বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই


অনেক অপেক্ষার পর নড়তে চড়তে হেলতে দুলতে অবশেষে হাজির হল লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল। পিডিএফ, ই-পাব এবং মোবি ভার্সান সবই তুলে দেওয়া হল। নামানোর লিংকও বদলে দেওয়া হল, কারণ অনেকেই আগের লিংক থেকে নামানোর অসুবিধের কথা জানিয়েছিলেন। যার যেটা পড়তে সুবিধে, সরাসরি নীচের লিংকে ক্লিক করেই নামিয়ে নিতে পারবেন।
পিডিএফ নামান।
ই-পাব নামান।
মোবি (কিন্ডলের জন্য) নামান।

যে সমস্ত সফটওয়্যারে ই-পাব পরীক্ষা করে দেখা হয়েছেঃ
১) অ্যাপল নির্মিত যন্ত্রের জন্যঃ iBooks, Bluefire Reader
২) অ্যান্ড্রয়েড (অ্যান্ড্রয়েড ৮ এ পরীক্ষিত)): Google play books, FBReader, Lithium, Aldiko

মোবি পরীক্ষা করে দেখা হয়েছেঃ কিন্ডল এ।
এছাড়াও অন্য কোনো সফটওয়্যারেও ই-বই গুলি পড়তে পারা যেতেই পারে। কিন্তু আলাদা করে পরীক্ষা করে দেখা হয়নি।

শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3] [4] [5]   এই পাতায় আছে 66 -- 85
Avatar: অ

Re: লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই

** প্রকাশনাগোষ্ঠী

১) ধন্যবাদ!!
২) জেনেছি :-) আনন্দের বিষয় :-)পাঠকদেরও
Avatar: pi

Re: লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই

আচ্ছা, আর যাঁরা নামিয়েছেন ও পড়ছেন, নানা ফরম্যাটে সুবিধা অসুবিধা, এগুলোও একটু জানাবেন।
Avatar: পাঠপ্রতিক্রিয়া

Re: লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই

প্রসূন দে লিখেছেনঃ

প্রসূন দে লিখেছেন,
"#গুরুর_প্রথম_ই_বুক
#গুরুচন্ডা৯_লেট_লতিফ_পুজো_ইস্পেশাল
গুরুচণ্ডালী । উঁহু বানানটা ভুল । গুরুচণ্ডা৯ – এটাই ঠিক বানান । ইয়ে আপনি চেনেন তো গুরুচন্ডা৯ –কে ? যদি উত্তর না হয় , এক্ষুনি সাইটটা দেখে আসুন । ভালো লাগবেই । বিন্দাস আলোচনার , তথ্যে সমৃদ্ধ হবার এক মায়া জগত । গুরুর বইয়ের কথা নিয়ে আরেকদিন না হয় গল্প করা যাবে । গুরুর পুজো বার্ষিকী বের হয়েছে । একটু দেরীতে । নামটাও জুতসই । গুরুচন্ডা৯ লেট লতিফ পুজো ইস্পেশাল । ই বুক । নিচে লিংক দেওয়া আছে । দেরি করবেন না । ঝপাং করে নামিয়ে ফেলুন ।
http://www.guruchandali.com/defa…/…/10/23/1508701712523.html
http://www.guruchandali.com/defa…/…/10/23/1508701712523.html
এমনিতে কয়েক বছর ধরেই পড়াশুনা তেমন করছি না । এর মধ্যেও যা পড়া হয়েছে , এতে অবশ্যই আছে গুরুর চটি সিরিজ ।সে যাই হোক দুদিন আগেই গুরুর ইস্পেশাল নামিয়ে পড়ে নিলাম । কয়েকদিন আগে থেকেই জানিয়ে দেওয়া হচ্ছিলো যে লেট লতিফ আসছে । একটা অন্যরকম প্রত্যাশা হয়েই গিয়েছিল । গুরুর বইয়ের সাথে পরিচয় হবার পর থেকেই এই প্রত্যাশার মাত্রা বাড়তে শুরু করেছে । সেটা শাক্যজিত ভট্টাচার্যের অনুষ্ঠান প্রচারে বিঘ্ন ঘটায় দুঃখিত ই হোক , আদালত মিডিয়া সমাজ এবং ধনঞ্জয়ের ফাঁসি- ই হোক কিংবা জনস্বাস্থ্য নিয়ে শেষ বইটি-- সব ক্ষেত্রেই হাতে না পাওয়া পর্যন্ত কেমন যেন ‘আর তর সইছে না’ একটা ভাব তৈরি হয়ে গিয়েছিল । একই রকম অবস্থা হয়েছিল এই লেট লতিফ আসছে জানবার পর থেকেই । কি আছে লেট লতিফে ? । গল্প আছে । আছে নব্বইয়ের দশকের কবিতার কোলাজ । যাদের গুরুর এক ব্যাগ নব্বই , কবিতার বইগুলো এখনও পড়া হয়ে ওঠে নি তাদের জন্য এই কবিতা গুলো একটা ট্রেইলার । কামান বেবি পড়েই প্রথম বিপুল দাশের লেখার সাথে পরিচয় হয়েছিল । লেট লতিফে বিপুল দাশের গল্প আছে । ভীষণ ভাবেই মনে দাগ কাটে দীপ্তেনের লেখা গল্পটি । বাস্তবতা ছিঁড়ে দেয় স্পিরিচুয়ালিটির অবাস্তবতাকে । ইস্পিশালের বাড়তি কোচে আছে পুরনো কিছু লেখা । আছে দেবরাজ গোস্বামী এবং চিরঞ্জিত সামন্তের অসাধারন কিছু ছবি । এরকম কিছু ছবি নিয়েই গুরুর কোন ই বুক বা সেজাতিয় কিছু একটা ভবিষ্যতে প্রকাশিত হবে , এরকম প্রত্যাশা জাগতেই পারে । প্রচ্ছদের ছবিও দেবরাজ গোস্বামীর । মুখ বন্ধেই গুরু জানিয়ে দিয়েছেন যদিও এটা প্রথম প্রয়াস এবং এই প্রয়াস জারী থাকবে । কেনই বা এই প্রয়াস ? কিছু কথা , গুরুর বক্তব্য থেকেই তুলে দিচ্ছি , ‘পৃ্থিবীতে বাঙালির সংখ্যা নাকি বিশ কোটির বেশি । কিন্তু ভাষাটা আছে বলেই মালুম হয়না। ইংরিজি ওয়েবসাইট, প্রথম দশটা ভাষার তালিকা বানাতে গিয়ে , ‘অ্যাঁ এত লোক বাংলা বলে নাকি ?' বলে আশ্চর্য হয়ে পড়ে। বাঙালির মারকাটারি খ্যাতনামারা টিভি র পর্দায় ‘বাটিয়া' (অর্থাৎ কি না বাট ইয়াহ) দিয়ে বাক্য শুরু করে ‘কেন কী' দিয়ে শেষ করেন। ............... বাংলা বইয়ের বাজার যেন ছোট ছোট দ্বীপ। কলকাতায় ছাপা বই কোনক্রমে শিলিগুড়িতে দু-চার কপি পৌঁছয় । ঢাকার বই এক আধখানা কলকাতায় টপকে পড়ে। আর উত্তরপূর্বে , আসাম কিংবা ত্রিপুরায় কী ছাপা হয় খোদায় মালুম।কলকাতা বা ঢাকাবাসী তার খবরই রাখেন না’ । তাই গুরুর স্পষ্ট স্বীকারোক্তি , ‘এই অন্তহীন গোলচক্কর ভাঙার জন্যই গুরুচন্ডা৯র এই ই-বই এর উদ্যোগ’। অবশ্যই শুভ উদ্যোগ । শুধু ভাল উদ্যোগই না । লেট লতিফ ইস্পেশাল যথার্থই স্পেশাল । আর দেরি না , পড়ে নিন , সম্ভব হলে কেমন লাগল শেয়ার করুন । আমার খুবই, খুবই ভাল লেগেছে ।
বি দ্র – এই সংখ্যায় শুধু গল্প , কবিতা বাদ দিয়েও সমকালীন রাজনীতি , সংস্কৃতি নিয়ে কিছু লেখা হয়ত রাখা যেত ।"


Avatar: T

Re: লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই

আচ্ছা, একটা মৃদু অনুযোগ জানিয়ে যাই। কবিতার সেকশনের ইলাস্ট্রেশন বাদে যে ছবিগুলি রয়েছে, মানে সম্পূর্ণ এক একটি পাতা জুড়ে আর কি, সেগুলোও কি ইলাস্ট্রেশন? তা যদি না হয় তো সেই ছবির তলায় ছবির নাম, ছবির মাধ্যম, ডায়মেনশন, কবে আঁকা হয়েছে এই তথ্যগুলি নেই। কিন্তু এটা থাকাটা উচিত ছিল। এছাড়া কিছু ছবিতে দেখলাম খুব দৃষ্টিকটূ ভাবে ওয়াটারমার্ক ব্যবহার করা হয়েছে। এইটা ক্যানো? ছবি সহ পত্রিকা যখন একবার সাইবার স্পেসে ভেসে উঠেছে তখন কেউ চুরি করলেও সটান তা ট্রেস করে ফেলা সম্ভব। এই থামের গায়ে নাম খোদাইটা একেবারেই দরকার ছিল না মনে হয়। ছবির কোনো এক কোণায় নিরুচ্চারিত সিগনেচারই যথেষ্ট।

এ বাদে এই ছবিগুলি একেবারেই মনে ধরেনি। নিছকই ব্যক্তিগত মনে হওয়া।

প্রায় শ চারেক পাতার বই, সামান্য খুচখাচ ফর্ম্যাটিং বা লেয়াউট ইস্যু থাকতেই পারে। এবং আশা করাই যায় পরের বার সেটুকুও থাকবে না। এই প্রচন্ড করসেবা যাঁরা করেচেন দেখা হলে তাদের ফিশফ্রাই খাওয়াই :) এ ছাড়া কোনো একটি পাতায় গুরুচন্ডা৯ কি বা কেন এই জাতীয় একটা ছোটখাট বিজ্ঞাপন রাখা যেতেই পারত মনে হয়।
Avatar: Rabaahuta

Re: লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই

ওয়াটারমার্ক? সে কি। দেখিতো। বাকীগুলো’ও, হ্যা, ঠিক; এইগুলো মাথায় রাখতে হবে।
Avatar: pi

Re: লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই

আরে ! শেয়ারিং সংখ্যাটা অবশেষে দেখাচ্ছে ! থ্যাঙ্কু মামু।

এটা ২৭২ বার শেয়ার ? অবশ্য হতে পারে, কারণ ডাউনলোডও দেখি অনেক। কিন্তু যাঁরা পড়ছেন, লিখছ্হেন এত কম কেন ?
Avatar: pinaki

Re: লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই

বিনা পয়সার বই অন্ততঃ তিরিশ হাজার ডাউনলোড না হলে স্যাটিসফায়েড হওয়ার কোনো কারণ দেখি না। পাঁচশো বা একহাজার হলে এটা ব্যর্থ উদ্যোগ বলে ধরে নেব। মানে উদ্যোগ হিসেবে ভালো, কিন্তু লোকের কাছে পৌঁছাইতে ব্যর্থ।

জনতা একটু শেয়ার টেয়ার করুন না হাত খুলে।
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই

কৌশিক দত্তের "কাঠগড়া" পড়ে মুগ্ধ হয়েছি। কাফকার মত শক্তিশালী।

গুরুর আরো ই-বুক চাই
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই

কৌশিক দত্তের "কাঠগড়া" পড়ে মুগ্ধ হয়েছি। কাফকার মত শক্তিশালী।

গুরুর আরো ই-বুক চাই
Avatar: i

Re: লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই

পুজো স্পেশালে তিতাস বেরার লেখায় মুগ্ধ বললেও কম বলা হয়। আঠারো দশকের গদ্যভঙ্গিতে ( ঠিক বললাম?) লেখা-এই রকম একটা পরীক্ষামূলক লেখা , সত্যি বলছি, পুজো স্পেশালে আমার কল্পনাতীত ছিল। সেই সময়ের বাক্যগঠন - যেমন একই সঙ্গে বর্তমান, ঘটমান বর্তমান, অতীত, ঘটমান অতীত ,অসমাপিকা ক্রিয়া, এমনকি ক্রিয়াবিহীন বাক্যর অবস্থান, বাক্যগুলি জটিল, তার মধ্যে আবার একাধিক অণুবাক্য -এই ভাষা আয়ত্ত করে কী অনায়াস কী সাবলীল লিখে গেছেন লেখক , একই সঙ্গে ভাবে এতটুকু ঘাটতি নেই। এই মেধাকে আমি কী বলব জানি না।

বাকি সব লেখা নিয়ে এক এক করে বলছি।
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই

এককের পেঁপে কাহিনী যেন জুলেখা সিরাপ! বেশ লিখেছেন! :)
Avatar: i

Re: লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই

শতক হবে। দশক নয়। লিখতে ভুল হয়েছ্হে আমার।
Avatar: Ishan

Re: লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই

এই তো লেখা যাচ্ছে।
Avatar: h

Re: লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই

কৌশিক দত্তের আমি বরাবরের ফ্যান। এবারো ভালো লেগেছে।

তিতাস সত্যি দারুণ এক্সপেরিমেন্ট করেছেন।
Avatar: i

Re: লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই

জয়ন্তী অধিকারীর লেখনী নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই কিন্তু এই গল্প নিয়ে বলার আছে অবশ্যই। গল্পের চলনটি খুব ইন্টারেস্টিং। প্রথম প্যারা পড়ে মনে হ'ল হাসির গল্প , তারপর মনে হ'ল বইমাসির গল্প যা হয়ত একটু দুঃখের হলেও হতে পারে, তারপরে সমাপতন, তা ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা , বা মাসির লুকিয়ে রাখা আশাভঙ্গের বেদনা নিশ্চিত করে বুঝতে পারছে বোনঝি-এই জায়গাটায় এসে মনে হল গল্প সম্পূর্ণ অন্যদিকে মোড় নিচ্ছে-তারপর একদম অপ্রত্যাশিত ভাবে এসে গেল গা শিরশিরে ট্রিপোফোবিয়া-গল্পটা শেষ হচ্ছে মিথ ভাঙা নিয়েই-খানিকটা ঈশারাময় শেষ। ছোটো গল্পের মধ্যে এত বাঁক- অথচ একটানে পড়ে ফেলার মত গল্পের টান-কীভাবে শেষ হয় সেই কৌতূহল।
খুব ভালো লাগল।
Avatar: i

Re: লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই

তিতাসের লেখা আলাদা করে বলেছি সবার আগে। এবারে বাকি গল্পগুলির পাঠপ্রতিক্রিয়া একে একে লিখব। শেষ গল্পটি দিয়ে শুরু করলাম আজ। একটু সময় লাগবে।তবে লিখব ঠিকই।
Avatar: i

Re: লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই

দীপেন ভট্টাচার্য্যের 'করুণাধারা। চমক নেই, নাটকীয়তা নেই, সেই অর্থে গল্প বলাও নেই- শান্তচরণে এলো এই লেখা, রেশ রেখে গেল। মনে থাকবে এই অন্যরকম গল্পটি।
Avatar: i

Re: লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই

সোমেন বসুর একটি অবাস্তব গল্প। গোড়ায় প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল লেখনীর মুন্সিয়ানায়, কিন্তু সব মিলিয়ে দাগ কাটল না মনে কোনোভাবেই।
Avatar: রিটন খান

Re: লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই

“যদিও সেদিন টুকটুকির কারণে বখাটেরা আমাকে মেরে তক্তা বানিয়ে দিয়েছিলো তবুও তৃতীয়বারের মতো যেদিন টুকটুকি পালালো আর শহরময় ঢি ঢি পড়ে গেলো, আমি কিন্তু ওর উপরে মোটেও রাগ করতে পারলাম না। কেননা সেদিন সন্ধ্যায় ওর মুখে যে অপার্থিব হাসিটি দেখেছিলাম, সেটি ছিল তার অপরূপ সৌন্দর্যের চেয়েও অধিকতর ঝলমল। কেননা তার দু মাস তিন দিন আগে আমি টুকটুকিকে মোবাইলে এসএমএস পাঠিয়েছিলাম, ভালো থেকো ফুল, মিষ্টি বকুল ভালো থেকো। আর তারও কুড়ি বছর সাতমাস আগে আমি টুকটুকির প্রেমে পড়েছিলাম আর একমাস আটদিন আগে আমি টুকটুকিকে জড়িয়ে ধরেছিলাম আর পনের বছর নয় মাস আগে টুকটুকিকে দেখেছিলাম শ্রী দুর্গা জুয়েলার্সে হিরের আংটিখানা দরদাম করতে।” Ruma Modak এর গদ্য অসাধারণ লেগেছে। এমন গদ্যের ভাষা অনেকদিন পড়িনি। তার ‘ভালো থেকো ফুল...’ অনেক দিন মনে থাকবে। সম্পূর্ণ গল্পটি চোখে দেখতে পেয়েছি। এবং দীপেনদার ‘করুণাধারা’য় ‘ইসহাক মাস্টার কী করেছিল’ জানার জন্য আমিও অপেক্ষা করেছি। বাকি গল্পগুলোও পড়বো। রবিদা’রটা পড়া হয়নি ওটাও পড়বো।
Avatar: নায়লা নাজনীন

Re: লেটলতিফ পুজো ইস্পিশাল -- গুরুর ই-বই

চেয়েছিলাম শেষ করে তারপর দেই। কিন্তু তাতে আর ও দেরি হবে। আপাতত এইটুকুই জানাই।

স্মৃতি মধুর নয়, তিক্ত ও নয়। তা শুধুই একটা ঘটনা। যার শরীরে আমরা নিজেদের ইচ্ছে মত রঙ লাগাই।"- লাইন গুলো রবি শংকর বলের 'মৃত্যুর পরের দিন' গল্পের। ভালো লেগেছে বেশ। হোক গল্প ছোট কিন্তু অনেক বড় কিছু শিখিয়ে যায় কখনো কখনো।

বিপুল দাশের গল্প 'আম পাতা জোড়া জোড়া'। খুব সংকোচের সাথে বলছি খুব মন দিয়ে, বোঝার চেষ্টা করে ও আমি গল্পের প্লটটা ধরতে পারিনি। এটা অবশ্যই আমার অজ্ঞতা, অক্ষমতা।
মাহবুব লীলেন লিখেছেন 'চলতি আগামী'। গল্পটি একজন খুন হওয়া মানুষের খুন হতে থাকার সময়ের গল্প। কি মর্মান্তিক আর নৃশংস! অবলীলায় একটা মানুষ বলতে থাকে তার শরীরী মৃত্যুর ধারাবর্ণনা। ভালো লেগেছে গল্পের বিষয়। দু'দন্ড বসে ভাবতে হয়েছে।এমনি বুঝি হয় তাদের সাথে, যাদের হত্যা হয়। তারা নিজের চোখে দেখতে থাকে তাদের প্রতি অংগ প্রত্যংগের মৃত্যু, তাদের আশা আকাঙ্ক্ষার, স্বপ্নের, সাধের মৃত্যু।
মুরাদুল ইসলাম লিখেছেন 'তকদির'। একটি তেরো/ বছরের ছেলের কাহিনী। যে চুরির দায়ে অভিযুক্ত। মানবিকতার অবক্ষয়ের এক চিত্র। ভালো লেগেছে।

অনেক সময়ই আমরা আমাদের আশেপাশের যারা ধর্মবিশ্বাস কে পুঁজি করেন তাদের ব্যাপারে একটা তির্যক ধারনা পোষণ করি। লেখক দীপ্তেন লিখেছেন গল্প 'গুরুজীবন'। এখানে আমরা একজন সরল মা কালী ভক্ত রুপে মনোজ ঠাকুর কে দেখতে পাই। এই গল্পটি আমার বিশেষ ভালো লেগেছে। ভালো লাগা কিছু অংশ তুলে দিতে চাচ্ছি-

"গানটি বার বার মনে পড়ে মনোজের। মনে হয় মা কালী
চিরকালই তার সাথে খেলা করে গেলেন। সেই খেলা, যার প্রকৃত
অর্থ মনোজ কখনো বুঝে উঠতে পারেন নি। সেই খেলা, যার আইন কানুনও মনোজের জানা নেই। তাও সারা জীবন কালীর
সাথে খেলে চলেছেন। ভক্ত ও ভগবানের খেলা। যেমন সাহারা মরুভূমির একটা পিঁপড়েকে কিছুতেই বোঝানো
যাবে না মহাসাগরের রূপ, বা জন্মান্ধ মানুষকে চেনানো যাবে না
টকটকে লাল রং কী রকম, তেমনই মানুষ আর ভগবানের মধ্যে
চিরকালই একটা বাধা থেকে যাবে। ফারাক বা ব্যবধান। দুজনে
দুজনের ভাষা বোঝেন না। কিছুটা চেনেন, কিছুটা অনুভব করতে পারেন। কিন্তু ঐ পর্যন্তই। দুজনে দুজনের অপরিচিতই থেকে যাবেন।"

প্রতিভা সরকার লিখেছেন গল্প 'তেভাগু'। সহজ সরল গ্রাম্য বালিকার পতিতালয়ে স্থানান্তরের গল্প।
ভালো লিখেছেন।
শ্বাশত বন্দোপাধ্যায় লিখেছেন ' রক্তমাংসগাছ'। এই।গল্পটি ও আমার বেশ,বেশ ভালো লেগেছে।

আপাতত এই এপর্যন্তই পড়া হয়েছে। মোটের উপর বলা যায় আমার পড়া টা স্বার্থক। বাকী গুলো ও চেষ্টা করব পড়ে ফেলতে। লেখকদের সাথে সরাসরি কানেক্ট হতে পারাটা সৌভাগ্যের বিষয়।
শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।।

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3] [4] [5]   এই পাতায় আছে 66 -- 85


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন