বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

আমার কারাবাস এবং - তৃতীয় কিস্তি

আসিফ মহিউদ্দীন

( দ্বিতীয় কিস্তির পর )

তখন রাত দেড়টা। ডিবি অফিসে হাজতখানার পাশের লম্বা টুলে শুয়ে শুয়ে আমি যতীন সরকারের একটি বই পড়ছি(অনেক কষ্টে বই পড়ার অনুমতি পেয়েছিলাম); গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার কয়েকজন পুলিশ সহ আসলেন দুইজন হেফাজত ইসলামের সদস্যকে নিয়ে। সদস্যদ্বয় বয়সে তরুণ, একজনার দাড়ি বড় হয়েছে, আরেকজনার দাড়ি এখনও বেশি গজায় নি।

আমাকে দেখিয়ে পুলিশ উপ-কমিশনার জিজ্ঞেস করলেন, এই লোককে চেনোস?
তারা দুইজন আমার দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকলো, তারপরে বড় জন চোখ বড় বড় করে বললো, হ স্যার চিনি। এর নাম আসিফ মহিউদ্দীন। পেপারে এর ফটো দেখছি।
কমিশনারঃ এই লোক কে?
হেফাজতঃ এই লোক বলকার, শাহবাগ পার্টি। বিরাট নাস্তিক, নাস্তিকগো সর্দার।
কমিশনারঃ এই লোকেরে বাইরে পাইলে কী করবি?
হেফাজতঃ ইনশাল্লাহ জবাই দিমু।
কমিশনারঃ হালা কত্ত বড় সাহস, আমার সামনে এই কথা কইলি? কেন জবাই দিবি?
হেফাজতঃ এই লোক ইসলাম আর নবী নিয়া ব্লগে খারাপ কথা কইছে।
কমিশনারঃ তুই কি ব্লগ পড়স?
হেফাজতঃ না স্যার, আমার বড় হুজুরে কইছে।
কমিশনারঃ তোর বড় হুজুর কি ইন্টারনেট চালায়? সে ব্লগে গিয়া পড়ছে?
হেফাজতঃ না স্যার সে কম্পিউটার চালাইতে পারে না। সে পেপারে পড়ছে।
কমিশনারঃ কোন পেপারে?
হেফাজতঃ আমারদেশ পেপারে।
কমিশনারঃ তুই কি ব্লগে ঢুইকা দেখছস তার লেখা? না দেইখাই জবাই দিবি?
হেফাজতঃ স্যার, কথা যখন উঠছে কিছু না কিছু তো হইছেই, নাইলে পেপারে আইবো ক্যান? তার উপরে সে নিজে স্বীকার করে সে নাস্তিক। হাদিসে আছে ইসলাম ত্যাগের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। তাই জবাই দেয়াই লাগলো। আমাগো কিছু করার নাই স্যার, যেইটা নিয়ম সেইটাই।

সেই রাত্রে এই দুই হেফাজতির জন্য কোন খাবার ছিল না, ক্যান্টিন ৯ টার সময়ই বন্ধ হয়ে যায়। আমি তাদের একটু কেক খেতে দিলাম, কিন্তু তারা নাস্তিকের খাবার খাবে না, যদিও তাদের চেহারা দেখে বেশ বোঝা যাচ্ছিল তারা ক্ষুধার্ত। এরপরে কমিশনার আমার দিকে তাকালেন। বললেন আপনি এদের সাথে একটু আলাপ করেন, আমরা একটু শুনি। আমি আলাপ শুরু করলাম।

এই ধরণের মাদ্রাসার ছাত্রদের কিভাবে নাস্তানাবুদ বানাতে হয়, সেটা আমার জন্য খুব কঠিন না। ৩০ মিনিটের মধ্যে পুলিশের চরম ধার্মিক ব্যক্তিটিও দেখি আমার সুরে কথা বলতে শুরু করেছে। কমিশনার থেকে শুরু করে সবাই তখন মোটামুটি আমার পক্ষ হয়ে তাদের সাথে তর্ক করছে। যদিও তারা ব্যাপক ধর্মপ্রাণ, কিন্তু আমি এমন কয়েকটা প্রশ্ন করেছি যে, বেচারাদের চেহারা লাল হয়ে গেছিল। আমতা আমতা করে বলছে, এই প্রশ্নের উত্তর তাদের কাছে নাই, বড় হুজুরের কাছে জিজ্ঞেস ক’রে তারা পরে আমাকে এই উত্তর জানাবে। এই নিয়ে হাজত খানায় ব্যাপক হট্টগোল, দুই পক্ষ হয়ে চরম তর্ক বিতর্ক। একদল আমার পক্ষ, আরেকদল ঐ পক্ষ। ঐ পক্ষ বলছে ধর্ম নিয়ে যুক্তি দেয়া ঠিক না, আরেকপক্ষ বলছে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারোস না তোরা কিয়ের হেফাজত করোস? কিয়ের নামাজ রোজা করোস? এরপরে নানাভাবে ব্যর্থ হয়ে দুই হেফাজতি আমাকে তাদের সাথে নামাজ পড়তে অনুরোধ জানালো, বললো নামাজে দাঁড়ালেই নাকি আমি সব উত্তর পেয়ে যাবো! আমি বললাম আমি যেহেতু কোন ধর্মেই বিশ্বাসী না, সেহেতু প্রার্থনা আমার জন্য কোন অর্থ বহন করে না। নামাজের পরে আরো ২ ঘণ্টা কথা বললাম। দুই ঘণ্টা পরে তারা আর আমার সাথে কথা বলবে না বলে প্রতিজ্ঞা করলো, কারণ আমার সাথে কথা বললে নাকি তাদের ইমান দুর্বল হয়ে যাবার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে!

এর দুইদিন পরে। আমি বসে আছি উপ-কমিশনারের রুমে। বড় হেফাজতিটাকে নিয়ে আসা হলো। আমাকে দেখিয়ে বলা হলো, এই লোকটা কেমন? মানে মানুষ কেমন?
হেফাজতিটা বললো, সে মানুষ হিসেবে ভাল। মনটা ভাল আছে, লোক খারাপ না, কিন্তু সমস্যা হইলো নাস্তিক। নাস্তিক না হইলে তারে খুব ভাল মানুষই বলা যাইতো।
কমিশনারঃ এখন বল, এরপরে এরে রাস্তায় পাইলে কি করবি?
হেফাজতিঃ স্যার ইনশাল্লাহ জবাই দিমু?
কমিশনারঃ কি কস? তুই না কইলি মানুষ ভাল, তাইলে জবাই দিবি ক্যান?
হেফাজতিঃ স্যার এইটা হাদিসে আছে, আমাগো ধর্মের নিয়ম। ধর্মের বাইরে তো যাইতে পারুম না। সে যত ভাল মানুষই হোক, নাস্তিক হইছে মানে এরে আল্লাহর নামে শাস্তি দেয়া ছাড়া উপায় নাই। এ যদি তওবা কইরা আবার মুসলমান হয়, তাইলে একটা কথা আছে।

কমিশনার আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, এরে বাইরে পাইলে আপনি কী করবেন? আমি ঠোঁট উলটে বললাম, এক কাপ চা খাওয়া যাইতে পারে, আর কাঁধে হাত রেখে একটু আলাপসালাপ করতে পারি। আর কী করবো?

নাহ, তারা তাদের লাইনে ঠিকই আছে। অন্তরে যা বিশ্বাস করে সেটাই বলে, অন্তত হিপোক্রিট না। সমস্যা এদের শিক্ষায়, বিষবৃক্ষের গোঁড়ায়, এদের ধর্মান্ধ মৌলবাদী "হয়ে ওঠায়"; কেউ মৌলবাদী হয়ে জন্মায় না, ক্রমশ পরিণত হয়। আর এই হয়ে ওঠার প্রক্রিয়াটার বিরুদ্ধেই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে, মাদ্রাসার এই অল্পশিক্ষিত ছেলেগুলোর বিরুদ্ধে নয়। একই কথা প্রযোজ্য জামাত শিবির হিজবুতিদের ক্ষেত্রেও। যুদ্ধটা প্রথা, প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবস্থার বিরুদ্ধে, ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হলেও আরেকজন ব্যক্তি এসে শূন্যস্থান পূরণ করবে। তাই আঘাত করতে হবে শেকড়ে।

 



91 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

কোন বিভাগের লেখাঃ অপর বাংলা  ধারাবাহিক 
শেয়ার করুন


Avatar: siki

Re: আমার কারাবাস এবং - তৃতীয় কিস্তি

অসম্ভব রকমের অবিশ্বাস্য। আশা করছি এটা সামগ্রিক বাংলাদেশের "ধার্মিক" ইসলামিক জনগণের মানসিকতার প্রতিফলন না।

দেশ দেখার লিস্টি থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় দেখছি না।
Avatar: সে

Re: আমার কারাবাস এবং - তৃতীয় কিস্তি

পুরো ব্যাপারগুলো যেন দেখতে পাচ্ছি। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আছে এদের সঙ্গে পরিচিত হবার। ১৯৮৮ সালের জুন মাসে কিছু ধর্মান্ধ মৌলবাদীদের সঙ্গে সামান্য মোলাকাৎ হয়েছিলো - এই লেখাটা পড়তে পড়তে সেই অপ্রীতিকর স্মৃতি আবার পরিষ্কার চোখের সামনে ভেসে উঠল।
Avatar: siki

Re: আমার কারাবাস এবং - তৃতীয় কিস্তি

শোনানো যায়, সেই গল্প?
Avatar: দ

Re: আমার কারাবাস এবং - তৃতীয় কিস্তি

অ্যাথেইস্ট তো নাস্তিক নয়, সন্দেহবাদী। অ্যাগনস্টিক মানে নাস্তিক নয়?

সিকি, বাংলাদেশে তুমি নাই যেতে পার, সে তোমার পছন্দ। কিন্তু সেখানে বিদেশী/ভারতীয়দের ভিসাফর্মে 'নাস্তিক' লেখা কিনা আর সেই দেখে দেখে প্রোফাইলিং করে হ্যারাস করা হচ্ছে -- এমন কোনো খবর তো নেই এখনও পর্যন্ত।
Avatar: সে

Re: আমার কারাবাস এবং - তৃতীয় কিস্তি

শোনানো যায় কিন্তু খুবই স্পর্শকাতর সেই প্রসঙ্গ ও আবেগও পুরোপুরি বাদ দিয়ে লিখতে পারব না। তাই আপাতত তোলা রইল।
Avatar: সে

Re: আমার কারাবাস এবং - তৃতীয় কিস্তি

http://en.wikipedia.org/wiki/Atheism
নাস্তিক মানে এথেইস্ট। ঈশ্বরের অস্তিত্ব সে অস্বীকার করে।
http://en.wikipedia.org/wiki/Agnosticism
অ্যাগন্স্টিকের অবশ্য ঈশ্বর আছেন কি নেই এতে এসে যায় না।
http://www.thefreedictionary.com/sceptic
আবার স্কেপ্টিকের ডাউট থাকে (ডাউট মানে এখানে ঠিক "সন্দেহ" নয়)
Avatar: সে

Re: আমার কারাবাস এবং - তৃতীয় কিস্তি

অ্যাগ্‌নস্টিক।
Avatar: দ

Re: আমার কারাবাস এবং - তৃতীয় কিস্তি

আচ্ছা।
কিন্তু আমার কেমন মনে হচ্ছে ঈশ্বর আছে কি নেই যে কেয়ার করে না, তাকেই বোধহয় নাস্তিক বলা উচিৎ।
Avatar: একক

Re: আমার কারাবাস এবং - তৃতীয় কিস্তি

বানিয়ে লেখা একেবারেই মনে হচ্ছেনা । বাংলাদেশি বন্ধুদের কাছেও এমনটাই শুনেছি । তবে এই বর্ণনা টা পড়ে এক ই সঙ্গে হাসতে হাসতে পেট ফেটে যাচ্ছে আর শিরদাঁড়া ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে এই ভেবে যে বাংলাদেশে জন্মালে কবে জবাই হয়ে যেতুম ।
Avatar: aranya

Re: আমার কারাবাস এবং - তৃতীয় কিস্তি

শাহবাগ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে এটা বোধহয় বলা যায় যে বাংলাদেশে লিবারাল মানুষ-ও বিশাল সংখ্যায় আছেন এবং মৌলবাদীদের সাথে তাদের লড়াই চলছে। বাংলার ভাষা, সংস্কৃতি, গান - ধর্মের বাঁধন থেকে বেরোনোর অনেক সহায় আছে সে দেশের মানুষের।
অন্য মুসলিম দেশগুলো, পকিস্তান বা মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশের তুলনায় বাংলদেশে এই লড়াই বেশি জোরদার - এটা অবশ্য আমার ধারণা।
Avatar: aranya

Re: আমার কারাবাস এবং - তৃতীয় কিস্তি

'কেউ মৌলবাদী হয়ে জন্মায় না, ক্রমশ পরিণত হয়' - এইটা সার কথা। কওমী মাদ্রাসার শিক্ষা-র বিকল্প থাকলে ভাল হত। মাদ্রাসায় বোধহয় গরিব ছাত্রদের থাকা-খাওয়ারও ব্যবস্থা করে, সরকারের পক্ষে কি তেমন কিছু করা সম্ভব?
Avatar: aranya

Re: আমার কারাবাস এবং - তৃতীয় কিস্তি

আসিফ লিখেছেন বড় ভাল। একক যেমন বলল- এক ই সঙ্গে হাসতে হাসতে পেট ফেটে যায় আবার শিরদাঁড়া ঠান্ডা হয়ে যায়।
Avatar: rivu

Re: আমার কারাবাস এবং - তৃতীয় কিস্তি

"এর দুইদিন পরে। আমি বসে আছি উপ-কমিশনারের রুমে। বড় হেফাজতিটাকে নিয়ে আসা হলো। আমাকে দেখিয়ে বলা হলো, এই লোকটা কেমন? মানে মানুষ কেমন?
হেফাজতিটা বললো, সে মানুষ হিসেবে ভাল। মনটা ভাল আছে, লোক খারাপ না, কিন্তু সমস্যা হইলো নাস্তিক। নাস্তিক না হইলে তারে খুব ভাল মানুষই বলা যাইতো।
কমিশনারঃ এখন বল, এরপরে এরে রাস্তায় পাইলে কি করবি?
হেফাজতিঃ স্যার ইনশাল্লাহ জবাই দিমু?
কমিশনারঃ কি কস? তুই না কইলি মানুষ ভাল, তাইলে জবাই দিবি ক্যান?
হেফাজতিঃ স্যার এইটা হাদিসে আছে, আমাগো ধর্মের নিয়ম। ধর্মের বাইরে তো যাইতে পারুম না। সে যত ভাল মানুষই হোক, নাস্তিক হইছে মানে এরে আল্লাহর নামে শাস্তি দেয়া ছাড়া উপায় নাই। এ যদি তওবা কইরা আবার মুসলমান হয়, তাইলে একটা কথা আছে।"

এই প্যারাটা অসাধারণ। জাস্ট অসাধারণ। একসঙ্গে কত গুলো ইমোশন খেলা করে গেল ১৫-২০ বাক্যে।

Avatar: টিক্কা

Re: আমার কারাবাস এবং - তৃতীয় কিস্তি

ভালো। তবে কিছু কিছু জায়গা পড়ে মনে হল লেখক একটু নিজের গুণগান গাইছেন।
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: আমার কারাবাস এবং - তৃতীয় কিস্তি

এই তো হওয়ার কথা ১৯৭১ এর রক্তস্নাত বাংলাদেশে..আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক মুজিব - জিয়া যখন স্বাধীন বাংলায় খলনায়কে পরিনত হন, ঘাতক যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করার “উদরতা” দেখান এবং তাদের পুনর্বাসনের মিশন নেন, তখন দেশটি ক্রমেই মিনি পাকিস্তান হয়ে উঠলে এমনই তো হওয়ার কথা...

”নাস্তিকতা” দায়ে, মত প্রকাশের দায়ে একজন হুমায়ুন আজাদকে খুন হতে হবে বা একজন দাউদ হায়দার দেশান্তরি হবেন বাএকজন তসলিমা মাথা বাঁচাতে বিদেশে পালিয়ে বেড়াবেন বা একজন আহমদ শরীফ “মুরদাত” তকমা নিয়ে দেহ রাখবেন বা শহীদ জননী জাহানারা ইমাম রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা নিয়ে লোকান্তরিত হবেন বা মুক্তচিন্তার দায়ে ব্লগার রাজিবকে খুন হতে হবে বা সহব্লগার আসিফ, রাসেল, শুভ, বিপ্লবকে জেলে যেতে হবে..আর দেশটি ক্রমেই হিজাব-আচকান মোল্লা-মক্তবের পাক-আফগানিস্তান হয়ে উঠবে, শষ্যের চেয়ে অধিক টুপিতে ভরে উঠবে আমার সোনার বাংলা, তবেই না হবে মিশন সাকসেসফুল!

সূর্য তুমি নিভে যাও!
http://biplobcht.blogspot.com/2013/07/blog-post.html
Avatar: কবি আলমগীর গৌরীপুরী

Re: আমার কারাবাস এবং - তৃতীয় কিস্তি

কিছু পাগল এখনও আছে যারা তাদের নিজের জন্ম নিয়ে সন্দেহ করে। তবে আমি কিন্তু পুরাই মজা পাইলাম। হাস্যকর বিষয় গুলি অনেক মজা দেয় আমাকে। তবে আর একটা বিষয় খুবই অদ্ভুত যে পাগলের প্রলাপ আর মিথ্যা কথা এক নয়।
যারা নিজের জন্ম নিয়া সন্দেহ করে তাদের মুখে মিথ্যা কথা একটা মজাদার বস্তু।
যখন সীমানা নিদ্ধারন হয়ে যায় তখন সীমানার বাহিরের অংশকে মন থেকে ঘৃনা না কল্লেত আর নিজের অস্তিত্বই থাকবে না। তাই প্রলাপ প্রলাপনী আর মুখোশ। ।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন