এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--11


           বিষয় : কোয়ান্টাম তত্ত্ব ও রিয়েলিটি নিয়ে খানিক আড্ডা
          বিভাগ : অন্যান্য
          শুরু করেছেন :সৌভিক
          IP Address : 59.203.248.55 (*)          Date:13 Oct 2017 -- 08:33 PM




Name:  সৌভিক          

IP Address : 59.203.248.55 (*)          Date:13 Oct 2017 -- 08:48 PM

Physicists In Australia Have Proved That Reality Doesn’t Exist

https://thesciencepage.com/physicists-in-australia-have-proved-that-re
ality-doesnt-exist/

এইটে ধরে ফেসবুক পেজে একটা আলোচনা হচ্ছিল। ঈপ্সিতা বলল এখানে সুতোটা খোলা দরকার। কারণ অনেকগুলো ভালো ভালো মন্তব্য এসেছে। থ্রেডটা এখানে চলুক এবার। আমি ওখানকার মন্তব্যগুলো এখানে দিয়ে দিলাম যতটা সম্ভব। আর লিংকটাও রইলো ঐ থ্রেডের
https://www.facebook.com/groups/guruchandali/search/?query=Malay%20Tew
ari

------------------
কমেন্ট
-----------------
Pinaki Mitra সৌভিক কোয়ান্টাম লেভেলে বা খুব মাইক্রো লেভেলে কণার আচরণকে আমাদের ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য লেভেলে প্রজেক্ট না করাই ভালো। একইভাবে একটা ব্ল্যাকহোলের খুব কাছে স্পেসটাইম কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে সেটাকে অনুভব করতে পারা আমাদের পক্ষে মুশকিল। ওগুলোকে স্ট্রেচ করে আমাদের রিয়েলিটির সাথে মেলানোর চেষ্টা না করাই ভালো।
Tapas Das পিনাকী ইন্দ্রিয়গ্রাহ্যতার কথা বলেছে। এই ইন্দ্রিয়ের মধ্যে নিশ্চিতভাবেই ষষ্ঠেন্দ্রিয় ধরা হবে না, তাই তো?
Swarnendu Sil ei sensationalizing headlinesgulo dekhlei hasi o paay, rag o hoy...

' reality does not exist untill you look at it' - eta quantum theory r ekta bohu purono conclusion, boyos pray 80-90 bochhor hoye gelo. Schroedinger er beral emonki layman -der modhyeo well known. Hya aro precise experiemnt e verify korechhe, fine. seitake eirokom sensationalize kora dekhle birokto laage.

ar jara jara ei opore quote er modhyer line tar philosophical implication niye chintito, taderke bolar ei niye gada gada lekhalikhi chorcha prochur hoyechhe ekhono achhe... segulo shuru hoyechheo aaj 50 bochhor er upor hoye gechhe....

(roman horofe lekhar jonye dukkhito, avro ta atke jachhe ektu)
Tapas Das বুঝলাম। এটা পুরনো থিওরি। কিন্তু প্রশ্নগুলো থেকেই যায়। অবৈজ্ঞানিক অনুসন্ধিৎসা আর কী।
Swarnendu Sil proshnogulo achhe, thakbeo hoyto... sei proshnogulo niye onek onek lekhalikhi chole ekhono... ami e niye amar byktigoto mot bolte pari matro... tar besi kichhu noy
Swarnendu Sil আমার সেই ব্যক্তিগত মতটা বলি - এখানে সমস্যা একটা আছে। কিন্তু সেটা যেভাবে প্রোজেক্টেড হয় সেইটা নয়। 'reality does not exist untill you look at it' এইটা শুনতে খুব চমকপ্রদ বটে, কিন্তু আসলে ঐ 'reality' বলতে কি বলা হচ্ছে? আমার মতে কোযান্টাম থিওরিতে এই রিযেলিটির মানে 'observability' , কোযান্টাম থিওরিতে রিযেলিটির কোন ডেফিনিশন নেই, observables কাকে বলে তার টেকনিকাল ডেফিনিশন আছে। সেটার মানেও শব্দটা যা বোঝায় সেইটাই, যা যন্ত্রে, এক্সপেরিমেন্টে measurable, detectable. ( টেকনিকাল ডেফিনিশনটা ম্যাথেমাটিকাল, কিন্তু এইটাই ইমপ্লাই করে). এইবারে সেই মানেটা য়দি বসিয়ে নি তাহলে দাঁড়ায় 'observability does not exist until we look at it' - এইটায় আর কেউই আশ্চর্য হবে কি? এইটা almost a tautology. সমস্যা অন্যত্র, তাহলে সায়েন্স যদি শুধুই observability নিয়েই কথা বলে ও বলতে পারে, তাহলে রিয়েলিটি কি? ব্যাস এইটুকুই। এর বেশী আমার ভাঁড়ারে নাইকো। :(

আবারো এ নেহাতই আমার মত, এইটা নিয়ে কোন কনসেন্সাস নেই আদৌ।
Abhishek Sarkar আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ
Swarnendu Sil নাহ, কারণ আমার চেতনার রঙ সবুজ হবে না লাল হবে বলতে না পারলেও কোনটা হওয়ার প্রোবাবিলিটি কত হিসেব করা যায়। তাই উপমাটা বহুল প্রচলিত ( বাঙালিদের মধ্যে) হলেও নিছক পথিক গুহ মার্কা, অর্থাৎ ডাহা ভুল।
Abhishek Sarkar রিয়ালিটিও তাহলে কন্সট্রাক্টিভিস্ট এক মূর্চ্ছনা মাত্র বোলছো। মানে অব্জার্ভেশন স্পিশিসের প্রোডাক্ট। সাপের চোখে দুনিয়া যা ব্যাঙের চোখে তা নয়! এইটা ভারি আশ্চর্য ঠ্যাকে!!

Swarnendu Sil
Swarnendu Sil নাহ, বলছি অবসার্ভেবিলিটি অবসার্ভেশনাল সেটআপের প্রোডাক্ট। আর বলছি য়ে রিযেলিটি কি আমি জানি না, সায়েন্স অবসার্ভেবিলিটি নিয়ে কথা বলে।

Jayanta Mukherjee
Jayanta Mukherjee Fritzoff kapra র লেখা Tao of physics বই টা পড়ুন।
Kousik L Mukherjee আসলে আমরা যখন কোন কিছু দেখি(যাকে Reality বালি) তাও এক ধরণের interaction, যাকে দেখছি তার সাথে যে দেখছে বা যা দিয়ে দেখছি তার সাথে I এই interaction টাকে Quantum Mechanics বলে Measurement বা Observation. এধরণের observation এর Outcome কি হবে সেটা Unpredictable. অর্থাৎ সম্ভাবনা (Probability) নির্ভর। এই Unpredictability ই Reality কে বাস্তবতা দিতে পারছে না l
Remove
Swarnendu Sil
Swarnendu Sil Abhishek Sarkar সেইজন্যেই এই যে এক্সপেরিমেন্টটার কথা লেখা হয়েছে, সেইটা একটা হিলিয়াম অ্যাটম নিয়ে করতে হয়েছে, সেইজন্যেই আজ এই ২০১৭ তে এসে। নইলে একাধিক হিলিযাম অ্যাটম থাকলে কত পারসেন্ট কন পথে যাবে তা খুবই অ্যাকিউরেটলি প্রেডিক্ট করা যায় কিন্তু, এবং এক্সপেরিমেন্টএর সাথে মিল বিস্ময়কর, অবিশ্বাস্য প্রায় প্রায়।
Swarnendu Sil Abhishek Sarkar নাহ, বলছি অবসার্ভেবিলিটি অবসার্ভেশনাল সেটআপের প্রোডাক্ট। আর বলছি য়ে রিযেলিটি কি আমি জানি না, সায়েন্স অবসার্ভেবিলিটি নিয়ে কথা বলে।
কোনো স্পিশিসের অনুভূতিও তো একটা observational setup..নয়?

Swarnendu Sil
basically hya, kintu seta aro jotil... evolution er jonye.... kichhu observation better observe korar o onyo kichhu observation ke ignore ba vague kore rakhar evolutionary incentive thake, achhe, chhilo o thakbe... foloto pyach onekun besi
Soumitra Bose দর্শন কে দর্শনের জায়গায় রাখুন আর প্রয়োগজাত ও প্রমাণনির্ভর বিজ্ঞান কে তার
জায়গায় রাখুন। প্রমান পেতে গেলে যে গুলো দিয়ে অনুসন্ধান করতে হয় সেই যন্ত্র
গুলো কোয়ান্টাম জগতে মাপামাপি করতে পারে না, তাকে বোধ দিয়ে বুঝতে হয়. এতো দিন
অনেক দিয়ে বুঝতে হতো, এখন আরো নতুন পদ্ধতি আসছে , মডেল ভিত্তিক অনেক একেবারে
বাধ্যতামূলক এখন নয়. যাই হোক কোনো এক বিষয়ে কিছু অনুমান বা "প্রমান" কে টেনে
হিঁচড়ে প্রেক্ষিত নিরপেক্ষ করা যায় না তা নয়, তবে এ সব করতে গেলে অনেক আঁট ঘাট
বাঁধতে হয়, না হলে এগুলো কাল্পনিক অধিবিদ্যা বা মেটাফিজিক্স হয়ে পরে. দর্শন
নিশ্চই প্রয়োগলব্ধ জ্ঞান থেকে বিমূর্তায়নের মাধ্যমেই হয়, কিনতু তাই বলে সরহাদ
বা গন্ডি-অতিক্রম করে তাকে প্রয়োগ করতে গেলেই পুরো ব্যাপারটা কল্পবিজ্ঞান কে ও
ছাড়িয়ে একেবারে ম্যাজিক রিয়ালিজম হয়ে ওঠে , তাতে সাহিত্য লেখা গেলেও
জ্ঞানভাণ্ডার বাড়ে না। কোয়ান্টাম জগৎ ভিন্ন , সেখানকার মৌলিক রীতি নীতি গুলো
আমরা অনুধাবন করতে পারলেও পুরোটা উপলব্ধি করতে না ও পারি , আর ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য
তা দিয়ে ছুঁতে তো পারবোই না।

বাস্তবতা বিষয়ীগত অর্থাৎ ব্যক্তির বোধ নির্ভর , এ বিষয়টি বহু আগেই বহুল
প্রচারিত , নতুন কিছু নয় , কিনতু আমরা প্রত্যেকের কাছে সাধারণ বা কমন ইফেক্ট
রিয়ালিটি বলি , অর্থাৎ আমি যা দেখছি সেটা যদি প্রায় প্রত্যেকেই দেখি তবে তাকে
রিয়ালিটি বলে থাকি , অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে সেই বস্তূ কে মাপতে পারার মতো যন্ত্র
আমাদের কাছে মজুত আছে, অর্থাৎ চাক্ষুষ জগৎ এবং বড়ো জগৎ টাই রিয়ালিটি সুক্ষ বা
বিশাল কসমিক কোনোটাই আমাদের ভাষায় রিয়ালিটি নয়. কোয়ান্টাম রিয়ালিটি বা কসমিক
রিয়ালিটির কাঠামো বা ফ্রেমওয়ার্ক কে তাদের মতন বাঁচতে দেওয়া তাই শ্রেয়। দু
দিক থেকে টেনে আমাদের এই ক্ষুদ্র গন্ডি র মধ্যে ঠুঁসে দেওয়া টাই অধিবিদ্যা বা
মেটাফিজিক্স অর্থাৎ ফিজিক্যাল রিয়ালিটির এক্তিয়ারের বাইরে।

রবীন্দ্রনাথ অনেক প্রাসঙ্গিক। রূপ ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য , অ-রূপ বা অতীন্দ্রিয় রূপ
জ্ঞানজগৎ বা বোধ জগৎ সে, সেটা না হয় সেখানেই থাক , এখানে উপনিষদ টেনে এনে না
বিজ্ঞানের না উপনিষদের কোনোটারই গরিমা বাড়ানো হয় বরং গুলিয়ে দেওয়া হয়।
Remove
Malay Tewari
Malay Tewari Souvik, রবীন্দ্রনাথ যখন আইনস্টাইনের সাথে দেখা করতে যান তখন তাঁদের কথোপকথন হয়েছিল দুটি বিষয়ে। একটি হলো ভারতীয় ও য়ুরোপীয় ঘরানা সঙ্গীত সম্পর্কে দুজনার উপলব্ধির আদান প্রদান ও অন্য বিষয়টি ছিল পর্যবেক্ষক নিরপেক্ষ বাস্তবতার অস্তিত্ব অনুধাবন করার প্রসঙ্গ। মজার কথা হলো, দ্বিতীয় এই প্রসঙ্গটি পড়লে আইনস্টাইনের তুলনায় রবীন্দ্রনাথকেই কোয়ান্টাম ফিজিক্সের কাছাকাছি বলে মনে হবে। বর্তমান আলোচনায় অবশ্য পর্যবেক্ষকহীন বাস্তবতার অস্তিত্ব বা বস্তুজগৎ নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকের অস্তিত্ব বিষয় নয়, বরং বস্তুজগৎকে পর্যবেক্ষণের বাস্তব নিয়ম নীতিই আলোচ্য বিষয়।
https://www.mindpodnetwork.com/albert-einstein-rabindranath-tagore-dis
cuss-music/

(এরপর কমেন্ট সেকশনে কিছু গুরূত্বপূর্ণ লেখা)



Name:  মলয়ের লেখা          

IP Address : 59.203.248.55 (*)          Date:13 Oct 2017 -- 08:51 PM

Malay Tewari যা পরিমাপ করা যায়না তা নিয়ে ফিজিক্সের মাথাব্যাথা নাই। ক্লাসিকাল ও কোয়ান্টাম ফিজিক্সের মৌলিক পার্থক্য এই মাপামাপি/অবসার্ভেশনের প্রশ্নেই। হাইজেনবার্গ যখন ঘোষণা দিল যে গতিবেগ আর স্থানাঙ্ক একই সাথে মাপতে চাইলে একটির মাপ যত নিশ্চিত পেতে চাইবেন অন্যটি ততটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়বে তখনও দার্শনিক ব্যাখ্যাকাররা কেউ কেউ লাফিয়ে উঠে বলতে শুরু করলেন যে তাহলে তো 'আনসার্টেইনটি প্রিন্সিপল' মোতাবেক বস্তুজগতই অনিশ্চিত, মায়া। তারও আগে লেনিনের 'মেটেরিয়লিজম অ্যান্ড ইম্পিরিও ক্রিটিসিজম' কেতাব আর্নস্ট মাখের 'বস্তু আসলে বস্তু নয়, সংবেদনপুঞ্জ মাত্র' ইত্যাদি তত্বের ভাবাবেগক আহত প্রতিহত করেছিল।
Malay Tewari ডি ব্রয়লি 'ওয়েব পার্টিকল ডুয়ালিটি' বুঝতে পেরে লিখে ফেলার পরও কেউ কেউ ভাবল বস্তুই যখন তরঙ্গ হয়ে উবে যাচ্ছে তাহলে বস্তুবাদ আর থাকে কোথায়। এই ডুয়ালিটি আর আনসার্টেইনিটি থিওরি দিয়ে নব্বই দশকের শেষ দিকে যাদবপুরের এসি ক্যান্টিনে বসে আমাদের কয়েকজনকে 'গ্র্যান্ড ডিসকোর্স'-এর অসারতা প্রতিপন্ন করতে দীর্ঘ প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন বর্তমানে স্বনামধন্য তত্ববিদ এক সিনিয়র বন্ধু। কিন্তু, স্বর্ণেন্দু যেমন বলল, আমরা তো তার আগেই আনসার্টেনটি রিলেশনের সমীকরণ খাটিয়ে সার্টেইন উত্তর আঁক কষে বার করছিলাম ইলেক্ট্রনের কক্ষপথ বা পরমাণুর রেডিয়াসের মাপজোকের, আর ওই ডুয়ালিটির যুক্তি তো ছিল আরোই উপভোগ্য কারণ পদার্থবিদ্যার যে কোন ইস্টুডেন্টই এটা ভাবতে মজা পাবে যে কেউ কেউ 'শক্তপোক্ত' গঠনযুক্ত 'কণা'কে ভাবে বাস্তব বস্তু আর 'তরঙ্গ' হলো অবস্তু, মায়া। কিন্তু আনসার্টেইনটি প্রিন্সিপল তাহলে মাপজোকের ক্ষেত্রে একটা ফতোয়া জারি করেছিল যা কোয়ান্টাম জগত আর ক্লাসিকাল জগতের ফিজিক্সের মৌলিক ফারাক দেখিয়েছিল। আমরা তখন ভেবেছি যে এই মৌলিক ফারাকটা হলো এই যে কোয়ান্টাম ওয়ার্ল্ডে যাকে তুমি দেখছ তাকে তুমি সেই মুহুর্তে বদলেও দিচ্ছ, প্রভাবিত না করে পর্যবেক্ষণ সম্ভব নয়। তখন আমরা মনে মনে নিজেদের সন্তুষ্ট করতে ব্যাখ্যা দিয়েছিলাম যে হবেই তো, এত হাল্কাফুল্কা অণু পরমাণুকে আলোর ধাক্কা দিলে তা তো একটু না একটু টাল খাবেই বা আলো হজম করে নিজের শক্তি-কলেবরই বাড়িয়ে ফেলবে, এ তো বোঝাই যাচ্ছে। এমনকি দৃশ্য শ্রাব্য গোদা বাস্তবতার জগতেও এই প্রিন্সিপলকে এক্সটেন্ড করে আমাদের পরিদা লিখে ফেলেছিল প্রেমxপ্রেমিকা=এইচ কাট।
Malay Tewari কিন্তু এরপর এসে হাজির হলো ইপিআর প্যারাডক্স। দুইটি কণা যদি নিজেদের মধ্যে আবদ্ধ হয়ে পড়ে অর্থাৎ কেতাবি ভাষায় 'এনট্যাঙ্গলড' হয়ে যায় তখন তারা একটি একক ওয়েভ ফাংশন দ্বারাই বর্ণিত হতে পারে এবং আবার বিচ্ছেদ হলেও ওই ওয়েভ ফাংশান যৌথ ভাবে শেয়ার করতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত না অন্য কোনও সংঘাতের মধ্যে দিয়ে সেই ওয়েভ ফাংশন কোলাপ্স করছে। আইনস্টাইনরা তিন মক্কেল জটিল কুটিল চিন্তা চালিয়ে খুব সিম্পল একটা প্রশ্ন তুললেন যে ধরো এরম কোন জোড়বদ্ধ কণা যারা স্পিন শূণ্য ওয়েভ ফাংশানে ছিল তারা বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর তুমি একটিকে পাকড়াও অর্থাৎ অবসার্ভ করলে আর সে আপ-স্পিন কণা হিসেবে নিজেকে প্রকাশ করল। তাহলে সেই একই মুহুর্তে তার এযাবৎ পার্টনার থাকা দ্বিতীয় কণাটির চরিত্র, কোয়ান্টাম মেকানিক্সেরই স্পিন নাম্বার সংরক্ষণ সূত্র মোতাবেক, তৎক্ষণাৎ নার্ধারিত হয়ে যাবে। নির্দ্বিধায় বলে দেওয়া যাবে সঙ্গীটি ডাউন-স্পিন।
Malay Tewari আইনস্টাইন বললেন এইটা মানা যায়না। তিনি কি তাঁর স্পেশ্যাল রিলেটিভিটির তত্ত্বে বলে দেননি যে আলোর গতি অতিক্রম করে কোনো খবরই অন্যত্র পৌঁছতে পারেনা! তাহলে এক্ষেত্রে কোনরকম আলোক ছাড়াই সঙ্গী কণাটির স্পিনসংক্রান্ত আলোকপ্রাপ্তি ঘটছে কিভাবে? আইনস্টাইন বলতে চাইছিলেন যে কোয়ান্টাম মেকানিক্সে হিসেবনিকেশেই কোথাও একটা অসম্পূর্ণতা রয়েছে, হয়তো কোন লুকনো ভেরিয়বল আছে।
তবে আমাদের এই অবজার্ভেশনের রিয়ালিটি বা পর্যবেক্ষণের (অ!)বাস্তব স্বরূপ নিয়ে বর্তমান আলোচনায় ইপিআর প্যারাডক্স অন্য কথা বলছে। আমাদের বসিয়ে দিচ্ছে হাইজেনবার্গের বিপরীত সিদ্ধান্তে। নিশ্চয় লক্ষ্য করেছেন যে সঙ্গী কণাটিকে পর্যবেক্ষণ করে ফেলা গেল তাকে কোনরকম ডিস্টার্ব না করেই। ব্যাপারটা ডিস্টার্বিং নয়?
কিন্তু আনসার্টেইনটি প্রিন্সিপল থেকে যেমন সার্টেইন রিজাল্ট ছকে বের করতে আনতে পারি আমরা তেমনি ইপিআর প্যারাডক্সের এই 'ট্রিকস' কাজে লাগিয়ে কোয়ান্টাম এনক্রিপশনের কাজ হচ্ছে বলে শুনেছি। সৌভিকের শেয়ার করা এই রিপোর্টে কোটেশনের মধ্যে যে প্যারাটি আছে সেটুকুই সম্ভবত বিজ্ঞানের কথা, বাকিটা রিপোর্টারের দার্শনিকতা বা চটকদারি। একক হিলিয়াম পরমাণুকে লেজার বীমের কাটাকুটির মধ্যে ঝুলিয়ে দেওয়ার এই এক্সপেরিমেন্টের পাশাপাশি ফাইনম্যানের ডাবল স্লিট এক্সপেরিমেন্ট পড়লে অধিকতর অন্তর্দৃষ্টি ও আনন্দ লাভ করতে পারা যাবে বলে মনে হয়।


Name:  রাজীবুল ইসলামের লেখা          

IP Address : 59.203.248.55 (*)          Date:13 Oct 2017 -- 08:54 PM

লিংক - ১
https://bigyan.org.in/2015/11/23/quantum1/
লিংক - ২
https://bigyan.org.in/2017/02/22/quantum-diary-2/


Name:  স্বর্ণেন্দু শীল এর লেখা          

IP Address : 59.203.248.55 (*)          Date:13 Oct 2017 -- 09:02 PM

মলয়দা ইতিহাসের অংশটা অনেকটাই লিখে দিয়েছে... আমি শেষটা আর একটু যোগ করি... মূল পোস্টের এক্সপেরিমেন্টটাকে আর একটু কনটেক্সট-এ বসাতে।

এই ইলেকট্রন ডাবল স্লিট এক্সপেরিমেন্ট এ এই যে দেখলাম ( রাজিবুলের লেখা ও ফাইনম্যানের লেকচারের ভিডিও, দুটোতেই আছে ) যে এমনিতে ডাবল স্লিট এক্সপেরিমেন্টে ইন্টারফেয়ারেন্স প্যাটার্ন দেখা যাচ্ছে, সেইটা স্লিট এ ডিটেক্টর বসালেই ভ্যানিশ হয়ে যাচ্ছে, মানে কোন ইলেকট্রন কোন স্লিট দিয়ে গেল দেখতে গেলেই আর ইন্টারফেয়ারেন্স প্যাটার্ন হাওয়া হয়ে যাচ্ছে, তখন থেকেই একটা স্বাভাবিক প্রশ্ন উঠে এসেছিল-- যে আচ্ছা যদি কোনভাবে এইটা পাশাপাশি না রেখে সিক্যুয়েন্সিয়ালি করা যায়। আর একটু বুঝিয়ে বলি, ডাবল স্লিট এক্সপেরিমেন্ট বলছে ইলেকট্রন কণার মত (ইন্টারফেয়ারেন্স প্যাটার্ন নেই) বা তরঙ্গ-র মত (ইন্টারফেয়ারেন্স প্যাটার্ন আছে) , যেকোনটাই করতে পারে। ডিটেক্টর থাকলে কণার মত, না থাকলে তরঙ্গের মত। বেশ সে তো নাহয় হল। কিন্তু কখন 'ডিসাইড' করল কোনটা হবে? গর্তগুলো দিয়ে যাওয়ার সময় নাকি একদম শেষে যখন পর্দায় পড়ার সময় ( খেয়াল করে দেখুন ইন্টারফেয়ারেন্স প্যাটার্ন আছে না নেই এইটা কিন্তু শুধু পর্দাতেই ডিটেকটেড হচ্ছে, গর্তের ডিকেক্টর বসালেও সেটায় যেহেতু একটা গর্তেরই ইলেকট্রন যাচ্ছে তাই তাতে ইন্টারফেয়ারেন্স প্যাটার্নের প্রশ্নই নেই)?

এইটা এই ডাবল-স্লিট এক্সপেরিমেন্ট দুটোয় বোঝা যাবে না, কারণ এখানে গর্তে ডিকেক্টর আছে কি নেই সেই অনুযায়ী গর্তগুলো দিয়ে যাওয়ার সময়ই 'ডিসাইড' করে নিয়েছে, তারপর গর্তগুলো থেকে পিছনের পর্দা অবধি যা ডিসাইড করেছে সেই হয়েই থেকেছে এটাও সম্ভব, আবার কণা বা তরঙ্গ কোন একটা না হয়েই পর্দা অবধি যেমন যাওয়ার গেছে, তারপর পর্দায় পড়ার আগে পথে কোন ডিকেক্টরে ধরা পড়ে এসেছে কি না ( বিদেশে হাইওয়েতে গাড়ীর ওভারস্পিডিং এর জন্যে ডিটেক্টরের ফ্ল্যাশ করা ভাবতে পারেন উপমা হিসেবে, অবশ্যই উপমাটা ঠিক নয়) 'মনে করে' সেই অনুযায়ী ডিসাইড করেছে পর্দায় কি হবে, সেটাও সম্ভব। কারণ গর্ত থেকে পর্দা অবধি ইলেকট্রনরা হয় কণা নয় তরঙ্গ যেকোন একটা, নাকি কোন একটাই তখনো নয়, এইটা জানার উপায় নেই।

তাই এইটা জানতে অন্য এক্সপেরিমেন্ট করতে হবে। সেইটার নাম হুইলারের ডিলেইড চয়েস এক্সপেরিমেন্ট। কিভাবে বুঝতে আগে ছবিটা দেখে নিন ।
এইবারে বলি এইটায় কি করা হচ্ছে আর তা দিয়ে কিভাবে ওই কখন 'ডিসাইড' করলটা বোঝা যাবে।
যন্ত্রটায় ইলেকট্রনটা ( হ্যাঁ, একটা একটা করে ইলেকট্রন পাঠানো হবে, একটু বাদেই বোঝা যাবে কেন ) বাঁদিকে নিচে ঢুকছে, পর্দাটা আছে যন্ত্রের উপরটা আর ডানদিকটা জুড়ে। বাঁদিকের নিচে ঢুকেই প্রথমে একটা বীম স্প্লিটার রাখা, মানে একটা আধা-ভেদ্য আয়না জাতীয় আর কি, যাতে আয়নাটায় প্রতিফলিত হওয়া আর আয়নাটা ভেদ করে যাওয়ার সম্ভাবনা শতকরা পঞ্চাশ-পঞ্চাশ। যদি ভেদ করে যায় তাহলে ডানদিকের নিচে একটা অভেদ্য আয়নায় পড়ছে, তাই প্রতিফলিত হয়ে উপরের পর্দায় পড়বে। আর যদি প্রতিফলিত হয় তাহলে বাঁদিকের উপরে আর একটা অভেদ্য আয়নায় প্রতিফলিত হয়ে ডানদিকের পর্দায় পড়বে । ছবির উপরের ছবিটা এইটাই।

নিচেরটা? সেটাও বাকিটা একই, শুধু ডানদিকের উপরের কোণায় ইলেকট্রনটা পর্দায় পড়ার আগে আর একটা বীম স্প্লিটার, মানে আধা ভেদ্য আয়না রাখা হয়েছে। তফাৎ কি হবে? তফাৎ এই যে ওই দ্বিতীয় বীম স্প্লিটারটার জন্য এখন ডানদিকের পর্দা আর উপরের পর্দা দুটোতেই এখন দুদিকের যেকোন দিক দিয়ে আসা ইলেকট্রনই পড়তে পারে (ছবিতে নীল ও লাল রঙে বোঝানো)। কি দেখা যাবে? দুটো পর্দাতেই ইন্টারফেয়ারেন্স প্যাটার্ন দেখা যাবে। এইটা নিজেই বেশ ধাঁধালো। কিন্তু আবার ডাবল স্লিট এক্সপেরিমেন্ট-টা তলিয়ে ভাবলে বুঝবেন যে অতটাও অবাক করা কিছু নয় ঠিক। একটা ইলেকট্রনই তরঙ্গের মত দুটো পথ দিয়েই গিয়ে নিজেই নিজের সাথে ইন্টারফেয়ারেন্স করছে।

তাহলে উপরের ছবির উপরের সেট আপ এ দুটো পর্দাতেই ইন্টারফেয়ারেন্স থাকবে না আর নিচের সেট আপে ইন্টারফেয়ারেন্স থাকবে। বেশ।
এইবারে মূল পোস্টের এক্সপেরিমেন্টটা বোঝা সহজ। এইবারে আমরা দ্বিতীয় বীম স্প্লিটারটাকে রাখব কি রাখব না সেটা র‍্যান্ডমলি ঠিক করব। কখন ঠিক করব? ইলেকট্রন প্রথম বীম স্প্লিটারটা দিয়ে যাওয়ার পরে!

এইবারে কিন্তু ওই কখন ইলেকট্রন কণা না তরঙ্গ হবে 'ডিসাইড করছে' জানার একটা রাস্তা পাওয়া গেল। যদি প্রথম বীম স্প্লিটারেই 'ডিসাইড করে নেয়' যে কণা হবে না তরঙ্গ হবে ( সাধারণ ডাবল স্লিট এক্সপেরিমেন্ট-এ গর্ত দিয়ে যাওয়ার সময় ডিসাইড করে নেওয়ার মত) তাহলে সেকন্ড বীম স্প্লিটারটা রাখার সময়গুলোতেও কিছু সময় ইন্টারফেয়ারেন্স প্যাটার্ন থাকবে না। কেন এইটা বললাম? কারণ প্রথম বীম স্প্লিটারে কণা হব ডিসাইড করে ফেললে ইলেকট্রনটা হয় এদিকেরটা বা এদিকেরটা, যেকোন একটা দিয়েই গেছে, তাই সেকন্ড বীম স্প্লিটারে একদিক দিয়েই এসে পড়েছে , অন্যদিক থেকে কিসস্যু আসেনি, তাই ইন্টারফেয়ারেন্স থাকবে না। আবার প্রথম বীম স্প্লিটারে তরঙ্গ হব ডিসাইড করে ফেললে তখন সে দুদিক দিয়েই গেছে, তাই ইন্টারফেয়ারেন্স থাকবে। তাই যদি এমনটা দেখি যে ওই সেকন্ড বীম স্প্লিটারগুল রাখআর সময়গুলোয় কখনো ইন্টারফেয়ারেন্স পাচ্ছি কখনো পাচ্ছি না, তাহলে ইলেকট্রনটা প্রথম বীম স্প্লিটারেই ডিসাইড করেছে কি হবে।

আর যদি দেখি যে সেকন্ড বীম স্প্লিটারটা রাখআর সময়গুলো সবসময়েই ইন্টারফেয়ারেন্স পাচ্ছি, তাহলে ইলেকট্রন প্রথম বীম স্প্লিটার দিয়ে যাওয়ার সময় কিসস্যু ডিসাইড করেনি, কুলকাল ছিল, আগে পর্দা আসুক, তখন ভাবব টাইপ। পর্দায় এসে পড়ার আগে ভাবতে বসেছে এই রে পর্দা আসছে, পুরো ক্যাচ-কট-কট হয়ে যাব, মাঝে রাস্তায় কি কি পড়েছিল মনে করে নি, সেই অনুযায়ী কি যেন হতে হবে আমার, সেইটা হিসেব করে নিয়ে হয়ে যায় কোয়ান্টাম মেকানিক্স অনুযায়ী যেটা হওয়ার।
পোস্টের এক্সপেরিমেন্টটা বলছে সেকন্ডেরতাই সত্যি। ২০০৭ এ ফোটন নিয়ে করা হয়েছিল এই একই এক্সপেরিমেন্ট, এখন ভারী কণা নিয়ে, না ইলেকট্রন না, হিলিয়াম অ্যাটম। কেন এতদিন পরে? কারণ ওই একটা করে পাঠানোটা আদৌ সহজ ব্যাপার না। বস্তুত হুইলার থট এক্সপেরিমেন্ট হিসেবেই ভেবেছিলেন এইটা। সত্যিই যে একটা করে পাঠিয়ে করা সম্ভব হবে ভাবেন নি। ২০০৭ এরা টাই তখনই বিরাট ব্যাপার ছিল, এখন ভারী কণা দিয়ে করতে পারা আরও ভাল।
আমরা জানি যে একটা কোয়ান্টাম কণা (ধরা যাক ইলেকট্রন) কিছু এক্সপেরিমেন্টাল সেট আপে তরঙ্গের মত আর অন্যও কিছু এক্সপেরিমেন্টাল সেট আপ এ কণার মত ব্যবহার করে, কিছু কখনোই একটাই এক্সপেরিমেন্ট এ একসাথে দুটো নয়। কোয়ান্টাম ফিজিক্স বলছে কণার 'আসল' ('রিয়েল'?) দশা (state) আসলে কণা, তরঙ্গ কোন একটা নয়, দুটোর একটা মিশ্র দশা (superposition of pure states বা mixed state)। আমরা যখন কণাটার সম্বন্ধে কিছু মাপছি বা অবসার্ভ করছি কোন এক্সপেরিমেন্টাল সেট আপ দিয়ে, তখন সেই সেট আপ একটা বা অন্যটা, মানে হয় কণা নয় তরঙ্গ হিসেবে ধরা পড়ছে। কেন এর ব্যাখ্যাটা ওই দার্শনিক আলোচনাটার জন্যেও গুরুত্বপূর্ণ, তাই লিখেই দি। কারণ একটা কিছুকে অবসার্ভ করা একটা এক্সপেরিমেন্টাল সেট আপ দিয়ে, তার মানে হচ্ছে আসলে প্রজেকশন নেওয়া। মানে উদাহরণ ( আবারো flawed) দিয়ে বললে ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রয়িং এ যেমন একটা বল্টুর ফ্রন্ট ভিউ, টপ ভিউ, সাইড ভিউ আঁকি, তেমন। বল্টুটা আসলে ওই তিনটে ভিউ-এর কোন একটা নয়, তিনটে মিলিয়ে মিশিয়ে একটা জিনিস, কিন্তু আমরা যদি শুধুই একদিক থেকেই দেখতে পারতাম তাহলে কোন দিক থেকে দেখছি তার ওপর নির্ভর করে যেকোন একটা ভিউ-এর মতই দেখতে পেতাম বল্টুটাকে।

এইটা যেহেতু হজম করা শক্ত ( ওই 'রিয়েলিটি' ধ্বসে যাচ্ছে বলে মনে হওয়ার জন্যেই) , তাই কোয়ান্টাম-এর প্রথম দিকে কিছু লোকে 'ফিজিক্যাল রিয়েলিটি'-র ধারণা বাঁচাবার জন্যে নানান ফিকির বার করার চেষ্টা করেছিল। যার মধ্যে একটা হচ্ছে, যে ওই মিশ্র দশা-ফশা বাজে কথা, অঙ্ক কষার জন্যে ভাল, কিন্তু ব্যাপারটা 'আসলে' ওইরকম হচ্ছে না। আসলে ইলেকট্রন হয় কণা বা তরঙ্গই, কিন্তু কখন কোনটা হবে সেইটা ' বেছে নেয়', বেছে নেওয়ার সম্ভাবনাটা কোয়ান্টাম মেকানিক্স যা হিসেব করে বার করে সেইটাই, কিন্তু ওইটুকুই। মানে কোয়ান্টাম মেকানিক্স-এর উত্তরটা ঠিক, অঙ্কটা ঠিক, অঙ্ক কষে বার করার ট্রিক হিসেবে এই মিশ্র দশার ভাবনাটাও মন্দ না, কিন্তু 'আসলে' মিশ্র দশা বলে কিছু নেই, সবসময়েই হয় এইটা নয় অন্যটা।

অর্থাৎ এই ব্যাখ্যায় ইলেকট্রন ডাবল-স্লিট এক্সপেরিমেন্ট গর্ত দিয়ে যাওয়ার সময় ডিটেক্টর পেলে কণা হবে বেছে নিচ্ছে, না পেলে তরঙ্গ হবে বলে বেছে নিচ্ছে। আর কোয়ান্টাম মেকানিক্স-এর ভাবনায় যখন মাপছি তখনই একমাত্র এই যেকোন একটায় reduce করে state, তার আগে নয়। তাই এটাকে যদি ইলেকট্রনের চয়েস ই বল এইটাকে তাহলে সেইটা ডিলেইড, মানে একেবারে পর্দায় গিয়ে ডিটেকটেড হওয়া অবধি অপেক্ষা করে তারপরই চয়েস-টা করছে, তার আগে ওই মিশ্র দশা-তেই আছে । এইটা বোঝা যাবে কিভাবে সেই নিয়েই হুইলার ভেবে অনেকগুলো থট এক্সপেরিমেন্ট ডিসাইন করেন। সেগুলোই 'ডিলেইড চয়েস এক্সপেরিমেন্ট'।
এইবারে এই 'রিয়েলিটি' গেল গেল রবটা তাই ওইজন্যে যে আমরা যতক্ষণ না অবসার্ভ করছি, মানে পর্দায় ডিটেকটেড হচ্ছে ততক্ষণ যেকোন কোয়ান্টাম কণা ওই মিশ্র দশায়, যে দশার কোন 'ফিজিক্যাল ফর্ম' নেই, তাই ওই 'আমরা মাপার আগে রিয়েলিটি নেই'- ইত্যাদি সেন্সেশনালাইজেশন। কিন্তু এটাই বরাবর কোয়ান্টাম মেকানিক্স-এর বক্তব্য ছিল, অন্যটা তার কনক্লুুশন এড়ানোর ফিকির মাত্র, যেটা ভুল প্রমাণিত হল। সেইজন্যেই আগে লিখেছিলাম যে এই কনক্লুশনের বয়স ১০০ বছর হতে চলল Tapas দা। পুরোনো থিওরি শুধু নয়, এই কনক্লুশনটা আদৌ আলাদা কোন থিওরিই না, আদি ও অকৃত্রিম ( 'আমাদের কোন শাখা নেই' ) কোয়ান্টাম মেকানিক্স :P :)


Name:  dc          

IP Address : 181.49.173.10 (*)          Date:13 Oct 2017 -- 09:11 PM

বাপরে কি কঠিন ব্যাপার সব!


Name:  sswarnendu          

IP Address : 41.164.232.149 (*)          Date:14 Oct 2017 -- 02:21 PM

এইটা এইখানে দেওয়ার জন্যে সৌভিককে ধন্যবাদ। আমি নিজেই ভাবছিলাম ডিলেইড চয়েস এক্সপেরিমেন্ট নিয়ে গুরুতে ব্লগে একটা লিখব, আলোচনা হওয়ার জন্য। এখানে আলোচনা চললে খুব ভাল হয়।


Name:  dc          

IP Address : 120.227.247.87 (*)          Date:14 Oct 2017 -- 03:01 PM

স্বর্ণেন্দু বাবু তো ভারি সুন্দর করে লিখেইছেন, তাছাড়া এই ভিডিওটাতেও অ্যানিমেশান দিয়ে ডিলেড চয়েস ব্যাপারটা দেখিয়েছেঃ


https://www.youtube.com/watch?v=U7Z_TIw9InA


Name:  de          

IP Address : 192.57.73.222 (*)          Date:14 Oct 2017 -- 09:22 PM

বাঃ, স্বর্ণেণ্দু খুবই ভালো করে বুঝিয়ে লিখেছেন। ফিগারটা লেখার সঙ্গে থাকলে আরো ভালো হোতো। ডিসির অ্যানিমেশনটা থাকায় আরো হেল্প হোলো বুঝতে।

কোয়ান্টামের ফান্ডামেন্টালেই তো এই রিয়ালিটি গেলো গেলো টা আছে। নতুন কি সেটা পেপারটা পড়ে দেখতে হবে।


Name:  sswarnendu          

IP Address : 41.164.232.149 (*)          Date:14 Oct 2017 -- 10:36 PM

de,

এই ছবিটা আমার ওইখানে কমেন্টের সাথে ছিল। ওই কিভাবে বুঝতে আগে ছবিটা দেখে নিন-এর পরেই। এখানেও দিয়ে গেলাম। আর এই এক্সপেরিমেন্টটায় কি করা হল সেইটাই বোঝাতে লিখেছি, ডাবল স্লিট এক্সপেরিমেন্ট তো বহুদিনের জিনিস।

https://en.wikipedia.org/wiki/Wheeler%27s_delayed_choice_experiment#/m
edia/File:Beam_Split_and_fuse.svg



Name:  sswarnendu          

IP Address : 41.164.232.149 (*)          Date:14 Oct 2017 -- 10:37 PM

dc র পোস্টের ভিডিওটা ভীষণ ভাল।



Name:  de          

IP Address : 24.139.119.171 (*)          Date:16 Oct 2017 -- 02:34 PM

ডিসি, আপনার লিং টা আমার ওয়ালে শেয়ারিয়েছি -

স্বর্নেন্দু, ধন্যবাদ!

এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--11