বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

বাংলাদেশে আবারো প্রকাশক খুন

বিপ্লব রহমান

বাংলাদেশে আবারো খুন হলেন মুক্তমনা প্রকাশক, কবি ও কমিউনিস্ট নেতা শাহজাহান বাচ্চু(৫৫)। সোমবার (১১ জুন) বিকালে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার কাকালদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শাহজাহান বাচ্চু ‘বিশাখা’ প্রকাশনীর স্বত্ত্বাধীকারী ও মুক্তমনা লেখক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। শাহজাহান বাচ্চু মুন্সীগঞ্জ জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

পুলিশ বলছে, কাকালদী মোড়ে দুটি মোটরসাইকেলে করে চার দুর্বৃত্ত শাহজাহানকে গুলি করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তার লাশ মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বাচ্চুর মেয়ে দূর্বা জাহান সোমবার রাতে ফেসবুকে এক পোস্টে বলেন, ‘আমার বাবা শাহজাহান বাচ্চু আজকে মরে গেছে। আমাদের গ্রামে। বাবাকে কারা যেন দুইটা গুলি করে মেরে ফেলেছে।’

পরে দূর্বা জাহান ফেসবুকে আরো লেখেন, ‘আমি থানায় গিয়ে বাবার লাশ ধরে দেখে আসছি। বুক বরাবর গুলি। লাশ ঠান্ডা। পোস্টমর্টেম করতে পাঠিয়েছে।’

বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সাবেক সভাপতি মাজহারুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, বাংলাবাজারের প্রকাশনা সংস্থা ‘বিশাখা’ প্রকাশনী নিয়মিতভাবে নির্মলেন্দু গুণ, মহাদেব সাহার মতো প্রখ্যাত কবিদের কাব্যগ্রন্থ বের করত। প্রকাশক হিসেবে সজ্জন ছিলেন বাচ্চু।

শাহজাহান বাচ্চু খুন হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বাংলাদেশের প্রগতিশীল মহলে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এর ব্যপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

নিহতর বন্ধু-সতীর্থরা জানান, ধর্ম, বিজ্ঞান, কুসংস্কার ইত্যাদি বিষয়ে শাহজাহান বাচ্চুর নিজস্ব মতামত ছিল। এ নিয়ে বন্ধু মহলে তর্ক-বিতর্ক করলেও কখনো তিনি এ নিয়ে কিছু লেখেননি। তবু কিছুদিন আগে তিনি মৌলবাদী গোষ্ঠীর কাছ থেকে হত্যার হুমকি পান। অনেকে তাকে বিদেশে পালিয়ে যাওয়া পরামর্শ দিলেও বয়সের কারণে তিনি রাজী হননি। অনেকটা নিভৃত জীবন যাপন করার জন্য তিনি গ্রামের বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন।

শাজাহান বাচ্চুকে কারা হত্যা করেছে, তা এখনো নিশ্চিত নয় তবে অনেকেই এ হত্যার জন্য জঙ্গিগোষ্ঠীকে দায়ী করছেন।

সোমবার রাতেই ‘ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যানিস্ট অ্যান্ড এথিকাল ইউনিয়ন’ বাংলাদেশে মুক্তমনা লেখক ও রাজনীতিবিদ হত্যার এই খবর প্রকাশ করে (লিঙ্ক)

বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন নিহত নাম উল্লেখ না করে সোমবার রাতেই ফেসবুকে লেখেন, ‘আগে ধর্মপ্রাণগুলো চাপাতি চালিয়ে সভ্য মানুষদের খুন করতো। এখন খুন করতে শুরু করেছে বন্দুক পিস্তল দিয়ে। এটি দিয়ে বেশি মানুষদের খুন করতে পারবে। সভ্যতার কবর দিয়ে দিতে পারবে ।’

নিহতর পার্টি, সিপিবির কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুল্লাহ আল কাফি লেখেন, ‘কবি, প্রকাশক, সিপিবি মুন্সিগঞ্জ জেলা কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাজাহান বাচ্চু ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’

মুক্তমনা লেখক ও গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা ফিরোজ আহমেদ লেখেন, ‘এত বন্দুকযুদ্ধ, এত অভিযানের পরও প্রকাশ্যে রাস্তার মোড়ে খুন হন শাহজাহান বাচ্চু...। নির্বাচনের আগে কত জটিল হিসাব নিকাশ মেলাতে আরও কত প্রাণ ঝরবে, কে জানে!’

প্রসংগত, প্রায় একমাস ধরে চলমান র‌্যাব ও পুলিশের যৌথ বাহিনীর মাদক বিরোধী অভিযানে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ দেড়শরও বেশী মানুষ নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে সর্বত্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর শাহবাগে আজিজ সুপার মার্কেটে নিজের অফিসে খুন হন জাগৃতি প্রকাশনীর মালিক, ফয়সল আরেফিন দীপন, যিনি মুক্তমনা লেখক অভিজিৎ রায়ের বই প্রকাশ করেছিলেন।

একইদিন জঙ্গি হামলায় লালমাটিয়ার কার্যালযে গুরুতর আহত হন অভিজিৎ রাযের আরেক প্রকাশক, ‘শুদ্ধস্বর’ এর আহমেদুর রশিদ টুটুল, তার বন্ধু রণদীপম বসু ও তারেক রহিম। চিকিৎসকদের আপ্রাণ চেষ্টায় তারা স্বুস্থ্য হয়ে দেশ ত্যাগ করেন।

এর আগে ২০১৫ সালেই ২৬ ফেব্রুয়ারিতে সন্ত্রাসী জঙ্গি হামলায় খুন হন অভিজিৎ।

অভিজিতের পর সিরিজ জঙ্গি হামলায় ব্লগার নীলাদ্রী নিলয়, অনন্ত বিজয় দাশ ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ওয়াশিকুর বাবুকে একই কায়দায় কুপিয়ে হত্যা করে জঙ্গিরা।



34 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

কোন বিভাগের লেখাঃ বুলবুলভাজা  খবর্নয়  অপার বাংলা 
শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 2 -- 21
Avatar: প্রতিভা

Re: বাংলাদেশে আবারো প্রকাশক খুন

এই মৃত্যু মিছিলের শেষ কোথায় !
Avatar: amit

Re: বাংলাদেশে আবারো প্রকাশক খুন

এই খবর নিয়ে মিডিয়া বা বুজিদের নীরবতা বড়ো বেশি চোখে লাগে। ভারত বা বাংলাদেশ দুটো দেশেই। আদৌ যেন এটা কোনো খবর নয়। অথবা মুসলিম মৌলবাদের বিরুদ্ধে বলতে গেলে হিন্দু বাদীদের বিরুদ্ধে লড়াই দ্যিলিউট হয়ে যাবে।
অবশ্য বুজিদের কেও কেও বলতেই পারেন তেনারা রোলের দোকান খোলেন নি , তাই সব ঘটনার প্রতিবাদ করা তাদের দায় নয় । তবে এর পরে তাদেরকে চরম তাচ্ছিল্য করলেও তাদের কিছু বলার মুখ থাকবে না। এখন যেমন শ্রীজাতকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না।
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: বাংলাদেশে আবারো প্রকাশক খুন

এই কী শেষ কথা?

বিএনপি-জামাতের মৌলবাদী সরকারের সাথে আওয়ামী-হেফাজতি সরকারের তাহলে পার্থক্য কোথায়?

আর আমাদের বরাহ হিমু কোং, তথা ভান্ডায়তের কুলমণি, জ্যান্ত অভিজিতের হন্তারক কুলদা রায়ই বা কোথায়? ডিজিটাল রক্ষ্মীবাহিনী হিসেবে তিনি ছবক দেবেন, তার সচু জমাদার দন্তময়ী ৬৪ দন্তকলা দেখাবেন, অপেক্ষায় আছি!

প্রগতির শত্রু এখন এই সব প্রগতির ভেক। লাল পতাকায় লাল পতাকা দমন!

এখন তো লিংক ছাড়া গীত নাই। #প্রয়োজনে প্রতি কথার সমর্থনে লিংক দিয়া ভাসাইয়া দেব! ঈমানে কই। চ্যালেঞ্জ!

আজাদ, অভি, নিলয়, দীপেন, বাবু, বাচ্চু মারসে, আগামীকাল বিপ্লব মরবে, কুলদা মাসিপিসি, ভেন্নাপাতা, কাঁঠালপাতা, ললিতকলা ইত্যাদি বালবিচি সাহিত্য কপচে দেশে-বিদেশে হাততালি কুড়াবেন, ডিজিটাল অটোগ্রাফ দেবেন, সমস্যা??
~~
শাহজাহান বাচ্চু খুনে সন্দেহে জঙ্গিরাই https://t.co/UKA8cUCoXB

Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: বাংলাদেশে আবারো প্রকাশক খুন

পূনশ্চ: "ডরাইলেই ডর, হান্দায় দিলে কিয়ের ডর?" :পি
Avatar: Atoz

Re: বাংলাদেশে আবারো প্রকাশক খুন

এ আবার কী????? অন্য সাইটের কুৎসা করা, অনুপস্থিত ব্যক্তিদের সম্পর্কে একতরফা নিন্দা করা---এসব কারা করে? ছিঃ।
অনেকক্ষণ ধরে দেখছিলাম, প্রথমে ভাবলাম কাটিয়ে দিই। তারপরে একটা প্রতিবাদ রেখে গেলাম।
Avatar: π

Re: বাংলাদেশে আবারো প্রকাশক খুন

এ কী কথা! বাচ্চু মারা যাওয়ার দিনেই তো কুলদা রায়ের পোস্ট ছিল!!


উপরে যিনি লিখেছেন তিনি বিপ্লব রহমানই নাকি বাগ?


কুলদা রায়ের এই পোস্ট সেদিনই দেখেছিলাম।

'১।মুক্তচিন্তাবিদ, অসাম্প্রদায়িক, কমিউনিস্ট, কবি, প্রকাশক ও ব্লগার শাহজাহান বাচ্চুকে হত্যা করা হয়েছে।

২। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পূর্ব কাকালদী (মুন্সীগঞ্জ-শ্রীনগর সড়কের) তিন রাস্তার মোড়ে আনোয়ার হোসেনের ফার্মেসির সামনে বসে কথা বলছিলেন শাহজাহান বাচ্চু। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে চার ব্যক্তি এসে তাকে জোর করে টেনেহিঁচড়ে দোকানের বাইরে নিয়ে যায়। তাদের মধ্যে তিনজন হেলমেট পরিহিত ছিল। এ সময় অন্যদের তারা সরে যেতে বলে। এর পরই হাত বোমা ফাটিয়ে আতঙ্ক তৈরি করে মোটরসাইকেল আরোহীরা। এক পর্যায়ে শাহজাহান বাচ্চুকে কাছ তার বুকের ডান পাশে একটি গুলি করে।

*(দেশের মানুষ একরামুল হত্যার কারণে র‍্যাবের উপর ক্ষেপে আছে। জঙ্গিবাদের দিকে মনোযোগ ফেরানো দরকার। বাচ্চু উপলক্ষে র‍্যাবের পজিটিভ ইমেজ গড়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।)

৩। বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ সমকালকে বলেন, বিশাকা থেকে কবিতার বই বেশি বের হতো। অনেক দিন ধরে বিশাকার কর্ণধার শাহজাহানের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ নেই। তিনি এই সংগঠনের সদস্য নন।

*(ফলে হে জঙ্গিবাদিরা, আমাদের কোনো দোষ নিও না বাপ--, মুরতাদ নাস্তেক ব্লগার বাচ্চুর কোনো দায় দায়িত্ব আমরা নিরীহ প্রকাশকরা নিচ্ছি না।)

৪। এইসব নাস্তেকরা ধর্মানুভূতিতে আঘাত করে ব্লগ লিখে সরকারকে ঝামেলায় ফেলতে চায়। এরা উন্নয়ন চায় না।
--স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী।

৫। আগামী বইমেলায় শাহজাহান বাচ্চুর বিশাকা প্রকাশনীকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হবে না। সে খুব গালিগালাজ করে লিখত।
--শামসুজ্জামান খাঁ।

৬। নাস্তেক ব্লগার হত্যা করা ওয়াজিব। এরা মেয়েদেরকে ক্রিকেট খেলতে দিতে চায়। --শফি হুজুর।

৭। দলীয় শৃংখলাবিরোধী কার্যক্রমের জন্য শাহজাহান বাচ্চুকে দুবছর আগে মুন্সিগঞ্জ সিপিবি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। বিপ্লব চাহিয়া লজ্জা দেবেন না। প্লিজ।
--মুজাহিদুল সেলিম
আমেন।'
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: বাংলাদেশে আবারো প্রকাশক খুন

পাই,

আপনি ঠিকই বলেছেন। আবার আমিও ঠিক বলেছি, বিশেষ করে অভিজিৎ রায় বিষয়ে কুলদা রায়ের ভণ্ডামি প্রসংগে। আজকাল এই সব মুখোশকেই মুখ বলে ভাবতে ইচ্ছা করে!, অগত্যা!
Avatar: π

Re: বাংলাদেশে আবারো প্রকাশক খুন

কিছু বুঝলাম না। যাগ্গে।
Avatar: ষষ্ঠ পাণ্ডব

Re: বাংলাদেশে আবারো প্রকাশক খুন

"একইদিন জঙ্গি হামলায় লালমাটিয়ার কার্যালযে গুরুতর আহত হন অভিজিৎ রাযের আরেক প্রকাশক, ‘শুদ্ধস্বর’ এর আহমেদুর রশিদ টুটুল, তার বন্ধু রণদীপম বসু ও তারেক রহিম। চিকিৎসকদের আপ্রাণ চেষ্টায় তারা স্বুস্থ্য হয়ে দেশ ত্যাগ করেন।"

এই বাক্য থেকে পাঠক জানলেন আহমেদুর রশীদ টুটুলের বলার মত পরিচয় হচ্ছে তিনি "অভিজিৎ রায়ের আরেক প্রকাশক" আর রণদীপম বসু ও তারেক রহিমের বলার মত পরিচয় হচ্ছে তারা আহমেদুর রশীদ টুটুলের বন্ধু। এই তিনজন মানুষ আর তাঁদের লেখালেখি সম্পর্কে বিপ্লব রহমান যদি কিছু না জানতেন তাহলে বলার কিছু ছিল না। সবকিছু জেনেও তাদের ব্যাপারে এত অশ্রদ্ধা কেন?
Avatar: ষষ্ঠ পাণ্ডব

Re: বাংলাদেশে আবারো প্রকাশক খুন

কমেন্ট সেকশনে সহব্লগারদের এবং অন্য ব্লগের অযাচিত কুৎসার ব্যাপারে আপত্তি জানিয়ে গেলাম। বাকিটা মডারেটরদের বিবেচনা।
Avatar: দ

Re: বাংলাদেশে আবারো প্রকাশক খুন

ইকিরে! এই অসভ্য লোকটা ব্যক্তিগত ঈর্ষার জ্বালা মেটাতে সচলকে, দুজন লোককে গালিগালাজ করে রেখেছে! আগে একবার এই একই জিনিষের প্রতিবাদ করেছিলাম বলে আমাকে জমাদার বলে গালি দেবার চেষ্টা করেছে!! কি লেভেলের ইতর মাইরি!

BTW আমি জমাদারদের সম্মান করি, কাজেই এটা গালি হয় না আমার ক্ষেত্রে। তবে সচলের কিছু বন্ধুর আদর করে দেওয়া নাম 'দন্তময়ী'কে এই নীচ ইতর বিপ্লব রহমানের ব্যক্তিগত খেউড়ের কাজে ব্যবহৃত হতে দেখে খুব ঘেন্না লাগছে।
Avatar: দ

Re: বাংলাদেশে আবারো প্রকাশক খুন

আর গুরুতে অন্য সাইট, অনুপস্থিত ব্যক্তিদের নামে খিস্তিখেউড় এনকারেজ করা হয় না কোনকালেই। আবার চোখে পড়লে আবার প্রতিবাদ করব।

আর অন্যের দেওয়া আদরের নামে নয় মুরোদে কুলোলে ইতর বিপ্লব যেন আমার নামেই গালি দেয় (যে কাজটা ভাল করে শিখেছে আর কি)
Avatar: π

Re: বাংলাদেশে আবারো প্রকাশক খুন

এরকম খিস্তিখেউড় শুরু করলেন কেন বিপ্লব রহমান? রিয়েল নামে লিখলেই এগুলো করা যায় নাকি?
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: বাংলাদেশে আবারো প্রকাশক খুন

"তিনজন মানুষ আর তাঁদের লেখালেখি সম্পর্কে বিপ্লব রহমান যদি কিছু না জানতেন তাহলে বলার কিছু ছিল না। সবকিছু জেনেও তাদের ব্যাপারে এত অশ্রদ্ধা কেন?"

অশ্রদ্ধা নেই তো। বরং যথেষ্ট শ্রদ্ধাই আছে। সংক্ষিপ্ততার চাপ না থাকলে হয়তো আরো দু-চার কথা বলা যেত। তাই সেটা বোঝার ভুল।

আর ভণ্ডামির প্রতিবাদেই কিছু গালাগাল। তবু প্রত্যেকের প্রতিবাদ বহাল রইল। এমনকি তৎসংলগ্ন ইতরপনাও।
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: বাংলাদেশে আবারো প্রকাশক খুন

*পুনশ্চ:

কাল ঈদ। পাড়ার মসজিদে ঘোষণা হওয়ামাত্র টোকাই গ্রুপ পটকা ফাটানো শুরু করেছে। তবে এবার ঈদে মন লাগছে না।

প্রতিদিন যেন চাপা আতংকে একটু একটু করে খুন হয়ে যাচ্ছি। মুক বধির অন্ধ হয়ে যাচ্ছি।

আজও মুক্তমনা আরেকজন খুন হলেন। পাহাড়েও ভাতৃঘাতি সংঘাত বাড়ছে। প্রতিদিন ঝরছে রক্ত বৃষ্টি।

নবারুণ ভট্টাচার্য মনে পড়ছে, আটজোড়া চোখ আমাকে ঘুমাতে দেয় না! এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না! এই জল্লাদের উল্লাসমঞ্চ আমার দেশ না!

ষষ্ঠ পাণ্ডব যথার্থই লিখেছেন, "অযাচিত", "কুৎসা", "মডারেটর"!

হাত কামড়ায়তে ইচ্ছে করছে। গুরুতে কি সব হাবিজাবি নোংরা কথা লিখে দিলাম! বমন যেন! আসলে চাপ নিতে পারছি না। ব্রেইন আউট হয়ে যাচ্ছে নাকি?

মোডারেটদের বলেছিলাম, ওপরের বাজে মন্তব্যগুলো সরিয়ে দিতে। সম্ভব হলে পুরো পোস্ট। তারা জানিয়েছেন, এটি আপাত সম্ভব নয়, ইত্যাদি।

আমি ভুল বুঝতে পেরেছি। ভীষণ অনুতপ্ত। দয়াকরে প্রত্যেকে আমায় ক্ষমাঘেন্না করবেন। আগের কুকথা উপেক্ষা করবেন। শুভ

Avatar: h

Re: বাংলাদেশে আবারো প্রকাশক খুন

তুমি কষ্ট পেয়েছো, আমরাও পেয়েছি। কারণ আমরা তোমার লেখার ভক্ত। কিন্তু উ'ত্সবের দিনে এসব মনে রেখো না। অনেক ভালোবাসা নাও। দমু অসম্ভব সাহসী ভালো মেয়ে এবঙ্গ কষ্ট করে লেখা পড়া করা আনরিপেন্টেন্ট লিবেরাল , সেল্ফ মেড প্রফেসনাল, হ্যান আমরা এখনো , ব্যক্তিগত ডিটেল জানি না, তোমাদের দেশের মত প্রাণ হাতে করে ঘুরি না, অন্তত সকলে সব জায়গায়, কিন্তু লিবেরাল পোলিটিকাল ফ্রন্টে আভ্যন্তরীন বিতর্ক অন্য ভাষায় হওঅ্যাই ভালো। পোস্টে র জন্য লজ্জ পেয়ো না, আমার তো এরকম অনেক ছগলামো ছড়িয়ে আছে, আই ওয়াজ রিয়েল রুড টু অরন্য , বাট আই গেস উই আর আর নট বিয়ন্ড এমপ্যাথি।@বিপ্লব
Avatar: π

Re: বাংলাদেশে আবারো প্রকাশক খুন

এটাই বলার, উৎসবের দিন। সবাই ভাল থাকুন, এসব কাটান।
Avatar: aranya

Re: বাংলাদেশে আবারো প্রকাশক খুন

সব লেখা পড়লাম। হনুর শেস পোস্ট-টাই আমারও এবং বোধ হয় এখানে প্রায় সকলেরই মনের কথা।

বিপ্লব ভুল স্বীকার করেছেন, দুঃখ প্রকাশ করেছেন, দ্যাটস এনাফ।

দু একটা কথা, আমার যা মনে হয়, বিপ্লবের উদ্দেশ্যে -

১। কাউকে ভন্ড মনে হলে, এবং সেই ভন্ডামির জন্য অন্য কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কারও প্রাণের ঝুঁকি বাড়ছে, এমন যদি সত্যিই মনে হয় - তবে গাল না দিয়ে প্রমাণ ও যুক্তি সহ এখানে লিখতেই পারেন। এ বিষয়ে লেখা ট্রিকি, খেয়াল রাখতে হবে যেন ভিত্তিহীন আক্রমন, খেউড়ে পর্যবসিত না হয়।

২। বিপ্লব-কেও মরতে হতে পারে লিখেছেন, আপনার ওপর-ও কি হুমকি আসছে? বাংলাদেশে সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা, বিশেষতঃ সংখ্যালঘু মানুষ - হিন্দু, আদিবাসী চাকমা - এদের হয়ে কথা বলা আজকের দিনে খুবই ঝুঁকির। সেই সাহসের কাজটা আপনি করে চলেছেন, হ্যাটস অফ।
Avatar: Sumit Roy

Re: বাংলাদেশে আবারো প্রকাশক খুন

শাহজাহান বাচ্চুর মৃত্যুতে আমি মর্মাহত। দুর্বা আমার পুরনো বন্ধু। ২০১০ সালে অনলাইনে যুক্ত হবার সাথে সাথেই তার সাথে আমার পরিচয় হয়, তখন থেকেই তার কাছে তার বাবার গল্প শুনতাম, মানুষটা সম্পর্কে আমার জানা তখন থেকেই... শাহজাহান বাচ্চুর মৃত্যুর সংবাদ শুনে আমি কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে ছিলাম। এই লেখাটা যেদিন লেখা হয় সেদিনই পড়েছিলাম, তখন কমেন্ট করার ইচ্ছা ছিল না, আজ করছি...

কমেন্টে অনেক বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে, আমিও ভাবছি একটা বিষয়ে আলোচনা করি... যুক্তিবিদ্যা নিয়ে আলোচনা করব ভাবছি... টপিক হচ্ছে একটি লজিকাল ফ্যালাসি। ল্যাতিনে একটি ফ্যালাসির নাম হচ্ছে argumentum ad hominem, আমাদের অনেকের কাছে "ad hominem" নামে পরিচিত। এই এড হোমিনেম এর আবার অনেক প্রকরণ আছে, এর একটি হল Ad Hominem (Circumstantial), প্রচলিত ইংরেজিতে যাকে বলা যায় "appeal to motive", আবার একে অনেকে conflict of interest বা স্বার্থ্যের দ্বন্দ্ব নামেও চেনে।

এত কথা না বলে ফ্যালাসিতেই ঢুকে যাই। কোন যুক্তির পেছনে যুক্তিদানকারীর স্বার্থ্য রয়েছে এমনটা দেখিয়ে যুক্তি বা দাবীকে ভুল বললে বা নাকোচ করলে এই হেত্বাভাস বা ফ্যালাসিটি সংঘটিত হয়। উদাহরণ:

১।
– কনজিউমার রিপোর্ট অনুযায়ী এই আমাদের গাড়ি এভারেজ গ্যাস মাইলেজের গাড়িগুলোর থেকে ভাল, আর এটা বর্তমানে গাড়ির সবচেয়ে রিলায়াবল ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে একটি
– এর সত্যতা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে, তুমি তো বিক্রির জন্য এটা বলবেই…

গাড়ি বিক্রেতার গাড়ি বিক্রির জন্য ইন্টারেস্ট আছে এই অজুহাত দিয়ে এখানে গাড়ির মানকে অস্বীকার করা হচ্ছে, যেখানে বিক্রেতার সেরকম কোন ইন্টেনশন নাও থাকতে পারে, বা বিক্রেতার বক্তব্যে সেরকম ইন্টেনশনের প্রভাব নাও পড়তে পারে।

২।
– মব যদি উত্তেজিত হয়ে ধর্ষককেও গণপিটুনি দেয় তা সঠিক হবে না, এতে বিচারহীনতার সংস্কৃতি প্রকাশিত হয়, তাকে পুলিসে দেয়া প্রয়োজন
– তুমি ধর্ষককে সমর্থন করছ, ধর্ষকের প্রতি সমবেদনা দেখাচ্ছ, এদেশের লোকেদের তো ইন্টেনশনই আছে ধর্ষকদের পক্ষ নেবার, তুমিও সেই পথে যাচ্ছ
(অতয়েব তোমার কথাগুলো ভুল)।

এখানে ধর্ষণের সপক্ষের মোটিভকে নিয়ে এসে অপরাধীর প্রতি মব জাস্টিসের বিরুদ্ধের যুক্তিকে নাকোচ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই বিষয়টি নিয়ে ফেইসবুকে এখন বাংলাদেশের মুক্তমনা কমিউনিটিতে তীব্র বাকবিতণ্ডা চলছে। এই ওয়েবসাইটে আমি বিষয়টা নিয়ে কিঞ্চিৎ আলোচনা করেছি, আর নিজের মতামত তুলে ধরেছি... এখানে লেখার লিংকটি দিলাম:
http://www.guruchandali.com/blog/2018/06/16/1529165359458.html

৩। তিন নম্বরে আরেকটি উদাহরণ দেয়া যাক, এটাও ২ নাম্বার উদাহরণটির মত আমার অভিজ্ঞতাতেই পাওয়া, তবে এর প্রেক্ষাপটটি কয়েক বছর আগের...

অভিজিৎ রায় ও ফরিদ আহমেদ:
“রবীন্দ্রনাথের এই বাইশ শ’ গানের অনেকগুলোই বিশুদ্ধ নয়, রবীন্দ্রনাথের মৌলিক গান নয়। অন্য কোনো গানের সুর থেকে সরাসরি নকল করা বা সেগুলোকে ভেঙেচুরে রবীন্দ্রনাথ নিজের মত করে নিয়েছেন। রবীন্দ্রনাথের অসংখ্য গান আছে বিদেশী সুর থেকে নেয়া, অনেক গান আছে লোকসংগীত থেকে নেয়া, অনেক গান আছে বাউল সুর থেকে নেয়া।” “তবে, হুবহু অন্যের সৃষ্টিকে নকল করা অর্থাৎ সরাসরি কুম্ভীলকতা বা চৌর্যবৃত্তি কীভাবে ‘অনুপ্ররেণাযোগ্য’ হয় সেটা অবশ্য আমরা জানি না।” “(রবীন্দ্রনাথের) এই স্তাবকবাহিনী তাঁদের পূজনীয় ঠাকুরকে বাঁচানোর জন্য গালভরা এক শব্দ ‘অনুপ্রেরণা’কে বেছে নিয়েছেন, ‘ভাঙা গানে’র ভরাট ঢালের আড়ালে অত্যন্ত সুকৌশলে নিয়ে গিয়েছেন শতাব্দীর সেরা চৌর্যবৃত্তিকে।”

(তথ্যসূত্র চাইলে দেয়া হবে)

কুলদা রায়:
“তাদের (অভিজিৎ রায় ও ফরিদ আহমেদ) কোনো কোনো লেখা বিশেষ করে রবীন্দ্রনাথ বিষয়ে লেখাটা অসত্য এবং পাকিপ্রচারণাপূর্ণ হওয়ায় সেটাকে জামাতি এজেন্ডার অংশ মনে করাটা খুব স্বাভাবিক। এবং পরবর্তীতে এই জামাতি এজেন্ডামূলক লেখাটা ছাগুরা ব্যবহার করছে। এবং করবে। পাকিছাগুদের ব্যবহার করতে দেওয়ার জন্যই সেটা লেখা হয়েছে।”
“রবীন্দ্রবিদ্বেষ পাকজমানা থেকেই সাম্প্রদায়িক-প্রতিক্রিয়াশীল চক্র করে আসছে। এখানে রবীন্দ্রনাথ নয়–একটি চেতনার বিরুদ্ধেই অপপ্রচারের মত গুপ্ত অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। সুতরাং তাকে বা তাদেরকে অবৈজ্ঞানিক-অযৌক্তিক-বিভ্রান্তিকর লেখক হিসেবে সনাক্ত করা কি ভুল?”

(তথ্যসূত্র চাইলে দেয়া হবে)

উপরের কথায় কেবল রবীন্দ্রনাথের সমালোচনা করা হয়েছিল, কোন বিশেষ উদ্দেশ্যের কথা সেখানে ছিল না। সেখানে এখানে এই লেখাকে জামাটি এজেন্ডার লেখা হিসেবে ধরে নিয়ে লেখাটির সমালোচনা করা হয়।

----------

এই ছিল এই লজিকাল ফ্যালাসিটির সম্পর্কে আলোচনা। এখন কমেন্টে যে বিষয়ের অবতারনা করা হয়েছে সে প্রসঙ্গে বলতে পারি, এখানে লজিকাল ফ্যালাসির ব্যবহার করা হয়েছিল, এবং সেই সাথে ব্যক্তি আক্রমণও ছিল। এগুলো নিন্দনীয়, সমালোচনাযোগ্য। কিন্তু সেই সাথে আমাদের এটাও মনে রাখা দরকার যে কোন যুক্তিবাদী, মুক্তমনাই এইসব লজিকাল ফ্যালাসি ব্যবহারের ঊর্ধ্বে নয়। এখন ফেইসবুকে যে ধর্ষকের গণপিটুনির নৈতিকতা নিয়ে আলোচনায় যারা শয়ে শয়ে লজিকাল ফ্যালাসির ব্যবহার করছেন, আর বারবার ব্যক্তি আক্রমণ করছেন তারা সবাই দেশের যুক্তিবাদী, মুক্তমনা ও প্রগতিশীল গ্রপেরই অংশ। আর আমার অভিজ্ঞতা বলছে এরকম ঘটনা একবার, দুবার নয়, বহুবার হয়েছে। এসবের জন্য প্রগতিশীলরা সবসময় যুক্তিপূর্ণ আচরণ করবেন এই আশাই আমার উঠে গেছে, বরং যুক্তিবাদকে এখন একতি সারাজীবনের তপস্যা বলে মনে হয়, বারবার যার পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে হয়। সেই হিসেবে দেখলে বোধ হয় আমরা অনেকেই "ভণ্ডামি" করি... যাই হোক, আমার ধারণা বিশ্বাসের ভাইরাস এর মত অভিজিৎ রায়ের অন্যান্য লেখা আসার পর কুলদা রায় অভিজিৎ রায় সম্পর্কে তার ধারণা পাল্টেছিলেন, অভিজিৎ হত্যার পর তিনি তার ধারণা পাল্টেছিলেন। এটা আমি জোড় দিয়ে বলতে পারি না, তবে কেন যেন আমার মনে হয় তিনি কখনও তার পূর্বের সেই কাজগুলোর জন্য অনুতপ্ত হয়েছিলেন।

কুলদা রায় এসব কথা একটি বিশেষ মতাদর্শ থেকেও বলতে পারেন। বুদ্ধিজীবীদের দায়ভার নিয়ে ইন্টেলেকচুয়াল জগতে একটি বিতর্ক আছেই, যেটা পরবর্তীতে সাধারণ, অনলাইন ইউজারদের মধ্যে পলিটিকাল কারেক্টনেসের বিতর্কে কিছুটা প্রবেশ করে। বুদ্ধিজীবীদের আচরণ কিরকম হওয়া উচিৎ? তারা কি মনে যা আসে, যাই ভাবেন তাই লিখতে পারেন? তাদের ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন সম্পূর্ণভাবে বলবৎ হওয়া উচিৎ? নাকি তাদের উচিৎ নিজেদের একটু কনট্রোল করা? তাদের কী এমন কিছু লেখা উচিৎ যা ব্যবহার করে প্রগতিবিরোধী চক্রের এজেন্ডা বাস্তবায়িত হবার সুযোগ তৈরি হয়? এসব ক্ষেত্রে কি বুদ্ধিজীবীদের আপোশ করা উচিৎ নয়? বুদ্ধিজীবীরা সমাজের অংশ, তার লেখা সমাজে কী প্রভাব ফেলতে পারে এটা না বিশ্লেষণ করে তিনি কেন লিখতে যাবেন? এসব প্রশ্ন বুদ্ধিজীবীদের কাজ নিয়ে নৈতিক বিতর্ক তৈরি করে। একপক্ষ বলেন বুদ্ধিজীবীরা (ও শিল্পীরা) এসব না ভেবে কাজ করে যাবেন, আরেক পক্ষ বলে বুদ্ধিজীবী (ও শিল্পীদের) একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা থাকে, এসব তাদেরকে অবশ্যই ভাবতে হবে, তারা এগুলো এড়িয়ে যেতে পারেন না। (পরে কখনও এই বিষয়ে বিস্তারিত লেখার চেষ্টা করব।)

কুলদা রায় হয়তো দ্বিতীয় মতাদর্শটিতে বিশ্বাসী ছিলেন, তাই তিনি অভিজিৎ রায়ের এই লেখা দেখে সমাজের উপর এর প্রভাব বিবেচনায় এমন আচরণ করেন। তবে এরকম কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বাদ দিলে সেই ঘটনা থেকে আমাদের একটা লাভ হয়েছিল, অনলাইনে রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে আমরা অনেক কিছু জানতে পেরেছিলাম, দুপক্ষের আলোচনা থেকেই আমরা উপকৃত হয়েছি।
Avatar: pi

Re: বাংলাদেশে আবারো প্রকাশক খুন

এই ব্যালান্স্ড বিশ্লেষণটির জন্য ধন্যবাদ।

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 2 -- 21


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন