এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7] [8] [9] [10] [11] [12] [13] [14] [15]     এই পাতায় আছে417--447


           বিষয় : প্রিয় কবিতা - (২)
          বিভাগ : অন্যান্য
          বিষয়টি শুরু করেছেন : san
          IP Address : 14.99.231.200          Date:09 Mar 2011 -- 11:21 PM




Name:  একক          

IP Address : 53.224.129.42 (*)          Date:23 Mar 2017 -- 02:02 AM

তারাপদ ভীষণ প্রিয় । এত সহজ ভাবে ভিডিও কায়নেস্থেটিক নোড কানেক্ট করেন যে ওরকম লিখতে সারা জীবন কলম ঘষে যেতে হবে ।

কোথায়, কে জানে?

তবু যেতে হবে শালবন
হয়তো ফুটেছে ফুল

শালফুল কখনো দেখেনি
শালফুল হয়তো ফোটেনা
ফুটলেও যাবেনা চেনা

কেননা এ পথ চলেছে
......... নিঝুমপুর।


Name:  san          

IP Address : 113.245.14.101 (*)          Date:23 Mar 2017 -- 12:20 PM

কে কতটা নত হব, যেন সব স্থির করা আছে।
যেন প্রত্যেকেই তার উদ্বৃত্ত ভূমিকা অনুযায়ী
উজ্জ্বল আলোর নিচে নত হয়।
সম্রাট , সৈনিক , বেশ্যা, জাদুকর , শিল্পী ও কেরানি,
কবি, অধ্যাপক, কিংবা মাংসের দোকানে
যাকে নির্বিকার হাতে মৃত ছাগলের চামড়া ছাড়াতে দেখেছি
এবং গর্দানে-রাঙে যে তখন মগ্ন হয়ে ছিল,
তারা প্রত্যেকেই আসে উজ্জ্বল আলোর নিচে একবার।
কপালে স্বেদের বিন্দু, সানন্দ সুঠাম ঘুরে গিয়ে
তারা প্রত্যেকেই নত হয়।

কেউ বেশি , কেউ কম, কিন্তু প্রত্যেকেই নত হবে
উজ্জ্বল আলোর নিচে একবার।
না-কেনা না-বেচা পণ্য , স্বর্গের তটিনী
সারাদিন জ্বলে;
এবং সৈনিক , বেশ্যা , কলাবিৎ, ভাড়াটিয়া গুন্ডা, কারিগর
একবার সেখানে যায় , যে যার ভূমিকা অনুযায়ী
নত হয় ; স্বর্গ হতে প্রলম্বিত আলোর সলিলে
মুখ প্রক্ষালন করে নেয়।

ঘরের বাহিরে জ্বলে দৈব জলধারা ;
দ্যাখো আলো জ্বলে , দ্যাখো আলোর তরঙ্গ জ্বলে , আলো
সকালে , দুপুরে , সারা দিন।
স্বর্গের তটিনী জ্বলে , আলো জ্বলে, আলো'
যেখানে দাঁড়াও।
কে বড়বাজারে যাবে , দু গজ মার্কিন এনে দিও ;
কে যাও পারস্যে , এনো সুন্দর গালিচা ;
কে যাও তটিনী-তীরে , স্বর্গের পুতুল ,
কিছুই এনো না , তুমি যাও।


(স্বর্গের পুতুল - নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী)


Name:  san          

IP Address : 113.245.14.101 (*)          Date:23 Mar 2017 -- 12:25 PM

তিনটে আকাট মূর্খ কবিতার বৈঠকখানায়
আলাপ জমাচ্ছে । মুক্তি পয়ারে , অথবা
রাত দু'-পহরে যদি গুটিকয় পঞ্চমুখী জবা
ছিঁড়ে নেওয়া যায় .... তবে ...তবে ....
তবে কি জাহাজগুলি অসম্ভব কচুরিপানায়
মূর্ছিত হবে না ? নাকি পাতালের চাবি
না পেয়ে বন্ধুরা গেল কবিতার ভীষণ গৌরবে ?

এদিকে শব্দের শিখা হাওয়ার ভিতরে খায় খাবি।

তাহলে শব্দের শিখা ... তাহলে শব্দের শিখা ... তাহলে তাহলে
শব্দ কি বোতলে বন্ধ ভূতের মতন
জড়তাবরণে স্বর্গসুখ পায় ? তারা তিনজন
উত্তরমালার অংশ দারুণ প্রাণপণে
উল্টিয়ে এখন দেখে, পৃষ্ঠাগুলি সমুদ্রের জলে
ধুয়ে গেছে , তাই তারা কচুরিপানায়
জাহাজ বন্ধক রেখে মগ্ন আজ কথোপকথনে।
তিনটে আকাট মূর্খ কবিতার বৈঠকখানায়।


(তিনটে আকাট মূর্খ - নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী )



Name:  Atoz          

IP Address : 161.141.85.8 (*)          Date:26 Mar 2017 -- 12:57 AM

স্যান, তুললাম। প্রিয় কবিতা দিও। ঃ-)


Name:  pi          

IP Address : 57.29.242.16 (*)          Date:26 Mar 2017 -- 08:04 AM

নবম শ্রেণীর শপথ

যদিও সান্ধ্যকালীন মুখ থেকে সরে গেছে লাবণ্যপ্রভা
জ্বলে যাওয়া ঘাসগুলি ধীরে ধীরে প্রত্ন জিজ্ঞাসা হয়ে গেছে।
জানা ছিল, কিছু বলতে গেলে আমাদের স্তব্ধতর হতে হবে
আরও দেখতে গেলে বন্ধ করতে হবে অকারণ অবাঞ্ছিত চোখ
পেতে গেলে ছেড়ে দিতে হবে শেষ খড়কুটোকেও অনায়াসে
তবে যদি মেটে তেষ্টা রগড় পিপাসু আপামর সম্মিলিত রোখ ।

পৃথিবীর মুখ থেকে গভীর গভীরতর অন্ধকার বুকে বুকে
আমরা ঘুরে বেড়িয়েছিলাম বহু। যাবতীয় বিদ্বেষের বিরুদ্ধে
সশব্দ হয়েছি। প্রত্যক্ষে বিরোধীতা করেছি অবিচারগুলির
ঘৃণাকে ঘেন্না করতে করতে, সন্ত্রাসকে ভয় পাইয়ে দিতে
চাপিয়ে দেওয়াকে চাপে রাখতে গিয়ে ক্রমে ক্ষয়ে গেছি প্রভু।
দেখেছি যা দেখবার নয়, অকাতরে বলেছি যা বলার ছিল না।
শুনেছি যা শুনতে চাইনি। খড়কুটো দিয়ে বাসাগুলি বানিয়েছি
যদিও নবম শ্রেণীতেই ঠিক করেছিলাম আমরা বদলাব না কভু।


- সুমন মান্না ( 'হাফসোল' কাব্যগ্রন্থ থেকে)


Name:   ফরিদা           

IP Address : 181.78.241.162 (*)          Date:26 Mar 2017 -- 08:46 AM

আহা। এটা আমার কতদিনের সযত্নে লালিত করা ইচ্ছাদের মধ্যে অন্যতম ছিল এতদিন। "প্রিয় কবিতার টই" তে জায়গা পাওয়ার।

পাই দিদিকে অসংখ্য ধন্যবাদ। অত্যন্ত ভালো লাগল।

কিন্তু বইটির নাম “ফোনঘর”। “হাফসোল” এই বইটির এক অন্য কবিতা।


Name:  pi          

IP Address : 57.29.242.16 (*)          Date:26 Mar 2017 -- 08:48 AM

আরে আরে ঘুমচোখে কী লিখেছি। সরি সরি ঃ(




Name:  pi          

IP Address : 57.29.241.8 (*)          Date:27 Mar 2017 -- 09:08 AM

স্টেশন

নব্বইয়ের আঁতেলদের সঙ্গে দহরম মহরম ছিল আমার মন্দ না।
বুদাগুর দুর্বোধ্য থেকে টিন্টো ব্রাসের সোজাসাপটা, নন্দন এক থেকে টালিগঞ্জ ফাঁড়ির বাংলু
টাইটানিকের না দেখা শো থেকে বাটার মোড়ের শুকতলা,
আঁতেল বলে কি আর পার্সোনাল লাইফ নেই নাকি একটা?
অমলকান্তির মত আমিও আঁতেল হতে পারলাম না, দুঃখ আছে বৈকী, তবে ক্ষতি বিশেষ হয় নি,
কিন্তু সেই ম্যাজিকেল নব্বই, আঁতেলদের সঙ্গে কিন্তু দহরম মহরম ছিল আমার, মাকালীর কিরে।

আজকাল সব ছন্নছাড়া হয়ে গেছে, রক্তচাপ, ক্ষুধামান্দ্য, সংসার, এমনকী যৌন সততা পর্যন্ত, রাতে ঘুম নাই, বাটামের ভয় আছে না?
কিন্তু সে যাই হোক, এইসব শূণ্য দশক একের শতক এইসবই কিন্তু গাপ হয়ে ছিল নব্বইয়ের ভাঁজে।
দহরম মহরম ছিল বাপু, তাহাদের সাথে। সাতে পাঁচেই ছিল সব, নয়ে ছয়ে, বাহান্ন তিপ্পান্নতেও ছিল সব বাইপাসের ধারে ভুট্টাপোড়ার সাথে দুইটি ছিলিম।
জানি বস, গাঁজা খেলেই কি আর আঁতেল হওয়া যায়, পেটে বিদ্যে থাকতে হয়, তবে তখন কিনা ছোটোটি ছিলাম, তাই।
তাছাড়া আমি তো আর প্রত্যক্ষ আঁতেল নই, আমি জাস্ট দহরম মহরম।

এখন অনেকেই ছন্নছাড়া হয়ে গেছে। ধারকর্য করে অন্যদের টরেটক্কা সঙ্কেত করি
ধারকর্জ, এই যেমন ব্যানাল পদ্য, শব্দের মালিক না হলেও ধার তো আছেই
লেভেল ক্রসিং হার্টক্রেন এইসব। টরেটক্কা সঙ্কেত পাঠাই, পদ্য লিখি এখানে ওখানে
ইউক্যালিপ্টাসের পাতা, ভেজাল দিই এদিক ওদিক, একপাতায় ছপিয়ে দিই টরেটক্কা,
ক্যাপ্টেন স্পার্ক হলে ধরে ফেলতো ঠিক, বুঝে নিত সন্ধ্যে নামার ঝোঁকে
জনবহুল শরতলির সাইকেলরিক্সাসঙ্কুল পথের কোনাখামচি ঘেঁষা
ভুলভাল কোড। জানেন তো, দহরম মহরম ছিল কিন্তু।
যুগসন্ধিক্ষণ বস, নব্বইয়ের ঘনঝঞ্ঝা, মত্ত দাদুরী আর বইপত্তরের খোঁজে গুচ্ছ জটিলতা, রেলস্টেশনের ফটাশজল আর সুমন চাটুজ্যের একঘেয়ে সুর, এছাড়াও টুকিটাকি, সেসব নিয়ে শক্তি চট্টো লিখেছেন। ব্যানাল পদ্য।

- সায়ন কর ভৌমিক , 'পাখিয়াল' কাব্যগ্রন্থ থেকে।


Name:  pi          

IP Address : 57.29.241.8 (*)          Date:28 Mar 2017 -- 11:48 AM

অফিস বাস

সকালগুলো অন্যরকম, যদিও সন্ধ্যায় একবাস ক্লান্ত মাথা ঘরে ফিরে আসে, ঝুলে থাকে ঘাড়ের উপর; দরজা খুলতেই গড়িয়ে যায় খুলি ও হাড়ের টুকরো

এভাবেই একটা মানুষ আরেকটা মানুষের সাথে মিশে যায় আমি বাড়ি নিয়ে আসি আমার কলিগের ফিমার, যাদবপুরে খোয়া যাওয়া কলার বোনে মাথা রেখে নিশ্চিন্তে ঘুমায় অরূপের বউ

সকালগুলো অন্যরকম, সমস্ত অফিসে তার চুলের গন্ধ ভেসে থাকে


-শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়, 'এ বয়েস হরিণের নয়' কাব্যগ্রন্থ থেকে।


Name:  pi          

IP Address : 57.29.241.8 (*)          Date:28 Mar 2017 -- 12:05 PM

গল্পগুলো

মণিকর্ণিকার দেশে বিকেল ফুরোয় না। —শুয়ে থাকে
শান্ত অনন্তনাগের মতো অপরাহ্ণ ভরে।
নেশাড়ু বুড়োর কাঁধে আচাভুয়া পাখি নেমে বলে :
গপ্পো বলো—

জনহীন গোল চাতালের পিছে
পাহাড়ের মতো শূন্য উঁচুতে উঠেছে,
শূন্য সামনে নেমেছে খাদ হয়ে।
নেশার বুদবুদ— বিড়বিড় ভাষায় লহরী শোনা যায়— উদ্ভট শ্লোকের
ভাঙা সুর :

উত্তরকুরুর বন্র চামরী গরুরা নীল ঘাস থেকে
আকাশে লাফিয়ে ওঠে—
বৈকাল হ্রদের জলে ছায়া পড়ে নোমাডদলের।

একটা গল্প, শেয়ালের মতো গর্ত থেকে বের করতেই
গ্রামসুদ্ধ তেড়ে এলো—মার, মার! ধূর্ত বদমাশ, হাড়িচোর!
আহীর গ্রামের ভরা যুবতীরা ঘড়া ভরে দুধ নিয়ে মিশে যাচ্ছে
দিগন্ত রেখায়।

নিকটে গাছের গম্ভীর ভাঙা দালানের ঘরে ঘন ছায়া—
একজন রাহী ঐখানে ফিরে এল সন্ধ্যাবেলা—রাত্রে এক মুশকিলয়াসান
তার আধখানা মুখে আলো ফেলে।

গোল চাতালের নিচে দূর খাদে, দুইজন চোর
হিমরাত্রে আগুনের কুঞ্জ জ্বালিয়েছে।

চাদনী রাতে স্কারটারিস পাহাড়ের ছায়া পড়ল
স্নেফেলের অনন্ত সাদায়।

দূর থেকে উদ্ভট শ্লোকের সুর শোনা যায় ঘুমের মতন।
গল্পগুলো পাখির ডিমের মতো ভাঙে…


মণীন্দ্র গুপ্ত


Name:  pi          

IP Address : 57.29.241.8 (*)          Date:28 Mar 2017 -- 12:18 PM

ঘুঘু

শীতের দিন। আশি বছরের পুরনো ফুসফুস
যেন উমা কর্মকারের তালি দেওয়া হাপর-
নিঃশ্বাস নিই আর ঘুরুর ঘুরুর শব্দ হয়
দুটো ঘুঘু এসে পোড়ো ভিটেয় বসেছে যেন।
নিকোটিনে ঘাস চোরকাঁটা পিঙ্গল-
তাদের উপর রোদ্দুর আর ভাঙা উনুনের ছায়া ।
আমি ঘুরুর ঘুরুর শব্দ শুনি
আর খুব নজর করে দেখি
বুকের মধ্যে ঘুঘু নেমেছে।
ঘু ঘু ঘু ঘু – গাছ নিঃশ্বাস ফেলে,
ছায়া পাখির খোলা খাঁচার নকশা, তাল গাছের ছাপ
আর ভাঙা জানলার ছবি আঁকতে আঁকতে
ডান দিকে সরে।

শেষজীবন বড় মিষ্টি।
পোড়ো বাড়িতে ঘুঘু নামে,
হেঁটে বেড়ায়
ডাকে।

-মণীন্দ্র গুপ্ত


Name:  एकक          

IP Address : 53.224.129.46 (*)          Date:03 Apr 2017 -- 12:19 AM

आँखों में रहा दिल में उतरकर नहीं देखा
कश्ती के मुसाफ़िर ने समन्दर नहीं देखा

बेवक़्त अगर जाऊँगा, सब चौंक पड़ेंगे
इक उम्र हुई दिन में कभी घर नहीं देखा

जिस दिन से चला हूँ मेरी मंज़िल पे नज़र है
आँखों ने कभी मील का पत्थर नहीं देखा

ये फूल मुझे कोई विरासत में मिले हैं
तुमने मेरा काँटों-भरा बिस्तर नहीं देखा

पत्थर मुझे कहता है मेरा चाहने वाला
मैं मोम हूँ उसने मुझे छूकर नहीं देखा

--बशीर बद्र


Name:  एकक          

IP Address : 53.224.129.46 (*)          Date:03 Apr 2017 -- 12:56 AM



फ़र्ज़ करो हम अहल-इ-वफ़ा हों फ़र्ज़ करो दीवाने हों
फार करो यह दोनों बातें झूटी हो अफ़साने हों

फ़र्ज़ करो ये जी की बिपता जी से ज़ोर सुनी हो
फ़र्ज़ करो अभी और हो इतनी आधी हमने छुपाई हो

फ़र्ज़ करो तुम्हें खुश करने के ढूंढे हमने बहाने हों
फार करो यह नैन तुम्हारे सुच-मुच के मैखाने हों

फ़र्ज़ करो यह रोह है झूठा झूटी प्रीत हमारी हो
फार करो इस प्रीत के रोग में सांस भी हम पे भारी हो

फ़र्ज़ करो यह जॉब बिजोग का हमने ढोंग रचाया हो
फार करो बस यही हकीकत बाकी सब कुछ माया हो

-- इबन इ इन्शा

------

रूमानी तौर पे , इबने इन्शा साहिब मेरे पसंदीदा शायर हें। आपलोग को कोई परेशानी ना हों तो ,उनकी दो चार नज़्म पेश कोरने की इजाजत चाहति हूँ ।


Name:  de          

IP Address : 192.57.106.166 (*)          Date:03 Apr 2017 -- 04:55 PM

ইজাজত হ্যায় -

ক্ষী ভালো টই - শেষের দুটো খুবই ভালো লাগলো পড়তে, যদিও হিন্দী-দিগ্গজ আমি!


Name:  san          

IP Address : 113.245.14.101 (*)          Date:09 Apr 2017 -- 02:04 PM

এক সপ্তাহ চলে গেলে আবার অন্য এক সপ্তাহ চলে আসে
দুপুরে বাড়িগুলো
সেইরকমই ছায়া ফেলে অর্ধেক দাঁড়িয়ে থাকে গলির ভেতর
একলা আইসক্রিমওলা , সেই রকমই , গলির ভেতর দিয়ে
অন্য গলিতে চলে যায়
চলে যায় দুপুর, এক সপ্তাহ চলে যায়
চশমা পরে মানুষ , খালি গায়ে , হঠাৎ একদিন পাঁজি দেখতে বসে উঠোনে

এই আমার হাত , আমার পা , আমার চোখ নাক কান
ক'সপ্তাহ বয়েস হলো এদের ?
আমি বাড়িশুদ্ধু লোকের সামনে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকি
আমার চুরি হওয়ার কিছু নেই, আমি
দরজা খোলা রেখে ঘুমিয়ে পড়ি রাত্তিরবেলা
আমাদের ছোটো-পিসীমা আসে, ছোটো-পিসীমা চলে যায়
কে বসে থাকে আড়ালে , আমার সমস্ত কিছু অন্ধকার করে দেয় এমন ?

( কে - ভাস্কর চক্রবর্তী)


Name:  san          

IP Address : 113.245.14.101 (*)          Date:09 Apr 2017 -- 02:06 PM

আমি কি চেয়েছিলাম বন্ধু-বান্ধবের সংখ্যা বেড়ে চলুক আমার
বিছানায়, ভোরবেলার সিগারেট থেকে , হঠাৎ পড়ে যায় ছাই
কিছু একটা করা উচিত আমার
এই শুয়ে থাকা, এই বসে থাকা, এই উদ্দেশ্যহীন ঘুরে বেড়ানোর
চিম্‌টে বাতাস থেকে
সরে দাঁড়ানো উচিত কি আমার
আমি কি চেয়েছিলাম সজ্জিত হয়ে উঠুক জীবন
শুকনো জানলা দিয়ে, ভোরবেলাকার আলো এসে পড়েছে
ফাঁকা জুতোজোড়ায়
আমি কি চেয়েছিলাম এইসব, ব্রাদার
আমি চেয়েছিলাম , এই


( অসুখ , ভাস্কর চক্রবর্তী)


Name:  san          

IP Address : 113.245.14.101 (*)          Date:09 Apr 2017 -- 02:09 PM

ভাষা-প্রেমিকের কাছে বসে আছি
এখন বিকেল যায়, আস্তে, চলে যায়।

মনে পড়ে আলিঙ্গন -
মনে পড়ে শান্ত হাসিমুখ।

রক্তে বিষ মিশে আছে , প্রিয়তমা
এখন জীবন যায় , আস্তে , চলে যায়।


(রেস্তোরাঁয় - ভাস্কর চক্রবর্তী)


Name:  অ          

IP Address : 52.110.129.219 (*)          Date:09 Apr 2017 -- 04:41 PM

আজ ব্যোদলেয়ারের জন্মদিনে একপিস থাকলো

L'Albatros

The Albatross

Often for sport the crewmen will ensnare
Some albatrosses: vast seabirds that sweep
In lax accompaniment through the air
Behind the ship that skims the bitter deep.

No sooner than they dump them on the floors
These skyborn kings, graceless and mortified,
Feel great white wings go down like useless oars
And drag pathetically at either side.

That sky-rider: how gawky now, how meek!
How droll and ugly he that shone on high!
The sailors poke a pipestem in his beak,
Then limp to mock this cripple born to fly.

The poet is so like this prince of clouds
Who haunted storms and sneered at earthly slings;
Now, banished to the ground, to cackling crowds,
He cannot walk beneath the weight of wings.

-- translated by A.Z. Foreman


Name:  Atoz          

IP Address : 161.141.85.8 (*)          Date:10 Apr 2017 -- 08:13 AM

স্যান, কী ভালো কবিতা সব! তোমার দৌলতে পড়া হচ্ছে। ঃ-)


Name:  san          

IP Address : 113.245.14.101 (*)          Date:14 Apr 2017 -- 09:31 PM

শিশুকালে শুনেছি যে কতিপয় পতঙ্গশিকারী ফুল আছে।
অথচ তাদের আমি এত অনুসন্ধানেও এখনো দেখি নি।
তাঁবুর ভিতরে শুয়ে অন্ধকার আকাশের বিস্তার দেখেছি,
জেনেছি নিকটবর্তী এবং উজ্জ্বলতম তারাগুলি প্রকৃত প্রস্তাবে
সব গ্রহ, তারা নয়, তাপহীন আলোহীন গ্রহ।
আমিও হতাশবোধে, অবক্ষয়ে, ক্ষোভে ক্লান্ত হয়ে
মাটিতে শুয়েছি একা - কীটদষ্ট নষ্ট খোসা, শাঁস।
হে ধিক্কার, আত্মঘৃণা, দ্যাখো, কী মলিনবর্ণ ফল।
কিছুকাল আগে প্রাণে, ধাতুখণ্ডে সুনির্মল জ্যোৎস্না পড়েছিলো।
আলোকসম্পাতহেতু বিদ্যুৎসঞ্চার হয়, বিশেষ ধাতুতে হয়ে থাকে।
অথচ পায়রা ছাড়া অন্য কোনো ওড়ার ক্ষমতাবতী পাখি
বর্তমান যুগে আর মানুষের নিকটে আসে না।
সপ্রতিভভাবে এসে দানা খেয়ে ফের উড়ে যায়,
তবুও সফল জ্যোৎস্না চিরকাল মানুষের প্রেরণাস্বরূপ।
বিশেষ অবস্থামতো বিভিন্ন বায়ুর মধ্য দিয়ে
আমরা সতত চলি; বিষাক্ত, সুগন্ধি কিংবা হিম
বায়ু তবু শুধুমাত্র আবহমণ্ডল হয়ে থাকে।
জীবনধারণ করা সমীরবিলাসী হওয়া নয়।
অতএব, হে ধিক্কার, বৈদ্যুতিক আক্ষেপ ভোলো তো,
অতি অল্প পুস্তকেই ক্রোড়পত্র দেওয়া হয়ে থাকে।


(ফিরে এসো চাকা / ২১ সেপ্টেম্বর ,১৯৬০ - বিনয় মজুমদার)


Name:  san          

IP Address : 113.245.14.101 (*)          Date:14 Apr 2017 -- 09:37 PM

কবিতা বুঝিনি আমি ; অন্ধকারে একটি জোনাকি
যত্সামান্য আলো দেয়, নিরুত্তাপ, কোমল আলোক ।
এই অন্ধকারে এই দৃষ্টিগম্য আকাশের পারে
অধিক নীলাভ সেই প্রকৃত আকাশ পড়ে আছে -
এই বোধ সুগভীরে কখন আকৃষ্ট করে নিয়ে
যুগ যুগ আমাদের অগ্রসর হয়ে যেতে বলে,
তারকা, জোনাকি - সব ; লম্বিত গভীর হয়ে গেলে
না-দেখা গহ্বর যেন অন্ধকার হৃদয় অবধি
পথ করে দিতে পারে ; প্রচেষ্টায় প্রচেষ্টায় ; যেন
অমল আয়ত্তাধীন অবশেষে করে দিতে পারে
অধরা জ্যোত্স্নাকে ; তাকে উদগ্রীব মুষ্টিতে ধরে নিয়ে
বিছানায় শুয়ে শুয়ে আকাশের, অন্তরের সার পেতে পারি ।
এই অজ্ঞানতা এই কবিতায়, রক্তে মিশে আছে
মৃদু লবণের মতো, প্রশান্তির আহ্বানের মতো ।


(ফিরে এসো চাকা / ২৯ জুন , ১৯৬২ - বিনয় মজুমদার)


Name:  san          

IP Address : 113.245.14.101 (*)          Date:14 Apr 2017 -- 10:54 PM

গুণে গুণে ছেড়ে দিই , নিজেও সুস্থির পায়ে নামি
জাহাজডুবির পরে ; শীতল আঁধারে মিশে থাকি।
বরং ছিলাম দীর্ঘ - দীর্ঘকাল , হাসি ভুলে হেসে।
করুণ ফলের মতো ; কেউ চায় আত্মবলিদান।
ভ্রূণের বিকট দৃশ্যে ব্যথা পেয়ে - এমনই পৃথিবী -
গবেষক হয়ে ফের কারণ নির্ণয় , ক্ষয়-ক্ষতি
দেয়ালি রাত্রির নষ্ট কীটের মতন জমে গেছে।
ফুল নয়, চাঁদ নয় , মহিলার দেহস্থিত মন
অতি অল্পকালে যদি বিকশিত হয় তবে হয়,
না হলে কাঁটার মতো বিঁধে ফের কিছু ভেঙে থাকে।
অবশ্য তোমার কাছে যাবার সময়ে আলো লেগে
নীলাভ হয়েছে দেখি অনেক আকাশ ; দীর্ঘকাল
শীতল আঁধারে থেকে গবেষণা শেষ হয়ে আসে।


(ফিরে এসো চাকা / ২ জুলাই, ১৯৬১ - বিনয় মজুমদার )



Name:  Atoz          

IP Address : 161.141.85.8 (*)          Date:15 Apr 2017 -- 03:42 AM

কী ভালো! কী ভালো!!!!!


Name:  एकक          

IP Address : 53.224.129.59 (*)          Date:17 Apr 2017 -- 02:56 AM



सुबह इ आज़ादी
___________


ये दाग़ दाग़ उजाला, ये शब-गज़ीदा सहर
वो इन्तज़ार था जिस का, ये वो सहर तो नहीं

ये वो सहर तो नहीं जिस की आरज़ू लेकर
चले थे यार कि मिल जायेगी कहीं न कहीं
फ़लक के दश्त में तारों की आख़री मंज़िल
कहीं तो होगा शब-ए-सुस्त मौज् का साहिल
कहीं तो जा के रुकेगा सफ़िना-ए-ग़म-ए-दिल

जवाँ लहू की पुर-असरार शाह-राहों से
चले जो यार तो दामन पे कितने हाथ पड़े
दयार-ए-हुस्न की बे-सब्र ख़्वाब-गाहों से
पुकरती रहीं बाहें, बदन बुलाते रहे
बहुत अज़ीज़ थी लेकिन, रुख़-ए-सहर की लगन
बहुत क़रीं था हसीनान-ए-नूर का दामन
सुबुक सुबुक थी तमन्ना, दबी दबी थी थकन

सुना है हो भी चुका है फ़िराक़-ए-ज़ुल्मत-ए-नूर
सुना है हो भी चुका है विसाल-ए-मंज़िल-ओ-गाम
बदल चुका है बहुत अहल-ए-दर्द का दस्तूर
निशात-ए-वस्ल हलाल-ओ-अज़ाब-ए-हिज्र-ए-हराम
जिगर की आग, नज़र की उमंग, दिल की जलन
किसी पे चारा-ए-हिज्र का कुछ असर ही नहीं
कहाँ से आई निगार-ए-सबा, किधर को गई
अभी चिराग़-ए-सर-ए-राह को कुछ ख़बर ही नहीं
अभी गरानि-ए-शब में कमी नहीं आई
नजात-ए-दीद-ओ-दिल की घड़ी नहीं आई

चले चलो कि वो मंज़िल अभी नहीं आई

-- फ़ैज़ अहमद फ़ैज़


Name:  एकक          

IP Address : 53.224.129.59 (*)          Date:17 Apr 2017 -- 03:07 AM



मुझसे पहली-सी मुहब्बत मिरे महबूब न मांग
मैनें समझा था कि तू है तो दरख़शां है हयात
तेरा ग़म है तो ग़मे-दहर का झगड़ा क्या है
तेरी सूरत से है आलम में बहारों को सबात
तेरी आखों के सिवा दुनिया में रक्खा क्या है
तू जो मिल जाये तो तकदीर नगूं हो जाये
यूं न था, मैनें फ़कत चाहा था यूं हो जाये

और भी दुख हैं ज़माने में मुहब्बत के सिवा
राहतें और भी हैं वसल की राहत के सिवा

अनगिनत सदियों के तारीक बहीमाना तिलिसम
रेशमो-अतलसो-किमख्वाब में बुनवाए हुए
जा-ब-जा बिकते हुए कूचा-ओ-बाज़ार में जिस्म
ख़ाक में लिबड़े हुए, ख़ून में नहलाये हुए
जिस्म निकले हुए अमराज़ के तन्नूरों से
पीप बहती हुयी गलते हुए नासूरों से
लौट जाती है उधर को भी नज़र क्या कीजे
अब भी दिलकश है तिरा हुस्न मगर क्या कीजे

और भी दुख हैं ज़माने में मुहब्बत के सिवा
राहतें और भी हैं वसल की राहत के सिवा
मुझसे पहली-सी मुहब्बत मिरे महबूब न मांग


-- फ़ैज़ अहमद फ़ैज़



Name:  san          

IP Address : 113.245.14.101 (*)          Date:22 Apr 2017 -- 03:58 PM

আমি হয়তো মানুষ নই, মানুষগুলো অন্যরকম,
হাঁটতে পারে, বসতে পারে, এ-ঘর থেকে ও-ঘরে যায়,
মানুষগুলো অন্যরকম, সাপে কাটলে দৌড়ে পালায় ।

আমি হয়তো মানুষ নই, সারাটা দিন দাঁড়িয়ে থাকি,
গাছের মতো দাঁড়িয়ে থাকি।
সাপে কাটলে টের পাই না, সিনেমা দেখে গান গাই না,
অনেকদিন বরফমাখা জল খাই না ।
কী করে তাও বেঁচে থাকছি, ছবি আঁকছি,
সকালবেলা, দুপুরবেলা অবাক করে
সারাটা দিন বেঁচেই আছি আমার মতে । অবাক লাগে ।

আমি হয়তো মানুষ নই, মানুষ হলে জুতো থাকতো,
বাড়ি থাকতো, ঘর থাকতো,
রাত্রিবেলায় ঘরের মধ্যে নারী থাকতো,
পেটের পটে আমার কালো শিশু আঁকতো ।

আমি হয়তো মানুষ নই,
মানুষ হলে আকাশ দেখে হাসবো কেন ?
মানুষগুলো অন্যরকম, হাত থাকবে,
নাক থাকবে, তোমার মতো চোখ থাকবে,
নিকেলমাখা কী সুন্দর চোখ থাকবে
ভালোবাসার কথা দিলেই কথা রাখবে ।

মানুষ হলে উরুর মধ্যে দাগ থাকতো ,
বাবা থাকতো, বোন থাকতো,
ভালোবাসার লোক থাকতো,
হঠাৎ করে মরে যাবার ভয় থাকতো ।

আমি হয়তো মানুষ নই,
মানুষ হলে তোমাকে নিয়ে কবিতা লেখা
আর হতো না, তোমাকে ছাড়া সারাটা রাত
বেঁচে থাকাটা আর হতো না ।

মানুষগুলো সাপে কাটলে দৌড়ে পালায়;
অথচ আমি সাপ দেখলে এগিয়ে যাই,
অবহেলায় মানুষ ভেবে জাপটে ধরি ।


(মানুষ - নির্মলেন্দু গুণ)


Name:  san          

IP Address : 113.245.14.101 (*)          Date:22 Apr 2017 -- 04:01 PM

এইবার হাত দাও, টের পাচ্ছো আমার অস্তিত্ব ? পাচ্ছো না ?
একটু দাঁড়াও আমি তৈরী হয়ে নিই ।
এইবার হাত দাও, টের পাচ্ছো আমার অস্তিত্ব ? পাচ্ছো না ?
তেমার জন্মান্ধ চোখে শুধু ভুল অন্ধকার । ওটা নয়, ওটা চুল ।
এই হলো আমার আঙ্গুল, এইবার স্পর্শ করো,–না, না, না,
-ওটা নয়, ওটা কন্ঠনালী, গরলবিশ্বাসী এক শিল্পীর
মাটির ভাস্কর্য, ওটা অগ্নি নয়, অই আমি–আমার যৌবন ।

সুখের সামান্য নিচে কেটে ফেলা যন্ত্রণার কবন্ধ–প্রেমিক,
ওখানে কী খোঁজ তুমি ? ওটা কিছু নয়, ওটা দুঃখ ;
রমণীর ভালোবাসা না-পাওয়ার চিহ্ন বুকে নিয়ে ওটা নদী,
নীল হয়ে জমে আছে ঘাসে,–এর ঠিক ডানপাশে , অইখানে
হাত দাও, হ্যাঁ, ওটা বুক, অইখানে হাত রাখো, ওটাই হৃদয় ।

অইখানে থাকে প্রেম, থাকে স্মৃতি, থাকে সুখ, প্রেমের সিম্পনি ;
অই বুকে প্রেম ছিল, স্মৃতি ছিল, সব ছিল তুমিই থাকো নি ।


(ওটা কিছু নয় - নির্মলেন্দু গুণ)


Name:  san          

IP Address : 113.245.14.101 (*)          Date:22 Apr 2017 -- 04:05 PM

একদিন চাঁদ উঠবে না, সকাল দুপুরগুলো
মৃতচিহ্নে স্থির হয়ে রবে;
একদিন অন্ধকার সারা বেলা প্রিয় বন্ধু হবে,
একদিন সারাদিন সূর্য উঠবে না।

একদিন চুল কাটতে যাব না সেলুনে
একদিন নিদ্রাহীন চোখে পড়বে ধুলো।
একদিন কালো চুলগুলো খসে যাবে,
কিছুতেই গন্ধরাজ ফুল ফুটবে না।

একদিন জনসংখ্যা কম হবে এ শহরে,
ট্রেনের টিকিট কেটে
একটি মানুষ কাশবনে গ্রামে ফিরবে না।
একদিন পরাজিত হবো।

একদিন কোথাও যাব না, শূন্যস্থানে তুমি
কিম্বা অন্য কেউ বসে থেকে বাড়াবে বয়স।
একদিন তোমাকে শাসন করা অসম্ভব ভেবে
পূর্ণিমার রাত্রে মরে যাব।

একদিন সারাদিন কোথাও যাব না।


(পূর্ণিমার মধ্যে মৃত্যু - নির্মলেন্দু গুণ )


Name:  pi          

IP Address : 57.29.255.93 (*)          Date:20 Jun 2017 -- 09:22 PM

না হয় বুঝিনি প্রেম ,না হয় তোমাকে বাসি ভালো
কখনো ছুঁইনি বাহু,দোঁহে মিলে পার্কে বসে
খ্যাস খ্যাস বাদামই চিবিয়েছি
তুমি বলছো ,"চুম্বন পবিত্রতম
ওসব বিয়ের পরে ।।।"
আমি দেখছি ,পশুরক্ত ,শরীরের মধ্যে ঢুকে
বন্দনার সব কাজ করে
সুনীল বাবুর লেখা তুমি মন থেকে বলো
বোঝা যায় তুমিও দারুণ ভক্ত কবিতার
সত্যবদ্ধ অভিমানে আমিও আলস্যে পড়ি
"শরীর ছেলে মানুষ ,তার কত টুকিটাকি লোভ
সব সাঙ্গ হলে পর ।।।"
যেমন মাঠের পর মাঠ , তারপর জাগে হানাবাড়ি ।।।
কিনতু সত্য ভয়াবহ । পর্যুদস্ত ভালোবাসা আনে হানাবাড়ি
আমি এই সন্ধেবেলা বারুদের প্রান্ত উস্কে হত্যাদৃশ্যে
মুগ্ধ পরী দেখি


এক ব্যাগ ৯০এ কল্পর্ষি বন্দ্যোপাধ্যায়ের, 'যে গান শোনে না কেউ' গ্রন্থ থেকে ।




Name:  aranya          

IP Address : 172.118.16.5 (*)          Date:24 Jun 2017 -- 01:43 AM

এখ্নও কবিতা ভাল লাগে! এখনও যে কবিতা ভাল লাগে, অফিসে কাজের ফাঁকে চুরি করে পড়ে নেওয়া কিছু লাইন - এই হয়তো প্রমাণ, বেঁচে আছি


Name:  b          

IP Address : 24.139.196.6 (*)          Date:24 Jun 2017 -- 11:33 AM

Ego similis poematis, ergo, sum

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7] [8] [9] [10] [11] [12] [13] [14] [15]     এই পাতায় আছে417--447