একটি চিঠি

মধুমিতা ভট্টাচার্য্য

হয়তো আমাকে তুমি ততটা মনে রাখোনি কখনো। তোমার ছিল একান্ত গণ্ডীতে বাঁধা এক নিজস্ব জীবন। কিন্তু আমি তোমাকে ভুলতে পারব না কোনদিনও। কারণ আমার সুখের ঘরের চাবিকাঠি ছিল তোমার হাতে, আমার শান্তির পারাবত উড়তো তোমারই হাতের ইশারায় ..! তবু তোমার মত এক নিকটজনকে হারাতে যে কী বেদনায় ছটফট করেছি, তা কেউ বুঝবে না। বড় কঠিন ছিল সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া।... পারব কি...? হবে কি...? এমন নানান যুদ্ধ চলেছে মনের মধ্যে, কুরে কুরে খেয়েছে আমায় প্রতি পল। কিন্তু শেষ অবধি সই করেছি তোমার মৃত্যুর পরোয়ানায় ! রাজি হয়েছি অনেক দ্বিধার পর, কারণ দিনে দিনে তুমি হয়ে উঠছিলে দুর্মদ...অসহনীয়...কালান্তক...!

আরও পড়ুন...

গানের ঝর্ণাতলায় (অন্তিম পর্ব)

দীপংকর বসু

এমনই এক ঘরোয়া আড্ডার ফাঁকে আর একটি গান তাঁর গলায় শুনে চমকে উঠেছিলাম - এ যে মোর আবরণ ঘুচাতে কতক্ষণ। গানটি পরবর্তীকালে জামশেদপুরে কোন আসরেও গেয়েছিলেন। পূজাপর্যায়ের গানটি গীতবিতানে ঠাঁই পেলেও এর সুর সম্ভবত রবীন্দ্রনাথের আরো বেশ কিছু গানের মত হারিয়ে গিয়েছে কালের গর্ভে। তাই হঠাৎ জর্জদার কন্ঠে গনটি শুনে কৌতূহল জেগেছিল সুরের উৎসকে ঘিরে। হঠাৎ করে মনে হতেই পারে এ সুর রবীন্দ্রনাথের গানের চেনা চলনের সঙ্গে একেবারেই মেলে না। কিন্তু,পরমুহূর্তেই মনে পড়ে যায় রবীন্দ্রনাথের এমন কিছু গানও তো আছে যা শুনলে মনে হয় নিজের গড়ে তোলা সুরের ধ্রুপদী জাল ছিঁড়ে যেন বেরিয়ে আসতে চাইছেন নতুন এক রবীন্দ্রনাথ। এই মুহূর্তে যে গানটির কথা মনে আসছে সেটি হল "ধূসর জীবনের গোধুলিতে ক্লান্ত মলিন যেই স্মৃতি।' অনেকেই যাঁরা গানটি শুনেছেন তাঁরা স্বীকার করবেন এ এক নতুন জাতের সুর। তেমনি এক অসাধারণ গতিময়, ঝকঝকে নাটকীয় উপস্থাপনা শুনেছিলাম জর্জদার কণ্ঠে। একেবারে প্রথম স্বরোচ্চারণের সঙ্গে গানটি শ্রোতাদের মাতিয়ে দিতে পারে

আরও পড়ুন...

রবীন্দ্রনাথ প্রসঙ্গে হাসান আজিজুল হক

সাক্ষাৎকারঃ মুহিত হাসান

ঐ যে স্কুলপড়ুয়া আমার যে বড় ভাই ছিলেন, চাচাতো ভাই---তাদের মনে হয় পাঠ্য ছিলো একটা বই---সে বইটা গল্পগুচ্ছ। কিন্তু আমার স্মৃতিতে এতটা স্পষ্ট নেই যে পুরো গল্পগুচ্ছের সব গল্পই---প্রথম খণ্ডে অন্তত---সব গল্প থাকার তো প্রশ্নই ওঠে না---তিন খণ্ডে তো পরবর্তীকালে গল্পগুচ্ছ বেরিয়েছে। প্রথম খণ্ডেরও সব কটি গল্প ছিলো কিনা তাতেও আমার সন্দেহ। আমার মনে হয়, প্রথম খণ্ড থেকে কিছু গল্প---সাত-আটটা গল্প হতে পারে আরকি--- আলাদা করে নিয়ে র্যাপিড -রিডার ধরণের কিছু একটা করা হয়েছিলো। রবীন্দ্রনাথেরই গল্পগুচ্ছ---তার মধ্যে যে গল্পগুলো ছিলো স্পষ্ট মনে আছে আমার। এবং যতদূর মনে হয় প্রথম খণ্ডের দুটো তিনটে গল্প সেখানে ছিলো না। সে জন্যই বলছি, গল্পগুচ্ছেরও ভেতর থেকে বাছাই করা কিছু গল্প। দ্রুতপঠনের জন্যে এ বইটা তৈরি করা হয়েছিলো। এই বইটা, যত্রতত্র যেখানে সেখানে পড়ে থাকতো। আমার ঐ ভাইয়ের পড়াশোনায় তো তেমন মন ছিলো না। বইপত্র কোথায় কী থাকত সেটার খবর রাখতেন না। এই গল্পগুচ্ছের প্রথম মলাটটা নেই। মলাটটা উঠে চলে গেছে, শুধু গল্পগুচ্ছ লেখা আছে---এটুকু মনে আছে। আর যত্রতত্র পড়ে থাকতো এটাও মনে আছে। কখনো হয়তো ঢেঁকির কাছে আছে, ঢেঁকিটা আছে উঠোনে। আঙিনার একপাশে ঢেঁকি, সেই ঢেঁকিটার ওপরে। কখনোবা ঢেঁকিটার পাশে। কখনো মাটির খুব চওড়া বিস্তৃত যে তাওয়া, সেই তাওয়ার কোনো একটা জায়গায়।

আরও পড়ুন...

এনরেগা আন্দোলন ও টিম আন্নার আন্দোলনের সাফল্য ।।।

অরূপা মহাজন

ভারত সরকারের অনুসৃত "নিও লিবারেল' অর্থনীতির ফলে ভারতীয় সমাজে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। ভৌগোলিক-জনগোষ্ঠীগত ও শ্রেণিগত অসাম্য, দরিদ্রতা ও রোজগারহীনতা তীব্র গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিও লিবারেল গ্রোথ মডেলের "ট্রিকল ডাউন এফেক্টের' অসারতা ইতিমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে । সমাজের মুষ্টিমেয় ধনকুবেরদের ধনভাণ্ডার ক্রমাগত স্ফীত হচ্ছে, অন্যদিকে সমাজের গরিষ্ঠাংশ দরিদ্র জনসাধারণের মধ্যে গ্রোথরেট বৃদ্ধির সুফল স্বাভাবিকভাবে বাজারের নিয়মে চুঁইয়ে চুঁইয়ে পৌঁছে যাওয়ার দাবির অন্ত:সারশূন্যতা প্রমাণ করে দিয়ে এক ক্ষুদ্র সচ্ছল অংশের মধ্যেই আবদ্ধ থেকে যাচ্ছে। বাজারচালিত উন্নয়নের পথ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পরম্পরাগত রুজি-রোজগারের মাধ্যমকে কেড়ে নিচ্ছে, সেজের মত ব্যবস্থাগুলির ফলে কৃষকদেরকে হারাতে হচ্ছে তাদের চাষের জমি, বিকৃত উন্নয়নের ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের উত্তরোত্তর বৃদ্ধি গ্রাম-সমাজকে করছে বাস্তুভিটেহারা, গ্রাম-গ্রামান্তর থেকে রুজি-রোজগারের সন্ধানে শহরমুখী প্রব্রজনের ফলে শহরে বিস্তৃত "ঘেটোগুলি' গড়ে উঠছে, উন্নয়নের নামে প্রাকৃতিক সম্পদের অবাধ লুণ্ঠন প্রাকৃতিক ভারসাম্য বিনষ্ট করে পরিবেশ দূষণের চরম বিপদ ডেকে আনছে। এই পরিস্থিতিতে মানুষ অহিংস থেকে সহিংস বা তার উল্টো কিংবা এই দুটোর মিশ্রণের বিভিন্ন রূপ, মাত্রা ও ব্যাপ্তির বিদ্রোহ যে গড়ে তুলবে তাই স্বাভাবিক। সচেতন কিংবা স্বত:স্ফূর্ত এই বিদ্রোহগুলিই আমাদের নীতি-নির্ধারকদের তাদের অনুসৃত জনবিরোধী পথে এগিয়ে যেতে বাধা দেয়, বাধ্য করে থমকে দাঁড়াতে কিংবা সাময়িকভাবে পিছু হঠতে।

আরও পড়ুন...

ব্র্যান্ডমাস্টার

যশোধরা রায়চৌধুরী

বাঙালির বগলে পাউডার। পন্ডস পাউডারের গোলাপি কৌটোটি অনেকদিনের । সেই কবে মা বা কাকির ড্রেসিং টেবিল থেকে টিনের সেই কৌটোটি ঝেড়ে দিয়ে, আমি ও বুটু মেঝেতে পাউডার ছড়িয়ে ব্যালে নাচ ব্যালে নাচ খেলেছিলাম পেছল শানে পা ঘষে। ফলত মাথা ফাটা আছাড় খেয়ে। সেই পন্ডসের জায়গায় আরো কিছু কিছু অ-ব্র্যান্ডেড নামের আনাগোনা ছিল, তার উবে গেছে গ্রীষ্মের সন্ধেতে ক্রমক্ষীয়মান পাউডারের গন্ধের মত । তাদের মধ্যে একটির নাম হালকা ভাবে মনে পড়ে, কিউটিকিউরা। কী অদ্ভুত নাম। আর বোধ হয় ছিল মাইসোর স্যান্ডালে–এর কৌটোগুলোও। পরে ওগুলোতে কানের দুল, ক্লিপটিপ রাখা যেত, দিব্যি শক্তপোক্ত কৌটো।

আরও পড়ুন...

সমস্যায় শর্টফিল্ম

নন্দিতা দত্ত

মুম্বইয়ের "মোকা ক্লাব' শর্টফিল্মের ব্যপারে অনেক চেষ্টা-চরিত্র করেছেন। নিজেদের ক্লাবে দেখানো ছড়াও ওঁরা একটা সংস্থা খুলতে চেয়েছিলেন যারা এসব ছবির ডিস্ট্রিবিউশনের কাজ করবে। কিন্তু সেই চেষ্টা সফল হলোনা। ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে একজন হলেন কুনাল জাভেরী। কুনাল বলছিলেন ""আমরা ভেবেছিলাম শর্টফিল্মের জন্য একটা "বাজার' তৈরী করা দরকার। কিন্তু পেরে উঠলাম না। টিভি চ্যানেল গুলো তো কোন উৎসাহই দেখালোনা। সব শর্টফিল্মগুলোর একটা ক্যাটালগ বানিয়ে উঠতে পারলে হয়তো কিছুটা লাভ হতো। কিন্তু সেও প্রায় অসম্ভব। প্রত্যেকটা ছবির পরিচালকদের সাথে দেখা করে, ওঁদের দিয়ে বিশ-চল্লিশ পাতার চুক্তি সই করিয়ে আনতে যা সাময় লাগবে তার মধ্যে সে ছবি দেখার জন্য আর কেউ বসে থাকবে না''। মোকা ক্লাবের উদ্যোক্তারা "রাজশ্রী ফিল্মস'এর অনলাইন ধারার সাথেও কথা বলেছিলেন। জাভেরী বললেন -- ""ওঁরা অবশ্য আমাদের অনেক সাহায্য করেছেন। বেশ কয়েকটা ছবি ওঁরা ন্যায্য দাম দিয়ে আমাদের থেকে কিনে নিজেদের ওয়েবসাইটে বিনামুল্যে দেখাবার ব্যবস্থা রেখেছেন। rajashri.com সাইটে এখনও ছবিগুলো রয়েছে। কেউ ইচ্ছে করলে দেখতে পারেন।'' জাভেরী মনে করেন যে আগে ছবি দেখানোর ভালোমত ব্যবস্থা না করতে পারলে ডিস্ট্রিবিউশনের কাজ আরো কঠিন হবে। ""এই ধরণের ছবি সম্পর্কে আগে লোকের মধ্যে আগ্রহ জাগানো দরকার। নাহলে বাজার তৈরী হবে কী করে?''

আরও পড়ুন...

কবিগানের বিলুপ্তি ও কবিয়াল মদন সরকার

মুজিব মেহদী

নেপথ্যে মুখস্থবিদ্যার একটা মহিমা আছে সন্দেহ নেই। কিন্তু যখন একপাক্ষিক গায়ন নয়, সতত জারি করাই আছে যুদ্ধ, তখন তো আর কেবল মুখস্থ জ্ঞান ঝাড়লে হয় না। প্রতি মুহূর্তে নতুন করে পদ বাঁধতে হচ্ছে, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করবার জন্য পদবন্ধাকারেই আরেকটা প্রশ্ন ছুড়তে হচ্ছে। এই সহজাত কবিত্বে তাঁদের প্রতি যারপরনাই শ্রদ্ধাবিনত হতে হলো। মনে হলো, এ ক্ষমতা অপরিসীম। বাক্যে-বাক্যে, কখনো তা সম্ভব না হলে অবশ্যই পরের বাক্যের সাথে একটা বলপ্রয়োগহীন অন্ত:মিল থাকছেই। সবচেয়ে প্রণিধানযোগ্য হলো এর স্ফূর্তিটা। পরে জেনেছি এসব কবিতার সবই তাঁরা তৎক্ষণাৎ বানান না, এর কিছু কিছু আগেই তৈরি করা, সময়মতো যা উপস্থাপন করেন মাত্র। তবে উপস্থাপিত সব পদই যে তা নয়, সেটা বোঝা যায় তাৎক্ষণিকভাবে উত্থাপিত প্রশ্নের সাথে সংগতি স্থাপনের উপযোগিতা দেখে। এসবে যথেষ্টই পারঙ্গম মনে হলো তাঁদের, যে স্ফূর্তি নবীন কবিতাকর্মী আমার তখনো নেই (এখনো কি আর আছে!)।

আরও পড়ুন...

জর্জ বিশ্বাসঃ একশো বছর (প্রথম পর্ব)

শিবাংশু

ঠাকুরদা কালীকিশোর ব্রাহ্ম ধর্ম গ্রহণ করার অপরাধে নিজের গ্রাম ইট্‌না থেকে বিতাড়িত হন। কিশোর জর্জকেও স্কুল জীবনে সহপাঠিদের থেকে তাড়না সহ্য করতে হয়েছিল "ম্লেচ্ছ' অপবাদে। ১৯২৭ সালে কলকাতায় কলেজে পড়তে এসে ব্রাহ্মসমাজের সঙ্গে সংযোগের সূত্রে ঠাকুরবাড়িতে প্রবেশাধিকার পান জর্জ। তখনকার রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে যুক্ত প্রধান ব্যক্তিদের গান শোনানোর সুযোগও এসে যায় এইভাবে। তবে এই "ম্লেচ্ছ' কিশোরটি সৃষ্টিচেতনার প্রথম থেকেই ইতরযানী চেতনার পতাকা বহন করেছেন আজীবন। অস্বস্তিকর আভিজাত্যের দাসত্ব করেননি কখনও, না ব্যক্তিজীবনে, না শিল্পীজীবনে।

পারিবারিকসূত্রে যদিও তাঁর রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে আবাল্য পরিচয়, কিন্তু এই সঙ্গীতধারাটির নিয়মমাফিক শিক্ষা তাঁর ইন্দিরা দেবীর কাছে। কলকাতা ও শান্তিনিকেতনে যেসব দিগগজ রবীন্দ্রসঙ্গীত গুরুরা সেই সময় শিক্ষণ প্রক্রিয়ার নেতৃত্বে ছিলেন, তাঁদের কারুর কাছেই জর্জ পরম্পরাগত শিক্ষা লাভ করেননি। সত্যি কথা বলতে কি তাঁর দিগ্‌দর্শক ছিলো স্বরবিতান, নিজের কান ও নিয়মভাঙা অফুরন্ত সৃজনশীলতা। একে যদি তাঁর সীমাবদ্ধতা বলি, তবে তাই। আর যদি বলি এখান থেকেই তিনি সূত্রপাত করেছিলেন রবীন্দ্রসঙ্গীতে সম্পূর্ণ নতুন এক ঘরানা, জনপ্রিয়তায় যা ছিলো শীর্ষস্থানে, কিন্তু কোনও দ্বিতীয় ঘরানাদার তৈরি হতে পারেনি। অর্থাৎ জর্জদা রবীন্দ্রসঙ্গীতে একাই একটা বাতিঘর হয়ে রয়ে গেলেন।

আরও পড়ুন...

গানের ঝর্ণাতলায় (তৃতীয় পর্ব)

দীপংকর বসু

এই গুরুগম্ভীর কার্যক্রমের মধ্যেই নিছক আড্ডাও জায়গা করে নিত কোন কোন সময়ে। এই রকম কোন আড্ডায় একবার প্ল্যানচেটে স্বর্গগত মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের কথা ওঠে। পরপর বেশ কয়েকটি প্ল্যানচেটের আসর বসেছিল সে সময়ে - যে সমস্ত মৃত ব্যক্তিদের আত্মার সঙ্গে প্ল্যানচেটে যোগাযোগ করা গিয়েছিল তাঁদের মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হলেন রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। প্ল্যানচেটে রবীন্দ্রনাথের আত্মার সঙ্গে কথপোকথনের কালে কেউ দেবব্রত বিশ্বাসের গায়ন সম্পর্কে রবীন্দ্রানাথের আত্মার অভিমত জানতে চাইলে জবাব পাওয় গিয়েছিল যে তৎকালীন রবীন্দ্র সংগীত শিল্পীদের মধ্যে দেবব্রত বিশ্বাসই হলেন সর্বোৎকৃষ্ট গায়ক।

সংবাদটি বাবা চিঠি লিখে জর্জদাকে জানালে উত্তরে জর্জদা একটি দীর্ঘ চিঠি লেখেন । চিঠিটির প্রতিলিপি তুলে দিলাম পাঠক পাঠিকাদের জন্য।

আরও পড়ুন...

লা টোম্যাটিনো

সুমন্ত মুখোপাধ্যায়

মেয়েদের ইজ্জত-সিকিউরিটির অজুহাত দেবেন না। ওরা বলেই দিয়েছে, প্রচুর বাউন্সার রাখবে, কেউ দুষ্টুমি করলেই ঘেঁটি ধরে বাইরে বের করে দেবে। অফিস টাইমের মেট্রোতে লোকে যা হাত চালায়, তার থেকেও বেশি সমস্যা হবে ওখানে গেলে?

দেওয়ালিতে গাদা গাদা প্রদীপ জ্বলে, গ্লোবাল ওয়ার্মিং হয় না তাতে? দুর্গাপুজোর ভাসানে গঙ্গার জল নোংরা হয় না? আপনার পাড়ার পুজোর বাজেট কত? এক্সমাস কে তো আমরা কবেই নিজের করে নিয়েছি, টমেটো খেলাতেই দোষ? আর, ইকনমিক্স না বুঝুন, এটুকু তো বোঝেন, ডিমান্ড বাড়লেই দাম বাড়বে? আজ পনেরো টন, কাল পনেরোশো টন, টমেটো চাষীদের হাল ফিরে যাবে, এটুকু বুঝছেন না?

আরও পড়ুন...