আপনার মতামত         



বন্দরের কাল

সৌম্য দাশগুপ্ত



এসব ক্ষেত্রে যা হয় আর কি। প্রিয়জনদের কথা মনে পড়ে। মনে হয়
যদি তিনি এখানে থাকতেন কি আশ্চর্য হতেন কি আনন্দ পেতেন।
হলুদ হয়ে যাওয়া হাতের তালুর দিকে তাকিয়ে থাকতেন, সেখানে সময়
তার যাবতীয় নাব্যতা নিয়ে গড়িয়ে যাচ্ছে, শিথিল
হয়ে যাচ্ছে ক্রিয়াপদহীন ভাষার কারুকার্য, সুমেরু পর্বতে
শামিয়ানা টাঙানো হচ্ছে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীদের।

তন্মুহূর্তে মনে হয় আসলে ওই দেয়ালে চলমান,অশরীরী, মায়াময় প্রতিচ্ছবি
দেখতে দেখতে তিনি আদৌ আশ্চর্য হতেন না। তথ্যের তীব্র ধাক্কা
তাঁর স্নায়ু প্রত্যাখ্যান করতো, তিনি ভান করতেন, যেন
দেয়ালটা নেই,চলমান নেই, অশরীরী নেই, মায়াহীন
প্রতিচ্ছবি ভাসছে না কোথাও, কেবল
বৈঠাহীন এক প্রাচীন নৌকো তাঁর হাতের ওপর বহমান

শিশুর সারল্যে সেদিকে তাকিয়ে বলতেন, দ্যাখো, যাত্রা করো,
যাত্রীদল, এসেছে আদেশ, বন্দরের কাল হ'ল শেষ