বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

নাইট ডিউটি

ডাঃ ঐন্দ্রিল ভৌমিক

ডাঃ খান বললেন, “বাজে বকিস নে ঐন্দ্রিল। বাষট্টি পেরিয়ে তেষট্টি হল। আমার এখন এক এবং একমাত্র লক্ষ পঁয়ষট্টি ক্রস করে এই হেলথ সার্ভিস থেকে পালানো। মাঝরাতে এসব ঝামেলার রোগী দেখলে কাউন্সিলিং তো দূরের কথা, গালি দিতে ইচ্ছে করে।”

আরও পড়ুন...

ত্বকের অসুখে কেলেঙ্কারি ককটেল

ডাঃ কৌশিক লাহিড়ী

কোনভাবেই শিডিউল H তালিকায় থাকা ওষুধ প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি করা যায় না, এবং বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করাও যায় না। বছরে দেড় হাজার কোটি টাকার (এই হিসেবেটি বছর তিনেকের পুরোনো) ওপরে ব্যবসা ষ্টেরয়েড ক্রিমের, তার প্রায় দুই তৃতীয়াংশ কোন প্রেসক্রিপশন ছাড়াই, যার প্রায় পুরোটাই অপব্যবহার, পৃথিবীর কোনো সভ্য দেশে যেটা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন...

সুভাষ, গান্ধি ও ত্রিপুরী অধিবেশন

সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

বিরাট উদ্যমের পরেও বাংলায় সাম্প্রদায়িকতা জয়ী হয়নি। বর্ণহিন্দু আসনগুলিতে কংগ্রেস বিপুলভাবে জিতলেও, মুসলমান আসনে মুসলিম লিগ একেবারেই ভালো করেনি। বেশিরভাগ আসনে জিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ পার্টি হয় মূলত মুসলমান চালিত কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষ দল, ফজলুল হকের কৃষক-প্রজা পার্টি ( মুফাফফর আহমেদ এবং নজরুল ইসলাম উভয়েই এই পার্টির ঘনিষ্ঠ ছিলেন)। ফজলুল হক কংগ্রেসের সঙ্গে জোট সরকারের প্রস্তাব দেন। ১৯০৫ সালের ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ণ রেখে বাংলায় হিন্দু-মুসলিম উভয়ের প্রতিনিধিত্বে ধর্মনিরপেক্ষ সরকারের সম্ভাবনা তৈরি হয়। এবং শুনতে আশ্চর্য লাগলেও গান্ধির নেতৃত্বে ধর্মনিরপেক্ষ দল কংগ্রেস দ্বিতীয়বার ধর্মনিরপেক্ষতার পিঠে ছুরি মারে (প্রথমটি ছিল কেবলমাত্র হিন্দু আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত)। কংগ্রেস জানায়, তারা জোট সরকারে অংশগ্রহণ করবেনা, সমর্থনও দেবেনা। ফজলুল হক বাধ্য হন মুসলিম লিগের সঙ্গে জোটে যেতে।

আরও পড়ুন...

লারপেন্ট সাহেবের দপ্তর

সুপর্ণা দেব

লারপেন্ট সাহেবের দপ্তরের ভার নিলাম আমি। প্রথম দিন অফিসে ঢুকে মনে হল ভুল করে কোন ছাপাখানায় চলে এসেছি না তো? পর পর দাঁড়িয়ে আছে ফোটোকপি মেশিন। হু হু করে কপি হচ্ছে দিস্তে দিস্তে কাগজ। বান্ডিল বান্ডিল অডিট রিপোর্ট। ৩৩৫৪ টা গ্রাম পঞ্চায়েত, ৩৪১ টা পঞ্চায়েত সমিতি আর ১৮ খানা জিলা পরিষদ। পৌরসভা আর কর্পোরেশনও পিছিয়ে নেই। চারদিকে শুধু কাগজ কাগজ আর কাগজ। বসার জায়গা নেই, চলা ফেরার জায়গা নেই ।ফাইলের পেছনে চাপা পড়ে যাচ্ছে মানুষের মাথা। উন্নয়নের খতিয়ান কাগজবন্দি করে চলেছে লোকাল অডিট অফিস। এমন অদ্ভুত অফিসে এর আগে কাজ করিনি।

আরও পড়ুন...

চারটি কবিতা

শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়

"সকল শোকের কাছে পড়ে থাকে পাথরের হাত
একটি বিষণ্ণ গাছ ছায়া নামে সূর্য ডুবে যায়
কোথা যায়, কার কাছে নামিয়ে রেখেছে তার
সারা দিন ভার"

শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের চারটি কবিতা

আরও পড়ুন...

এক ডজন গরু - পাঠ প্রতিক্রিয়া

প্রতিভা সরকার

একটি উপকারী অহিংস পশুর ওপর প্রথমে মাতৃত্ব ও পরে দেবত্ব আরোপিত হলে তা হয়ে ওঠে রাজনীতির কান্ডারী দের হাতের অস্ত্র, ভ্রাতৃঘাতী দাঙ্গার কারণ ও আক্ষরিক অর্থেই ভোট বৈতরণী পার হবার মাধ্যম। গোরুর বিবর্তন- ইতিহাসের এই অনুসন্ধান ভক্তিভাব না জাগিয়ে প্রশ্নমুখর ব্যঙ্গের ঝিলিকে চোখ ধাঁধাবে এটাই প্রত্যাশিত। সে দিক থেকে শুভাশিস মৈত্রের "এক ডজন গরু ও অন্যান্য"কে ব্যঙ্গ রচনা বলা যেতেই পারে, কিন্তু সংকলনটি শুধু তাই নয়। তোষামুদে পুঁজি , সমাজ, রাজনীতি ও সুবিধাবাদী ভাঁড়- সকলের বিপরীতে দাঁড়িয়ে শানিত যুক্তি ও মানবিক বিশ্লেষণের চিরকেলে লড়াইয়ের একটা যুদ্ধ -দলিলও বটে।

আরও পড়ুন...

আজকের কবিতার পক্ষে বারোটি পাল্টা প্রশ্ন/ কবির স্থানাঙ্ক বিষয়ক দুই চারিটি কথা - দ্বিতীয় পর্ব

কুশান গুপ্ত

হাজার বছর আগের কবিরা এমনকি আজকের ফেসবুকে স্টেটাস আপডেট দেওয়া কবিদের সঙ্গেই যেন কিভাবে এক অলীক আত্মীয়তায় রয়েছেন। তাই , কাহ্নু, কৃত্তিবাস, জয়, বিনয় , সুনীল, মৃদুল, জয়দেব(বসু), সোমনাথ যেন নিরবচ্ছিন্ন কালপ্রবাহে একই সূত্রে বাঁধা, কিন্তু তাদের দেশ একই।সে আমাদের বাংলাদেশ, আমাদেরই বাংলা রে।মনে পড়ে গেল সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের এই কবিতায় সত্যজিৎ রায়ের কথা। মনে পড়ে গেল বিভূতি ভূষণ। অপুর হাতে ধরা গ্লোব, সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের এই কবিতা আবৃত্তি করে অপু এই পুরস্কার জিতেছিল। সুদুরের পিয়াসী, কৌতূহলী, অপু এই গ্লোব সবসময় হাতে রাখত, সত্যজিতের ‘অপরাজিত’ সাক্ষ্য দেয়। কিন্তু এও মনে পড়ে গেল সত্যেন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের অভিযোগ: ' সত্যেন করতেন কিছু/যদি না ছুটতেন ছন্দের পিছু পিছু'।

আরও পড়ুন...

কবিতা

বেবী সাউ

কয়েকটি কবিতা - বেবী সাউ

আরও পড়ুন...

কবিতা

সমিধ বরণ জানা

সমিধ বরণ জানার কবিতা

আরও পড়ুন...