গুরুচণ্ডা৯র খবরাখবর নিয়মিত ই-মেলে চান? লগিন করুন গুগল অথবা ফেসবুক আইডি দিয়ে।

হরিদাস পালের ডায়রি ঃ মুখে কুলুপ

রঞ্জন রায়

ধ্যাৎ, আমরা জানি যে ওসব কূটকচালিতে আমাদের মত ছাপোষা মানুষদের পড়তে নেই। তাই শহরের কোন মানবাধিকার কর্মী, কোন সংগ্‌ঠন এ নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাইছে না। ঘরে জব্দ দাস ক্যাপিটাল, দুটো চিঠি আর একটি লোকের কথায় যদি বিনায়ক সেনের মত হাই প্রোফইল লোক, যাঁর বিরুদ্ধে কোন ক্রিমিনাল কেস নেই, যিনি বহুবছর ধরে গরীবদের জন্যে স্বাস্থ্য নিয়ে সরকারের সঙ্গে কাজ করেছেন, তাঁকে জেলে পোরা যায় তবে আমরা তো শাকভাত খাওয়া ভেতো বাঙালী। দাস ক্যাপিটাল যে আমার ঘরেও আছে, স্যার।
আর ওই হাই প্রোফাইল কেসের পাশাপাশি আরেক কোর্টে এক লো-প্রোফাইল মামলায় এক সত্তর পার বুড়ো বাঙালী অসিত সেনগুপ্ত ঘরে মাওবাদী সাহিত্য রাখার ও এক ছাত্রকে সরকার বদলে মাওবাদী সরকার বানাতে হবে বলার অপরাধে ঐ দেশ্‌দ্রোহের ধারায় আটবছর জেলে থাকার সাজা পেয়েছেন। বেশ হয়েছে। এবার পি ইউ সি এল এর ছত্তিশগড় ইউনিট বাঙালীমুক্ত হবে। বিনায়ক সেনেরা রায়পুরে মানবাধিকার আন্দোলনকে স্বাস্থ্য ও শিশুদের পরিপ্রেক্ষিতে জুড়ে দিয়ে যে সম্মানজনক ও ঈর্ষণীয় স্তরে নিয়ে গেছিলেন তাতে প্রাক্তন সচিব রাজেন্দ্র সায়েলকে বাঙ্গালোরের দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল। এখন বিনায়ক জেলে যাওয়ায় সায়েল (যাঁর পেশা বলতে আমেরিকান ক্রিশ্‌চিয়ান সংস্থার গ্র্যান্ট পাওয়া) আবার রায়পুরে ফিরে এসেছেন। কিন্তু কাজের স্তর কি হবে কে জানে?

আরও পড়ুন...

প্রসঙ্গঃ বিনায়ক সেনের যাবজ্জীবন কারাবাসের শাস্তি

খবরোলা

অভিযোগ ও বিচার:
১) ২০০৭-এর মে মাসে বিলাসপুর থেকে গ্রেফতার হন সমাজসেবী চিকিৎসক বিনায়ক সেন,নক্সাল নেতা নারায়ণ সান্যালের চিঠি মাওবাদীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগে।
২) বিনায়ক সেন, নক্সাল আইডিওলজিস্ট নারায়ণ সান্যাল ও কোলকাতার ব্যবসায়ী পীযূষ গুহ মাওবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে রাষ্ট্রবিরোধী নেটওয়ার্ক চালান।
৩) আদালত প্রমাণ পেয়েছে যে ড: বিনায়ক সেন নারায়ণ সান্যালের চিঠি আন্ডারগ্রাউন্ড নক্সাল সংগঠনের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন।
৪) ছত্তিসগড় পুলিস যে জনসুরক্ষা অধিনিয়মের ভিত্তিতে বিনায়ক সেনকে গ্রেফতার করেছে উনি শুরু থেকেই সেই অধিনিয়মের বিরোধিতা করছিলেন এবং এটি অসংবিধানিক বলে প্রচার করেছেন।

আরও পড়ুন...

সুসমাচার -২০১০

Rিতেন মিত্র

তাই নামিলেন নীচে। অবশেষে। ফ্লাইট দু মিলেনিয়াম লেট , অথচ আপেক্ষিকতার সূত্র মেনে জৈবিক ক্লকে দেবানন্দীয় স্থবিরতা। বেথলেহেমে প্রথম স্টপ। গন্তব্য নেতাজি আন্তর্জাতিক। চেলা বোঝায় রকেট থেকে এইসা ধোঁয়া- মনে হল, খোদ গড, রজনীকান্ত নকল করে ধূম ছেড়েছেন। বাঙ্গালী ভক্তদের কলকাকলিতে অশান্ত ওয়েটিং এরিয়া দেখে ঘোর সন্দ, যার নামে বিমানবন্দর তিনিই মুখ তুললেন বুঝি? হল না, টি আর পি স্কেলে মেগাতর ভাবুন। তৃতীয় ভুবন পরিদর্শনে ত্রিভুবনেশের পুত্র স্বয়ং হাজির!! যুগ বদলেছে। আকাশপথের পুরানো রুটে আজ একটার বদলে পঁচাশটি তারা। ছবি মেলাতে গিয়ে পদে পদে ঠকবেন। কল্পনাপ্রবণ আঁকিয়েদের কাজ দেখে ভেবেছিলেন, চে গুয়েভারা, চন্দ্রিল ভাট, আর জন লেননের ককটেল , তাই না? দূর, এ তো পাতি কদমছাঁট। তবে হ্যাঁ, সেই মায়াভরা চোখ, সেই শান্ত স্থির চলাফেরা, সেইই হাত তোলার মোলায়েম কায়দা। (এক প্রখ্যাত র:: গায়িকা গলা ফসকে বিস্মবিষ্ট 'কা-লো?' থ্রো করেই ইনস্ট্যান্ট অপ্রস্তুত, মুদ্রাদোষের অজুহাতে শেষরক্ষে।)

আরও পড়ুন...

mi.মিনিস্টার, আপনাকেই বলছি ....

biplab rahamaan

তবে আপনি এইসব মহান উক্তি যখন করছেন, তখন ইউকিলিকস র‌্যাব (র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান নয়, পড়ুন, রক্ষী বাহিনী এগেইন ব্যাক) নিয়ে আপনাদের গর্বের বেলুনটি লিক করে দিয়েছে। বেয়াড়া ইউকিলিকসকে উদ্ধৃত করে দি। গার্ডিয়ান জানাচ্ছে, গণতন্ত্রের মহাপ্রভু ব্রিটিশ সরকার স্বয়ং নাকি খুনি এই সরকারি বাহিনীটিকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে! আর প্রতিষ্ঠার পরে গত ছয় বছরে ড়্যাবের বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে নাকি মারা গেছে হাজার খানেক লোক।
ইতিহাস সাক্ষী, পূর্ববাংলা সর্বহারা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সিরাজ সিকদারকে বন্দী অবস্থায় গুলি করে হত্যার পর তখনকার প্রধানমন্ত্রী ও আপনাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা নেতা শেখ মুজিবুর রহমান ('বঙ্গবন্ধু' বলবো কী?) সংসদে দম্ভ করে বলেছিলেন, কোথায় আজ সিরাজ সিকদার? এরও আগে তিনি কমিউনিস্ট ভূতের আতংকে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, নকশাল দেখা মাত্র গুলি করা হবে! মাননীয় মন্ত্রী, সে দিনও আপনারা ভুলে গিয়েছিলেন, নকশাল কারো গায়ে লেখা থাকে না।

আরও পড়ুন...

phardaa phaa`ns

soikat bandyopaadhaayay

এই তো মানবাধিকার নিয়ে এত হইচইয়ের পরেও, দেশে-বিদেশের অনেক চাপের পরেও বিনায়ক সেনের মতো একজন হাই প্রোফাইল লোকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড কি হয়নি? দেশে-বিদেশে প্রচার করে, ফিল্ম শো করে, সই সংগ্রহ করে, কোনো বাপের ব্যাটা সেসব আটকাতে পেরেছে?

মানবাধিকার কর্মীদের সমস্ত আঘাত তিনি বুক পেতে নিয়েছেন। মিডিয়ার সব ঝড়ঝাপ্টা সামলে দিয়েছেন। সমস্ত রাজনৈতিক বিরোধিতাকে উড়িয়ে দিয়ে জঙ্গলমহলকে খাঁকি পোশাক আর মিলিটারি বুটে মুড়ে দিয়েছেন। সবই তো মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দাঁড়ানোর জন্য। এর পরেও,এত কিছু করার পরেও, তাঁর ক্ষমতার উপর এত অবিশ্বাস? তাঁকে লেঙ্গি মেরে এলাকা পুনর্দখলের চক্রান্ত? এ কি রেগে যাবার জন্য যথেষ্ট কারণ নয়? যথেষ্ট অবিশ্বাস, যথেষ্ট আঘাত নয়?

পৌরুষ আর প্রেমে আঘাত পেলে মানুষ কত কিছু করে। আর এ তো ইংরিজি লেখায় সামান্য দুটো বাংলা শব্দ। হতেই পারে।

আরও পড়ুন...

jaaphar panaahee - kichhu kathaa

bilwama`Mgal

গত বিশে ডিসেম্বর ইরানের সরকার জাফর পনাহীকে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে এবং ছ-বছর কারাদণ্ড দেয় । তার সাথে এই ফর্মান জারী করে যে পনাহী কুড়ি বছর কোনো চলচ্চিত্র মাধ্যমে কাজ করতে পারবেননা , মিডিয়ায় কোনো প্রকার কোনো সাক্ষাৎকার দিতে পারবেননা আর দেশের বাইরেও যেতে পারবেননা । এমন ঘৃণ্য অবিচারের বিরুদ্ধে সারা বিশ্বের চলচ্চিত্রপ্রেমী এককাট্টা হয়ে লড়ার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন । পনাহীর প্রতি এই ধরনের বিদ্বেষ নতুন নয় । ২০০৯-তে ওনাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয় , পরে ছেড়ে দেওয়া হ য় । ২০১০-এর শুরুতে ওনাকে আবার ধরা হয় , কাঠ-খড পুড়িয়ে শিল্প-প্রেমীরা দু-লাখ মার্কিন ডলার যোগাড করে তাঁকে জামিনে ছাড়ান ।

আরও পড়ুন...

debakee basur 'kabi', 1949 - ekaTi aTekanikaal paaTh ( tRiteey kisti)

tridib senagupt

দুই বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী সময়ে ব্রিটিশের কালো বুটের কাজলকালো ছায়ায় নির্মীয়মান ঔপনিবেশিক পুঁজির মরডান (অনেক লোকেই দেখেছি, কিছুতেই র-টা ড-এর পরে বলে না, শত ধরিয়ে দিলেও, একটু ডর লাগে বলে? সেরকম বানানই লিখলাম।) হতে থাকে ভারতরাষ্ট্রে যে ঐতিহ্যটা আমরা পাচ্ছি তা আর আধুনিকতা থেকে বিচ্ছিন্ন বিশ্লিষ্ট কর্তিত কিছু নয়, তারা এ অন্যের মধ্যে প্রথম থেকেই বসে আছে, সম্রাট কণিষ্ক যার নাম দিয়েছিলেন অতিনির্ণয় বা ওভারডিটারমিনেশন। ঐতিহ্য আর আধুনিকতার এই গোড়া থেকেই শোয়াশুয়িটা উপন্যাস "কবি' ধরতে পারেনি, কিন্তু ফিল্ম "কবি' পেরেছিল। উপন্যাস যেখানে শুধু বংশ ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেই থেমে গেছিল, ফিল্মকে সেখানে ঠিক তার পাশাপাশি উল্লেখ করে দিতে হয় তার আধুনিকতার তকমা মানে চাকরির পদকেও। শুধু তার ডোম বংশ নয় কুলিগিরির চাকরিকে একই সঙ্গে জানিয়ে দিয়ে সেই একই নাটককে নতুন চেহারায় হাজির করে দেয় "কবি' ফিল্ম। একটু পরে ঠিক এটাই দেখব আমরা কবিগানের আসরে। চণ্ডীর থানের মহান্ত আর স্টেশনমাস্টার তারা পাশাপাশি চেয়ারে আসীন থাকবেন। কর্তৃত্ব এবং ক্ষমতা আর ঐতিহ্য দিয়ে হচ্ছে না, তাকে আধুনিকতার আশ্রয় নিতেই হচ্ছে। তার পাশাপাশি আরও একজন থাকবেন। বর্গসঙ্করের কুলতালিকায় আমাদের বাঙালিদের আর একটা নিজস্ব সংযোজন। সে কথায় পরে আসছি।

আরও পড়ুন...

baa`Mgaalabaarhir kissaa -ashhTam parb

ra`Njan raay

কিন্তু আজকে খেলার মাঠে দারোগাবাবুকে তো দেখছি না,ওই ছোঁড়াটা দৌড়ুচ্ছে , পেছনে ওর বাপ। ব্যাপারটা কি?
------- আর বলিস না। দারোগাবাবুর নালিশ শুনে বাপ তো ছেলেকে আচ্ছা করে কড়কে দিল। কিন্তু ছেলেটা এক্কেবারে যাকে বলে রেকটাম-রাইপ। আজ খেলার মাঠে বন্ধুদের তোল্লাই খেয়ে নিজের বাপকেই জিগ্যেস করেছে-- ' বাবা, আইজ ক্লাসে মাস্টারে জিগাইসে স্বাধীনতা সংগ্রামী ত্রয়ীর নাম। আমি দুইটা কইসি,--" লাল' আর" পাল '। আরেকটা নাম কি যেন? কী ""গঙ্গাধর তিলক''?
------ তারপর?
------- তারপর আর কী ! বাপের তেলেভাজার দোকান, তাড়াহুড়ো করে ছেড়ে এসেছে, স্কুলের মাঠে এবারে নতুন প্লেয়ার শ্যাম থাপার খেলা দেখবে বলে।। রেগে গিয়ে বলেছে-- বানচোইৎ! জাননা কী গঙ্গাধর? ''বাল""! তারপর কী হচ্চে দেখতেই পাচ্ছিস।

না, রঞ্জন কিছুই দেখছে না। ওর কানে বাজছে ওই দু-অক্ষরের শব্দটি। কালকেই ওর দলের একটি ছেলে বলেছে--- এইসব বালের নাটক করে কী হবে?
পাড়াতেও এরকম কিছু টিপ্পনী কানে এসেছে।
কী হবে? ও নিজেও জানেনা কী হবে। খালি জানে ওকে নাটক করতেই হবে। আজ নয়তো কাল।

আরও পড়ুন...

uikiliks ! uikiliks !

achintyarUp raay

ওবামা মুখে যতই স্বচ্ছতার কথা বলুন না কেন, গোপনীয়তাই তাঁর সরকারেরও প্রধান অস্ত্র। সে গোপনীয়তার বেড়া যারা ভাঙ্গে, তাদের ক্ষমা নেই। লৌহ যবনিকা শুধু লাল ছাপ-মারা দেশগুলিরই একচেটিয়া সম্পত্তি নয়।

সুতরাং জুলিয়ান অ্যাসেঞ্জ শত্রুপক্ষের লোক, এবং / অথবা স্পাই। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেণ্টের প্রাক্তন আফিসার ক্রিশ্‌চিয়ান হুইটনের মতে উইকিলিক্সের পুরো টিমটাকেই "শত্রু সৈন্য' হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত। তাদের বিরুদ্ধে "নন-জুডিসিয়াল অ্যাক্‌শন' নেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ওবামা প্রশাসন পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে অ্যাসেঞ্জের বিরুদ্ধে চরবৃত্তির অভিযোগ আনার কথা ভাবা হচ্ছে। সেনেটর ডায়েন ফেইনস্টাইন বলেছেন ১৯১৭ সালের এসপিওনেজ অ্যাক্টে বিচার হওয়া উচিত অ্যাসেঞ্জের। (উল্লেখ করা যেতে পারে, উড্রো উইলসনের সময় এই আইন চালু করা হয়েছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বিরোধীদের মুখ বন্ধ করার জন্য। ১৯১৮ সালে সোশ্যালিস্ট কর্মী ইউজিন ডেব্‌সকে এই আইনে গ্রেফতার করা হয়েছিল। কারণ, যুদ্ধের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন ডেব্‌স।) প্রতিটি "লিক'-এর জন্য অ্যাসেঞ্জকে দশ বছরের জেল দেওয়া হোক, বলেছেন ফেইনস্টাইন। অর্থাৎ ২৫০০০০ তথ্য ফাঁসের জন্য ২৫ লক্ষ বছর জেল খাটতে হতে পারে উইকিলিক্স প্রতিষ্ঠাতাকে!

আরও পড়ুন...

ibhaTijaar Daarauin shishu sameepe

maasakaaoyaath aahasaan

পথে ঘাটে উত্যক্তকারী বললে চর্যাপদীয় শোনায়। এক সময়ে এটাকে টন্টিং বলা হতো। মামুদের দেখতাম জিনস পরে বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে গীটার বাজাতে। আর শিস দিতে,মাউথ অর্গান বাজাতে। রাজেশ খান্নার মেরি সপনেকি রাণী তুমি আওনাকো দেখে বাপ চাচাদের প্রজন্মের চারুচর্চার লক্ষণ দেখেছি। দাদুদের অশোক কুমারো কম ছিলেন না।
সারাজীবন ফিল্মের নায়িকাদের দেখলাম হিরোকে মাই ফুট বলতে বা চড় দিতে।এখন পুলিশ ধরে নিয়ে গিয়ে কান ধরে উঠবস করাচ্ছে। চলচ্চিত্রের সঙ্গে জীবনের এতো ব্যবধান আগে দেখিনি।

এর কারণ সম্ভবত টিজিং এর মান অত্যন্ত নিম্নগামী হয়েছে। মামু গীটার বাজিয়ে টিজিং করতো চমতকার কোন প্রেমের গান গেয়ে। আর ভাগ্নে একেবারেই পশুর মতো আচরণ করছে। বিষয়টি ভাবিয়ে তোলে।
তার মানে কী এই বাংলাদেশের দুর্নীতিগ্রস্ত সমাজে কিছু শিশু জন্মেছে যাদের ডারউইনের উলটো বিবর্তনের শিকার হতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন...

riseshaner galpaguchchha

aarJy bhaTTaachaarJy

দুনিয়া কাঁপানো রিসেশনের খুব ধারেকাছে দিন কাটালাম। প্রথম প্রথম যা ছিল দূরের বজ্রনিনাদ আস্তে আস্তে তাই খুব কাছের টর্নেডো হয়ে উঠল। সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতা, সেই অভিজ্ঞতার খানিকটা এই গল্পগুচ্ছে। সব ঘটনাই সর্বৈব সত্য, শুধুমাত্র ব্যক্তিগত পরিচয় গোপন রাখার জন্য নাম ধাম বদলে দিলাম।

আরও পড়ুন...

debakee basur 'kabi', 1949' - ekaTi aTekanikaal paaTh : dwiteey kisti

tridib senagupt

আমি খুব নিশ্চিত নই, সাউন্ডট্র্যাকের সমস্যার কথা তো আগেই বলেছি, বাংলায় যে আন্দাজটা আমি অনেকটা করতে পারছি, অন্য ভাষায় সেটা হচ্ছে না। তবে আমি আমার হিন্দিভাষী সহকর্মীদেরও শুনিয়ে দেখেছি। তাদেরও বাক্যটা ওরকমই লাগছে। তবে বাক্যটা এখানে তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়ও। কী বলতে চাইছে সেটা বোঝা যাচ্ছে খুব সহজেই। গুরুত্বপূর্ণ এখানে গোড়া থেকেই এই অবাংলাভাষী রেলকর্মীর অস্তিত্বটা উচ্চারিত হয়ে যাওয়া। উপন্যাস থেকে চিত্রনাট্যে খুব সচেতন বদলগুলোর এটা একটা। উপন্যাসে এই চরিত্রটাই নেই। এমনকি উপন্যাসের শেষে নিতাই যখন ফের ফিরে এল চণ্ডীতলা ইস্টিশনে, সেখানের লোকজন তাকে ঘিরে এল। এক সময় মিছে শিরোপার গল্পে যে সম্মান নিজেই নিজেকে দিতে চেয়েছিল, সেই সম্মান এল আপনা থেকেই। উপন্যাসে এটা উল্লেখিত আছে নিতাইয়ের নিজের কেনা মিছে শিরোপা, ফিল্মে সেটা আর বলা হয়নি, শুধু শিরোপাটাই দেখানো হয়েছে। এটাও একটা বদল, কিন্তু তেমন জরুরি কিছু নয়।

আরও পড়ুন...

la`m maarcher Daayari - tRiteey kisti

naasarin siraaj

২৪ অক্টোবর। লং মার্চের প্রথম দিন। সকাল ৭ টায় মেহেদীর ফোন আসে। 'সব ঠিক আছে তো ?' ফোন ধরতে ধরতে মনে মনে ভাবি আমি।
'উঠসো ঘুম থেকে? রাস্তায় কিন্তু ভয়াবহ জ্যাম। শিগগির বুড়োর (আনু মুহাম্মদের) বাসার দিকে রওনা দাও। তা না হলে দেরী হয়ে যাবে।' মেহেদীর উৎফুল্ল গলা পাই ফোনের অপর প্রান্তে। এরই মধ্যে সে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছে।
সেদিন ছিল রোববার। দুদিনের সাপ্তাহিক ছুটির পর প্রথম কর্মদিবস। ঢাকায় ছুটির দিনে বা হরতালের দিনে সিএনজি চালিত অটোরিক্সায় যেখানে যেতে ১৫ মিনিট লাগে, সেটা জ্যামে পড়ে সাধারনত: লাগে ঘন্টা দুয়েক। তাই মেহেদীর এই তাগাদাটুকু দরকার ছিল। তাছাড়া আমি গুলশান থেকে রওনা হব, যেখানে প্রাইভেট কারের মালিকের সংখ্যা বেশী বলে আরও বেশী জ্যাম থাকে।

আরও পড়ুন...

উত্তরবঙ্গ ৯

শমীক মুখোপাধ্যায়


শিলাবৃষ্টি ছিল তরাইয়ের শীতকালে উপরি পাওনা। এ শিল আবার আমাদের দক্ষিণবঙ্গের মত মিহি শিল নয়, যে ছাতা মাথায় কুড়োতে বেরিয়ে পড়লাম। রীতিমতো তাগড়া তাগড়া শিল, মাথায় পড়লে আর বেঁচে ফিরতে হবে না। বরফের বড় বড় চাঙড় পুরো। সেকেন্ড ইয়ারেই বোধ হয় দেখেছিলাম শ্রেষ্ঠ শিলাবৃষ্টি। আধঘন্টার মধ্যে হস্টেলের সামনে বিশাল ফাঁকা সবুজ ক্যাম্পাস পুরো সাদা হয়ে গেল। শিলের সাইজ দেখে কেউ বেরোতে সাহস পায় নি। একজন বোধ হয় বেরিয়েছিল, প্রথম শিলের আঘাতেই তার ছাতা ছিঁড়ে ফুটো হয়ে গেল।

আরও পড়ুন...