dhanyabaad o dhanabaad


আমার তাজ্জব লাগে আমাদের উপমহাদেশের যারা নব্য-অভিবাসী আমেরিকান হয়েছেন, যাদের অনেকেই দেশে খুব "বাম' ও "প্রগতিশীল' হিসেবে গর্বিত ছিলেন, এমন কী স্বদেশী আদিবাসীদের অধিকার আদায়েও শৌখিন সমর্থক, তারাও অবলীলায় ঘটা করে "থ্যাঙ্কসগিভিং' পালন করেন এবং ফেসবুক, ইয়াহূতে এর মহিমা কীর্তন করে সুখ লাভ করেন। সেদিন ফেসবুকে দেখলাম একজন মাঝারিগোছের সুপরিচিত লেখিকা নসিহত করেছেন আমাদের দেশেও "থ্যাঙ্কসগিভিং ডে'র মত এওকটা গিভিং-টিভিং দিন আবিষ্কার করে তা পালন করার জন্য। এটা মানুফ্যাকচারেড "আমেরিকান কালচার' "আমেরিকান ড্রিম'-এর সংক্রামক মাহাত্ম্যই বটে। হাজার হোক ইউরোপীয়দের মত আমাদের নব্য-আমেরিকান বেরাদারেনরাও তো বহিরাগত সেটেলারই বটেন!

আরও পড়ুন...

la`m maarcher Daayeri : dwiteey kisti

naasarin siraaj


২১ অক্টোবর জাতীয় কমিটি লং মার্চ পরিচালনার জন্য স্বেচ্ছাসেবকদের দলে আমাকে অন্তর্ভুক্ত করে। এটি ছিল কমিটির পক্ষ থেকে আমাকে দেওয়া দারুণ এক চমক উপহার। শরীক দলগুলোর ভেতর থেকে বাছাই করা কর্মী নিয়ে প্রায় ৫০ জন সদস্যের এই স্বেচ্ছাসেবক দল তৈরী হয়। মেহেদী এই দলের নেতার দায়িত্ব পান। এই দলটিকে মিছিলের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষা, খাবার পরিবেশন, পরিবহন বন্টন, লিফলেট বিতরণ, চিকিৎসা সেবা, গণমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগ-- এ রকম দায়িত্ব দিয়ে ছোট ছোট দলে বিভক্ত করা হয়। তিন সদস্য নিয়ে মিডিয়া সেল-এর দল নেতার দায়িত্ব পাই আমি।

আরও পড়ুন...

baa`Maalabaarhir kis_saa : parb 7

ra`Njan raay


ওই পূর্ব পাকিস্তান থেকে রিফিউজি হয়ে এসে তিনকামরার দাদুর দস্তানায় মাথা গোঁজা পার্কসার্কাসের ভাড়াবাড়িতে বাইশজনের এজমালি সংসার। তাতে এই ভদ্রলোক প্রত্যেক ঋতুতে তোদের ফল খাওয়ায়নি? অন্তত: প্রত্যেক ফল একবার করে? আর তোরা ,অর্বাচীন অপোগন্ডের দল! ইংরেজি গ্রামারের শৌখিন, প্রতিদিন কবিতা পড়ার মত করে স্টেটস্‌ম্যানের এডিটোরিয়াল পড়া, ফেবার অ্যান্ড ফেবারের নিয়মিত বই কেনা, টি এস এলিয়ট ভক্ত এই ভদ্রলোককে নিয়ে মুচকি মুচকি হাসতিস্‌, পেটি বুর্জোয়া টেস্ট, তাই না? আসলে ওনার ভালোবাসার ক্ষমতা ছিল বিশাল। ভালবেসে ক্ষতি স্বীকার করতেও উনি কুন্ঠিত হতেন না। তোরা ভালবাসিস শুধু নিজেকে।

আরও পড়ুন...

phre`Nch phraaiDe: krep suje`t

niyaama`t khaan


আর আর এইবার... সেই দ্বিতীয় জিনিষটি হলো .... যা বলেছেন, ফরাসী ওয়াইন। এদেশে সব চাষের মধ্যে আঙুরের চাষ হলো প্রধান। কাজেই দ্রাক্ষাসবের রমরমা হবে না তো কি? ওয়াইন এখানে খাবারের মূল সঙ্গত হিসেবে ধরা হয়। ঠিক মত ওয়াইন না হলে খাবারের পুরো স্বাদ পাওয়া যায় বলে এঁরা মানতে চান না। রোজকার খাবারের সাথে হয়তো একটাই ওয়াইন দেওয়া হয়, লাল বা সাদা, কিম্বা রোজে। তবে তেমন তেমন ভোজে প্রত্যেকটি পদের সাথে আলাদা ওয়াইন পরিবেশন হয়। শ্যাম্পেন, মার্লো, স'ভিনিয়ঁ ব্লঁ,দমপিরিনিয়ঁ এমন কটা নাম তো সবাইই শুনেছেন,কিন্তু সত্যি কথা জানেন কি ভাই? ফরাসী ওয়াইন সুন্দরীদের রূপবর্ণনা করা.... বাপ রে, তার স্পর্ধা এই নাচীজের নেই। স্বয়ং সাহিত্য সম্রাট 'আয়েষার' রূপ বর্ণনা করিতে পারেননি। ফরাসী ওয়াইনও রন্ধনসাহিত্যে 'আয়েষা'ই।

আরও পড়ুন...

debakee basur 'kabi', 1949- ekaTi aTekanikaal paaTh ( pratham kisti)

tridib senagupt

সত্যিই "কবি' ফিল্মটা আমার বিরাট একটা কিছু লেগেছে। তুলসী চক্রবর্তীর অলৌকিক ঐ অভিনয় নিয়ে অবাক হওয়ার কিছু নেই, সবসময়ই তিনি ঐরকম অভিনয়ই করে এসেছেন। কিন্তু, তার চোখের মুদ্রায়, কদর্য নাচের ভঙ্গীতে, যে ভাবে উঁচু জাতের দম্ভ এবং হিংস্রতাটা এসেছে, সেটা বোধহয় তুলসী চক্রবর্তীর পক্ষেই সম্ভব। নীলিমা দাশের কথা আগেই বললাম। অনুভা গুপ্তা, নীতিশ মুখোপাধ্যায়, হরিধন, এদের সকলেরই অভিনয়, সঙ্গে রবীন মজুমদারের গান, এবং অনিল বাগচীর সঙ্গীত পরিচালনা, এর একটাও যদি সঠিক মানে না-পৌঁছত, "কবি' বোধহয় তার নিজের জায়গায় পৌঁছতে পারত না। নৃত্য পরিচালকের নাম দেখলাম প্রহ্লাদ দাস। তাঁর সম্পর্কে আর কিছুই আমি জানি না, কিন্তু প্রত্যেক বারই তুলসী চক্রবর্তীর ঐ বিকট নাচ দেখতে দেখতে আমার নৃত্যপরিচালকের কথা মাথায় আসে। একজন পঞ্চাশোর্ধ ভারি চেহারার মানুষের শরীরের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ঐ নাচের ভঙ্গীর উদ্ভাবন তো সহজ কাজ ছিল না। এই রকম অজস্র টুকরো টুকরো কথা মাথায় আসে আমার। আক্ষরিক অর্থেই এগিয়ে পিছিয়ে এগিয়ে পিছিয়ে "কবি' ফিল্ম আমি অজস্রবার দেখেছি। আপনারা দেখুন, আমার প্রতিক্রিয়া যদি আপনাদের প্রতিক্রিয়ায় স্থানান্তরিত হতে পারে, সেটাই এই কাজের সাফল্য।

আরও পড়ুন...

la`m maarcher Daayaree - pratham kisti

naasarin siraaj

প্রেস ব্রিফিং-এ সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে মাত্র তিনটি প্রশ্ন আসে। প্রশ্নগুলো নির্দিষ্ট কোন তথ্য জানার উদ্দেশ্য থেকে করা হয় না। বরং প্রশ্নগুলো শুনে ধারণা হয় যে এরা উত্তরদাতাদের কাছ থেকে সরকারের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক ও অসহিষ্ণু মন্তব্য কামনা করে। যেমন, একটি প্রশ্ন ছিল “সরকার যদি আপনাদের কর্মসূচীতে বাধা দেয় তাহলে আপনারা কি করবেন।” আনুষ্ঠানিকভাবে আনু এই প্রশ্নের উত্তরে প্রথমে হাসি দিয়ে প্রশ্নকারীর উত্তেজনা প্রশমন করেন। পরে তিনি ব্যাখ্যা করেন যে সরকার শুধু জাতীয় কমিটির না তার নিজ দলের সমর্থকদেরও ক্ষতি করছে। তাই সরকারী দলের সমর্থকদেরও উচিত তাড়াতাড়ি লং মার্চে অংশগ্রহণ করা। উল্লেখ্য যে ন দিগন্ত, দিগন্ত টেলিভিশন, ইসলামিক টেলিভিশনের মত সরকার বিরোধী পত্রিকা ও টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবাদিকদের উপস্থিতি লং মার্চের প্রস্তুউতি পর্বে নিয়মিত ছিল। আর জাতীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ পত্রিকায় “লীড নিউজ” হবার “ফাঁদ” থেকে সদা সতর্ক ছিলেন। যেমন এই প্রশ্নটি নিয়েই যখন প্রেস ব্রিফিং পরবর্তী চা চক্রে নেতৃবৃন্দ আলোচনা করেন তখন একজন সরস মন্তব্য করেন, “প্রশ্নটা শুনে আমার মাথায় তো একটা শ্লোগান এসেছিল। বাধা দিলে বাঁধবে লড়াই, এ লড়াইয়ে জিততে হবে।” আরেক জন মন্তব্য করেন, “এই সাংবাদিকরা মনে করে এই রকম ঢ়্‌ৎড়াড়শরহম প্রশ্ন করলে আমরা বুঝি তোফায়েলের (আওয়ামী লীগের একজন নেতা) মত জবাব দেবো।”

আরও পড়ুন...

উত্তরবঙ্গ ৮

শমীক মুখোপাধ্যায়


কলেজে পরীক্ষা হত, ঐ যেমন বললাম, বছরে দুবার মাত্র। মোটামুটি ক্লাস ফলো করলে আর পরীক্ষার আগে একমাস থেকে দেড়মাস ঘষলেই পরীক্ষার জন্য তৈরি হওয়া যেত। পরীক্ষা যে হেতু ছাত্রজীবনে এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার, উত্তরণের একেকটা সিঁড়ির মতন, ফলে এই পরীক্ষার আগে অনেক ছাত্রই মনে মনে বা প্রকাশ্যে অনেক রকম সংস্কার মেনে চলে। ছোটখাটো বা বড়সড়। আমাদের ইয়ারের এক ছেলে প্রতি পরীক্ষায় একটা প্রায় ছিঁড়ে আসা জামাপ্যন্টের সেট পরে পরীক্ষা দিত। একবার বাড়ি থেকে আসার সময়ে সে সেই সেত নিয়ে আসতে ভুলে গেছিল বলে তাকে বাড়ির লোক কুরিয়ার করে সেই জামাপ্যান্ট পাঠিয়েছিল। সেটাই নাকি তার লাকি জামা প্যান্ট। সেটা না পরলে নাকি পরীক্ষা ভালো হয় না।

 

তো, এই রকম অনেক সংস্কার আমরা দেখেছি স্কুলজীবনেও, দইয়ের ফোঁটা কালীবাড়ির ফুল থেকে শুরু করে ডাবের জল খাইয়ে দেওয়া বাবা মা পর্যন্ত, জলপাইগুড়ি ইঞ্জিনীয়ারিং কলেজের পরীক্ষার সঙ্গে জড়িয়ে ছিল এক অদ্ভূত গণসংস্কার। সেটা ছিল একটা গান। কেউ জানে না এর উৎপত্তি কবে, কোথা থেকে, কিন্তু ইয়ারের পর ইয়ার এই সংস্কারটা অ্যাকুয়্যার করত সিনিয়রদের থেকে, এবং দিয়ে যেত জুনিয়রদের।

আরও পড়ুন...

Jat kaaND Jaadabapure - parb dui

sumant

এবং শেষপাতে, ভিসি কা ইনসাফ! তিনি জানিয়েছিলেন, ঘটনা নিয়ে তদন্ত হবে| সে তদন্তের টিকিও আজ পর্যন্ত দেখা গ্যালো না| তিনি জানিয়েছিলেন, সব্বাই পরীক্ষা দেবে| কেউ দিলো না| মাসখানেক আগের কথা, বাহান্ন ঘন্টার ঘেরাওয়ের পর, যে রফা হয়েছিল, তাতে অধ্যাপকরা ওনার সাথে কথা বলে এসে জানান যে সিসিটিভি বসানোর সিদ্ধান্তের পুরোটা নিয়েই ফের আলোচনা করা হবে| মিটিং ডাকা হলো, কিন্তু তাতে আলোচনার বিষয় বদলে গ্যালো| এরপরেও ওনার বিশ্বাসযোগ্যতা খুব থাকবে কি?

আরও পড়ুন...

maaupushhi

diyaa (bayas saarhe tin)

একটা ছোট সাদা মাউপুষি ছিল। সে সারাদিন বাইরে বাগানে খেলা করত। বিকেল বেলা বাড়ি যেত। এক দিন বাইরে খেলতে খেলতে উঁচু গাছের মাথায় উঠে গেল। সেখান থেকে লাফিয়ে আকাশে চলে গেল। যেই না আকাশে গেছে অমনি আকাশের নীল রংটা তার সারা গায়ে লেগে গেছে। আর সাদা মাউপুষিটা নীল মাউপুষি হয়ে গেছে। বাড়ি আসার পর ওর মামা মাউপুষি, বাবা মাউপুষি, দিদা মাউপুষি সবাই বলছে "আমাদের সাদা মাউপুষি কোথায় গেল?

আরও পড়ুন...

se aar kaakaa

adrijaa (bayas chaar)

মা বলল, চৈতালি তোমার ফ্রেন্ড, না? ফ্রেন্ডদের বিটিং করে না আর ফ্রেন্ডদের সাথে সব শেয়ার করতে হয়। এই বলে মা আমার টিফিনবক্সে দুটো চকলেট দিয়ে দিল। আমি স্কুলে গিয়ে টিফিনবক্স খুলে একটা চকলেট চৈতালিকে দিলাম। চৈতালি খুব হ্যাপি হল আর বলল, সে। আমিও বললাম, সে।

আরও পড়ুন...

baagher galp

bRiti (bayas chaar)

একটা পাখি বলেছে "তুমি ভালো করেছ'। কাক বলল ভাল থাকতে হবে। কাক বলল আজ থেকে আমি কুমিরের বন্ধু। কাক খুব খুশি- কুমির আসবে দুটো বাচ্চাকে নিয়ে।

আরও পড়ুন...

barha cheej, paribraajak baagh, megher desh

ujaan (bayas paa`nch)

একটা ছোত্ত বাচ্চা মেয়ে। মেঘের মেয়ে। সে টাইগারকে জিগ্গেস করলো, তোর নাম কী রে? টাইগার বললো, আমার নাম টাইগার ! মেঘবালিকা জিগ্গেস করলো, তুই কী করিস? টাইগার বললো, আমি খুব ঘুরে বেড়াই। মানুষ-টানুষ ধরে খাই। সব জায়গা দেখি। আমি খুব ভালো। মানুষদের খাই না।
-সে কী রে? এই যে বল্লি, মানুষ ধরে খায়?
-না, না, ও মানুষফানুষ কিছু খায় না। শুধু হরিণের মাংস খায়। ভালো টাইগার।

আরও পড়ুন...

Dagir gappo o anyaany

saa`njh (bayas saarhe paa`nch)

একটা লাল চিটি ছিল, একটা কালো চিটি ছিল, আর একটা সাদা চিটি ছিল। কালো চিটি আর সাদা চিটি লাল চিটিটাকে জিজ্ঞেস করল, হ্যাঁরে হ্যাঁরে, তুই এ রকম লাল কেন? তখন লাল চিটিটা বলল, আমি তো রক্ত খেয়েছি মানুষদের, তাই আমি এ রকম লাল। তখন লাল চিটি আর সাদা চিটি কালো চিটিটাকে বলল, হ্যাঁরে হ্যাঁরে তুই এত কালো কেন? তখন কালো চিটিটা বলল, আমি তো খুব রোদ্দুরে ঘুরেছি, তাই আমি কালো হয়ে গেছি। তখন লাল চিটি আর কালো চিটি সাদা চিটিটাকে জিজ্ঞেস করল, হ্যাঁরে হ্যাঁরে তুই এরকম সাদা কেন? তখন সাদা চিটিটা বলল আমি তো রোজ ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি মাখি, তাই আমি এরকম সাদা হয়ে গেছি।

আরও পড়ুন...

tinaTe galp

saampaan(bayas saarhe paa`nch)

নতুন একটা 'রাইড' এসেছে, তার নাম হল 'স্যাটার্ণ রাইড'। একটা বিরাট বড় বল আর তার চারপাশে 'রিঙ'। খুবই ভয়ংকর 'রাইড', কারণ সবাইকে ঐ 'রিঙের' ওপর বসতে হয় আর বলটা খুব জোরে ঘুরতে থাকে। শুধু টাক মাথা লোকেরাই এই 'রাইড' চড়তে পারে...

আরও পড়ুন...

tinaTi galp

Urjaa chakrabartee (bayas chhay)

ওরা ১১ মিনিট ধরে হাসিঠাট্টা করতে লাগলো যতক্ষণ না ওরা একটা কুকুরের ডাক শুনতে পেল। সোমা ভাবল, "এটা কোন আওয়াজ হতে পারে?' অ্যানজেল ও সিলভেরি একসঙ্গে বলে উঠলো, "এটা একটা কুকুরের আওয়াজ কিন্তু এটা বেশ অন্ধকার দেখতে'। তাই ওরা দৌড়ে পালাল আর যে মলটাতে যাবার প্লান ছিলো সেই মলটাতে চলে গেল।

আরও পড়ুন...

oshaan aar aaguner galp

ujaan (bayas chhay)

একদিন ওশানে আগুন লেগে গিয়েছিল। বেশি জল ছিলনা যেটা দিয়ে আগুনটা চলে যেত। ওশানে গাছ আছে। যখনি মশা বা মাছি বসে তখন ঐ গাছটা ওদেরকে খেয়ে নেয়। ওদের গায়ের ভিতরে যেটা থাকে সেটা বের করে দেয়...

আরও পড়ুন...

lilir bhul

megha baraNI basu (bayas 6)

মাকে খুঁজতে ও তখন আরো জোরে দৌড়তে শুরু করলো। ওকে স্টপ করলো একজন সিকিওরিটি। সে জিগেস করল "তোমার নাম কি?' লিলি বললো "আমি লিলি।' সিকিওরিটি বললো "তুমিই লিলি? তোমার মা অনেকক্ষণ ধরে তোমায় খুঁজছে।' লিলি জিগেস করলো "কোথায় মাম্মা?' সিকিওরিটি বললো "সোজা গেলে দেখবে তোমাদের অ্যাপার্টমেন্ট। তার সামনে তোমার মা দাঁড়িয়ে আছে।' লিলি ছুটে গেল। দেখতে পেলো মা দাঁড়িয়ে আছে। মাকে একটা বিগ হাগ দিলো ও। আর কোনোদিনও কিন্তু এরপর লিলি রং বাস স্টপে নামে নি।

আরও পড়ুন...

dy Drim Tim

moitrey (bayas saat)

(লেখক এবং তাঁর সহকর্মীরা কিছুদিন আগেই একটি ছক্কা মেরে একটি গাড়ির সমূহ ক্ষতিসাধন করেছেন। লেখক এবং তাঁর সহকর্মীদের পরিবারবর্গকে যৎপরোনাস্তি অপমানিত হতে হয়েছে এবং ক্ষতিপূরণ দিতে হয়েছে। লেখকের মায়ের মতে সত্য ঘটনা অবলম্বনে রচিত এই কাহিনীর নাম হওয়া উচিৎ ""খারাপ ছেলের স্বপ্ন'' । লেখকের ইচ্ছা এই গল্পের নাম হোক "দ্য ড্রীম টিম' )

আরও পড়ুন...

chirhiyaakhaanaay aajab ghaTanaa

Ritabhaashh (bayas aaT )

পাশেই একটা জায়গায় একটা জিরাফ একা একা দাঁড়িয়েছিলো। তাকে দেখে রাজের বড় দু:খ হল, কারণ ওই জিরাফটার কোনো বন্ধু ছিলো না। তাই রাজ ওই মাঠে আর একটা জিরাফ এঁকে দিলো আর তার পাশে দুটো গাছ এঁকে দিলো, যাতে ক্ষিদে পেলে ওরা গাছের পাতা খেতে পারে। জেব্রা, সিংহ আর চিতা দেখে কুমীরের দিকে যাওয়ার সময় রাজ দেখলো দুটো ছোট ছেলেমেয়ে উটের পিঠে চড়ে ঘুরছে। কুমীরের পুকুরের সামনে গিয়ে রাজ দেখলো পুকুরে একটুও জল নেই - কুমীরটা ডাঙায় শুয়ে আছে। তাই দেখে রাজ পুকুরে জল এঁকে দিলো। আর কুমীরটাও অমনি সরসর করে জলে নেমে গেলো।

আরও পড়ুন...

chhabir kolaaj

এক ঝাঁক কচিকাঁচাদের আঁকা সুনিপুণ শিল্পকর্ম, গুরুচন্ডা৯র বিবর্ণ বৃদ্ধদের তরফে একটা অক্ষম প্রচেষ্টা, সেই সব শিল্পকর্মকে একটা পাতায় ধরিয়ে ফেলার। ধরানো গেল কিনা, তা জানাবেন পাঠক।

আরও পড়ুন...

nibirh kabar-khodak

araNy


অরণ্যের গহীনতা থেকে তুলে আনা কয়েকটি কবিতার লাইন ...

আরও পড়ুন...

baidaadu

kuladaa raay


যেদিন স্কুল থেকে অবসরে গেলেন-তারপর থেকে তিনি বলছেন আর আমি লিখছি চিঠি। মাজেদ - তোমাদের কাছে কখনো গুরু দক্ষিণা চাইনি। কিন্তু কিছু বই চাই। প্রাপক মাজেদ অথবা আলী নূর। কোন এক মোসাব্বির পাঠিয়ে দিচ্ছেন ডাকে কিছু টাকা। আমরা দুজনে মিলে বুক লিস্টি বানাতে লেগে যাই। আর চিঠি লিখি মুক্তধারায়, বাংলা একাডেমীতে-জাতীয় সাহিত্য প্রকাশনীতে। কাউকে লিখি-ভিক্টর হুগোর অমনিবাস আমাদের দরকার। একদিন লিখতে দেওয়া হল একটি সাইনবোর্ড -সুভদ্রা স্মৃতি গ্রন্থাগার।

আরও পড়ুন...

aNugalp

somanaath raay


আমি গল্প লিখতে পারিনা, সবার সব কিছু অ্যাটেম্পট নেওয়াও উচিৎ না; ফলে এরপর অনেক প্রাইভেট টিউশন, ইউথ ফর ইকুয়ালিটি, রিসেশন, অনসাইট পেরিয়েও তিতিরকে খেলতে দিচ্ছি সুবাইয়ের সাথে। সুবাইয়ের বাবা শুকদেব আমার বাড়ির নীচের গ্যারাজে থাকতো একসময়, এখন প্লাম্ববিং-এর কাজ খুব ভালই করছে, ইন্দিরা যোজনায় বেশ সুন্দর একটা থাকার জায়গা বানিয়ে নিয়েছে, বিশ্বকর্মাপুজোর দিন ওদের বাড়িতে নেমন্তন্ন করে। তাই, তিতির সুবাইয়ের সঙ্গে বর-বউ খেলছিলো দেখে ওদের কাউকে কিচ্ছু বলিনি।

আরও পড়ুন...

maraN

sha`Mkha karabhoumik



প্রথমে দেখতে পাই নি। ছিল হয়তো,খেয়াল করি নি। টিফিনের সময় চোখে পড়ল। বছরের মধ্যিখানে নতুন ছেলেপুলে ভর্তি হওয়া পাড়াগাঁয়ের স্কুলে এমন কিছু বিরল ঘটনা নয়। তাতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেইও। প্রথম দিন গোবেচারার মতো পেছনের বেঞ্চিতে বসে থাকবে,কেউ লক্ষ্য করবে না। দিদিম&#২৪৬৭;&#২৪৯৫; নাম জিজ্ঞেস করবেন, জানতে চাইবেন আগে কোন স্কুলে পড়ত। শহরের স্কুল থেকে এসে থাকলে নরম হেসে বসতে বলবেন।

আরও পড়ুন...

duTi galp

miThun bhoumik



পাহাড়ঘেরা সবুজ উপত্যকার মাঝে একফালি হ্রদ। রিশা নামে এক বাচ্চা মেয়ে ঐ উপত্যকায় রোজ তার গরুছাগলের পাল নিয়ে চরাতে যায়, ফিরে আসে সন্ধ্যায়। খুব ছোটবেলাতেই রিশার বাবা-মা মারা যান। ওর আর কোন ভাইবোনও ছিলোনা। তাই সে একাই থাকে। সারাদিন মাঠের ধারের একটা গাছের নিচে রিশা বসে বসে আকাশপাতাল ভাবে। কখনও বা ঘুমিয়েও পড়ে। ঘুমোলেই ওর স্বপ্নে হানা দেয় এক অদ্ভুৎ সুরেলা গান। মানুষের গলায় গাওয়া গান না, যেন বাঁশী আর অজানা আরো কিসের সব মিঠে ধ্বনি মিলেমিশে ঐ অপার্থিব সুর রচনা করেছে। রিশা ঘুম ভেঙে মুষড়ে পড়ে। ঐরকম একটা বাজনা থাকলে সে সারাদিন বসে বসে বাজাতে পারতো।

আরও পড়ুন...

lajens daadu

priyaa`Mkaa raay byaanaarjee



আজ দশ বছর পর সেই ঘরে দাঁড়িয়ে তিন ভাই-বোন। বহুদিন পর সবাই মিলে এক জায়গায় হওয়া গেছে। দিদিভাইয়ের বাচ্চা দুটো সারা ঘর জুড়ে ছোটাছুটি করে বেড়াচ্ছে। আলমারি ঘাঁটতে ঘাঁটতে হঠাৎ ছোট মেয়েটা একটা পুরনো শিশি বার করে এনে পিউকে দেখিয়ে বলল, "এটাতে কী আছে মিমি? তোমরা এরকম ধুলোবালি জমিয়ে রাখো কেন বোতলে করে?'

উত্তরে অবাক হয়ে দেখল তিন জনের মুখে হাসি, চোখে জল।

আরও পড়ুন...

bahiraabaraNer antaraale

shaahereen aaraaphaat

উপরের ঘটনাটি থেকে কিছু অসঙ্গতি সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়, আর তা হল-

(১) জনাব তরিকুল ইসলাম, যিনি নিজেই এসএসএফের সহকারী পুলিশ সুপার, তিনি পুলিশের কাছে দাবি করেছেন, মিনা মানসিক রোগী ছিলেন। কিন্তু কোন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ কি কোন মানসিক রোগীকে গৃহকর্মী হিসেবে কাজে রাখবে? তাহলে কি আইনের ধ্বজাধারী তরিকুল নিজেও বিকারগ্রস্ত? আর কোন মানসিক রোগীকে দিয়ে কাজ করানোটাও বেআইনী, তা তো এসএসএফের সহকারী পুলিশ সুপারের জ্ঞাত না থাকার কথা নয়। এখানে উল্লেখ্য যে, তরিকুলের প্রতিবেশীদের (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) সাথে কথা বলে জানা গেছে, মিনা আদতে কখনোই মানসিক রোগী ছিল না। তবে তার উপর চলত ঐ ফ্ল্যাটের বাসিন্দা তরিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রীর অমানুষিক নির্যাতন।

(২) জনাব তরিকুল এজাহারে বলেছেন, রাত দেড়টার দিকে তরিকুল ইসলাম কর্মস্থলে ছিলেন। এ সময় তাঁর স্ত্রী তাঁকে ফোন করে প্রথমে জানান মিনাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তাঁকে একটি কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় পান। এহেন অসঙ্গতিপূর্ণ কথায় প্রশ্ন জাগতেই পারে, "ন্যাম ভবনের ঐ ফ্ল্যাটটি কি এতোটাই বিশাল, যে একজন মানুষের ঝুলন্ত লাশ খুঁজে পাওয়া যায় না???

আরও পড়ুন...

mRityudaND bitark

kallol daashagupt


কেন একজন খুনি, খুন হওয়া মানুষটির মানুষগুলির পরিবারের সেবাতে নিযুক্ত হবে না ? কেন একজন চোর কায়িক বা মানসিক শ্রম দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষটির ক্ষতিপূরণ করবে না? ঠিক ঠিক এমনটিই হতে হবে তার কোন মাথার দিব্যি নেই , অন্য অনেক কিছুই হতে পারে যার মূলে থাকবে অপরাধী মানুষটির অপরাধবোধকে জাগিয়ে তোলা । কোন বিচার-আইন-শাস্তি ব্যবস্থা যতক্ষণ না অপরাধীকে মানসিকভাবে তার অপরাধের …রুতÆ , সমাজে (বৃহত্তর এবং সংকীর্ণ সব অর্থেই) তার কুপ্রভাব সম্পর্কে সচেতন না করতে পারছে ততক্ষণ সে ব্যবস্থা অর্থহীন। অপরাধ লাঘব বা নির্মূল করার লড়াইয়ে তা চূড়ান্ত ব্যর্থ।

আরও পড়ুন...

kAsabher mRityudanD : sAdhAran mAnushher mAnabAdhikAr banAm hantAraker mAnabAdhikAr

resTor Demokryaasi


কেউ কেউ বলছেন ফাঁসি দিলে কাসভ শহীদের মর্যাদা পেয়ে যাবে। তাতে আরও অনেকে ফিদায়েঁ জঙ্গী হওয়ার অনুপ্রেরণা পাবে। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না ২৬/১১-র হামলায় এমনিতেই ৯ জন "শহীদ' হয়ে গেছে। কাসভের মৃত্যু নতুন করে তাদের অনুপ্রেরণা জোগাবে এমন সম্ভবনা কম। বরং কাসভ এই অবস্থা থেকে যদি জীবিত থেকে যায় বা কোনক্রমে মুক্তি পেয়ে যায় সেটাকেই তারা জেহাদের সাফল্য ভেবে উৎসাহিত হবার সম্ভবনা প্রবল। হয়তো জেহাদিরা দল ভারি করার জন্য তাদের নিজেদের কায়দায় প্রচার চালাবে, জেহাদে আল্লাহ তাদের সঙ্গে আছেন তাই কাফেররা হাতের মুঠোয় পেয়েও সাজা দিতে পারল না। সব থেকে যেটা খারাপ হবে, শতসহস্র নিষ্পাপ মুসলিম কিশোরকিশোরী বা তরুণতরুণীর সামনে কাসভের উদাহরণ রেখে তাদের মগজ ধোলাই করে সন্ত্রাসবাদী হামলায় টেনে আনার চেষ্টা করা হবে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে,একজন জেহাদিকে মানুষের তৈরি আদালতে মানুষের তৈরি আইনে মানুষ কর্তৃক বিচার এবং মৃত্যুদন্ডদান, ধর্মের নামে জেহাদ এবং হত্যালীলা চালানোতে কোন ধর্মের কোন ঈশ্বরেরই সমর্থন নেই সেটা বুঝতে খানিকটা সাহায্য করতে পারে বৈকি।

আরও পড়ুন...

baa`Maalabaarhir kis_saa : shhashhTh parb

ra`Njan raay

হেই লাইগ্যা তাইন, মানে ফকিরচন্দ্র একটা উঁচা টিলা দেইখ্যা তার উপর বাড়ি বানাইলেন। আটচালা বাড়ি। মাঝখানে ঊঠান। চাইরদিগে টানাবারান্দা আর তার গায়ে গায়ে ঘর। হেইডা করতে গিয়া বাঘ-সাপ-খাটাশ কিছু মাইর‌্যা কিছু তাড়াইয়া জঙ্গল সাফ করলেন। এইডা ছিল তাঁর প্রথম বছর। পরের বছর বাড়ির সামনে বিশাল পুষ্কুনি কাটাইলেন। লোকে কইতো দীঘি। সেই দীঘি পারাপার করা কঠিন ছিল। সারা বছ্‌ছর গভীর কালোজল। মাইয়ামাইনষে বুকে কলস লইয়া চেষ্টা করতো, কিন্তু পারাপার হইতো মা। সেই দীঘি আজও আছে। খালি তার মইধ্যে আইজ বাবর আলি মুন্সীর হাঁসেরা সাঁতার কাটে। যাউকগিয়া, তিনি উদ্যোগীপুরুষ ছিলেন। কয় বছরের মইধ্যে পাটের চাষ আর অন্য কৃষিকার্য কইর‌্যা সম্পত্তি বাড়াইলেন। আঠরবাড়িয়া-বাজিতপুর-ময়মনসিংহ সদরে বাড়ি করলেন।

আরও পড়ুন...

thaai thaarsaDe : khaanam krak

niyaama`t khaan


থাই রান্নার মূল মন্ত্র হলো টক-মিষ্টি-নোনতা-তেতো এই চার স্বাদের ব্যালান্স। এখানের যেকোনো খাবারেই দেখবেন এই ব্যালান্স এতটুকু টসকায়না। এর ওপরে আছে ঝালের কারুকার্য্য। এদেশের টিপিক্যাল মিল যদি ধরেন তাতে থাকবেই থাকবে একটা কোন স্যুপ, একটা ঝাল স্যালাড, একটা সব্জির ও মাছ বা মাংসের পদ, ভাত ও শেষপাতে কোনো মিষ্টি। আবার থাইদেশের নিয়ম হলো অনেকে মিলে একসাথে বসে খাবার ভাগ করে খাওয়া। এঁরা মনে করেন একা খাওয়া দুর্ভাগ্য ডেকে আনে। খাবার নিয়ে আরো ধর্মবিশ্বাস আছে এদেশে। থাইরা এও মনে করেন যে একদানা খাবারও নষ্ট হতে দেওয়া পাপ। "ধান্যদেবী' এতে রুষ্ট হন, অভিশাপও দিতে পারেন।

আরও পড়ুন...

bishw bhut dibas ki jindaabaad

kuladaa raay

আজকে বিশ্ব ভুত দিবস।
রাস্তাঘাটে শত সহস্র ভুত নেমে পড়েছে। হু হু করে ঠাণ্ডা হাওয়া বইছে। এর মধ্যে হা হা হি হি করে ভুতের নৃত্য চলছে।
কোনো কোনো ভুত অনেকদিন পরে ধরাধামে নেমে প্রকাশ্যে আসায় বুক টান টান করে হাঁটছে। কেউ কেউ শরম পাচ্ছে। একজন বেঞ্জু বাজিয়ে গান গাইছে, হলে হলে । হলে হলে।
কুইনসের পথে দুই ভুতের সঙ্গে দেখা। বাঘ ছাল পরে আছে। খাড়া খাড়া দুটো শিং। হাতে একজনের ডম্বরু--আরেকজনের ত্রিশুল। ফুস ফুস করে ওরা সিগারেট টানছে। বললাম, তোমগো বাড়ি কুথায় গো ভুত।

আরও পড়ুন...