গুরুচণ্ডা৯র খবরাখবর নিয়মিত ই-মেলে চান? লগিন করুন গুগল অথবা ফেসবুক আইডি দিয়ে।

shabd badale Jaay

tirJak

গত লোকসভা নির্বাচনে এইরকম একটি আপাত:নিরীহ শব্দ আমাদের খবরের কাগজের পাতায় উঠে এসেছিল। কথাটা হল "নিরপেক্ষ', অর্থাৎ যিনি কোন পক্ষেই মতামত দেন না। শব্দটা প্রশংসাসূচক। কিন্তু সত্যিই যিনি কারুর সাতে-পাঁচে থাকেন না, কাউকে ভালো-মন্দ বলেন না, তাঁকে ভালো বলার বা ভাবার কি কোন কারণ আছে? এইরকম লোক কিন্তু কোন অন্যায়েরই প্রতিবাদ করবেন না ; ভেবে দেখুন তো, বাস্তবে তেমন লোকের ওপর আপনি কতটা ভরসা করতে পারবেন? আর আদালতের জজসাহেব এইরকম নিরপেক্ষ হলে তো কোন মামলারই কোনদিন নি×পত্তি হবে না! এইখানে এসে নিরপেক্ষ শব্দটা আমাদের গভীর সঙ্কটের মধ্য ফেলে, আমাদের ভাবায় যে নিরপেক্ষতা তাহলে আসলে কি? কোন নিরপেক্ষতার কাছে আমরা আশ্রয় চাই? একটু ভাবলেই উত্তর মেলে। মতামতের নিরপেক্ষতা নয়, আসলে আমরা চাই বিচারবুদ্ধির নিরপেক্ষতা যার প্রক«ত অর্থ হল পক্ষপাতশূন্যতা। মানে সোজা কথায়, আমরা আশা করি ধর্ষকের অপরাধ বিচার করতে গিয়ে গিয়ে আপনি ধর্ষিতার চরিত্রের কথা ভাবেন না কিম্বা গানের ভালোমন্দ বিচার করতে গিয়ে গায়কের চেহারা বা ধর্মের কথা মাথায় রাখেন না। এই নিরপেক্ষতা কতদুর পর্যন্ত রক্ষা করা সম্ভব, ভালো খেলছে বা ভালো গাইছে বলে নিজের দেশের, কিম্বা নিজের রাজ্যের বা নিজের জেলার, নিজের ছোটবড়ো নানা বৃত্তের বাইরে গিয়ে নিরপেক্ষ সমর্থন কতটা সম্ভব এমনকি কতটা স‰ত, তা নিয়ে অনেক কথা ভাবার আছে। তবে সে অন্য গল্প।

আরও পড়ুন...

tathy-praJuktite katadur egol bA`mlA?

biplab rahamaan

বাংলা উইকিপিডিয়ার প্রধান উদ্যোক্তা এবং আমেরিকার জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের কম্পিউটার বিজ্ঞানী ড| রাগিব হাসান। এক ইমেইল বার্তায় তিনি এই লেখককে বলছেন, গত চার দশকে বাংলা ভাষার ব্যবহার এগিয়ে গিয়েছে অনেকটা। এ ক্ষেত্রে ইউনিকোড প্রযুক্তি সবচেয়ে বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে। এতদিন কম্পিউটারে বাংলা লেখার জন্য বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হতো, যার কোনোটির সঙ্গে কোনোটির মিল ছিল না। গত পাঁচ বছর ধরে সার্বজনীন ইউনিকোডে বাংলা লেখা হচ্ছে, ফলে ইন্টারনেটে বাংলার ব্যবহার অনেক বেড়ে গেছে। বাংলা ব্লগের বিপুল জনপ্রিয়তা ও বাংলা উইকিপিডিয়ার বিস্তার লাভই এর বড় প্রমাণ।

"অভ্র' সফটওয়্যার উদ্ভাবন করেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান খান। মেহেদী, রিফাতুন্নবি, তানভিন ইসলাম সিয়াম, রাইয়ান কামাল, শাবাব মুস্তফা, নিপুণ হক -- এই কয়েকজন বন্ধু গত ছয় বছর ধরে অভ্র নিয়ে কাজ করছেন।

আরও পড়ুন...

riTaarn aph dy phyaataarhu

adheeshaa sarakaar

লোকটা আসলে কে? নকলেই বা কে? নামটা জানা, আর কাজ তো বটেই, যে কাজের ঠেলায় FBI-এর প্রাণ ওষ্ঠাগত, Pentagon পরেশান। কিন্তু তা ছাড়া আর বিশেষ কিছু বলা মুশকিল। আফগানিস্তান কাণ্ডের গুরুত্ব বোঝাতেই হয়ত, এই প্রথমবার আসাঙ্গে মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার সাহায্য নিল গোপন ফাইলপত্র ফাঁস করার কাজে। এতে ধামাকাটা হল আরো জোরে। এবং এতে করে, এই প্রথমবার, আসাঙ্গেকে সচক্ষে দেখল পৃথিবী। সাদা চুল, ফ্যাকাশে, দোহারা মানুষ। হাসিটা তীক্ষ্ণ আর চোখদুটো বেশ খতরনাক। জানা গেল, আসাঙ্গের কোনো পার্মানেন্ট ঠিকানা নেই, কম্প্যুটর ব্যাগে ভরে সে ঘুরে বেড়ায় এ দেশে-ও দেশে, থাকে কখন হোটেলে, কখন বন্ধুদের সোফায়। এই যাযাবরটির অনেক বন্ধু, যারা শুধু আশ্রয়ই দয় না, দেয় ইন্‌ফর্মেশন। আসাঙ্গে এই "volunteer" দের সাহায্যে গড়ে তুলেছে বেশ তুখোড় এক গুপ্তচর-নেটওয়ার্ক। গোপন ফাইলপত্র হাতে আসার সঙ্গে সঙ্গে পাচার হয়ে যায় লুকোনো সার্ভার ধরে anonymous মেইলবক্সে। কে-কোথায়-কিভাবে-কেন বার করা প্রায় অসম্ভব।

আরও পড়ুন...

উত্তরবঙ্গ ৭

শমীক মুখোপাধ্যায়

ফর্ম ভর্তি হয়ে চলে এলে হস্টেলে কাজে নেমে পড়ত শিল্পীরা। আমিও এই শিল্পকর্মে নিযুক্ত থেকেছি অনেকদিন। শিল্পটা আর কিছুই না, একটা দেশলাই কাঠির ডগায় অল্প একটু তুলো লাগিয়ে, সেই তুলো জিওলিনে ভিজিয়ে সুক্ষ্ম হাতে যাওয়া এবং আসার তারিখদুটোকে মুছে দেওয়া। সবুজ কালি উঠে গিয়ে জায়গা দুটো ক্লোরিনের কল্যাণে একেবারে কোরা কাগজ হয়ে যেত। এইবার নিজেদের সবুজ কালিতে, সেই ভদ্রলোকের হাতের লেখার স্টাইলে নিজেদের পছন্দমত ডেট বসানো হত। সাধারণত পুজোর ছুটি পড়ত মহালয়ার দিন থেকে, থাকত ভাইফোঁটা পর্যন্ত। আমরা সেটাকে বাড়িয়ে নিতাম আগে পিছে এক থেকে দু সপ্তাহ মতন। মোটামুটি মহালয়ার এক সপ্তাহ আগে থেকেই হস্টেল ফাঁকা হয়ে যেত, আবার ভর্তি হত ভাইফোঁটার পরের সোমবার। অনিচ্ছুক হবার কারুর উপায়ও ছিল না, কারণ মেজরিটি চলে যাবার ফলে মেস টেসও বন্ধ হয়ে যেত। বাইরে একদিন দু দিন খাওয়া যেত, কিন্তু দীর্ঘদিন বাইরে খাওয়া ছাত্রদের পক্ষে বেশ অসুবিধাজনক ছিল। ফলে, সেই বিশেষ দিনটিতে প্রায় দেড়শো দুশো ছাত্র একসাথে ট্রেনে চড়ত।

আরও পড়ুন...

rUpaantarakaamee DiyeDrer galp

arpitaa byaanaarji


আইডেন্টিটি বা পরিচয় কী? সমাজের দ্বারা নির্ধারিত না জৈবিক, নাকি দুইয়ে মিলেই, নাকি আরও অন্য কিছু? ম্যাকক্লস্কির ক্ষেত্রে সমাজ বা বায়োলজি, এ দুইয়ের বাইরে পরিচয় নির্ধারণের আরো একটা জায়গা রয়েছে, যা তাকে বলে দেয় কোনটা তার "আসল' পরিচয়। ম্যাকক্লস্কি স্বীকার করেন না যে মানুষের মধ্যে একটা নির্দিষ্ট পরিচয় গাঁথা আছে যাকে বের করে আনাই মানুষের একমাত্র নিয়তি, বরং পরিচয় মানুষের স্বাধীনতার ফসল, যা সে নিজের পছন্দমত গড়ে নিতে পারবে।

ম্যাকক্লস্কি বার বারই জৈবিক লিঙ্গ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে শরীরের আর পাঁচটা অঙ্গের তুলনা দিয়ে থাকেন। কিন্তু কারুর চোখ কটা হলে সেটা তো তার গোটা সমাজের সাথে সম্পর্ক স্থির করে দেয় না, যেমনভাবে দেয় তার লিঙ্গ পরিচয়, ফলে এই তুলনাগুলো কিছুতেই মানুষের অর্ডারের ধারণাকে টলাতে পারে না।

আরও পড়ুন...

tRiteey shibir

shoubh chaTTopaadhyaay


স্বপন ¢সগারেট ফেলে দেয়। ও তারপর রনকে চ¥¢পচ¥¢প বলে, "তোকে বলা হয়¢ন আসলে। আমার সেইসব বই…লো, উদয়নের "আ¢ম এখন আন্ডারগ্রাউন্ডে', ¢কংবা ত¥ষারের "শেষ নৌকা', সে…লোও খঁ¥জে পা¢চ্ছ না কয়েক¢দন হল। আর, আর আমাদের প¢ত্রকার পরের সংখ্যার প্র¥ফ, সেটাও . . .' দূরে গা¢ড়র আসা-যাওয়ার শব্দ এইখানে বেশ প¢রষ্কার শোনা যায়। বৃ¢ষ্ট ধরে এসে¢ছল। আলো যৎসামান্য, ও হলুদ।

এখন স্বপন উঠে দাঁড়ায়। দুহাতে কোটটা ফাঁক করে ধরে। বলে, "আ¢ম ¢কন্ত¥ ছাড়ব না, রন। আই উইল ডে¢ফ¢নট¢ল প্রোটেস্ট। প্রোটেস্ট রন, প্রোটেস্ট। ইয়েস ইয়েস, প্রোটেস্ট। আ¢ম, আ¢ম এ ¢নয়ে আন্দোলন করব। প্রধানমন্ত্রীকে ¢চ¢ঠ ¢লখব। সংসদে ¢বল আনব।'

আরও পড়ুন...

oyaasaabi oyensaDe : chiken Teriyaaki

niyaama`t khaan


জাপানী কুইজিনে কিন্তু চীনের প্রভাব আছে অনেক। চীন থেকে শুধু যে বাটি করে ভাত নিয়ে কাঠি বা চপস্টিক দিয়ে খেতে শিখেছিলেন এঁরা তাইই নয়। চীন থেকেই এসেছিলো চা আর সয়বীন, যা আজ জাপানী খাদ্যধারার অবিচ্ছেদ্য অংশ। চা শুধু যেকোনো জাপানী 'মিল' এর অংশই নয়, 'চা পান উৎসব' বা 'চা ডৌ'এখানে একটা রীতিমতো বড় উৎসব। এই উৎসবের প্রাণকেন্দ্র হলো গিয়ে 'মাচা' বা সবুজ গুঁড়ো চা। এই চা তৈরী করার পদ্ধতিকে জাপানীরা ললিতকলার স্তরে নিয়ে গেছেন। সেই পদ্ধতি বা 'কাইসেকি রিয়রি'তে চোখ,নাক আর জিভ এই তিন ইন্দ্রিয়ই প্রাণ ভরে সে চা উপভোগ করতে পারে।

আরও পড়ুন...

baa`Maalabaarhir kis_saa : pa`Ncham parb

ra`Njan raay


আরে, এখানেই শেষ নয়। বেয়াল্লিশের মন্বন্তরের সময় গান্ধীজি করলেন ""ভারত ছোড়ো'' আন্দোলন। কিন্তু কমিউনিস্টরা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সমাজতান্ত্রিক পিতৃভুমি(!) রক্ষার লড়াইয়ে মিত্রশক্তি অর্থাৎ বৃটিশের সঙ্গে যুক্তফ্রন্টের ডাক দিল। বুভুক্ষু মানুষের জন্যে লঙ্গর পরিচালন তখন তাদের মুখ্য কর্মসূচী হয়ে দাঁড়াল। সলিল কুমার থাকতেন জ্যোতি সিনেমার কাছে ধর্মতলায় একটি মেসে। সেখানে বোর্ডারদের টাইমপাস রাজনৈতিক বিতর্কে কমিউনিস্টদের অবস্থানকে দেশের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা বলে চড়া গলায় চেঁচিয়ে ছিলেন। কাছেই ছিল ""ইস্‌কাস্‌'' বা ""ইন্দো-সোভিয়েত কালচারাল সোসইটি''র অফিস। কমরেড ভুপেশ তখন সেইখানেই থাকতেন। শুনে বল্লেন-- ওনাকে এখানে ডেকে আন, বুঝিয়ে দেব।

আরও পড়ুন...

bhitebask-er bhabaghure

pragati chaTTopaadhyaay

প্যারিস তাঁর কাছে হয়ে যায় দ্বিতীয় ভিতেবস্ক, আইফেল টাওয়ারের মোটিফ আসে ছবির মধ্যে। ইয়োরোপের সামনে এসে দাঁড়ায় যুদ্ধ, আর রাশিয়ায় আসে বিপ্লব। পুরোনো ধাঁচ ভেঙ্গে যে নতুন দেশটির দরজা আস্তে আস্তে ইয়োরোপের সামনে খুলে যায়, সেখানে শিল্প ,চারুকলার কি ভূমিকা হবে? শাগাল এই অদ্ভুত,পালাবদলের দিনে হঠাৎ দেশের নবীন বলশেভিক সরকারের আমলা হয়ে ওঠেন, শিল্পকলা বিভাগের কোন একটা দায়িত্বে। কমরেড শাগাল নতুন বিপ্লবী সরকারের দেওয়া পদে সরকারী কর্মী হলেন। কিন্তু আর্টের নামে সোভিয়েত সরকারের প্রচেষ্টা শাগালের মনে হয় নিতান্ত অর্থহীন, শহরের পরে শহরে সিমেন্টে বানানো লেনিন আর মার্ক্সের মূর্তি বসে, প্রোলেতারিয়ান আর্টের ঢেউ অন্য আর্টের ভাবনায় নিষেধ জারি করে। মস্কোয় বসে হাঁপিয়ে ওঠেন শাগাল। কবিদের কর্মশালায় ভীষণ জোরে জোরে চেঁচান মায়াকোভস্কি,থুতু ফেলেন সভার মাঝখানেই। শাগাল ভাবেন কবি বিপ্লবী হলে কি এত চেঁচাতে হয়, থুতু ছেটাতে হয় একঘর মানুষের মধ্যে? সোভিয়েত সরকারি প্রোলেতারিয় শিল্পের খাঁচায় বন্দী হতে চান না শাগাল। খোঁজেন নিজস্ব শিল্পীর জীবন, যেখানে নিজের ভাবনার আকাশে তিনি উড়ন্ত গরুও আঁকতে পারবেন, কারুর কাছে কৈফিয়ৎ দিতে হবে না, "এটা কি , কমরেড শাগাল?' আবার রাশিয়া ছাড়তে চলেন মার্ক শাগাল।

আরও পড়ুন...

manusaahity : mogo baarhi barishaail

kuladaa raay

আমাকে রক্ষা করতে আমার মা জননী একদিন দক্ষিণ দেশে চলে এল। রীতিমত উন্মাদ দশা। আমাকে যে বাঘে খায় নি, কুমোইরে খায় নি, বা ডাইনীতে কাঁচা গেলে নি দেখে তার ধড়ে প্রাণ ফিরে এল। রক্ষাকালীর উদ্দেশ্যে পাঁচসিকে মানত করে বসল। বলল, বাবা, তোর এখানে থাইকা কাম নাই। বাড়ি ফিরে চল।

ছেলেকে নিয়ে ঘরে দোর দিয়ে বসে আছে স্নেহময়ী মা। জানালাও আটকেছে শক্ত করে। চোখে ঘুম নাই। দরোজায় শব্দ হল। মার মুখ রক্তশূন্য হয়ে গেল। খুলতে গেলে হাত চেপে ধরেছে। বলছে, খুলিস না। খুলিস না। ডাকাইত। ডাকাইত আইছে।

ডাকাইত না। প্রতিবেশী বৌদি এসেছেন। হাতে পাকা আমের ঝুড়ি। খেয়ে মা বলল, অ মা, এ দেহি আম--মিঠা।

আরও পড়ুন...

Jat kaaND Jaadabapure

sumant

কর্তৃপক্ষ, তাঁদের পক্ককেশের কারণে ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে বেশী বোঝেন, তাই তাঁরা ছাত্র-ছাত্রীদের এই উপকারটা করেই ছাড়বেন, আর ছাত্র-ছাত্রীরা তা হতে দিতে নারাজ। কেউ কেউ বলছে, বিকেল-রাত্রে ক্যাম্পাসে ছাত্র-ছাত্রীরা গাঁজা খায়, মদ খায়, এগুলো ধরা পড়ে যাবে বলে নাকি ছাত্র-ছাত্রীদের এই নজরদারিতে আপত্তি। গুরু, যখন এস্টেট সেকশনে গিয়ে বারবার বলা হয়েছে যে বাস্কেটবল কোর্টের পাশে বাইরের লোকজন এসে তামাক-পাতা খেয়ে ঝামেলা করছে, তখন তো গার্ডরা কেউ আসতেন না সামলাতে, সে ঝামেলা তো ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের মত করেই বুঝে নিয়েছে এতদিন। কিম্বা, ক্যাম্পাসে ছেলেমেয়েরা চুমু খায় ও আরো নানা কিছু। তো? তাদের চুমু খাওয়ার লোক আছে, সাহসও আছে; আপনার নেই! এই ফ্রাস্ট্রেশন বুঝি :) আরেকটা কথা হলো, ক্যাম্পাসে মাওবাদীরা ঢোকে, সেটা আটকাতে হবে। ঢোকে তো ঢোকে। সে তো তিনোমুলও ঢোকে, পোমোরাও ঢোকে। সিপিয়েমের তো ঢোকার কিছু নেই, তারা ওখানেই থাকে :) এই যে দেবলীনা ক্যাম্পাসে এসে মিটিং করলো বলে এতো নকশাবাজি করলো আইবি, তারপর? সে তো সবার চোখের সামনেই ঘুরে বেড়ায়! সিসিটিভি দিয়ে কী আটকাতে চাইছেন? আর, মাওবাদীদের জন্য ক্যাম্পাসে ক্যামেরা বসাতে হবে, এই আব্দারটা কার? রাজ্য সরকারের, নাকি পুলিশের? তাহলে কি পুলিশের কথাতেই চলবে বিশ্ববিদ্যালয়? নাকি, আসল কারণটা হলো, ক্যামেরা কেনার ষোলো লাখ টাকা?

আরও পড়ুন...

উত্তরবঙ্গ ৬

শমীক মুখোপাধ্যায়

ফার্স্ট ইয়ারের জনতার প্রথম আলাপচারিতায় অবশ্যম্ভাবী টপিক মূলত দুটো, কার কেমন র‌্যাগিং হল, আর কে কে কেমন প্রেম করে টরে, এবং তারই ল্যাজ ধরে কে প্রেমে কতদূর পর্যন্ত এগিয়েছে।

 

বর্ষাকালেই প্রেম আর ভূতের গপ্পো ভালো জমে। আমাদের ইনটেক হয়েছিল আগস্ট মাসে, তখন বাংলায় শ্রাবণ মাস, তরাই ভেসে যাচ্ছে বৃষ্টিতে। প্রকৃতি এত সবুজ আর এত নীল আকাশ, আমরা প্রায় কেউই এর আগে দেখি নি। সন্ধ্যে বেলায় লোড শেডিং, ক্যাম্পাসের ব্যাকআপ জেনারেটর খারাপ, কাঁপা কাঁপা মোমবাতির আলোয় ঘিরে বসে জমতে থাকল আঠেরো ঊনিশ বছর বয়েসী একদল ছেলের আড্ডা। বিষয় প্রেম।

আরও পড়ুন...

Taarkish TiusaDe : kaadinabudu koph_te

niyaama`t khaan


'সাত দিনে দুনিয়া পাড়ি'

যা:, তাই কখনো সম্ভব নাকি, ভূতের রাজার বর না থাকলে? কিন্তু মনে করুন ছোটবেলায় পড়া সেই সব রূপকথা। সেই যে উড়ুক্কু তোরঙ্গ চেপে দুনিয়া ঘুরে বেড়ানো যেত মনে আছে তো? তা আমরাও যদি ধরুন তোরঙ্গ নয় চুল্লীতে চেপে সাতদিনে দুনিয়া ঘুরে আসি? ভুতের রাজার বরেই যাব আজ্ঞে। দ্বিতীয় বর নয়, প্রথম বর। 'যেখানে খুশি যাইতে' নয়, 'যা খুশি তাই খাইতে পারি'র বর। সাতদিনে চলুন না কেন চেখে দেখা যাক সাত দেশের স্বাদ? তাইই তো বললাম আমাদের দুনিয়া পাড়ি চুল্লী চেপে।

আরে আমিও জানি মশাই যে ঐ সব ইতালিয়ান, লেবানীজ আর কি কি যেন সব রেস্তোরাঁ ভারতের শুধু বড় শহর গুলোতেই আছে। বোলপুর, কি রায়গঞ্জ, কি বার্ণপুরের লোকেদের কি তাহলে কখনো সেসব স্বাদের সাথে আলাপ হবে না? আহা, এও জানি মশাই যে এসব রান্না সাধারণ বাঙালীতে বাড়িতে ক'রে খাবার উপায় নেই, ঐ কি যেন লেখে বইয়ে 'রকেট লিফ', 'ব্যান্ডেল চীজ','কেপার্স' না আরো কি সব জিনিষ লাগে! সেসবের নামই বা কে শুনেছে, আর পাওয়াই বা যায় কোথায়! এসব ব্রাত্য শহরে তো আর নিউমার্কেট নেই? কিন্তু নিরাশ হবেন না বন্ধু। নিয়ামৎ খান এই আপনাদের সামনে হাজির করছে সাতদিনের টেস্ট-ট্র্যাভেল প্যাকেজ (আহা, 'টাইম ট্র্যাভেল' যদি হয় তো 'টেস্ট-ট্র্যাভেল'ই বা কি দোষ করলো?)। এতে সাত দিনে আপনি সাত দেশের স্বাদে পাড়ি জমাতে পারবেন, আর তার জন্য না লাগবে দাঁতভাঙা নামের কোনো উপকরণ, না লাগবে দুÖপ্রাপ্য কোনো সরঞ্জাম। সেরেফ পাড়ার মোড়ের দোকানে যা যা পাওয়া যায় তাই দিয়ে গ্যাসের উনুনেই আপনি পাকিয়ে তুলতে পারবেন এই স-অ-ব স্বাদ। প্রমিস!

আরও পড়ুন...

kichhu kabitaa

soubhik bandyopaadhyaay

অন্যরকম আঁকিবুঁকিতে ভরা এক পাগল কবির কাব্যপ্রলাপ

আরও পড়ুন...

kalpanaa chaakamaa ekhan kothaay?

biplab rahamaan

সেদিন কল্পনার মা বাঁধুনী চাকমার দেখা মেলেনি। তবে আরো কিছুদিন পরে বৃদ্ধা মা চোখ মুছতে মুছতে বলেছিলেন, তার একমাত্র মেয়ে অপহরণের পর এই অপহরণকে নিয়ে হেলিকপ্টার-রাজনীতির কথা। তিনি বলেছিলেন, ঢাকা থেকে সেনা হেলিকপ্টারে করে কিভাবে কথিত মানবাধিকার সংস্থার নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সর্ম্পক বিভাগের অধ্যাপক, জানিপপ নামে একটি এনজিও প্রধান) সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের গ্রামে আসেন। তারা তাকে বার বার চাপ দিচ্ছিলেন, কল্পনা চাকমাকে শান্তিবাহিনী অপহরণ করেছে, কিন্তু এখন শান্তিবাহিনীই এই অপহরণের দায় চাপিয়ে দিচ্ছে সেনা বাহিনীর ওপর - এমন একটি স্বীকারোক্তি দেওয়ার জন্য। কিন্তু নিজের মেয়েকে নিয়ে এমন মিথ্যে রাজনৈতিক প্রচারে তিনি কিছুতেই রাজী হননি। এ নিয়ে তাকে নানা হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে। ...

আরও পড়ুন...

baa`Maalabaarhir kis_saa : chaturth parb

ra`Njan raay

ঠাকুর্দা গগনচন্দ্র কথা রেখে ছিলেন। সারাজীবন নিষ্ঠাবান হিন্দু রইলেন। ওকালতিতে ও তালুকদারিতে সফল হলেও ""পঞ্চাশোর্ধ্বেবনং ব্রজেৎ'' এই আপ্তবাক্য স্মরণ করে ছেলে সতীশচন্দ্রের হাতে সংসারের ভার সঁপে দিয়ে বৃন্দাবনে কুটির নির্মাণ করে রইলেন। দুবেলা মাধুকরীবৃত্তি করে ( গোদা বাংলায় ""ভিক্ষে দাও গো ব্রজবাসী'' বলে) আহার করলেন। বারো বছর পরে দেশের বাড়িতে ফিরে এসে বাইরের দিকে একটা ঘর বানিয়ে শেষ জীবনটা কাটিয়ে দিলেন।

হ্যাঁ, বড় নাতি সলিল কুমার প্রায়ই সন্ন্যাসীদাদুর পুকুরের ঘাটে পায়খানা করে রাখতেন। মনে আশা যে দাদুর পা ওখানেই পড়বে। সে আশা প্রায়ই পূর্ণ হত। অজান্তেই সলিলের ঠোঁটের ফাঁকে এক চিলতে হাসি ফুটে উঠলো। তারপর বুকের মধ্যে একটা ব্যথা চিন্‌চিন করে উঠলো। না, তাঁর আর ছেলের কথাবাতা Ñ ঠাউর্দার প্রথম জীবনের বিতর্কসভার মত করে শেষ হয় নি। দুর্বিনীত ছেলে মাথা নোয়ায় নি, চলে গেছে।

আরও পড়ুন...

umaakaant maahaato : guliJuddhe mRit ?

soikat bandyopaadhyaay

এই মৃত্যু নিয়ে চাপান উতোর চলছিলই। ঝাড়গ্রাম পুলিশ জেলার সুপার প্রবীণ ত্রিপাঠি জানিয়েছিলেন, যে, গভীর রাতে ঝাড়গ্রামের লোধাশুলি থেকে প্রায় দশ কিলোমিটার দূরে ছোট পারুলিয়ার জঙ্গল এলাকায় গুলির লড়াই-এ উমাকান্তের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে জনগণের কমিটির তৎকালীন সম্পাদক মনোজ মাহাতো (অধুনা নিখোঁজ) দাবী করেছিলেন, গুলিযুদ্ধ নয়, বরং ঠাণ্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে উমাকান্তকে। সম্প্রতি মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ বা মাসুমের একটি "ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্ট' এই বিতর্কে আরও একটি মাত্রা যোগ করেছে।

আরও পড়ুন...