উত্তরবঙ্গ ৫

শমীক মুখোপাধ্যায়

এই খালি আকাশই জাদু দেখায় নভেম্বরের মাঝ থেকে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত। এটা ক্যাম্পাসের উত্তর দিক। ঝকঝকে হেমন্তের ওয়েদারে আকাশের গায়ে ফুটে ওঠে হিমালয়, পুরো নীল রংয়ের। আর সেই হিমালয়ান রেঞ্জের মাথায় মুকুটের মত ঝকঝক করে তিনটে বরফে ঢাকা শৃঙ্গ : কাঞ্চনজঙ্ঘা, সান্দাকফু, ফালুট। লোকে পয়সা খরচা করে এদের দেখতে আসে কত দূর দূর থেকে, আমরা হস্টেলের ছাদে বসে, নিজের বেডে বসে দিনের পর দিন দেখেছি কাঞ্চনের রূপ, কখনও টকটকে লাল, কখনও আগুনের হল্কার রং, কখনও ধবধবে সাদা, কখনও বিষণ্ন নীল। তবে বছরে ঐ একটা সময়েই দেখা যেত, এক মাসের জন্য। তার পরেই কুয়াশায় ঢেকে যেত তরাই ডুয়ার্স। সে আরেক রূপ।

আরও পড়ুন...

uttar bhaarater khaap/jaati pa`Nchaayet, anaar kili`m - jaanaa ajaanaa kichhu kathaa

shraabaNee raay

খাপ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী চৌতালা ( চৌতালা হরিয়ানার একটি প্রভাবশালী খাপ) বা নবীন জিন্দলের মতো মাটির কাছের লোক ছাড়া এতদিন প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক দলের ছোটবড় নেতারাই একটা "ধরি মাছ না ছুঁই পানি" ধরণের অবস্থান নিয়েছে। সাম্প্রতিক কালে মিডিয়া প্রচারের তাড়াতে অনার কিলিং নিয়ে এরা হাল্কা নিন্দে গোছের করেছে বটে তবে বেশীরভাগই প্রসঙ্গ এড়িয়ে গেছে। কিন্তু মিডিয়ায় জিন্দলের স্বগোত্র বিয়ে বন্ধ করার খাপেদের দাবীকে খোলা সমর্থন দেওয়ার পরে সরকারপক্ষ নড়েচড়ে বসেছে। নবীন নেতার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সারা দেশের ছিছিক্কারে বিব্রত সরকার এখন ড্যামেজ কনট্রোল মোডে। এর জেরেই রাজ্যসভায় জোরালো বক্তব্য রেখেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অনার কিলিংয়ের বিপক্ষে। এ নিয়ে নতুন আইন আনার জন্য একটি জিওএম (গ্রুপ অফ মিনিস্টার) গঠন করা হয়েছে। সংসদের বর্ষাকালীন সভাতেই এই বিল আনার চেষ্টা করবে সরকার।

নতুন আইনে এধরণের অপরাধ যা খাপ পঞ্চায়েতের নির্দেশে সংঘটিত হবে তার জন্য খাপ নেতারাও শাস্তি পাবে অপরাধীর সহায়ক হিসেবে। যদি খাপের সব সদস্যরা এতে জড়িত নাও থাকে তাহলেও। এভাবেই খাপ প্রথাকে নিরুৎসাহ করা হবে। এছাড়া যেখানে ছেলেমেয়েরা এভাবে পরিবারের বা খাপের বিরুদ্ধে গিয়ে বিয়ে করবে কোর্টে তাদের জন্য বাধ্যতামূলক একমাসের নোটিশ পিরিয়ড দরকার হবেনা। স্পেশ্যাল ম্যারেজ অ্যাক্টের জোরে তারা তৎক্ষনাৎ বিয়ে করতে পারবে।

আরও পড়ুন...

যে জন আছে মাঝখানে

কৃষ্ণকলি রায় ও অন্বেষা ভট্টাচার্য

কিন্তু এই দেহব্যবসার কাজটা খুব সোজা নয়। খদ্দেররা অনেক সময় শোয়, সব করে, কিন্তু নিজেদের চাহিদা মিটে গেলেই পয়সাকড়ি না দিয়ে পালায়। একদিন পার্কে গেছি, একজন পুলিশের লোক এসে বললো ওর সাথে যেতে। আমি প'¡শ টাকা চেয়েছিলাম। কিন্তু সে কুড়ির বেশি দেবেনা। পুলিশের লোক তো, তাই ওতেই রাজী হলাম। কিন্তু যেই না তার মজা লোটা হয়ে গেল, সে উল্টোবাগে হাঁটা দিলো। কুড়ি টাকারও দেখা পেলামনা। আমি দৌড়ে তাকে ধরে বললাম যে টাকা না দিলে পুলিশে রিপোর্ট করবো। সে তো হেসেই অস্থির। প্রমাণ কোথায় যে এমনি হয়েছে? আমি কন্ডোমটা দেখলাম, গিঁট দিয়ে বাঁধা, ভেতরে ওরই বীর্য্য রয়েছে। কিন্তু সে নির্বিকার মুখে বললো যে এটা যে ওরই তা কে বিশ্বাস করবে?

আরও পড়ুন...

26she aagasT baa`mlaadesher jaateey sampad-raxaa dibas

Jeeshu mahammad

সারা পৃথিবীতেই চলছে খনি/ভূ-সম্পদ/ শিল্পায়নের নামে ভূমি অধিগ্রহণের লুটেরাদের পুঁঁজির খেলা। বেশী দূর না- "হাতের কাছের হয়না খবর/ কি দেখতে যাও দিল্লি-লাহোর' হলেও আমাদের সামনে উদাহরণ হিসেবে আছে ভারতের নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর, লালগড়। উন্নয়নমূলক কাজকর্ম বা শিল্পায়নরে জন্য কৃষিজমি অধিগ্রহণ করতে উদত্য হওয়া সংসদীয় ধরার সুপার-ডুপার বামদের সিঙ্গুরের মতো বছরে পাঁচ ফসলি জমি তুলে/ মানুষকে বাস্তুচ্যুত করে সেখানে কারখানা/সেজ(SEZ)/ কেমিক্যালহাব/ মোটরস কারখানাসহ নানা জাতের শিল্পায়নের দোহাই দিয়ে পাঁয়তারা করেছেন। (অথচ, সিপিএম নাকি সাম্যবাদের গান গায় , আসলে কার্যত পুঁজির দাস। ধান্ধায় ডুব দিলে ঘিলু কি আর ঠিক থাকে?) সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের নিরস্ত্র শোষিত জনতা তা মেনে নেয়নি। অত্যাধুনিক রাইফেলের বাটের ঠেলা/ গুলি খেয়ে/ ধর্ষিত হয়েও দাব্বাড়েছে "ফিকে লালবাহিনী'র গুন্ডাদের/পুলিশদের-। তারা কৃষিজমি অধিগ্রহণ করতে চেয়েছে মূলত তথাকথিত "শিল্পায়ন' এবং স্পেশ্যাল ইকোনোমিক জোন গড়ে তোলার জন্য যার প্রধান উদ্দেশ্য হল পুঁজিপতির শ্রমিকশ্রেণীকে ইচ্ছামত শোষণ করার উপযুক্ত বিশেষ সুবিধা এবং অধিকার সুনিশ্চিত করা- যে খায়েশ গুড়িয়ে দিয়েছে সিঙুর এবং নন্দীগ্রামের মানুষ। তবুও নীলনকশা থামে না-। "অপারেশন নন্দীগ্রাম' , বা আজকের 'অপারেশন গ্রিনহান্ট'- শুধুক্রোধ, পাশবিকতা; শুধু ঘৃণা, তাল তাল ও জমাট বাঁধা- কালো, যতটা কালো হতে পারে জমাটবাঁধা রক্ত, মানুষের রক্ত, নকশালীরক্ত খুবলে খাচ্ছে।

আরও পড়ুন...

লা-জওয়াব দিল্লি - এক্সট্রা কোচ ৪

শমীক মুখোপাধ্যায়

নতুন এয়ারপোর্টের দু কিলোমিটারের মধ্যে অটোরিক্সা ঢোকা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অর্থাৎ, এয়ারপোর্ট যাত্রীকে সেখানে পৌঁছতে হলে হয় নিজের গাড়ি, নয় ট্যাক্সি, নয় মেট্রো রেলের সাহায্য নিতে হবে। অটোরিক্সা-চাপা ন্যাস্টি মিডলক্লাস লোকজনের জন্য নয় নতুন এয়ারপোর্ট। নিজের গাড়ি নিয়ে গেলে, আধ ঘণ্টার পার্কিং চার্জ ষাট টাকা, দু ঘন্টার একশো কুড়ি টাকা, ছ ঘন্টার জন্য চার্জ আটশো টাকা। নতুন এয়ারপোর্টে জল কিনে খেতে হলে এক লিটার জলের জন্য দিতে হবে আশি টাকা। আর যদি মেট্রোয় করে যান; এখনও মেট্রোর লাইন চালু হয় নি, কাজ চলছে, তবে শুরু হয়ে যাবে খুব শিগগিরই; কনট প্লেস থেকে এয়ারপোর্ট এক্সপ্রেস লাইনে করে এয়ারপোর্টে পৌঁছতে গেলে আপনাকে কাটতে হবে একটা আড়াইশো টাকার টিকিট। চোদ্দ কিলোমিটারের জন্য।

আরও পড়ুন...

ish_k ki aah_

abheek kumaar moitr


এভাবেই দর্শকদের প্রথম পরিচয় ঘটে কৃষ্ণা বর্মার সাথে, যাকে আপাত দৃষ্টিতে স্বামীসোহাগে তৃপ্ত, ঘরকন্নায় পারদর্শী, সাধারণ উত্তর ভারতীয় গ্রাম্য গৃহবধূ ছাড়া আর কিছুই মনে হয়না। বলা বাহুল্য, এই ভ্রান্তি সাময়িক। কৃষ্ণার চরিত্রটি প্রকৃতপক্ষে noir ধারার femme fatale-এর দক্ষ রূপায়ণ। সিনেমার ইতিহাসে অনেক ক্ষেত্রেই এ ধরণের চরিত্র পিতৃতান্ত্রিকতার হাতের পুতুল, কিন্তু কৃষ্ণা বহির্জগতের কার্য্যকারণ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত, এবং এ ছবির নায়কদের থেকে সে সবসময়ই এক ধাপ এগিয়ে। নায়কের প্রসঙ্গে চলে আসে মুখ্য জুটির কথা। ছিঁচকে অপরাধী এবং ইফতিকার ও বব্বনের সঙ্গে দর্শকের পরিচয়ের মুহূর্তটিও বিশেষ উল্লেখের দাবী রাখে - ছবির তথাকথিত নায়কদের আমরা আবিষ্কার করি মদ্যপ এবং প্রায় উন্মত্ত অবস্থায়, এবং পেছনে বেজে চলে কোনো এক তৃতীয় শ্রেণীর ব্যান্ডের গলায় গাওয়া "অজীব দাস্তাঁ হ্যায় ইয়ে' গানটি। এই ভবিষ্যদ্বাণীকে সত্য প্রমাণিত করতে নায়কদ্বয়ের দ্রুত ভাগ্য পরিবর্তন হয়। জীবন্ত সমাধিস্থ হওয়ার হাত থেকে এক চুলের জন্য বেঁচে যাওয়া নাসিরুদ্দিন-আরশাদ পালিয়ে যায় গোরখ্‌পুরে, আশ্রয় নেয় পূর্বপরিচিত বিদ্যাধর বর্মাঞ্চর (আদিল হুসেন) বাড়িতে।

আরও পড়ুন...

baa`Maalabaarhir kis_saa : tRiteey parb

ra`Njan raay


বাদল সরকারের "" খাট-মাট-¢ক্রং'' নাটকে মানুষ মানুষকে "খাট-মাট-¢ক্রং' করে দু¢নয়া থেকে নিশ্চিহ্ন করার পর দেখা গেল বেঁচে আছে শুধু আরশোলারা। আরশোলার জান বড় কড়া হয়। ক¢ঠন প¢র¢স্থ¢তর মধ্যে ¢টঁকে থাকার মন্ত্র ওদের জানা আছে। বু¢দ্ধমতী সুষমা সতীনকে দেখে বেঁচে থাকার কলাকৌশল ¢শখলেন। উ¢ন তত¢দনে জেনে গেছেন -- "" এ দু¢নয়া বড়ী ঘাগ্‌ হ্যায়''! কাজেই কোলেকাঁখে একছেলে-একমেয়ে ¢নয়ে ¢বধবা সুষমা দেশভাগের পর কোলকাতার পা¢তপুকুর অঞ্চলের তেঁতুলতলায় উদ্বাস্তু কলো¢নতে ম¢হলা আত্মরক্ষা স¢ম¢ত গড়ে তুললেন, (যেখানে এখন জয়া ¢সনেমাহল), জ¢মর লড়াই লড়ে পামা আদায় করলেন এবং দীর্ঘজী¢ব হলেন। আর সমাজের ছোখ-রাঙা¢নকে কলা দে¢খয়ে উ¢ন জীবনসঙ্গী ¢হসেবে এক ছুতোর ভদ্রলোককে ¢নজের বা¢ড়তে এনে আজীবন রাখলেন। এমন দাপটের সঙ্গে রইলেন যে সৎছেলেদের ভালবাসা ও শ্রদ্ধা আদায় করতে ওনাকে ¢বশেষ বেগ পেতে হল না।

আরও পড়ুন...

meksikaan maanaDe

niyaama`t khaan


টাকো খেতে হয় পুরোটা হাতে ধরে। এমন ভাবে ধরতে হবে যাতে চাঁদের খোলা দিকটা থাকে ওপর দিকে, আর কামড় বসাতে হয় পাশ থেকে। খাবার সময় পাশ দিয়ে প্রায়শই বাঁধাকপি কি দই, কি স্যস একটু গড়িয়ে পড়বে, হাতে মুখে মাখামাখি হবে। তা হোক, এই খাবারই অমন, একটু মেসি। তাতে কি? আর হ্যাঁ শুনুন, কেউ যদি বলে অথেন্টিক টাকোতে লেটুশ থাকে, চীজ থাকে, হেনা থাকে তেনা থাকে তো সেসব কথায় কান দেবেন না মশাই। বলেছি তো আমাদের উদ্দেশ্যই হলো সাধারণ বাঙালী বাড়িতে সহজে সুবিধায় বানানো। পাড়ার দোকানে কি সব চীজ রাখে? সব বাজারেই কি লেটুশ পাওয়া যায়? কিছুটা ইম্প্রোভাইজেশন তো আমাদের করতেই হবে। তবে কোনো চিন্তা নেই, আসল মেক্সিকোর খুব কাছাকাছি স্বাদই পাবেন আপনি এই টাকোতে। গ্যারান্টী।

আরও পড়ুন...

shib Thaakurer aapan deshe

kallol daashagupt

নব দত্তকে সাদা পোশাকের পুলিশ গ্রেপ্তার করে, যা পুলিশের গ্রেপ্তার বিধি সংক্রান্ত মামলায় (AIR 1997 SC 610) বিচারপতি ডি এ বসুর রায়ের সম্পূর্ণ বিরোধী।
নব দত্তের পরিবারকে তার গ্রেপ্তার সম্পর্কে কিছুই জানানো হয় নি। ওঁদের গ্রেপ্তারের সময় কাউকেই কোন 'অ্যারেস্ট মেমো' দেওয়া হয় নি, যা সম্পূর্ণ বেআইনী। এই ঘটনায় পুলিশের কার্যকলাপ প্রমান করে যে আইনের শাসন ভেঙ্গে পড়ার মুখে। সমস্ত ধরনের প্রতিবাদী স্বরকে বোবা করে দেবার স্বৈরতান্ত্রিক পদ্ধতি গ্রহণ করেছে রাষ্ট্রযন্ত্র।

আরও পড়ুন...

aamaader derhasho Taakaar larhaai

sumant


একের পর এক যুবকের মৃত্যু আর সহ্য হচ্ছিলো না আমাদের। শুধু তো মৃত্যুই না, রোজ রোজ লাঠি-কাঁদানে গ্যাসের আক্রমণ, যখন তখন বাড়িতে পুলিশ-সিআরপিএফের হামলা, রাস্তায় হঠাৎ করে তল্লাশীর নামে হেনস্থা-- এসবই তো আমাদের জীবনের অভ্যস্ততার মধ্যে ঢুকে গেছলো! অবশেষে, সব জড়তা কাটিয়ে রাস্তায় নামতে পেরেছিলাম, চেয়েছিলাম আমাদেরকেও যেন মানুষ বলে ভাবা হয়! এই মৃত্যুগুলোর তদন্ত হোক, পুলিশ-সিআরপিএফের বাড়াবাড়ি বন্ধ হোক, দোষীদের শাস্তি হোক-- এটা চাওয়া কি সন্ত্রাসবাদ? এর জন্য ভারতের পুলিশ-সিআরপিএফ কি দিলো আমাদের? সোপোরে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ সাতাশ তারিখ ঠান্ডা মাথায় খুন করলো শাকিল আহমেদ গনাই (১৭), ফিরদৌস আহমেদ কাকরু (১৬), বিলাল আহমেদ ওয়ানি (২১) কে, আঠাশ তারিখ খুন হলো তাজমূল বসির (১৭), তওকির আহমেদ (১৯)। দক্ষিণ কাশ্মীরের ইসলামাবাদে ইশতিয়াক আহমেদ খান্ডে (১৫), ইমতিয়াজ আহমেদ ইটু (১৭), সুজত উল ইসলাম (১৬) কে গুলি করে মারলো সিআরপিএফ, ঊনত্রিশে জুন। বয়েস গুলো খেয়াল করুন। আপনার পাড়ার এই বয়েসের মুখগুলোকে ভাবুন, তাহলেই বুঝবেন কেন আজ আমিও পুলিশ-সিআরপিএফ-সেনার গাড়ি দেখলে নিজেকে সামলাতে পারি না, তিনরঙা পতাকাটা আমার দু'চোখের বিষ!

আরও পড়ুন...

swaadheenataa

sha`Mkha kar bhoumik


Ýশষ জীবনে স্বাধীনতা সংগ্রামের কথকতায় তাঁহার অনীহা Ýদখা Ýদয়। Ýবাধ করি আমাদের স্বাধীন Ýদশের Ýনতাদের তস্করসুলভ কার্য্যকলাপের কিছুকিছু তাঁহার কর্ণগোচর হইয়া থাকিবে। আমার 'তার পর কি হল?' প্রÝশ্নর উত্তরে নিরুৎসাহ ভঙ্গিতে বলিতেন 'তারপর Ýদশটা বিক্রি হয়ে Ýগল' । বলা বাহুল্য, Ýদশ কাহারা কিরূপে Ýবচিল তাহা শিশু মস্তিকের বুঝিবার পক্ষে কিছুটা জটিল ছিল। অতএব বিরস বদনে নীরবতা অবলম্বন করিতাম।

আরও পড়ুন...

kamanaoyelath-1

shuchismitaa, Ipsitaa



দিল্লীর কমনওয়েলথ গেমস নিয়ে হট্টগোলের শেষ নেই। হাতে গরম রেফারেন্স হিসেবে রইল তারই এক ঝলক। খবর্নয়ের আজাদি ইস্পেশাল ১।

আরও পড়ুন...

kaman oyelath-2

shuchismitaa, Ipsitaa


দিল্লী থাক। কেমন চলছে ভারতের কমন ওয়েলথ? রইল আরেকটি হাতে গরম রেফারেন্স । খবর্নয়ের আজাদি ইস্পেশাল ২।

আরও পড়ুন...

kaman oyelath-3

Ipsitaa


কমন ওয়েলথ ৩। আরও কিছু টুকরো। আজাদি ইস্পেশাল খবর্নয়ের শেষ পর্বে দেখুন-- ভারতবর্ষ: এক উদীয়মান গ্লোবাল সুপারপাওয়ার।

আরও পড়ুন...

উত্তরবঙ্গ ৪

শমীক মুখোপাধ্যায়

জীবনে কোনওদিন কারুর গায়ে হাত তুলি নি, মারা বা মার খেতে দেখা কোনওটাই আমার পোষায় না। প্রায় সমবয়েসি কিছু ছেলেকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখতেও আমার রুচিতে বেধেছে, সে দিক দিয়ে আমি সৌভাগ্যবান যে, আমাকে র‌্যাগ্‌ড হতে হয় নি। পরবর্তীকালেও সেই বিশেষ সময়গুলোতে আমি কলেজে বা নিজের রুমে স্বেচ্ছাবন্দী থাকতাম, এই ধরণের যৌনউল্লাস থেকে নিজেকে দূরেই রেখেছি। এবং এইসব করেছি বলে আমি নিজেকে খুব গুড বয় বা ভালো ছেলে বলে তুলে ধরতেও চাইছি না, কারণ এই রকম মানসিকতার আমি একাই ছিলাম না, আমি সৌভাগ্যবান যে পরবর্তীকালে আমাদের ইয়ারের বা সিনিয়র ইয়ারের অধিকাংশ ছেলেকেই আমি এই মানসিকতার দেখেছিলাম। এই ধরণের নোংরামো করে খুবই কম সংখ্যক কিছু ছেলে।

আরও পড়ুন...

dhwa`msastUp: binyast o satatai amaratw piyaasI

shoubha chaTTopaadhyaay

এইখানে স্পষ্টতই একটি বর্ষাদিনের ছবি ফুটে উঠতে দেখি। জলে প্রতিফলিত শহরের ছবি, হাঁটুর ওপর কাপড় তুলে মেয়েদের সতর্ক চলে যাওয়া, বাসে ও রিক্সায়। সেইসঙ্গে, যদুবংশের আচমকা উল্লেখে একটি আসন্ন ধ্বংসের আঁচ লেগে থাকে। অথচ গোটা কবিতায় জল কিংবা বৃষ্টি এই শব্দগুলি অনুচ্চারিত থেকে যায় (যদিও বর্ষা শব্দটি, একবার হলেও, উঁকি মেরে গ্যাছে)। ও তার বদলে চরু শব্দের অনুপ্রবেশ লক্ষিত হয়। এই চরু, যা হতে পারে জল, হতে পারে বৃষ্টি অথবা অন্য কিছু। সব মিলিয়ে প্রতীকের ব্যাবস্থাটাই এখানে উল্টেপাল্টে যায়। সিগনিফায়ারগুলি নিজেদের জায়গা বদল করতে থাকে অবিরল। এক নতুন শব্দব্যবস্থার সঙ্গে আমাদের পরিচয় ঘটান লেখক।
ও লেখক নিজেও এ ব্যাপারে অবহিত থাকেন আগাগোড়া। সে জন্যেই কথা কবিতায় লেখা হয় এইসমস্ত লাইনগুলি

আরও পড়ুন...

font face=

font face=

ভেতরের যন্ত্রপাতির খবর রাখাও একটু দরকার। কারন আপনারা ভালই জানেন যে কোন কিছু কারো একচেটিয়া হয়ে যাওয়া প্রতিযোগিতার প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে। যেমন, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা বামফ্রন্টের একচেটিয়া হয়ে যাওয়া, কিম্বা মা-মাটি-মানুষের কথা, রামধনু জোটের একচেটিয়া হয়ে যাওয়া। আমরা যারা মধ্যপন্থী পরিবর্তনশীল তাদের কাছে সুস্থ 'বিকল্প' থাকা উচিত প্রত্যেকটি জিনিসের।

আরও পড়ুন...

teler daamer aarth raajaneeti - sheshh parb

debarshhi daas, dIpa`Mkar basu, paanaaiyoTis Taaki, shib sheThI

সরকারী ভর্তুকির কথা তখনই আসে যদি কোনো একটি দ্রব্যের সরকারী করের পরিমাণ সেই দ্রব্যে সরকারের দেওয়া ভর্তুকির পরিমাণের থেকে কম হয়। অর্থাৎ, যে জিনিষটার প্রতি নজর রাখতে হবে তা হল 'নেট ভর্তুকি' – সরকারী করসংগ্রহ যদি সেই দ্রব্যে সরকারী ভর্তুকির থেকে বেশি হয় তাহলে নেট হিসেবে ভর্তুকির পরিমাণ ঋণাত্মক। এই অবস্থায় সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে বলা ভুল হবে।
ভারতীয় সরকার কি পেট্রোÌলিয়াম পণ্যে নেট ভর্তুকি দিচ্ছে?

আরও পড়ুন...

font face=

font face=

যাদবপুরের এইট-¢ব বাসস্ট্যা®¾ডর সামনে সার ¢দয়ে যে চার কী পাঁচজন রোলওলা বসতেন, তারা যাদবপুরের ছাত্রদের দৈনা¢ন্তক সর্বগ্রাসী খাই-খাইয়ের টোটকা ¢হসেবে আলু রোলের উদভাবন করে¢ছলেন। সেদ্ধ, চটকানো আলু গোল করে ¢ট¢কয়ার মতন করা থাকত। মাংসর বদলে রোলের পুর ¢হসেবে সেই চালনো হত। সع¡ এবং পেট-ভরানো। পপুলার ¢ছল এগ-পোটাটো। তাছাড়া আলু ¢বশেষ চলে¢ছল বলে মনে হয় না। পরে অন্য কোথাও দে¢খ¢নও।

আরও পড়ুন...

মানডে ব্লুজ

সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

এই অসুখের পোশাকি নাম মানডে ব্লুজ। কাজে যাবার অনীহা। বিশেষ করে রবিবার সন্ধ্যায় এই মহামারীর প্রকোপ বাড়ে। আর লোকে ভিড় জমায় এই ক্যাফেতে। বিয়ার আর বাংলা খেয়ে নিজেদের চাঙ্গা করার জন্য। টেবিলে-টেবিলে ধোঁয়া ওঠে। গজল্লায় গমগম করে চারদিক। ফুর্তির ফোয়ারা ছোটে। মেয়েরা প্রেমিকের কোলে উঠে বসে। ছেলেরা হেঁড়ে গলায় গান গায়।

আরও পড়ুন...

কাব্যি

মৃগাঙ্কশেখর গাঙ্গুলি

দৃশ্য কবিতা

আরও পড়ুন...

উত্তরবঙ্গ-৩

শমীক মুখোপাধ্যায়

র‌্যাগিং নিয়ে অল্পবিস্তর চেঁচামেচি সব সময়েই হয়ে এসেছে, তবে সেই ১৯৯৫ সালে ব্যাপারটা খুব একটা উচ্চগ্রামে হত না। ফলে সিনিয়ররা, যারা মূলত র‌্যাগিং করত, তারা ব্যাপারটা বেশ খুল্লমখুল্লাই করত। প্রফেসররাও তাকিয়ে দেখতেন না, নাম-কা-ওয়াস্তে একটা অ্যান্টি-র‌্যাগিং কমিটি বানিয়ে তাঁরা দায় সারতেন। সেই অ্যান্টি র‌্যাগিং কমিটিতে থাকত কলেজের জি এস এবং আরও কিছু টপার গোত্রের ছেলে।

আরও পড়ুন...

মা মাটির মেশিন ---মানে আমজনতার কম্পিউটার

কৌশিক মিত্র


ভারত সরকার দীর্ঘদিন ধরেই এই সমস্ত ডিভাইড মুছে ফেলতে তৎ্‌পর.. তার জন্য তাঁরা বহুবার লোক হাসিয়েছেন। তবে আমরা হাসব না.. এতদিনে আমরা জেনে গেছি .. মা মাটি মানুষের জন্য কাজ করতে গেলে কিছু ভুলত্রুটি হয়ই.. আর তাতে নিন্দুকে হেসেই থাকে.. কিন্তু তার জন্য ভোট কিছু কম পড়ে না..তাই না হেসে আমরা ভারত সরকারের সমস্ত ডিভাইড মুছে দেবার অস্ত্র ঞ্ছআমজনতার কম্পিউটারঞ্জ এর ওপর এই লেখায় কিছু আলোকপাত করব।

ভারত সরকারের নানা বিভাগ নানা সময় মা মাটির মেশিন বা আম আদমি কা কম্পিউটার বানাতে জান প্রাণ লড়িয়ে দিয়েছে। ফলে বেরিয়েছে নানা অদ্ভুত যন্ত্র। নিচে গত দশ বছরের হিসেব দেখুন...

আরও পড়ুন...

তেলের দামের আর্থ-রাজনীতি

দেবর্ষি দাস, দীপঙ্কর বসু, পানাইয়োটিস টাকি ও শিব শেঠী

মোটামুটি তিন ধরনের প্রতিক্রিয়া ইংরিজি খবর মাধ্যমগুলোতে দেখা গেল। প্রথমত, বাজার পেট্রল ও ডিজেলের দামের বিনিয়ন্ত্রণকে উল্লাসের সাথে গ্রহণ করল, প্রতিফলন দেখা গেল তেলের শেয়ারের চড়া দামে । দ্বিতীয়ত, জোরালো অভিযোগ উঠতে থাকল যে এই নীতিপরিবর্তন যথেষ্ট নয়। কেরোসিন ও এলপিজির দামের ওপর ন্যূনতম সরকারি নিয়ন্ত্রণ আছে। তেল ও ডিজেলের বিনিয়ন্ত্রণের পরও তাই OMC গুলোর লোকসান এই আর্থবছর ২০১১-তে ৫৩০০০ কোটি টাকা হতে চলেছে। তৃতীয়ত, বিভিন্ন বিরোধী দল নিয়মমাফিক রীতিতে একটি "ভারত বনধ' পালন করে।

ভারতবর্ষের তেলের দামের আর্থ-রাজনীতিকে খুঁটিয়ে দেখার আগে তিনটি প্রশ্নের জবাব খুঁজে নেওয়া যাক। ......

তৃতীয় প্রশ্নটি ভারতবর্ষের তেলের দাম নিয়ে সযত্নে তৈরি করা রূপকথা সম্পর্কিত। এই রূপকথাটির একটি জরুরি উপাদান হল তেলের (মানে পেট্রল, ডিজেল, কেরোসিন, এলপিজি) দামে সরকার বাহাদুর আমাদের বিপুল পরিমানে ভর্তুকি দিয়ে থাকেন। সরকারি ঘোষণা, সরকারি নীতি চর্চা বা সংবাদ মাধ্যমে প্রচার করা হয় যে এই ভর্তুকি সরকারি OMC গুলোর ' under recovery ' হিসেবে দেখা দেয় ও সরকারি বাজেট ঘাটতিকে (আয় ও ব্যয়ের পার্থক্যকে) বাড়িয়ে তোলে। এই তর্কের পরের ধাপ হল, তেল ভর্তুকি দেশের মূল্যবান সম্পদের অপচয়। সরকারি আয় ব্যয়ের দিক থেকে দেখতে গেলে দীর্ঘকালীন পরিপ্রেক্ষিতে একে চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। ভর্তুকির কাট ছাঁট তাই দরকার। কীভাবে করা হবে? পেট্রোÌপণ্যের দামের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ সরিয়ে দিয়ে, যাতে মূল্য বাজারের চাহিদা-যোগান দিয়ে নির্ধারিত হয়।
তেলের দাম নিয়ে মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার খবরের ওপর শুধু চোখ বোলালেই এই রূপকথাটি কত জনপ্রিয় মালুম হয়।

আরও পড়ুন...

অন্ধ্র - ঊড়িষ্যার ই পথে ?

পূর্ণেন্দু চক্রবর্তী

অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলাম জেলার সোমপেটা। এখানে নাগার্জুন কনস্ট্রাকশন কোম্পানীর প্রস্তাবিত তাপবিদ্যুত কেন্দ্রের বিরোধীতা করছেন স্থানীয় মানুষ। এলাকাটি `ইকোলজিক্যালি ফ্রেজাইল' বলে চিহ্নিত এবং প্রকল্পটি রূপায়িত হলে নিকটবর্তী এলাকার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যয়ের সন্মুখীন হবে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে। প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পেতে যাতে কোন অসুবিধে না হয় সেজন্য বিভিন্ন সরকারি এজেন্সি গুলি দৃশ্যতই মনগড়া রিপোর্ট তৈরি করে জমা দিয়েছে। ১৪ ই জুলাই পুলিশি প্রহরায় প্রকল্পের কাজ শুরু হলে, জনতা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। উত্তেজিত জনতার উপর পুলিশ গুলি চালালে দুজন মারা যান।

আরও পড়ুন...