এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4]     এই পাতায় আছে70--100


           বিষয় : পায়ের তলায় সর্ষে - Mt DKD ব্সেক্যাম্প
          বিভাগ : অন্যান্য
          শুরু করেছেন :Blank
          IP Address : 213.132.214.83 (*)          Date:03 Jan 2017 -- 01:27 PM




Name:  Blank          

IP Address : 213.132.214.88 (*)          Date:09 Jan 2017 -- 07:10 PM


http://i67.tinypic.com/imqa69.jpg


http://i68.tinypic.com/idhggj.jpg



http://i66.tinypic.com/zwxs2.jpg




Name:  de          

IP Address : 24.139.119.172 (*)          Date:10 Jan 2017 -- 10:37 AM

মিল্কি ওয়েটা স্বপ্নের মতো হয়েচে -
খাদ শুদ্ধু ঝুলার একটা ছবি দিও -

আর একটু ঘনঘন লেখো -


Name:  b          

IP Address : 135.20.82.164 (*)          Date:10 Jan 2017 -- 03:55 PM

দে কে ক্ক্ক্ক।

আচ্ছা, আমি মিল্কি ওয়েটা ডেস্কটপ ব্যাকগ্রাউন্ড করতে গিয়ে দেখি ওটা পুরো স্ক্রিন কভার করছে না। হ্যায় কৈ কারীকুরি?


Name:  Blank          

IP Address : 213.132.214.84 (*)          Date:10 Jan 2017 -- 08:12 PM

প্রায় ঘন্টা চারেক খান কয়েক পাহাড়, জঙ্গল ডিঙিয়ে যাওয়ার পর এবং বেশ কিছু চড়াই ওঠার পরেও যখন সেই দিনের শেষ ক্রিটিকাল চড়াই এলো না, তখন লজ্জার মাথা খেয়ে নভীন কে জিজ্ঞাসা করেই ফেললাম যে আর কতো বাকি সেই চড়াই পৌছতে। ছানাও বলছে যে এবারে ক্ষিদে পাচ্ছে। আমার ইচ্ছে ঐ শেষ চড়াইতে ওঠার আগে লাঞ্চ সেরে নেবো। তাতে কিছুক্ষন রেস্ট নেওয়াও হবে। নভীন বললো আর ২ কিলোমিটার মতন গেলেই পরবে 'নালা'। নালা থেকে আমাদের ওঠা শুরু হবে।
এবারে পাহাড়ে কাউকে, কত দুর জিজ্ঞাসা করলে যা হয় আর কি !! এই ধরনের প্রশ্নের উত্তরে সব সময় আসে একটা র‌্যান্ডম নাম্বার - যার সাথে কিলোমিটার নামের মেট্রিকের কোনো সম্পর্ক নেই। তাই ঘন্টা দেড় হাঁটার পরেও নালা র দেখা পাওয়া গেলোনা। যদিও এর মাঝে বিভিন্ন নদী নালা, খান কয়েক ঝর্না পার হয়ে গেছে। প্রায় পৌনে তিনটে নাগাদ, শেষ হয়ে আসা ব্যাটারি নিয়ে এসে পৌছলাম একটা উঁচু পাহাড়ের নীচে। জায়গাটায় পুরো ছায়ার ঢাকা আর হাড় কাঁপানো ঠান্ডা। পাশ দিয়ে একটা ছোট নদী বয়ে গেছে। এই হলো নালা।
আমরা পৌছনোর একটু আগেই এসে পৌছে গেছে পোর্টাররা। শুকনো কাঠ কুটো দিয়ে জ্বালিয়ে ফেলেছে আগুন। সেই আগুনে রুটি গরম করছে নভীন।
কোনো ভাবে পৌছে থেবড়ে বসে পরলাম আগুনের ধারে। রুটি আর শুকনো শুকনো ঝাল ঝাল অলুর তরকারি। জুতো খুলে তখন মোজা গুলো স্যাঁকা হচ্ছে আগুনে।
খাওয়ার মাঝে হঠাৎ দেখি সেই নদীর ধারে এসে হাজির একটা হিমালয়ান ফক্স, জল খেতে। দু হাতের রুটি তরকারি ফেলে তখন আমার ছবি তোলার কোনো এন্থু নেই। ছানা মুখের রুটি ফেলে ক্যামেরা ফোকস করতে শুরু করলো। কিন্তু আমাদেরকে খুব একটা পছন্দ হয় নি শিয়ালটার। এক দৌড়ে ঢুকে গেলো ঝোপে। নাহ, কোনো ছবি হয় নি। তবে এত কাছে হিমালয়ান ফক্স কখনো দেখিনি।
আধ ঘন্টা পরে ফের উঠে পরলাম আগুন ছেরে। শেষ বেলায় এখনো ২/২.৫ কিমি চড়াই অন্তত উঠতে হবে। আর সত্যি এই চড়াই ডেঞ্জার। রুদ্রনাথের রাস্তা বা রুদ্রগয়রা বেস ক্যাম্প যাওয়ার রাস্তা মনে করায়। মাথা উঁচু করে ওপরের রাস্তা দেখতে চাইলে টুপি পরে যবে খুলে।তাও ভাগ্যিস খেয়ে দেয়ে একটু এনার্জি ফিরেছে।
ঘন্টাখানেকের বেশী লাগলো সেই চড়াই পার করতে। ফুসফুস আর পা - দুটোর কোনোটাই আর চলছে না। একসময় চড়াই শেষ হলো - ঘন জঙগল ওপরে। আমাদের আরো একটু এগোতে হবে, একটু ফাঁকা জায়গার জন্য, যেখানে টেন্ট বানানো যাবে। এই ক্যাম্পটার নাম জঙ্গল ক্যাম্প। কিন্তু আসল জঙ্গল ক্যাম্প যেখানে হয় তার থেকে আমরা একটু এগিয়ে এসেছি উৎসাহের চোতে। কাল হাঁঅটে হবে কম।
একটু ফাঁকা জায়গার খোঁজে এগোতে গিয়ে চোখে পরলো গাছে বাঁধা রিমোট সেন্সিং ক্যামেরা। হয় ফরেস্ট গার্ড না হয় কোনো ইউনিভার্সিটি থেকে হয়তো লাগিয়ে গেছে। তার সামনে আমি আর ছানা অনেকক্ষন হাত পা নেড়ে চেড়ে সেলফি তুলে ফেললাম।
ছানা একটু বসে রইলো এখানে - আমি অপেক্ষা না করে সামনে এগোতে লাগলম একা। সবার সামনে থাকলে এই ধরনের জঙ্গলে ভালো সাইটিং হয়।
হঠাৎ একদম সামনে খুব জোরে 'কাঁক' করে কিছু ডেকে উঠলো। তারপর দেখি হুড়মুড় করে পালাচ্ছে একপাল বারাশিঙা। একদম ঢিল ছোড়া দুরত্ত্বে। আমি একদম যাকে বলে মুখ হাঁ করে অবাক। এত কাছে এমনকি চিড়িয়াখানাতেও দেখিনি। ক্যামেরা বার করার যথেষ্ট সময় ছিল - কিন্তু ছবি তোলার কথাটাই গেছি ভুলে। মিনিট ২/৩ এর মধ্যে দেখি নভীন আর ছানা প্রায় ছুটে এসেছে। ছানা ভয়ানক হাঁপাচ্ছে। ওরা অনেক দুর থেকে আওয়াজ পেয়েছে আর ভেবেছে আমি পরে গেছি কোথাও। তখনো দুরে গাছের ফাঁকে দেখা যাচ্ছে তাদের, কিন্তু আলোর অভাবে ফোকাস হবে না। কয়েকবার চেষ্টা করে হাল ছেরে দিলো ছানা। এর একটু সামনেই আমাদের ক্যাম্প করার জায়গায়। তখনো বিকেলের আলো আছে, এখানে সন্ধে নামে দেরীতে।
(টেন্ট খাটানোর ছবি - মোবাইলে)


http://i68.tinypic.com/2qv5rmo.jpg




Name:  Blank          

IP Address : 213.132.214.84 (*)          Date:10 Jan 2017 -- 08:14 PM

দে দি,
আমি খুজে দেখবো খাদের ওপরে ঝুলার ছবি আছে কিনা। ঝুলার ওপর বেশীর ভাগ ছবি ই হয়েছে হাবভাব ছবি।

বি,
এই ছবি গুলোর সাইজ খুব ছোট। ডেস্কটপে রাখলে ফেটে যাবে। আমি পরে ফ্লীকারের লিংক দিয়ে দেবো, সেখান থেকে বেটার ভার্সান পেয়ে যাবেন।


Name:  Rit          

IP Address : 213.110.242.24 (*)          Date:10 Jan 2017 -- 09:05 PM

অনবদ্য হচ্চে।


Name:  d          

IP Address : 144.159.168.72 (*)          Date:11 Jan 2017 -- 09:58 AM

ইদিকে আমার আপিসের ১৩"র ডেল ল্যাপীতে দিব্বি ওয়ালপেপার হয়ে গেছিল।
বি'কে তরুণ কদলী।

ওরে লেএএএখ নাআআআ


Name:  Sankha          

IP Address : 57.15.96.165 (*)          Date:11 Jan 2017 -- 12:42 PM

চলুক চলুক, সঙ্গে আছি


Name:  Blank          

IP Address : 213.132.214.86 (*)          Date:11 Jan 2017 -- 05:56 PM

জঙ্গলের মধ্যে বসে কফি আর স্যুপ খেতে খেতে একসময় সন্ধে নেমে গেলো ঝপ করে। আজকে অনেক বড় করে অনেক কাঠ দিয়ে জ্বালানো হয়েছে আগুন - এই জায়গায় পুরো হাড় কাঁপানো ঠান্ডা। আগুনের ধার ছেরে উঠে যেতেই ইচ্ছে করছে না টেন্টে। কোন ফাঁকে ছানা আমাদের দুটো লুকোনো বোতল এনে ফেলেছে আগুনের ধারে।
নভীন আবার এসব ছোঁবে না, ওকে ওর বৌ মানা করেছে। ওর শুধু সিগারেট, বিড়ি আর গাঁজা খাওয়ার পারমিশান আছে। নভীন একটু দুরে আগুন জ্বালিয়ে রান্না চাপিয়ে দিলো। আমরা সাথে ডেকে নিলাম পোর্টার দের। কথায় কথায় জানা গেলো এদের নাম।
প্রথম জন হলো পদম - ইনি হলেন হেড পোর্টার। পেটে দু পাত্তর যাওয়ার পর সব কথাতেই বলেন 'ইয়েসস'। "পদম ভাইয়া রাত মে চাউল খানা হ্যায়" - ইয়েসস। "রোটি খানা হ্যায়?" ইয়েসস। "সুভা হো গ্যায়া সায়দ" - ইয়েসস।
আর একজনের নাম গোপাল, টীমের সবচেয়ে ছোট। এক চুমুকে এক গ্লাস খায়। তারপরে ধপ করে পরে যায় আগুনের ধারে। নাহ- তাকে আর তোলা যায় নি। অনেক পরে, তাকে নাকি চ্যাংদোলা করে কীচেন টেন্টে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
তিন নং পোর্টার হিন্দী বোঝেন না, বলতেও পারেন না। তার নামটা আমরাও বুঝিনি, উনি নাম বলেছেন কিনা সেটাও জানিনা। দু-তিনটে খাওয়ার পর হাসি মুখে আগুনের দিকে চেয়ে বসে থাকেন - যাকে বলে স্মিত হাসি।
গুচ্ছ আড্ডা, মোবাইলে গাড়োয়ালি গান, নভীনের বানানো চিকেন পকোড়া খেতে খেতে কেটে গেলো সন্ধে। ততক্ষনে ডিনার ও রেডি আমাদের। ঘি মাখানো গরম রুটি, সব্জী দেওয়া ডাল আর চিকেন কষা খেয়ে ঘুমের তোরজোড়। কি ভাগ্যি জঙ্গলের আড়ালে আকাশ ঢাকা পরে গেছে। নইলে আজ ও ছানা মিল্কি ওয়ের ছবি তোলার জন্য আমাকে টেন্টের বাইরে নিয়ে আসতো।
কালকে আমরা যাবো গুর্জর হাট। সেটা বেশী দুরে নয় এখান থেকে। ওখানেই হবে ক্যাম্প। ক্যাম্প থেকে আমরা ডিডিকে বেসক্যাম্প আর খীরাতাল ঘুরে ফিরে আসবো বিকেলের মধ্যে। কাল পোর্টারদের পরিশ্রম একটু কম হবে।

(বুধবার)
অনেক অনেক সকাল সকাল ঘুম ভেঙে গেলো আজ। সেটা একদিক থেকে ভালো, আমাদের জন্য আজ অনেকটা হাঁটা, ১৪/১৫ কিমি তো হবেই। তবে আজকের সুবিধে হলো যে দিনের সবচেয়ে বড় চড়াই আমরা চড়ে নেবো শুরু তে। তারপর বেশীরভাগ টা বুগিয়াল আর মোরেন ধরে হাঁটা। সকালে শুধু কফি আর বিস্কুট খেয়ে হাঁটা শুরু করে দিলাম আমি, ছানা আর নভীন। পকেটে রইলো ডিম সেদ্ধ আর আলু সেদ্ধ। গুর্জর হাট বুগিয়ালে পৌছে আমাদের টিফিন হবে এই দিয়ে - তারপর বড় ব্যাগ রেখে, শুধু ক্যামেরা নিয়ে যাবো বেস ক্যাম্প।
আজ আর শুরুতে হাঁটা নয়, শুরু তে ওঠা শুধু। সেই চড়াই যেটা আমরা কাল অর্ধেক পেরিয়েছিলাম, তার বাকিটা উঠতে হবে আজ। ঘন জঙ্গলের মধ্যে একদম সোজা উঠে গেছে প্রায় পাথুরে দেওয়াল। তার ভেতর দিয়ে হাঁটা শুরু হলো। ছানার খুব ইচ্ছে মোনাল দেখার। এই রকম জঙ্গলে অগেও বহুবার মোনাল দেখেছি - কিন্তু গত দুদিনে একটাও চোখে পরে নি। আজ ও পরছে না চোখে, তবে দু-তিনবার শোনা গেলো মোনালের ডাক। আশে পাশেই আছে , চোখে পরছে না।
ঘন্টা খানেক হাঁটার পর আমরা পাহাড়ের রীজে এসে পৌছলাম। রীজ টা খুব সরু নয়, তাই তেমন রিস্কি না। এই ধরে উঠতে হবে আরো কিছুটা। ততক্ষনে হালকা রোদ্দুর পীঠে লাগতে শুরু করেছে। কিন্তু এই অল্প দুরে বুগিয়ালটা কিছুতেই আর কাছে আসছে না। মনে হচ্ছে ব্রেকফাস্টটা করে এলেই হতো। পাহাড়ের আড়াই কিলোমিটার শেষ হয়ে যাবে শিগ্গির, সেটা ভাবাই উচিৎ হয় নি।
ঘন্টা দুই পরে যখন পৌছলাম গুর্জর হাট বুগিয়ালে ততক্ষনে সত্যি সত্যি জামা ভিজে গেছে ঘামে। কিন্তু তখন সামনে ওপেন হয়ে গেছে পুরো দিনগার নদীর ভ্যালি। ডিডিকের আইস পিক একদম সামনে। এত বিশাল একটা ভ্যালি খুব বেশী দেখা যায় না। শীতের জন্য, পুরো জায়গাটাই শুকনো ঘাসে ঢেকে অছে। ডিম সেদ্ধ ভুলে তখন শুধু ছবি তোলার সময়।

(ক্যামেরায় তোলা)


http://i67.tinypic.com/2ynkjtx.jpg





Name:  Blank          

IP Address : 24.99.47.132 (*)          Date:14 Jan 2017 -- 11:14 PM

ছবি হলো, ঘামে ভেজা জ্যাকেট শোকানো হলো, ডিম সেদ্ধ আর আলু সেদ্ধ খাওয়া হলো - এরপর আমাদের ফের হাঁটা শুরু। প্রথমে যাবো গুর্জর হাট ক্যাম্প সাইটে। ছবিতে দেখুন, পুরো বুগিয়াল টা দু ভাগ হয়ে গেছে, মধ্যে বয়ে যাচ্ছে দিনগার নদী। আমাদের সেই নদী ডিঙিয়ে উঠতে হবে অন্য পারে।
সমস্যা টা দেখা গেলো নদী ডিঙোবার সময়ে। নদীর জল আশে পাশের ঘাসের ওপর জমে বরফ হয়ে গেছে, আর এ হলো সেই বরফ, যার ওপরে গ্রিপ ধরবে না জুতোর। তারপর ছানার জুতো উডল্যান্ডের, প্রতিদিন রাতে তাতে ফেভি কুইক লাগাতে হচ্ছে।
পাথর আর লাঠি দিয়ে ভাঙা হলো কিছুটা বরফ- তারপর নদী পেরিয়ে অবশেষে ক্যাম্প সাইট। তখনো পোর্টারদের পাত্তা নেই, ওদের আসতে দেরী আছে অনেক। ক্যাম্প সাইটে রেখে দেওয়া হলো ব্যাগ পত্তর। শুধু ক্যামেরা আর জলের বোতল নিয়ে আমরা যাবো বেস ক্যাম্পের দিকে। ব্যাগ পত্তর নিয়ে চলে যাওয়ার মতন লোক ও নেই এখানে।
এরপর আমাদের হাঁটা শুরু হলো বেস ক্যাম্পের দিকে। এই পুরো রাস্তাটাই বুগিয়াল। দুর থেকে দেখলে মনে হয় রাস্তাটা মোটামুটি সমতল - কিন্তু ধীরে ধীরে সেটা উঠে যাচ্ছে ওপর দিকে, প্রায় চার-সাড়ে চার কিলোমিটার এইভাবে এগোনো।
প্রথমে শুকনো বুগিয়াল, আর দুদিকে ঝোপ ঝাড়, পাইন বন একটু পরে। তার পরে ক্রমশ কমতে থাকবে গাছ। পাইন বন গুলো ঝোপে পরিনত হবে আর পায়ের নীচে নরম ঘাস শেষ হয়ে আসতে থাকবে বোল্ডার। এগুলো গ্লেসিয়ারের মোরেন - কত যুগ আগে, কোনো এক আইস এজে গ্লেসিয়র গুলো এগিয়ে এসেছিল এত অব্দি, রেখে গেছে পাথর গুলো।
ততক্ষনে আবার আমাদের হাঁপানো শুরু হয়ে গেছে, শুনছি যে সামনের গাছ পালা শেষ হলেই এসে যাবে বেস ক্যাম্প। রুক্ষ কালো পাহাড় প্রায় চোখের সামনে। খুব দুরে দু একটা ভাঙা কাঠের বাড়ি, ওটা সরকারি ক্যাম্প/হাট। ঐটার কাছাকাছি (পাহাড়ি মতে) আমাদের ডেস্টিনেশান।
(ক্যামেরায় তোলা)

https://c1.staticflickr.com/1/295/31922817110_b921f7d4ff_h.jpg





Name:  পুপে          

IP Address : 131.241.184.237 (*)          Date:20 Jan 2017 -- 03:49 PM

কই হে? এরপর ?


Name:             

IP Address : 116.210.197.150 (*)          Date:21 Jan 2017 -- 01:11 PM

ওরে লেখ নাআআআ


Name:   সিকি           

IP Address : 132.177.174.143 (*)          Date:21 Jan 2017 -- 01:40 PM

ব্ল্যাঙ্কি একটা গোলা ইভ-এর পেছু নিয়েছে। এখন ও আর কোনওদিকে মন দেবে না ;)


Name:  de          

IP Address : 192.57.36.217 (*)          Date:21 Jan 2017 -- 04:51 PM

ইভকে বস্তায় পুরে রাখবো কিন্তু না লিখলে --

উইকেন্ডে তো একটু লেখো -


Name:  Blank          

IP Address : 24.96.9.51 (*)          Date:22 Jan 2017 -- 02:11 PM

আপিসের একটু চাপ - উইকেন্ড মোটামুটি তাতেই কাটছে। শেষ হলে লিখছি


Name:  I          

IP Address : 57.15.191.108 (*)          Date:25 Jan 2017 -- 10:40 PM

দিব্য।উডল্যান্ডের জুতো কিনতে নেই?জঙ্গলেও না?


Name:  I          

IP Address : 57.15.191.108 (*)          Date:25 Jan 2017 -- 10:46 PM

হিমালয়ান ফক্স আবার কি রে?হিমালয়ান উল্ফ বল!


Name:  spa          

IP Address : 71.246.161.170 (*)          Date:28 Jan 2017 -- 03:31 PM

ইনি কি লেখা থামিয়ে আবার পাহাড়ে চলে গেলেন?


Name:  Blank          

IP Address : 24.96.63.247 (*)          Date:29 Jan 2017 -- 10:09 PM

আছি আছি। চাপ টা কমলে বাকিটা লিখে দেবো।
আর ইন্দো দা, যদ্দুর সম্ভব এগুলোই তিবেটিয়ান স্যান্ড ফক্স


Name:  Blank          

IP Address : 213.132.214.85 (*)          Date:30 Jan 2017 -- 04:53 PM

(আজ একটু লিখেই দি)
বেস ক্যাম্পে যখন পৌছলাম, তখন বেশ ক্লান্ত। কয়েকটা ছোট অস্থায়ী থাকার জায়গা, আর একটা ওয়ারলেস টাওয়ার - সেটা কি কাজে লাগে জানিনা। হয়তো সরকারি কিছু কাজকর্ম থাকে। এই বেশ ক্যাম্প থেকে সামিটের রুট (রাউন্ড) ৪ দিন। এরপর দুটো অ্যাডভান্স বেস ক্যাম্প আর একটা সামিট ক্যাম্প হয়। পুরোটাই ক্লাইম্বিং আর গ্লেসিয়ার জোন দিয়ে। বেস ক্যাম্পের পর থেকে রাস্তা পুরোটাই গ্লেসিয়ারের মোরেন, শুকনো রুক্ষ। ওপরেই দেখা যায় ডোকরানি ভ্রামক (গ্লেসিয়ার)।
ক্লান্ত হয়ে দুজনেই কিচ্ছুক্ষন চিৎপটাং হয়ে রইলাম পাথরে। নরম রোদ্দুরে ঢেকে আছে বুগিয়াল। এরপর যখন আমাদের সেলফি তোলা শুরু হলো, তখন ক্যাম্পের কেয়ারটেকার এসে পৌছেছে। ভুক্কি গ্রামের ছেলে, একা একা থাকে এই ক্যাম্পে - দিনের পর দিন। মোবাইল তো দুরের কথা, একটা সোলার লাইট ও নেই। কিছুদিন অন্তর অন্তর বদল হয় কেয়ারটেকার।
নাহ, ওনার নাম জানা হয় নি। গাড়োয়ালি ছারা অন্য কিছু তেমন বোঝেন না। আমাদের কে এনে দিলেন একটা শুকনো ব্রহ্মকমল - কোলকাতার কোনো মন্দিরে গিয়ে চড়িয়ে দিতে সেটা।
এরপর আমাদের ফেরা শুরু নিজেদের ক্যাম্পের দিকে। অনেক দিনের প্ল্যান- অনেক কিছু করে দেখা হলো ডিকেডি বেস ক্যাম্প। সামনে থেকে মাউন্ট ডিকেডি (দ্রৌপদী কা ডান্ডা), পুরো পাহাড়টা এক ফ্রেমে আসে না এখানে।
(এইটা ঠিক সেলফি না, তাও - কেমন একটা শ্রী শ্রী ওম এডমুন্ড হিলারি লাগছে না !!)


http://i68.tinypic.com/2qrzl78.jpg

এরপর ফের কিলোমিটার চারেক হেঁটে পৌছবো ক্যাম্প। লাঞ্চ সেরে যেতে হবে ক্ষেরাতাল।
ক্যাম্পে যখন পৌছলাম তখন ১ টা বেজে গেছে। ক্ষিদে তে পেটে ভেতর নানা রকম আওয়াজ। পৌছে দেখি ততক্ষনে পোর্টাররা ক্যাম্প খাতিয়ে বানিয়ে ফেলেছে লাঞ্চ। ক্যাপসিকাম আর ঘি মেশানো জিরা রাইস, ডাল, বেগুনের তরকারি, আর স্যালাড। খেয়ে দেয়ে ঘাসের ওপরেই হাল্কা ন্যাপ। ছানা আবার ফেসবুকে দেয়ার ছবি হচ্ছে না বলে ঘ্যান ঘ্যান শুরু করায় তার একটা সেলফিও তুলে দিলাম -


http://i64.tinypic.com/m7gys8.jpg


ঘন্টা খানেক ঘুমের পরে যাবো ক্ষেরাতাল, আমাদের লাস্ট ডেস্টিনেসান।




Name:  Blank          

IP Address : 213.132.214.85 (*)          Date:30 Jan 2017 -- 05:03 PM

৩ টে নাগাদ শুরু হলো ক্ষেরাতালের দিকে হাঁটা। প্রথমে যেতে হবে পাশের বুগিয়ালে, তারপর অনেকটা নেমে ক্ষেরাতাল লেক। যা শুনেছি, তা হলো যে লেকটা মোটেই দেখতে সুন্দর না। সবুজ পানা পরা জল - কিন্তু জঙ্গলের মধ্যে আর সাইজে বিশাল। লোকজন আসে না বলে, লেকের ধারে সাইটিং চান্স থাকে খুব বেশী।
পাশের বুগিয়ালে যাওয়ার রাস্তাটা খুব সুবিধের নয়। মধ্যে একটা ছোট নদী বয়ে গেছে আর তার ওপর একটা ঝুলা- মানে সেই কাঠের গুঁড়ি। ছানা তো নভীনের হাত ধরে পার করলো ঝুলা। আমি প্রথমে বেশ হিরো মার্কা পা ফেলেই বুঝলাম যে এই ঝুলা টা চাপের। গুঁড়ি টা একেবারে গোল টাইপ আর সেটা বেয়ে কিছুটা ওপর দিকে যেতে হবে। খুব পা টিপে টিপে এগোতে শুরু করলাম।
প্রায় শেষের দিকে এসে এক পা হড়কালো - না পরে যাই নি, সামলে নিয়েছিলাম, কিন্তু কনফি টা গেলো ঝুলে। বুঝলাম পরের স্টেপ টা ফেলতে পারবো না, পা কাঁপছে। ছানাও সেটা বুঝতে পেরেছে দুর থেকে দেখে, নভীনকে পাঠিয়ে দিয়েছে আমাকে ধরার জন্য। শেষ কয়েকটা স্টেপ তাই নভীনের হাত ধরে ব্যালেন্স করলাম।
এরপরের রাস্তা যাকে বলে মাখন। বুগিয়াল টা নেমে গেছে নীচের দিকে। দেখলে মনে হয় যেন সাভানা - হলুদ শুকনো ঘাসে ঢাকা। এদিক সেদিক কয়েকটা অস্থায়ী থাকার জায়গা, গুর্জরদের। অনেকটা নীচে সবুজ ক্ষেরাতাল। আর দুর থেকেও দেখা যাচ্ছে যে লেকের ধারে কয়েকটা বারশিঙা চরছে।


Name:  de          

IP Address : 192.57.92.29 (*)          Date:30 Jan 2017 -- 07:44 PM

তাপ্পর, তাপ্পর?


Name:  Manish          

IP Address : 113.242.199.160 (*)          Date:05 Feb 2017 -- 04:43 PM

তার আর পর নেই


Name:  d          

IP Address : 144.159.168.72 (*)          Date:06 Feb 2017 -- 03:30 PM

ওরে এটা একটু লেখ।
লেএএএএএএএএখ


Name:  Rit          

IP Address : 213.110.242.6 (*)          Date:06 Feb 2017 -- 03:32 PM

কই গো বুনান্দা?


Name:  b          

IP Address : 135.20.82.164 (*)          Date:06 Feb 2017 -- 04:08 PM

কই? ফ্লিক-আরের লিংক কই? লেখা কই?
সোজা আঙুলে ঘি উঠবে না দেখছি। ডাকবো আরাবুলকে?


Name:             

IP Address : 116.193.156.35 (*)          Date:05 Mar 2017 -- 07:32 PM

ব্ল্যংকিইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইই


Name:             

IP Address : 116.193.250.246 (*)          Date:12 Mar 2017 -- 09:47 PM

ব্ল্যাংকিইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইই


Name:   সিকি           

IP Address : 132.177.18.65 (*)          Date:12 Mar 2017 -- 10:01 PM

দ কি অনুপ জালোটা হয়ে গেল নাকি?


Name:             

IP Address : 116.193.250.246 (*)          Date:12 Mar 2017 -- 10:17 PM

এবার বানতলা গিয়ে পিটিয়ে হাড্ডি ভেঙে দিয়ে আসবো ব্যটার


Name:  de          

IP Address : 192.57.64.99 (*)          Date:12 Mar 2017 -- 10:44 PM

নিঘ্‌ঘাত আবার ঘুত্তে গেচে -

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4]     এই পাতায় আছে70--100