এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3]     এই পাতায় আছে56--86


           বিষয় : একজন হিন্দু যদি তার ধৰ্মকে হালকা ভাবে নিতে পারে, একজন মুসলিম পারবে না কেন ?
          বিভাগ : অন্যান্য
          শুরু করেছেন :Bharotiyo
          IP Address : 165.136.184.6 (*)          Date:07 Jul 2017 -- 03:45 PM




Name:  Bharotiyo          

IP Address : 165.136.184.6 (*)          Date:10 Jul 2017 -- 04:18 PM

যেরকম হিন্দু একটা সিঙ্গেল ধর্ম নয়, তার মধ্যে ব্রাহ্মণ্যবাদ, শাক্ত, বৈষ্ণব, শৈব, গাণপত্য, বেদান্তি এবং আরো বহু মত আছে, সেইরকম ইসলাম এর মধ্যে, আমার ধারণা অনুযায়ী (কম বেশি হলে কারেক্ট করুন), ৩টি প্রধান মত - শিয়া, সুন্নি আর সুফী । আবারো, ওপর ওপর ধারণা থেকে, সুন্নি মত এর সাথে ওয়াহাবি মত মিশে যে লাইন-অফ-থট সেটাই সব থেকে বেশি এক্সট্রিমিস্ট । অ-মুসলিমদের প্রতি শিয়া এবং সুফীদের অসহিষ্ণুতা নাই বলেই আমার বিশ্বাস.।

এইবার, অতীতে ভারতবর্ষেও - ব্রাহ্মন্যবাদ এবং শাক্ত/তন্ত্রের বিরুদ্ধে চার্বাক, বৈষ্ণব মত/ভক্তি-পথঅনুযায়ী (যথা বুদ্ধ, মিরাবাঈ, কবীর, দাদু, চৈতন্য) corrective action নেওয়া হয়েছে - একদম কাজ হয়নি তাও আদৌ নয়। মুসলিম সমাজেও এইরকম কনফ্লিক্টিং মুভমেন্ট হয়নি - সেটা নয়, কিন্তু আজকে আরো একটা দরকার, এবং সব থেকে জরুরি সেটা মুসলিমদেরকেই করতে হবে, হিন্দুরা মুসলিম সমাজের জন্য এই রিফর্মটা করে দিতে পারবে না । যতদিন এই মুভমেন্টটা শুরু না হবে, খুবই দুৰ্ভাগ্যবশতঃ, রাজনীতি এসে তার ক্ষীরটুকু খেয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবেই (যথা ইমাম ভাতা, ওআইসি, জাকির নায়েক) । আরো দুৰ্ভাগ্যজনক, অন্যধর্মের অদ্যপি-অবদমিত মতগুলিও এই পরিস্থিতির সুযোগ নেবে (যথা, উত্তর ভারতীয় ব্রাহ্মণ্যবাদ)।

এটা একটা ideological মুভমেন্ট (লড়াই বলাটা ঠিক নয়) যেটা দুটো সম্প্রদায় - হিন্দু এবং মুসলমান - কে একসাথে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে, মুসলমানদেরকে আগে শুরু করতে হবে, কারণ, অস্বীকার করে লাভ নেই - "ইসলামিক সন্ত্রাসবাদ" আজকের আন্তর্জাতিক রাজনীতির এক অন্যতম প্রিয় শব্দ হয়ে উঠেছে, যাকে ঠিক ভাবে কিন্তু "ওহাবী সুন্নি পরিচালিত সন্ত্রাসবাদ" বলা উচিত - ইসলাম এই শিয়া ও সুফি মতবাদ, ideologically, এই সন্ত্রাসবাদ থেকে দূরত্ব বজায় রাখে।

হিন্দুদের কাজ - এই weak link টার রাজনীতিকরণ রোখা এবং অবদমিত মতবাদের (যথা, উত্তর ভারতীয় ব্রাহ্মণ্যবাদ) সামনে প্রতিস্পর্ধী ধর্মীয় মতবাদ দ্বারা (যথা বেদান্ত, বৈষ্ণব, কবীর) পাঁচিল খাড়া করা । এক্ষেত্রে প্রতিস্পর্ধী ধর্মীয় মতবাদ ছাড়া কোনো উপায় নেই কারণ ধর্মের অনাচার রুখতে গেলে ধর্ম দিয়েই তা করতে হবে, রাজনীতি, সমাজনীতি বা অর্থনীতি দিয়ে নয় ।


Name:  Rabaahuta          

IP Address : 233.186.149.212 (*)          Date:10 Jul 2017 -- 05:04 PM

হুম, খুচরো অবিশ্বাসী দিয়ে হবে না, সংগঠিত ধর্মের কাউন্টার সংগঠন দিয়েই করা প্রয়োজন।

এইবার সে সম্গঠন রাজনৈতিক না ধর্মীয়, সুফী না প্রোটেস্টান্ট, বাউল না ইয়ং বেংগল, মতুয়া না ব্রাহ্ম সমাজ, গোরক্ষাপন্থী হিন্দুত্ববাদেরও ওয়াহাবীদের মত কাউন্টার করা প্রয়োজন কিনা সেগুলো প্রশ্ন। কিন্তু ধর্মবিশ্বাসীর ধর্মীয় মন্দের দায় আছে আর আর সাংগঠনিক কাউন্টার প্রয়োজন, এটা ঠিক বুঝে থাকলে একমত।


Name:  সাইদ          

IP Address : 212.126.124.51 (*)          Date:11 Jul 2017 -- 12:34 PM

সাধারন মানুষের ভেতর থেকে প্রতিরোধ/প্রতীবাদ না হলে সামনে আসলেই দুর্দিন। কথাটি ভারত, বাংলাদেশে দুই দেশের জন্যই প্রযোজ্য। আর একটা কথা রাস্ত্র/সরকার থেকে ধর্মকে আলাদা না করলে আমাদের দেশ শান্তি কোন ভাবেই আসবে না। শেষ কথা বাংলাদেশের জন্ম বাঙালী জাতীয়তার ভিত্তিতে, ধর্ম ভিত্তিতে নয়, বাংলাদেশের সংবিধানে ধর্ম নিরপেক্ষতা সংযোজিত হয়েছে ভারতেরও আগে এবং ভারত বা বাংলাদেশের সংবিধানে ধর্ম নিরপেক্ষতার কথা বলা হলেও উভয় দেশই রাষ্ট্রীয় ভাবে ধর্মীয় রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে। যেটা মূল চিন্তার বিষয়। সমাধান একটাই ঃ সাধারন জনগনের দুর্বার প্রতিরোধ।


Name:  bharotiyo          

IP Address : 165.136.184.6 (*)          Date:11 Jul 2017 -- 06:53 PM

"সাধারন জনগনের দুর্বার প্রতিরোধ" - এই জিনিসটা কি করে হবে ? আশা করি দুর্বারতার মাত্রা আলাপ আলোচনার মধ্যেই স্থির থাকবে ?

"রাস্ত্র/সরকার থেকে ধর্মকে আলাদা না করলে আমাদের দেশ শান্তি কোন ভাবেই আসবে না" - ভারতের ক্ষেত্রে তো লাস্ট ৭০ বছর ধরে ছিল - শান্তি এলো কি ? নাকি অশান্তির ক্ষেত্রতাই আরো বিস্তৃত হয়ে গেলো ?

একটা ব্যাপার বুঝুন - দয়া করে - ভারতীয় উপমহাদেশের (ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, আফগানিস্তান) মানুষের রক্তে ধর্ম (কোন ধর্ম সেটা ম্যাটার করে না); রাজনীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতি বা অন্য কোনো নীতিই নয় । এটা positionটা অস্বীকার করলে এই সমস্যাটি কোনোদিনই ঠিক করা যাবে না । ধর্মের মধ্যে যদি কোনো আপদ উপস্থিত হয়, বা ধর্মের জন্য সমাজে কোনো সংঘাত তৈরী হয়, সেটাকে ধর্ম দিয়েই ঠিক করতে হবে - অন্য কোনো কিছু নিয়ে নয়। ধর্মের কারণে ভারতীয় উপমহাদেশে সামাজিক সংকট এর আগেও এসেছে, তার সমাধান বেরিয়েছে , এবারেও বেরোবে ।

একটা do-able idea বলি - আমার পক্ষে সম্ভব নয় কারণ আমার অত পান্ডিত্য নেই - কারুর যদি থাকে, একটু consider করবেন।
১) শিয়া ও সুফী মতের সাথে ওহাবী সুন্নি মতের একটা comparative study করে গুড-ফর-হিউম্যানিটি জাতীয় একটা ইসলামিক মডেল খাড়া করা ।
২) ওয়াহাবি মতের সাথে সুন্নি মতের একটা comparative study
দুটোরই সরল ভাষায় উপস্থাপন প্রয়োজন, যাতে lowest level of society-র লোকজন কে বোঝানো যায়।

আর হ্যাঁ, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ - এইটা একজন মুসলমানকেই করতে হবে । হিন্দুরা করলে তার mass-acceptance থাকবে না ।

আছেন কেউ এরকম ?


Name:  pi          

IP Address : 57.29.206.26 (*)          Date:11 Jul 2017 -- 07:40 PM

ধর্মীয় মন্দের দায় সব ধর্মবিশ্বাসীকে নিতে হবে কেন? যে ধর্মটাকে এসব মন্দ বাদ দিয়ে বিশ্বাস করে, মন্দটাকে অধর্ম মনে করে ( আর এরকম মনে করা লোক কম না), তারা কেন দায় নিতে যাবে, বারেবারে তাদের উপর দায় কেন চাপানো হবে?


Name:  Rabaahuta          

IP Address : 233.186.92.124 (*)          Date:11 Jul 2017 -- 09:53 PM

কঠিন প্রশ্ন, পরিষ্কার উত্তর আমার কাছে আছে তাও না, কিন্তু প্রতিরোধটা ফেলো ধর্মবিশ্বাসীর কাছ থেকে না এলে কি গ্রাহ্য হবে? নাস্তিক বা অন্যধর্মের লোক তো গুণতিতে আসবে না।
মন্দগুলো যে ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ নয় সেটা ধর্মবিশ্বাসীরাই সেটা প্রতিষ্ঠা করতে পারে;
করেও থাকে ...


Name:  Bharotiyo          

IP Address : 132.161.107.227 (*)          Date:11 Jul 2017 -- 11:00 PM

"ধর্মীয় মন্দের দায় সব ধর্মবিশ্বাসীকে নিতে হবে কেন?" - self -contradictory বক্তব্য হলো না কি ? আমি যদি ধর্ম বিশ্বাসীই হই, তাহলে তো সেই ধর্মের ভালো মন্দ দুটোর জন্যই আমাকে দায়ী হতে হবে বৈকি , আমি শুধু ক্ষীর খাবো আর ক্ষীর রান্নার ঝামেলা অন্যের বললে তো চলে না।

"যে ধর্মটাকে এসব মন্দ বাদ দিয়ে বিশ্বাস করে, মন্দটাকে অধর্ম মনে করে ( আর এরকম মনে করা লোক কম না)" - একশোবার, এরকম প্রচুর লোক আছেন - কিন্তু যতক্ষণ কেউ সেটা মুখ ফুটে না বলছে তার কি বিশ্বাস আর সে কি মনে করে - আমি তা বুঝবো কি করে ?! অন্তর্যামী তো নই। এছাড়া - মৌনং সম্মতি লক্ষণামঃ - এটা ব্যাখ্যা করার দরকার নাই ।

আমি যদি accept করি যে আমার একটা ধর্ম আছে - এবং তার জন্য আমাকে সার্টিফিকেট ঝুলিয়ে ঘুরতে হবে না - আমার নাম বলা মাত্রই আমার ধর্মীয় পরিচয় বলা হয়ে যায় - একই সময়ে সেই ধর্মের মধ্যে হয়ে চলা বাজে ব্যাপার গুলোর বিরুদ্ধে "আমি' যদি "সোচ্চারে", "সর্ব সমক্ষে" মুখ না খুলি - তাহলে আমার কাছে সেই ধর্মের মন্দের দায়ভাগ এড়ানোর কি যুক্তি থাকতে পারে ?


Name:  pi          

IP Address : 57.29.244.238 (*)          Date:12 Jul 2017 -- 06:40 AM

কী মুশকিল। অনেকেই মনে করেন, ধর্মের নাম করে অন্যকে মারা চূড়ান্ত অধর্ম। তাঁদের উপর কেন দায় চাপানো?


Name:  najuk          

IP Address : 113.246.37.215 (*)          Date:12 Jul 2017 -- 06:48 PM

ডিডি সার কথা বলেছেন -
"কখনো কেউ বলে না কোরাণের মত পছন্দ না হলে মানবো না। বল্লেই ঘচাং ফু। আইন মেনেই।
এইরকম রেজিমেন্টেড এবং ক্রমাগত আরো সহি ধর্ম পালন শুধু হতো মাওবাদে। যেটি কলচরল রেভোলিউশনের গণ পাগলামী থেকে শুরু করে পল পটের কিলিংফীল্ড মহা নির্বাণে লাভ করে। ইসলামেও তাই, বোকা হারাম, তালিবান,আল কাইদা, আইসিসি। একের উপর এক। "

তাই বামাতির অভিধানে খাগড়াগড়ে বিপ্লবের সলতে পাকানো হয় :-)


Name:  aranya          

IP Address : 83.197.98.233 (*)          Date:16 Jul 2017 -- 08:26 AM

'অনেকেই মনে করেন, ধর্মের নাম করে অন্যকে মারা চূড়ান্ত অধর্ম' - সেটাই কথা। আজকেই আমার প্রতিবেশী এক বাংলাদেশী মুসলমান পরিবারের সাথে কথা হচ্ছিল। ধর্ম, রাজনীতি, দাঙ্গা, ভারতে ক্রমবর্ধমান হিন্দু মৌলবাদ ইঃ নিয়ে। বাংলাদেশে নাকি এখন হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা আর হয় না। তাতে আমার মন্তব্য ছিল - 'দাঙ্গা' হয়ত হয় না, বহুদিন ধরেই, কারণ যা হয় তা একতরফা অত্যাচার, মাইনরিটির ওপর। সেই প্রসঙ্গে ব্লগার হত্যার কথা আসে, ওদের ধারণা ছিল অভিজিৎ রায় এবং অন্য ব্লগার-রা নবী এবং আল্লাকে নিয়ে অনেক ডেরোগেটরি কথাবার্তা লিখত। মুশকিল হচ্ছে এদের ব্লগ গুলো না পড়েই অনেকে একটা ধারণা করে ফেলে, যার জন্য দায়ী অপপ্রচার, কুৎসা ইঃ । অভিজিৎ-এর লেখা যেহেতু আমি কিছু পড়েছি, মূলত একজন বিজ্ঞানীর দৃষ্টিভঙ্গী থেকে লেখা - ডারউইনের বিবর্তন বাদ বনাম সৃষ্টিতত্ব, সমকামিতা ইঃ প্রসঙ্গে, তসলিমার মত শকথেরাপি দেওয়ার জন্য অযথা আক্রমণ নয়, সে দিকটা বোঝানোর চেষ্টা করলাম।
একটা কথা বলল - ধর্মপালন না করলে বা ধর্মের অনুশাসনের বিপক্ষে গেলে শাস্তি দেবেন আল্লা। কোন মানুষ সেই শাস্তি দিতে পারে না। অন্যের প্রাণ নেওয়ার অধিকার ইসলাম কোন মানুষকে দেয় নি।
ঠিক পাই যেটা লিখেছ


Name:  aranya          

IP Address : 83.197.98.233 (*)          Date:16 Jul 2017 -- 09:09 AM

রিগ্রেসিভ ব্যাপারগুলো যা কোন ধর্মের নামে চলে, বা সত্যিই হয়ত ধর্মগ্রন্থে আছে, কিন্তু আজকের দিনে ঠিক বলে মনে হয় না, সেগুলোর বিরুদ্ধে সেই ধর্মাবলম্বী-দের ভিতর থেকেই প্রতিবাদ আসলে, বিশেষতঃ ধর্ম নিয়ে পড়াশুনো যারা করেছেন, স্কলার, তারা প্রতিবাদ করলে ইমপ্যাক্ট সবচেয়ে বেশী (এবং তেমন প্রতিবাদ হচ্ছেও)। রামমোহন, বিদ্যাসাগর ইঃ-র কথা এল আলোচনাসূত্রে। আর ভারতীয় উপমহাদেশে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের পাশাপাশি বাস করার যে দীর্ঘকালীন ঐতিহ্য, পারস্পরিক মেলামেশা - সেইসব কথা।
হুমায়ুন আহমেদ-এর একটা ছোট গল্প ছিল। মুক্তিযুদ্ধের সময় গ্রামে পাক সেনার ক্যাম্প। সেনা অফিসার এক বাঙালী মুসলিম পথপ্রদর্শক নিয়ে অন্ঞ্চল-টা ঘুরে দেখছেন। পথের পাশে এক কালীমন্দির। কালীমূর্তি-র দিকে আঙুল তুলে বললেন - হিন্দুদের এই মূর্তি, মাকড়সার মত এতগুলো হাত - দেখে তোমাদের ঘেন্না হয় না? বাঙালী ছেলেটি বলল - আমরা তো ছোটবেলা থেকেই এই মূর্তি দেখছি, পুজো দেখছি, আমাদের খারাপ লাগে না


Name:  aranya          

IP Address : 83.197.98.233 (*)          Date:19 Jul 2017 -- 08:59 AM

ধর্মের তরলীকরণ যে কি প্রচন্ড দরকার - ফেসবুকে স্ত্রী আর দু বছরের মেয়ের ছবি দিয়ে হুমকি পাচ্ছেন ইরফান পাঠান আর মহম্মদ সামি, আজকের কাগজে পড়লাম। কদিন আগে দেখলাম - 'বাবাই আমার কাছে আল্লা' বলাতে মীর-কে হুমকি পেতে হয়েছে



Name:  Bharotiyo          

IP Address : 165.136.184.30 (*)          Date:19 Jul 2017 -- 05:30 PM

নাসিরুদ্দিন শাহ খুব ভালো ভাবে বলেছেন , এবন্দ solutioning পয়েন্ট অফ ভিউ থেকে বলেছেন -
http://www.hindustantimes.com/india-news/i-cannot-recall-a-time-when-m
uslims-were-suspected-en-masse-of-being-unpatriotic-naseeruddin-shah/s
tory-L4xVpcVEluGV3fRmoEsSvN.html


কিন্তু মুশকিল হলো প্রথমেই উনি একসেপ্ট করে নিয়েছেন যে উনি একজন non -practicing মুসলমান। এতে ওনার বক্তব্যটাকে ইগনোর করে দেওয়া - মুসলিম ধর্মগুরুদের পক্ষে খুব ই সহজ ।

"ধর্মের তরলীকরণ যে কি প্রচন্ড দরকার" - সব ধর্মের নোই, শুধু ইসলাম ধর্মের - হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ, খৃষ্টানিটি, সাঁওতাল - এসব ধর্মের লোক ও প্রচুর আছেন, কিন্তু তাদের থেকে সমাজের কোনো ক্ষতি হচ্ছে না ।


Name:  Rabaahuta          

IP Address : 233.186.131.88 (*)          Date:19 Jul 2017 -- 06:19 PM

যাক্কলা, বাবু বজরঙ্গী দারা সিঙ্গ মায়া কোদনানী, কত ক্ষতি চাই?

আদালত দোষী সাব্যস্ত করেনি এমন লোকদের ধরলামই না।


Name:  S          

IP Address : 57.15.13.89 (*)          Date:19 Jul 2017 -- 07:32 PM

"কিন্তু মুসলমান অশিক্ষিত সমাজগুরুদের চোখ রাঙানি ভেঙে কোনো শিক্ষিত মুসলমানদের প্রকাশ্যে শুয়রের মাংস খেতে দেখেছেন ?"

হ্যাঁ। আপনি কি খুব বেশি শিক্ষিত মুসলমানদের চেনেন?

"কোনো মুস্লিম দেশে অন্য ধর্মের লোকেদের কোন ধর্মপালনের স্বাধীনতা থাকে?"

তুরস্কে নেই? মালয়েশিয়াতে? ইন্দোনেশিয়া? এছাড়াও সেন্ট্রাল এশিয়াতে একগাদা মুস্লিম দেশ আছে। আপনি বোধয় সেগুলোর খুবেকটা খোঁজ রাখেননা। এমনকি কুখ্যাত মধ্যপ্রাচ্যেরও কিছু দেশে দুর্গা পুজা হয়। পাকিস্তানের কোনো হিন্দু মন্দিরে আক্রমণ হয়েছে বলে তো মনে পড়েনা। আম্রিগায় কিন্তু মুসলমান মারার নামে ভুল করে শিখদের মারা হয়েছে। কয়েকদিন আগেও তো ক্যানাডায় এরকম একটি ঘটনা ঘটলো।


Name:  PM          

IP Address : 122.110.1.71 (*)          Date:20 Jul 2017 -- 03:02 PM

দুবাইএর দুর্গা আর কালী পুজায় আমি নিজে পার্টিসিপেট করেছি।

কিন্তু পাকিস্তানের গল্প টা অন্য। শহরের বহু হিন্দু মন্দির শান্তিপুর্ন ভাবে মল ইত্যাদিতে কনভার্ট করা হয়েছে। ডন এ এ নিয়ে লম্বা লেখা বেড়িয়েছিলো---লিন্ক পেলে পরে দেবো


Name:  PM          

IP Address : 122.110.1.71 (*)          Date:20 Jul 2017 -- 03:11 PM

S এর জন্য একটা রিসেন্ট ঘটনা--

http://www.thehindu.com/news/international/hindu-temple-vandalised-in-
pakistan/article18300913.ece


কিন্তু তার সাথে এটাও--

This Ancient Temple In Pakistan Survives Because Baloch Tribesmen Are Protecting It

http://topyaps.com/hinglaj-temple-in-balochistan


Name:  PM          

IP Address : 122.110.1.71 (*)          Date:20 Jul 2017 -- 03:41 PM

সরি ডন নয়-- এক্স্প্রেস ট্রিবিউনের খবর ছিলো ওটা-

95% of worship places put to commercial use: Survey

https://tribune.com.pk/story/686952/95-of-worship-places-put-to-commer
cial-use-survey/


অবশিষ্ট ২% হিন্দু আর 1.6 % খ্রীস্টান পপুলেসন এর জন্য অতো মন্দির/চার্চ রাখা ভায়াবল কিনা সেটাও একটা প্রশ্ন


Name:   সিকি           

IP Address : 132.177.99.24 (*)          Date:20 Jul 2017 -- 05:15 PM

মন্দির চার্চ তো পরের কথা, মহম্মদ কন্যা আয়েষার স্মৃতিবিজড়িত মসজিদ ভেঙে পার্কিং লট আর মল বানিয়েছে সৌদি আরব।

তারেক ফাতাহ পড়ে জেনেছি।


Name:   সিকি           

IP Address : 132.177.99.24 (*)          Date:20 Jul 2017 -- 05:15 PM

ইয়ে, উনি বোধ হয় মহম্মদের কনিষ্ঠতম বৌ ছিলেন, মেয়ে নয়।


Name:  sm          

IP Address : 52.110.130.145 (*)          Date:20 Jul 2017 -- 05:31 PM

বা : বেশ লিবেরাল দেশ তো! অনেকটা ভুত পূর্ব সোভিএট্ রাশিয়া র মতো। ওখানে যেমন চার্চ ও অন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গুলোকে লাইব্রেরি ,অফিস এসব বানানো হয়েছিল শুনিছি ।
ব্রেশ ,ব্রেশ।


Name:  PP          

IP Address : 159.142.103.12 (*)          Date:21 Jul 2017 -- 03:02 AM

মহম্মদ নিজেই ছিলেন কিনা সেটাই প্রমানিত নয়।


Name:  Du          

IP Address : 57.184.8.117 (*)          Date:21 Jul 2017 -- 05:01 AM

একজন হিন্দু তার ধর্মকে লাইটলি নিতে পারে - এই অংশটা কদ্দিন ঠিক থাকে সেইটাই দেখার। খোমেইনির আগে ইরানে বা এককালে বাংলাদেশে বা অনেকাংশে আজও ভারতে মুসলমানরাও তাদের ধর্মকে লাইটলি~ই নিতে পারতো/ পারে।


Name:  dd          

IP Address : 116.51.30.41 (*)          Date:21 Jul 2017 -- 08:24 AM

এটা দু এক্কেবারে ঠিক কইলো।

যে রেটে এইসব বাঁদরামী চলছে তাতে আমাদের দেশ অচিরেই একটা পাকিস্তান গোছের হয়ে যাবে। এরকম মারকুটে ইন্টলেরেন্স আমি আগে কখোনো দেখি নি। নেভার।


Name:  aranya          

IP Address : 83.197.98.233 (*)          Date:21 Jul 2017 -- 08:55 AM

অথচ হিন্দু ধর্ম সেভাবে কোন ধর্ম-ই নয়, বিভিন্ন মত/দর্শন-এর সমাহার। লাইটলি নেওয়ার পক্ষে আইডিয়াল


Name:  সিকি          

IP Address : 158.168.96.23 (*)          Date:21 Jul 2017 -- 10:13 AM

একজন হিন্দু তার ধর্মকে লাইটলি নিতে পারে - তার প্রমাণঃ

নয়ডা গাজিয়াবাদে কাঁওয়ারদের যাত্রাপথে সমস্ত মাছমাংস এমনকি ডিমের দোকানও বন্ধ রাখতে বলেছে সিটি পুলিশ, যাতে তাদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত না লাগে।

ভাবাবেগে থুতু ফেলতে ইচ্ছে হয়।


Name:  S          

IP Address : 57.15.3.251 (*)          Date:21 Jul 2017 -- 10:35 AM

আজকে দাঁড়িয়ে পোশ্নোটা হওয়া উচিত "একজন মুসলমান যদি ধর্মকে হাল্কা ভাবে না নেয়, একজন হিন্দু নেবে কেন?"


Name:  sp          

IP Address : 121.125.206.214 (*)          Date:21 Jul 2017 -- 12:56 PM

হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান,পার্সী ইত্যাদি নির্বিষেশে ধর্ম ব্যপারটাই নিষ্প্রয়োজন হয়ে পরেছে আজকাল। তুলে দিলেই আপদ বিদায় হয় - "না রহেগা বাঁশ না বাজেগি বাঁসুরী" । ভবিষ্যতে যে এটা হতে চলেছে এব্যাপারে আমি আশবাদী।


Name:  sm          

IP Address : 52.110.167.174 (*)          Date:21 Jul 2017 -- 01:56 PM

তাহলে ভবিষ্যতে সব্বাই অধার্মিক হয়ে যাবে?বড়ো আশংকার কথা দেখছি!


Name:   Zarifah Zahan           

IP Address : 57.15.2.156 (*)          Date:25 Jul 2017 -- 10:27 AM

আমার জ্ঞানের পাত্রে খড়কুটোর মতো পড়ে থাকা কয়েকটা টুকরোর উপর ভর করে যা জানি, শিয়া-সুন্নির ভাগাভাগিটা শুরু হয়েছিল মোহাম্মদ পরবর্তী আরবে খলিফাতন্ত্রের মালিকানা নিয়ে। আবু বকরকে মেনে নেওয়া অধিকাংশ লোকেরা নিজেদের সুন্নি ( পুরো কথাটা 'আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত' অর্থাৎ মোহাম্মদ এর সম্প্রদায়ের লোক) পরিচয় দিয়ে থাকেন। এই যে 'সম্প্রদায়ের লোক' - এখানেই একটা অল্পবিস্তর নাক-উঁচু ব্যাপার চলে আসে যে শিয়াদের তুলনায় আমরাই 'প্রকৃত উপাসক'। পদ্ধতিগত ভাবে নামাজ-হাদিস-আজান সব ক্ষেত্রেই শিয়া ও সুন্নির বিরোধ লক্ষণীয়। শিয়া কথাটার পুরো অর্থ 'শিয়াত-ই-আলী' অর্থাৎ আলীর উপাসক যাঁরা। অপত্য স্নেহে লালিত কাকার(আব্বাস আবু তালেব) ছেলে আলীর সাথে কন্যা ফাতিমার বিবাহ হওয়ায় আলীকে অনেকে মোহাম্মদ পুত্র হিসেবে যোগ্য উত্তরসূরি রূপে গ্রহণে মত দেন। আবু বকর, ওমর, ওসমান পর্যন্ত খলিফা নির্বাচনে আলীপন্থীরা সবসময় বিরোধিতা করে এসেছেন। হজরত আলী চতুর্থ খলিফা নির্বাচিত হলে সিরিয়ার( জায়গাটা লক্ষণীয়, এই কারণেই ক্ষমতার দখল নিয়ে আজও শিয়া-সুন্নি বিরোধ এখানে এতটা প্রকট)রাজা মাবিয়া, আলীর বিরোধিতা করায় গৃহযুদ্ধের সূত্রপাত। সিফফিনের যুদ্ধে আলীর বিপর্যয় ও নামাজকালীন পরিকল্পনামাফিক তাঁকে হত্যা শিয়া আন্দোলনকে জোরদার করে ও ৬৮০ সাল নাগাদ কারবালার প্রান্তরে ইমাম হোসেনের মৃত্যুতে রাজনৈতিক ভাবে শিয়া গোষ্ঠীর উদ্ভব হয়। পরবর্তীকালে শিয়া ও সুন্নি দু'ক্ষেত্রেই আরো খুচরো মতবাদের প্রবর্তন হয় নিয়মপালনের নীতির উপর ভর করে।
অতএব, শিয়া-সুন্নি বিরোধিতা চিরকালের 'কমন ফ্যাক্ট' আর তা মূলত ক্ষমতা দখলের লড়াই নিয়েই উদ্ভাবিত।
জনসংখ্যার বিচারে ইরাক ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে শিয়া আধিক্য হলেও শাসকদের অধিকাংশই হলেন সুন্নি( ব্রিটিশ নিয়োজিত রাজাই হোক বা সাদ্দাম হুসেন)। সাদ্দাম হত্যার পর গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে বিবেচিত প্রধানমন্ত্রী নৌরি -আল-মালিকি হলেন প্রথম শিয়া অধিপতি এবং তিনি সুনিশ্চিত করেন শাসনস্তরের সবক্ষেত্রেই শিয়া আধিপত্য কায়েম রাখতে। ক্রমাগত সুন্নিদের অবহেলা ২০০৩ পরবর্তী ইরাকে সুন্নি অসন্তোষের অন্যতম প্রধান কারণ ভাবা হয়। সিরিয়ার প্রসঙ্গে বলি, চল্লিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে শাসনকর্তা আসাদগোষ্ঠী ছিল mysticism মতের মালিক। অর্থাৎ ইসলামের আরো কোণঠেঁসা উদারগোষ্ঠী সুফিবাদের চর্চা করতেন তাঁরা। বলাই বাহুল্য, শিয়াগোষ্ঠীর পৌত্তলিকতায় কিছুটা বিশ্বাস এবং অন্যান্য আচার-বিচার নিয়ে নাক সিঁটকানো সুন্নিদের চোখে সেই সুফিবাদ আরোই হেয় ও সাধকেরা প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিচারে সর্বপ্রথম। অতএব প্রতিহিংসার আগুনে ঘি ঢালার ভূমিকা নিয়ে নেন এঁরা এবং বিদেশী প্ররোচনায় জোরকদমে শুরু হয় বদলা নেওয়ার খেলা।



Name:  Bharotiyo          

IP Address : 165.136.184.30 (*)          Date:25 Jul 2017 -- 12:28 PM

সবই ভাবের ঘরে চুরি - তাই এত অশান্তি

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3]     এই পাতায় আছে56--86