বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7] [8]     এই পাতায় আছে187--217


           বিষয় : রবীন্দ্রনাথ কি আসলেই বিশ্বকবি না পশ্চিমবঙ্গের কবি ???
          বিভাগ : অন্যান্য
          শুরু করেছেন : এস ইসলাম
          IP Address : 342312.49.4512.226 (*)          Date:08 Sep 2018 -- 08:37 PM




Name:  এলেবেলে          

IP Address : 230123.142.67900.213 (*)          Date:19 Sep 2018 -- 10:34 PM

@sm লিখেছেন, 'কিন্তু একবার নোবেল পেয়ে গেলে তো সমকক্ষ হয়ে গেলো।' কিন্তু তা কীভাবে সম্ভব? পাউন্ড তো নোবেলই পাননি আর ইয়েটস পেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথের দশ বছর পর। অথচ ইয়েটস-এর বিরূপতা তো তার আগে থেকেই শুরু হয়ে গেছে। তাহলে?

@অর্জুন অভিষেক লিখেছেন, 'আড় রবীন্দ্রনাথের মত পারফেকনিস্ট মানুষ অন্যের ওপর অনুবাদের দায়িত্ব পুরো ছেড়ে কখনোই দেবেন না।' এ প্রসঙ্গে বলি জগদীশচন্দ্রের অনুরোধে নিবেদিতা রবীন্দ্রনাথের তিনটি গল্পের অনুবাদ করেছিলেন, অ্যান্ড্রুজ অনুবাদ করেছিলেন রবীন্দ্রনাথের সাতটি গল্প যার অন্যতম ছিল 'ক্ষুধিত পাষাণ' এবং 'কাবুলিওয়ালা'।

@ছোটো আই এবং @lcmকে আমি একটা নির্দিষ্ট প্রশ্ন করছি। ১৯১২ সালে অর্থাৎ রবীন্দ্রনাথের ৫২তম জন্মদিন পালনের পর ২৯ বৈশাখ জগদানন্দ রায়কে রবীন্দ্রনাথ লেখেন — আমার এই ৫২ বৎসরের জন্মদিনের উৎসব খুব একটা ঝড় জলের মধ্যে সমাধা হয়ে গেছে। মনে মনে তাই আশা করচি এই ঝড়ে আমার জীবনের আর একটা পর্য্যায় (এই বানানই লিখেছিলেন) বুঝি সূচনা করে দিচ্চে - পুরাতনের সমস্ত জীর্ণ পাতা উড়িয়ে দিয়ে জীবনের শেষ ফল ফলাবার জন্যে এবার বুঝি একবার নূতনে সবুজে সাজতে হবে।

উনি হঠাৎ 'জীবনের শেষ ফল'-এর ব্যাপারে এত নিশ্চিন্ত হলেন কীভাবে? উনি কি আশা করছিলেন তাঁর অনুবাদকর্ম তাঁকে 'নূতনে সবুজে' সাজিয়ে দেবে? চিঠির সালটা কিন্তু খুবই ইঙ্গিতবহ।


Name:  S          

IP Address : 2390012.156.561223.1 (*)          Date:19 Sep 2018 -- 10:51 PM

"ইয়েটস পেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথের দশ বছর পর। অথচ ইয়েটস-এর বিরূপতা তো তার আগে থেকেই শুরু হয়ে গেছে।"

এটাই বোধয় বিরুপতার কারণ। তাছাড়া এসেমের রেসিজম নিজে বক্তব্য মোটামুটি ঠিক লেগেছে। ও জিনিস গা থেকে ঝেড়ে ফেলা খুব মুশকিল, বিশেষত সেই কালে।

আচ্ছা নোবেল প্রাইজ দেওয়ার আগে সুইডেনের সাথে ইংল্যন্ডের সম্পর্কের অবনতি হয়েছিলো ইত্যাদি এইরকম কোনও ব্যাপার আছে?


Name:  অর্জুন অভিষেক           

IP Address : 341212.21.4567.171 (*)          Date:19 Sep 2018 -- 10:55 PM


আমাদের এই আলোচনার প্রেক্ষিতে রবীন্দ্রনাথের চিঠির অংশ তুলে দিচ্ছি। চিঠিটি গুরুত্বপূর্ণ।

প্রথম চিঠিটা বিবি চৌধুরানীকে লেখা লন্ডন থেকে। চিঠিটি প্রায় দশ পাতার। চিঠির বিশেষ কয়েকটা অংশ তুলে দিচ্ছি।

c/o. Messrs Thomas Cook & Sons
Ludgate Circus, London
৬ই মে ১৯১৩

“গীতাঞ্জলির ইংরেজি তর্জমার কথা লিখেছিস। ওটা যে কেমন করে লিখলুম এবং কেমন করে লোকের এত ভাল লেগে গেল, সে কথা আমি আজ পর্যন্ত ভেবেই পেলুম না। আমি যে ইংরেজি লিখতে পারিনে এ কথাটা এমনি সাদা যে এ সম্বন্ধে লজ্জা করবার মত অভিমানটুকুও আমার কোনো দিন ছিল না। যদি আমাকে কেউ চা খাবার নিমন্ত্রণ করে ইংরেজিতে চিঠি লিখত তাহলে তার জবাব দিতে আমার ভরসা হত না। তুই ভাবছিস আজকের বুঝি আমার সে মায়া কেটে গেছে- একেবারেই তা নয়- ইংরেজিতে লিখেছি এইটেই আমার মায়া বলে মনে হয়। গেলবারে যখন জাহাজে চড়বার দিনে মাথা ঘুরে পড়লুম, বিদায় নেবার বিষম তাড়ায় যাত্রা বন্ধ হয়ে গেল, তখন শিলাইদহে বিশ্রাম করতে গেলুম। কিন্তু মস্তিষ্ক ষোলো আনা সবল না থাকলে একেবারে বিশ্রাম করবার মত জোর পাওয়া যায় না, তাই অগত্যা মনটাকে শান্ত রাখবার জন্যে একটা অনাবশ্যক কাজ হাতে নেওয়া গেল। তখন চৈত্রমাসে আমের বোলের গন্ধে আকাশে আর কোথাও ফাঁক ছিল না এবং পাখীর ডাকা- ডাকিতে দিনের বেলাকার সকল কটা প্রহর একেবারে মাতিয়ে রেখেছিল। ছোট ছেলে যখন তাজা থাকে তখন মার কথা ভুলেই থাকে যখন কাহিল হয়ে পড়ে তখনি মায়ের কোলটি জুড়ে বসতে চায়- আমার সেই দশা হল। আমি আমার সমস্ত মন দিয়ে আমার সমস্ত ছুটি দিয়ে চৈত্রমাসটিকে যেন জুড়ে বসলুম- তার আলো তার হাওয়া তার গন্ধ তার গান একটুও আমার কাছে বাদ পড়ল না। কিন্তু এমন অবস্থায় চুপ করে থাকা যায় না- হাড়ে যখন হাওয়া লাগে তখন বেজে উঠতে চায়, ওটা আমার চিরকেলে অভ্যাস, জানিস ত। অথচ কোমর বেঁধে কিছু লেখবার মত বল আমার ছিল না। সেই জন্যে ঐ গীতাঞ্জলির কবিতাগুলি নিয়ে একটি একটি করে ইংরেজিতে তর্জমা করতে বসে গেলুম। যদি বলিস কাহিল শরীরে এমনতর দুঃসাহসের কথা মনে জন্মায় কেন- কিন্তু আমি বাহাদুরি করবার দুরাশায় এ কাজে লাগি নি। আর একদিন যে ভাবের হাওয়ায় মনের মধ্যে রসের উৎসব জেগে উঠেছিল সেইটিকে আর একবার আর এক ভাষার ভিতর দিয়ে মনের মধ্যে উদ্ভাবিত করে নেবার জন্যে কেমন একটা তাগিদ এল। একটি ছোট্ট খাতা ভরে এল। এইটি পকেটে করে নিয়ে জাহাজে চড়লুম। পকেটে করে নেবার মানে হচ্চে এই যে, ভাবলুম সমুদ্রের মধ্যে মনটি যখন উসখুস করে উঠবে তখন ডেক চেয়ারে হেলান দিয়ে আবার একটি দুটি করে তর্জমা করতে বসব। ঘটলও তাই। এক খাতা ছাপিয়ে আর এক খাতায় পৌঁছন গেল। রোদেনস্টাইন আমার কবিযশের আভাস পূর্বেই আর একজন ভারতবর্ষীয়ের কাছ থেকে পেয়েছিলেন। তিনি যখন কথা প্রসঙ্গে আমার কবিতার নমুনা পাবার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন, আমি কুণ্ঠিতমনে তাঁর হাতে আমার খাতাটি সমর্পণ করলুম। তিনি যে অভিমত প্রকাশ করলেন সেটা আমি বিশ্বাস করতে পারলুম না। তখন তিনি কবি য়েটসের কাছে আমার খাতা পাঠিয়ে দিলেন- তারপরে কি হল সে ইতিহাস তোদের জানা আছে। আমার কৈফিয়ৎ থেকে এটুকু বুঝতে পারবি আমার কোনো অপরাধ ছিল না- অনেকটা ঘটনাচক্রে হয়ে পড়েছে।"








Name:  S          

IP Address : 2390012.156.561223.1 (*)          Date:19 Sep 2018 -- 10:57 PM

নোবেলের ওয়েব সাইট বলছেঃ

The Nobel Prize in Literature 1913 was awarded to Rabindranath Tagore "because of his profoundly sensitive, fresh and beautiful verse, by which, with consummate skill, he has made his poetic thought, expressed in his own English words, a part of the literature of the West."

এর মধ্যে in his own English words মানে কি?
আর a part of the literature of the West এর মানেই বা কি?

তাছাড়া শুধু গীতাঞ্জলির জন্যই দেওয়া হয়েছে সেই থিয়োরিই বা কোত্থেকে এলো?


Name:  এলেবেলে          

IP Address : 230123.142.67900.213 (*)          Date:19 Sep 2018 -- 11:09 PM

@S ওই ওয়েবসাইট এটাও বলছে 'Rabindranath Tagore originally wrote in Bengali, but later reached a broad audience in the West after recasting his poetry in English. In contrast to the frenzied life in the West, his poetry was felt to convey the peace of the soul in harmony with nature.'

ব্রিটানিকা বলছে 'Years of sadness arising from the deaths of his wife and two children between 1902 and 1907 are reflected in his later poetry, which was introduced to the West in Gitanjali (Song Offerings) (1912). This book, containing Tagore’s English prose translations of religious poems from several of his Bengali verse collections, including Gitanjali (1910), was hailed by W.B. Yeats and André Gide and won him the Nobel Prize in 1913. '


Name:  S          

IP Address : 2390012.156.561223.1 (*)          Date:19 Sep 2018 -- 11:14 PM

প্রথমটা আগেই পড়েছি। কিন্তু তাতে আরো প্রশ্ন পেয়েছে। ঠিক কি কি ইংরাজি অনুবাদ পড়েছিলেন উনি। আর যদি ধরে নিই যে আরো অনেক লেখা পড়েছিলেন, তাহলে গীতাঞ্জলি স্ট্যান্ড আউট করছে কেন? ইয়েটস সাহেবের জন্য? কিন্তু ইয়েটস নিজেই তো নোবেল পেয়েছেন অনেক পরে।


Name:  S          

IP Address : 2390012.156.561223.1 (*)          Date:19 Sep 2018 -- 11:15 PM

উনি = উনারা = নোবেল কমিটির সদস্যরা


Name:  এলেবেলে          

IP Address : 230123.142.67900.213 (*)          Date:19 Sep 2018 -- 11:23 PM

@S নোবেল কমিটির সদস্যরা সং অফারিংস-এর হাঁসজারু ছাড়া আর কিচ্ছুটি পড়েননি। রবীন্দ্রনাথকে নমিনেট করেছিলেন টমাস ম্যুর। ১২র নভেম্বরে ছাপা, ১৩তেই নোবেল। তার আগে পাশ্চাত্যে তাঁর সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে প্রায় সকলেই অজ্ঞ।


Name:  S          

IP Address : 2390012.156.561223.1 (*)          Date:19 Sep 2018 -- 11:30 PM

হুম এ অনেক পোস্নো থেকে যাচ্ছে। কেনই যে হঠাৎ ব্রিটিশ রাজের এক উপনিবেশের এক রিজিওনাল ভাষার কবিকে প্রাইজ দিতে গেলো, আর কেনই বা তার পরেই সাহেবদের উৎসাহে ভাটা পড়লো কে জানে?


Name:  কুমু          

IP Address : 2345.111.4534.87 (*)          Date:19 Sep 2018 -- 11:32 PM

খুব চমৎকার আলোচনা,অনেক নতুন আলো কপাত।
কেবল একটি নিবেদন, গীতাঞ্জলি,

গীতাঞ্জলী নয়।
অবশ্য এইসব তুচ্ছাতিতুচ্ছ বিষয়ে গুরুত্ব দেবার দিন ত কবে ই চলে গেছে।


Name:  Atoz          

IP Address : 125612.141.5689.8 (*)          Date:19 Sep 2018 -- 11:40 PM

রক্তকরবী, ডাকঘর আর মুক্তধারার জন্য প্রাইজ দেওয়া উচিত ছিল।


Name:  অর্জুন অভিষেক           

IP Address : 341212.21.4567.171 (*)          Date:20 Sep 2018 -- 12:07 AM


বিবি চৌধুরানীকে লেখা ওই চিঠির আরেকটি অংশ তুলে দিচ্ছি।


নদিদি আমাকে তাঁর ‘ফুলের মালা’র তর্জমাটা পাঠিয়ে ছিলেন। এখানকার সাহিত্যের বাজার যদি দেখতেন তাহলে বুঝতে পারতেন এ সব জিনিষ এখানে কেন কোনোমতেই চলতে পারে না। এরা যাকে Rেঅলিত্য বলে সে জিনিষটা থাকা চাই। এই জিনিষের সঙ্গে আমাদের কারবার অত্যন্ত কম- সেইজন্যে এটা আমরা চিনিও নে এবং এর অভাবটা কি তা আমরা বুঝিও নে। আমার পক্ষে মুস্কিল এই যে আমি এ সম্বন্ধে কিছু বলতে গেলে লোকে ভুল বুঝবে কেননা আমার রচনাগুলোকে এরা গ্রহণ করেছে। যদি জিজ্ঞাসা করিস কেন করেছে তবে তার উত্তর এই যে, এই কবিতাগুলি আমি লিখব বলে লিখিনি- এ আমার জীবনের ভিতরের জিনিষ- এ আমার সত্যকার আত্মবিবেদন-সের মধ্যে আমার জীবনের সমস্ত সুখদুঃখ সমস্ত সাধনা বিগলিত হয়ে আপনি আকার ধারণ করেছে। এই জীবনের জিনিষ জীবনের ক্ষেত্রে আদর পায় একথা আমি বেশ বুঝতে পেরেছি কিন্তু একথা বোঝানো শক্ত। কেননা নিজের ফাঁকি মানুষ নিজে দেখতে পায় না;- কেননা ফাঁকি জিনিষটাতে পরিশ্রম বেশি, চেষ্টা বেশি এবং তার প্রতি মানুষের মমতাও বোধ হয় বেশি হয়ে থাকে। আমাদের দেশের কোনো একজন লেখক তাঁর কোনো বই তর্জমা করে এখানে কারো কাছে পাঠিয়েছিলেন। এঁরা তাকে বল্লে এটাকে সম্পূর্ণ নূতন করে না লিখলে চলবে না। তাতে তিনি জবাব দিয়েছিলেন, কেন, রবীন্দ্র ঠাকুরের ভাষা যদি চলে থাকে তাহলে আমার কেন চলবে না। তিনি মস্ত ভুল এই করেছিলেন যে তিনি মনে করেছেন ভাষার উপরেই বুঝি এর নির্ভর।



*নদিদি- অর্থাৎ স্বর্ণকুমারী দেবী। তার সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের যৌবন থেকেই ইগোর লড়াই। এক বাবা-মায়ের সন্তান হয়ে, এক বাড়িতে বড় হয়ে, পরবর্তীকালেও এক বাড়িতে বসবাস করেও স্বর্ণকুমারী ও রবীন্দ্রনাথ আশ্চর্যভাবে দুজন, দুজনের জীবন থেকে অদৃশ্য। স্বর্ণকুমারী সেই সময়ে তার উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদ ভাইকে পাঠিয়ে ছিলেন। ভাইঝি বিবিকে তাও ভদ্রভাবে স্বর্ণকুমারীর সাহিত্যের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে জানিয়েছেন কিন্তু রোদেনস্টাইনকে একটি চিঠিতে তিনি তীব্রভাবে কটাক্ষ করে লিখেছিলেন 'She is one of those unfortunate beings who has more ambition than abilities. But just enough talent to keep her mediocrity alive for a short period.

I have given her no encouragement but I have not been successful in making her see things in their proper light.’

যেখানে তিনি নিজে literary ambition র জন্যে প্রায় হত্যে দিয়ে পড়ে রয়েছেন, সেখানে দিদির ambition unfortunate?

রবীন্দ্রনাথের এই বিলেত যাত্রার উদ্দেশ্য চাউর হয়েছিল কারণ কলকাতা থেকে কিছু লেখক লন্ডনে তাদের বইয়ের ইংরেজি অনুবাদ পাঠাতে থাকেন। এ ব্যাপারটা তাকে বিরক্ত করেছিল, হয়ত আশংকা জাগিয়েছিল। অন্যের কাজ পড়ে বা না পড়ে এই সব মন্তব্য উন্নাসিকতার নামান্তর। আর অন্যরা গ্রহণীয় হবেন না, তিনি হবেন, এই confidence তার তখন থেকেই।

স্বর্ণকুমারী অবশ্য ভাইয়ের তোয়াক্কা করেননি। Her weakness has been taken advantage of by some unscrupulus literary agents in London and she has had stories translated and published. I have given her no encouragement but I have not been successful in making her see things in their proper light.’

তার মানে লন্ডনে তখন literary agents এ ভরে গেছিল যারা রাতারাতি বিলেতে বিখ্যাত করে দেবার টোপে সাগরপাড় থেকে লেখক খুঁজছিলেন।

*
কোনো একজন লেখক- ইনি খুব সম্ভবত প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়।



Name:  Atoz          

IP Address : 125612.141.5689.8 (*)          Date:20 Sep 2018 -- 12:21 AM

ও বাবা ! এজেন্ট !!!


Name:  অর্জুন অভিষেক           

IP Address : 342323.223.9004512.41 (*)          Date:20 Sep 2018 -- 12:27 AM


@কুমুদি, ভাল আছেন? বানান তুচ্ছাতিতুচ্ছ বিষয় নয়। বরং গুরুত্বপূর্ণ।


@Atoz দেবে কি করে? গীতাঞ্জলি ছাড়া আর কোনো কিছুর অনুবাদ তখন হয়নি।


Name:  এলেবেলে          

IP Address : 230123.142.67900.104 (*)          Date:20 Sep 2018 -- 01:13 AM

মন্তব্য এই মাত্র ডাবল সেঞ্চুরি পার করল। সব্বাইকে অভিনন্দন!


Name:  Atoz          

IP Address : 125612.141.5689.8 (*)          Date:20 Sep 2018 -- 01:25 AM

সাহিত্যে নোবেল কি কোনো বিশেষ বইয়ের জন্য দেওয়া হয়? নাকি সাহিত্যিকের সমগ্র সাহিত্যকর্মের গুরুত্বের উপরে ভিত্তি করে দেওয়া হয়?


Name:  অর্জুন অভিষেক           

IP Address : 342323.223.9004512.41 (*)          Date:20 Sep 2018 -- 01:34 AM


@Atoz, Literary agent দের সবসময়েই বিশেষ ভূমিকা থাকে। David Davidar না থাকলে অরুন্ধুতি রায়কে পেতেন না।

একটি বিশেষ বই ও সমগ্র সাহিত্যকর্ম দুটির জন্যেই দেওয়া হয়।

Pasternak Doctor Zhivago র জন্যে পেয়েছিলেন।




Name:  Atoz          

IP Address : 125612.141.5689.8 (*)          Date:20 Sep 2018 -- 02:12 AM

অরুন্ধতী ঃ-)
বশিষ্ঠমুনি রেগে যাবেন অরুন্ধুতি শুনলে। ঃ-)


Name:  i          

IP Address : 783412.157.89.253 (*)          Date:20 Sep 2018 -- 04:19 AM

এলেবেলে,
আপনার প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নেই। গবেষক এবং বিশেষজ্ঞদের কাছে নিশ্চয়ই এর উত্তর আছে , কোনো বইতে বা গবেষণাপত্রে তাঁরা হয়ত তা লিখে গেছেন।
ঐ যে বললাম, বহুদিন যাবৎ এসবে উৎসাহ হারিয়েছি। আর খুঁজতে বসলে সেই নেট থেকেই কপি পেস্ট করব-নিজের বক্তব্য তো কিছু থাকবে না।
তাই আর কিছু লিখছি না।
যদি কিছু মনে পড়ে বা কোনো রেফারেন্স পাই, এখানেই দিয়ে যাব।

অর্জুন অভিষেককে অনেক ধন্যবাদ। ইন্দিরা দেবীর চিঠিটির ইংরিজি কাল দিয়েছিলাম, অর্জুন মূল বাংলা চিঠিটি উদ্ধৃত করেছেন। ভালো লাগল।

কুমুদিদি,
শুধু বানানের ওপর কপাত করে আলো ফেলে চলে গেলে হবে?






Name:  Atoz          

IP Address : 125612.141.5689.8 (*)          Date:20 Sep 2018 -- 04:48 AM

বাহান্নতেই ভেবেছিলেন "দিন তো গেল সন্ধ্যে হল পার করো আমারে"? যদি জানতেন আশি বছর অবধি থাকবেন এবং আরও অনেক অনেক অনেক লিখবেন????


Name:  PM          

IP Address : 9001212.30.7845.242 (*)          Date:20 Sep 2018 -- 07:44 AM

১৪ বছরেই লিখেছিলেন তো --- মরনরে , তুহু মম শ্যাম সমান । ৫২ আর কি দোষ করল? ঃ)

আর্জুনের দেওয়া চিঠিটা ছোটো আই আগেই দিয়েছিলেন তো


Name:  Atoz          

IP Address : 125612.141.5689.8 (*)          Date:20 Sep 2018 -- 08:01 AM

আর প্রবাদেই তো আছে "যাহা বাহান্ন তাহাই তিপ্পান্ন " ঃ-)


Name:  অর্জুন অভিষেক           

IP Address : 341212.21.6767.61 (*)          Date:20 Sep 2018 -- 09:45 AM


এন্ডরুজের লেখা চিঠিটা, যার কথা @I বলেছিলেন তা এখানে তুলে দিলাম 'On the Edges of time' থেকে।




“I walked back along the side of Hampstead Heath with H. W. Nevinson but spoke very little. I wanted to be alone and think in silence of the wonder and glory of it all. When I had left Nevinson I went across the Heath. The night was cloudless and there was something of the purple of the Indian atmosphere about the sky. There all alone. I could think of the wonder it:

On the seashore of endless worlds, children meet
On the seashore of endless worlds is the great meeting of children.

It was haunting, haunting melody of the English, so simple, like all the beautiful sounds of my childhood that carried me completely away. I remained out under the sky far into the night, almost till dawn was breaking.
The room where we were seated looked out upon the myriad evening lights of the great city of London which lay below...I sat at the window in the dusk of the long summer evening as Rabindranath’s poems were read slowly one by one...I remember how immediately happy I was that night as I went away. The new wine of Rabindranath’s poetry had intoxicated me. I had only seen tiny extracts before; but the recital which I had heard that evening was the full measure, pure and undliuted. It was an experience something not unlike that of Keats’, when He came for the first time upon Chapman’s translation of Homer,-

Then felt I like some watcher of the skies
When a new planet swims into his ken.









Name:  অর্জুন অভিষেক           

IP Address : 341212.21.6767.61 (*)          Date:20 Sep 2018 -- 10:07 AM


এন্ডরুজ, রবীন্দ্রনাথের কবিতা আগে পড়েছেন 'I had only seen tiny extracts before;' কিন্তু কোথায় ?

@PM @I ইন্দিরা দেবীকে লেখা চিঠিটার ইংরেজি অনুবাদ দিয়েছিলেন, আমি বাংলায় লেখা সুবৃহৎ চিঠিটির কয়েকটা অংশ তুলে দিলাম।

এটা পড়ুন 'We had in the meantime moved to a boarding-house in South Kensington kept by two Belgian sisters. We had had enough of the roast beef, boiled cabbage, Yorkshire pudding and gooseberry tart....'

লেখার জন্যেই নয়, তার এই বিলেতবাসে খাদ্য তালিকা পড়লে রবীন্দ্রনাথকে এমনিতেই Anti-national' করবে কেন্দ্রীয় সরকার। ভাগ্যিস এরা বই, টই পড়েনঃ-):-)


Name:  অর্জুন অভিষেক           

IP Address : 341212.21.6767.61 (*)          Date:20 Sep 2018 -- 10:17 AM


*পড়েনা


Name:  S          

IP Address : 90067.146.9004512.46 (*)          Date:20 Sep 2018 -- 10:37 AM

আচ্ছা একটা পোস্নো পাচ্ছে বেয়ারা টাইপের। করবো?


Name:  অর্জুন অভিষেক           

IP Address : 232312.163.8956.204 (*)          Date:20 Sep 2018 -- 12:39 PM


আমাকে? হ্যাঁ, নিশ্চয় করুন।


Name:  i          

IP Address : 783412.157.89.253 (*)          Date:21 Sep 2018 -- 04:25 AM

অর্জুন অভিষেক,
এন্ড্রুজের লেখা মূল ইংরিজি চিঠিটি পোস্ট করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আপনার সংশয়ের উত্তরে আমার অনুমান দু'দিন আগেই দিয়েছিলাম-মডার্ন রিভিউতে বেরোনো অনুবাদই পড়ে থাকবেন। এই ব্যাপারটা এ' আলোচনায় খুব ক্রিটিকাল কি?

এলেবেলে,
ভুলি নাই। সন্ধান পেলে জানাবো।
জগদানন্দ রায় আর রবীন্দ্রনাথের চিঠির সংকলন কোনো শারদীয়ায় প্রকাশিত হয়েছিল মনে হয় -সঙ্গে অমিত্রসূদন ভট্টাচার্যের টীকা। হয়ত একদমই ভুল বলছি। খুঁজে দেখব। তবে ঐ কথাগুলি শুধুই জগদানন্দকে লিখেছিলেন ( চিঠি লেখার সময়ের তাৎক্ষণিক মনোভাব)না কি সমসাময়িক আরো অনেককে বলেছিলেন/ লিখেছিলেন-সেটিও দেখতে হবে।

আজই পড়ছিলাম, গীতাঞ্জলি রিবর্ন- উইলিয়াম রাদিচে'স রাইটিংস অন রবীন্দ্রনাথ টেগোর এর রিভিউ। সেখানে পড়লাম , এডিন্বরার নাপিয়ের ইউনিভার্সিটির স্কটিশ সেন্টার অফ টেগোর স্টাডিজ এ ২০১২ সালে এক বক্তৃতায় , রবীন্দ্রচর্চায় রাডিচে পাঁচটি বিষয়ের ওপর জোর দিয়েছিলেন-তার মধ্যে শেষটি ছিল- 'to stop talking about Tagore and to stand back and to simply contemplate him.'

ছোটো আই


Name:  b          

IP Address : 562312.20.2389.164 (*)          Date:21 Sep 2018 -- 09:55 AM

বিলেতপ্রবাসে পালসেটিলা খেতেন কি না, খেলেও কয় মাত্রার, সেটা লিখে যান নি?


Name:  lcm          

IP Address : 900900.0.0189.158 (*)          Date:23 Sep 2018 -- 02:21 PM

না, রবীন্দ্রনাথ-কে নিয়ে কবি ইয়েটস বা এজরা পাউন্ড-এর মনোভাবের পরিবর্তন রেসিজিম দিয়ে ব্যাখ্যা করা যাবে না ।

পাউন্ড-ইয়েটস নোবেল পাবার আগে থেকেই রবীন্দ্রনাথের প্রতি একটু আগ্রহ হারিয়েছিলেন, এবং সে কথা ব্যক্তও করেছেন।

চতুর্দশ শতাব্দীর বিখ্যাত লাতিন কবি বোকাচিও যখন দান্তে-র লেখার সংস্পর্শে প্রথম আসেন তখন যেমন অভিভূত হয়েছিলেন সেইরকম এক অনুভূতি তারও হয় প্রথম রবীন্দ্রনাথের লেখা পড়ে - পাউন্ড একথা বলেন, বেসিক্যালি রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে দান্তে-র তুলনা করেন, এবং, মুষ্টিমেয় যে কয়জন রবীন্দ্রনাথের লেখার সংস্পর্শে এসেছিলেন তাদের মধ্যে তিনি আছেন ভেবে বেশ গর্বিত বোধ করেন (we few who have been privileged to receive the work of Mr. Tagore before the public had heard it) । পাউন্ড তখন বছর সাতাশের তরুণ কবি, তিনি পঞ্চাশোর্ধ রবীন্দ্রনাথের লেখনী ও ব্যক্তিত্ব-তে মুগধ হন। রোদেনস্টাইন লিখেছেন যে পাউন্ড রবীন্দনাথের পায়ের কাছে বসে থাকতেন। প্রথম বই প্রকাশের পর হঠাৎ রবীন্দ্রনাথের বই এর চাহিদা (এবং সেই সঙ্গে জনপ্রিয়তা) অভাবনীয় ভাবে বেড়ে যাওয়ায়, রবীন্দ্রনাথ কিছুটা হলেও আমজনতার হয়ে পড়েন।

কিছু স্ট্যাট দিলে ব্যাপারটা বোঝা যাবে - রবীন্দ্রনাথের বইগুলো যেভাবে প্রকাশিত হচ্ছিল ,
১) Song Offerings (India Society edition - November 1912; Macmillan - March 1913)
২) The Gardener (Macmillan - October 1913)
৩) The Crescent Moon (Macmillan - October 1913)
৪) Sadhana (Macmillan - October 1913)

ম্যাকমিলান-এর শুধু Song Offerings বইটির বিক্রির হিসেবে এমন --
- ১৯১৪ সালের ফ্রেব্রুয়ারি অবধি ১৯,৩২০ কপি (এক বছরের মধ্যে)
- পরের তিন বছরে ১৮,৬৮০ কপি
- পরের ৬৫ বছরে ২০,০০০ কপি

এর থেকে বোঝা যাচ্ছে শুরুতে রবীন্দ্রনাথের লেখা নিয়ে একটি শুরুতে প্রবল আগ্রহ তৈরী হয়, এবংএক বছরের মধ্যে ম্যাকমিলান প্রায় ১০-১২ তা এডিশন ছাপায়, কারণ ছাপার সঙ্গে সঙ্গেই বিক্রি । তো এই হঠাৎ করে শুধু আমরা মুষ্টিমেয় কয়জন রবীন্দ্রনাথ বুঝি থেকে আমজনতা সবাই পড়ে ফেলছে এটা একটু অস্বস্তির কারণ ছিল। প্রফেসর হ্যারল্ড হারুইৎজ-এর Tagore-Pound কে নিয়ে একটি প্রবন্ধ থেকে - "His (Pound) attitude also changed considerably after Tagore became a popular success. While the Indian poet was unknown, Pound was delighted to act as his defender and to use Tagore’s lack of recogni­tion as proof of the stupidity of the English and his own superiority. But when the English public accepted the Indian and used Pound’s own words to praise him, Pound, apparently shocked to find him­self part of the herd, quickly denounced him."

পাউন্ডের হতাশার একটি আসল কারণ ছিল যেভাবে রবীন্দ্রনাথের ভাবমূর্তি ব্রিটিশ তথা পশ্চিমের সমাজে প্রচারিত এবং প্রতিফলিত হচ্ছিল, বিশেষ করে একজন প্রাচ্যের আধ্যাত্মিক ধর্মীয় দার্শনিক হিসেবে। সেই সময়ে পাউন্ডের লেখা একটি প্রবন্ধে তার এই হতাশা ব্যক্ত হয় -
…why the good people of this island are unable to honour a fine poet as such, why they are incapable of … …Rabindranath Tagore is not to be কংফুসেদ with any Theosophist propaganda; nor with any of the various mis­sionaries of the seven and seventy "ism"s of the mystical East. … …



Name:  lcm          

IP Address : 900900.0.0189.158 (*)          Date:23 Sep 2018 -- 02:33 PM

*কংফুসেদ = confused

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7] [8]     এই পাতায় আছে187--217