠিক নয়। ডকুমেন্টে মোটে দু বছরের তথ্য আছে। এবং দেখতে পাচ্ছি বার্ষিক বৃদ্ধির হার খুবই ভোলাটাইল ডেটা।

পশ্চিম বাংলায় যে বছর গ্রোথ ৮
. ৫%, তার আগের বছরই ছিল ১ . ৮%। যে বছর পশ্চিম বাংলা ৮ . ৫%, সে বছর রাজস্থান ২৮ . ০%, কিন্তু তার আগের বছর -১০ . ৪%। তামিল নাড়ুতে আবার ঠিক উল্টো, প্রথম বছর ৪ . ৭%, পরের বছর -২ . ৮%।

এত ভোলাটাইল ইন্ডেক্সের টাইম অ্যাভারেজ না নিলে জাস্ট এক বছরের তথ্য দিয়ে কোন আলোচনা দাঁড় করানো মুস্কিল।



Name:  Suvajit           Mail:             Country:  

IP Address : 58.164.77.202          Date:13 Jan 2007 -- 05:22 PM

দ্রির সংগে আমি সম্পুর্ণ একমত, এক-দু বছরের তথ্য দিয়ে ট্রেন্ড আনালিসিস করা সম্ভব না। তবে ডেটাগুলো দিয়ে কিছু জিনিষ অনুমান করা যায়, যেমন নেগেটিভ গ্রোথ রাজস্থানের ক্ষেত্রে নিশ্চিত খরা, প:ব:র ক্ষেত্রে ১ . ৮% মনে হয় বন্যার কারণে।
যেটা বলা যেতে পারে বোধ হয় যে কৃষির অবদান হয় সে রকম আছে নয় বাড়ছে, কমছে না, এর সংগে মুদ্রাস্ফীতির কথা জুড়লে হয়ত কৃষির ফলনও বাড়ছে।
অন্যদিকে প:ব:র বৃহত্ চাষীর সংখ্যা নগন্য, এটাও একটা গুরুত্বপুর্ণ দিক (যেটা বাকি ভারতের থেকে আলাদা)। বৃহত্ চাষীর সংখ্যা বাড়লে ফলনেও বৃদ্ধি হবে, আর দাম নিয়ে
negotiation এর জায়গা বাড়বে যা চাষীদের উপকৃত করবে।
আমার বক্তব্য, চাষের বদলে শিল্প নয়, চাষের উন্নতির সংগে সংগে শিল্প হোক। আর প:ব:য়ে শিল্প হলে তো হয় বিদেশী নয় অবাঙ্গালী পুঁজি, তাতে কিছু লোকের রুজিরোজগার হলেও প:ব:র বৃহত্তর উন্নতি কতোটা হবে বলা মুস্কিল, লাভের পয়সা অন্য রাজ্যে/দেশে চলে যাবার সম্ভাবনাই প্রবল। সর্বশেষে আশংকা, প:ব: বাঙ্গালীর আওতায় থাকবে তো? মধ্যবিত্ত বাংগালী মধ্য কলকাতা থেকে হটে দক্ষিন কলকাতা, সন্তোষপুর, গড়িয়া, সোনারপুর সরে গেছে, চাষীরা গ্রামে নিজেদের জমিজমা হারিয়ে শেষে সুন্দরবনের জলাজমিতে বাসা বাঁধতে বাধ্য হবে না তো?


এই সুতোর পাতাগুলি: [1] [2]      এই পাতায় আছে: 16--46           ইউনিকোডে মতামত দিন।

  শেষ ৩০ টি বিষয়

   ছবি
ভালো wallpaper এর খোঁজ (৮)


   অন্যান্য
পশ্চিমবঙ্গের হালফিলের হাল হকিকত্ (১১৭)

'ইকনমিক্যালি নন-প্রডাক্টিভ' (১৭)

সু-পদার্থ বুদ্ধদেব (৩)

অপদার্থ মমতা (৫৩)

গুরুচণ্ডা৯ : শ্লোগান লিখুন, মুক্ত কন্ঠে প্রচার করুন (২৪)

সব্প্ন (৪)

টাকার নতুন চিহ্ন (২১)

Takar notun chehara (২)

ভাল্লাগেনা (১২)

বিশ্বকাপ ফুটবলের (২০১০) শেষাংশ (৯৪)

বিশ্বকাপ ফাইনাল - ২০১০ (৪)

নিছক ই একটা গল্প (২) (৩৩)

জ খুসি তই (১)

বড়বেলায় ধরা, এখন আউট অফ রিচ (৫)

জম্বুদ্বীপ (১৩৯)

বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১০ (৬০৩)

উইন্ডোজ বনাম (৫৭৩)

ভারত এর জনগণণা (৬)

চল রিয়াধ যাই ... (৯১)

সারা বিশ্বের বৃষ্টির / বর্ষার গান (১২৭)

ভোপাল গ্যাসকান্ডের বিচার - হচ্ছেটা কি? (১১৪)

ভোপাল গ্যাস ত্রগেদ্যও সর্করি দাঅয় (৬)

ক্যুইজ (২) (২৮)

পায়ের তলায় সর্ষে - চেরাপুঞ্জি (৩৪)

কৃতীদের কাছের লোক (১৭)


   বই
মিলিন্দ-পহ্ন (৪)

সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় (৩)


   নাটক
তৃ-প-বু-ভূ-১০ (৫১৯)

আজকের রামায়ণ (২৩)



**এই বিভাগের কোনো মন্তব্যের জন্যই এই সাইট দায়ী নয়৷ যে যা মন্তব্য করছেন, তা ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত মতামত৷ গুরুচন্ডালি সাইটের বক্তব্য নয়৷
**এই বিভাগের কোনো কোনো লেখা সম্পাদকীয় বিবেচনার পর আলোচনা বিভাগে প্রকাশ করা হতে পারে৷ প্রকাশে আপত্তি থাকলে আলাদা করে জানান৷ নচেত্ সম্মতি আছে ধরে নেওয়া হবে৷