বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

না হাঁচিলে যারে

জয়ন্তী অধিকারী


অনেকদিন আগেকার গপ্পো।
এক যে ছিল ভীষণ কেবলী মেয়ে , টিঙটিঙে রোগা,থাকার মধ্যে মাথায় ঘন চুল,মুখচোরা আর প্র্যাকটিকালে ভয়।কেমিস্ট্রী ছাড়া সবকিছু পড়তে ভালবাসে, পাকপাড়া থেকে বেলগাছিয়া  এসে  ট্রামে করে কলেজ যায়।
আর ছিল এক ডাক্তারীর ছাত্র,বেজায় গম্ভীর, নেহাত দরকার না পড়লে কথাটথা কয় না, সবসময়  রামগরুড় মুখ করে ঘোরে কিন্তু পেটে শয়তানি বুদ্ধি গিসগিস করে।


 সেদিন ডিসেম্বর মাস,অসময়ে প্রবল বৃষ্টি।
হাঁচতে হাঁচতে কেবলী কলেজে চলেচে, বগলে তিনটে প্র্যাকটিকাল খাতা, এক হাতে তোয়ালেরুমাল,অন্য হাতে বাসের রড, কাঁধে ঝোলা  ব্যাগ ।
এমন সময়ে সর্বনাশকে দেখা গেল। সর্বনাশ মানিকতলার দিকে কোথায় একটা থাকত, কিন্তু শ্যামবাজার অব্দি উজিয়ে এসে ট্রামে করে মেডিকেল কলেজ যেত।
সরকারী রাস্তায় যে যেভাবে খুশি যাওয়া আসা কর্বে, কারো কিছু বলার থাকতে পারে না।

 ভয়ঙ্কর ভীড়,হাঁচি,এতগুলো জিনিস হাতে,তার ওপর ঐ  গোবুচন্দ্র মূর্ত্তির হাঁড়িমুখ দেখে কেবলীর মাথা কেমন গরম হয়ে গেল।সে স্টপ আসার একটু আগে থেকেই ভীড় ঠেলতে ঠেলতে দরজার কাছে চলে এলো ,আর নিজের স্টপে টুক করে নেমে পড়ল,নেমে কফি হাউসের রাস্তাটা ধরে এগোল। একটা কাজ ছিল ঐদিকে,বৃষ্টিটাও ধরেচে এট্টু, ভাবল সেরে যাই কাজটা।

 হনহন করে কিছুদূর এগিয়ে গেছে, হেনকালে  পেছনে  ভীষণ চিৎকার শোনা গেল-বাজখাঁই গলায় কে যেন চ্যাঁচাচ্ছে,”ধরুন,ধরুন ঐ মেয়েটাকে ধরুন।“
কেবলী কারো সাতে নাই  পাঁচে  নাই,সে  যেমন যাচ্চিল, যেতে লাগল।
কিন্তু পেছনের সেই চেঁচামেচি ক্রমে ভয়াবহ চেহারা নিতে লাগল,-“ঐ যে সবুজ ছাপছাপ শাড়ি পরা মেয়েটা,আমার স্টেথো  নিয়ে গেল।“
 সবুজ শাড়ী? সামান্য বিচলিত কেবলী চারপাশে দেখল-সবুজ কেন, কোনরকম শাড়ী পরা মেয়েই নাই। ততক্ষণে সেই ইয়ে দৌড়ে এসে কেবলীকে ধরে ফেলেচে,চাদ্দিকে পাঁচ ছজন জড়ো হয়ে গেচে, আজকাল কতরকম পকেটমার দেখা যায়,সে বিষয়ে  ছোটবড়মেজোসেজো বাক্য রচনাও শুরু হয়েচে।
যতই নিরীহ হোক, একটা সময় সকলেই রুখে ওঠে-কেবলী প্রচণ্ড চটে বল্ল-“কী চান,বলুন  তো,আমার পেছনে দৌড়োচ্চেন কেন?”
-“ তোমার (??)কাছে আমার স্টেথো চলে গেছে,দৌড়ব না?”
-“ এক্কেবারে বাজে কথা বলবেন না, বুঝেছেন!”
-“তোমার (আবার তুমি তুমি কচ্চে,কী সাহস) পেছনেই ছিলাম তো,আমার স্টেথো কোথায় গেল তবে?”
-“আপনার তো মেডিকেল কলেজ (যাঃ, মহাভুল হয়ে গেল,এটা কেবলীর জানার কথা নয়),এখানে নামলেন কেন ? আর নিজের জিনিস সামলাতে পারেন না,অন্যকে দোষ দেন!!”
-“অত হাঁচি দিচ্চিলে,হাতে এত খাতাটাতা-“
রীতিমত ভীড় হয়ে গেছে ততক্ষণে।
-উনি হাঁচছিলেন আর আপনি পেছন পেছন যাচ্ছিলেন?
-স্টেথো  নিয়ে যাচ্চিলেন?
- ট্রামের  মধ্যেই ডাক্তারি?

 মনে  রাখতে  হবে সেটি সত্তর  দশকের  শেষ, রাস্তাঘাটে এরকম ঘটনা তখন খুব সুলভ ছিল না। তার ওপর ঐ অঞ্চলে চাদ্দিকে  চেনা লোক । দুঃখে, রাগে কেবলীর আবার ভীষণবেগে হাঁচি শুরু হল,আর সেই হাঁদারাম ও অন্য সবাই হাসিহাসি মুখে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে লাগল।

 চার নম্বর হাঁচিটা সবসময়েই সবচেয়ে জোর,সেটি সামলাতে গিয়ে কেবলীর কাঁধের ব্যাগ রাস্তায় পড়ে গেল আর তার ভেতর থেকে বেরিয়ে এল সেই হতচ্ছাড়া ইয়ে মানে স্টেথো। ঐসময়ে কাণ্ডজ্ঞানশূন্য কেবলী সেটি যতজোরে পারে রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে গটগট করে কলেজের দিকে হাঁটা দিল।
  ল্যাবে খাতা জমা দিয়ে,কমনরুমে গিয়ে একটু জল খেয়ে ওষুধ খেতে গিয়ে কেবলীর খ্যাল হোলো ওষুধের পাউচটা কই? রাস্তায় পড়ে গেছে ঠিক, সব ঐ হনুমানটার জন্য।গজগজ করতে করতে কেবলী থিওরী ক্লাশে চল্ল।
  দরজার সামনে ক্লাসের সৌমিত্রর সাথে গম্ভীরমুখে সেই গোবিন্দ-হাতে কেবলীর পার্স,কলম,ওষুধের পাউচ।

"রাস্তায় পড়ে গেছিলে বুঝি?"সৌমিত্র উবাচ"ভাগ্যিস  গোবু(কেবলীর মনে মনে দেয়া নাম,আসল নাম নয়)দা ছিল।দেখো কী সুন্দর সব কুড়িয়ে এনে দাঁড়িয়ে রয়েছে"।

প্রচ্ণ্ড চটে গিয়ে আবার হাঁচি দিতে দিতে সবেগে কেবলীর  প্রস্থান ও প্রথম দৄশ্যে যবনিকা পতন।


-----------------------------------------------------------------------------------
দিন যায়।
 কেবলী মোটেই ভালো নেই। কেমিস্ট্রী  পড়তে তার ইচ্ছেই করে না। থিওরি তবুও চালানো যায়,প্র্যাকটিকাল বড়ই বিরক্তিকর ও নীরস। ইস,কেন যে ইংলিশ নিল না! এইসব যন্ত্রণার ওপর জুটেছে ঐ গোবুচন্দ্র-আজকাল হামেশা তাকে নিজের কলেজ ছেড়ে কেবলীর ক্লাশে পেছনের বেঞ্চিতে  দেখা যায়। সে আবার নানারকম গলা করে প্রক্সি দিতে পারে-এই গুণটি আবিষ্কার করে ক্লাশের ছেলেরা তাকে মাথায় করে রেখেচে।এমনকি  মাঝে মাঝে  সে প্রফেসারদের প্রশ্নের উত্তর দেবার জন্য হাত তুলে থাকে,একদিন নাকি তাকে ক্লাশের সময় বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে পিকেজি কষে ধমক দিয়েছেন। রক্ষে এই যে ক্লাশে কেবলীর চেয়ে বহুগুণে সুন্দরী ও স্মার্ট মেয়েরা থাকাতে ব্যাপারটা কেউ আঁচ করতে পারেনি।যাই হোক, গোবুর পক্ষে যে এযাত্রা ডাক্তার কেন কম্পাউন্ডারও হওয়া সম্ভব নয়-এ বিষয়ে  কেবলীর মনে সামান্যতম সন্দেহও ছিল না।সৌমিত্র মাঝে মাঝে গোবুচন্দ্রের গুণগান শোনায়-নাকি খুব ব্রিলিয়ান্ট ছাত্র(হুঁঃ)ওর বাবাও আর্মিতে ডাক্তার,কেমিস্ট্রী ভালোবাসে,তাই মাঝে মাঝে এখানে ক্লাশ করতে আসে(বাবাগো,এমন জীবও আছে দুনিয়ায়!!)।  কেবলী ঠাকুরকে ডাকে-গোবু যা ইচ্ছে করুক,শুধু ওর আমার কলেজে ঘুরঘুর বন্ধ হোক,উটকো ঝামেলা কেবলীকে যথেষ্ট বিরক্ত ও বিব্রত করছিল।
 সময় বয়ে যায় যথানিয়মে! পার্ট ওয়ানের রেজাল্ট বেরিয়ে গেল,কেবলী সকালের ট্রামে কলেজে চলেচে মার্কশিট না কী একটা নিতে।
 কলেজের একটা স্টপ আগে ভীড় ঠেলে গোবুচন্দ্র  উদিত হলেন আর চোখ দিয়ে কেবলীকে বল্লেন “ নেমে পড়ো”।দেখাই যাক,ভেবে কেবলী নামলো। সেই স্টেথো-কাণ্ডের পর এই দৃশ্যে যা ভাবের আদানপ্রদান হল তা এইরকম-
গোবু- শুনলাম ফেল হয়েচ।
কেবলী-আমি তো আর ক্লাশের সময় অন্য কলেজে গিয়ে আড্ডা দিই না যে ফেল করব।
গোবু- যাক,পাশ করেচ তালে।একটা কথা বলার জন্যে—
ও ও ওরে বাবারে, মারে গেছি,গেছি রে-এ-এ-এ,মরে গেলাম রে-এ!!
 আড়চোখে ব্যাপারটা দেখে কেবলী অত্যন্ত খুশী হল।আসলে, অভ্যেসমত ট্রাম থেকে নেবেই কেবলী ফুটপাথের দিকে যাচ্ছিল, সঙ্গে সঙ্গে গোবুও,আর ঠিক সেখানেই,যেন গোবুকে ফেলে দেবার জন্যই অতি চমৎকার ভাবে সাজানো ছিল একতাল গোবর,অন্যমনষ্ক ভাবে যাতে পা পড়া মাত্রই গোবু একেবারে পারফেক্টলি প্যারাবোলিক কক্ষপথে  ভীষণ জোরে ধপ্পাস হয়ে গেছে আর এখন মাটিতে পড়ে  চ্যাঁচাচ্ছে।লোকজন জড়ো হচ্ছে,”জল দিন,আহা আগে তুলুন্না,দাদার জামাকাপড় যে গোবরে মাখামাখি,এট্টু দেইখ্যা হাঁটাচলা করেন্না ক্যান” এইসব শুনতে শুনতে  হৃষ্টচিত্তে কেবলী আস্তে আস্তে সরে পড়ল।
 কলেজের কাজ সেরেটেরে,একটু আড্ডা মেরে কেবলী ও আরো কয়েকজন বেরোচ্চে,এমন সময় দেখা গেল সৌমিত্র হন হন করে আসচে(ততদিনে জানা গেছিল,গোবু আবার সৌমিত্রর কীরকম  দাদা হত)-
‘হ্যাঁরে তুই নাকি গোবুদাকে ঠেলে গোবরে ফেলে দিয়েছিস? “
 কেবলী হেন কেবলী মেয়ে  কাউকে ঠেলে ফেলে দিতে পারে,সেও গোবরে,এটা এতই অবিশ্বাস্য খবর,যে যেখানে ছিল দৌড়ে ঘটনা শুনতে এলো,আর সৌমিত্র হাত পা নেড়ে সবাইকে বোঝাতে লাগলো-“গোবুদা বলল,তোদের ক্লাশের ঐ কেবলী মেয়েটাকে দেখি ট্রাম থেকে নামছে।সরল মনে একটু রেজাল্টের কথা জিজ্ঞেস করতে গেছি,আর বল্লে বিশ্বাস করবি না, কথা নেই,বার্ত্তা নেই,কুনুই দিয়ে ঠ্যালা মেরে এক্কেবারে গোবরের মধ্যে ফেলে দিল।“
বেশীর ভাগই বিশ্বাস করলো না,তবু সৌমিত্রর চ্যাঁচামেচিতে এক আধজন যেন একটু ভেবে দেখচে মনে হল।তাইতে মহারেগে কেবলী বলে ফেল্ল-“বেশ করেচি,আবার উল্টোপাল্টা বলতে এলে  ট্রামের তলায় পাঠিয়ে দেব,বলে দিস।“
হাতে কাজ কম্ম নাই,মজার গন্ধে সবাই নেচে উঠল-
হ্যাঁরে,কী উল্টোপাল্টা বলছিল,প্রায়ই বলে নাকিরে,পেটে পেটে এত,এইজন্যই এসে এসে বসে থাকত,
“আয় তবে কেবলীনী ,পুরো গল্পটা শুনি”-ফুর্তির চোটে তিন পাক নেচেও নিল কেউ কেউ।
মুখটুখ লাল করে প্রায় কেঁদে ফেলেচে কেবলী,কথা খুঁজে পাচ্চে না,সৌমিত্রই উদ্ধার  করল।সবাইকে ঠেলেঠুলে কলেজ থেকে বের করে দিল,তারপর গুছিয়ে বসে বল্ল-
 “শোন মন দিয়ে,দুটো কথা আছে-
এক হল -গোবুদা কাল দিল্লী চলে যাচ্চে,ওর বাবা বদলী হয়ে গেছেন।ও ওখানেই পড়বে(বাঁচা গেল,আজই কালীবাড়ীতে পুজো দিতে হবে)।
দুই-গোবুদা জিজ্ঞেস করল, গোবুদাকে দিয়ে কি তোর কোন দরকার আছে?”
সোজা প্রশ্নের সোজা উত্তর-কোন দরকার নাই,ছিল না কোনদিন,ভবিষ্যতেও হবে না।
আশাহত  সৌমিত্র কলেজে দাঁইড়ে রইল-মহানন্দে কেবলী প্রায় নাচতে নাচতে ট্রামে চড়ল।
এই অকিঞ্চিৎকর কাহিনীটি এতক্ষণে শেষ হয়ে যাওয়া উচিত ছিল, কিন্তু হয়নি, সামান্য একটু বাকী আছে।
প্রায় চার বছর পর আবার এক ডিসেম্বরের সকালে আমরা কেবলীকে দেখতে পেলাম। সে এখন রিসার্চ করে,অনেকটা স্মার্ট হয়েছে,স্কলারশিপ পায়,নানা জায়গায় যায়,বেশ আত্মবিশ্বাসী।
কখনো কখনো কলেজের দিনগুলোর কথা স্বপ্নের মত মনে পড়ে,কী বোকাই ছিল,কী ভীতু। 
দু একবার মনে হয়েছে অত জোরে পড়ে গেল,চোট পেল কিনা একবার জিজ্ঞেস করা উচিত ছিল।
 সৌমিত্রর সঙ্গে বন্ধুত্ব আছে এখনো,ওরা চারপাঁচজন একটা এনজিওতে যুক্ত,মাসের দুটো রবিবার সকলে এক বৃদ্ধাশ্রমে যায়, যতটুকু পারে স্বেচ্ছাশ্রম দেয়।
 ঠাণ্ডার দিন,তাই সৌমিত্র বলেছিল কফিহাউসে ওয়েট করিস,সকাল দশটা নাগাদ,আমরা ওখানেই মীট করে একসঙ্গে বৃদ্ধাশ্রমে যাব।কেবলীর সরল মন,ভাবতে পারেনি এই নিরীহ প্রস্তাবের পেছনে কোন ষড়যন্ত্র লুকিয়ে আছে।
 কেবলী কফিহাউসে গিয়ে দেখল তখনো দলের কারো দেখা নেই। বিরক্ত হয়ে বসল একটা খালি টেবিলে, বহুদিন পর এদিকে আসা, কলেজদিনের কথা মনে পড়ছিল খুব,  ক্লিপদুটো কোথায় পড়ল কে জানে,চুল বেজায় উড়ছিল, আর চাদ্দিকের সিগারেটের গন্ধেই হয়তো  অল্প অল্প নাক সুড়সুড় করছিল।


 রুমাল কোমরে গুঁজে রাখে,সেটি না পেয়ে কেবলী মাথা নীচু করে ব্যাগে  অন্য রুমালটা খুঁজছে,হেনকালে কে বলল “এই যে-“


 গোবু্চন্দ্র-যাকে শেষ দেখা গিয়েছিল গোবরে পড়ে থাকতে। আগের চেয়ে শরীরটা সেরেছে,আকাশনীল শার্ট, নাকে চশমা,গলা একটু ভারী,হাতে কেবলীর ক্লিপ,রুমাল।
“আমাকে দরকার নেই বলেছিলে,তা এইসব সারাজীবন কুড়িয়ে আনবে কে?”


এককথার মানুষ কেবলী উত্তর দিল-“হ্যাঁচ্চো-ও”।

___________________________________________________________________________________________________________________

ছবি : সোনালী সেনগুপ্ত



545 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

কোন বিভাগের লেখাঃ বুলবুলভাজা  নববর্ষ ইস্পেশাল ২০১৩  গপ্পো 
শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3] [4] [5]   এই পাতায় আছে 79 -- 98
Avatar: kumu

Re: না হাঁচিলে যারে

স্বাতী,ভীষণ কেবলী টিঙটিঙে রোগা মেয়ে হিড়িম্বাতে পালটে যায়-এটিই জীবনের রসায়ন।
Avatar: Kaushik

Re: না হাঁচিলে যারে

আরেকটু হলে যেন ভালো হোতো! দারুন লেখা।
Avatar: Kakali Sinha Roy

Re: না হাঁচিলে যারে

গোবু-কেবলী দারুণ ।
Avatar: তিতি রায়

Re: না হাঁচিলে যারে

দারুণ মজার, চমৎকার! পুরনো সময় মনে পড়ায়।
Avatar: Niladri Chakraborty

Re: না হাঁচিলে যারে

কেবলি তো চোখের ভিতর দিয়া মর্মে পশিল গো । হা হা । মোর মন ভোরে গেছে খুশি তে , সেই কথা জানাই । ধন্যবাদ দিদি ।
Avatar: kumu

Re: না হাঁচিলে যারে

কৌশিক,তিতি,,নীলাদ্রি-সময় করে পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।ভালো লেগেছে শুনে আনন্দ পেলাম।


কাকলি,এটি পুরনো লেখা,২০১৩ সালে লিখেছিলাম।অনেক ভালবাসা নিও।
Avatar: শক্তি

Re: না হাঁচিলে যারে

না হাঁচিলে খুব লোকসান হইত ।প্রাণ খুলিয়া হাসিবা র সুযোগটা মাঠে মারা যাইত
Avatar: kumu

Re: না হাঁচিলে যারে

শক্তিকে অনেক ধন্যবাদ,ভালোবাসা।
Avatar: pi

Re: না হাঁচিলে যারে

প্রেমে পড়লে উড বি বিজ্ঞানীদের দশা রিক্যাপ করার জন্য তুললাম একটু।
Avatar: দেবারতি

Re: না হাঁচিলে যারে

গোবু যখন হবু ছিলেন। 🌹🌹

Avatar: kumu

Re: না হাঁচিলে যারে

আর কি কেউ পড়বে?
Avatar: kumu

Re: না হাঁচিলে যারে

জনতা কতো কতো ল্যাখে,আমি একমাত্র শেয়ালছানাটি মাঝে ২ তুলে ধরি।
Avatar: r2h

Re: না হাঁচিলে যারে

শেয়ালছানা না কুমীরছানা?
সে যাই হোক, ভালোই করেন। লোকে এমনিতেও খুঁজে আবার পড়ে থাকে।
Avatar: Atoz

Re: না হাঁচিলে যারে

আমিও খুঁজে খুঁজে পড়ে যাই মাঝে মাঝে।
Avatar: kumu

Re: না হাঁচিলে যারে

আচ্ছা,আমি একটি তুশ্চু কথা কইতে চাই।
অনেকদিন পর এই লেখাটি ও পরবর্ত্তী এপিসোড "বিয়ে করা ----" পড়ে একটু অসম্পূর্ণ মনে হচ্চে।দুটির মাঝে একটু প্রেম পর্ব থাকলে ভাল হত।কয়েকজন তা বলেওছিলেন।
চেষ্টা করছি,একটি মধ্যবর্ত্তী অংশ লিখে দেবার।
Avatar: শঙ্খ

Re: না হাঁচিলে যারে

☺☺☺ অনবদ্য!!
Avatar: AS

Re: না হাঁচিলে যারে

সাগ্রহ অপেক্ষায় রইলাম
Avatar: pi

Re: না হাঁচিলে যারে

লেখো, লেখো !
Avatar: সিকি

Re: না হাঁচিলে যারে

আমিও ইঁট পেতে বসে রইলাম।
Avatar: paps

Re: না হাঁচিলে যারে

প্রেমপর্ব থাকলে gold-এ borax হয়ে যাবে।

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3] [4] [5]   এই পাতায় আছে 79 -- 98


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন