বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--6


           বিষয় : বিকল্প ভবিষ্যতের স্বপ্নসন্ধান
          বিভাগ : অন্যান্য
          শুরু করেছেন : Anjan Majumder
          IP Address : 7845.11.4590012.74 (*)          Date:29 Apr 2019 -- 09:46 PM




Name:   Anjan Majumder           

IP Address : 7845.11.4590012.74 (*)          Date:29 Apr 2019 -- 09:49 PM

বিকল্প ভবিষ্যতের স্বপ্নসন্ধান

মূল রচনাঃ দেবাদিত্য ভট্টাচার্য এবং রীনা রামদেব

অনুবাদঃ অঞ্জন মজুমদার

সদ্যসমাপ্ত ইন্ডিয়ান সায়েন্স কংগ্রেসের অধিবেশনে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানকে যে ভাবে ব্যঙ্গ করা হলো, তা ভারতবর্ষের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করবার তত্ত্বগত বৃহত্তর আগ্রাসনের একটি প্রলক্ষণ মাত্র। এছাড়াও, ইন্ডিয়ান সায়েন্স কংগ্রেসের অধিবেশনের কেন্দ্র হিসেবে যে প্রতিষ্ঠানটিকে বেছে নেওয়া হলো – পাঞ্জাবের একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় – তা স্পষ্ট করে দেয় যে, উচ্চ শিক্ষায় ব্যক্তি মালিকানাকে কতোটা উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। অথচ, সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে নির্বিকারভাবে অনুদান কাটছাঁটের ফলে ১৬৭টি নারীশিক্ষা কেন্দ্র এবং সামাজিক বহিষ্কার সংক্রান্ত চর্চার ৩৫টি কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাবার মুখে। উদ্বোধনের আগেই বিশেষভাবে ‘জিও ইন্সটিটিউটকে ‘’ইন্সটিটিউট অব এমিনেন্স’’-এর মর্যাদা দেওয়া হলো দেখে নিঃসন্দেহে বোঝা যায় যে, প্রাইভেট মডেলের প্রতি বর্তমান সরকারের কুণ্ঠাহীন নির্ভরতা আছে।
এটি সেই একই রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা, যা থেকে জনসাধারণের অর্থে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানগুলিকে ‘’গ্রেডেড অটোনমির’’ দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে – যাতে করে ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলির শিক্ষা ব্যবসায়ে ঢুকে পড়বার পথটি প্রশস্ত করা যায়। ওয়ার্ল্ড ট্রেড অরগ্যানাইজেশনের নির্দেশ মেনে ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্টস কমিশন উচ্চশিক্ষার আর্থিক দায়দায়িত্ব ঝেড়ে ফেলবার প্রসঙ্গে ইদানীং যে সব পদক্ষেপ নিতে চলেছে তাতে করে, সংস্থাগুলির স্বয়ংশাসিত বৈশিষ্ট্য ক্ষুণ্ণ করবার প্রয়াস ফুটে উঠছে। দেশের প্রতিটি নাগরিক, রাষ্ট্রের কাছে শিক্ষার যে অধিকার দাবী করে, এইসব নির্দেশ তাকে সরাসরি উপেক্ষা করে এবং শিক্ষাকে একটি বানিজ্যিক উপাদান হিসেবে দেখতে চায়।
অধিকার বনাম বদান্যতা
আর্থিক অসুবিধার কারণ দেখিয়ে ২০১৫ সালে ইউজিসি ঠিক করে যে তারা নন নেট (NON NET) ফেলোশিপ একেবারে বন্ধ করে দেবে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্ররা আন্দোলনে নামে (গণমাধ্যমে এই আন্দোলন ‘অকুপাই ইউজিসি’ নামে পরিচিত হয়)। আন্দোলন দাবী করেছিলো যে, রিসার্চ ফেলোশিপ রাষ্ট্রের দয়ার দান নয় – বরং তা হলো জ্ঞান সৃষ্টিতে সরকারের দায়। আন্দোলনের ফলে সরকার পিছিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এর ঠিক পরেই রাজীব গান্ধী ন্যাশনাল ফেলোশিপ এবং মৌলানা আজাদ ন্যাশনাল ফেলোশিপ, যেগুলি তফসিলি জাতি / উপজাতি এবং সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীদের নন নেট (NON NET) ফেলোশিপ হিসেবে চালু ছিলো – তাতেও কাটছাঁট শুরু হয়। নতুন নতুন শর্ত চাপিয়ে যোগ্যতা প্রতিষ্ঠা করবার ক্ষেত্র সংকুচিত করবার চেষ্টা শুরু হয়।
উচ্চশিক্ষার সমীক্ষা (AISHE) অনুযায়ী মানবসম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের ২০১৭-১৮ সালের রিপোর্টে দেখানো হয়েছে যে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে উচ্চশিক্ষায় ২৫.৮% নাম নথিভুক্ত হয়েছে ( GER – Gross Enrolment Ratio ), যেখানে ২০১১-১২ সালে নথিভুক্ত হয়েছিল ১৯.৪%। GER ইনডেক্সটির অর্থ হলো – প্রতি ১০০ জনের মধ্যে যতজন তৃতীয় ধাপের শিক্ষায় প্রবেশ করে। এর মধ্যে কতো জন শিক্ষাক্ষেত্র ছেড়ে চলে যায় (drop-outs), সে হিসেব অবশ্য মেলেনা।
যদিও, AISHE রিপোর্টে সংখ্যাতত্ত্ব ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখানো হয়, তবুও জাতীয় GER-এর তুলনায় তফসিলি জাতির ক্ষেত্রে GER ২১.৮% এবং তফসিলি উপজাতির ক্ষেত্রে GER ১৫.৯%, সে কথা অস্বীকার করা যায়নি। এখানে উল্লেখ করা দরকার যে, GER গণনা করবার ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়মটি হলো, সংশ্লিষ্ট বয়স সীমার অন্তর্গত জনগণনার তথ্যকে বেসিক স্যাম্পল সাইজ হিসেবে ধরতে হবে। দলিত – আদিবাসীদের ক্ষেত্রে GER নির্ণয়ের পদ্ধতিতে তার হেরফের করা হয়েছে।
জনগণনার সম্পূর্ণ সংখ্যাকে বেস সংখ্যা হিসেবে বিচার না করে, অংশভিত্তিক নথিভুক্তি সংখ্যাকে ব্যবহার করে তফসিলি জাতি – উপজাতির GER, ফুলিয়ে তোলা হয়েছে। জনগণনার সংখ্যাটির ভিত্তিতে ( রিপোর্টের ৩৮ নং তালিকা ) নথিভুক্তি সংখ্যাকে ( ১৪ নং তালিকা) বিচার করলে দলিতদের ক্ষেত্রে GER দাঁড়ায় ৩.৭২% এবং আদিবাসীদের ক্ষেত্রে ১.৩৫%। কিন্তু ঐ একই বয়স সীমার ১০০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে কমপক্ষে ১৭ জন জন্মসূত্রে দলিত এবং প্রায় ৯ জন আদিবাসী সম্প্রদায়ের। ঠিকঠাক হিসেবে বলতে হয় যে, ১৭ জন তফসিলি জাতি শিক্ষার্থীর মধ্যে চার জন এবং প্রতি ৯ জন তফসিলি উপজাতি শিক্ষার্থীর মধ্যে একজন উচ্চ শিক্ষায় প্রবেশ করবার সুযোগ পায়। অহিন্দু জন্মসুত্র থেকে আসা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের GER দাঁড়ায় ১.৮৭% ( সরকারী হিসেবে যা ছিল ৭.২%)। ২০১১ সালের জনগণনার তথ্যের ভিত্তিতে বিচার করলে প্রতি ২০ জন সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীর মধ্যে ২ জনেরও কম তৃতীয় ধাপের শিক্ষাতে যাচ্ছে। পরিহাসের বিষয়টি এই যে, উচ্চবংশের বর্ণহিন্দুর নথিভুক্তির অনুপাত ৮.৪৭%, যার অর্থ এই যে, প্রতি ১০ জন বর্ণ হিন্দুর মধ্যে ৮ জনেরও বেশি উচ্চ শিক্ষায় যায়। কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সাম্প্রতিক নির্বাচনী চমক জানাচ্ছে যে, কেবলমাত্র উচ্চবর্ণের ‘’ অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া ‘’ শ্রেণীর জন্য শিক্ষাক্ষেত্রে ১০% সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। সদর্থক রাজ্যশাসণের ঘোষিত প্রণালীর ঠিক বিপরীত অভিমুখে হেঁটে রাষ্ট্রের এমন একটি ঘোষণা বুঝিয়ে দেয় যে – বিশেষতঃ বর্ণভিত্তিক সামাজিক ভেদাভেদের প্রোথিত পরম্পরার উত্তরাধিকার বহন করতে তারা বদ্ধপরিকর।
সামাজিকভাবে প্রান্তিক মানুষদের জন্য সংরক্ষিত (প্রভুত্বকারী বর্ণের জন্য সংরক্ষণসহ) নন নেট (NON NET) ফেলোশিপ তুলে নেওয়ার বিষয়টি থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি পরিচালনার আর্থিক দায়িত্ব বহন করবার অর্থনৈতিক পরিকল্পনাটি ক্রমাগত ব্যক্তি মালিকানায় শিক্ষা ক্রয় বিক্রয়ের ছকে পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে।
উচ্চ শিক্ষা সংক্রান্ত অম্বানি-বিড়লা রিপোর্ট (২০০০) যে বিধানগুলি প্রস্তাব করেছিলো এবং ঠিক তার পরেই ন্যাশনাল নলেজ কমিশন যাকে যথাযথ বলে শংসা প্রদানও করেছিলো – সেগুলিকে অনুসরণ করেই সরকারের এই মতি পরিবর্তন। শিক্ষার্থীর আর্থিক ক্ষমতাকে সম্পূর্ণভাবে অগ্রাহ্য করে উচ্চশিক্ষায় প্রবেশের প্রয়োজন সম্পর্কে নির্বিকার তত্ত্বটি (need-blind admissions) এই নলেজ কমিশন তাদের পলিসি হিসেবে গ্রহণ করে।
গবেষণাখাতে অর্থবরাদ্দ প্রায় পুরোটাই তুলে দেওয়ার পাশাপাশি – উচ্চতর শিক্ষা মানেই ভালো চাকুরীর সুযোগ – এমন একটি মিথ্যা ধোঁয়াশা তৈরি করা হয়। কিন্তু প্রকৃত অবস্থা এই যে, বেকারত্ব বাড়তে বাড়তে গত ৪৫ বছরের রেকর্ড ছাপিয়ে গেছে। এমন একটি অবস্থায় উচ্চ শিক্ষা থেকে রাষ্ট্র হাত গুটিয়ে নিলে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন, নিম্ন আয়ের, ঋণগ্রস্ত কর্মীগোষ্ঠী (indebted workforce) তৈরি হবে।
AISHE রিপোর্টে আরও নানা ধরণের ছোটোখাটো পরিসংখ্যানগত কারচুপি চোখে পড়ে। শিক্ষক সংখ্যার দিক থেকে হিসেব করবার সময়ে, শুরুর বছরটি (base year) বদলে নেওয়া হয়েছে (২০১৩-১৪ সালের বদলে ২০১০-১১)। প্রকাশিত রিপোর্ট (তালিকা ৫১) অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ সাল থেকে শিক্ষক নিয়োগের সংখ্যা প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য হারে কমে গিয়েছে। বিগত তিন বছরে উচ্চশিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষকদের সংখ্যা ১৫.১৯ লক্ষ থেকে হ্রাস পেয়ে ১২.৮৫ লক্ষে নেমে গিয়েছে। এর মধ্যে সংরক্ষিত স্থায়ী আসনগুলিতে সবচেয়ে বেশি ঘাটতি রয়েছে। নিয়োগসংক্রান্ত ১৩ দফা নিয়মাবলী (13 point roster) এই ধরণের ঘাটতিকে আরও তীব্র করবে এবং এমন একদিন আসবে যেদিন শিক্ষকতা কেবল মাত্র উচ্চবর্ণের বৃত্তি হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত হবে। আরও আশঙ্কার কথা – শিক্ষকপদে নিয়োগ হ্রাসের এই সময়কালে ১০৪টি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যার মধ্যে ৬৬টি ব্যক্তি মালিকানার সংস্থা। এমতাবস্থায়, এটা কোনো বিস্ময়ের বিষয়ই নয় যে, এইসব অভিজাত ‘’বিশ্বমানের পরিকাঠামো সম্পন্ন’’ প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে সেরা সরকারী প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষালাভ করা অনেক উজ্জ্বল ছাত্রছাত্রীদের নিজেদের প্রতিষ্ঠানে টেনে আনতে সক্ষম হয়েছে।
পিছন দিকে হাঁটা
বহুজাতিক পুঁজির কাছে জাতীয়তাবাদী বাহিনী যে তাদের সরকারী শিক্ষা ব্যবস্থাকে বন্ধক রাখছে তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক জাতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেসের প্রেক্ষিতে অমর্ত্য সেন যে বক্তব্য রেখেছেন তার মধ্যে ‘’অসহিষ্ণুতা’’ শব্দটি ব্যবহার করে তিনি সেই অসহিষ্ণুতার কথা বলতে চেয়েছেন যা, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে শিক্ষার্থীদের অশান্ত করে তোলে। অন্যায় আর অবিচারপূর্ণ সরকারী নীতির ফলে সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্ন এবং আদর্শ ধূলিসাৎ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। মানুষও অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছে, তাদের রোষ উপচে পড়ছে, কারণ সরকার তাদের কথা ক্রমাগত অগ্রাহ্য করেই চলেছে। আর এই অসহিষ্ণুতা থেকেই গড়ে উঠছে, শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত ‘Young India Adhikar March’ (৭ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা)। বিগত এক বছরের মতো সময়ের মধ্যে নজরে এসেছে, সঙ্ঘবদ্ধ অধিকারের বিভিন্ন দাবী। রীতিমত প্রচারসহ কৃষকজনতার মিছিল – প্রান্তিক মানুষ – মহিলা – সকল অংশই বুঝিয়ে দিচ্ছে, তারা রুষ্ট । রাষ্ট্র কেন নির্বিকার – তাই তারা রুষ্ট। চল্লিশটি যুব সংগঠনের মঞ্চ এই ‘Young India Adhikar March’ অন্যান্য দাবীর পাশাপাশি ছাত্র ছাত্রীদের বেতনবৃদ্ধির অবসান, লিঙ্গভিত্তিক অসাম্য নীতির অবসান, ’’ গেরুয়া’’ লাঞ্ছিত পাঠক্রমের হাত থেকে মুক্তি ছাড়াও চাকুরীর নিশ্চয়তা – শিখন এবং শিক্ষণের ক্ষেত্রে এক বুদ্ধিগত স্বাধীনতা – সবকিছুই তাদের দাবী।
সরকারী শিক্ষার (public education) ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের দায় (publicness) লক্ষ্য করে যদি, রাষ্ট্র সম্পর্কে আমাদের ধারণা বিচলিত হয়, তাহলে যুব জনতার সাথে মিছিলে যোগ দিয়ে বিকল্প ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখার অধিকার দাবী করবার এটাই উপযুক্ত সময়।
দেবাদিত্য ভট্টাচার্য, পশ্চিমবঙ্গের কাজি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। রীনা রামদেব দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেঙ্কটেশ্বর কলেজে শিক্ষকতা করেন।
( মূল রচনাটি - ২০১৯ সালের ২২শে জানুয়ারি ‘’ Imagining Alternative Futures ’’ নামে ‘ দি হিন্দু’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিলো )

URL:(https://www.thehindu.com/opinion/op-ed/imagining-alternative-futures/article26169611.ece)


Name:  S          

IP Address : 458912.167.34.76 (*)          Date:05 May 2019 -- 04:00 AM

খুব প্রয়োজনীয় লেখা। ভালো অনুবাদ হয়েছে।

"উচ্চবংশের বর্ণহিন্দুর নথিভুক্তির অনুপাত ৮.৪৭%, যার অর্থ এই যে, প্রতি ১০ জন বর্ণ হিন্দুর মধ্যে ৮ জনেরও বেশি উচ্চ শিক্ষায় যায়।"
এইটা একটু এডিট করে দিন।


Name:  sm          

IP Address : 2345.110.123412.159 (*)          Date:05 May 2019 -- 10:36 AM

উচ্চ শিক্ষায় প্রাইভেটাইজেশন হলে ক্ষতি কি?
স্টুডেন্টরা লোন নিয়ে পড়বে। চাকরি পাবার পর শোধ করবে।
কে না জানে,সরকারি চাকরি বাড়ন্ত।তাই বেশির ভাগের ক্ষেত্রে বিদেশে পাড়ি দেওয়াই ভরসা।যে ইন্সটি ,যতো ভালো করে,এই জিনিসটি রপ্ত করাতে পারবে,সে ততো গুড়ের অধিকারী হবে।
এখন অধিকাংশ মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্ত ফ্যামিলির লক্ষ হলো,বিদেশে ছেলে মেয়ে যাতে উচ্চ শিক্ষা পেতে পারে তার জন্য সঞ্চয় করে রাখা। এটা,একধরণের ইনভেস্টমেন্ট।যা,ভবিষ্যতে ডিভিডেন্ট দেবে।মধ্যি খান থেকে বেশি আগডুম বাগডুম লিখে কিছু লাভ হচ্ছে কি?
এদেশে প্রাইভেটে, ডাক্তারি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে পঞ্চাশ লাখ থেকে কোটি খানেক এর ধাক্কা।
এমন কি,আই আই টি,আই আই এম--একবারে সরকারি ইন্সটি গুলোতেও বছরে পড়াবার খরচ কয়েক লক্ষ টাকা।
বেসরকারি হাসপাতাল গুলোতে চিকিৎসা খরচা লাখ লাখ টাকা।
তো,মানুষ কি করবে?
সরকার কবে সুদিন আনবে,সেই ভেবে রোমন্থন করবে?


Name:   Anjan Majumder           

IP Address : 7845.11.450112.72 (*)          Date:05 May 2019 -- 10:51 PM


অঞ্জন মজুমদার

ভুল চিহ্নিত করে মতামত দেওয়ার জন্য শ্রী S কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আপনাদের মত মনোযোগী পাঠকের সন্ধান লেখালিখির উৎসাহকে বাঁচিয়ে রাখে।
"উচ্চবংশের বর্ণহিন্দুর নথিভুক্তির অনুপাত ৮.৪৭%, যার অর্থ এই যে, প্রতি ১০ জন বর্ণ হিন্দুর মধ্যে ৮ জনেরও বেশি উচ্চ শিক্ষায় যায়।"
স্পষ্টতঃই ‘’ ১০ জন বর্ণ হিন্দুর মধ্যে ৮ জনেরও বেশি ‘’ অংশটি ত্রুটিপূর্ণ। সংশোধন করে অংশটি হবে ‘’ ১০০ জন বর্ণ হিন্দুর মধ্যে ৮ জনেরও বেশি ‘’



Name:  S          

IP Address : 458912.167.34.76 (*)          Date:05 May 2019 -- 10:57 PM

শ্রী S আবার কি? শুধু S।


Name:   Anjan Majumder           

IP Address : 7845.11.451212.160 (*)          Date:06 May 2019 -- 09:43 PM

অঞ্জন মজুমদার

শ্রী S নয় - শুধু S।

ছিরি আনতে নামের আগে শ্রী যোগ করা আমার এক বদভ্যাস। বাংলা ভাষাতে 'শ্রী' যোগ করবার একটা রীতি রয়ে গেছে। শ্রী কৃষ্ণ, শ্রী রাধা। অন্যদিকে 'শ্রী' তো লক্ষ্মীর আরেক নাম। তাছাড়া, খোলের মতো চমতকার বাদ্যযন্ত্র - তাকেও শ্রীখোল বলে ডাকা হয়। এমনকি শ্রী শ্রী সরস্বতী- তারও বেশ প্রচলন আছে। দেবদেবীর এলাকার বাইরে শ্রীদেবীর মতো নায়িকারা মন থেকে সহজে যায়না। সম্ভবতঃ এসব থেকেই এই প্রমাদ। শুধরে নেবার চেষ্টা করবো।


এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--6