এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7] [8] [9] [10] [11] [12] [13] [14] [15] [16] [17] [18] [19] [20] [21] [22] [23] [24] [25] [26] [27] [28] [29] [30] [31] [32] [33] [34] [35] [36] [37] [38] [39] [40] [41] [42] [43] [44] [45] [46] [47] [48] [49] [50] [51] [52] [53] [54] [55] [56] [57] [58] [59] [60] [61] [62] [63] [64] [65] [66] [67] [68] [69] [70] [71] [72] [73] [74] [75] [76] [77] [78] [79]     এই পাতায় আছে2319--2349


           বিষয় : তুঘলকি শাসন
          বিভাগ : অন্যান্য
          শুরু করেছেন :mila
          IP Address : 22.5.49.74 (*)          Date:08 Nov 2016 -- 08:50 PM




Name:  dc          

IP Address : 132.174.161.207 (*)          Date:03 May 2017 -- 08:18 AM

এই রিপোর্টগুলো প্রায় সবই পড়ি। কিন্তু মাঝেমাঝেই দেখি কনফ্লিক্টিং রিপোর্ট বেরোয়। কিছু কিছু সেক্টরে নাকি ডিজিটাল ট্রানসাকশান বেড়েছে, কিছু কিছু সেক্টরে আগের অবস্থাতেই ফিরে যাচ্ছে। এক জায়গায় পড়েছি যে ডিমনির ফলে নাকি আইটিসির রুরাল হাইপারমার্টগুলোয় ডিজিটাল ট্রান্সাকশানের শেয়ার আগের ৮% থেকে বেড়ে এখন ২১% হয়েছে (এটা মার্চের শেষের রিপোর্ট)।

আমার মনে হয় এটা একটা ইভলভিং প্রসেস, ডিমনি শকের সাথে সাথেই যে সবার ক্যাশ হ্যাবিট পাল্টে যাবে তা নয়, তিনচার বছর লাগবে। যেমন ধরুন ১৯৭০ এর আর ১৯৮০ এর অয়েল শকদুটোর ফলে পরের অন্তত দশ বছর ধরে নানান এক্সটার্নালিটি জেনারেট হয়েছিল। এক্ষেত্রেও চার-পাঁচ বছর পর রিভিউ করলে হয়তো ধরা পড়বে ওভারল এফেক্ট কি হয়েছে। আর সরকারকে নানারকমভাবে পাবলিসিটি আর ইনসেনটিভ ক্যাম্পেন চালিয়েই যেতে হবে, যাতে লং টার্মে ডিজিটালের শেয়ার কিছুটা বাড়ে।


Name:  dc          

IP Address : 132.174.161.207 (*)          Date:03 May 2017 -- 08:20 AM

*এটা এপ্রিলের শেষের রিপোর্ট


Name:   সিকি           

IP Address : 132.177.196.59 (*)          Date:03 May 2017 -- 08:33 AM

ডিমনির শক না লাগিয়েও কি এই পার্সেন্টেজটা বাড়ানো যেত না? বাড়ত না, ওভার দ টাইম?


Name:  dc          

IP Address : 132.174.161.207 (*)          Date:03 May 2017 -- 08:36 AM

আমার মতে না। শকটা না দিলে মাস লেভেলে অ্যাওয়ারনেস তৈরি হতো না, এমনিতেই ভারতে ক্যাশের পার্সেন্টেজ অ্যাবনর্মালি হাই ছিল, ওরকম একটা পাবলিক ইভেন্ট জেনারেট না হলে ওভার টাইম সেইভাবে বাড়ত না।


Name:  dc          

IP Address : 132.174.161.207 (*)          Date:03 May 2017 -- 08:41 AM

কমত না।


Name:  mila          

IP Address : 22.5.49.74 (*)          Date:03 May 2017 -- 10:21 PM

এবারের আই টি রিটার্ন এ প্রশ্ন করছে ২ লক্ষ এর উপর ক্যাশ জমা দেওয়া হয়েছে কিনা ৯থ নভ থেকে ৩১স্ট ডিস এর মধ্যে
এছাড়াও রিটার্ন এর সাইট এ লগইন করলে ক্যাশ ট্রানসাকশান ২০১৬ বলে একটা অপসন দেখাচ্ছে


Name:  pi          

IP Address : 174.100.177.10 (*)          Date:08 May 2017 -- 12:55 PM


.......For months after demonetisation, there was a severe shortage of cash across the country. Though the Reserve Bank of India’s currency presses worked overtime to print enough bank notes to replace those that had been declared illegal, it was simply not enough. At that time, unemployment soared as many manufacturing units cut or curtailed production. Some faced a plunge in demand from clients. Others simply didn’t have enough cash to buy raw materials to keep working. In Delhi’s Mayapuri – the busiest industrial area in the national capital – several thousand factory workers lost their jobs. Six months after demonetisation, many of them have not yet their jobs back.


No factory jobs in sight
Women factory workers who lost their jobs have especially found it difficult to resume earning a living again.

Unlike men who offer their services at labour chowks in industrial areas for daily wages, women workers are often not employed for heavy tasks like loading and unloading of heavy materials and a range of jobs that involve heavy machinery and engineering works, said Rajesh Kumar, general secretary (Delhi), of the Indian Federation of Trade Unions.....



https://scroll.in/article/836858/six-months-after-demonetisation-those
-who-lost-their-jobs-in-delhis-factories-struggle-to-get-work



Name:  d          

IP Address : 144.159.168.72 (*)          Date:24 May 2017 -- 03:09 PM

এখানে তুলে রাখি লিঙ্কটা

ডিসির কথামত ৪-৫ বছর পরে নিশ্চয় এঁরও ভাল কিছুই হবে।


http://www.epaper.eisamay.com/epaperimages/2452017/2452017-md-em-3/152
53426.jpg



Name:   সিকি           

IP Address : 132.177.20.167 (*)          Date:25 May 2017 -- 08:03 AM

হ্যাঁ হ্যাঁ, চার পাঁচ বছরে সুফল নিশ্চয়ই বোঝা যাবে।


Name:             

IP Address : 116.210.129.52 (*)          Date:01 Jun 2017 -- 07:39 PM

এহে কেউ এখনও দেয় নি।


http://www.epaper.eisamay.com/epaperimages/162017/162017-md-em-8/16941
733.jpg



Name:  pi          

IP Address : 57.15.8.31 (*)          Date:01 Jun 2017 -- 08:39 PM

পুরন্দরের লেখাটাও রইল।
'
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান মন্ত্রক এই বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের জাতীয় আয়ের তথ্য প্রকাশ করেছে। গরু, গোমাংস, এবং ময়ূরের প্রজননের ভিড়ে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে দেখতে পাচ্ছি, হয়তো সেটাই উদ্দেশ্য ছিল শাসক দলের। অনেকেই তথ্যের কচকচানি বিশেষ পছন্দ করেন না, তার চেয়ে গরু, মন্দির, ময়ূর, প্রিয়াংকা চোপড়া এসবই বেশি মুখরোচক অথবা লড়াই, আন্দোলন, বিপ্লব ইত্যাদি নিয়ে রোমহর্ষক লেখাপত্র। কিন্তু তাও তথ্য নিয়ে একটু আলোচনা প্রয়োজন যেখানে এই তথ্য দেশের অর্থনীতির স্বাস্থ্যের একটা মাপকাঠি।

জাতীয় আয় দেশের মোট উৎপাদনের হিসেব দেয়, তাই জাতীয় আয়ের বাড়া কমা দেখে বোঝা যায় দেশের অর্থনীতির হাল কেমন, চাকরির হাল কেমন, মাইনে পত্তরের হাল কেমন হতে পারে। মোদি সরকার নভেম্বর মাসে "ডিমনিটাইজেশন"-এর ঘোষণা করলে বহু অর্থনীতিবিদ বলেছিলেন যে এতে লাভের লাভ কিছু হবে না উল্টে অর্থনীতির গতি কমে যাবে। মনমোহন সিংহ সংসদে দাঁড়িয়ে ভাষণে বলেন যে জাতীয় আয় বৃদ্ধির হার ২% অবধি ধাক্কা খেতে পারে, অর্থাৎ ধরা যাক দেশের জাতীয় আয় হয়তো ৭।৫-৮% হারে বাড়ার কথা কিন্তু নোটবন্দির ফলে সেই বৃদ্ধির হার কমে ৫।৫-৬% হয়ে যাবে। সরকার তখন সে সব যুক্তিকে পাত্তা দেয়নি। তারপর গত মার্চ মাসে ২০১৬-এর অক্টবর থেকে ডিসেম্বরের জাতীয় আয়ের তথ্য প্রকাশ হয় এবং তাতে দেখা যায় যে জাতীয় বৃদ্ধির হার ৭%-এ রয়েছে। সেই দেখিয়ে সরকার দাবি করে যে নোটবন্দির তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। কিন্তু গতকাল প্রকাশিত হওয়া জানুয়ারি-মার্চের জাতীয় আয়ের তথ্যতে দেখা যাচ্ছে যে এই তিন মাসে জাতীয় আয় বৃদ্ধির হার ৬।১% নেমে দাঁড়িয়েছে। নোটবন্দির প্রভাব সম্পূর্ণভাবে আগের তিন মাসের তথ্যতে ধরা পড়েনি, জানুয়ারি-মার্চ-এর তথ্যে বরং সেটা প্রকট। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই, যে কোনো ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রেই হিসেবের খাতা সবসময় পিছিয়ে থাকে অর্থাৎ যে সমস্ত লেনদেন আগের মাসে হয়েছে তা হিসেবের খাতায় উঠতে উঠতে পরের মাস হয়ে যায়। যেহেতু জাতীয় আয় মাপার সময় বিভিন্ন শিল্প এবং বাণিজ্য সংস্থার মোট উৎপাদন ও ব্যবসার হিসেবকে একত্রিত করা হয় তাই এই হিসেবের ক্ষেত্রেও "পিছিয়ে" থাকাটাই স্বাভাবিক। তাই অক্টবর-ডিসেম্বরের জাতীয় আয়ের হিসেবে নোটবন্দির প্রভাব খুব একটা ধরা পড়েনি, পড়েছে জানুয়ারি-মার্চে।

এবার প্রশ্ন আসে যে কতটা প্রভাব পড়লো? হিসেবে কি বলছে? অর্থনীতির হিসেবের সুবিধের জন্য প্রতিটা অর্থবর্ষকে ৩ মাসের মোট ৪ টি অংশে ভাগ করা হয়। এগুলোকে বলা হয় "কোয়ার্টার", ছোট করে ""। এপ্রিল থেকে জুনকে বলা হয় -১, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর -২, অক্টবর থেকে ডিসেম্বর -৩, জানুয়ারি থেকে মার্চ -৪। ২০১৬-১৭ তে এই কোয়ার্টারগুলির জাতীয় আয় বৃদ্ধির হার যথাক্রমে -১ঃ ৭।৯%, -২ঃ ৭।৫%, -৩ঃ ৭%, এবং -৪ঃ ৬।১%। অর্থাৎ পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে যে নোটবন্দির পর জাতীয় আয় বৃদ্ধির হার ক্রমশ গতি হারিয়েছে। আরেকটু পিছিয়ে দেখলে আরো পরিষ্কার হবে। ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে চারটি কোয়ার্টারে জাতীয় আয় বৃদ্ধির হার ছিল যথাক্রমে ৭।৯%, ৮%, ৭।৬%, এবং ৮।৩%। অর্থাৎ গত বছরের নভেম্বর মাসের আগে অবধি অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার মোটের ওপর ৭।৫% ওপরেই ছিল, নোটবন্দির পর তা কমে ৭% এবং তারপর আরো কমে ৬।১% নেমে আসে। এর ফলে ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষের গোটা বছরের জাতীয় আয় বৃদ্ধির হার ৭% তে দাঁড়াবে। এই হার ২০১৫-১৬ তে ছিল ৮% এবং ২০১৪-১৫ তে ছিল ৭।৫%।

তবে ৭% আয় বৃদ্ধির হার শুনতে তেমন খারাপ লাগে না। কিন্তু সেখানে আবার অন্য গল্প আছে। ভারতের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান সংস্থা, যারা জাতীয় আয়ের হিসেব নিকেশ করে থাকে, তারা ২০১৪ তে জাতীয় আয় মাপবার পদ্ধতি বদলে দেয়। এই পদ্ধতির পরিবর্তনের ফলে জাতীয় আয় বৃদ্ধির হার আগের চেয়ে বেড়ে যায়। যখনই এরকম জাতীয় আয় মাপার পদ্ধতির বদল ঘটে তখন তার আগের বছরগুলোর জাতীয় আয়ের পরিসংখ্যান নতুন পদ্ধতি অনুযায়ী মেপে প্রকাশ করা নিয়ম যাতে আগের বছরের সঙ্গে তুল্যমূল্য বিচার করা যায়। কিন্তু মজার বিষয় হলো এই নতুন পদ্ধতিতে জাতীয় আয় মাপার উপায় দিয়ে শুধু ২০১১-১২, ২০১২-১৩, এবং ২০১৩-১৪ - এই তিনটি পুরোনো বছরের জাতীয় আয়কে মেপে প্রকাশিত করা হয়েছে এখনো অবধি, তার আগের বছরগুলোর হয়নি। অর্থাৎ মাত্র এই তিন বছরেরই পুরোনো এবং নতুন পদ্ধতি - দুটো দিয়েই জাতীয় আয়ের মাপ আমাদের কাছে রয়েছে তার আগের বছরের গুলোর নেই। তাই আমাদের পক্ষে হিসেব করা সম্ভব নয় যে ইউপিএ জমানায় নতুন পদ্ধতিতে জাতীয় আয় বৃদ্ধির হার কত ছিল, মোদি জমানার চেয়ে বেশি ছিল না কি কম। তবু, ওই তিনটি বছরের জাতীয় আয় বৃদ্ধির হার দেখে কিছুটা আন্দাজ করা যেতে পারে যে পুরোনো না নতুন কোন পদ্ধতিতে আয় বৃদ্ধির হার বেশি হয়। তাই যদি করা হয় তাহলে দেখা যাচ্ছে যে ২০১২-১৩ এবং ২০১৩-১৪ তে জাতীয় আয় বৃদ্ধির হার পুরোনো পদ্ধতিতে যেখানে যথাক্রমে ৪।৭% এবং ৫%, সেখানে নতুন পদ্ধতি অনুযায়ি বৃদ্ধির হার যথাক্রমে ৫।৭% এবং ৬।৬%। অর্থাৎ নতুন পদ্ধতি বৃদ্ধির হারকে এক শতাংশেরও বেশি বাড়িয়ে দিচ্ছে। যদি ধরে নেওয়া হয় যে এটাই দস্তুর তাহলে ইউপিএ জমানার ১০ বছরের ভেতর ৮-টি বছরেই জাতীয় আয় বৃদ্ধির হার মোদি জমানার চেয়ে অনেকটাই বেশি হবে কারণ পুরোনো পদ্ধতিতেই ইউপিএ জমানায় বার্ষিক জাতীয় আয় বৃদ্ধির হার ছিল যথাক্রমে ৭।৯%, ৯।৩%, ৯।৪%, ৯।৮%, ৮।৫%, ১০।৩%, ৬।৬%, ৪।৭%, ৫%। অর্থাৎ ইউপিএ জমানাতেই নতুন পদ্ধতি অনুযায়ী জাতীয় আয় বৃদ্ধির হার চীনের চেয়েও বেশি থাকার কথা। আবার উল্টো দিক দিয়ে, পুরোনো পদ্ধতিতে মাপলে ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষের ৭% জাতীয় আয় বৃদ্ধির হার কমে গিয়ে ৬%-এরও নিচে চলে যাওয়া উচিত, নোটবন্দির ফলাফল।

তবে শুধু এটুকুই আশংকাজনক নয়। জাতীয় আয়ের একটা অংশ হলো বিনিয়োগ। দেশের অর্থনীতির ভবিষ্যৎ কী হবে, কত নতুন চাকরি সৃষ্টি হবে তা নির্ধারণ করে দেয় বিনিয়োগ। সেই বিনিয়োগের বৃদ্ধির হার ২০১৬-১৭ তে কেমন? -১ঃ ৭।৪%, -২ঃ ৩%, -৩ঃ ১।৭%, এবং -৪ঃ -২।১%। ২০১৫-১৬ গোটা বছরে বিনিয়োগের বৃদ্ধির হার ছিল ৫।৮%। অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে যে নোটবন্দির আগে বিনিয়োগের বৃদ্ধির হার খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে এগোচ্ছিল কিন্তু নোটবন্দির ফলে সেই খোঁড়ানো ঘোড়াকেও একেবারে শুইয়ে দিয়েছে, এতটাই যে ২০১৭-এর জানুয়ারি-মার্চের কোয়ার্টারে বৃদ্ধির হার নেগেটিভ, অর্থাৎ বাড়বার বদলে সংকুচিত হয়েছে।

এই সরকার অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড় করাতে তো পারেইনি, উল্টে যেটুকু চলছিল সেটুকুও খারাপ করেছে। দিশাহীন অর্থনৈতিক নীতি, লোকসানে চললেও বৃহৎ পুঁজিপতিদের তোষণ, সামাজিক খাতে ব্যয়ে কাটছাঁট ইত্যাদি এটার কারণ। তারা এসব নিয়ে আলোচনা চায় না। তাই গরু, গোবর, গোমাংস, গোমূত্র ইত্যাদিতে লোকের দৃষ্টি ঘুরিয়ে রাখতে চাইছে।'


Name:  sm          

IP Address : 113.219.47.144 (*)          Date:01 Jun 2017 -- 10:17 PM

এন পি এ নিয়ে ইন্ডিয়ার এখন লেজে গোবরে অবস্থা। ব্যাংক গুলো আর বি আই কে হিসাব দিয়েছে ৬ লক্ষ কোটি টাকা মতন এনপিএ ।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি ব্যাংক সম্ভবত (ইয়েস ব্যাংক) এন পি এর যা হিসাব দিয়েছিলো -আর বি আই হিসেবে করে দেখেছিলো আসল এন পি এর হিসেব প্রায় কয়েক গুন্ বেশি ।
তাই ব্যাংক গুলোর মোট এনপিএ ৩০-৪০ লক্ষ কোটি টাকাও দাঁড়াতে পারে।
এই ধকল নেওয়ার ক্ষমতা দেশের জিডিপির নেই।রেটিং কম হওয়া ,সময়ের অপেক্ষা।তেলের দাম কম বলে সরকারের কিছুটা মুখ রক্ষে হচ্ছে।
তবে এই বিশাল আর্থিক নয়ছয়ের ভিত্তিপ্রস্তর কংগ্রেস তথা দাদু মনমোহনের আমলেই তৈয়ারি হয়েছে।
এই লোন উদ্ধার করতে যত শিল্পপতিদের চাপ দেবে ততো ইনভেস্টমেন্ট কম হবে ও জিডিপি কমবে।
দেখাযাক, সরকার আর কত তেলের ওপর সেস বাড়ায় ।



Name:  S          

IP Address : 184.45.155.75 (*)          Date:01 Jun 2017 -- 11:08 PM

গাধাগুলো প্রথমে জিডিপির হিসাবে কন্সট্রাকশনের ওয়েট বাড়িয়েছে, তারপরে ডিমনিটাইজেশন করেছে। ডিমনিটাইজেশনের সবথেকে বেশি ইম্প্যাক্ট হয়েছে কন্সট্রাকশন সেক্টরে। ফলে জিডিপি বৃদ্ধির রেটও কমেছে। কিন্তু কেউ একথা বলবেনা, কেউ আলোচোনা করবে না। কারণ সবাই এখন মোদিভক্ত, তার সমালোচোনা করলেই তুমি দেশোদ্রোহি।


Name:  S          

IP Address : 184.45.155.75 (*)          Date:02 Jun 2017 -- 05:10 AM

http://ste.india.com/sites/default/files/imps.jpg>

<http://ste.india.com/sites/default/files/bsbd.jpg>

<http://ste.india.com/sites/default/files/BUDDY.jpg


Name:  S          

IP Address : 184.45.155.75 (*)          Date:02 Jun 2017 -- 05:10 AM



http://ste.india.com/sites/default/files/imps.jpg


http://ste.india.com/sites/default/files/bsbd.jpg


http://ste.india.com/sites/default/files/BUDDY.jpg



Name:   সিকি           

IP Address : 132.177.171.142 (*)          Date:12 Jun 2017 -- 11:45 PM

এদিকে কী যে হল, অরুন্ধতী ম্যামও কিনা চার পাঁচ বছর ওয়েট না করেই বলে দিলেন ডিমনির জন্য অর্থনীতিতে ঝাড় চলবে, ব্যাঙ্কগুলোতেও চাপ চলবে?

ও ডিসি ...


Name:  SD          

IP Address : 59.34.4.94 (*)          Date:16 Jun 2017 -- 01:18 PM

http://nationaljanmat.com/modi-manage-media-gulab-kothari-rajasthan-pa
trika/


Finally someone is speaking up ....


Name:  রোবু          

IP Address : 113.85.96.247 (*)          Date:12 Jul 2017 -- 10:52 PM

ভালোই হবে। ডিসরাপশন।
http://wap.business-standard.com/article/opinion/1-5-million-jobs-lost
-in-first-four-months-of-2017-117071000571_1.html



Name:  পাই          

IP Address : 57.29.225.180 (*)          Date:04 Aug 2017 -- 10:54 AM

http://www.tehelka.com/2017/08/demonetisation-cat-is-out-of-the-bag/


Name:  দ          

IP Address : 144.159.168.72 (*)          Date:04 Aug 2017 -- 02:55 PM


http://www.epaper.eisamay.com/epaperimages/482017/482017-md-em-13/1438
20978.jpg





Name:  পাই          

IP Address : 57.29.204.91 (*)          Date:07 Aug 2017 -- 06:25 AM

http://www.livemint.com/Politics/C6g3ijOt5MbvSBldifn1pJ/Fake-currency-
of-Rs1123-crore-face-value-detected-after-dem.html



Name:  PM          

IP Address : 52.110.183.72 (*)          Date:07 Aug 2017 -- 07:32 PM

বুরে দিন ওয়াপস লাও !! ঃ)


Name:  দ          

IP Address : 52.106.28.37 (*)          Date:11 Aug 2017 -- 02:06 PM

এখানেই থাক

https://thewire.in/166885/indias-bank-credit-slump-continues-current-f
iscal-year/



Name:  PM          

IP Address : 116.67.37.172 (*)          Date:18 Aug 2017 -- 11:32 AM

জিয়া উল হক পাকিস্তানের ৭০ বছরের সফরে মাত্র ১০ বছর শাসন করেছিলেন। কিন্তু পাক লেখকদের দৃষ্টিতে ঐ ১০ বছরে উনি পাকিস্তানের DNA পাল্টে দিয়েছেন অপরিবর্তনীয় ভাবে।

https://www.dawn.com/news/1352139/this-is-very-much-zias-pakistan-the-
most-influential-man-after-jinnah


https://www.dawn.com/news/1342697/40-years-of-zia-how-zia-redefined-pa
kistan


যা হাল হাকিকৎ , আমাদের মোদিজি অন্ততঃ ১০ বছর রাজত্ব করবেন। ভারত কি অপরিবর্তনীয় ভাবে পাল্টে যেতে চলেছে? আমাদের সাংবিধানিক ইন্স্টিটুসনগুলো পাকিস্তানের থেকে অনেক শক্ত পোক্ত--তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু সে আর কতোদিনের জন্য থাকবে? "দেশপ্রেমের" জোয়ারে সব কি ভেসে যাবে ?

ডনের এক বয়স্ক পাঠক নিচে কমেন্ট করেছেন- Jul 02, 2017 07:02am

"I didn't even have to read this editorial to comment because I lived through that era and watched Pakistan transforming from an open society to a closed one. Pakistan has not been the same since Zia forced himself into power."


আমরা কি ভারতে এখন এই transformation টাই দেখছি চোখের সামনে ?



Name:  দেব          

IP Address : 135.22.193.149 (*)          Date:18 Aug 2017 -- 11:54 AM

@PM - বিভিন্ন ফোরামে অনেক পাকিস্তানীদের সাথে কথা বলে দেখেছি তারাও একই মত পোষণ করেন যে মোদি ভারতের জিয়া হতে পারেন।

অবশ্য এই ভাবে যারা দেখছেন তারা খুবই উচ্চশিক্ষিত মাইনরিটি। তারা এতে খুব খুশিও। খোলাখুলিই একজন বলল দেখ তোমাদের দশাও আমাদের মতন হলে তখন তোমরা বুঝবে।


Name:  দ্রি          

IP Address : 195.100.87.210 (*)          Date:18 Aug 2017 -- 12:13 PM

ভারতে ক্যাশ বাতিল করার প্রোজেক্ট বায় অ্যান্ড লার্জ ব্যর্থ হয়েছে। খুব ভালো হয়েছে।

তবে এই চেষ্টা জারি থাকবে। বিভিন্ন উপায়ে। সে যে সরকারই আসুক। এগুলো ইন্টারন্যাশানাল প্রোজেক্ট। ক্রিপ্টোকারেন্সি। তিউনিসিয়ায় এসে গেছে ক্রিপ্টোকারেন্সি। পাইলট প্রোজেক্ট।


Name:  দ্রি          

IP Address : 195.100.87.210 (*)          Date:18 Aug 2017 -- 12:26 PM

"যা হাল হাকিকৎ , আমাদের মোদিজি অন্ততঃ ১০ বছর রাজত্ব করবেন।"

জিএসটিতে অনেকেই বিরক্ত। দেখা যাক। পকেটে টান পড়লে ভোটিং প্যাটার্ন বদলাতেও পারে। এর আগের কংগ্রেস গভর্মেন্ট মার খেয়েছিল রান্যাওয়ে ইনফ্লেশানের কারনে। জিএসটিও পারে না কোন মির‌্যাক্‌ল দেখাতে?

তবে এর পর অন্য সরকার এলেও জিএসটি রিভার্ট করবে না।


Name:  sm          

IP Address : 52.110.132.32 (*)          Date:18 Aug 2017 -- 01:38 PM

জি এস টি তে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার উভয়ের ই লাভ। প্রচুর রেভিনিউ কালেকশন হবে।
কোম্পানি গুলো ইতিমধ্যেই জিনিস পত্রের দাম ভালো বাড়িয়ে দিয়েছে। আগে কম প্প্রডাকশন দেখিয়ে বেশি বিক্রি করতো।ট্যাক্স ফাঁকি দিতো।
সেটা দাম বাড়িয়ে উসুল করবে। স্থানীয় দোকানদার কর্মচারী ছাঁটাই করে লোকসান পুষিয়ে নেবে। আগে যে ডিসকাউন্ট মিলতো পাড়ার দোকানে সেটা অলরেডি কমে গেছে, আরো কমে যাবে। সুপার মার্কেট এর সঙ্গে পেরে ওঠা অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর মুশকিল হবে। আল্টিমেট নেট রেসাল্ট ,সাধারণ মানুষের পকেটে টান ও কর্মচারী ছাঁটাই।
লাভ কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের তহবিল বৃদ্ধি এবং বড় ব্যবসায়ীদের শ্রীবৃদ্ধি।
ভোটার আগে কিছু জনকল্যাণ মূলক প্রকল্পে ছড়িয়ে দিলেই কেল্লা ফতে। সরকার ঠিক লাইনেই খেলছে।


Name:  sm          

IP Address : 52.110.132.32 (*)          Date:18 Aug 2017 -- 01:43 PM

দৃ,একটু ক্রিপ্টো কারেন্সির ব্যাপার টা খুলে বলুন তো। ইটা কিরকম চিজ।


Name:  Arpan          

IP Address : 212.172.247.110 (*)          Date:18 Aug 2017 -- 03:09 PM

কিছুদিন আগে এই পোস্টটা পড়লাম একটা সাইটেঃ

"People, don’t be fooled by the apparent advantages and usages of Blockchain technology or Bitcoin, it’s what you don’t know that is destructive to you personally and to society in general. It is merely another way to control you through information, to hack into your private lives and the only ones that truly benefit from this technology are the global wealthy elite, the greedy, materialistic oligarchs of global chaos and conflict. Bitcoin is virtual money, it doesn’t really exist except on the computer!

Real money is gold, silver, precious metals and gemstones, natural resources. Paper currency and coins use to be backed by gold or one of these other material commodities and was payable upon demand to any the person who had the dollar bill or coin currency, it was once written right on the Dollar bills and it was legal tender backed by the governments’ gold reserve! But corruption on an unprecedented scale took over and the general public was tricked into accepting a false standard of the economy where people blindly trusted another system which really didn’t benefit them. Just look at all the financial and economic chaos around you that has effective your lives over many decades and the political instability growing every day!

The poor have become miserably poorer, the middle class (the backbone of all society) is being reduced down to the same misery as the poor and the only ones becoming richer are the wealthy class who have separated themselves from the rest of society and are the one dictating the rules and the future according to their vision.

in the early years of the 20th Century, the Gold Reserve Banks of America and Europe became the property of these greedy Bankers in American and Europe, no longer owned or controlled by the US or any European country, they became the willing puppets of the Oligarch Regime. These Oligarchs did away with “paying gold to the bearer on demand” because it was now their gold! Paper currency isn’t worth anything, even the paper it is printed on, in fact, paper currency has become plastic currency in many different forms like your credit cards!

When was the last time you actually had hard currency in coin or paper in your pocket? Everything we transact is now done on the internet with your credit or debit card or with just numbers!
But these greedy bastards aren’t done with you yet, now they want to introduce Blockchain Technology to TRACK and CONTROL EVERY TRANSACTION YOU MAKE and it’s irreversible!!! While all along they are trying to sell you on the phony “benefits” of this system. They are relying on you to “TRUST” them because they represent officialdom, they are your government, your elected officials, they are educated and have more power and control than you will ever have!

In their eyes, you are not their equal!!!!!

That is a reality that everyone needs to wake up to and take action against to correct this imbalance in society that is become an out-of-control “Frankenstein Monster” of materialism on the rampage to eventually enslave or exterminate you!
Blockchain Technology will track your every spending habit that you make, what you bought, how much you paid or sold, where you made your purchases, when you bought or sold, and how much, etc. It is one more way to know more about you and to control you, but then, you are already being tracked and monitored with the current economic standards.

With BCT, however, everything from every person will be fed into a central or global computer (think iCloud storage…exponentially!). And the IT puppets will ensure that nothing is missed and that you dutifully follow along like a good well behave minion or pet!

Just when you think it can’t get any worse, your nightmares will only be just beginning because, on the horizon, another new economic instrument of societal control is coming!

It is called “FEDCOIN”!!!

And you bloody well should be scared of it because your government is hell bent on implanting you with a microchip that identifies you and all your transactions and if you disagree with them or anything you don’t like about the life you have in society, your little microchip will inform its controllers and you could end up, God knows where!

You will not even be able to buy or sell or do anything without your scan able implanted microchip!

It is coming that is an absolute certainty! It’s money in the bank, just not your bank. and if this sounds suspiciously crazy like the “Latter Days” or the Apocalypse and you are being marked (micro chipped) with the sign of the beast, then, you would be absolutely correct!!!

This should be a big clue to you of the type of quasi-Christian eschatological mindset of the Oligarchs and the other powers that rule and control you! Never mind the governments to help you in your time of crisis, they haven’t really existed for a long time! Presidents and politician are decided upon before you even vote for them, as to who gets into office to supposedly “represent you”!

Corporations are the new governments and the wealthy corporate elite are its politicians and you thought you had some control or say in the way life unfolds? Think again!

I could go on and on, but you get the idea.
The only way to defeat these corrupt bastards is not to go along with their game! Start buying gold and silver in any amount, have paper and coin currency in your pocket at all times. Get rid of the credit cards, do business with hard currency and nothing else, don’t get into debt over your head, trade and barter good and services, invest in new gold mine discoveries, be honest with each other, surround yourself with like-minded individuals, protest against your government and its corrupt officials.

Economic Armageddon is coming and so is the Global Revolution against it, so you need to prepare yourselves for all future possible eventualities!"


Name:  pi          

IP Address : 57.29.221.220 (*)          Date:21 Aug 2017 -- 12:13 PM

ভক্তের প্রার্থনা

বিপদে মোরে রক্ষা করো এ নহে মোর প্রার্থনা
চাকুরি গেলে না যেন করি ভয়।
দুঃখ তাপে ব্যাংকলাইনে নাই বা দিলে সান্ত্বনা
তর্কে যেন করিতে পারি জয়।

অক্সিজেন না যদি জুটে
অটুট ভক্তি না যেন ছুটে
নোটবাতিলে ঘটিলে ক্ষতি, লভিলে শুধু গোচোনা-
নিজের মুখে না যেন মানি ক্ষয়।

আমারে দিবে পনেরো লাখ, এ নহে মোর প্রার্থনা
ট্রোলিতে পারি, এফ বি যেন রয়।
জিএসটিতে ট্যাক্স বাড়িয়ে, মন কি বাতের সান্ত্বনা
সহিতে পারি, এমনই যেন হয়।

নম্রশিরে আচ্ছে দিনে, পদ্মফুল লইব চিনে,
চাষীর ব্যাটা গলায় দড়ি, ডোকলামে রয় চীনসেনা,
ছাতির মাপে না করি সংশয়।

বিপদে মোরে রক্ষা কর এ নহে মোর প্রার্থনা
গোরক্ষকের ডান্ডা যেন সয়।


- অভিজিত মজুমদার

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7] [8] [9] [10] [11] [12] [13] [14] [15] [16] [17] [18] [19] [20] [21] [22] [23] [24] [25] [26] [27] [28] [29] [30] [31] [32] [33] [34] [35] [36] [37] [38] [39] [40] [41] [42] [43] [44] [45] [46] [47] [48] [49] [50] [51] [52] [53] [54] [55] [56] [57] [58] [59] [60] [61] [62] [63] [64] [65] [66] [67] [68] [69] [70] [71] [72] [73] [74] [75] [76] [77] [78] [79]     এই পাতায় আছে2319--2349