বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7] [8] [9] [10] [11] [12] [13] [14] [15] [16] [17] [18] [19] [20] [21] [22] [23]     এই পাতায় আছে636--666


           বিষয় : যখন সাহায্য দরকার হয়
          বিভাগ : অন্যান্য
          বিষয়টি শুরু করেছেন : Blank
          IP Address : 59.93.213.218          Date:08 Mar 2008 -- 07:42 PM




Name:  T          

IP Address : 229.75.11.86 (*)          Date:04 Apr 2017 -- 07:02 PM

ধন্যবাদ আকাদা, হ্যাঁ কোনোকিছু উপায় না থাকলে নেতা ইত্যাদি ধরতেই হবে আর কী।


Name:  dc          

IP Address : 181.61.232.119 (*)          Date:04 Apr 2017 -- 07:13 PM

রিসেন্টলি আমাকে একজন উকিলের সাথে কাজ করতে হয়েছিল, কিন্তু উনি বারুইপুর সিভিল কোর্টের উকিল (আমার কাজটা ঐ কোর্টের জুরিসডিকশানে পড়েছিল)। T যদি বলেন তাহলে আমি ওনাকে জিগ্যেস করে দেখতে পারি, তারপর নাহয় এগনো যাবে। তবে আকাবাবুর সলিউশানটা সবচে এফেক্টিভ মনে হচ্ছে, যদি সম্ভব হয় তো। এই কারনে, যে কোর্টের কাজ কম সময়ে করানো অসম্ভব, বরং পলিটিকাল প্রেশার দিতে পারলে এক দিনে কাজ করানো যায়।


Name:  Pi          

IP Address : 57.29.133.215 (*)          Date:04 Apr 2017 -- 07:13 PM

এক উকিলকে পড়তে দিলাম।কী বলে দেখি


Name:  T          

IP Address : 229.75.11.86 (*)          Date:04 Apr 2017 -- 07:33 PM

ডিসি, হ্যাঁ অবশ্যই জিজ্ঞাসা করে দেখতেই পারেন। থ্যাঙ্কু।

পাইদিকেও ধন্যবাদ, একটু দেখো তো।


Name:  Arpan          

IP Address : 37.97.223.216 (*)          Date:04 Apr 2017 -- 07:40 PM

তিনটি উপায়। তিনটিই অবস্থাবিশেষে কাজে দেবে হয়ত। যদিও দ্বিতীয়টি নিয়ে বেশ পরিমাণ কিন্তু কিন্তু আছে।

১। অবস্থা ব্যক্ত করে টুইট করুন এবং তাতে স্মৃতিম্যাডামকে ট্যাগ করুন। পরিচিত টুইটারকারীদের বলুন সেটাকে রিটুইট ইত্যাদি করে ছড়িয়ে দিতে।

২। স্থানীয় তিনো কাউন্সিলর/ এমএলএ ইত্যাদির স্মরণাপন্ন হোন এবং মাত্রা ও কানেকশন অনুযায়ী শ্বশুরবাড়ি, দুর্গাপুর ও কলকাতার স্কুলে চমকান। শিক্ষামন্ত্রীর তাঁবেদার তল্পিবাহক যেই থাকুন না কেন তাকেও ধরতে পারেন।

৩। পারলে এই সময়ে চিঠি লিখুন ও তাদের রিপোর্টারকে দিয়ে হাঙ্গামা মাচান।


Name:  dc          

IP Address : 181.61.232.119 (*)          Date:04 Apr 2017 -- 07:46 PM

স্মৃতিম্যাডামকে ট্যাগ করে এখন কি হবে? উনি তো আর এডু মিনিস্ট্রিতে নেই, এখন তো জাভাদেকার হিউম্যান রিসোর্স মিনিস্টার!


Name:  T          

IP Address : 229.75.11.86 (*)          Date:04 Apr 2017 -- 07:47 PM

অর্পণদা থ্যাঙ্কু, কিছুতেই কিছু না করা গেলে এমএলএ কে ধরতেই হবে আর কি :)। তবে আমার স্থির বিশ্বাস কোনো একটা স্ট্যান্ডার্ড আইনি প্রসিডিওর রয়েছে।


Name:  Arpan          

IP Address : 24.195.235.129 (*)          Date:04 Apr 2017 -- 10:12 PM

টি, হ্যাঁ, ঐ ঘি তোলার গল্প আর কী।

স্মৃতিম্যাডামের ব্যপারটা স্মৃতি থেকে বেরিয়ে গেছিল একদম!


Name:  Du          

IP Address : 182.58.107.242 (*)          Date:04 Apr 2017 -- 10:32 PM

শিক্ষার অধিকার আইন আছে তো। বাবা মা না থাকলেও


Name:  Du          

IP Address : 182.58.107.242 (*)          Date:04 Apr 2017 -- 10:32 PM

শিক্ষার অধিকার আইন আছে তো। বাবা মা না থাকলেও


Name:  pi          

IP Address : 57.29.243.26 (*)          Date:23 Apr 2017 -- 10:29 AM

এখানেও থাকল।

মৃণাল কোটালের পোস্ট।

চুনী কোটাল স্মৃতি পাঠাগার*
---------------
দীর্ঘদিন ধরে একটা পরিকল্পনা মাথার মধ্যে ঘুরঘুর করছিল।তাই এই সিদ্ধান্তগ্রহণ করলাম।কতদূর করতে পারব তাও জানিনা,আমি জানি ঠিক হয়ে যাবে।
আমি খুব আশাবাদী।

পশ্চিম মেদিনীপুর এ এক প্রত্যন্ত গ্রাম
গোহালডিহি, এই গ্রামেই জন্ম গ্রহণ করেছিলেন সমাজের এক দর্পণ নাম চুনী কোটাল।

এই গ্রামে পড়াশুনো মান একদন নিম্ন
,সাবাই টাকা পয়সার অভাবে পড়াশুনো করতে পারেনা।
তাই ঝোলা কাঁধে নিয়ে বেরিয়ে পড়ে পেটের যোগাড় করতে।
তাই আমার এই বৃহত্তম প্রয়াস একটি পাঠাগার নির্মানের।
এবং এই সব ছেলে স্কুল ছুট না হয়, তার জন্য সমস্ত রকম সাহায্য করব।
প্রতি বছর তাদের পড়ারর জন্য সমস্ত বই দেওয়া হবে।
এই পাঠাগার থেকে।
শিক্ষা কে প্রসার ও সামাজিক উন্নয়ন।
এবং সমাজের সমস্ত স্তরের মানুষ কে সাহিত্য অনুগামী করা, বেশি করে বই পড়ানো অভ্যাস করা,
ইত্যাদি।

আমি দৃঢ় আশা রাখছি আপনারা আমার এই বৃহত্তর প্রয়াসে পাশে থাকবেন।
আপনি আপনার সমস্ত লিটিল ম্যাগাজিন পাঠাতে পারেন আমাদের পাঠাগারে,
আপনি আরো উদ্দ্যোগী হলে আপনার
প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, গল্পসমগ্র, উপন্যাস,পাঠাতে পারেন।
যদি আপনি চান কেন না আমারা কোন আর্থিক মূল্য দিয়ে কিনতে পারবো না।
পাঠাগার এর সমৃদ্ধকরণ যদি চান
তবেই আমারা সমৃদ্ধ হব।

এছাড়া ও অর্থ মূল্য দিয়ে সাহায্যদান করতে পারেন।
সেক্ষেত্রে আপনি আপনার মূল্যবান অর্থ উন্নয়নকার্য দান নয়,
শিক্ষাপ্রসারে আপনার চেষ্টার প্রয়াস।
সেক্ষেত্রে আগ্রহীরা ইনবক্স যোগাযোগ করতে পারেন।
একদিন রাস্তার ভালো খাবার না খ্যেয়ে
অন্যদের চোখে আলো দিচ্ছেন
এটা কম প্রাপ্তিস্থান নয়।
আপনি সুন্দর নির্মাণকাল প্রবেশ করছেন।
আপনার দ্বারা সমাজ উন্নতকরণ হচ্ছে।
আপনি ও সামিল,এই মহান কর্মকাণ্ডে।
আপনার এই প্রচেষ্টা কে সাধুবাদ জানাবে
তাবদ সমাজ।
আপনার নাম
লেখা হবে পাঠাগার খোদায় অক্ষরে।

আগামী দিনে হাজার হাজার গরীবের চোখে আলো প্রদান করবে আপনার নামের খোদায় অক্ষর।
আসুন আমি একা নয়, আপনি ও
সামিল এই জনউন্নয়ন মূলক কাজে
সেলাম জানাবে আপনাকে তাবদ বিশ্ব।

প্রচেষ্টার মূল উদ্দীপক
-----_---------------------
মৃনাল কোটাল

লিটিল ম্যাগাজিন /বই
পাঠানোর ঠিকানা ------
মৃনাল কোটাল
গ্রাম+পোঃ- গোহাল ডিহি
থানা- শালবনী
পিন- ৭২১১২৯
ফোন নং- ৯৮০০০৬৩৭৬৯


Name:  pi          

IP Address : 57.29.246.154 (*)          Date:16 Jun 2017 -- 12:08 PM

রোশনী ঘোষের একটা পোস্ট শেয়ার করলাম।


'লমন্দের্‌নেশা
#রোশনি্‌ঘোষ

অনেক অনেক দূরে শাল বনের জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে একটা লাল মাটির পথ ছিল আর পথের শেষে ছোট্ট একটা গ্রাম। সেই গ্রামে একটা ছোট্ট মেয়ের বাড়ি। জানি এ পর্যন্ত পড়েই আপনারা ভুরু কুঁচকে ভাবছেন, এ আর নতুন কথা কি? পথের শেষে গ্রাম থাকবেই আর সে গ্রামে যে একটা না একটা মেয়ে থাকবে সেও তো জানা কথাই। এ আর নতুন কি? আহা, ধৈর্য ধরে একটু শুনুনই না। হয়তো নতুন কিছু আছে এ গল্পের শেষে।

যাকগে যা বলছিলাম, গ্রামের সেই ছোট্ট মেয়ে একটা কুঁড়েঘরে থাকে তার মা বাপের সাথে। মেয়ের নাম বাহামণি, না আপনাদের সিরিয়ালের নয়, এই বাহামণি একটা ছোট গ্রামের মা বাপের আদরের একটা ছোট মেয়ে। মা-বাপ ভোর থাকতে উঠে রান্নাবান্না করে, নিজেরা খেয়ে মেয়ের জন্য খাবার ঢেকে রাখে। তারপর লাল মাটির পথ ধরে জঙ্গল পেরিয়ে যায় ইঁটভাটায় কাজ করতে। আর ছোট্ট বাহা ঘুম থেকে উঠে মুরগিকে খেতে দেয়, ঘর নিকোয় তারপর নিজে খেয়েদেয়ে বেরিয়ে পরে ইস্কুলের দিকে। ইস্কুলে কেন? ওমা বলিনি বুঝি? ইস্কুলে যে মিড-ডে মিল দেয়। বাড়িতে একা একা থাকলে নয়তো খাবে কি ছোট্ট মেয়েটা? মা বাপের তো ফিরতে ফিরতে সেই সন্ধ্যে পেরিয়ে রাত্তির। রাত্তিরে ওরা বাড়ি ফিরলে মা রান্না করে ভাত আর শাক। আর কিছু কেনার পয়সা জোটে না ওদের। নমাসে-ছমাসে পয়সা পেলে সাথে একটু চুনোমাছ। সেদিনগুলো ওদের উৎসবের দিন। মা যখন রান্না করে, বাহা তখন বাপের কোলের কাছটিতে বসে বসে তার সারাদিনের গল্প শোনায়, ইস্কুলে সে কি করলো, কাঠবেড়ালীটা আজ গাছ থেকে কবার ওঠানামা করেচে এই সব কত্ত কি। বাপেও গল্প শোনায় মেয়েকে ইঁটভাটাতে তারা কিরকম করে ইঁট বানায়, মালিকের খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটা নকল করে দেখায়। খাওয়া-দাওয়া হলে তিন জন শুয়ে পড়ে, পরের দিন তো আবার সক্কাল সক্কাল উঠতে হবে তিনজনকেই।

ইস্কুল জায়গাটা মন্দ না, কিন্তু বেশিরভাগ দিদিমণিরাই বড় রাগি। পান থেকে চুন খসলেই বকা দেন। কিন্তু ওর মধ্যেও কয়েকজন দিদিমণি আবার বড্ডো ভালো। হাতে ধরে তারা মেয়েদেরকে অ-আ-ক-খ শেখান, অংকের মজা বোঝান। রোজ ইস্কুল যেতে যেতে বাহার আস্তে আস্তে নেশা লেগে গেলো। পড়াশুনোর নেশা, বই পড়ার নেশা। মা বাবা রাত্তিরে যখন বাড়ি ফেরে, মেয়ে তখন তার পড়াশুনার গল্পও শোনায় বাবামাকে। বাহা খেয়াল করেনা বাবা কিন্তু আগের মতন তাকে আর ইঁটভাটার গল্প শোনায় না, অন্যমনস্ক ভাবে হুঁ হাঁ করে যায় খালি। রান্নাও কমে গেছে আগের থেকে, এখন শুধু নুন আর ভাত হয় রোজ রোজ।

তা মেয়ের যেমন নতুন নেশা লাগলো, বাপ মায়ের নতুন নেশা লেগেছে তদ্দিনে, তবে পড়াশুনার নয় চোলাইয়ের। আসলে হয়েছে কি, ইঁটভাটাতে গোলমাল, বাপ মা মাইনেকড়ি পায় না ঠিকমতন। রোজই কাজে যায় শুকনোমুখে, ভাবে আজ নিশ্চয়ই ঠিকমতন মাইনে পাবে, আর রোজই হতাশমুখে ফেরত আসে। তা সেরকম একদিন ফেরার পথে এক বন্ধু মা বাবাকে নিয়ে গেলো চোলাইয়ের ঠেকে। বাপ মা এর আগেও যে চোলাই খায়নি তা নয়, কিন্তু সেসব উৎসবের দিনে আনন্দ করতে, আর এদিন খেলো, দুঃখ ভুলতে, মনের চিন্তা তাড়াতে। চোলাই খেলে যে বাস্তবটা দূরে সরে যায়। তখন মনে রাখতে হয়না, মাইনেকড়ি হচ্ছে না, ঘরে খাবার নেই, ছোট্ট মেয়েটার পরনের জামাকাপড়ও নেই। মেয়ের যত পড়াশুনার নেশা বাড়ে, বাপ মায়ের পাল্লা দিয়ে বাড়ে চোলাইয়ের নেশা।

দিনে দিনে এমন হলো, বাপ মা সকালে উঠেই কাজে যায় আর মাঝরাতে টলতে টলতে বাড়ি ফেরে। বাহা যতটুকু পারে বাড়ির কাজ করে, তারপরে চলে যায় ইস্কুলের দিকে। মিডডে মিলের একটু খেয়ে বাকিটা বাঁচিয়ে আনে রাতের জন্য। বাপ মায়ের মদের নেশার সাথে মেয়ের পড়াশুনার নেশা পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে। এমনি করে সিক্স, সেভেন, এইট সব টপকে যায় বাহা। নাইনে উঠে আরেক বিপদ, মিডডে মিল বন্ধ। তবে খায় কি মেয়েটা দুপুরে? বাপ মায়ের যা অবস্থা, তাতে চাইলেও খাবার পাবেনা বাহা। মা বাপের মতন ইটভাঁটায় কাজ করতে যেতে পারে কিন্তু তাহলে তো ইস্কুল যাওয়া হবে না। তবে কি সে লেখাপড়া ছেড়ে দেবে? নাহ, এতো সহজে সে হাল ছাড়ার মেয়ে বাহা নয়। সে খোঁজ নিয়ে দেখলো, বাড়ির কাছের জঙ্গল থেকে শালপাতা কুড়িয়ে মহাজনকে দিলে, মহাজন টাকা দেবে। প্রতি একশোটা শালপাতা পিছু ছ টাকা। খুবই সামান্য টাকা, এটাকায় আমার-আপনার একবেলার ফুচকার খরচও মেটে না। বাহা কিন্তু এই টাকাকে সম্বল করেই নেমে পড়লো ওর পরের লড়াইতে। সূর্য ওঠার আগে মেয়ে ওঠে, একদফা শালপাতা কুড়িয়ে মহাজনকে দিয়ে, টাকা বুঝে ইস্কুলে যায়, ইস্কুল ফেরত আবার একদফা শাল পাতা কুড়িয়ে টাকা বুঝে নেওয়া। তারপরে তো রান্না বান্না, পড়াশুনা আছেই। এভাবেই আস্তে আস্তে মাধ্যমিকটাও পেরিয়ে গেলো বাহা। ইলেভেন-টুয়েলভের লড়াইটা আরো কঠিন।

একে তো পড়াশুনা আগের থেকে কঠিন, তার ওপরে মা বাপের প্রায় সম্পূর্ণ দায়িত্ত্বই এখন বাহার ওপরে। ওর ওই শালপাতা বেচার টাকাতেই সংসার চলে আজকাল। মাবাপের রোজগারটুকু পুরোটাই যায় চোলাইয়ের পেছনে। আর যেন টানতে পারছে না ছোট্ট মেয়েটা। একদিন সেকথাই ইস্কুলে বসে বসে ভাবছিলো মেয়ে হঠাৎ ওর হাত ধরে কে যেন টান মেরে বললো
"ফুটবল খেলবি?"
বাহা তাকিয়ে দেখে রুক্মিণী ওর দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে হাসছে। রুক্মিণী, রুক্মিণী কিস্কু বাহার প্রাণের বন্ধু, বাহার ঘরের অবস্থা প্রায় সব টুকুই জানে সে। সেজন্যই বাহার আরো রাগ হলো। সব জেনেও রুক্মিণী এরকম করে বলে কি করে তাকে?

বাহা একটু রাগ রাগ মুখেই বলল
"তুই জানিস না আমাদের বাড়ির অবস্থা? এর মধ্যে তুই খেলার কথা বলিস কি করে? আর এদিকের কোন মেয়ে এই ধাড়ি বয়েসে ফুটবল খেলে যে হঠাৎ তোর মাথায় ফুটবল খেলার ভূত চাপলো? ওসব তো ছেলেদের খেলা।"
রুক্মিণী একটা কথারও উত্তর না দিয়ে মিটিমিটি হাসতে হাসতে বাহার হাতে একটা প্যাকেট ধরিয়ে দিলো। "আরে, তুই ডিম্-পাঁউরুটি কোত্থেকে পেলি?"
উত্তরের অপেক্ষা না করেই বাহা ডিমে কামড় দিতে গিয়ে থমকে যায়।।। "তোর কই?"
আবার মিটিমিটি হাসতে হাসতেই রুক্মিণী বলল "ফুটবল খেলে পেয়েছি। একটা পাগলা মতন দাদা এসেছে। নাকি আমাদের ফুটবল খেলা শেখাবে। আর যারা যারা শিখবে, সবাইকে খাওয়াবে।"

"কিন্তু, গ্রামের লোকে কি বলবে রে আমরা ফুটবল খেললে?" "ছাড় তো তোর গ্রামের লোক। আজকে কে দুটো খাবার দিতে আসে তোদের মুখে? তুই যা রোজগার করিস তাতেই তো চলে। ভালো কথা বলি শোন, ফুটবল খেলতে চল, না হোক রাতের খাবারটা জোগাড় হয়ে যাবে। সে সময়ে পড়তে পারবি।"
বাহা একটু ভাবে। ইস্কুলেও তো একসময় মিডডে মিলের লোভেই পড়তে এসেছিল। আজকেও নয় যাবে খাবারের লোভে। আর তার থেকেও বড় কথা এখানে একটু সময় দিলে ওর আসল নেশা লেখাপড়ার জায়গাটাকেও আরেকটু সময় দিতে পারবে বাহা।

ফুটবল খেলতে খুব লজ্জা করছিল বাহার। একে তো পরনে খাটো হাফপ্যান্ট আর গেঞ্জি। প্রানপনে হাফপ্যান্টটা নিচের দিকে টানছিলো ও। তার ওপরে কোচের ধমক,
"জামার দিকে মন না দিয়ে বলের দিকে তাকা সবাই।"
শুধু বাহা নয়, যে কজন খেলছিল সবারই এক দশা। খাবারের জন্যই খেলতে এসেছে বেশিরভাগ মেয়ে। শাড়ি বা সালোয়ার ছাড়া কিছু পরেনি কোনোদিন কেউ হাফপ্যান্টে তো অস্বস্তি হবেই। এসবি অন্যমনস্ক হয়ে ভাবছিলো বাহা তখনি শুনলো কোচ শিবুদা জিগেস করছে
"আচ্ছা তোদের কারোর ওপর রাগ হয়?"
কেউ কিছু উত্তর দেওয়ার আগেই বাহা অবাক হয়ে দেখলো ওর ডান হাতটা কখন যেন নিজের থেকেই ওপরে উঠে গেছে। ঠিক ইস্কুলের দিদিমণিরা প্রশ্ন করলে যেরকম হাত ওঠে সেরকম। শিবুদা এতক্ষন ওকে আলাদা করে লক্ষ্য করেননি, এবারে জিগেস করলেন
"নাম কি রে তোর?"
"বাহা, বাহামণি "
"আচ্ছা, এদিকে যায় এবার, এই বলটার সামনে, এবার এটার দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে বল তোর কার ওপরে রাগ হয়।"
"আমার।।। আমার না ভীষণ রাগ হয় চোলাইয়ের দোকানগুলোর ওপরে, আমার বাবামাকে তো ওরাই কেড়ে নিলো। আমার রাগ হয় ওই ইঁটভাটার মালিকের ওপরে, উনি ঠিকমতন মাইনেকড়ি দিলে বাবামা এরকম নেশা করতো না।"
"তুই এবারে ওই বলটার দিকে ভালো করে তাকা, মনে কর ওটাই চোলাইয়ের দোকান, ওটাই ইঁটভাটার মালিক। এবার প্রাণপনে ওটার গায়ে একটা লাথি মারতো দেখি।"
বাহার মনের মধ্যে কিরকম একটা করছিলো। এখানে বলার আগে ও সত্যি বোঝেনি ওর মনে ঠিক কতটা রাগ জমে আছে এই চোলাইয়ের দোকান বা ইঁটভাটার মালিকের প্রতি। কেমন একটা ঘোরের মধ্যেই বলটায় লাথি মারলো ও। সবার হাততালিতে চমক ফিরলে দেখলো বলটা বহুদূরের গোলপোস্টের জালে জড়িয়ে আছে। শিবুদা এবার ওকে জড়িয়ে ধরে বললো
"বুঝলি বাহা, আমাদের সবার জীবনেই নানা সমস্যা আছে। আমাদের কাজ হল ওগুলোকে লাথি মেরে গোলের ভেতর পাঠিয়ে দেওয়া। আজকে যেরকম করলি তুই ঠিক সেরকম। এবার থেকে বলটাকে ধরলেই তোর সমস্যাগুলোর কথা ভাববি। তোর রাগটাকে খেলার মাঠে ঝেড়ে বের করে দিবি। দেখবি, সমস্যাগুলো তখন আর অত বড় মনে হবেনা।"

কথাগুলো শুনেছিল বাহা। প্রথমে একটা কথাও বিশ্বাস করেনি, মনে মনে ভেবেছিল সব গাঁজাখুরি। কিন্তু ধীরে ধীরে বাহা কথাগুলো বিশ্বাস করতে শুরু করেছিল। ওর সব সমস্যাগুলোকে লাথি মেরে গোলে পাঠিয়ে মন দিতে শুরু করেছিল লেখাপড়ায়।

তারপরে? তারপরে আবার কি? বাহাদের টিম কিছু প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলেছে, নিজেদের ওপর ভরসাটাও আরো অনেকগুণ বেড়ে গেছে। আর এবারের উচ্চমাধ্যমিকে বাহামণি কোন গৃহশিক্ষকের সাহায্য ছাড়াই সসম্মানে পাশ করেছে। পাশের খবর পেয়েই বাহা ছুটে গেছিলো শিবুদাকে খবর দিতে। এই লোকটা ততদিনে ওর নিজের দাদার মতোই হয়ে গেছে। দাদার হাত ধরে ও একটু আধটু কম্পিউটার চালাতে শিখেছে আর সব থেকে বড় কথা, শিখেছে নিজেকে বিশ্বাস করতে, নিজের ওপর ভরসা রাখতে। পাশের খবর পেয়েই শিবুদা একগাল হেসে বাহাকে জড়িয়ে ধরে বলল
"তোর একটা সমস্যা তুই সমাধান করেছিস, তাই গোলের দায়িত্ব এবার আমার ঘাড়ে। তোর কলেজের খরচটা আমি দেব। যা এবার ওই গোলটাও দিয়ে আয়।"
বাহা প্রণাম করতে যেতেই শিবুদা জিগেস করলো
"কিরে আমার গুরুদক্ষিণা দিবিনা?"
"কিন্তু আমি কি দেব তোমায়? আমার তো কিছুই নেই।"
"কে বললো তোর কিছু নেই? তোর এই জেদটা আছে, একটা মাথা আছে। এগুলোকে কাজে লাগা। নতুন ছাত্রীদের পড়া। আজকে যদি তুই পড়াশুনা না করতি, তাহলে হয়তো এদ্দিনে তুইও চোলাইয়ের নেশায় বসে থাকতি। আজকের এই নতুন ছাত্রীদের সেটা শেখাতে পারবি না? চেনাতে পারবি না ওদের ভালো আর মন্দ নেশার পার্থক্য?"
ছলছল চোখে একগাল হেসে ঘাড় নাড়ে বাহা, পারবে না মানে? পারতেই হবে ওকে।

পুনশ্চঃ যারা এতক্ষন আমার এই বকবক পড়লেন কষ্ট করে, তাদের বলি বাহামণি বা শিবুদা দুজনের কেউই কিন্তু কাল্পনিক চরিত্র নয়। বাহামণির কথা আমি প্রথম শুনি শ্রীজার ফাউন্ডার-ডিরেক্টর শিবুদার কাছে। গল্পের খাতিরে একটু ফাঁকফোকর ভরাট করা ছাড়া বাহামণির সম্পর্কে লেখা পুরো গল্পটাই সত্যি। শুধু মনের জোর সম্বল করে একটা অসম লড়াই চালাচ্ছে মেয়েটা। আপনারা একটু সাহায্য করবেন ওকে প্লিজ? বেশি কিছুই না, নতুন ছাত্রীদের পড়ানোর জন্য নাইন-টেনের বই সংগ্রহ করছে শ্রীজা। আজকে প্রায় আটটা গ্রাম জুড়ে দেড়শো ছাত্রীর পড়ার ব্যবস্থা করতে চাইছে শ্রীজা। আর তার জন্য গড়ে তুলতে চাইছে প্রতিটি গ্রামে একটা করে লাইব্রেরি। আপনাদের চেনা পরিচিত অনেকেই তো মাধ্যমিক দিয়েছে এবার, ওদের বইগুলো সংগ্রহ করে একটু যদি শ্রীজা কলকাতা মুখপাত্র কে দেন, বাচ্চা মেয়েগুলো একটু লড়াইয়ের হাতিয়ার পায়। পারবেন আপনারা এটুকু সাহায্য করতে? বাহার মতন বাকি মেয়েদেরও প্রতিকূলতার লড়াইয়ে সামিল হতে? শ্রীজা কলকাতা মুখপাত্রের নাম অপরাজিতা দত্ত আর ওনার ইমেইল এড্রেস হল

অপরজিতদুত্ত।জু@গ্মইল।োম।

অনেক আশা নিয়ে আপনাদের কাছে আবদার করলাম, প্লিজ নিরাশ করবেন না কিন্তু।

হ্ত্ত্প্সঃ//্ব।ফেবূক।োম/গ্রৌপ্স/হ্রীজঈন্দিঅ/

হ্ত্ত্প্সঃ//্ব।ফেবূক।োম/স্স্দস্গুপ্ত?ফ্রেফ=ন্ফ'


Name:  pi          

IP Address : 57.29.135.148 (*)          Date:18 Jun 2017 -- 08:58 PM

পেলাম।

তন্ময় চন্দ্র রায় "একিউট এপ্লাস্টিক এনিমিয়া" য় ভুগছেন। কলকাতায় ইউনিটেক গেট নাম্বার ওয়ানের পাশে দাদা আর তাঁর বোন মণীষা অসহায় অবস্থায় আপনার মুল্যবান সময় ও রক্তের অপেক্ষায়। তন্ময় চন্দ্র রায় আগামী বুধবার টাটা মেডিকেল সেন্টার, রাজারহাটে ভর্তি হবেন। "বোন ম্যারো ট্রান্সপ্যান্ট"। দরকার রক্ত। টাটা সেন্টারের ডাক্তাররা জানিয়েছেন, ১০ জন অন্তত ও+ ব্লাড গ্রুপের চাই অপারেশন চলাকালীন ও পোষ্ট অপারেটিভ সময়ে। বাকি অন্তত ৫ জন যে কোন ব্লাডগ্রুপের হলেই হবে পরশুর মধ্যে। যোগাযোগ :মণীষা ( 9681147972)


Name:  ?          

IP Address : 193.82.199.156 (*)          Date:19 Jun 2017 -- 06:58 AM

ওটা aparajitadatta@gmail.com, বানানটা ঠিক আছে?


Name:  pi          

IP Address : 174.100.177.10 (*)          Date:21 Jun 2017 -- 11:49 AM

রোশনি এখানে দিয়ে দিয়েছে, দেখবেন।

http://www.guruchandali.com/blog/2017/06/20/1497963996788.html


Name:  পাই          

IP Address : 57.29.221.135 (*)          Date:15 Oct 2017 -- 10:41 PM

দেবব্রতর একটা স্ট্যাটাস শেয়ার করছি।

আমাদের সকলের প্রিয় সাহিত্যিক বিপুলদা Bipul Writes ডেঙ্গিতে আক্রান্ত। O + রক্ত চাই। শিলিগুড়ির বন্ধুরা অবিলম্বে বিপুলদার স্ত্রী (94343 84903) বা কন্যা Sayantani Dasএর সঙ্গে যোগাযোগ করুন।



Name:  pi          

IP Address : 57.29.197.116 (*)          Date:05 Dec 2017 -- 11:48 AM



Not much fund has been raised till date - Time is running out for Priya - Please donate and if you have donated already, please share with your friends and families !!!
==================================
We have appealed few months earlier for Priya Das, a 23-year-old homemaker from Kolkata who is suffering from a large AVM in the Brain (AVM stands for Arteriovenous Malformation which is a tangle of abnormal and poorly formed blood vessels (arteries and veins)). NIMHANS has confirmed that a surgery with embolization has to be done as soon as possible, which will cost at a least Rs 5 Lakh.
Priya’s headache is again back and this time, it seems we are running out of time. Details of the case with reports etc is provided in the following URL: http://brainavm23f.blogspot.in/ as well as a summary is provided below.
=========================================
Priya Das, a 23 year old homemaker from Kolkata suddenly felt severe headache and started to vomit profusely in April end of 2017. She was admitted to NRS Hospital in Kolkata, where after a CT Scan, an AVM in the Brain was diagnosed. Please refer the attached CT Scan report and NRS prescriptions.
( AVM : AVM stands for Arteriovenous Malformation. An AVM is a tangle of abnormal and poorly formed blood vessels (arteries and veins). They have a higher rate of bleeding than normal vessels. AVMs can occur anywhere in the body. Brain AVMs are of special concern because of the damage they cause when they bleed. They are very rare and occur in less than 1% of the general population. AVMs that occur in the coverings of the brain are called dural avms.)
Due to the severity of the AVM, she was referred to Neuro Specialty Hospital where CT Angiography confirmed the presence of a large and complex AVM. She was seen in RN Tagore, Institute of Neurosciences and finally in Bangur Institute of Neurology. But due to the size of the AVM, one of the senior Neuro-Surgeon was of the opinion that, "This patient has a large AVM, which has probably ruptured. It is a very complicated AVM and needs evaluation with MRI and DSA. This AVM is large for Gamma knife radiosurgery. Ideally, this will require a couple of session of embolization, followed by brain surgery.”
(Embolization: Under general anesthesia, a small catheter is advanced from groin, into brain vessels and then into the AVM. A liquid, non-reactive glue is injected into the vessels which form the AVM to block the AVM off. There is a small risk to this procedure and the chances of completely curing the AVM using this technique depend on the size of AVM. It is frequently combined with the other treatments such as radiation or surgery.)
Most of the doctors in Kolkata were of the opinion that the patient should visit NIMHANS as it’s the apex Neuro Institute of India and the AVM seems to be of very complex nature. Also due to Priya’s family’s financial condition, NIMHANS, being a government hospital, will be the cheapest option.
Realizing the urgency of the situation, an NGO, Mission Arogya, contacted the Director of NIMHANS and arranged for an appointment for with Dr Bhaskar, HOD of the Neuro-Surgery Department of NIMHANS. Priya with her husband, Abhijeet Das reached Bangalore on 23rd July and on 24th July, Priya was seen by the Neuro Surgery department Doctors. They advised for an immediate DSA and MRI. As only one MRI machine was working, there was a waiting period of a couple weeks or more. Once again, Mission Arogya’s volunteer network sprung into action and within three days, the MRI (28th July) and the DSA (29 July) was done.
Priya along with Abhijeet visited the Neurosurgery Department again on Monday with the reports – the outcome was simultaneously good and a little worrisome. The good news was that though the AVM was large, the surgery can be done with embolization and the AVM can be completely cured.
(Surgery of AVM: The AVM is surgically removed in an operating room under general anesthesia. But first an embolization will be required. Under general anaesthesia a small catheter (plastic tube) is advanced from the groin, into the brain vessels and then into the AVM. A liquid, non-reactive glue is injected into the vessels which form the AVM to block the AVM off. There is a small risk to this procedure but it is frequently combined with surgery for larger AVM surgery for successful result. Since AVMs do not grow back, the cure is immediate and permanent if the AVM is removed completely. The risks of surgery are considered to be high for AVMs that are located in deep parts of the brain with very important functions.)
The worrying news is, while the surgery would be completed at a very minimal cost, the embolization materials cost needed to be arranged by the patient. The embolization materials are imported from US and cost approx. 5 lakhs. Please refer the estimate provided by NIMHANS (attached). To make matters worse, Priya's husband, Abhijeet, had lost his job a few months earlier. With him currently out of job and without any savings, it’s impossible for them to arrange for this amount. As such, we earnestly request you to fund this treatment and provide Priya with a new lease of life. Without your help, it will be impossible to get the surgery done.
===================================
Donation can be made using any of the following:
Indian Bank Account - Any donations made in this account is 80G/12A exempt -
Account Name: AROGYACARE AND KMES
Bank: YES BANK
Branch Address: 22 Prince Anwar Shah Road
Account Number: 032094600000502
IFSC CODE: YESB0000320
MICR CODE: 700532006
OR
using PayTM at phone 8334880900
(Please mention that you are donating for Priya)
OR
using Paypal the following link of Paypal directly : http://bit.ly/r3gdonate
OR
If you are from outside India and/or non-Indian passport holder, you can also use Paypal or your Debit/Credit card to donate, by clicking on the "Paypal Donate Link" on our webpage:
http://missionarogya.blogspot.in/
OR
If none of the above work, using the Milaap Campaign - (though Milaap will deduct approx 10% for processing) - https://milaap.org/fundraisers/helppriyadasbrainsurgery


Name:  pi          

IP Address : 57.29.253.230 (*)          Date:07 Dec 2017 -- 01:09 PM

আচ্ছা, এই কেসে ১৪০০০ উঠে গেছে। আর ৫-৬ লাগবে। রাজীব সেনগুপ্তর পোস্ট ছিল।

Mr. Mujibar Miya, is a 46 year old gentleman from Mathabhanga, North Bengal, who fell from tree 8 months back and got injured in the back that caused compression in the nerves coming out from spinal cord (called cauda equina) supplying the bladder and bowel and the lower limbs. Since then he is having difficulty in urinating and defecating and inability to walk well due to lower limb weakness - collectively this is called "Cauda equina syndrome". Now, these signs and symptoms are getting severe and making him difficult in working. He is the only earning person in the family and his disability is not only suffering him but also his own family.
In hope to get the treatment at a minimal cost, the patient and his family have travelled to Telangana at KIMS hospital, Narketpally, where after further evaluation doctors have advised to undergo an urgent nerve decompression surgery. Dr. Rakesh Biswas from KIMS Narketpally is taking care of the patient and the KIMS team is trying their best to get him treated at minimum cost. While at any other hospital it would have cost lakhs, KIMS Hospital Management has agreed for getting the operation done for Rs 20000 only. But with his family condition he is not able to arrange for this minimal amount too !! We need to arrange for the Rs 20000 as soon as possible to help him get back to his regular life. Any help will be greatly appreciated.
You can donate at -
Indian Bank Account - Any donations made in this account is 80G/12A exempt -
Account Name: AROGYACARE AND KMES
Bank: YES BANK
Branch Address: 22 Prince Anwar Shah Road
Account Number: 032094600000502
IFSC CODE: YESB0000320
MICR CODE: 700532006
OR
using PayTM at phone 8334880900 (you have to do it from an Indian phone number)
(Please mention that you are donating for Mr Miya)
OR
using Paypal the following link of Paypal directly : http://bit.ly/r3gdonate

Thanks Vivek Poddar for helping in drafting this appeal - please tag Abhishek and others

For now the requirement is only Rs 20000 .. Please help !!.


Name:  pi          

IP Address : 24.139.221.129 (*)          Date:07 Dec 2017 -- 01:30 PM

আচ্ছা, রাজীবদা জানালেন এখুনি যে মুজিবর মিয়ার জন্য ২০০০০ উঠে গেছে, আর পাঠাতে হবেনা। কিন্তু প্রিয়ার জন্য দরকারি ৫ লাখের প্রায় কিছুই ওঠেনি। কেউ পাঠালে প্রিয়ার জন্য পাঠিয়ে দেবেন। ওর শরীরের অবস্থা ভাল না, মানে ক্রমশঃ খারাপ হচ্ছে, তাই অপারেশন শিগ্গিরিই লাগবে।


Name:  নেতাই          

IP Address : 175.225.106.71 (*)          Date:13 Dec 2017 -- 02:30 PM

আমার ছোটোবেলার বন্ধু উত্তম সম্প্রতি খানিক বিপদে পড়েছে। ওর ছোটো মেয়েকে (বয়স প্রায় একবছর) ভেলোরে (CMC) দেখিয়েছিল, বলেছে profound hearing loss। অর্থাৎ ও আর এমনিতে কানে প্রায় একদমই শুনতে পাবেনা। ফলত কথাও বলতে পারবে না। এর রেমেডি বলতে cochlear implant surgery আর সাথে থেরাপি। দুটো কানের জন্য খরচের প্রায় ১৬ লাখ। এবং
এটা যত তাড়াতাড়ি করা যায় তত বেশী সম্ভবনা শোনার শক্তি ফেরত পাওয়ার।

উত্তম প্রাইমারী স্কুলে পড়ায়। যৌথ পরিবারে থাকে যেখানে বাকিদের ইনকাম প্রায় নেই। ওর বড় মেয়ের বার্নিং ইনজুরি হয়েছিল যার চিকিৎসা এখনো চলে। কেউ অর্থ বা অন্য যেকোনো সাহায্য করতে পারলে উপকার হয়। অর্থ সাহায্যের জন্য লিংক পাবেন এইখানে।

https://www.ketto.org/fundraiser/prarthana

সবাইকে ধন্যবাদ



Name:  pi          

IP Address : 24.139.221.129 (*)          Date:15 Dec 2017 -- 12:54 PM

ব্যাংক আকাউন্ট , কোড ইত্যাদি পাওয়া যাবে ? এই সাইটে গেলে তো ঘুরেই যাচ্ছে। ব্যাংক থেকে মোবাইলে কিছু খোলা গেলনা।


Name:  নেতাই           

IP Address : 175.225.106.71 (*)          Date:19 Dec 2017 -- 04:03 PM

পাইদি, তোমাকে মেল এ পাঠাচ্ছি।


Name:  নেতাই           

IP Address : 175.225.106.71 (*)          Date:19 Dec 2017 -- 04:11 PM

যেহেতু প্রাইভেট অ্যাকাউন্ট তাই খোলা পাতায় ডিটেল্স দিলাম না।


Name:  pi          

IP Address : 233.176.126.52 (*)          Date:19 Dec 2017 -- 04:51 PM

ওকে।


Name:  Titir          

IP Address : 138.210.107.26 (*)          Date:03 May 2018 -- 11:08 PM

বেঙ্গালুরুতে ভালো নিউরোলজি এবং কার্ডিওলজির কোন হসপিটাল জানা থাকলে একটু বিশদে বলবেন।
এছাড়া থাকার জন্য ভালো কোন জায়গার খবর।



Name:  S          

IP Address : 202.156.215.1 (*)          Date:03 May 2018 -- 11:47 PM

ব্যাঙ্গালুরুর কাছেই তো ভেল্লোর। ৪ ঘন্টা। ওখানে বোধয় তাও সস্তায় কিছু থাকার জায়্গা পাবেন।

এছাড়া দেবি শেঠির বেশ কিছু হাসপাতাল আছে ব্যাঙ্গালোরে। গুগল করলেই পেয়ে যাবেন।


Name:  Dj          

IP Address : 71.8.157.162 (*)          Date:04 May 2018 -- 02:17 AM

নিউরো
http://www.nimhans.ac.in/locate-us

নিউরো এবং কার্ডিও
https://sssihms.org/



Name:  কল্লোল          

IP Address : 116.203.129.77 (*)          Date:04 May 2018 -- 12:29 PM

নিউরোলজির জন্য নিমহ্যান্স। খুব ভালো। কার্ডিওলজির জন্য জায়াদেবা হার্ট, নারায়ন হৃদয়ালয়। ছোটখাটো কার্ডিওলজির সমস্যার জন্য ব্যাঙ্গালোর হসপিটাল।


Name:  Titir          

IP Address : 138.210.107.26 (*)          Date:04 May 2018 -- 08:10 PM

সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। নিমহ্যন্স আর নারায়ণ হৃদয়ালয়ের মধ্যে দূরত্ব এক ঘণ্টার। এক জায়গায় থেকে কি এই দুই জায়গায় নিয়মিত যাতায়াত করা যাবে? শুনেছি ব্যাঙ্গালোরের ট্রাফিক খুব বেশি।


Name:  কল্লোল          

IP Address : 116.203.151.242 (*)          Date:05 May 2018 -- 08:07 AM

লুরুতে দূরত্ব- সময়ের হিসাব কাজ করে না। নিমহ্যান্স থেকে নারায়ন হৃদয়ালয় যেতে সকালে ২ ঘন্টা, বিকালে ৩ ঘন্টা লাগে। তাও যদি টোল রাস্তায়(নাইস রোড) যাওয়া যায়। না হলে (সিল্ক বোর্ড হয়ে হ্সুর রোড) আরও ১ দেড় ঘন্টা বেড়ে যাবে। বনারঘাটা রোডে গোতিগেড়ে পেরিয়ে একটা ভিতরের রাস্তা আছে, বেশ ঘোড়ালো, তবে একটু সময় বাঁচে, কিন্তু কদাপী বর্ষাকলে ও রাস্তায় নয়।
নারায়ন হৃদয়ালয়ে থাকলে আসে পাশে নানা কিসিমের হোটেল, গেস্ট হাউস, ভাড়াবাড়ি পাওয়া যায়। ভাড়াবাড়িতে রান্নাও করা যায়। না হলে হাসপাতালের ভিতরে ও বাইরে ভালো খাবার জায়গা আছে।
নিমহ্যান্সের ভিতরে বেশ ভালো থাকার জায়গা আছে। যদিও রুগীর একজন আত্মীয় (রক্তের সম্পর্ক - মা, বাবা, ভাই বোন, চেলে, মেয়ে) অথবা স্ত্রী থাকতে পারবেন। ব্যবস্থা বেশ ভালো। এছড়াও নিমহ্যান্সের ভিতরে থাকার জায়গা আছে। একটু ধরাকরা করতে হয়। আশে পাশে প্রচুর ভাড়াবাড়ি ও হোটেল আছে - একটু খরচ বেশী। তবে নিমহ্যান্সে চিকিৎসার খরচ নামমাত্র।


Name:  Titir          

IP Address : 138.210.107.26 (*)          Date:07 May 2018 -- 08:24 PM

অনেক ধন্যবাদ। এই তথ্যগুলো খুব কাজে দেবে। নিমহান্সএ ফোন করে জেনেছিলাম ওদের সকল আটটা থেকে রেজিস্ট্রেশান শুরু হয়। কিরকম ভিড় হয় জিজ্ঞাসা করতে বললেন আমরা কিছু বলতে পারব না। আপনার কি কিছু জানা আছে এই ব্যাপারে?
মানে যেদিন যাব সেদিনই কি এপয়েন্টমেন্ট পেতে পারব?

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7] [8] [9] [10] [11] [12] [13] [14] [15] [16] [17] [18] [19] [20] [21] [22] [23]     এই পাতায় আছে636--666