এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--6


           বিষয় : গিরিজা দেবীকে নিয়ে কিছু কথা
          বিভাগ : গান
          শুরু করেছেন :অভিষেক রায়
          IP Address : 113.219.47.1 (*)          Date:25 Oct 2017 -- 09:42 PM




Name:  অভিষেক রায়           

IP Address : 113.219.47.1 (*)          Date:25 Oct 2017 -- 09:45 PM

চলে গেলেন সুর সম্রাজ্ঞী গিরিজা দেবী। ভারতীয় মার্গ সংগীতের এই মাতৃ প্রতিম ব্যক্তিত্বের চলে যাওয়ায় রয়ে গেল এক অপূরণীয় ক্ষতি। ঠুমরী পরিবেশনে তিনি এক স্বতন্ত্র মাত্রা যোগ করেছিলেন। গেয়েছেন খেয়াল, কাজরী, চৈতী ও ভজন। তাঁর কণ্ঠ মাধুর্যে অচিরেই জনতার চিত্ত জয় করে নিতেন।

তাঁর গায়কীর এক বিশেষ স্টাইল ছিল পান খেতে খেতে গল্প বলতে বলতে গান করা। হঠাৎ ই একটু স্কেল নামিয়ে এক টুকরো কথা বলে নিলেন। তানপুরা বাজছে আর তার মাঝে উনি বলে যাচ্ছেন কিছু টুকরো কথা, স্নেহ আর রসবোধ মেশানো সেই অননুকরণীয় স্টাইলে শ্রোতারা বুঁদ হয়ে যেত। ২০০২ এ তাঁর এক অনুষ্ঠানে জীবনে প্রথমবার উপস্থিত হই। শীতকাল, সেদিন বেশ ঠাণ্ডা, তখন শীত পড়ত কলকাতায়, ঋতুরা বেয়াড়া হয়নি। গিরিজা দেবীর প্রোগ্রাম শুরু হল একটু রাতেই। তান ধরতেই দুবার হাত মুঠো করে গলা খাকরে নিলেন। বার দু তিনেক এইরকম হল। সামনের সারির শ্রোতাদের চোখ চাওয়া চাই নাকি মৃদু গুঞ্জন লক্ষ করে উনি গান থামিয়ে বলে উঠলেন “বহত ঠাণ্ড পড়ি হ্যায়, কভি কভি গলাভি সাথ নাহি দেতে, মুঝে ভি বুরি লাগ রাহি হ্যায়, আপলোগ সব গানা সুন্নে আয়ে হ্যায়, আউর ইয়ে মেরা খুকখুক, খুকখুক।‘ হাল্কা হেসে আবার কানে হাত দিয়ে বাঁধলেন সুর। এই ছিলেন গিরিজা দেবী।

একবার সংবাদ পত্রে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন তাঁর পুতুল প্রীতির কথা। বৃদ্ধ বয়েস অবদি পুতুল খেলাতেন, আবার তাদের ঘটা করে তার বিয়ে দিতেন। তার নিজের পুতুল অনেকের বাড়িতে রয়েছে। তিনি দেখতেও যেতেন তাদের। এমন জীবন রসিক আমুদে মানুষ না হলে এমন শিল্পীও বোধহয় হওয়া যায়না।

বেনারস ঘরানার শেষ প্রতিনিধি ছিলেন তিনি। অক্লান্ত ভাবে আসমুদ্র হিমাচল অনুষ্ঠান করতেন। বারানসীর এক জমিদার বংশে জন্মেছিলেন। সঙ্গীতের প্রথম তালিম পিতার কাছে যিনি হারমোনিয়াম বাজাতেন। পণ্ডিত সারজু প্রসাদ মিশ্রের কাছে নাড়া বেঁধে তালিম নিলেন খেয়াল ও টপ্পায়। প্রথম সংগীত পরিবেশন অল ইন্ডিয়া রেডিও য়। কিন্তু তার মা ও ঠাকুমার প্রবল আপত্তি থাকায় সঙ্গীতানুষ্ঠান করা বন্ধ হয়েছিল কিছুকাল। বিবাহের পরে আবার শুরু করলেন অনুষ্ঠান।

কলকাতায় আই টি সি সংগীত রিসার্চ একাডেমী তে অনেক কাল ফ্যাকালটি ছিলেন। কিছুকাল বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়েও।
পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ, পদ্মবিভূষণ তিনটে সম্মানেই ভূষিত। পেয়েছেন সংগীত নাটক একাডেমী এওয়ার্ড ও সাতটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাম্মানিক পি এইচ ডি।



Name:  দ          

IP Address : 144.159.168.72 (*)          Date:26 Oct 2017 -- 10:58 AM

আচ্ছা এখানে থাক


http://www.epaper.eisamay.com/epaperimages/26102017/26102017-md-em-8/1
43517442.jpg



Name:  অ          

IP Address : 52.110.143.109 (*)          Date:27 Oct 2017 -- 10:29 AM

অষ্টাশী বছর বয়েসে মেঘের দেশে চলে গেলেন গিরিজা দেবী। এক মুহূর্তে স্মৃতির চিনচিনে স্বর হয়ে গেলেন অজস্র শিক্ষার্থী, শ্রোতা, অনুরাগী ,প্রিয়জন এবং আত্মীয়দের আপ্পাজি। অনাত্মীয় শ্রোতাদের মনে রয়ে গ্যালো সহাস্য ঝিকমিকে চোখের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি , বাচ্চাসুলভ সারল্যে ভরপুর এক রসবোধ, অদ্ভুত খ্যানখ্যানে গলার তীব্র এক যাদু আর আসর মাত করা গানের রসের কথা। এবং অবশ্যই পানের রসের কথাও। এই শিল্পীকে ভাবতে গেলেই যে বেনারসী পানের গন্ধ ভেসে আসে আনাচকানাচ থেকে।
খসের আতর আর খাসজর্দা ভরপুর সে গন্ধ মেখেই এ লেখা ১৯৩৫-৩৬ সালের কোনো এক ভোরে, কাশীর গঙ্গার ঘাটে ভিড়ে যায়। সিড়ি বেয়ে উঠে নৈঃশব্দের স্বণন না মাড়িয়ে, ঘুমন্ত ষাঁড় এবং নিদ্রামগ্ন গলিঘুঁজি বেয়ে এসে বসে পড়ে ওস্তাদ ফৈয়াজ খাঁ সাহেবের আঙিনায়। নিশার শেষ যাম। খাঁ সাহেব ললিতে স্বর বসাচ্ছেন। শুদ্ধ আর কোমল মধ্যম ছুঁয়ে ব্যাকুল হাহাকার তড়পে তড়পে চলেছে , 'জল বিন মীন' মাফিক। চারিদিকে ঘিরে বসে আছেন অনুরাগী শ্রোতার দল। প্রায় সবারই এ রস আহরণের প্রাক প্রস্তুতি আছে। পিতার সাথে এসেছে এক পুঁচকি এক রত্তি মেয়েও। কিসের ডাকে কে জানে , মেয়ের চোখ বাঁধ মানেনা । জল গড়িয়ে পড়ে চিবুক দিয়ে। গান শেষ করেই ওস্তাদ তার বাবাকে বলেন - খেয়াল রাখো বেটির ওপরে। এ মস্ত বড় গাইয়ে হবে ,সমজদার শিল্পী হবে। খাঁ সাহেব ভুল বোঝেন নি।
১৯২৯ সালে বেনারসের রইস খানদানি উচ্চবর্ণের জমিদার পিতা শ্রীরামদেও রায়ের মেয়ে হয়ে জন্মান গিরিজা দেবী। বাবার কাছেই ছোট্ট বেলায় তালিমের শুরু। এরপরে প্রথাগত তালিম শ্রীসরযূ প্রসাদ মিশ্র এবং পরে শ্রীচাঁদ মিশ্রের কাছে নিলেও দীর্ঘ জীবনে গিরিজা দেবী শেখা থামাননি। খুব গর্ব করেই বলতেন শেষ বয়েসে যে - মেয়েদের কন্ঠে মধ্য পঞ্চাশের পরেই স্বর লাগেনা সুঠাম হয়ে। আমার 'সা' কিন্তু আজও এক জায়গায় ঠায় থাকে। আমি য্যামোন চাই। এটার জন্যে আমার প্রয়োজনীয় রেওয়াজ আমায় করতে হয়। আমি তারানাও পারি তাই। হয়তো বেশীক্ষণ নয় কিন্তু পারি।
পাঠক ১৯৩০-৪০-৫০ সালের বেনারসের ব্রাহ্মণ পরিবারের রীতিনীতি এবং মেয়েদের জন্যে চতুর্পাশের সম্ভাব্য অর্গল মনে করুন। সেইখান থেকে উঠে আসছেন পারফর্মিং আর্টিস্ট গিরিজা দেবী!
মা-দিদিমা-আত্মীয়স্বজনদের মুখোমুখি হয়ে এই উত্থান এক ধরণের বিল্পব ছাড়া আর কী! ওই যুগে ! নিশ্চয় ১৯৪৬ সালে বিয়ে প্রায় কুড়ি বছর বয়েসে বড় যাকে বিয়ে করেন বা পরিবারের কেউ কেউ খুব কাছ থেকে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন কিন্তু এই লড়াইটা তারপরেও ভয়ানক রকমের তা বোঝা যায়।
বাড়ির সাথে রফা হয় যে কখনোই কোনো একক সভায় কারুর জন্যে উনি গাইবেন না। তবে জনসাধারণের মঞ্চে গাইতে পারেন। ১৯৪৯ সালে এলাহাবাদ আকাশবাণীতে প্রথম অনুষ্ঠান। একদম ৯০ টাকার কন্ট্রাক্টে ! যা পেতেন সমসময়ের ইতিমধ্যেই জ্যোতিষ্ক হওয়া সিদ্ধেশ্বরী দেবী এবং বিসমিল্লা খাঁরাও। যদিও এর আগেই নয় বছর বয়েসে এক ছায়াছবিতে গান করার সুযোগও পান। তবে এই নব্বইটাকার সম্মান উনি ভোলেননি। ১৯৫১ সালে বিহারের আরা জেলায় প্রথম মঞ্চানুষ্ঠান। তারপর তো ইতিহাস !
জীবনসঙ্গী মারা যাওয়ার পরে কলকাতা চলে আসেন ১৯৭৬-৭ নাগাদ। একটা টান থাকলেও দিব্যি বাংলা বলতে পারতেন। অতঃপর সঙ্গীত শিক্ষক হয়ে অজস্র ছাত্র ছাত্রীদের পথ প্রদর্শক হয়ে ওঠেন সবার প্রিয় 'আপ্পাজি'। এর সাথে অননুকরণীয় গায়কী এবং মেজাজ নিয়ে দেশে বিদেশে অসঙ্খ্য অনুষ্ঠান পরিবেশন করে চলা তো ছিলোই । রাষ্ট্রীয় পুরস্কার তো পেয়েইছেন গাদাগাদা। ওনাকে নিয়ে তথ্যচিত্র তৈরি করেন NFDC।
হিন্দুস্থানী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের আঙ্গীকে প্রায় সব কিছুই গাইতেন। খেয়াল, টপখেয়াল, টপ্পা, ভজন , কাজরী, বিয়ের গান, চৈতি,দাদরা, ঠুমরি। ওনাকে ঠুমরির রাণীও বলা হোতো। সে সবের গুণমান নিয়ে বলার যোগ্যতা এই লেখকের নেই। পুরো লেখাটাই ব্যক্তিগত ভালো লাগার তরফ থেকে। শ্রোতা হিসেবে , পাঠক হিসেবেও। গিরিজা দেবী ছিলেন বেনারস ঘরানার কন্ঠশিল্পী। পূরবীয়া আঙ্গিকে ঠুমরি পরিবেশনা করতেন। এসবের অন্তঃনিহিত মানে বিশদে বোঝার যোগ্যতা বা শিক্ষা কোনোটা না থাকলেও খেয়াল করে দেখেছি যে গিরিজা দেবীর গায়কীতে একটা সাহিত্যবোধ ছিলো। শব্দের উচ্চারণ ক্যামন হলে শ্রোতার কাছে উনি মানেটা বয়ে নিয়ে যেতে পারবেন সবচেয়ে ভালো করে ,সেইটা নিয়ে উনি খুব সজাগ ছিলেন। ওনার কন্যার কথায় শুনেছি এক ভিডিওতে- আরোহণ এবং অবরোহণ দিয়ে যে চলে যাওয়া এবং ফিরে আসার মেজাজ আনা যেতে পারে তা উনি ভাবতেন। শব্দের অর্থরা শব্দের মূলকে বয়ান করতে পারছে কিনা , ব্যঞ্জনা ফুটিয়ে তুলতে পারছে কিনা সেটা উনি ঘেঁটে ঘেঁটে দেখতেন। নিশ্চয়ই শিখিওছেন পরে। এই সুরের মধ্যে গল্প বলাটা আর এক বেনারসী সহরসিক বিসমিল্লা খাঁর মধ্যেও পেয়েছি য্যানো। শাস্ত্রীয় সঙ্গীত যে শুধুই কন্ঠের জিম্ন্যাস্টিক নয় তা কি বেনারস ঘরানার চরিত্র? কেউ বললে উপকৃত হবো।
তবে সবচেয়ে আনন্দ পেয়েছি ওনার কাজরী ,বিয়ের গান জাতীয় লৌকিক মেজাজের গানগুলোয়। উত্তর ভারতের আওধ,ব্রজধাম,বেনারস অঞ্চলের সুদীর্ঘ সাংস্কৃতিক দেওয়া নেওয়ার ইতিহাস লুকিয়ে আছে এই আপাত লৌকিক হোরি,কাজরী, চৈতিগুলোর মধ্যে। একসময় ফারুখাবাদ,মির্জাপুর, জৌনপুর, আগ্রা,জয়পুর,বেনারস,লখনৌ,বরোদা,গোয়ালিয়র,পাতিয়ালা এই সব উঠতি শক্তিপ্রাপ্ত রাজবংশের শহরেই দিল্লির কেন্দ্রীয় মুঘল বংশের পরতি যুগে এসে বাসা বাঁধেন ওস্তাদদের দল। আদি মধ্য যুগের ধ্রুবপদ বাণীর গুরু-শিষ্য পরম্পরায় কতশত ইরানী-ইসফাহান-লাহোর-মূলতানের স্বর মিশে এক মিশ্র সংস্কৃতির ভিত্তিভূমি হয়ে ওঠে। ঘরানা আর খানদানের আশ্রয়ে জলপানি পেয়ে পুষ্ট হয় এই ওস্তাদদের শৈলী। তাই মুসলমান ওস্তাদের পায়ে কুমড়ো গড়াগড়ি দিতে দ্বিধা বোধ করেননা ব্রাহ্মণ জমিদার রামদেও আর বরোদায় মুজতাবা আলীকে তাঁর বাড়িতে এসে কাফিতে বন্দে নন্দদুলাল গেয়ে শুনিয়ে যান ফৈয়াজ খাঁ সাহেব।
বিসমিল্লার সেই ছোট্ট বেলার রেওয়াজকালীন অভিজ্ঞতার কথা বোধহয় অনেকেই জানেন। বন্ধ ঘরে চোখ বুঝে বাজাচ্ছিলেন। আচমকা চোখ খুলে দেখেন তন্ময় হয়ে হিন্দুদের বেশ পরা কেউ একজন বসে বসে শুনছেন। বাজনা থামতে চমকে গিয়ে মিলিয়ে যান। গুরুকে বলতেই থাপ্পড়। গুরু বলেন -বেটা ইয়ে বেনারস হৈ। বহুত কুছ দিখোগে। বোলনা মত কভি। এই দ্যাখাটা সত্য না মিথ্যে সে প্রশ্নে না গিয়েও বলা যায় যে সেই মুসলমান গুরুর এ মানতে অসুবিধে হয়নি। বিসমিল্লারও নয়। গিরিজা দেবী ছিলেন সেই পরম্পরারই বাহক ।
গিরিজা দেবীর বিশাল এক সম্ভার ছিলো পুতুলের। শেষ বয়েস অব্দি উনি পুতুল জমাতে ভালোবাসতেন। এই শিশুসুলভ সারল্য ওনার চোখমুখ দিয়ে ব্যক্ত হোতো যেটুকু যা টুকরোটাকরা ভিডিওতে ওনাকে দেখেছি।
ছোটোদের কথাই উঠলো যখন বলি - একথা কি জানতেন যে গুগাবাবায় ওনার গাওয়া বিখ্যাত বরষণ লাগি বদরিয়া রুমঝুমকে শুনেছিলেন শুণ্ডির সেই ভালো রাজা !! এর পরের বারে গিরিজা কন্ঠে এই কাজরী শুনলে খেয়াল করবেন 'রুমঝুম' শব্দটা উনি কতরকম করে গাইছেন। কতরকমের 'রুমঝুম' হতে পারে শোনাতে চাইছেন। এইটাকেই প্রসারিত অর্থে টেনে নিয়ে সাহিত্যবোধ বলেছি।
এখন হয়ত যোগ্য সাঁজ তৈরি করে অবিরাম আসর বসে মেঘপুরীতে। রুমঝুম আর বন্দে নন্দদুলাল গাওয়া হয় মাঝেমাঝেই। সেই আর এক পানপ্রিয় শিল্পীও কি ওই পাড়াতেই বসত করেন । ওই যে - একটা গান লিখো আমার জন্যে গেয়েছিলেন যিনি! দক্ষতা বা শৈলী তুলনার প্রশ্নই নেই। কিন্তু গিরিজাদেবীকে দেখলেই তাঁর কথাও মনে পড়ে যায় যে ! দ্যাখা হয় নাকি ওনাদের ? কে জানে...

বিজয় চ্যাটার্জির সেই তথ্যচিত্রের সূত্র থাকলো নিচে-


https://www.youtube.com/watch?v=_5GGIzdH5fM


Name:  de          

IP Address : 24.139.119.172 (*)          Date:27 Oct 2017 -- 10:38 AM

বাঃ! খুব ভালো - আরো লেখা আসুক!


Name:  অ          

IP Address : 52.110.143.109 (*)          Date:27 Oct 2017 -- 10:38 AM

** একটা সংশোধন - ললিতে শুদ্ধ আর কোমল মধ্যম নয় ওটা শুদ্ধ আর তীব্র মধ্যম হবে। ঘুম চোখে তীব্র কোমল হয়ে পড়েছে।


Name:  PT          

IP Address : 213.110.242.4 (*)          Date:27 Oct 2017 -- 07:29 PM

"সেই আর এক পানপ্রিয় শিল্পীও কি ওই পাড়াতেই বসত করেন । ওই যে - একটা গান লিখো আমার জন্যে গেয়েছিলেন যিনি! "
অহো! কি মধুর!!

এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--6