গুরুচণ্ডা৯র খবরাখবর নিয়মিত ই-মেলে চান? লগিন করুন গুগল অথবা ফেসবুক আইডি দিয়ে।

আমার যৌনতা, আমার অভিজ্ঞতা

বেনামী

আমি ব্যক্তিগত ভাবে কোন লেসবিয়ানদের সাথে মিশিনি, আমি নিজে লেসবিয়ান,  কিন্তু কেউ যদি আমাকে লেসবিয়ানদের চরিত্র নিয়ে সংজ্ঞা লিখতে বলে, আমি পারব না। আমি কি, তা আমি জানি। আমি মোটেও মানিনা, সবার চরিত্র, চাহিদা সমান হয়। তাই দুম করে কাউকে ট্যাগ করে দেওয়া থেকে যতটা পারি বিরত থাকি। হোমোফোবিকদের কাছ থেকে বহু আক্রমণ আসে। শুনতে শুনতে সয়ে গেছে। তাদের কাছ থেকে আসা আক্রমণ আর খারাপ লাগে না। তারা আক্রমণ করবেই, টিটকিরি মারবেই জানা কথা...

আরও পড়ুন...

অসুখ সারান - দ্বিতীয় কিস্তি

ঈপ্সিতা পাল ভৌমিক

যেখানে সমকামী নিজেই মনে করছেন, তিনি সমকামিতা নিয়ে সুখী নন আর সেই থেকে আসছে অবসাদ, তার আসলি কালপ্রিট নাকি আমাদের সমাজ, যা সকলকেই ভাবতে শেখায় সমকামিতা অসুখ। কারণ, সুস্থ, স্বাভাবিক, সুন্দর, এই তিন স এর সাথে আমাদের সমাজে সমকামিতা যায় না। কারণ, এই সমাজে সমকামিতার গ্রহণযোগ্যতা নেই, স্বীকার করলে পদে পদে হাস্যাস্পদ হতে হয়, লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়। একজন সমকামী তাঁর সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশন নিয়ে অস্বস্তিতে ভুগবেন, এই সমাজে সম্মানের সাথে বাঁচার জন্য পরিবর্তন চাইবেন, মনে করবেন এটা একটি অস্বাভাবিক ব্যাপার, অর্থাৎ তিনি মনে করবেন, তিনি অসুস্থ, এবং নিজের ‘অসুখ’ নিয়ে তিনি অসুখী থাকবেন, তাতে আর আশ্চর্যের কী ! তাই এই ইগো ডিস্টনিক সমকামিতা মানেই অসুখ, তা আদৌ না। চিকিৎসকের নাকি সবার আগে এটি জানিয়ে, বুঝিয়ে কনভিন্স করিয়ে দেওয়া দরকার,সমকামিতার মধ্যে ভুল কিছু নেই। এবং সেই সাথে সবার।যারা অসুখ মনে করছেন, উলটে নাকি তাঁদেরই কাউন্সেলিং দরকার !

আরও পড়ুন...

বাঁধের বিরুদ্ধেঃ একটি পীড়নের ধারাবিবরণী - ২

প্রিয়াঙ্কা বরপূজারী

কুড়ি বছরের রাজীব সইকিয়া – নিবাস রূপহি – শিক্ষাগত যোগ্যতা – মাধ্যমিক, বর্তমানে বন্ধু রীতা সইকিয়ার সঙ্গে পলাতকের জীবনযাপন করছেন। এরা দুজনে আগে বিভিন্ন জিনিষ সাপ্লাইয়ের ব্যবসা করত। এখন দুজনে বাইকে করে গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছেন খাদ্য ও রাত্রের জন্য মাথা গোঁজার ঠাঁই ভিক্ষে করতে করতে। বাবুল বলে, “এখানের এক স্থানীয় ব্যবসায়ীর সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক ভালো। তার ফলে সে আমাদের কাছে খবর পৌঁছে দিতে পারে। সেই আমাদের জানায় যে বগীনদী পুলিশ ৫৩ জনের খোঁজ করছে যার মধ্যে আছে দেবো ভুঁইয়া, দীপক নেয়গ, প্রনব সইকিয়া আর রাজীব ও রীতুর সঙ্গে আমি। সেই একই লোক আমাদের জানায় যে হোমগার্ডের চাকরি দেবার কথা দিয়ে পুলিশ গ্রামগুলো থেকে ছেলে তুলছে।” এভাবে ছেলে তোলার সঙ্গে মিল আছে ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়া আর ওড়িশার কলিঙ্গনগরে যেভাবে স্পেশাল পুলিশ অফিসারস (এসপিও) নিয়োগ করা হয় তার।

আরও পড়ুন...

মহাভারত - একাদশ পর্ব

শুদ্ধসত্ত্ব ঘোষ

দুর্যোধনকেও এই খেলা দেখাতে বসেন ধৃতরাষ্ট্র। তাঁর বক্তব্য এটা ক্ষত্রিয়দের দেখাই দরকার। যুদ্ধ, মৃত্যু, রক্তপাত এসব তার জীবনের অঙ্গ। কাজেই এ তার শিক্ষার অংশ। ধৃতরাষ্ট্র শোনেন আর্তচিৎকার আর দুর্যোধন দেখে। গান্ধারী বলতে পারেন না কথাটা ভুল। তাঁরা ক্ষত্রিয় বলেই তো শাসন করছেন! কিন্তু শাসন যখন অসহায়কে হত্যা করে, তা সে বিচার বা যুদ্ধ যে নামেই হোক, তা তিনি সহ্য করতে পারেন না। সারাজীবন এত অধর্মাচরণ দেখে এসেছেন যে আর ভাল লাগেনা তাঁর। এ খেলা কোথায় নিয়ে যেতে পারে মানুষকে তা তিনি হাড়ে-মজ্জায় বুঝেছেন। নিজের দেশের কথা মনে পরে তাঁর। এই উপমহাদেশের প্রত্যন্ত অংশে থাকা অঞ্চল।কিছুকাল অন্তরই বাইরে থেকে যাযাবর, দস্যু বা অন্য গোষ্ঠী আক্রমণ করে এসেছে। বারেবারে রাজ্য শাসন পাল্টে গেছে। কত যে মিশ্রণ হয়েছে তার শেষ নেই। আর সেই রাজ্য সুরক্ষিত রাখতে প্রতিদিনই শাসনতন্ত্র বহু বহু অধর্ম আচরণ করে চলেছে। এই দোয়াব এবং উত্তরাপথের অন্যত্র প্রচলিত ধর্মের-আচরণের সঙ্গে কোনো মিল নেই তার। এ নিয়ে কম কথাও শোনেননি তিনি, এই হস্তিনাপুরে বধূ হিসেবে আসার পর থেকে। মাঝে মাঝে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। তাঁকে করুণা করে আনা হয়েছে এখানে, একথাটা মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে অহরহ। ধৃতরাষ্ট্রই বেশী করেছেন। সত্যবতী তুলনায় এত নির্মম না। তাঁর ভয় নেই যে গান্ধারী হাতের বাইরে চলে যেতে পারে। কিন্তু ধৃতরাষ্ট্রের আছে বিলক্ষণ।

আরও পড়ুন...

ধানাই পানাই ৫

রূপঙ্কর সরকার

হ্যাঁ গল্পের মধ্যে আবার দুটো আরও ছোট গল্প। সেই যে এসিয়ান গেমসে চূণীদার ক্যাপ্টেন্সিতে সোনা জেতার কথা বললাম, সেই দলে ছিলেন মেওয়ালাল। বিশ্ব ফুটবলের ‘যাদুকর’ বলা হত স্ট্যানলি ম্যাথিউজকে, আর ভারতের যাদুকর মেওয়ালাল। মেওয়ালালের গোলেই সম্ভবতঃ সোনাটা এসেছিল। সেই মেওয়ালাল গুরুতর অসুস্থ। তিনি প্রাক্তন রেলকর্মী হিসেবে রেলের হাসপাতালে ভর্তি হতে গেছেন। ডাক্তার বলল যায়গা নেই। মেওয়াদার ছেলে বলল, একটু দেখুন না, এসিয়াডে সোনাজয়ী খেলোয়াড়ের যদি এই অবস্থা, সাধারণ কর্মীদের কী হবে? ডাক্তার বলল, তাই নাকি? সোনাজয়ী নাকি? কাল মেডেলটা সঙ্গে আনবেনতো, দেখব কি করা যায়। মেওয়াদা মারা গেলেন পরের দিন।

আরও পড়ুন...

ভারতীয় নারীর গণহত্যা

রীতা ব্যানার্জি

গত একশো বছরের মধ্যে ভারতবর্ষে প্রায় পাঁচকোটি নারী 'হারিয়ে' গেছেন।এই নিয়ে ২০০৬ সালের ডিসেম্বর মাসে 'দি ফিফটি মিলিয়ন মিসিং' নামে আমরা এক প্রচার অভিযান শুরু করি। কিন্তু শুরু করার আগেই আন্দাজ করেছিলাম যে এই নিয়ে তুমূল বিতর্কের ঝড় বয়ে যাবে। মাত্র একশোটা বছরের মধ্যে এতজন মহিলা স্রেফ নিরুদ্দেশ হয়ে গেলেন কি করে এই নিয়ে দেশের আর বিদেশের জনতা প্রচুর প্রশ্ন তুলবেন। কথাটা আদৌ সত্যি কিনা সেই নিয়েও অনেকেরই সন্দেহ হবে। সত্যি বলতে কি অস্ট্রিয়া, সুইডেন, বেলজিয়াম, সুইৎজারল্যান্ড আর পর্তুগাল এই পাঁচ পাঁচটা দেশের মোট জনসংখ্যার থেকেও এই হারিয়ে যাওয়া মেয়েদের সংখা বেশি...
 

আরও পড়ুন...

কয়েকটি কবিতা

নিশান চ্যাটার্জি

সেই যে জারজ পিঁপড়ে, জারে জন্ম যার
জারে মৃত্যু জারে বিয়ে জারেতে সংসার...

আরও পড়ুন...

কালসন্দর্ভা

মোহর ভট্টাচার্য

শতপথ ব্রাহ্মণের | আমি একা এক পথে হেঁটে
হৈমবতী রাজকন্যা পরবাসে কুলটা হলাম...

আরও পড়ুন...

সাইবার যুদ্ধ ও ধনুকের বহুমুখী তীরের গতিপথ নির্ণয়

জাহিদ হাসান

একদম প্রথম থেকেই অংক কষি। একদা ৭ জানুয়ারী ২০১১ ভোরে কুড়িগ্রামের অনন্তপুর সীমান্ত পার হয়ে দেশে ফেরার সময় কাঁটাতারের বেড়ায় কাপড় আটকে গেলে ফেলানী নামক কিশোরী চিৎকার শুরু করে। সে সময় বিএসএফ সদস্যরা তাকে গুলি করে হত্যা করে , পরে তার লাশ কাঁটাতারে ঝুলতে দেখা যায়। ঝুলতে থাকে তার চুল গুলো। সাথে সাথেই আমাদের আবেগও লটকে থাকা ফেলানীর চুলের সাথে পাল্লা দিয়ে দুলতে থাকে। মনের একদম গভীর থেকে এক অদৃশ্য ঘৃণা উপচে পড়ে। ঘৃণাগুলো দল বেধে ছুটতে থাকে সীমান্তের ওপাড়ে।
মনোবিজ্ঞানীদের মতে, “ অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বা স্বাভাবিকতার বীভৎস রূপ যখন আমাদের ইচ্ছার বিপরীতে প্রকাশিত হয় তখন ঘৃণা নামক আবেগের সৃষ্টি হয়”

আরও পড়ুন...

মহাভারত - দশম পর্ব

শুদ্ধসত্ত্ব ঘোষ

সংসারে উচ্চতম আদর্শ কি ব্রহ্মচর্য্য?পরাশরকে এ প্রশ্ন করেছিলেন সত্যবতী।তাঁর কৌতুহল ছিল খুব স্বাভাবিক।সাধারণভাবে এই ব্রহ্মচর্য্য নিয়ে এত কথা বলা হয়।তাহলে যাঁরা সংসারত্যাগী তাঁদের মধ্যে একাংশ কেন স্ত্রী-পুত্রাদির অভিলাষ রাখেন?অন্য অংশটা,যাঁরা দুরূহ পাহাড় বা জঙ্গলে চলে যান সাধনা করতে সেই অংশটা অতি ক্ষুদ্র।পরাশরের কাছে নানান কাহিনী শুনতে শুনতে তাঁর কৌতুহল জেগেছিল যে এত এত মহা ঋষি বা মুনি কেন সংসার করলেন? তারই সঙ্গে ধীমতি আরেকটি প্রশ্নও করেছিলেন!এই যে যাঁরা সংসার ত্যাগ সত্যি করেন,নারী সংসর্গকেও অনাচার বলে গণ্য করে এক দীর্ঘ্য সময় সাধনা করতে থাকেন বারেবারে দেখা যায় দেবরাজ তাঁদের ভয়ে ভীত,অথবা দেবকূল চূড়ামণি ব্রহ্মা বা বিষ্ণু বা মহাদেব স্বয়ং তাঁকেই বর দিয়ে সন্তুষ্ট করছেন।এই আখ্যানের মধ্যখানে থাকে দেবরাজ ইন্দ্র বা অন্যান্য দেব অপ্সরা পাঠিয়ে নারীর প্রলোভনে ভাঙতে চাইছেন তপস্যা।কেন?নারী কি শুধুই পাপ?...

আরও পড়ুন...

ধানাই পানাই ৪

রূপঙ্কর সরকার

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছুই বদলে যায়, শুধু মানুষের পরিচিতি ছাড়া। আমি একজন হ্যান্ডসাম তরতাজা তাগড়া যুবককে চিনতাম, তার নাম ছিল তিমির। এখনও তিমিরকে মাঝে মাঝে গড়িয়াহাটে দেখি, লোলচর্ম, পলিতকেশ, কুব্জদেহ। হাতে একটা লাঠি আর মুখে একরাশ বিরক্তি নিয়ে অনেক কষ্টে ভিড়ের মধ্যে শরীরটাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। তিমির আমারই বয়সী কিন্তু বার্ধক্যের মজাই হল, সে সবদেহ কে শবদেহ একসঙ্গে বানায়না। সন্দেহ হওয়াতে একদিন তার সামনে রাস্তা আটকে জিজ্ঞেস করলাম, আচ্ছা, তুই কি – মানে, আপনি কি ‘তিমির’? একরাশ বিরক্তি ভরা মুখে সামান্য বাঁকা হাসি মাখিয়ে সে বলল, আমি যে তিমিরে, সে তিমিরেই...

আরও পড়ুন...

ভূমিজল

জয়া মিত্র

জলের দেশ আমাদের। একশটা নদী। কয়েক লক্ষ পুকুর ছিল। ঝিল-বিল-সরোবর। কোনোটারই কমতি ছিল না। আকাশ যেমন নীল প্রায় তেমনই নীল নীল ছায়া ধরা থাকত মাঠঘাটে গাঁয়ে। এমনকি শহরেও চারপাশে। অথচ আজ জল নিয়ে এমন দুরবস্থা – যেমন বন্যার বিপদ, তেমনই জল না থাকার কষ্ট। গাছপালা নেই, ঘাসজমিও প্রায় শেষ – বর্ষায় ভেসে আসা মাটি নদীর খাত ভরে দিচ্ছে। একটু বৃষ্টিতেই জল উপচে বন্যা। আর নদী খাল বিলে জল না থাকলে, হেমন্তকাল থেকেই জলের কষ্ট শুরু হয়ে যায়। এদিকে মাটির তলার জল খুব বেশি তুলে ফেলার ফলে কুয়ো নলকূপেও জল নেই। ঘরসংসারে জলের কষ্ট, চাষের ক্ষেতেও তাই।

আরও পড়ুন...

বাঁধের বিরুদ্ধেঃ একটি পীড়নের ধারাবিবরণী - ১

প্রিয়াঙ্কা বরপূজারী

গত কয়েকদিন ধরে আসামের উত্তর অঞ্চলের বাসিন্দারা সাক্ষী হয়ে চলেছেন রাজ্য পুলিশ এবং সিআরপিএফ এর দমননীতির। এই দমননীতি বাঁধ বিরোধী আন্দোলনকে স্তব্ধ করার জন্য। উক্ত বাঁধটি ২০০০ মেগাওয়াটের লোয়ার সুবনসিরি হাইড্রো পাওয়ার প্রজেক্ট, তৈরি হওয়ার কথা আসাম-অরুণাচল প্রদেশের বর্ডারে।
মে ১১ তারিখ সন্ধ্যেবেলায় এনএইচ ৫২র কাছে ঠেকেরাগুড়ি গ্রামে এনএইচপিসি-র সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ একটি ১১০০০ লিটার ডিজেল সমৃদ্ধ ট্যাঙ্কারের সামনের অংশে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এটা ঘটে সুবনসিরি নদীর ব্রিজ ছাড়িয়ে একটু এগিয়ে গিয়ে। এই ব্রিজটা পড়ে আসামের লখিমপুর জেলায় আর লাগোয়া ধেমাজি জেলার ২-৩ কিমি আগে। নদী পেরোলে বাম দিকে যে পর্বতশ্রেণী দেখা যায়, সেটা পড়ে অরুণাচল প্রদেশে।

আরও পড়ুন...

সূচি- অশুচি

সুবর্ণ সেঁজুতি

অনীতার কথা এইবেলা বলে নেওয়া ভালো কেননা, অনীতা প্রেমে পড়েছে।
সেটা খুব বড় কোনো ব্যাপার নয়, আকছার পৃথিবীর প্রতিটি কোণেই চৌদ্দ থেকে চব্বিশ বয়সী একগাদা মেয়ে কিশোরী মায় উদ্ভিন্নযৌবনা পর্যন্ত প্রেমে পড়ছে, শুধু পড়ছে না, বলা ভালো ধপাধপ আছাড় খাচ্ছে। প্রেমের মতো এমন একটা সঘন স-আবেগ তদুপরি সলজ্জ ব্যাপারের সাথে আছাড় খাওয়ার মতো অমন আনকুথ ক্রিয়াশীলতার কথা ভাবতেই কেমন যেন তেতো অনুভূতি হয় মুখের মধ্যে ওর, কিন্তু ব্যাপার টা ঠিক ঐ রকমই আনকুথ বলা যায় একেবারে বিশ্রী রকমের আনকুথ হয়ে গ্যাছে। কারণ অনীতা, আমাদের সুন্দরী ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া চোখে হাফ কাট রিডিং গ্লাস দেওয়া, লেয়ার কাট চুল, স্মুথ হেয়ার সিল্কি শাইনিং স্কিন অনীতা, টম ক্রুজ লুক আর রালফ লরেন পোলো টি শার্ট বিশেষজ্ঞ অনীতা, সর্বোপরি শোভা দে আর সিডনী শেলডন গোগ্রাসে গিলে খাওয়া অনীতা হঠাৎ করে আছাড় খেয়েছে, থুক্কু, মন প্রাণ সবই সঁপে বসে আছে এই দর্জিকে!

আরও পড়ুন...

মহাভারত - নবম পর্ব

শুদ্ধসত্ত্ব ঘোষ

এই মুদ্রা আরেক বস্তু। কিছুকাল হল এর চল হয়েছে বাণিজ্যে।  এককালের বিনিময়ের মাধ্যমের বাণিজ্য অনেক নিরাপদ হয়েছে এই মুদ্রা ব্যবস্থায়। বিশেষ করে বৈদেশিক বাণিজ্য। পথে দস্যুর হাত থেকে লুকিয়ে এই ধন গোপনে আনয়ন করা সম্ভব। তাছাড়া এই মুদ্রা ব্যবস্থার জন্য আরেকটি পদ্ধতি প্রণয়ন বণিকদের পক্ষে সহজ হয়েছে। সে হল বিনিময়ের প্রতিশ্রুতির মাধ্যম। মুদ্রা আনার ঝুঁকি না নিয়েও অনেকে অর্জিত অর্থের বিনিময়ে নিয়ে আসেন ধাতুর পাত বা চামড়ার পর্চা। সেই পর্চা বা পাত দেশে এসে নির্দিষ্ট ব্যাক্তিকে দেখালেই সেই ব্যাক্তি তার সমতুল্য অর্থ দেবেন ব্যবসায়ীকে। আর এই কাজ করার জন্য তার থেকে নেবেন কিছু অর্থ পারিশ্রমিক হিসেবে। সুধন্য একাজেও এই রাজ্যে প্রথম। এই কার্যের জন্যই তার বিভিন্ন রাজ্যে আবাস। এই যুক্তিকে আজ আর অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু দেবব্রত জানেন এ সব নয়। আসলে ক্রমশ ধনের জোর বেড়ে চলেছে সুধন্যর। সেই ধন দিয়েই সে গড়ে তুলছে তার নিজস্ব জগৎ। খুব ভাল লাগেনা দেবব্রতের। কিন্তু তাঁর করণীয়-ই বা কি! মুদ্রার প্রচলন হয়েছে তাঁর জন্মেরও আগে। প্রতি দেশের সেই মুদ্রামান নির্ধারণের জন্য রাজকোষে থাকা স্বর্ণকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। বিগত একশো বছরে মুদ্রা ব্যবস্থা আরো সুস্থিত হয়েছে।  আগে যে যেমন খুশী মুদ্রা তৈরী করতে পারত। কিন্তু এখন তা সুনির্দিষ্ট হচ্ছে ক্রমশ।

আরও পড়ুন...

ধানাই পানাই ৩

রূপঙ্কর সরকার

কাকতালীয় ঘটনার সঙ্গে অপহরণের কোনও আপাত সম্পর্ক নেই, তবে এই কাহিনিতে আছে। আসলে পুরো ধানাই পানাই জুড়েই কাকতালীয় ঘটনার ছড়াছড়ি। সব এখানে লেখা সম্ভব নয়, তবু কিছু তুলে দিলাম। আমার এক বন্ধু, তার নাম বাবলু, ভাল নাম বি- আচ্ছা থাক। বাবলুই চলুক। আমি নিজের বাড়িতে ফোটো ল্যাব বানানোর আগে ওর বাড়িতে ছবি প্রিন্ট করতে যেতাম। ডার্ক রুমটা ছিল ছাদের ওপর। ছবি ছাপার সঙ্গে সঙ্গে গপ্পো গুজবও চলত সমানে। ওর আসল নামটা যেমন উল্লেখ করলাম না, বাড়িটা কোথায় ছিল, সে প্রসঙ্গও এড়িয়ে যাচ্ছি সঙ্গত কারণেই।

আরও পড়ুন...