বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

নৈঃশব্দের পত্রগুচ্ছ

মানুষের যৌন পরিচিতির বর্ণালীতে রঙের শেষ নেই। গুরুচন্ডা৯ দীর্ঘদিন ধরে এই ক্যালাইডোস্কোপিক বৈচিত্রের নানা দিক নিয়ে নানা লেখা প্রকাশ করে চলেছে। সেই বহমান ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই প্রকাশিত হল এই ই-বই টি।
বইয়ের নামঃ নৈঃশব্দের পত্রগুচ্ছ।
কথা ও শব্দঃ অভিজিৎ।
ছবি, ভাবনা ও নির্দেশনাঃ অর্চন।

আরও পড়ুন...

আপনার প্রতিদিনের খাবার-দাবার কী বিপদ ডেকে আনছে দেখুন

শীতের বাজারে পার্টি করবেন? আলুর চিপস আর নরম পানীয়? সাবধান। ওসব কিন্তু মোটা হবার মহৌষধ। বিষও বটে। নরম পানীয় এমন বস্তু, তা দিয়ে ঘষলে নোংরা টয়লেটও নাকি ঝকঝক করে। তবে কি কেবল ফাস্টফুড আর গরম পানীয়?নাঃ একদম না। অতিরিক্ত মদ্যপানে লিভারে সিরোসিস হবে। আর ফাস্টফুড যেমন অখাদ্য তেমনই অস্বাস্থ্যকর। দুমাসেই ফুলে ঢোল হবেন, শরীরে বাসা বাঁধবে হরেক রকম অসুখ-বিসুখ...

আরও পড়ুন...

আসামে এন আর সি নবীকরণঃ কী হচ্ছে, ভবিষ্যতে কী হতে পারে

দেবর্ষি দাস

বিদেশিদের শনাক্তকরণের অভিযান আসামে অনেকদিন ধরে চলছে। ইলিগাল মাইগ্র্যান্টস (ডিটেকশন বাই ট্রাইব্যুনাল) ও ফরেনারস ট্রাইব্যুনাল – এই দুই আইনি হাতিয়ার দিয়ে বিদেশিদের পাকড়াও করে বহিষ্কার করা হচ্ছিল। এন আর সি নবীকরণ একই উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে, তবে এটা আগেরগুলোর তুলনায় আরও ব্যাপক আর উচ্চাকাঙ্খী প্রকল্প। এন আর সি’র অর্থ ন্যাশনাল রেজিস্টার অফ সিটিজেনস, ভারতের জাতীয় নাগরিকপঞ্জী। ১৯৫১ সালে স্বাধীন ভারতে প্রথম জনগণনা করা হয়। তখন সমস্ত ভারতীয় নাগরিকের হিসেব নেওয়া হয়েছিল, এন আর সি’তে সে তথ্য ঢোকানো হয়েছিল। আসামে এন আর সি নবীকরণ করা হচ্ছে প্রকৃত নাগরিকদের থেকে বিদেশিদের ছাঁকনি দিয়ে বের করার উদ্দেশ্যে। বিদেশি অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে আসামে একাধিক আন্দোলন দানা বেধেঁছে। আশির দশকের শুরুতে চলা আসাম আন্দোলনে তার সবথেকে বড় রূপ দেখা যায়। আন্দোলন শেষ হয় আসাম চুক্তিতে। ধার্য হয় ২৪ মার্চ ১৯৭১-এর পর আসামে আসা বিদেশিদের সনাক্ত করে বহিষ্কার করা হবে। বাস্তবে বহিষ্কারের কাজ বড় একটা এগোয়নি। একটা হিসেব অনুযায়ী ২০১২ পর্যন্ত ২৪৪২ জনকে বহিষ্কার করা হয়, আর প্রায় ৫৪ হাজার লোককে আদালত বিদেশি সাব্যস্ত করে। অন্য দিকে কেন্দ্র সরকারের গৃহ মন্ত্রকের বিবৃতি বলছে ২০০১ সালে আসামে নাকি ৫০ লক্ষ অবৈধ বাংলাদেশি বসবাস করতেন (সারা দেশে ১ কোটি ২০ লক্ষ)। গৃহ মন্ত্রক কোত্থেকে এই তথ্য জোগাড় করেছে জানা যায় নি।

আরও পড়ুন...

মেয়েদের লেখালেখি

তির্যক

তবে মেয়েদের লেখাও পাঠকের মনোযোগ পায় যখন তা অন্য একটা জগতের কথা বলে। লেখিকা যদি আদিবাসীদের কথা বা অনাবাসীদের কথা লিখতে পারেন, যে কথায় আমাদের চেনা জীবনটা নেই, সেই লেখার একটা আলাদা মাত্রা আছে। কারণ মানুষ অজানা জগতের কথা জানতে চায়, কিন্তু তার নিজের ঘরেই যে একটা আস্ত অজানা জগত লুকিয়ে আছে তার খবর তো সে জানেই না ! তাই ডাকসাইটে অধ্যাপিকা নবনীতা দেবসেন কি করে নিজের দুই মেয়ে-মা আর সংসার নিয়েই নিত্যনতুন রসে টইটম্বুর লেখা লিখে যেতে পারেন, তাই ভেবে অনেকেই কূলকনারা পান না। তাই যে পাঠক মন দিয়ে ঝুম্পা লাহিড়ি পড়েন, গোয়েন্দা গল্পের জন্য আগাথা ক্রিস্টি বা শিশুসাহিত্যের জন্য লীলা মজুমদার পড়েন, জ্ঞানপীঠ পুরস্কার পাওয়া দুই বাঙালী লেখিকার মধ্যে একজন (মহাশ্বেতা দেবী) তাঁর কাছে বহুলপঠিত ও চর্চিত হলেও আর একজন (আশাপূর্ণা দেবী) তাঁর কাছে মূলতঃ ‘মেয়েদের লেখক’ হয়েই থেকে যান। সে লেখিকারা যতই পুরস্কার পান না কেন !

আরও পড়ুন...

নমামি বরাক উৎসব ও বন্ধ কাগজকলের গপ্পো -২

পার্থপ্রতিম মৈত্র

জানোনা হঠাৎ এই নদী উৎসব শুরু হলো কেন? আজ ব্রহ্মপুত্র, কাল বরাক, করিমগঞ্জের কুশিয়ারা, পরশু পশ্চিমবঙ্গের গঙ্গা, কেন? মনে হয়না? কেন ? কেন নদী উৎসব হচ্ছে এবং হবে? তার কারণ নর্থ-ইষ্ট থেকে বরাক ব্রহ্মপুত্র বেয়ে, বাংলাদেশের নদনদী সমুদ্র বন্দর ছুঁয়ে হলদিয়া, কোলকাতা হয়ে পণ্য পৌঁছাবে বারাণসী ঘাট অবধি, যেটা মোদীর কেন্দ্র। বরাক কুশিয়ারা দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজ চলবে। তার জন্য কী প্রয়োজন? নদীখনন। নদীখননের জন্য কী প্রয়োজন? টাকা। কে দেবে? গৌরী সেন। মানে নরেন্দ্রভাই দামোদরভাই। তাও না? তাহলে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক? আজ্ঞে হ্যাঁ? তাই।
আপাততঃ এটুকু জেনে রাখুন ভারতবর্ষে টাকার বন্যা বইয়ে দেবার এক নতুন পরিকল্পনা ছকা হয়েছে। আন্তর্দেশ জলপথ পরিবহন। প্রাথমিক প্ল্যানটা হলো বাংলাদেশের ভিতর দিয়ে বারাণসী থেকে হলদিয়া হয়ে সদিয়া ৪০০০ কিমি জলপথ সংযোগ, ড্রেজিং, ভেসেল কেনা ইত্যাদি। সবটাই প্রায় ঋণের টাকায়, ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্কের ঔদার্যে সফ্ট লোন। কিছুদিন আগে নমামি ব্রহ্মপুত্র উৎসবের মাঝখানে এই বিষয়ে অনেকগুলি চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে। নমামি বরাক উৎসবের মাঝখানে ড্রেজিং শুরু হচ্ছে।

আরও পড়ুন...

ঠাঁই নাই ঠাই নাই

শুধু নিজের বই নিজে ছাপেনা, শুধুই নিজেদের গান নিজে গায়না, শুধু নিজের বই নিজে বেচেনা, নিজেরাই সমালোচনা করে, আহ্লাদে আটখানা হয়, গাল দিয়ে ধুইয়ে দেয়। নিজেরাই ফসল ফলায় নিজেরাই খায়, নিজেদের বর্জ্য নিজেরাই সার হিসেবে ব্যবহার করে আবার। এক কথায় সম্পূর্ণ স্বনির্ভর, ইমপোর্ট এক্সপোর্টের বালাই নেই। জুতো সেলাই থেকে ফেসবুক পাঠ পর্যন্ত এভাবে একঘাটে টেনে আনার মতো ক্ষমতাবান, এত উদ্ভট বাস্তুতন্ত্র বাংলায় আর কখনও হয়নি।

আরও পড়ুন...

বইমেলায় কোন বই আপনার উপযুক্ত? দেখুন পরীক্ষা করে

না গুরুর বইয়ের কথা হচ্ছে না, সে তো না কিনলে আপনার ভদ্রসমাজে মুখ দেখানোর উপায় থাকবেনা। কিন্তু আর কী কিনবেন ঠিক করতে পারছেন না? বন্ধুবান্ধব নেট ঘেঁটে বইয়ের লিস্টি বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিচ্ছে, আর আপনি ভ্যাবলার মতো হাঁ করে বসে আছেন? ঘাবড়াবেননা। কেবলমাত ডজনখানেক প্রশ্নের উত্তর দিয়ে জেনে নিন, আপনার উপযুক্ত বই কোনটি।

আরও পড়ুন...