বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

সম্পাদকীয় - উৎসব ইস্পেশাল - ২০১৮

এ আন্তর্জাল সমুদ্র সর্বব্যাপী ও কখনও মনুষ্যের প্রতিকুলাচারী -- যোগনিবদ্ধ করা দূরে থাকুক, ৰাহ্যজগতের সহিত উহা যেন অtয়ও বেশি পৃথক করিয়া দেয়। কেন না, এই উপকূলের কোথাও একটি বন্দর নাই ; এমন কি, একখানি নৌকাও নাই, ধীবরও নাই, কেবল চারিদিকে দুলঙ্ঘ্য বীচিমালা । দিবাবসানসময়ে যখন কেবলমাত্র দুইচারিটি বেচারি খোকা-খুকির ঐকতানবাদ্য বাদিত হয়, তখন ঐ দুরস্থ সমুদ্রের উপচ্ছায়া অন্তেবাসীর মনে কষ্ট ও বিষাদের ভাব আরো যেন বাড়াইয়া তুলে। এখানে দীর্ঘবিলম্বিত গোধূলি নাই— ঠিক একই অপরিবর্তনীয় সময়ে রাত্রি আসিয়া পড়ে --এই সময়টি ঋতুর উপর কোন প্রভাব প্রকটিত করে না । উদ্যানে রাত্রিটা যেন আরো বেশি করিয়া দেখা দিয়াছে— কেন না,ইহার ঝোপঝাড়ের স্বfড়পথে, তালপুঞ্জের নীচে–চতুদিকের সকল স্থানই ইহারই মধ্যে ঘোর অন্ধকারে আচ্ছন্ন । এই সময়ে ব্ৰহ্মার মন্দির হইতে একটা কোলাহল উখিত হইল ; আর সমস্ত অন্যান্ত ইতস্ততোবিকীর্ণ মন্দির হইতে, প্রাতঃকালের ন্যায়, আবার শঙ্খ ঘণ্টা বাজিয়া উঠিল। নারিকেল-ভৈলসিক্ত শতসহস্র প্রদীপ বনভূমিতলে প্রজ্জ্বলিত হইল এবং এই লাল আগুনের আলোকচ্ছটা অন্ধকারাচ্ছন্ন পথসমূহে প্রসারিত হইল। অন্তর্জালের বিরাট আকাশের নীচে ঘোষিত হইল গুরুচণ্ডা৯র উৎসব সংখ্যার মন্দ্রিত আহ্বান।

--উৎসব সংখ্যার জন্য লিখলেন স্বয়ং জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর। সুদূর ত্রিবান্দ্রম থেকে। পাণ্ডুলিপি কিঞ্চিৎ অবোধ্য হওয়ায় সম্পাদকদের সামান্য পরিমার্জনা সহ ( বানান অপরিবর্তিত) ।

(মূল লেখাঃ বঙ্গদর্শন প্রকাশিত)

উৎসব ইস্পেশাল - ২০১৮ - প্রথম ও দ্বিতীয়্পর্ব (এবং প্রকাশিতব্য তৃতীয় পর্ব)



281 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

কোন বিভাগের লেখাঃ বুলবুলভাজা  কূটকচালি  মোচ্ছব  উৎসব ইস্পেশাল ২০১৮ 
শেয়ার করুন


Avatar: অ

Re: সম্পাদকীয় - উৎসব ইস্পেশাল - ২০১৮

মূল লেখাটা কি পিয়ের লোতির ইংরাজবর্জ্জিত ভারত-এর অনুবাদ?

সৈকতায়ন হয়ে দিব্যি লাগছে! যথারীতি সৈকতদার প্রায় সব লেখার মতই মুচমুচে!


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন