আপনার মতামত         


কেস জন্ডিস। একদিকে হিলারি ক্লিন্টন ন্যাজেগোবরে। অন্যদিকে মাওবাদীরা জনযুদ্ধটুদ্ধ ভুলে সংসদে আসীন। আন্তর্জাতিক খাদ্যসংকট। বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ছে হুহু করে। এদিকে আইপিএল এ মহানায়ক শাহরুক চিৎপটাং। ওদিকে তিরিশ বছর পর বঙ্গের পারপিচুয়াল কনসেন্ট-ম্যানুফ্যাকচারিং-মেশিন বামফ্রন্ট সরকার পঞ্চায়েতে কুপোকাত। কেউ কথা রাখেনি। এইরকম বিশ্বপরিস্থিতিতে ও বিশ্বব্যাপী এক বিপুল টালমাটালের সূচনালগ্নের প্রেক্ষাপটে গুরু বারো কেন চার মাস পরে বেরোলো, এই জাতীয় ক্ষুদ্র ও স্বার্থপর প্রশ্ন আশা করা যায় কেউ করবেন না। মনে রাখবেন, এই কঠিন পরিস্থিতিতে এইসব খুচরো প্যাচাল নিয়ে যাঁরা মাথা ঘামাচ্ছেন, তাঁরা অবশ্যই প্রতিক্রিয়াশীল। মনে রাখবেন, বৃহত্তর স্বার্থকে উপেক্ষা করে ক্ষুদ্রতর স্বার্থকে রক্ষা করা যায়না। অরণ্যে দাবানল লাগলে দেবালয় রক্ষা পায়না।

তাই, বাজে প্রশ্ন রাখুন। আপাতত: যা পাচ্ছেন খুঁটে খান। দু-চাট্টি ইয়ার্কি। কিছু কঠিন কথা। গপ্প-কবিতা। বানান ভুলের হযবরল এবং অনিবার্য টীকাটিপ্পনি। বেরিয়ে গেল গুরুচন্ডা৯ বারো। তিন মাস না চার মাস নিয়ে মাথা ঘামিয়ে কাজ নেই। মনে রাখবেন, ভালো জিনিসের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। ধৈর্য ধরতে হয়। কবি বলেছেন "আবার বছর কুড়ি পরে/তোমাকে পেয়েছি একা ঘরে'। তার তুলনায় এতো মোটে চার মাস। মহাকালের হিসেবে একটি আঁচড় মাত্র। একটু মানিয়ে নিন। কাইন্ডলি।

জুন ৩, ২০০৮