ডেরা কি সাচ: সাচ কি সৌদা

রৌহিন ব্যানার্জি

ডেরা সাচা সৌদা ভক্তদের তান্ডব এখন স্তিমিত। এই তান্ডব দেশজোড়া মিডিয়ায় উঠে আসার পর মোটামুটি তিন রকমের প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেল। প্রথমটি দেশের শিক্ষিত মানুষের – একজন ধর্ষক, অপরাধী বাবার পক্ষে এত লোক এভাবে রাস্তায় নেমে তান্ডব চালাতে পারে, ভাঙচুর করতে পারে এটা তারা ভাবতেই পারছেন না। অতএব এদেশের কিছু হবার নয় এমন নিদানও তাদের মধ্যে একাংশ দিয়েছেন। বাকিরা ভাবছেন এই ভক্তেরা বিপথগামী – এবং বাবার মতই এদেরও মারাই উচিৎ। দ্বিতীয় প্রতিক্রিয়া বাবার ভক্তদের – তারা সরাসরি মনে করেন বিচার ভুল, বাবা অবশ্যই কোন অন্যায় করতে পারেন না এবং এসব ডেরাকে অপদস্থ করার চক্রান্ত। এর বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছেন বেশ করেছেন এবং প্রয়োজনে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়ে যেতে তারা প্রস্তুত। আর তৃতীয় এক দল মনে করেন রামরহিম এবং ডেরা মানুষের মধ্যে কাজ করেছেন, সমাজের অনেক উপকার করেছেন এবং তাই রাষ্ট্র তার সংগে এরকম ব্যবহার করতে পারে না। ভক্তদলের রাস্তায় নামা, ভাংচুরকে এরা শ্রেণীসংগ্রামের মর্যাদা দিচ্ছেন।
এই আলোচনায় ঢোকার আগে আমরা ডেরার সংক্ষিপ্ত ইতিহাসটা চট করে একটু দেখে নেব। ডেরার শিষ্য ও ভক্তেরা মূলতঃ দলিত সম্প্রদায়ের এবং পিছড়ে বর্গ এর মানুষ। এই সম্প্রদায়ের প্রতি উত্তর ভারতের মনোভাব আমাদের অজানা নয়। এরা স্বাধীনতার আগে থেকেই অবিচার এবং অন্যায়ের শিকার – এবং দেশভাগের পরে এই সমস্যা তীব্রতর আকার নেয়। এই দলিতদের একটা বড় অংশ শিখ ধর্মে অন্তরিত হলেও সেখানেও আভ্যন্তরীণ রাজনীতি তাদের একই ভাবে অন্যায়ের শিকার হতে বাধ্য করে। এই সমাজের অশিক্ষা এবং দারিদ্র এই সমস্যাকে আরো বাড়িয়ে তোলে এবং ক্রমশঃ নেশার প্রকোপ বাড়তে থাকে। এই প্রেক্ষিতে চল্লিশের দশকে প্রতিষ্ঠিত ডেরা সাচ্চা সৌদা এগিয়ে আসে এই মানুষগুলোর ত্রাণকর্তা হিসাবে। তারা এদের জোগান দেয় খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের, নৈতিক শিক্ষার। ঠিক যে কাজটা এদেশে বৃটিশ সাম্রাজ্যের গোড়ার দিকে করে থাকতেন খ্রীষ্টান মিশনারিরা, বা এখনো এই রাজ্যে (তথা সারা দেশে) করে যান রামকৃষ্ণ মিশন, সৎসঙ্গ, মতুয়া মহাসভা বা ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের মত প্রতিষ্ঠানগুলি। এদের প্রত্যেকেই “শিক্ষা” বলতে নিজ নিজ ধর্মীয় / প্রাতিষ্ঠানিক মরালের প্রচারকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দেন সঙ্গে অন্যান্য বিষয়ের শিক্ষাকে সমর্থন সিস্টেম হিসাবে রেখে। ভক্তেরা যারা এইসব প্রতিষ্ঠানের শিষ্য, তাদের কাছে এত বিচারের অপশন নেই – তাদের সার্বিক বঞ্চনার জীবনে এই প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে আসে খাদ্য, বস্ত্র, সামাজিক সম্মান এবং শিক্ষার ডালি নিয়ে – এটাই তাদের কাছে প্রধান। এবং এভাবেই পঞ্জাব, হরিয়ানায় ডি এস এস এর উত্থান ও বিকাশ। সব দলের রাজনীতিবিদরাই যে যখন ক্ষমতায় এসেছেন, এই বিপুল ভক্তসংখ্যাকে একটা কনসোলিডেটেড ভোটব্যাঙ্ক হিসাবেই দেখেছেন এবং সেই সূত্রে ডি এস এস কে প্রয়োজনীয় মদত দিয়ে গেছেন। ভক্তদের বয়ে গেছে বিশ্বাস করতে যে তাদের গুরু সত্যিই অপরাধী – তাদের চোখে তিনি ঈশ্বরপ্রতিম – অর্থাৎ কোন অপরাধ করতেই পারেন না। এবং এখন ডি এস এস এর কাছে এরকম প্রচুর স্বেচ্ছাসেবী আছেন যারা এই বিশ্বাসের জন্য প্রাণ দিতে এবং নিতে প্রস্তুত। পাঠক একটু ভেবে বলুন তো – আজ যদি রামকৃষ্ণ মিশনের কোন বড় দরের মহারাজ অনুরূপ কেসে ফাঁসেন, এই বাংলার বুকেও আরেকটা হরিয়ানা হবার সম্ভাবনা রয়েছে কি না?
এই প্রেক্ষিতে দাঁড়িয়ে প্রতিক্রিয়াগুলি নিয়ে একটু আলোচনা করা যেতে পারে। প্রথম প্রতিক্রিয়া – শিক্ষিত মধ্যবিত্ত ভদ্রলোকেদের প্রতিক্রিয়া – “এদেশের কিস্যু হবার নেই। এত জনতা এভাবে একটা রেপিস্টের সমর্থনে পথে নামছে?!! এদেরকে গুলি করে মেরেছে বেশ করেছে। আরো মারা দরকার ছিল”। এই প্রতিক্রিয়াটি,যারা এই প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন তাদের মতই, ভীষণ রকম প্রেডিক্টেবল – এর সমস্ত শ্রেণীচরিত্র সহ। এমনিতে পান থেকে চুন খসলেই মধ্যবিত্ত শিক্ষিত শহুরে সমাজের হাড় হিম হয়ে যাবার একটা অভ্যাস রয়েছেই – আমরা যাকে গোপাল গান্ধাইটিস বলে থাকি – এই রোগের বৈজ্ঞানিক নাম হাড্ডি পিলপিলায়ে গয়া। এদের মতে সাধারণ মানুষ মাত্রেই গাধা, দলিত, নিম্নবর্গরা তো আরো বেশি গাধা, এদের নিজেদের সিদ্ধান্ত নিতে দিলেই ভুলভাল সিদ্ধান্ত নেবে, দাঙ্গা বাঁধাবে, তাই এদের শাসনে রাখা দরকার। ভদ্রলোকেরা গিয়ে এদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়াবেন, তবে এরা বিপ্লব করতে শিখবে – সেইদিন এদেশের উন্নতি কে ঠেকাবে? শুধু তেমন যুৎসই একজন ভদ্রলোক পাওয়া যাচ্ছে না বলেই বিপ্লবটা স্থগিত আছে। নেতাজী তো ফিরল না – নিদেনপক্ষে জ্যোতিবাবুটাও যদি বেঁচে থাকত ---
এই দলের একটা উপভাগ রয়েছে, যারা এই ভক্তদের সামাজিক পরিচয়টা ধর্তব্যের মধ্যেই আনছেন না। গল্পে মোদী এবং বিজেপি আছে, একজন বাবা আছে, ধর্ষণ আছে – অর্থাৎ ভিলেন তো ঠিক হয়েই গেছে। যারাই তার পক্ষে পথে নামছে তারা অতএব নিশ্চিতভাবেই বদমাশ গোষ্ঠীর – তারা কোন প্রেক্ষিত থেকে কাজ করছে সে কথা বিচারের প্রয়োজনও নেই। এরা এমনিতে রাষ্ট্রের অত্যাচারের বিরুদ্ধে সর্বদা সরব, কিন্তু এক্ষেত্রে মনে করছেন গুলি চালিয়েছে বেশ করেছে – এটা হওয়া দরকার ছিল।
দ্বিতীয় পক্ষ অর্থাৎ বাবার ভক্তদের প্রতিক্রিয়াও মোটামুটি সহজেই আন্দাজ করার মত। তাদের সোজা কথা – তাদের বাবা ঈশ্বরের প্রতিভূ, তিনি অন্যায় করতেই পারেন না – ধর্ষণ ফর্ষণ বাজে কথা – কোর্ট স্রেফ বাবাকে ফাঁসিয়েছে। এই যুক্তির পক্ষে সবচেয়ে বড় সমর্থন আমাদের বিভিন্ন কোর্টের একের পর এক ভুলভাল রায়। নিম্ন, উচ্চ এবং সর্বোচ্চ আদালতে বিচারকে বিপথগামী করার উদাহরণ এত বেশি যে দুর্ভাগ্যজনক হলেও দেশের একটা বড় অংশের কাছে বিচারালয় তার আস্থার জায়গাটা ইতিমধ্যেই খুইয়ে বসে আছে। যার ফলে যে কোন অপরাধীও অম্লান বদনে দাবি করে বসে সে অবিচারের শিকার – এবং তা সমাজে একরকমের মান্যতাও পেয়ে যায়। ভক্তরা কোন আবেগ থেকে এই আচরণ করেছেন সেটা ওপরে আলোচনা হয়েছে, কিন্তু আবেগের বাইরে যে অঙ্ক, সেখানে এই অনাস্থা একটা বিরাট ভূমিকা পালন করে অবশ্যই। এই অনাস্থা সুযোগ করে দেয় এই ভক্তদের খেপিয়ে তোলার, তাদের রস্তায় নামিয়ে নিজের স্বার্থসিদ্ধি করার।
তৃতীয় প্রতিক্রিয়াটি অবশ্যই ভেবেচিন্তে দেওয়া এবং অনেক বেশি র্যা শনাল। এই প্রতিক্রিয়া শ্রেণীচেতনাপ্রসূত, এ বিষয়েও সন্দেহের অবকাশ থাকে না। কিন্তু এখানেও একটা বড় সমস্যা রয়ে যায় সরলীকরণের। ভক্তেরা দলিত, নিম্নবর্গ অতএব তারা যা করছে সেটাই সঠিক, এবং সেটাই শ্রেণীসংগ্রাম, এতটা সরল কি বিষয়টা? আবারও, তারা একটা আবেগজনিত সঙ্কটের জায়গা থেকেই পথে নেমেছেন এটা ঘটনা, এবং শুধু আবেগ নয়, সেই সঙ্গে ওতপ্রোত জড়িত নিরাপত্তাহীনতার বোধ, তাদের নিশ্চিন্তির আশ্রয়কে ভেঙে দেবার চেষ্টা চলছে এরকম একটা শঙ্কা – এগুলো সবই সত্য। এবং সেই সঙ্গে এটাও কি সত্য নয় যে তাদের এই সামাজিক অসহায়তা, এই নিরাপত্তাহীনতার বোধ, এগুলোকে খুব সূক্ষ্মভাবে (এবং স্থুলভাবেও) কাজে লাগিয়েছেন এই বাবা এবং তাঁর স্বাভাবিক মিত্র রাজনীতির কারবারীরা? শুধু এই বর্তমান দাঙ্গার কথা নয়, তার বহু আগে থেকেই এই বিপুল জনসমাজকে সামান্য দিয়ে তার বহুগুন বেশি আদায় করে নিয়েছেন এরা, এই জনসংখ্যাকে ভোটব্যাঙ্ক হিসাবে দেখিয়ে এবং কাজে লাগিয়ে। সব মিশনারিদের মতই ডেরাও শিক্ষার নামে ঢালাওভাবে প্রচার করে গেছে তাদের নিজস্ব মতামত, কর্মসংস্থান বলতে মানুষগুলোকে দিয়েছে মজদুরী অথবা ছোটখাটো কেরানির কাজ, আর তার বিনিময়ে তাদের দিয়েছে নিম্নমানের অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান। এই একই ব্যবসা কি আমরা অন্যান্য বহু ধর্মীয় সংগঠনের ক্ষেত্রেও দেখিনি? এই ভক্তদের শ্রেণীচরিত্রকে সমর্থন করতে গিয়ে তাদের বাবাজী, যিনি কোনভাবেই সেই শ্রেণীর প্রতিনিধি বা এমনকি মিত্রও নন, তার কার্যকলাপকেও সমর্থন করে যাওয়া, নায্যতা দেওয়া শ্রেণীসংগ্রামের খুব সুবিধা করবে কি?
ও, এই সব প্রতিক্রিয়া আলোচনা করার ফাঁকে আমরা যেটা বাদ দিয়ে গেছি, সবচেয়ে জরুরি এবং সরাসরি প্রতিক্রিয়া – রাষ্ট্রযন্ত্রের। যা কোন স্পেকুলেশন বা বিশ্লেষণ নির্ভর নয় – আমরা সরাসরি দেখেছি চোখের সামনে। আমরা দেখেছি কিছু ভক্ত ক্রোধে উন্মাদ হয়ে সরকারী, বেসরকারী সম্পত্তিতে আগুন লাগাচ্ছে, রাস্তায় দাঙ্গা করছে আর পুলিশ প্রথমে দাঁড়িয়ে তা দেখছে, তারপর সরাসরি গুলি চালাচ্ছে। আমরা দেখেছি পুলিশের গুলিতে ঝরে গেল ২৫-৩০টি প্রাণ – কতই না সহজে। আমরা দেখলাম, এরকম একটা দাঙ্গার জন্য পুলিশ সম্পূর্ণ অপ্রস্তুত ছিল (অন্ততঃ সেরকমই দেখাচ্ছিল), ফলে দাঙ্গা এমন পর্যায়ে গেল যে গুলি চালিয়ে প্রাণহানি করতে হল। না তার আগে কোন জলকামান চলেনি, রবার বুলেট চলেনি, পেলেট গানও চলেনি। বাবাজীকে জীপের বনেটে বেঁধে ঘোরানোর কথাও কোন অফিসারের মাথায় আসেনি। এসব অনেক দূরস্থান, শুরুর দিকে এই দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ করার কোন চেষ্টাই পুলিশ করেনি – যেন তারা অপেক্ষায় ছিল, কখন দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে, কখন তারা গুলি চালিয়ে এদের মারা শুরু করবে। এবং আমাদের নিন্দুক মনে প্রশ্ন জাগে – এ প্রতিক্রিয়া রাষ্ট্রযন্ত্রের সুচিন্তিত নয় তো? এতগুলি প্রাণ নিয়ে শক্তি প্রদর্শন করাই উদ্দেশ্য ছিল এমন নয় তো? কারণ এমন শক্তি প্রদর্শনের সুযোগ রাষ্ট্র ছাড়েনা, এটা ঘটনা। কিছু অসহায় মানুষের বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে তাদের ঠেলে দেওয়া হল মৃত্যুর দিকে – অথচ যার জন্য এত কিছু, সেই বাবাজী আদালতে এলেন মার্সিডিজ চেপে, আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়ে জেলে গেলেন হেলিকপ্টারে। সেখানে নাকি তার জন্য স্পেশাল সেল, স্পেশাল অ্যাটেন্ডান্ট (যদিও রোহতক জেল কর্তৃপক্ষ এই খবরটি অস্বীকার করে জানিয়েছেন বাবাজী নাকি আর পাঁচজন বন্দীর মতই “মাটিতে শুচ্ছেন” – কী দুঃখের কথা)!
শুধু এদেশে বলে নয়, সারা পৃথিবীতেই টাকা থাকলে আইন আদালত ন্যায়বিচার সবই কেনা যায় কোন না কোন পর্যায়ে। সে গল্প আমাদের খুব একটা অজানা এমন নয়। কিন্তু দিনের শেষে আমরা – যাদের হাড্ডি এখনো পিলপিলায়ে যায়নি সবটা, আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে থাকি? নেতাজী তো ফিরবেন না – জ্যোতিবাবুও না, তাহলে বিপ্লব কবে কখন, কোথায় হবে? আমরা কি অপেক্ষা করব কবে সেই মহামানব আসবেন, বিপ্লবের ভ্যানগার্ড, আমরা তাঁর পিছনে ছুটে যাব হ্যামলিনের ইঁদুরদের মত – বিপ্লবকে কুলোর বাতাস দিয়ে বরণ করে আনতে? নাকি আমরা ফিরে যাব সেই সব মানুষের কাছে, যারা প্রতিনিয়ত লড়াইটা লড়ছেন? মার খাচ্ছেন, কখনো পাঁচকুল্লার রাস্তায় তো কখনো সিঙ্গুরের মাটিতে, কখনো ভাঙরের জমিতে কখনো বস্তারের জঙ্গলে? মার খাচ্ছেন, গুলি খাচ্ছেন, আবার আরো হাজারে হাজারে লড়ে যাচ্ছেন, তাঁদের কাছে?
আরে দাদা এত ঘাবড়াবেন না – আমাদের কাছে বেছে নেবার জন্য রাস্তা আছে তো। পিঠে বেঁধেছি কুলো, কানে গুঁজেছি তুলো, এখন কত কিলোবি, কিলো – এমনি করে যায় যদি দিন যাক না। চলতে থাকুক – ততদিন পর্যন্ত, যতদিন না আমার সন্তানকে নিয়ে যেতে আসে ওরা।



Avatar: দ

Re: Title

এই লেখাটার শিরোনাম বোধহয় ঠিক নেই। শিরোনাম ঠিক করা যায় না?
Avatar: দ

Re: ডেরা কি সাচ: সাচ কি সৌদা

হ্যাঁ এইবার ঠিক হয়েছে।
Avatar: দেব

Re: ডেরা কি সাচ: সাচ কি সৌদা

পুরোপুরি একমত। আমিও ৩০ সংখ্যাটা শুনে চমকে গেছিলাম। জাস্ট স্টীমরোলার চালিয়ে দিয়েছে।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন