গুরুচণ্ডা৯র খবরাখবর নিয়মিত ই-মেলে চান? লগিন করুন গুগল অথবা ফেসবুক আইডি দিয়ে।

রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

অভিষেক সরকার

গতরাতে আমরা যখন সবাই ঘুমোচ্ছি, তখন রাজারহাটে টিসিএসের গীতাঞ্জলী পার্কের সামনে  আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল প্রায় - পনেরো কুড়িটা অস্থায়ী দোকান।

আগুনের আঁচে কিম্বা গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে নষ্ট হল আরও অন্তত কুড়ি-তিরিশখানা ছাউনি এই উপরে বলা সম্পূর্ণ পুড়ে কয়লা হয়ে যাওয়া দোকান ছাড়াও। সবই নানা রকমের খাওয়ার দোকান। মিষ্টি- ইডলি-দোসা- চা- আখের রস- চাওমিন- শরবৎ এই রকমেরই আর কি। দোকানিদের অধিকাংশই স্থানীয় মানুষ। হাতে গোনা কয়েকটা দোকান চালান বিহার এবং উৎকলবাসীরাও। বাঁশের এবং সরু কংক্রীটের স্তম্ভের ওপরে দরমা-পলিথিন শীট দিয়ে ঢেকে তৈরি এই দোকানগুলো ছিল বেশ কিছু চাকুরের নিত্য প্রয়োজনীয়তা এবং তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভাবে অন্তত দোকানপিছু একটা বা দুটো পরিবারের জীবিকাও।

শোনা খবর অনুযায়ী বারোটা গ্যাস সিলিন্ডার একে একে ফেটে আগুন ছড়িয়েছে একটু একটু করে। ধীরে ধীরে নয় বরং বেশ হন্তদন্ত হয়েই। আগুন নেভাতে সাহায্য করেছে সামনের তথ্যপ্রযুক্তি কম্পানী TCS। আরও ভালো করে বললে এই কম্পানীর সিকিউরিটি গ্রুপ।

মূলত এই গ্রুপ G4S নামে সংস্থা থেকেই সংগ্রহ করা হয় - অন্তত টিসিএসে। এরা গতকাল খুব তৎপর ভাবে আগুন নেভাতে এগিয়ে এসেছিলেন স্থানীয় দুর্ভাগা মানুষদের পাশে। আগুন নেভাতে গিয়ে সিলিন্ডার ফেটে অত্যন্ত বেদনাদায়ক ভাবে মারা যান এক সিকিউরিটি সুপারভাইজার - জয়ন্ত মন্ডল। মধ্য তিরিশের জয়ন্ত বাবুর পরিবারে একটা ছোটো ছেলে আছে।  আশা করা যায় যে G4S এবং TCS নিশ্চয়ই এগিয়ে আসবেন জয়ন্তবাবুর পরিবারের পাশে।

এই সব খবরের মতন বলে যাওয়া ধারাবিবরণীর চেয়েও এক আশ্চর্য কথা শুনুন এবারে। চট করে  এমন আর শোনা যায়না এখন। নিশ্চল করে চলা আশপাশের অজস্র অসংখ্য ঘটনা এবং সময়ের বিষাদ যখন আমাদের খুব তীক্ষ্ণ ভাবে সিনিক করে তোলে তখন এমন দু চার দৃশ্য দেখা জরুরী।

স্থানীয় অঞ্চল মুসলমান প্রধান। স্থানীয় দোকানীরাই সবচেয়ে বেশী,বাইরের লোক ২০% হবেন। সকাল নটার মধ্যেই প্রচুর স্থানীয় মানুষ নতুন ঘর তোলার উপকরণ নিয়ে হাজির। এদের সবার কিন্তু দোকান পোড়েনি। প্রায় আপতিক তৎপরতার মধ্যে দিয়ে সূর্যাস্ত হওয়া অব্দি সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মাপজোখ করে বাঁশ পুঁতে আর ছাই-কয়লা সরিয়ে ঘরের কাঠামো তৈরি করে ফেললেন। কেউ খোঁজ নিলেন না যে যার হয়ে, যার জন্যে তারা কাজ করছেন তারা মুসলমান না হিন্দু, বাঙ্গালি না বিহারী।  প্রায়োরিটি কিভাবে সেট করেছেন জানিনা কিন্তু আলো নিভে যাওয়ার আগেই প্রায় আশি শতাংশ কাঠামো নির্মাণ সমাপ্ত। কেউ হাঁকডাক করেননি, দোষারোপ করেননি কাউকে - শুধু চোয়াল শক্ত করে নিজেদের কাজ করে গ্যাছেন। ওনারা বোধহয় এমন ভাবে কাজ করতে,জীবন কাটাতে এখনও অনভ্যস্ত হননি। 

দেখে বড় ভালো লাগলো যে এই দোকানীরাই যাদের মধ্যে চলাচল করে নিশ্চিতভাবেই হাজার সূক্ষ্ণ এবং মোটা ভেদাভেদ,খদ্দের নিয়ে রেষারেষি এবং সাম্প্রদায়িক উৎকর্ষ বোধ তাদের সবার আজ নিজেদের পাশে দাঁড়ানোর মুহূর্তে শুধু পাশে থাকার প্রয়োজনটাই মনে রাখা। বেছে নেওয়া সবচেয়ে দরকারি সিদ্ধান্তটা।

কাল পরশুর মধ্যে দোকানপাট গড়ে উঠে নিশ্চয়ই আবার সামলে ওঠা যাবে আর্থিক ক্ষয়ক্ষতিগুলো থেকে। বলা বাহুল্য - আজ সব দোকানই বন্ধ। জানা নেই স্থানীয় রাজনৈতিক দলগুলো কে কেমন- কতটা সাহায্য করেছে। দোকানীদের ইউনিয়ন নিশ্চয়ই পাশে থেকেছে কিন্তু সব চলা ইউনিয়ন পাশে থাকলেও হয়ে ওঠে না। বিশেষত এমন অগোছালো পেশাগুলোয়। 

মানুষের ওপর বোধহয় এখনও ভরসা রাখা যায়। অন্ত্যত আরও বেশ কিছুদিন। যদ্দিন অব্দি মানুষের কমন শত্রু এবং বন্ধুগুলো সমান সমান। 

=============================================

পুড়ে যাওয়া দোকানপাটের দ্বিতীয়দিনের খবর এইরকম--> TCS নাকি HIDCOর বিরুদ্ধে কেস ঠুকেছে - তাদের একজন সিকিউরিটি মারা গেছে এই কারণ দর্শিয়ে। পুলিশ এসে সমস্ত নির্মাণ এবং আস্ত থাকা দোকান বন্ধ করিয়ে গেছে। কিছু ছোটোখাটো শরবৎ, চা,আখের রসের দোকানি লুকিয়ে চুরিয়ে খুলেছেন অবশ্য। নেহাতই এক আঙ্গুলে গোনা যায় এমন তারা।

আধ খাঁচড়া কাঠামো সব প্রস্তুত হয়ে দাঁড়িয়ে।  তার পাশে খাঁ খাঁ করছে টিকে থাকা দোকান চত্বর। দোকানীরা ফ্যাল ফ্যাল চাউনি নিয়ে আশা করছেন যে আগামীকালের এক সম্ভাব্য মিটিং নাকি সব জট ছাড়িয়ে দেবে!!

=============================================

ছবিঃ

 



কোন বিভাগের লেখাঃ খবর্নয়  টুকরো খবর 
শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 8 -- 27
Avatar: শান্তনু

Re: রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

একটি বিষয় মনের ভেতর খচখচ করছে । রুজি রোজগারের জন্য অথবা বলা যায় খড়কুটো আঁকড়ে বেঁচে থাকার জন্য যে লোকগুলি সারা সল্টলেক রাজারহাট নিউটাউনের ফুটপাথে খাওয়ার দোকান করে আছেন তাঁদের সুরক্ষা নেই বললেই চলে । এই দোকানগুলিতে রান্নার গ্যাস ব্যবহার হয় । ঊথচ, যতদূর জানি বাঁশের কাঠামোর মধ্যে গ্যাস সিলিন্ডার থাকার আইন নেই । আরও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো । এই ধরনের দোকানদারদের জন্য বিকল্প কোনও ব্যাবস্থা হতে পারে কিনা ভেবে দেখা উচিত সব পক্ষের ।
Avatar: sch

Re: রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

@নাগরিক
আপনার লেখার " গতকাল সেখানকার এক আধিকারিক ফোনে মিষ্টি করে জানিয়ে দিলেন যেহেতু জয়ন্ত G4Sএর কর্মী তাই এই নিয়ে এদের কিছু করার নেই।" পরিপ্রেক্ষীতে

TCS-এর HR কে বলবেন ratan tata কি কি করেছিলেন ৯/১১ মুম্বাই তাজ আটাক ভিকটিমদের জন্যে, কন্ট্রাক্ট এমপ্লয়ীদের জন্যও কিন্তু করা হয়েছিল - না জানলে এটা পড়ে নিতে বলবেন। না জানাটা লজ্জার না - কিন্তু মূর্খের মতো কথা বলাটা লজ্জার (অবশ্য TCS কলকাতার HR er লোকজন শিক্ষিত এমন বড়াই কেউ করবে না)
https://asiancorrespondent.com/2009/12/what-tatas-did-post-2611/#pDkAT
pMSmGE7ymEG.97



Avatar: এই সময়

Re: রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

http://blogs.eisamay.indiatimes.com/zarifahzahan/the-scenario-of-kolka
tas-sector-five/


রাজারহাটের ঘটনা নিয়ে জারিফা জাহান ( টিসিএস কর্মী) লিখেছেন এই সময়ের ব্লগে।
Avatar: আপডেট

Re: রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

হিডকোর সাথে একটা বোঝাপড়া হয়েছে দোকানীদের। দোকান তৈরী চলছে- খুলছে।
হিডকোর বদান্যতার কারণ যাই হোক- খোলাখুলিই ধন্যবাদ জানিয়ে গেলাম। মানুষের জন্যেই আইন- আইনের জন্যে মানুষ নয়..
Avatar: pi

Re: রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

এখনকার আপডেট কী ?
Avatar: নাগরিক

Re: রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

পুড়ে যাওয়া দোকান প্রায় সব নতুন করে তৈরি হয়েছে । একটা দুটো বাদে। স্থানীয় tmcসাহায্য করেছে।দোকানীদের ইউনিয়নের শক্তিদা বলে একজনের নামে সব দোকানীরা খুব প্রশংসা করছেন। হিডকোর সাথে দোকানীদের রফা হয়েছে যে কেউ দোকান বন্ধ করলে,গ্যাস সিলিন্ডার বাড়ি নিয়ে যেতে হবে। তবে দু:খের কথা হলো tcsনিকটতম গেট বন্ধ রেখেছে এখনও। অনেক দূরের গেট দিয়ে লোকজন এই গরমে আসছে খুব কম। বিক্রি তাই ৫০% কমে গ্যাছে। tcs-hidcoকেস চলছে। যিনি মারা গেছিলেন তিনি G4S থেকে ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন+ সমস্ত সিকিউরিটি গার্ডরা কিছু কিছু তুলে দিয়েছেন। এক সূত্র বলছে যে tcs hrথেকেও নাকি কিছু দেওয়া হয়েছে। কত পেয়েছেন ওনার পরিবার সেই সংখ্যা অবশ্য জানিনা।
তবে দু:খের কথা হলো tcsএর অধিকাংশের কোনো হেলদোল নেই। কেউ খাগড়াগড় খুঁজছেন তো কেউ খুশী এই বলে যে food এবং fire security ছাড়া এই সব বেয়াইনি দোকানের এই অবস্থাই প্রাপ্য!!
জানিনা TCS এর কর্মীরাই শুধু এমন না এটা পয়সা এবং ক্ষমতার সাধারণ চরিত্র..
Avatar: pi

Re: রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

তো লোকজন খেতে যাচ্ছেন কোথায় ?
তবে রাস্তার দোকানের ফুড ফায়ার সিকিওরিটি আর হাইজিন নিয়ে কাজ হওয়া দরকার মনে করি, দোকানি, ক্রেতা সবার স্বার্থেই, পাব্লিক হেল্থের স্বার্থে।
Avatar: নাগরিক

Re: রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

লোকজনের আশী শতাংশ খেতে যান ক্যান্টিনে।এসি না হলে তাদের অস্বস্তি হয় কিনা..
বাইরের ফুড সিকিউরিটির তুমুল খারাপ অবস্থানের নিন্দায় পঞ্চমুখ জনতার জন্যে একটা মজাদার রিটার্ন দিয়েছে শুনলাম টিসিএস ক্যান্টিন(বাইরের ভেন্ডার)। আরশোলা আর পেরেক নিত্য দিচ্ছে ফ্রিতে খাওয়ারের মধ্যে। এ নিয়ে জনতা ক্ষেপে উঠেও সেই ভেতরের এসি ক্যান্টিনেই যাবে আর লাঞ্চে বেঁচে থাকা খাদ্য চটকিয়ে বানানো বৈকালিক চপ- সিঙ্গারা খাবে আর অফিসের বাইরের ওই হুডলম এলিমেন্টদের মধ্যে খাগড়াগড় খুঁজবে। আর এক গ্রুপ আরও সরেস। নিস্পৃহ হয়ে বলবে যে এই সব ঠিক হয়ে যেতো অনেক আগেই। আরও দুজ্ঞাপুজো আটকে মহরম করাও আর তোষণ করে যাও.. অমিতজি কি এমনি এমনি দয়া করে এসেছেন আমাদের ভালো করতে..
Avatar: Rabaahuta

Re: রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

এসি ছাড়া অস্বস্তি হওয়াটা কি খারাপ কাজ?
Avatar: R

Re: রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

টিসিএস ক্যান্টিনে নিত্য খাবারে আরশোলা আর পেরেকের ব্যাপারটা পুরো গুজব। আমি ঐ একই ক্যাম্পাসে বসি। এসব ব্যাপারে টিসিএস অ্যাডমিন খুব কড়া। আমরা নিজেরাই বলি, টিসিএসে কাজ না করর যত লোকের চাকরি যায়, তার থেকে ঢের বেশি লোকের চাকরি যায় বিভিন্ন কম্প্লায়েন্সের চক্করে।

G4S , সব সিকিউরিটি গার্ড ও টিসিএসের পক্ষ থেকে ছাড়াও, বেশ কতগুলি প্রোজেক্ট থেকে জনসাধারন চাঁদা তুলে কিছু টাকা তুলে দিয়েছে।

টিসিএস নিকট্তম গেট বন্ধ রাখবে না দূরবর্তী গেট, তা টিসিএসের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। অত্যন্ত রূঢ় হলেও যা সত্যি, তা হলো এই দোকানগুলি সবই বেআইনি, জবরদখলে গড়ে তোলা। যদিও এটাও জানা যে, অদূর ভবিষ্যতে সরকার থেকেই এই লোক্জনের জীবিকা স্বার্থে পাকা দোকানঘর, বা হকার মার্কেট গড়ে দেওয়া হবে। খাবারের দোকানের জন্য যে ন্যূনতম পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা দরকার, তা একেবারেই নেই। এক গামলা জলে সারাদিনের বাসনপত্র ধোয়া হয়। এই চেহারা টিসিএস ক্যান্টিনের হলে নাগরিক এতোদিনে পাতার পরে পাতা ভরিয়ে দিতেন।
Avatar: আরশোলা

Re: রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

দু হপ্তা আগেই বন্ধুর প্লেটে আরশোলার ডিম বেরিয়েছে।ওই গীতাঞ্জলী ক্যাম্পাসেই।এডমিন আর ক্যান্টিন ভেন্ডারদের ছবি সমেত মেল চালাচালি করতে তারা ওটাকে ভেজেটেবিল বিন বলে কাটিয়ে দিয়েছে।এটা নিজের চোখে দ্যাখা। এর আগেও ডালে পেড়েক পেয়েছি খোদ নিজেই। কাজেই নাগরিক যা বলেছেন তার সবটা গুজব বলে উড়িয়ে দিতে পারছিনা।
জয়ন্তের বাড়ির লোক কিছু পেয়েছেন জেনে ভালো লাগলো।
কোন গেট বন্ধ থাকবে তা নাহয় টিসিএস ঠিক করবে।কিন্তু কথা হলো গেট ওই হাডকোর সাথে কেস চলার সময়েই বন্ধ করাটা একটু বিশ্রী ব্যাপার।
আইনের কথা না তোলাই ভালো কারণ রাস্তার ৮০% চাএর দোকানই তাই। জবরদখলটা বুঝলাম না! অন্য ককারুর জায়গা দখল করে একটাও দোকান নয়। সব হিডকোর জমি,ভাড়া নিয়ে।
আর হাইজিন কিম্বা রান্নার মান খারাপ কিনা তা তো ক্রেতারা জেনেই কিনে খাচ্ছিলেন।সে সিদ্ধান্ত তাদের ওপরেই থাকনা। জোর করে বিক্রি বন্ধ করার জন্যে কাছের গেট বন্ধ রাখা নেহাতই ছোটোলোকমি।
Avatar: Arpan

Re: রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

আরিব্বাস, কলকাতা টিসিএসে এসি ক্যান্টিন নাকি?!!
Avatar: d

Re: রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

আপিসের ভেতরের ক্যান্টিন তো এসিই হয়।
Avatar: d

Re: রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

রাস্তার দোকান তো এরকমই হবে নিশ্চয়।

এগুলো সব আরো কিছুটা পরিচ্ছন্ন হলে ভালই।


http://www.epaper.eisamay.com/epaperimages/552017/552017-md-em-2/15174
4461.jpg

Avatar: Arpan

Re: রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

আরে আমাদের সব ওপেন এয়ার কাফেটেরিয়া।
Avatar: Du

Re: রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

এটা হল এ সি শহরগরিমা ঃ)
Avatar: Arpan

Re: রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

দুদি ঃ))
Avatar: 4z

Re: রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

বোঝা গেল টিসিএস কলকাতা অ্যাডমিন টিমও গুচ পড়ে
Avatar: সিকি

Re: রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

ইয়ে, দিল্লিতেও সবই এসি চালানো ক্যাফেটেরিয়া। লুরুর মতন সেন্ট্রালি এসি নয় কিনা।
Avatar: আপডেট

Re: রাজারহাটের আগুনঃ ধারাবিবরণী

দুর্ঘটনায় মৃত জয়ন্তবাবুর পরিবার পেয়েছেন ১৩.৫ লাখ টাকা।
g4s ৮ লাখ
tcs ৫ লাখ
সিকিউরিটি স্টাফেরা তুলেছেন ২৬ হাজার
কিছু প্রোজেক্ট এবং tcs এডমিন থেকে ২৪ হাজার

এইটা গতকাল একজন সিকিউরিটি স্টাফ বললেন। কী আশ্চর্য! এই tcs adminই মেইল করে সাহায্য করার কথা বলতে ভাগিয়ে দিয়েছিলো! চাপে পড়েছিল তাহলে..

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 8 -- 27


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন