বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--8


           বিষয় : মোদি সরকারের অর্থনীতির সমালোচনা
          বিভাগ : অন্যান্য
          শুরু করেছেন :S
          IP Address : 458912.167.34.76 (*)          Date:11 May 2019 -- 12:41 AM




Name:  S          

IP Address : 458912.167.34.76 (*)          Date:11 May 2019 -- 12:41 AM

অর্থনীতির এত খারাপ অবস্থা উদারীকরণের পরে ভারতে কখনই হয়নি। ২০০৯এ পুনর্নির্বাচিত ইউপিএ২ সরকারের অর্থনৈতীক ব্যর্থতাকে সামনে রেখে বিজেপি ক্যাম্পেইন চালিয়েছিলো “সবকা সাথ, সবকা বিকাশ”। সেই কথায় ভরসা করে জনগণও মোদিকে ভোট দিয়েছিলো।

তার আগের প্রায় এক দশক ধরে দাঙ্গা-পরবর্তী গুজরাতে দারুন অর্থনৈতীক উন্নতি হয়েছে বলে শোনা গেছে। জিডিপির বৃদ্ধির হার ছিলো ভারতের গড় বৃদ্ধির হারের থেকে বেশি। সেই নিয়ে বহু দেশি এবং বিদেশি মিডিয়া সংস্থা মোদির প্রশংসা করে। এমনকি বেশ কিছু নামকরা অর্থনীতিবিদও মোদির রাজত্বকালে গুজরাতের অথনৈতীক উন্নতির জয়জয়কার করেন। একমাত্র লন্ডনে কর্মরত দুই অর্থনীতিবিদ মৈত্রিশ ঘটক এবং সন্চারি রায় ২০১৪তে প্রকাশিত একটি পেপারে দেখান যে গুজরাতের অর্থনৈতিক উন্নতি কোনো "মোদি এফেক্ট"এর জন্য হয়নি। গুজরাতের জিডিপি মোদির রাজত্বকালের আগেও দেশের গড়ের থেকে বেশিই বেড়েছে। এবং মোদির রাজত্বকালের সময়টিতে অর্থনৈতিক উন্নত সবকটি রাজ্যই (যেমন মহারাষ্ট্র, তামিল নাডু, এবং হরিয়ানা) দেশের গড়ের থেকে দ্রুততর হারে জিডিপি বৃদ্ধি করেছে। আপনাদের মনে থাকবে সেই বিখ্যাত "সেন বনাম ভগবতী" বিতর্ক যেখানে ডঃ জগদীশ ভগবতী দাবী করেন যে মোদি সরকার ভারতের অর্থনীতির জন্য ভালো হবে। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন জানান যে মোদির গুজরাত মডেল পুরো ভারতের জন্য অকার্যকর। সেই সময় বহু লোক যাদের অর্থনীতি সম্বন্ধে ততটুকুই জ্ঞান যতটুকু আমার রয়েছে হিব্রু ভাষাটি সম্বন্ধে, ডঃ ভগবতীকে সমর্থন করে বসেন। এবং মিডিয়াও খুব মজাদার ভুমিকা পালন করেছিলো।

ক্রিসিলের একটি রিপোর্ট বলছে যে ২০১৩ থেকে ২০১৭, যখন মোদি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন না, তখনও গুজরাত অর্থনৈতিক ভাবে খুব ভালো পারফর্ম করেছে। এই সময়টিতে দেশের গড় বৃদ্ধির হার ছিলো ৬.৯ শতাংশ। আর গুজরাতে ছিলো ১০ শতাংশ। এমনকি এই সময়ে গুজরাতে মুদ্রাস্ফীতিও ছিলো সর্বভারতীয় গড়ের থেকে কম। অর্থনৈতিক শৃঙ্খলার ব্যাপারেও গুজরাত অনেকটা এগিয়ে। ২০১৭ সালের মার্চ মাসে ঋণ/জিডিপি রেশিও ছিলো ২১% যা দেশের গড়ের থেকে কম। ২০১৭-১৮ সালেও গুজরাতের বৃদ্ধির হার ছিলো ১৩.৩ শতাংশ (উইকিপিডিয়া)। অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে যে গুজরাত মোদির অবর্তমানেও বেশ ভালো উন্নতি করছে। ফলে মোদির প্রভাবে এবং পলিসির জন্য গুজরাতে ২০০২-২০১৪ অবধি খুব উন্নতি হয়েছে, সেটি ঠিক নয়। গুজরাত রাজ্য হিসাবে চিরকালই উন্নত ছিলো এবং রয়েছে। অর্থনৈতিক উন্নতি বেশিরভাগ সময়েই দেশের গড় হারের থেকে অনেক বেশি হয়েছে। সেই কারণেই গুজরাতে বেকারি কম আর অর্থনৈতিক শৃঙ্খলাও অত্যন্ত দৃঢ়।

গুজরাতের জনসংখ্যা আয়তন অনুযায়ী অনেক কম। গুজরাতের আয়তন পশ্চিম বঙ্গের দ্বিগুনেরও বেশি। অথচ পশ্চিম বঙ্গের জনসংখ্যা গুজরাতের দেড় গুন। ফলে গুজরাতের জনসংখ্যার ঘনত্ব পশ্চিম বঙ্গের এক-তৃতীয়াংশ। এই একই কারণে গুজরাত জিডিপি পার ক্যাপিটা বা মাথা পিছু আয়ের মতন মাপগুলিতে দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় অনেক এগিয়ে। তাছাড়া গুজরাতিরা অত্যন্ত উদ্যোগী জাত, যাকে ইংরেজিতে বলে entrepreneurial. দেশের (এবং বিদেশেরও) বড়-মাঝারি শিল্পের একটা বড় অংশ গুজরাতিদের মালিকাধীন। এছাড়াও প্রচুর বড় বড় ফান্ডগুলি পরিচালনা করে গুজরাতীরা। ফলে এটা স্বাভাবিক যে গুজরাতে প্রচুর পরিমাণে বিনিয়োগ হয়েছে এবং হয়ে এসেছে। ২০১৯এর বিশ্ব বাংলা সম্মেলনে বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছিলো ২.৮৪ কোটি টাকার এবং মোট ৮৬টি মৌ স্বাক্ষর হয়েছিলো। সেই তুলনায় ২০১৯এর ভাইব্রেন্ট গুজরাত সামিটে ২৮,৩৬০টি মৌ স্বাক্ষর হয়েছিলো; শুধুমাত্র প্রথম দিনেই ৭ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছিলো। গুজরাতিরা দেশের ও বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে বাস করেন। যেখানেই অর্থনৈতীক সুযোগ দেখেন, সেটিকে কাজে লাগান। ফলে গুজরাতের এবং গুজরাতীদের অর্থনৈতীক সাফল্যের সঙ্গে মোদির অর্থনীতির সম্পর্কটি বেশ অতিরন্জিত।

কিন্তু মিডিয়া, বিজেপি ও তার সঙ্গী দলগুলো, বিভিন্ন সংস্থা, এবং বিশেষজ্ঞরা ২০১৪র নির্বাচনের আগে একটা হাওয়া তৈরী করতে সক্ষম হয়েছিলো যে মোদি এলে দেশের অর্থনৈতীক অচলাবস্থা কাটবে। এবং সেই আশায় লোক মোদিকে ভোট দেয় এবং বিজেপি নিরন্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠন করে। এইসব মিডিয়া, সংস্থা, ও বিশেষজ্ঞদের কায়েমি স্বার্থ জানার কোনো ইচ্ছে আমার নেই, তাই সেই নিয়ে আলোচনা করতেও চাইনা। শুধুমাত্র এইসব বিশেষ জ্ঞানএর অধিকারিরা কিকরে বিশ্বজোড়া মন্দা এবং অশোধিত তেলের দামের মতন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিকে সম্পুর্ণ অগ্রাহ্য করে ইউপিএ২ সরকারের অর্থনীতির সমালোচনা করলেন, সেটি খুব চিন্তার। ২০১৪ সালে মোদি যখন সরকার গঠন করেন, তখন অপরিশোধিত তেলের দাম ছিলো ব্যারেল পিছু ১১০ ডলার। সেটি ২০১৫তে কমে ৫২ ডলার হয়। এবং তার পরে ২০১৮ সালের কয়েকমাস ছাড়া সবসময়ই ৬০ ডলারের আশে পাশে ছিলো। সেই তুলনায় ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে যে তেলের দাম ছিলো ৫০ ডলার, সেটি ইউপিএ২ সরকারের প্রায় পুরো সময়টিতে ১০০-১২০ ডলারের কাছাকাছি থেকেছে। মনে রাখবেন ভারতের মোট আমদানির প্রায় ২৫% হলো তেল এবং তেলের দামের সাথে মুদ্রাস্ফীতির সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। আর এতোদিনে আমরা সবাই এটাও জেনে ফেলেছি যে মুদ্রাস্ফীতি বাড়লে অর্থনৈতীক বৃদ্ধি কমে।

মোদি বিগত বেশ কয়েকটি সরকারের মধ্যে সবথেকে উপযুক্ত সময় পেয়েছিলেন দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি করার। তেলের দাম ছিলো কম, ভারতের ক্রেডিট রেটিঙ্গের উন্নতি হয়েছে, বিশ্বজোড়া মন্দা কেটে গেছিলো, দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা মোদি সরকারের অধীনে ভারতে বিনিয়োগ করতে উৎসাহ দেখাচ্ছিলো । অথচ মোদি সরকারের একের পর এক দুঃসাহসিক পরীক্ষা নিরিক্ষা দেশের অর্থনীতিকে অনেকটা পিছিয়ে দিলো।

যে সরকার ইলেকশান ফাইনান্স বিলের মতন একটি অত্যন্ত বিতর্কিত আইন পাশ করায়, সেই সরকারের কালো টাকা ধরার আদৌ কোনো উদ্দেশ্য আছে বলে মনে হয়্না। তা সত্ত্বেও আরবিআইয়ের বিরুদ্ধে গিয়ে মোদি সরকার কেন নোটবন্দীর মতন একটা নীতি গ্রহন করলো, সে নিয়ে ধন্দ রয়েই গেছে। শুধুমাত্র একটা ব্যাপারে আমরা নিস্চিত যে নোটবন্দীর ফলে কোনো কালো টাকা উদ্ধার হয়নি এবং মানুষের হয়রানির সঙ্গে সঙ্গে অর্থনীতির মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গেছে। ২০১৬-১৭এর অর্থনৈতীক সমীক্ষা আমাদের জানিয়েছে যে নোটবন্দীর ফলে জিডিপি ০.২৫% থেকে ১% কম বেড়েছে। মনে রাখবেন যে ভারতের মতন একটি বিশাল দেশের অর্থনীতির ০.২৫% দেশের প্রায় ৩২ লক্ষ লোকের গড় আয়ের সমান। এছাড়া আপনি যদি এটির যৌগিক ফল দেখেন, তাহলে সেটি একটা বিশাল সংখ্যায় পরিণত হয়। ধরুন নোটবন্দীর সময় দেশের অর্থনীতির আয়তন ছিলো আড়াই ট্রিলিয়ন ডলায়। এর পরে নোটবন্দী হওয়াতে জিডিপি বেড়েছে ৭%, না হলে বাড়তো ৭.২৫%। এবং এটাও ধরলাম যে এর পরে দশ বছর দেশের জিডিপি বাৎসরিক ৭% হারে বাড়বে। সেক্ষেত্রে প্রথম বছর জিডিপির পার্থক্য মাত্র ৬ ট্রিলিয়ন ডলার হলেও দশ বছর পরে সেটি সাড়ে ১১ ট্রিলিয়ন ডলারে পরিণত হবে। এবং এই দশ বছরে মোট ৮৬ বিলিয়ন ডলার হারাবে ভারতের অর্থনীতি। মনে রাখবেন এই হিসাবটা মুল্যবৃদ্ধিকে উপেক্ষা করে করা হয়েছে। এর সাথে বাৎসরিক ৫% মুল্যবৃদ্ধি জুড়ে দিলে এই হারে দশ বছরের অর্থনৈতীক ক্ষতি হয়েছে/হবে মোট ১১০ বিলিয়ন ডলার।

আরেকটি গুরুত্বপুর্ণ বিষয়টি হলো অর্থনৈতীক সংখ্যার হেরফের করে সমস্ত বিশ্বের সামনে ভারত সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করেছে এই সরকার। প্রথমেই মনে রাখবেন যে নতুন মডেলটি ভারতের অর্থনীতিকে প্রায় ২% অতিরিক্ত বৃদ্ধির পরিমাপ দেয়। এটি সম্ভবত করা হয়েছে চীনের বৃদ্ধির পরিমাপের থেকে বেশি দেখানোর আছিলায়। সারা দুনিয়ার অর্থনীতিবিদরা এমনকি বিশ্বব্যান্ক এই মডেলটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এতোদিন এই প্রশ্ন চীনের অর্থনৈতীক সংখ্যাগুলি নিয়ে তুললেও, ভারত সরকার প্রদত্ত সংখ্যাগুলো সাধারনতঃ সকলে স্বীকার করে নিত। এখন সেই বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে ভারত। ফলে এই সরকারের প্রকাশ করা কোনো সংখ্যাকেই আর প্রশ্নাতীত রাখা যায়্না। বিশেষ করে যে সরকার সমস্ত প্রতিষ্ঠানের মাথায় নিজেদের লোক বসিয়েছে। সম্প্রতি বেকারি নিয়ে রিপোর্টটিকে লুকানোর খবর প্রকাশ হওয়ার পর থেকে সেই প্রশ্নের উত্তর বোধয় সবাই পেয়ে গেছেন। এখন প্রশ্ন ওঠে যে মোদির রাজত্বকালে গুজরাতের অর্থনীতির যেসব সংখ্যা আমরা জানতে পেরেছিলাম, তার কতটা সত্যি।

নিরন্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজেপি সরকারের নেতা মোদি বিশ্বস্ত মন্ত্রীমন্ডল এবং আমলাদল থাকা সত্ত্বেও একটিও অর্থনৈতীক পলিসি ঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে অক্ষম হয়েছে। মোদির সবথেকে বিশ্বস্ত ভক্তকুল অর্থাৎ ব্যবসায়ীমহলও জিএসটির বিশৃঙ্খলা এবং ব্যর্থতা নিয়ে সম্পুর্ণ ভাবে হতাশ হয়েছে। অর্থনীতিতে এই ব্যর্থতার কুফল কতটা, সেটা সংখ্যায় ব্যক্ত করা বোধয় এইমুহুর্তে সম্বব নয়। কিন্তু যেটি নির্ণয় করা যায় তা হলো মোদি সরকার দেশের অর্থনীতির জন্য মোটেও কার্যকরি নয়। অর্থনৈতীক নীতি প্রণয়ন, সময়জ্ঞান, বিশাস যোগ্যতা, এবং নীতির বাস্তবায়ন - সবকটি বিষয়েই এই সরকার ব্যর্থ হয়েছে।

আর এই খবরটি মোদি-শাহ-বিজেপি-নাগপুর জানে। তাইতো এইবারের ইলেক্শানে তাদের স্লোগান হয়েছে "মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়"। বাংলা তর্জমা করলেঃ মোদি থাকলেই সম্ভব। অর্থাৎ স্বীকার করেই নিয়েছে যে কাজ কিছুই হয়নি, আগেরবারের প্রতিশ্রুতি রাখতে পারেনি এই সরকার। ফলে ভোটারদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিতে চাইছে যে এই প্রতিশ্রুতি যদি কেউ রাখতে পারে সেটা মোদিই পারে। জনগণের মধ্যে ২০১৪তে যে ভরসা ছিল, স্লোগানের মাধ্যমে সেটিকে ফিরিয়ে আনার চেস্টা করেছে আবার, কাজের মাধ্যমে নয়। এই সরকার এবং বিজেপি দলটির যে দেশের অর্থনৈতীক উন্নতির প্রতি কোনই মনোযোগ নেই সেটি বোঝা যায় উত্তরপ্রদেশে তাদের মুখ্যমন্ত্রী এবং এইবারে তাদের প্রার্থী নির্বাচনে। এবং তার সাথে যে বিভাজনের সাথে দেশকে পরিচালনার করেছে এই সরকার এবং বিজেপি তাতে অর্থনীতি এবং বিকাশ যে তাদের মুল উদ্দেশ্য নয় সেটি নিস্চিতভাবে বলা যায়।

সর্বশেষে এইটুকু উপসংহার দিয়ে যাই যে তেলের দাম, বিশ্বজোড়া মন্দা, এবং সংখ্যার হেরফেরকে বিবেচনার মধ্যে আনলে অর্থনীতির বিচারে ইউপিএ২ এবং মোদি সরকারের মধ্যে কোনো পার্থক্যই পাওয়া যায়না।


Name:  sm          

IP Address : 2345.110.9003412.173 (*)          Date:13 May 2019 -- 09:13 AM

কিছু জিনিষ নিয়ে লিখলে ভালো হয়। এই এনডিএ সরকারের আমলে জাতীয় ধার বোধ হয় ত্রিশ লক্ষ কোটি মতন বেড়েছে।কেন বাড়লো?
এনডিএ সরকার পড়লে,শেয়ার মার্কেটে কি ধ্বস নামবে?
ডলার এর দাম আগামী কয়েক মাস কি রকম হতে পারে?
তেল এর দাম ই বা কতটা বাড়তে পারে?
একটু স্পেকুলেটিভ আলোচনা।


Name:  S          

IP Address : 458912.167.34.76 (*)          Date:13 May 2019 -- 09:15 AM

এনপিএ নিয়ে লিখতে ভুলে গেছি।
পরের বছর আম্রিগাতে রিসেশান আসতে পারে। অতেব।


Name:  sm          

IP Address : 2345.110.9003412.173 (*)          Date:13 May 2019 -- 09:25 AM

আমেরিকার তো এখন তুঙ্গে বৃহস্পতি!ট্রাম্পের আমলে অর্থনীতি চড় চড় করে উঠছে।মানে যা খপরে দেখছি,আর কি। চীন কে টাইট দিয়ে কয়েকশ বিলিয়ন ডলার ঘরে তুলতে পারবে মনে হচ্ছে।লাইনে ভারত,ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ দাঁড়িয়ে আছে।ট্রাম্প,পরের নির্বাচনে চলে যেতে পারে কিন্তু আমেরিকায় রিসেশন আসতে দেবেক নাই,বটে।


Name:  S          

IP Address : 458912.167.34.76 (*)          Date:13 May 2019 -- 10:10 AM

US-China trade war could slash US$1 trillion from US economy in a decade warns Chamber of Commerce.

New study from the US Chamber of Commerce finds that should tariffs increase, US gross domestic product, employment, investment and trade will all decline.

https://www.scmp.com/economy/china-economy/article/3002376/us-china-tr
ade-war-could-slash-us1-trillion-us-economy-decade



Name:  sm          

IP Address : 2345.110.9003412.173 (*)          Date:13 May 2019 -- 10:29 AM

আগে সন্ধিহান ছিলাম ,এখন খপর দেখে মনে হচ্ছে আমেরিকা লাভবান হবেই ।কারণ এই সো কল্ড এক্সপার্ট রা যা বলে থাকে ,এসব ক্ষেত্রে তার উল্টোটাই হয় ।গত রিসেশনের আগে আগে দু একজন ছাড়া , এইসব এক্সপার্ট রাই তোল্লাই দিয়েছিলো ,ইকোনমির প্রচুর উন্নতি হচ্ছে ।


Name:  রঞ্জন          

IP Address : 232312.176.78.233 (*)          Date:13 May 2019 -- 11:43 AM

এস,
চমৎকার লিখেছেন। এক জায়গায় দ্বিমত।
বিশ্ববাজারের প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্ত্বেও ইউপিএ--২ মোদিনোমিক্স এর চেয়ে ভাল পারফর্ম করেছিল মনে হয়।


Name:  S          

IP Address : 237812.58.1245.170 (*)          Date:13 May 2019 -- 12:15 PM

থ্যান্কু রন্জনদা। গুচ্ছ টাইপো হয়েছে।

এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--8