বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--8


           বিষয় : ধর্ষণের হুমকি , আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক এবং তাঁর স্ত্রীর কৃতকর্ম
          বিভাগ : অন্যান্য
          শুরু করেছেন :সব্যসাচী মুখার্জি
          IP Address : 785612.40.7867.222 (*)          Date:08 Jan 2019 -- 01:31 AM




Name:  সব্যসাচী মুখার্জি          

IP Address : 785612.40.7867.222 (*)          Date:08 Jan 2019 -- 01:31 AM

কয়েকটা কথা বলার প্রয়োজন মনে হলো । আলিপুরদুয়ারের ডিএম এর ভিডিও ইতিমধ্যেই অনেকে দেখে নিয়েছেন । ফালাকাটার ডিএম নিখিল নির্মল এবং তাঁর স্ত্রী নন্দিনী কৃষ্ণন এক যুবককে পুলিশের সামনে থানার মধ্যে বেধড়ক মারধোর করছে । অভিযোগ বিনোদ কুমার সরকার নামে ওই যুবক নন্দিনী কৃষ্ণনকে ফেসবুকে অশালীন ভাষায় আক্রমণ করেন । যুবকের দাবী নন্দিনীও তাকে গালাগালি করেন । সেই কারণে জেলাশাসক নিখিল নির্মলের কথায় পুলিশ ওই যুবককে ফালাকাটা থানায় নিয়ে আসে । এরপর পুলিশের সামনেই জেলাশাসক একের পর এক চড় , থাপ্পড় , লাথি মারতে থাকেন । বলেন ,"আমার জেলাতে আমার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলবে না । তোমায় যদি আধ ঘণ্টার মধ্যে থানায় ঢুকিয়ে দিতে পারি, তাহলে তোমায় বাড়িতে গিয়ে মেরেও ফেলতে পারি ।"
কথা শুনে মনে হতে পারে জেলাটা ওনার সম্পত্তি এবং সেই জেলার "মালিক" হিসাবে ওনার মেরে ফেলার অধিকারও রয়েছে । একই সঙ্গে যোগ দেন তাঁর স্ত্রীও । চড় থাপ্পড় মারতে থাকেন । এমনকি পুলিশকর্মীদের বলেন , "গাড়ি থেকে লাঠি বের করুন ।" অর্থাৎ থানার ভিতরে তিনি "অভিযুক্ত"কে লাঠিপেটা করতে চান । আর এইসব চলেছে পুলিশের উপস্থিতিতে , থানার মধ্যে । অনেকক্ষণ এসব চলার পর পুলিশ অভিযোগ দায়ের করতে বলে । অর্থাৎ লিখিত অভিযোগ ছাড়াই পুলিশ তৎপর হয়ে যুবককে ধরে নিয়ে আসে । এখন অনেকেই বলছে যে রেপ থ্রেট দিলে তাকে মারধোর করা যায় । এতে কোনো অন্যায় নেই । সত্যিই কি তাই ? আজকে যদি সে রেপ থ্রেট দিয়ে থাকে জেলাশাসক পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে নিজের কাজ করতে পারতেন । বাকি ব্যবস্থা পুলিশ নিতো । কিন্তু প্রশাসনের শীর্ষস্তরে থেকে তিনি কী ভাবে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারেন ? ছেলেটি যে চূড়ান্ত অন্যায় করেছে এই নিয়ে সন্দেহ নেই । কিন্তু তার জন্য তাকে যদি নিজের হাতেই শাস্তি দিতে হয় ; তাহলে পুলিশকে বা নিজের প্রশাসনিক পদকে ব্যবহার করা কেন ? উনি জেলাশাসক পদের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করেছেন । তাঁর মুখের কথায় পুলিশ একজনকে ধরে এনেছে । সেটাই যদি হয় ; তাহলে তিনি জেলাশাসক অর্থাৎ প্রশাসনের শীর্ষপদে থাকার কর্তব্য এবং নীতি নৈতিকতাগুলোও মানতে বাধ্য । সেখানে কাউকে বিচার করে শাস্তি দেওয়ার অধিকার ওনার নেই । এমনকি আদালত ছাড়া কেউ কাউকে শাস্তি দিতে পারে না । যতক্ষণ আদালত কাউকে দোষী সাব্যস্ত না করছে ; ততক্ষণ সে "অভিযুক্ত" , দোষী নয় । সেখানে জেলাশাসক কীসের ভিত্তিতে পুলিশ , বিচারক হয়ে গেলেন ? আমি যতদূর জানি পুলিশও কাস্টডিতে কাউকে মারধোর করতে পারে না আইনত । কারণ দণ্ড দিতে কেবলমাত্র আদালতই পারে । আজ যাঁরা জেলাশাসকের এই ব্যবহার সমর্থন করছেন ; তাঁদের যুক্তি হলো রেপ থ্রেট দিলে তাকে মারধোর করা যায় । এই যুক্তিটা শুনতেও বেশ ভালো লাগছে । বেশ "দুষ্টের দমন , শিষ্টের পালন" এর মতো লাগছে । সিনেমাতে যেমনটা হয় । জেলাশাসকের স্ত্রীও এই ঘটনার পর ফেসবুকে পোস্ট করে যেটা বলেছেন আরকি । "স্বামী" তাঁর "স্ত্রী" করে রক্ষা করেছেন বিবাহের প্রতিশ্রুতি মতো । স্ত্রীকে রক্ষা বা দায়িত্ব নেওয়ার মতো বিবাহের প্রতিশ্রুতির মতো ঘিনঘিনে , সামন্ততান্ত্রিক , পুরুষতান্ত্রিক বিষয় নিয়ে কিছু না বলাই ভালো । কিন্তু এই সামন্ততান্ত্রিক চিন্তাভাবনা জেলাশাসক এবং তাঁর স্ত্রীর মাথায় ভীষণভাবেই ঢুকে আছে যে কারণে জেলাশাসক "আমার জেলাতে আমার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলবে না" বা "তোমায় বাড়ি গিয়ে মেরে ফেলতে পারি" কথাগুলো সগর্বে বলতে পারেন আর জেলাশাসকের স্ত্রী পুলিশকে লাঠি নিয়ে আসতে বলেন । আসলে এই ঘটনা অনেকে সমর্থন করছে কারণ যুবকটি চূড়ান্ত অন্যায় করেছে । একজনকে রেপ থ্রেট দেওয়া মারত্মক অপরাধ । কিন্তু তাকে নিজের ক্ষমতাবলে পেটানোটা অপরাধ মনে হচ্ছে না । কেন ? কারণ , আমরা ; যারা নিজেদের শিক্ষিত , ভদ্র , প্রগতিশীল বলে দাবী করি ; তাদের নৈতিকতা বলে রেপ থ্রেট খারাপ । সেই কারণে আমরা জেলাশাসকের কাজকে সমর্থন করছি । আবার একদল লোকের নৈতিকতায় গরু খাওয়া অন্যায় । তারা গোরক্ষায় মানুষ খুন করছে । তখন আমরা রে রে করে উঠছি । দেশের সংবিধান মানা হচ্ছে না বলে গেল গেল রব তুলছি । দু চারটি মিছিলও নামিয়ে দিচ্ছি । এই কারণেই নৈতিকতারও একটা সীমা থাকা দরকার । সাংবিধানিক সীমার থেকে দেখতে গেলে ওই যুবকের রেপ থ্রেট অন্যায় , জেলাশাসক এবং তাঁর স্ত্রীর ওই যুবককে মারধোর করা অন্যায় এবং গোরক্ষার নামে মানুষ খুন করাও অন্যায় । কোনটা কম অন্যায় ; কোনটা বেশি সেটা আইন আদালত বিচার করবে । আজকে যখন মব লিঞ্চিং ভারতবর্ষে একটা জ্বলন্ত সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে ; তখন প্রশাসনের কর্মকর্তাদের এরকম কাজ মব লিঞ্চিংকেই উৎসাহ দেবে । নৈতিকতার নামে যা খুশি করার একটা সামাজিক ভিত্তি তৈরি হবে । যে কারণে একজন সাধারণ মানুষের এই কাজ করার থেকে ; একজন জেলাশাসকের এই কাজ করা অনেক বড়ো অন্যায় । হ্যাঁ , একথা ঠিক যে পুলিশ প্রশাসন সামজিক বিভিন্ন সমস্যা বা অপরাধে তাদের সঠিক ভূমিকা পালন করে না । যে কারণে মানুষের মধ্যে এই ধরণের ঘটনা ঘটানোর প্রবণতা বাড়ছে । কিন্তু সেটাকে কোনোভাবেই সমর্থন দেওয়া যায় না । মানুষের বেসিক ইম্পালসের দিক থেকে দেখতে গেলে এই ধরণের ঘটনা খুব স্বাভাবিক । কেউ আমার প্রিয়জনকে বাজে কথা বললো । আমার হাতে ক্ষমতা থাকলে আমি তার 'শোধ' নেবো । এই শোধ নেওয়ারই বিরোধিতা করতে হবে । প্রতিবাদ করতে হবে , শাস্তি চাইতে হবে ; কিন্তু প্রতিশোধ নেওয়ার চিন্তা একদমই সঠিক নয় । এখানে জোর করে হলেও নিজের বেসিক ইম্পালসকে কন্ট্রোল করতে হবে । মানুষ তার নীতির দ্বারা , শিক্ষার দ্বারা নিজের বেসিক ইম্পালসকে কন্ট্রোল করতে পেরেছে বলে সে সভ্য , সামাজিক জীব । না হলে আর পাঁচটা পশুর সঙ্গে তার কোনো তফাৎ থাকতো না । মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করতে গিয়েও এই কথাটা বারবার স্মরণে রাখতে হয় । কেউ অপরাধ করেছে । ভয়ঙ্করতম অপরাধ করেছে । খুন করেছে । তাকে শাস্তি দিতে হবে সংশোধনের জন্য । তার ভুলটা বুঝিয়ে সমাজের মূল স্রোতে তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য । সেখানে কেউ খুন করেছে বলে গণআদালত বসিয়ে দিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড চাওয়া মানে নিজেও সেই খুনির স্তরে নেমে যাওয়া । খুনি আর গণআদালতের মধ্যে রাষ্ট্র চলে এসেছে বলে রাষ্ট্রের মাধ্যমে সেটাকে কার্যকর করার চেষ্টা হয় । কিন্তু সেটা না হলে এটাও সেই প্রতিশোধের ইচ্ছা । আসলে যে মৃত্যুদণ্ড দিতে চায় ; সেও একটা মানুষকে হত্যা করতে চায় । যাকে সে হত্যা করতে চাইছে ; তার অসামাজিক কাজকর্মের জন্য সেই হত্যা চাওয়াটার একটা নৈতিক এবং সামাজিক ভিত্তি তৈরি হয় যায় বলে অনেকে এটাকে গৌরবজনক মনে করে । কিন্তু আদৌ সেটা নয় । সিনেমায় , সাহিত্যে , সংস্কৃতিতে দুষ্টের দমন এবং শিষ্টের পালনকে এতো গ্লোরিফাই করা হয়েছে যে হত্যাও সেখানে বৈধতা পেয়ে যায় । তাহলে আত্মরক্ষার্থে কাউকে মারলে তাকেও কি অপরাধ বলবো ? অবশ্যই নয় । কারণ সেটা না হলে সে নিজে বাঁচতে পারতো না । কিন্তু অন্যায়ের প্রতিবাদের বদলে প্রতিশোধ চাইতে গণআদালত বসিয়ে "ফাঁসি দাও , ফাঁসি দাও" বলাটাও হত্যার সমান অপরাধ । এর মানে এই নয় যে অপরাধীকে সমর্থন করা হচ্ছে । কখনই সেটা হচ্ছে না । অপরাধের বিরোধিতা করতে হবে । অপরাধীর সংশোধন চাইতে হবে । কিন্তু হত্যাকারীর শাস্তি চাইতে চাইতে একজন হত্যাকারী মানসিকতার মানুষ হয়ে ওঠা সমান অপরাধ । অনেকে হয়তো বলবেন যে প্রাণদন্ড না থাকলে অপরাধ প্রবণতা বাড়বে । এই কথা সঠিক নয় । আজও পর্যন্ত কোনো সমীক্ষা এটা প্রমাণ করতে পারেনি যে প্রাণদন্ড অপরাধের হার কমায় । গান্ধীজি বলতেন ,"Hate the crime , not the criminal". এই অপরাধকে ঘৃণা করতে শিখতে হবে । না হলে এই সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমবে না । ওই জেলাশাসক দশ দিনের ফোর্সড লিভে পাঠানো হয়েছে । আশা করবো ওই যুবক , জেলাশাসক , জেলাশাসকের স্ত্রী এবং ওইসময় উপস্থিত পুলিশকর্মীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।


Name:  র২হ          

IP Address : 232312.167.897812.60 (*)          Date:08 Jan 2019 -- 01:45 AM

খুবই বিচ্ছিরি ব্যাপার। জেলাশাসক, পুলিশ, ছেলেটি - সবার উপযুক্ত শাস্তি হোক।

যেটা খারাপ লাগছে, আবাপতে পড়লাম এই জেলাশাসক খাবারের মান, আর চা শ্রমিকদের বাচ্চাদের শিক্ষা নিয়ে ভালো, প্রোঅ্যাকটিভ কাজ করেছিলেন। সেটা সত্যি হলে বাজে লস। কেন যে এরকম লোকজনও আইন কানুন মানে না।


Name:  Ishan          

IP Address : 89900.222.34900.92 (*)          Date:08 Jan 2019 -- 02:00 AM

এই লেখায় ধরেই নেওয়া হচ্ছে, যুবক রেপ থ্রেট দিয়েছিলেন। এবং তারপর অপরাধকে কীকরে ডিল করা উচিত সে নিয়ে কথা। এই দ্বিতীয় অংশটায় কোনো দ্বিমত নেই। কিন্তু 'রেপ থ্রেট' দিয়েছিলেন কিনা সেটা আমাদের জানা নেই। বাজারে নানা স্ক্রিনশট ঘুরে বেড়াচ্ছে। তার সত্য মিথ্যা কনটেক্সট ইত্যাদি যাচাই করা আমাদের কাজ নয়। এবং আমি নিজে কোনো আন্দাজও করতে পারিনি। মেয়েদের বাজে কথা অনলাইনে বহু লোক বলে। এই ছেলেটিও বলে থাকতেই পারে। আবার ডিএম এবং তাঁর স্ত্রীর যা কার্যকলাপ, তাতে তাঁরাও কনটেক্সট বাদ দিয়ে পুরোটা কুক আপ করতেই পারেন। কী হয়েছে সেটা দেখার দায়িত্ব পুলিশের। এবং প্রশাসনের। জেন্ডার সেনসিভিটির দোহাই দিয়ে সেটা আমাদের না করে ফেললেও চলবে।

এবার এতেও সমস্যা আছে। সমস্যাটা হচ্ছে, পুলিশ এখানে অতিসক্রিয়। তারা কমপ্লেন লেখানোর আগেই লোককে পেটায়। ডিএম প্রশাসনের মাথা হয়ে বে-আইনী কাজ করেন। তাই পুলিশ পুলিশের কাজ করুক, এবং প্রশাসন প্রশানসের কাজ করুক, এটা বলা যাচ্ছেনা। এবং লক্ষুণীয়, যে ডিএম তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রাইমা ফেসি এভিডেন্স থাকলেও তাঁরা দিব্বি খোলা ঘুরে বেড়াচ্ছেন, এবং ফেসবুকে 'বেশ করেছি' বাণী বিতরণ করছেন। যে পুলিশ অফিসার এই কাজে মদত দিয়েছেন, তিনিই কেস সাজাচ্ছেন ছেলেটির বিরুদ্ধে। এইভাবে তো বিচার হয়না। অবিলম্বে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা উচিত। প্রাইমা ফেসি এভিডেন্সের ভিত্তিতে। নইলে তদন্তের নামে গুলবাজি হচ্ছে ধরে নিতে হবে।


Name:   সিকি           

IP Address : 342323.233.780112.215 (*)          Date:08 Jan 2019 -- 06:58 AM

ডিএম আর তাঁর স্ত্রীর নামে কেস হয়েছে, ডিএম ছুটিতে গেছেন।

https://www.anandabazar.com/state/nabanna-suspends-alipurduar-dm-for-1
0-days-1.928711



Name:  debu          

IP Address : 017812.213.90012.230 (*)          Date:10 Jan 2019 -- 02:42 AM

দিদি র সাপোর্ট থাকলে কে কাকে জেলে ভোরবে?



Name:  pi          

IP Address : 7845.29.455612.207 (*)          Date:10 Jan 2019 -- 07:18 AM

এটা দেখেছেন কেউ? সত্যি হলে কিছু আর বলার নেই।

https://www.facebook.com/836570916364717/posts/2191934677494994/


Name:  ...          

IP Address : 893412.75.6712.51 (*)          Date:10 Jan 2019 -- 05:31 PM

#সারসংক্ষেপ এফবি থেকে

তো আমরা কি শিখলাম?

নারী: তোর মাকে তুই আর তোর দাদা মিলে চোদ - সব ফুটোয় ঢোকা

পুরুষ: মাকে কেন? তোকে চুদলে বরং ভালো লাগবে

নারীবাদী: এই দেখুন কি নোংরা রেপিস্ট পুরুষ

সাধারণ মানুষ: যাহ সালা, রেপ থ্রেটটা শুধু পুরুষ দিলো??

নারীবাদী: এই দেখুন মনুবাদী সমাজ মেয়েদের মুখে একটু গালাগালিও মেনে নিতে পারছে না!


Name:  Hmm          

IP Address : 670112.211.45.25 (*)          Date:10 Jan 2019 -- 11:22 PM

মেয়েটি লোকাল, বাঙালী এবং... , থাক আর কিছু বললাম না। বেচারা ডি এম!

এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--8