খবর্নয়? (৩১ শে মে) -- আইলা

খবরোলার প্রতিবেদন

আইলা এলো। তান্ডব চালালো। ধ্বংসাবশেষ রেখে গেলো।
গতকালের সরকারী হিসেব বলছে, দুই বাংলা মিলিয়ে মৃত ২৬৪, গৃহহীন পাঁচ লাখ, মোট ক্ষতিগ্রস্ত পঞ্চাশ লক্ষাধিক।
বেসরকারী হিসেব অবশ্য ই অনেক বেশি।
আর সবরকম হিসেবের বাইরেও হয়তো থেকে যাবে অনেক জায়গা, অনেক মানুষ। বাঁধ ভেঙ্গে সম্পূর্ণ প্লাবিত হয়ে যাবার পর যে জায়গাগুলিতে পৌঁছানোই এক দায়।
সন্দেশখালি, যোগেশগঞ্জ, হেমনগর, গোসাবা, বাসন্তী, পাথরপ্রতিমা - সুন্দরবন অঞ্চলের এসব জায়গা স্বাভাবিক অবস্থাতেই জলতলের অনেকটা নীচে, ছয় থেকে নয় ফুট। বাঁধ বিনা বসবাস ই সম্ভবপর নয়। তাই বাঁধ ভাঙ্গলে জোয়ারজলে গ্রাম গুলি নিশ্চিত ভাবে নিশ্চিহ্ন।
ঝড়ের পরের দিন ই আমাদের কিছু বন্ধু পৌঁছানোর চেষ্টা করেছিলেন এরকম কিছু জায়গায়।
যোগেশগঞ্জ দক্ষিনবঙ্গের শেষপ্রান্তের একটি বদ্বীপ - যেখানে রায়মঙ্গল নদী সাগরে মিশেছে। যোগেশগঞ্জ আর সাগরের মাঝে ছোট ছোট দ্বীপগুলোতে মানুষের বাস নেই, আছে ঘন ম্যানগ্রোভ - সুন্দরবন। শহর কলকাতা থেকে এমনিতে লাগে ছ-সাত ঘন্টা। শিয়ালদা থেকে ট্রেনে বসিরহাটের আগের ষ্টেশন ভ্যাবলা। সেখান থেকে ম্যাটাডোর বা ট্রেকার ধরে ন্যাজাট। ন্যাজাট থেকে যোগেশগঞ্জ যাওয়ার বোট পাওয়া যায়। অথবা ধর্মতলা বা শিয়ালদা থেকে বাসে করে ধামাখালি গিয়ে সেখান থেকে যোগেশগঞ্জের বোট ধরা। আইলার পর অবশ্য এই দুটি রুটের কোনোটিতেই যাওয়া যাচ্ছে না। কারণ হাসনাবাদের পর কোনো রাস্তাই আর অক্ষত নেই। অগত্যা হাসনাবাদ থেকেই বোট ধরতে হচ্ছে- তাও একমাত্র ভাটার সময়। তাই সেদিন ভোর চারটেয় রওনা হয়ে পৌঁছানো গেলো যখন, তখন রাত।
কী দেখেছিলেন তাঁরা পথে যেতে যেতে কিম্বা গন্তব্যে পৌঁছে ?
আসুন, প্রত্যক্ষদর্শীদের সেই বিবরণ পড়ি, ছবিতে।

আরও পড়ুন...

সাম্র্যাজ্যবাদের বেহালা

আর্য্য ভট্টাচার্য্য

ওরা দশজনের পরিবার বেঁচে আছে শুধু রুটি আর জলের ওপর। রাস্তায় হাঁটতে গেলে ভয় পায় এই বুঝি বা ফাটল মাইন। এই পরিবারটি ভাগ্যবান, অথবা হতভাগ্য। ভাগ্যবান কারণ ঐ বাকী ১.৪৫ মিলিয়ন লোকের মতন ওদের এখনো বাড়ি, ঘরদোর, চাষবাস ছেড়ে অন্য জায়গায় যেতে হয় নি। হতভাগ্য কারণ খাবার নেই, জল নেই, বেঁচে থাকার নিশ্চয়তাও নেই।
.......
সতীশ সিং ১৩ বছরের কিশোর, কথা বলছে এক সাংবাদিকের সাথে। ""জানেন আমি ওদের দেখেছি, শালোয়ার আর কুর্তা পরেছিল। মুখটা কালো কাপড়ে ঢাকা, চোখ দুটো শুধু দেখা যাচ্ছে, হাতে ছিল বন্দুক। বাজারের কাছাকাছি একজনকে ওরা ধরল আর মাথাটা কেটে ফেলল""। সাংবাদিক জিগ্যেস করলেন ""কাউকে বলনি কেন""? চকিত উত্তর ""পাগল নাকি, বাবা আর ভীরজি বলে দিয়েছে তালিবান দের নিয়ে একটাও কথা না বলতে, বললেই ঘরে বন্দি করে দেবে অথবা ইন্ডিয়া পাঠিয়ে দেবে""।

আরও পড়ুন...

গান্ধী যখন মহাত্মা

দীপ্তেন

১৯২১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারী গান্ধী একদিনের জন্য গোরখপুর আসেন। সাধারণ মানুষের কাছে তার আগমন এক প্রচন্ড উন্মাদনা ও গণরূপকথার সৃষ্টি করেছিলো। দুটি স্থানীয় পত্রিকা বিশেষ ভাবে সেই গুজবগুলিকে ছেপে আরো সম্প্রচারে সাহায্য করেছিলো। সেই মিথের ইতিহাস লিখেছেন প্রবন্ধকার। এই মিথগুলি প্রকাশিত হয়েছিলো ঐ ১৯২১এর ফেব্রুয়ারী আর মে মাস - মানে চার মাসের মধ্যেই,যদিও জনমানসে টিঁকে ছিলো আরো কিছুদিন।

আরও পড়ুন...

দ্বিভাষী তত্ব

বোধিসত্ব দাশগুপ্ত

আজ (১৭ মে) সকাল থেকে খবরের কাগজপত্রে বাঘা বাঘা কলমচিদের লেখাপত্র যা পড়লাম, তাতে মনে হল, একটুও বাড়িয়ে বলছিনা, যেন দুটো নির্বাচনের খবর পড়ছি। জোড়ায় জোড়ায়। একটা ইংরেজি একটা বাংলা , একটা কেরল লাইন একটা বেঙ্গল লাইন, একটা আবাপর প্রথম পাতার একটা আবাপর তৃতীয় পাতার, একটা আবাপর একটা বর্তমানের, একটা টেলি একটা কাগুজে, একটা প্রণবের একটা মমতার, একটা মা-মাটি-মানুষের একটা স্থায়িত্বের বা গ্রোথের, একটা গ্রামের একটা রাজ্যের, একটা অন্ধ্র প্রদেশের চালের, একটা আসামের বাড়া ভাতে ভাগ বসানো অনুপ্রবেশকারীর, একটা প্রকাশ কারাতের একটা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের, একটা বিজয়নের একটা অচ্যুতানন্দনের, একটা নন্দীগ্রামের একটা অধীরবাবুর, একটা কবীর সুমনের নাগরিক প্রতিবাদের, একটা শতাব্দী রায়ের ডুরে পাড়ে ঘরোয়া মেনে নেওয়ার, একটা রুপচাঁদ পালের একটা তড়িৎ তোপদারের, একটা মুম্বাই একটা অন্ধ্র , একটা নীতিশের একটা নবীনের, একটা মনমোহন-সোনিয়াজির দিল্লীর আর একটা রাহুল গান্ধীর উত্তর প্রদেশের, একটা চন্দ্রবাবুর একটা করুণানিধির। তবে কাগজেরা একটা বিষয়ে ঢোঁক গিলেছেন, ভোটের আগের দিন বলেছিলেন, এ ভোট নন্দীগ্রামের বিরুদ্ধে সিঙ্গুরের। ওটা হয়নি। ওটাতে নন্দীগ্রাম এবং সিঙ্গুর একসঙ্গে ছিলেন ডালহৌসী আর লালবাজারের বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন...

প্রসঙ্গ সি পি আই এম ঃ কিছু ভাবনা

পিনাকী মিত্র

অত:পর লোকসভা নির্বাচনেও পর্যুদস্ত সি পি এম। পঞ্চায়েত নির্বাচনের ধাক্কা এবং তজ্জনিত "আত্মসমীক্ষা'র পর্ব শেষ করে, শরিকি অনৈক্যের ফুটিফাটাগুলোয় প্রেমের প্রলেপ লাগিয়ে, ন্যানো বিদায় এবং বিমানবাবুর মানুষের কাছে বারংবার ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশকে পাথেয় করে সি পি এমের মধ্যে যখন ফিরে আসছিল পঞ্চায়েতপূর্ব সেই আত্মবিশ্বাস,তাপসী মালিকের সিডি থেকে শুরু করে সুবোধ সরকারের টিভি শো, বুদ্ধবাবুর প্রকাশ্য ভাষণ থেকে শুরু করে অশোকবাবুর নেপথ্য ভাষণ - সবেতেই যখন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল '৭০ এর অমিতাভসুলভ সেই যোশ, ঠিক তখনই "কোথা হইতে কি হইয়া গেল, সি পি এম লোকসভা নির্বাচনে ধরাশায়ী হইয়া গেল'।

আরও পড়ুন...

খবর্নয়? (২৪শে মে) -- টুকরো খবর

খবরোলার প্রতিবেদন

আন্তর্জাতিক মহলে হইচই ফেলে দিয়ে একের পর এক জাহাজে হানা, লুঠপাট, ক্যাপ্টেনদের পণবন্দী করা এমনকি অস্ত্রবোঝাই পুরো জাহাজকেই পণবন্দী করা, সব মিলিয়ে গত কয়েকমাস ধরেই সোমালিয়া খবরের শিরোনামে। দেশী বিদেশী মিডিয়া আমাদের জানিয়েছে ভারতীয় ক্যাপ্টেনের পণবন্দী হবার খবর, আমেরিকান কম্যান্ডোদের দু:সাহসিক উদ্ধার-অভিযানে ক্যাপ্টেনের মুক্তি পাওয়া ও একজন জলদস্যুর (যদিও বয়স মাত্র ১৫ বছর) ধরা পড়ার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ। অথচ সবচেয়ে বেশী দিন ধরে চলে আসা আসল পাইরেসি, সোমালি উপকুলে বিদেশী মাছধরা জাহাজের বেআইনী মাছ-লুঠ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহল থেকে মিডিয়া সবাই চুপ।

আরও পড়ুন...

দিল্লীওয়ালার চুনাও প্রক্রিয়া

শমীক মুখোপাধ্যায়

ভোট এল। ভোট গেল। দিল্লিতে গ্যাঁড়ার এই দ্বিতীয় লোকসভা ভোট। দেশের জন্য পঞ্চদশ। ভোট উপলক্ষ্যে কত ক্যাম্পেনিং হল, কত বার্গেনিং হল, বিস্তর কাদা আর গালাগালি বিনিময় হল, কিছুকিঞ্চিৎ জুতোও ছোঁড়া হল। তবু আমজনতার তাতে কিছুই এল গেল না।

আরও পড়ুন...

"সলওয়া জুডুম' ঃ দ্য এম্পায়ার স্ট্রাইক্‌স ব্যাক?

রঞ্জন রায়

উনিশ'শ আটষট্টির শেষের দিকে স্টেটস্‌ম্যান পত্রিকায় একট ছোট্ট খবর বেরিয়ে ছিলো এই মর্মে, যে, বস্তারের রাজধানী জগদলপুরে দেখা গেছে নকশাল পোস্টার। আর, এই পোস্টার লাগিয়েছে যে বদমাসরা, পুলিস তাদের খুঁজে বেড়াচ্ছে। যে খবরটি বেরোয়নি তা হল ঐ পোস্টারগুলো লাগিয়েছিলেন ইস্পাতনগরী ভিলাই থেকে আসা দুই বাঙালী যুবক। পরবর্তীকালে এঁরা ধরা পড়ে যান। মুচলেকা দিয়ে একজন বেরিয়ে আসেন। আর একজন মাসখানেক বাদে জামিন পেয়ে ভিলাই ফিরে আসেন। স্থানীয় প্রশাসন তখন এই ঘটনাকে গুটিকয় বাঙালীর "" জওয়ানী কী জোশ'' এর বেশি পাত্তা দেয় নি।

আরও পড়ুন...

খবর্নয়? (১৭ই মে) -- সলওয়া জুডুম

খবরোলার প্রতিবেদন

এখনো। দু বছর বাদেও। ১৪ই মে, ২০০৭ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন ডা বিনায়ক সেন। প্রথিতযশা ডাক্তার, সমাজসেবী ও People's Union for Civil Liberties (PUCL) ভাইস প্রেসিডেন্ট। গ্রেপ্তার হয়েছিলেন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে "ষড়যন্ত্রের' অভিযোগে, যা কিনা এখনো প্রমাণের অপেক্ষায়।
কোনো নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোয় বিনায়ক সেনের সুবিচার নিশ্চিত করার কথা বলা হয় নি, সম্ভবত: "রাষ্ট্রদ্রোহিতা"-র আঠেরো ঘার ভয়ে। কিন্তু পার্টিরা না বললেও মানুষজন বলেছেন। গত সপ্তাহে, ১৪ই মে দেশে বিদেশে প্রতিবাদের ঢল নামলো।

আরও পড়ুন...

মুক্তাঞ্চল কিম্বা

বোধিসত্ত্ব দাশগুপ্ত

একটা (লালগড়) নয়, দুটো (লালগড়, পার্বত্য দার্জিলিং) নয়, তিনটে(লালগড়,পার্বত্য দার্জিলিং,নন্দীগ্রামের কিছু অংশ) নয়, অনেকগুলো মুক্তাঞ্চল মাথায় করে বেঁচে আছি আমরা আপাতত:। একেকটা জগতে আরেকটা জগতের আলো বা বলা ভাল অন্ধকার ঢুকে পড়ার ভয়।

আরও পড়ুন...

নৈহাটি-গরিফা শিল্পাঞ্চল ঃ প্রদীপের নিচে অন্ধকারের একটি পুরোন কিসসা

শৌভ চট্টোপাধ্যায়

এই কয়েক মাস আগে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে টাটার শহিদোচিত প্রস্থানের পর যখন সারা-রাজ্য "হায় টাটা! হায় ত্রাতা!' এইরকম বিলাপের মধ্যে দিয়ে কেঁদেও কূল পাচ্ছে না, তখন একে একে বন্ধ হয়ে গেছিল বা যেতে বসেছিল নৈহাটি-গরিফার কারখানাগুলি, আমরা জানতেও পারিনি। অবিশ্যি এই বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলি টাটা-র ন্যানো প্রজেক্টের মত অতখানি হাই-প্রোফাইল ছিল না -- নিতান্তই মামুলি কিছু জুটমিল, রঙের, কাগজের কারখানা, বা এইরকম আরো কিছু ছোট-বড় মিল-ফ্যাক্টরি।

আরও পড়ুন...

লোকপরিত্রাণ

বিক্রম পাকড়াশী

১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সালে শমীক মুখোপাধ্যায় লোকপরিত্রাণ বলে একটি রাজনৈতিক পার্টির উল্লেখ করেছিলেন। আমাদের অনেকের পড়ে ভালো লেগেছিলো যে আইআইটির বেশ কিছু তরুণ ইঞ্জিনীয়ার মিলে একটি রাজনৈতিক পার্টি গঠন করেছেন এবং অতি পরিচিত 'কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি' থেকে দূরে গিয়ে সত্যিই মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করছেন। অন্তত: এই 'হোপ' ও 'চেঞ্জ' এর মেসেজটিই তাঁরা আমাদের কাছে পৌঁছোনোর চেষ্টায় ছিলেন।

আরও পড়ুন...

খবর্নয়? (১০ই মে) -- বন্ধ কারখানা

খবরোলার প্রতিবেদন

শিল্পায়ন! এই নির্বাচনের প্রধান ইস্যু, যে ধামাকার নিচে অন্ধকারে চাপা পড়ে যায় অতীতের বন্ধ কারখানাগুলি। আসুন, একটু পিছনে ফিরে তাকানো যাক, এ রাজ্যের সেইভাবে খবর না হওয়া কিছু বন্ধ কলকারখানার দিকে। তাদের মালিক শিল্পপতিদের কীর্তিকলাপের দিকে। তাদের শ্রমিকদের দিকে। কেমন আছেন তাঁরা? কী বলছেন? আর শিল্পায়নের পরিসংখ্যানই বা কী বলছে ?

আরও পড়ুন...

ভোটের গরম(২)

ইন্দ্রনীল ঘোষদস্তিদার

সোদপুর ব্রীজের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় রেলস্টেশনের সামনে অনেক উঁচুতে কংগ্রেসের বিশাল ব্যানার প্রথমেই আপনার চোখে পড়বে। সোনিয়াজীর হাস্যোজ্জ্বল ঘোমটা-টানা মুখ, হাত নাড়ছেন আমার -আপনার উদ্দেশ্যে, মনমোহনজীও আছেন, কিছুটা খাটো হয়ে। বেশ। ভালো কথা। কিন্তু নীচে-র লেখাটার যে মানে বোঝা গেল না, সেটা মোটেই ভালো কথা নয়। আমার পক্ষে, সম্ভবত: কংগ্রেসের পক্ষেও। একতা আর সদ্ভাবনা তো বুঝলাম, সুরক্ষাও বোঝা গেল, কিন্তু "ভীত-শান্তি'? এমন কোনো শব্দ কী শুনেছি এই বেঁটেখাটো বাঙালী জীবনে? ইহা কী বাংলা ভাষা? কে বলবে রে আমা-আ-য়?

আরও পড়ুন...

ভোটের গরম(১)

লিখছেন -- ইন্দ্রনীল ঘোষদস্তিদার

প্রথমে ভেবেছিলাম নাম দেবো Vote টি কাব্য; কিন্তু কাব্য? এই কাগদেশান্তরী গরমে কাব্য? অগত্যা ভোটের গরম-ই সাব্যস্ত হল। নাম বাবদ মডারেটরের কাছে কিছু কর্জ হল।
হ্যাঁ, কেউ যেন সিরিয়াস লেখার আশায় বসে না থাকে (অ্যাজ ইফ , কেউ বসে আছে)। এ ঘোর নিদাঘে আমি শুধু চাট্টি কুচ্ছো করবো, কিছু পি এন পি সি , কিঞ্চিৎ বিলাপ ও বাদবাকি প্রলাপ। হনুদা পড়ে রাগে-দু:খে মুখ ভেটকে উঠে যাবে, কেউ-কেউ পড়বেই না, কিন্তু তাতে আমার কচু। সরি, কচুপোড়া; ৪২ ডিগ্রির কথা মনেই ছিল না।

আরও পড়ুন...

সন্ত্রাস এবং অন্যান্য

খবরোলার প্রতিবেদন

গত তিন বছরে অন্তত পাঁচ জন বিরোধী পক্ষের সাংসদ খুন হয়ে গেছেন, নিখোঁজ হয়েছেন আরো অনেকেই। সমস্ত ক্ষেত্রেই তদন্তের ব্যপারে আশ্চর্য নীরব থেকেছে পুলিশ, এবং আজ অব্দি কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয় নি। সবচেয়ে বড় আঘাত নেমেছে মিডিয়ার ওপর। ২০০৯ এর জানুয়ারীতে Sunday Leader এর চিফ এডিটর বিক্রমাতুঙ্গের মৃত্যু হয় অজ্ঞাত আততায়ীদের হাতে। সরকারী কাজকর্মের সমালোচনা করা এবং সরকারের অপদার্থতা তুলে ধরার জন্য বহুদিন থেকেই টার্গেট হয়ে ছিলেন ইনি। এমনকি মৃত্যুর আগে তাঁর লেখা শেষ প্রবন্ধে তিনি মন্তব্য করে গিয়েছিলেন যে " When finally I am killed, it will be the government that kills me "। শুধু ইনি নন, ২০০৯ তেই ঠিক এভাবে আততায়ীদের হাতে প্রান হারিয়েছেন অন্তত ৮ জন সাংবাদিক। নিখোঁজ হয়ে গেছেন আরো অনেকেই। দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন বহু।

আরও পড়ুন...

সহ্যন্ডে মকন -- দি এলিফ্যান্ট প্রজেক্ট

লিখছেন -- প্রগতি চট্টোপাধ্যায়

শব্দে-ঝঙ্কারে-নিস্তব্ধতায়-ব্যঙ্গে-শুদ্ধতায়-মলিনতায় ২-১২ মার্চের জাতীয় নাটক উৎসবের নাটকগুলি এই শহরের নাট্যপ্রেমীদের বেশ কিছুটা ভাবিয়ে ছিলো। রসিকেরা একেবারে কাচ্চাবাচ্চা নিয়ে থিয়েটার দেখতে এসেছেন। ভিড় প্র্রায় ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত বিশেষ-প্রসিদ্ধ আন্তর্জাতিক ফিল্ম-উৎসবের মতনই। শহরের সন্ধের আকাশ তাই প্রতিদিনই বদলে যেত, জনতার বিপুল উৎসাহ- সমাহারে। ছোটো শহরের মজা এখানেই। একটুতেই ঘোর লেগে যায়

আরও পড়ুন...