বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

মান্দাসৌর

প্রতিভা সরকার

খুব হিসেব কষে, ছক কেটে ছড়ানো হচ্ছে গুজবটা। মান্দাসৌরের অত্যাচারিতা মেয়েটি নাকি মারা গেছে।

এই মিথ্যের পরিবেশনাও খুব নিখুঁত। মেয়েটির মৃত্যুকালীন কাতরোক্তি দিয়ে শুরু করে শেষ হচ্ছে মোমবাতি জ্বললো না কেন এই হাহাকারে।তারপরই তীব্র বর্শামুখ বাম এবং প্রগতিবাদীদের প্রতি। এই শালারাই সব নষ্টের গোড়া। অমুকের বেলায় প্রতিবাদ, এব্বেলা চুউউপ। এদের মুখোশ টেনে খুলে ফেলা হোক।

এই করতে গিয়ে স্বঘোষিত নিরপেক্ষদের খেয়াল থাকছে না যে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে অত্যাচারিতাদের নাম নেওয়া বারণ। দিব্যি কাঠুয়ার শিশু আর মান্দাসোরের শিশুকে নাম ধরে ধরে ডাকছেন তারা। তাদের আরো খেয়াল থাকছে না যে সহমর্মিতার ছলে তারা আগুন জ্বালাবার ব্যবস্থা করছেন। এমনিতেই দেশটা বসে রয়েছে বারুদের স্তূপের ওপর। একটা দেশলাই কাঠি ছোঁয়াবার অপেক্ষা শুধু। তারপর যে মৃতপ্রায় মেয়ে সুস্থ হয়ে উঠছে বলে রোজ হাসপাতালের বুলেটিনে লেখা হচ্ছে, সব আশায় ছাই ঢেলে যদি দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে তার কষ্টকর মৃত্যুর কাল্পনিক ধারাবিবরণী, তাহলে আশাভঙ্গজনিত রাগ, দুঃখ বিস্ফোরিত হবে না? সেই থেকে দাঙ্গা বেঁধে যাওয়াও কি খুব কষ্টকল্পনা?

এই ধর্ষণগুলো সত্যি আর নিতে পারছি না। মোমের শরীরগুলো গলে পুড়ে যাচ্ছে বদমাইশির আগুনে এ দেখা বড় মর্মান্তিক। এ নিয়ে কোন তর্কবিতর্ক করতে ঘৃণা হয়। তবু সত্যের খাতিরে বলি এই দেশের সংখ্যালঘুরা বড় রেজিলিয়েন্ট,বড় ঘাতসহ। নাহলে দাঙ্গার বিষ এতোদিন খেয়ে নিতো আমাদের। গোরক্ষার নামে লিঞ্চিং, লাভ জিহাদের ধুয়ো তুলে খুন, নমাজ পড়তে দেব না বলে নানা গা জোয়ারি -এতোসব সহ্য করেও যে তারা সমষ্টিগত ভাবে ধৈর্য রেখেছেন, প্ররোচনায় পা দিচ্ছেন না মোটেই, এইটা আমাকে বিস্মিত করে, শ্রদ্ধা জাগায়। যে জানোয়ারটি টুইট করেছে যে মান্দাসোর হল কাঠুয়ার জবাব, তার পাশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে একজনও দাঁড়ায়নি। সম্প্রদায় নির্বিশেষে পুরুষ মহিলারা রাস্তায় নেমেছেন শিশুকামের কঠিন শাস্তি চেয়ে। কোন আইনজীবী পায়নি ধর্ষক। বরং তার কবরের জমি দিতে অস্বীকৃত হয়েছেন স্বসম্প্রদায়ের লোকেরাই। পরে অবশ্য জানা গেছে টুইটারের ওই প্রোফাইলটি আপাদমস্তক ভুয়ো প্রোফাইল। হতেও পারে কোন হিন্দুত্ববাদী রাজিয়া বানো নামে ওই প্রোফাইলের আড়াল থেকে চূড়ান্ত উস্কানিমূলক কথাবার্তা বলে চলেছে।

এর পাশে মনে পড়ে জাতীয় পতাকা হাতে মিছিল? মনে পড়ে মহিলা আইনজীবীকে শাসানি ও ধর্ষণের হুমকি? মনে পড়ে ভিন্ন গ্রামে ধর্ষিতা শিশুকে কবর দেবার অসহায়তা?

কোন তুলনায় যাব না, তাই এইটুকু। নাহলে এদেশের সংখ্যালঘুর ঘাতসহতা নিয়ে অনেক বলা যায়। শেষে বিস্ময়াতুর একটি প্রশ্ন না রেখে পারলাম না। প্রতিবাদ করা উচিৎ ছিল ধর্মান্ধ শাসকের বিরুদ্ধে। সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে। বিকৃত মানসিকতা, শিক্ষার অভাব, অর্থনৈতিক দুর্দশা, এমন অনেক কিছুর বিরুদ্ধে। পর্ণ দেখা, মদ খাওয়ার বিরুদ্ধে বললেও কিছু যুক্তির দেখা পাওয়া যায়।

কিন্তু সব ব্যাটাকে ছেড়ে বেঁড়ে ব্যাটা ঐ বামেদের কথাই মনে পড়ে কেন আঁতেলেকচুয়ালদের সবার আগে? তাও কিনা যখন রাজ্য এবং কেন্দ্রে তারা সম্পূর্ণ 'অপ্রাসঙ্গিক'?

এরা কি কেবল হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালবাসে?



কোন বিভাগের লেখাঃ টাটকা খবর 
শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 2 -- 21
Avatar: &%$%%

Re: মান্দাসৌর

বিজেপির আইটি সেল নয়। সেলটা আরএসেসের।কলকাতার বেশ কিছু এলাকায় এসে তারা স্টাডি সার্কেল, সোশাল ওয়ার্ক, ক্যারাটে ক্লাস, বাচ্চাদের স্পিড ম্যাথস যাকে বৈদিক ম্যাথস নাম দিয়েছে ইত্যাদি শেখায়।একটাও বিজেপির সাথে ডিরেক্ট সম্পর্ক ছাড়াই।মানে আপনি ক্লাসে বসে থাকলেও বুঝবেন না বিজেপির সাথে এর সম্পর্ক কি।এতটাই সাটল।এরপরে আছে শিল্প সাহিত্য উইং।ফেসবুকে গল্প, চুটকি, সমাজের দর্পন আর নস্টালজিয়ার লেখা লিখে, পেজ বের করে, মীম বানিয়ে প্রথমে পাঠকবেস জোগাড় করে, তারপর আস্তে আস্তে রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা শুরু করে।ইভেন অন্য পেজ বা গ্রুপকে ক্যাপচার করার চেষ্টাও করে হ্যাক করে।আরভিসিজে বা কেচ্ছা যেমন
Avatar: প্রতিভা

Re: মান্দাসৌর

আমি টুপি খুলি আমার দেশের সংখ্যালঘুর সহনশীলতা এবং ঘাতসহ( resilient) মনোভাব দেখে। ইউরোপের দিকে তাকালে দেখি যে দেশে ২-৩% ইসলাম ধর্মাবলম্বী সেখানে আতংকবাদের নখর অনেক বেশি তীক্ষ্ণ। আই এসের ক্রিয়াকরম অনেক বেশি নগ্ন। এ দেশে কিন্তু বহুগুণ বেশি উপস্থিতি সত্ত্বেও সংখ্যালঘু আতংকবাদের জন্মদাতা নয়। বরং সে শিরোপা পাবার জন্য উদগ্রীব সংখ্যাগুরুর দল।

গত কয়েক বছরে একতরফা দাঙ্গার সংখ্যা কি হারে বৃদ্ধি পেয়েছে আমরা জানি। কতভাবে হেনস্থা চলছে তা রোজই খবরের কাগজে বেরোচ্ছে। কিন্ত আমার দেশের সংখ্যালঘু সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতি ছাড়া আর কোনভাবে প্রতিবাদ দেখাননি। এই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাসী সব ধর্মীয় সংখ্যালঘু - মুসলমান, ক্রীশ্চান, বৌদ্ধ, শিখ, সবাই।

এই সহাবস্থান বিঘ্নিত করার বিরাট চক্রান্ত চলছে। শিশুনির্যাতনকেও দাবার ঘুঁটি বানিয়ে চলছে ভুয়ো খবরে উত্তেজনা ছড়ানো। মান্দাসৌরের নির্যাতিতার মৃত্যুর মিথ্যে খবর যারা ছড়াচ্ছে এবং কাঠুয়ার থেকে ক' গ্যালন চোখের জল কম হল মান্দাসৌরে সেটা মাপবে বলে নিক্তি হাতে নিয়ে বসে আছে যারা তারা যেন নজর করে এদেশে শান্তিরক্ষায় সংখ্যালঘুর ভূমিকা।
Avatar: Sayantani

Re: মান্দাসৌর

এই নিয়ে লিবেরালরাও খুবই উত্তেজিত।তাঁদের দাবী ধর্ষক মুসলিম বলে আমরা অনেকেই প্রতিবাদ করছিনা, এবং এই 'সিলেক্টিভ' প্রতিবাদ তাঁরা সহ্য করতে পারছেন না। কাঠুয়ার সংগে এই ঘটনার মিল শুধু একটাই, যে দুই ক্ষেত্রেই ভিক্টিম একটি বাচ্চা মেয়ে, এছাড়া পুরো তুলনাটাই যে এপলস টু অরেঞ্জেস হচ্ছে এ তাঁরা বুঝতে পারছেন না, অথবা, বুঝতে চাইছেন না!
Avatar: প্রতিভা

Re: মান্দাসৌর

বুঝতে চাইছেন না, সায়ন্তনী, কোন অথবা টথবা নেই।
Avatar: দ

Re: মান্দাসৌর

এই নাম নেবার পাপটা অবশ্য আমিও করেছি। :-(

আমরা একটা বিপজ্জনক অবস্থায় বাস করছি। যে কেউ যে কোন সময় হয় গণপ্রহারে মৃত বা ধর্ষিত/ধর্ষিতা হয়ে যেতে পারে।


Avatar: সিকি

Re: মান্দাসৌর

সায়ন্তনী, ওরা 'লিবেরাল' হলে আমি গোঁড়া বৈষ্ণব।
Avatar: pi

Re: মান্দাসৌর

ওটা তথাকথিত লিবারেল হবে। বা, বলা ভাল, যারা অতি কায়দা করে, অন্যদের ' সিকুলার' বানিয়ে নিজেদের সেকুলার ইমেজের মুখোশটা বানাচ্ছে, অতি যত্নে, পরিকল্পনা করে। আইটি সেল প্রোডাক্ট হলেও অবাক হব না। ইন্ফ্যাক্ট এরা অনেক বেশি মাথা খাটিয়ে এই ইমেজ বানিয়েছে, যা অনেক বেশি ইফেক্টিভ, এদের কাজ কনভার্টেডদের কাছে প্রিচ করা নয়, কনভার্ট করা। এই অন্যদের সিকুলার বানিয়ে, সব এরকম আপেল কমলালেবু ক'রে ঘেঁটে দিয়ে একটু বাম্পন্থী লিবারেল মানেই মুসলিম তোষক বানিয়ে দিয়ে, নিজেদের সেই নিরিখে সেকুলার ও সেকারণে গ্রহণযোগ্য করে তুলে একটা বড় অংশের লোকজন, যাঁরা সে অর্থে আর এস এস বিজেপি না, তাঁদের মধ্যে ইসলামোফোবিয়া বা বলা ভাল মুসলিমফোবিয়ার বিষ ইন্জেক্ট করে। বহু ক্ষেত্রে এই প্যাটার্ন মিলিয়ে দেখলাম।
Avatar:  pi

Re: মান্দাসৌর

কদিন এইসব পোস্ট দেখে দেখে দেখে হেজে গিয়ে লিখেছিলাম,
চারদিকে আবার গেল গেল রব উঠেছে। আসিফার বেলায় এত আপত্তি, এই বেলায় নেই কেন? তো, কথা হল, প্রতিবাদ হচ্ছেনা, তা নয়। আর আরেকটা তফাত আছে। আসিফার কেসে রেপের কারণ কিন্তু আরো কিছু ফ্যাক্টর্ ছিল, ওই সম্প্রদায়কে এই রেপের মাধ্যমে ভয় দেখিয়ে উপত্যকা ছাড়া করার মেসেজ ছিল, আর সেটা ছিল ক্ষমতাসীন হিন্দুত্ববাদীদের থেকে। আসিফা কেসকে সব কিছু থেকে আলাদা করে শুধু রেপের কেস, মেয়েদের উপর অত্যাচারের কেস বলে প্রচারেও সে কারণে আপত্তি এসেছিল। রেপ কেবলমাত্র রেপ না, সব রেপ এক ককারণে হয়, ততাও ননা। রেপ ইজ আ টুল। যা নানাকারণে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সে নিয়ে বলতে গেলে তাকে ভিক্টিম ব্লেমিং, প্রেক্ষিত এসব বলে ঘেঁটে দেওয়া যেটা এখন চলছে, সেটা হিন্দুত্ববাদী আজেন্ডা আর সেটায় বিশ্বাস করাটা ওই আজেন্ডা খেয়ে যাওয়ার লক্ষণ। কিম্বা ইম্যাচিওরিটির।

আর হ্যাঁ, রেপ নিয়ে প্রতিবাদ হয়না বলে দেওয়ালে দেওয়ালে হিন্দুত্ববাদী নারীবাদীরা যে জিগির তুলেছে সেটা অন্যেরা খাওয়ার সময় ভেবে দেখছে কি, নির্ভয়া কি সুজেট কেসে কত প্রতিবাদ হয়েছে? এর কী উত্তর? বরং উলটে প্রশ্ন করি, এই ইন্দ্রাণী এটাল দের, সুলতানার জন্য একবারো মুখ খুলেছেন? না খুললে কেন না? দক্ষিণেশ্ব্রের পথশিশুটির জন্য?

সত্য হল, বহু রেপ নিয়ে প্রতিবাদ হয়েছে, ইরেস্পেক্টিভ অব ধর্ম, এবং বহুনিয়ে হয়নি ইররেস্পেক্টভ অব ধর্ম। তাতে করে ধর্ম বা পলিটিক্সের টুল হিসেবে রেপ ব্যবহৃত হয়না, এমন না। আর যারাযারা কেন প্রতিবাদ হয়ক্নি বলে এখন চেঁচাচ্ছে, তার‍্য নিজেরা, রোজ ঘটে যাওয়া শ খানেক রেপ নিয়ে প্রতিবাদ করেনি কেন, করেনা কেন, এরকম প্রশ্ন করলে কি ভাল হবে?


আর আরেক হল, আবার সেই ফাঁসির দাবি উঠেছে!
মৃত্যুদণ্ডের আইন এসব কমাচ্ছে কি? আবারো সেই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই চিৎকার শুনে একই কথা বলার।
না, রেপিস্টরা এই ভেবে রেপ করেনা যে ধরা পড়লে চোদ্দ বছর জেল হবে, আহা কী কম শাস্তি, আহা কী আরামের জীবন হবে, অন্তত কষ্টের তো নাই। ধরা পড়লে মৃত্যুদণ্ড হলে যারা বলেন ডেটারেন্ট হবে, তাদের লজিকটাই বুঝিনা। করার সাহস পায়, কারণ জানে হয় ধরাই পড়বে না বা পড়লেও ছাড়া পেয়ে যাবে। ধরা পড়া বা শাস্তির নিশ্চয়তা থাকলে চোদ্দ বছর ও ডেটারেন্ট হোয়ার কথা। তাই এরকম ক্রাইম হলেই শাস্তি এনশিওর করা ও ফাস্ট ট্র‍্যাক কোর্টে , চাপটা সেজন্য আসা উচিত।




Avatar: প্রতিভা

Re: মান্দাসৌর

pi, সহমত প্রতিটি পয়েন্টে।
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: মান্দাসৌর

"আর আরেক হল, আবার সেই ফাঁসির দাবি উঠেছে!
মৃত্যুদণ্ডের আইন এসব কমাচ্ছে কি? আবারো সেই ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই চিৎকার শুনে একই কথা বলার।
না, রেপিস্টরা এই ভেবে রেপ করেনা যে ধরা পড়লে চোদ্দ বছর জেল হবে, আহা কী কম শাস্তি, আহা কী আরামের জীবন হবে, অন্তত কষ্টের তো নাই। ধরা পড়লে মৃত্যুদণ্ড হলে যারা বলেন ডেটারেন্ট হবে, তাদের লজিকটাই বুঝিনা। "


এই এক বিপদ সবখানে। "চোখের বদলে চোখ" বা "ধর্ষনের বদলে লিংগ"! সংগে আছে শরিয়া আইনের চুলকানি, আর হেফাজতি বেহেস্তি খোয়াবনামা!

সহজ লজিক, আবার ছোয়াবও আছে!

ইয়া হাবিবী! 🤐


Avatar: Santanu

Re: মান্দাসৌর

Tobe bamponthider jobab ditey hobekeno Taslima Nasrin ke Kolkata chara hote holo. Keno progitishil musalman somaj ke kala dekhiye tara chirokal dhormandho mollader proti sohanubhuti dekhiye gelen. Keno prokashye beef kheye birotyo dekhano holo kintu tar pasjapashi prokashye pork khaoaholona.
Avatar: pi

Re: মান্দাসৌর

Avatar: pi

Re: মান্দাসৌর

Avatar: সিকি

Re: মান্দাসৌর

সুমন চট্টোপাধ্যায় আক্ষরিক অর্থে ট্রোলযোগ্য ব্যক্তি। অত্যন্ত ভুলভাল লেভেলের আলবাল লেখেন। হাতে একটি দৈনিক সংবাদপত্র আছে বলে উনি ধরাকে সরা জ্ঞান করেন। তার সঙ্গে তো ওনার আছেই কয়েকশো স্তাবকবৃন্দ। বাবু যত বলে পারিষদদলে ইত্যাদি। বাবু স্বয়ং টোটাল ফাঁকা কলসী টাইপের জনতা।
Avatar: দ

Re: মান্দাসৌর

কিন্তু এই লেখাটা যথাযথ।
Avatar:  pi

Re: মান্দাসৌর

আমারো লেখাটা যথাযথ লেগেছে। এগুলো একেবারেই এভাবে হয়ে থাকে। ওঁর সাথে বামেদের বা অন্যদেরও বহুবার লাগতে দেখেছি, ওঁর অনেক পোস্টের সাথে সহমতও হইনি। কিন্তু এই লেখায় সেসবকে ট্রোল বলেননি। পার্টিকুলার আইটি সেল প্রোডাক্ট নিয়ে অবজরভেশন বলেছেন, যা জিক
Avatar: দ

Re: মান্দাসৌর

নাঃ আমি ওঁকে ফলো করি না। এই অমিত্রাক্ষর কলামটাও অনেক সময়ই বেশ ভুলভাল লাগে।

কিন্তু 'আক্ষরিক অর্থেই ট্রোলযোগ্য"! এটা বেশ সমস্যাজনক সেক্ষেত্রে। ট্রোলিং মিথস্ক্রিয়ার কোনও রকম মাধ্যম হতে পারে এটা আমি মনেই করি না, সে আমার পছন্দমত কথা বলুক বা না বলুক।

Avatar: dd

Re: মান্দাসৌর

সুমনের এই লেখাটা পড়ে ভালো লাগলো।
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: মান্দাসৌর

অভাবী ছেলেটির শ্রীরাম ব্রিগেড এ যোগ দেওয়ার কথায় আৎকে উঠলাম।

এপারেও তাই, অভাবী, দরিদ্র শিশু কিশোর মাদ্রাসা হয়ে যোগ দিচ্ছে হেফাজতে, আগে যোগ দিত জামাত-শিবিরে।

সুমন ঠিকই লিখেছেন, ক্ষুধার্ত পেট বড়ই মারাত্মক! 🤐
Avatar: konnagar

Re: মান্দাসৌর


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 2 -- 21


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন