হেমন্ত, হায়দার, হ্যামলেট

অনিন্দ্য সেনগুপ্ত

 'হায়দার'-এর রিস্কগুলি আখেরে ছবিটিকে উতরেছিল না ডুবিয়েছিল তা নিয়ে তর্ক থাকবে। কিন্তু বিশালের ওই মারাত্মক ডিপার্চারটি অঞ্জনের ভালো লাগেনি – হায়দার খুররমকে হত্যা করতে পারে না। আমি তো আগেই বলেছি 'হায়দার'-এর প্রোজেক্টই ছিল মূল প্লটের নিষ্পত্তিকে বিপর্যস্ত করা, মায়ের ইন্টারভেনশনে। আর একটা পয়েন্ট ভাবুন - সেই ছেলেবেলায় জেনেছি হ্যামলেট procrastinator, সে ভাবে খালি, অ্যাক্ট করতে পারেনা। বিশাল কি করলেন? হ্যামলেটকে সেই সংজ্ঞাতেই ফ্রিজ করে দিলেন। তার অ্যাক্টের আর কোনো মূল্যই থাকলো না। বরং কাকা-ভাইপো একটা ভূতগ্রস্থ পরিবারের অবশিষ্ট হয়ে ঘুরে বেড়াবে উপত্যকাময় যাদের আত্মীয়তার সূত্র হল একজন নারীর প্রতি তাদের প্রেম, যে নারী আর দেশ এখন একাকার হয়ে গেছে রক্তে-মাংসে-বরফে। এই রিস্কগুলো, এই ডিপার্চারগুলো নতুন ইন্টারপ্রিটেশন হয়ে অবলম্বনে মূল্য বাড়ায়। আর অতিরিক্ত আবেগ তৈরি করে। 'হেমন্ত'-এ সেই আবেগ নেই; 'হেমন্ত' বড্ড sane ও যৌক্তিক।

আরও পড়ুন...

কানন দেবী

কল্লোল লাহিড়ি

 ভয় পেয়ে গিয়েছিল ছোট্ট মেয়েটা। অনেক লোকের মাঝে তাকে সকাল থেকে বসিয়ে রাখা হয়েছিল। এই পাড়াতে, এইরকম বাড়িতে আগে কোনোদিন আসেনি সে। তার বাড়ির লোকেরাও কোনোদিন আসেনি। তাকে আসতে দিতেও মন চায়নি তাদের। প্রায় জোর করেই চলে এসেছে ছোট্ট মেয়েটি। কারণ সে জানে তার ওপর এবার সংসারের অনেকটা দায়িত্ত্ব। কিছুদিন আগেই বাবা মারা গেছেন। মাকে সঙ্গে নিয়ে তাকে উঠে আসতে হয়েছে দূর সম্পর্কের এক আত্মীয়ের বাড়িতে। সেখানে সারাদিন, সারা রাত অমানুষিক পরিশ্রম করেও বাড়ির লোকের মন পায়নি তারা। চলে আসতে হয়েছে সেই অপমানকর আশ্রয় থেকেও। মায়ের সেই দুঃখ ছোট্ট মেয়েটি ভুলতে পারেনি কোনোদিন। ভুলতে পারেনি পড়শিদের সেই কানা-ঘুষো। আসলেই যাকে বাবা বলে ডাকতো, আদতে সেই কি ছিল তার বাবা? নাকি মায়ের অন্য কেউ...? লজ্জায় রাঙা হয়ে যেত ছোট্ট সেই মেয়েটার মুখ। দারিদ্র্য ছিল। কিন্তু দারিদ্র্যের সাথে সম্মানবোধ ছিল খুব তীব্র। ছোট্ট মেয়েটা মনে মনে পণ করেছিল আর যাইহোক দিদি, মা, এই সংসারটাকে সে কোনোদিন ভেসে যেতে দেবে না। সবাই যাতে দুবেলা খাবার পায়, পড়ার কাপড় পায়, মাথা গোঁজার জায়গা পায়, সন্মানের সাথে জীবন নির্বাহ করতে পারে তার জন্য ছোট্ট মেয়েটা নিজের সমস্ত শখ, আহ্লাদ, নিজের ছোটবেলাটা বিসর্জন দিয়ে একলা একলা প্রতীক্ষা করছে। অনেক আলো, অনেক যন্ত্রপাতি আর বেশ কিছু রঙ-চঙে মানুষের মাঝে। মনে হচ্ছে আজ তার অগ্নি পরীক্ষা। হ্যাঁ, এই ছোট্ট বয়সেই।


আরও পড়ুন...

কৌশিক গাঙ্গুলির ‘সিনেমাওয়ালা’: একটি ব্যতিক্রমী ছবি

শৌভ চট্টোপাধ্যায়

 বিগত এক দশকের বাংলা ছবি (মানে, কাগজের ভাষায়, তথাকথিত "মননশীল" বাংলা ছবি) দেখলে একটা কথা খুব পরিষ্কারভাবে বোঝা যায় যে, বাংলা সিনেমার সাথে আন্তর্জাতিক সিনেমার সম্পর্ক, যা সত্যজিৎ-মৃণাল-ঋত্বিক একদা স্থাপন করতে সমর্থ হয়েছিলেন, এখন প্রায় পূর্ণতঃ ছিন্ন হয়েছে। বাংলা সিনেমা, অধুনা, তার নির্মাণে ও মেজাজে, পরিপূর্ণ মধ্যবিত্ততার একটি পঙ্কিল আবর্তে পাক খেতে খেতে, একমনে, নিজেই নিজেকে ক্রমাগত ধ্বংস করে চলেছে। বিশ্বসিনেমার ভাষা যতই বদলে যাক না কেন, যতই জটিল হয়ে উঠুক না কেন তার অন্তর্গত আখ্যানের বুনন, বা সেই আখ্যানের সঙ্গে বহির্বাস্তবের লেনদেন ও টানাপোড়েন, বাংলা ছবি, তবুও, দৃশ্যের মাধ্যমে একটি নিটোল, নাটকীয় অথচ অন্তঃসারশূন্য গপ্প বলাকেই তার পবিত্র কর্তব্য ঠাউরে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলতে ব্যস্ত থাকবে। এমনকী, ছবির ভাষা নিয়ে মাথা ঘামানো ছেড়ে, শুধু যদি এটুকুই প্রত্যাশা করি যে সেই গল্প, আদতে, মধ্যবিত্তের কোন গূঢ় আস্তিত্বিক সংকট বা জটিল স্ববিরোধকে দর্শকের সামনে উপস্থাপিত করবে, তাহলেও আশাভঙ্গের শিকার হতে হয়। কেননা, মধ্যবিত্তের হাঁচি-কাশি-টিকটিকি-প্রেম-অপ্রেম-আমাশার গল্পকে, ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে, সভ্যতার সংকট হিসেবে উপস্থাপিত করাই, এখন তার নতুন দস্তুর। এবং এই অন্তঃসারশূন্যতাকে আড়াল করার জন্যে রয়েছে আরোপিত কেতা, যা, বস্তুতপক্ষে, ষাট-সত্তরের দশকের আভাঁ-গার্দ ছবির থেকে ধার করা, পরবর্তীতে মিউজিক ভিডিওর জমানায় ব্যবহৃত হতে-হতে বাসি মাংসে পরিণত হওয়া, ক্যামেরা বা সম্পাদনার কৌশলমাত্র। বিশ্বসিনেমার কথা বাদ দিলেও, কেবল যদি হিন্দি বা মারাঠী সমান্তরাল ছবির কথাই ধরি, তাহলেও বোঝা যায়, বাংলা সিনেমা ঠিক কোন গর্তে গিয়ে মুখ লুকিয়েছে।


আরও পড়ুন...

আমি শুধু চেয়েছি তোমায় – (স্পয়লার অ্যালার্ট)

তিতাস বেরা

 এইখানে কিছু জিনিস ক্লীয়ার করে নিতে হবে। হীরো কিন্তু মূলত ভূমি উদ্ধারের জন্য এসেছে। তাকে উদ্ধার করে সেই তৃতীয় পার্সনের হাতে তুলে দিতে হবে। মানে হাবাপনার চোদ্দগুষ্টি আর কী! সেটে ব্যাপারটা অনেকবার অনেকে আপত্তি করেছে, কিন্তু পেলেদা শুনতে চাননি। ওঁর একটাই দাবী। সেটা হ’ল, যত বেশী গোঁৎ, তত বেশী ফোঁৎ। সুতরাং দর্শকের নিডপূরণ ও ন্যাপকিনের কথা মাথায় রেখেই হীরোর এই উদারীকরণ। তার বেশী কিছু না। অতএব প্ল্যান অনুযায়ী হীরো বিয়ে ভন্ডুল করবে। তারপর নায়িকাকে নিয়ে পালাবে। তিস্তার দিক দিয়ে পালানোটা বেটার। সাদা সুমো করে। ব্রিজের ওপারে তৃতীয় পান্ডব লাল সুমো নিয়ে অপেক্ষা করবেন। একটা ট্রেন থাকবে। সেটা চললেও কোনো অসুবিধে নেই। কোনটা ভারত বাংলাদেশ বর্ডার সেটা নিয়ে দর্শককে মাথা ঘামাতে দিলে চলবে না। দৈবাৎ কেউ যদি ঘামিয়েও ফেলে তবে তার জন্যে রয়েছে নির্ভেজাল মুগ্ধবোধ। 

 

আরও পড়ুন...

শেষের কথা

 আশা ছিল সকলেই নিজেদের জানা নবারুণ-পাঠিকাদের লিখতে উৎসাহী করবেন, এবং জরুরি, যারা চেষ্টা করেও নবারুণ-পাঠিকা হয়ে উঠতে পারেননি, তাদেরও। কেন একজনের লেখা একেবারেই আকর্ষণ করছে না - এটাও ত লেখার। এই জায়গাটা দেখেছি একেবারেই ধরা পড়ে না কোথাও। অথচ বর্তমান বাংলা ভাষার একজন মেজর লেখক হিসেবে তিনি চিহ্নিত হচ্ছেন। বিরূপ পাঠপ্রতিক্রিয়া ও তো লিখে ফেলা যায়। কেন এগনো যাচ্ছে না লেখার মধ্যে, কোথায় কীভাবে আটকাচ্ছে। ইন্টারভিউও তো ভালো অপশন। ইন্টারভিউ নিয়ে কেউ কোথাও কিছু লিখেছে বলে জানিনা। যে, ইন্টারভিউর মধ্যে দিয়ে মানুষটা কীভাবে বেড়িয়ে আসছেন, কিভাবে তাঁকে নিজের মতো একরকম বুঝে নেওয়া যাচ্ছে। চেয়েছিলাম নিজের কথাও লিখবেন কেউ কেউ, ওঁর লেখা পড়তে পড়তে কীভাবে রিয়্যাক্ট করছেন, রিলেট করছেন বা করছেন না, থট প্রসেস পাল্টে যাচ্ছে দৃষ্টিভঙ্গী পালটে যাচ্ছে বা যাচ্ছে না। কতটা পারা গেল, এই সংকলনটিই তার সাক্ষ্য দেবে।

 

আরও পড়ুন...

যাঁরা লিখলেন না

~

যাঁরা নানা কারণে লিখতে পারলেন না নবারুণারী তে, ফেসবুক ও গুরুচন্ডা৯ সাইটে তাদের নতুন-পুরোনো পোস্ট থেকে কিছু মতামত, কিছু আলাপ-আলোচনার নির্যাস রাখা রইল এই অংশে। এর অনেকগুলোই ভাটিয়া৯ অংশে অনেকের সাথে আলোচনার অংশ হিসেবে লেখা বলে এখানে একত্রে একটি লেখা হিসেবে পড়তে খানিক অদ্ভুত লাগতে পারে। সামান্য কিছু এডিটও করতে হল কথোপকথন থেকে বক্তব্য ও সময়কালের সাযুজ্য বজায় রেখে লেখাগুলো আলাদা করতে, তবু, যাঁরা লিখেছেন, তাঁদের মনোভাব আর বক্তব্যের সারবত্তা ধরে রাখা জরুরি মনে হাওয়ায় এবং অন্য কোন উপায় না থাকায় এগুলি এভাবেই রইল। আশা রাখি পরবর্তীতে এঁরা অন্যত্র কখনো নিজের দৃষ্টিভঙ্গি বিস্তারিত লিখবেন। 

যাঁরা লিখলেন না
 
আত্রেয়ী
মিঠু
সায়নী সিনহা রায়
সঙ্গীতা দাশগুপ্ত রায়
সুচেতা মিশ্র
শুচিস্মিতা সরকার
মীনাক্ষী মন্ডল
পারমিতা দাস
 

আরও পড়ুন...

নবারুণ পথ – মেয়েরা কত দূরে?

মৌ

 ‘হারবার্ট’ আর ‘কাঙাল মালসাট’। ‘হারবার্ট’ আমার মতে বাংলা ভাষার উপন্যাসের একটা মাইলস্টোন। সাধারণত মার্কামারা স্ত্রীপাঠ্য উপন্যাসের মধ্যে পড়ে বলে মনে হয় না। প্রসঙ্গত, ‘স্ত্রীপাঠ্য’ শব্দটি আমার গালাগাল হিসেবে ব্যবহৃত বলেই মনে হয়। কারণ আপনারা সম্ভবত জানেন, আর সন্দেহ থাকলেও সেকথা পরে হবে। এখন ‘হারবার্ট’ যে আমার বেশ সুখপাঠ্য লাগে এবং তাকে সেই লজিকে ‘স্ত্রীপাঠ্য’ এর দলে ঢুকিয়ে দেওয়া হল কিনা সে আপনারা ঠিক করুন। হারবার্টের মতো কোন লোকের কাছাকাছি আসার ভাগ্য আমার হয় নি তাই সত্য-মিথ্যা-কল্পনার তুলনা দিতে পারবো না। ব্যক্তিগতভাবে বামপন্থী, যুক্তিবাদী পরিবেশে বড় হয়েছি, চিরকাল যুক্তিবাদীদের দলের পাল্লাই ভারী করেছি। কিন্তু হারবার্ট-এ যুক্তিবাদীদের অসংবেদনশীলতা ছাপ রেখে যায় আমার মনে। পাঞ্চলাইন ‘কখন কীভাবে বিস্ফোরণ ঘটবে এবং তা কে ঘটাবে সে সম্বন্ধে জানতে রাষ্ট্রযন্ত্রের এখনও বাকি আছে’ –র থেকেও বেশি। হারবার্ট নিয়ে আবার কথা হবে।

আরও পড়ুন...

নবারুণ ভট্টাচার্য বিষয়ে আমার মনে হওয়া কথাগুলি

যশোধরা রায়চৌধুরী

 কিন্তু দ্বিতীয় ও সচেতন পাঠে আমি দেখতে পাই এই সব ক্রিয়াকর্ম। ঠিক যেভাবে ছোটবেলায় আস্বাদন করে, প্রায় চেখে চেখে চেটে চেটে পড়া উপেন্দ্রকিশোরের টুনটুনির গল্প-এর বাঘের বাচ্চাদের মেরে কেটে ঝুলিয়ে রেখে তেলের মধ্যে টপ টপ রক্ত পড়ার ছ্যাঁক ছোঁক আওয়াজ ও বাইরে বসে বাঘ বাবাজির সে আওয়াজে পিঠে ভাজা হচ্ছে ভাবার ঘটনা, আজকের আমার সচেতন দৃষ্টিতে, পরিবেশপ্রীতি ও পশুপ্রীতির দৃষ্টিতে বিষম, অসহ্য, পলিটিকালি ইনকারেক্ট, গ্রহণীয় নয়। ঠিক যেভাবে প্রায় অধিকাংশ রসালো প্রাচীন কাহিনি আজ হয় পাগল, নয় শারীরিকভাবে অক্ষম, নয় কোন না কোন ভাবে শোষিত মানুষের অ-সংবেদনশীল বিবরণের কারণে পরিত্যাজ্য হয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন...

নবারুণপাঠ এবং প্রবাসীর টেখা

ইন্দ্রাণী দত্ত

 সেই জায়্গা থেকে বিস্ফোরণ ও তৎসংক্রান্ত দর্শনকে তুচ্ছ লাগা হয়তো একদম ধৃষ্টতাই - হারবার্ট পড়ার এত বছর পরে আজ আর বিস্ফোরণকে তেমন তীব্রও মনে হয় না অথচ এত দিন পরেও একটা দৃশ্যকল্প কেমন জ্বালায় - ঐ শেষ পরিচ্ছেদের একটা দৃশ্যকল্প - হারবার্টের সেই সাইনবোর্ড বেলুন বন্দুকওলা কিনে নেয় এবং এর ওপরে কাঁটা পেরেক ঝুলিয়ে বেলুন ঝোলাবার ব্যবস্থা করে - সব বেলুন ফেটে গেলে পেরেকের মধ্যে হয়তো বা চোখে পড়বে, উল্টো হরফ - 'মৃতের সঙ্গে কথোপকথন' প্রোঃ হারবার্ট সরকার - 

আরও পড়ুন...

নবারুণ ভট্টাচার্যকে

অবন্তিকা পাল

তোমাকে পড়ছি রাষ্ট্রদ্রোহী, তোমাকে খুঁড়ছি নিরন্তর
যাওয়া-আসা সেও চলতেই থাকে, পুড়ে যায় পোড়ো মাটির ঘর


আরও পড়ুন...

দু-চার কথায়

দু-চার জন

হুট করে লিখতে বললেই কি পাট করে প্রবন্ধ নেমে যায়? সব সময় হয়তো না। কিন্তু, কিছু কিছু বলার মতো কথা তো থাকেই যা অন্তত না বলে থাকা অনুচিত। অনুরোধ একান্তই ফেরাতে পারেননি যাঁরা, তাঁদের দু-কলম অনন্যোপায় লেখা এখানে একসঙ্গেই থাকল, নাহোক নিজেদের মধ্যে গল্পগুজব করার অছিলাতেই।

আরও পড়ুন...

ইতরের দেশে বসে শরণ নিচ্ছি

চৈতালি চট্টোপাধ্যায়

 তা-ও তো, তখনও হারবার্ট পড়িনি। ফ্যাতাড়ুদের বৃত্তান্ত তো নয়-ই! হারবার্ট পড়তে দিল আমারই হাতিবাগান পাড়ার কোনও এক বন্ধু। পড়লাম আর শিউরে-শিউরে উঠলাম। এই বেস্-এর ওপর দাঁড়িয়ে, আমি লিখব কী করে? কোন কনভিকশন নিয়ে ? লিখব, আর ভুশ করে ডুবে যাব তো ছাইগাদায়। ব্যবহৃত হব, আধো-অন্ধকার, পুরনো বাড়ির কলতলায় বাসন-মাজার আঁশটে কাজে। বাড়িগুলি প্রোমোটারের হাতে চলে গেলে, কাঁসা-পিতল বাতিল হয়ে গেলে, সে-কাজেও লাগব না আর !

আরও পড়ুন...