বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7] [8] [9] [10] [11] [12] [13] [14] [15] [16] [17] [18] [19] [20] [21] [22] [23] [24] [25] [26] [27] [28] [29] [30] [31] [32] [33] [34] [35] [36] [37] [38] [39] [40] [41] [42] [43] [44] [45] [46] [47] [48] [49] [50] [51] [52] [53] [54]     এই পাতায় আছে1580--1610


           বিষয় : পর্বে পর্বে কবিতা - তৃতীয় পর্ব
          বিভাগ : অন্যান্য
          বিষয়টি শুরু করেছেন : pi
          IP Address : 128.231.22.133          Date:17 Dec 2011 -- 07:10 AM




Name:  kumu          

IP Address : 132.176.249.214 (*)          Date:20 Dec 2017 -- 09:53 PM

নৌকার খোলে রাখা। মৃদু আলো মাঝারি কবিতার-
খুব শান্তির মতো


Name:  জারিফা          

IP Address : 59.248.240.115 (*)          Date:22 Dec 2017 -- 07:23 PM

কমলা লেবু

শীতকাল এলেই বোরোলিন দুপুরেরা আমার সপ্তাহান্ত খোঁজে। রোদ পোহানো দুপুর। উলের কাঁটার দুপুর। চুলোয় গরম হওয়া জলের মতো সে দুপুর টগবগ ফুটতে ফুটতে মটরশুঁটি সবুজ হয়ে এলে এলকেশী পা ছড়িয়ে দেয় ছাদে মেলা বড়ির গায়ে। আমরা সপ্তাহান্ত খুঁজি, চড়ুইভাতির আশায়। ওরা আমগাছের ছায়ায় ভারী বনভোজন নয়, বাগানবাড়ির দালানে ছত্রখান হয়ে থাকা পিকনিকও নয়। সেসব কাতরাবে ভেবে মাথা আছড়ালেই শরীরের বাকি অংশে মিশে যায় কমলালেবুঘ্রাণ।

আমার তখন মায়ের কথা মনে পড়ে, ছায়া আবহে। কমলা খোসার মতন মায়ের মুখটাও নরম উজ্জ্বল, যেন দু'দন্ড স্থির তবু দূর থেকে বুকে বিঁধে যায় সে অমোঘ আকর্ষণ। খোসার ভাঁজ খোলা মাত্রই একটা গোলাকার দুনিয়া বেরিয়ে পড়বে, সুরুৎ - মায়ের সাজানো সংসার। একটা কোয়ায় বাবার ওষুধ , একটায় ইলেক্ট্রিসিটি বিল....। অথচ প্রতিটার গায়ে সুতোর মতন ঝুলছে কত বিসর্জন : সস্নেহ দুই হাতে আড়াল করা জ্বর, অর্ধেক চাঁদ স্বপ্ন...অস্থিচর্মসার।


Name:  dd          

IP Address : 59.207.56.153 (*)          Date:22 Dec 2017 -- 10:18 PM

জারিফার কবিতাটা ভারী ভাল্লাগ্লো।


Name:  জারিফা          

IP Address : 59.248.243.118 (*)          Date:23 Dec 2017 -- 09:00 AM

অনেক খুশি, ডিডি দা :)


Name:   ফরিদা           

IP Address : 181.50.153.168 (*)          Date:26 Dec 2017 -- 10:27 PM

২৪

দেখেছি ভ্রমণপিপাসু গন্তব্যের কথাগুলি লেখেন, পথকষ্ট, মতিভ্রম, অর্থদণ্ড বাদ পড়ে যায়। ট্রেনের অপেক্ষায়, তার ঘড়ি থেমে গিয়েছিল, সে বড় একটা লিখতে চায় না।


তাই ফাঁক থাকে, তাতে বৎসরান্তের দু’মুঠো রোদ্দুর আঁজলা পেতে চোখে মুখে মাখতে গিয়েছি। নুন নুন, বালি বালি গ্লানি যদি সব ধুয়ে ফেলা যেত, যদি শোনা যেত বাঁশি আচমকা - যে ট্রেন আমাদের কখনও আসেনি।


Name:   ফরিদা           

IP Address : 132.176.157.104 (*)          Date:06 Jan 2018 -- 10:51 PM

১১

তোমার সঙ্গে প্রায়ই দেখা হয়ে যায়
যখন বিফল আমি, সারাক্ষণ-
ভিতরে ভিতরে বুকফাটা কান্নার সময়ে।

কিছুই হয় না ভালো, এদিকে লোকে অনায়াসে
তুখোড় কবিতা লেখে, সময়োপযোগী কথাগুলি
সহজেই হেসেখেলে আসে, কী চমৎকার
ছবি তোলে যেন সারা পৃথিবী সেজেগুজে
দাঁতে দাঁত চেপে অপেক্ষা করে তার ক্যামেরার জন্য।

আমার কারণে অকারণে তোমাকে মনে পড়ে যায়
কাজের মাঝখানে বৃষ্টিপাত, রক্তক্ষরণ
আচমকা কুয়াশায় রাস্তা বন্ধ হয়
হাতে ক্যামেরা নেই দেখে দুর্লভ পরিযায়ী
চমৎকার সূর্যাস্ত ধীরে সুস্থে পার হয়ে যায়।

অতই সহজ নয় এ জীবনে সব কিছু পাওয়া,
তাই যেন বারবার শুধুই তোমার সঙ্গে দেখা হওয়া।


Name:   ফরিদা           

IP Address : 181.50.141.97 (*)          Date:11 Jan 2018 -- 10:02 PM

কে যে আবার কানটি ধরে দাঁড় করাবে

মনে পড়ছে বানান করে হেডলাইনেই থমকে যেতে
“ছোট অক্ষর, অত কথার কী দরকার” -খেই হারাতে
এখন আবার ছোট অক্ষর আস্তে আস্তে হারিয়ে গেলে
চশমা এসে পড়তে শেখায় ভদ্রভাবে দু’কান মুলে।

তখন থেকেই ভাবনা বাড়ে, দু’ একটা ভুল হয় নি কি আর
বাড়তি বয়স, ওজন টোজন জাড্য প্রভাব বেজায় গোঁয়ার
ভেতর ভেতর বুঝলেও সে ভাঙবে তবু না মচকাবে
খুঁজতে থাকে গাছের আড়াল - কান ধরে যে দাঁড় করাবে।



Name:   ফরিদা           

IP Address : 132.161.106.35 (*)          Date:22 Jan 2018 -- 07:02 AM

সমর্থন


মোহনবাগান কে আমি সমর্থন করি আজন্ম
জিতলে তো কথাই নেই, তার খারাপ দিনেও
অনুযোগ অভিযোগ শুনি, সহজ সুযোগ নষ্ট
রেফারির ভুলচুক, আচমকা তারকা খেলোয়াড়
চোট পেয়ে মাঠের বাইরে চলে যায়। হেরে যায়
অত্যন্ত সহজ ম্যাচ ড্র করে লীগের পিছনে যায়।

কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করি তার দু:খের দিনে
প্রিয় কোচ পদত্যাগ করেন, টীমের খোলনলচে
বদলায়, দেখি, বলি - “এই ঝড় সামলিয়ে ওঠো-
না’হলে কীসের তুমি প্রিয় দল, ফুল হয়ে ফোটো।”

কখনও সে পারে, কখনও পারে না, ফের বলি।
আমারও খারাপ যায় দিনকাল, চলতে ফিরতে
ভুল রাস্তা আটকায়। ঝলসেই উঠেছে সে তখন
কঠিন ডার্বি জিতে সে আমাকেও দেয় সমর্থন।


Name:  শ্ব          

IP Address : 53.224.129.41 (*)          Date:16 Feb 2018 -- 04:19 AM



সহজে হাঁসমুর্গিপালন #৩

~~~~~~~~~~~~~~

"দুটো কালো হাঁস আর দুটো সাদা মুরগি
থাকলে কতগুলো কী কী রঙের
বাচ্চা হতে পারে " -

জিজ্ঞেস করলে

সেকেন্ডের কয়েকশো ভগ্নাংশের জন্যে
মাথায় একটা সম্পূর্ণ অসম্ভব অপশন
ফ্লিপ করে চলে যায় ,সেইটে মজার ।


আর বাকি সব বাড়ি ময় হাঁসমুরগির
গন্ধ , আল মাটি চাল , চাষাভুষোর ব্যাপার , বোঝেন ই ||




Name:  শ্ব          

IP Address : 53.224.129.41 (*)          Date:16 Feb 2018 -- 04:45 AM

বৈড়াল#২৩
~~~~~~~

শীতকালে প্রতিবারই
কিছু বুড়ো ইতিউতি মরে , কিছু বুড়ি
উঠোনে হাঁ মুখ রেখে কাঁথা সরে যায় -

তাদের বসতগুলি ভাগ হয় , হাঁড়ি কুড়ি
ঝি ও ননদে , আঁশপান্নার
আলো কিছুকাল
থেমে থেকে , পুনর্বার পাশ ফিরে শোয়

আরও কিছু দিন ধরে
ম ন সা প্র হ রে একা ,উনুনের
মাটি চাটে নোনামুখো দেয়াশি বেড়াল ।।





বৈড়াল#২৪
~~~~~~~

তাহার সকলি ভেল , শুধু এক
আপনাকে ছাড়া , সেত জানে কতদূর

হেঁটে গেলে , রূপের পলাশ ; ঝরে , নিজের
মানুষ জেনে
কতটা লুকোতে হয় নখরনিশিত ;

রক্তে আঙ্গুর আছে ,গ্যালভানি
রোদ্দুরে ,মায়া ;
বিলাইটি শুয়ে আছে পেট পেতে ,

আপনাকে নাও পাই ,
তবু তাকে কাছে ডাকো প্রিয় ।।




বৈড়াল# ২৬
~~~~~~~

সান্ধ্য বিড়ালগুলি রাত হলে পাল্টাতে
থাকে ,

এপাড়ার দুটি হুলো
ওপাড়ার দুটি মেনি ,তাহাদের

যেইভাবে চিনি , তারও চে কিছুটা
অজর , আ মো লো কি বাতাসের মত ;

শংকায় কেঁপে ওঠে , কেঁপে কেঁপে
খাব লায় বুকে ;

যদ্যপি দিবসে হুলো ,
এখন সে রাতের শাবক ।।





বৈড়াল#২৮
~~~~~~~

ভগ্ন প্রাকার জানে , সারা দিনে
কত কত বার , রূপের মার্জারবঁধু হেঁটে
গেছে বিরল আলসে ;

আলগা ইঁটের ফাঁকে , ফেরোমন শুঁকে
নেওয়া , ছি ছি গেঞ্জি কাচোনি তুমি

কতদিন কতকাল শুনি ! !

ভগ্ন প্রাকার জানে , নেহাতই দুর্দৈবে নয় ;
সময়ে বিভগ্ন সে , সময়ের মার্জনাদোষে ।।


Name:  b          

IP Address : 24.139.196.8 (*)          Date:23 Feb 2018 -- 12:11 PM

অহন্যহনি
------------------------
তুমি বলেছিলে এপ্রিলে আসবেই
বছর পেরিয়ে কোন চুল্লিতে গত
ভাতের ঠান্ডা থালাটি সাজিয়ে বসে
কবি লিখেছিলো নিষ্ঠুরতম মাস

বছর ফিরিয়ে ফের বসন্ত আসে,
শ্মশানে সেদিন কত জ্যোৎস্নার বান
পাশে এক নদী চুপ করে পড়েছিলো
সাগর ডেকেছে, সেদিকেই চোখ তার

দোকানে বাজারে করি বড় কেনাকাটা,
ধূপকাঠি, মালা, বাকি রয়ে গেলো নাকি,
মনে পড়ে গেল, শূন্যতা থেকে যাবে
নবম শ্রেণীতে বলেছিলো টরিসেলি


Name:  Tim          

IP Address : 108.228.61.183 (*)          Date:23 Feb 2018 -- 12:22 PM

বাহ, খুব ভালো লাগলো বি


Name:  de          

IP Address : 24.139.119.174 (*)          Date:23 Feb 2018 -- 01:46 PM

খুব ভালো!


Name:   ফরিদা           

IP Address : 181.78.224.236 (*)          Date:23 Feb 2018 -- 09:38 PM

বি,
দারুণ।


Name:   ফরিদা           

IP Address : 181.78.224.236 (*)          Date:23 Feb 2018 -- 09:39 PM

পুরনো লেখা নিয়ে বসেছিলাম। এটা পেলাম।



কেন ক্ষোভ, বুভুক্ষা নিয়ে মাংশপিণ্ডগুলি
হাঁটে চলে কথা কয়, আবহাওয়ার খবরও বলে?
যেন ইতিহাস প্রবণ ঈর্ষারা বেড়াতে এসেছে
ঝাঁটা চেপে উড়তে উড়তে এইখানে শূন্য দেখেছে।

বহু নদী মরে গেছে, কত ভাষা, কারখানা বন্ধ হলে
দরজা বন্ধ করে সপরিবার ফলিডল গেলে-
কার সেই আশ্চর্য বাড়িগুলি, নিকোনো শহর থেকে
শবদেহ খুঁজে পাওয়া গেল অগণন
কার কাছে ধার ছিল যথেষ্ট সৌহার্দ্য আমার
অনাবিল আশীষ চুম্বন?

কত দিন বাঁচে মানুষেরা দূষিত সন্ত্রস্ত হয়ে অনৃতভাষণে?
অন্তত সহনশীল এক চারাগাছ রোপণ করব ইহজীবনে।




Name:  রিভু          

IP Address : 114.191.245.191 (*)          Date:23 Feb 2018 -- 09:46 PM

বি অসাধারণ লিখছেন। বাকিরাতো চেনা, আলাদা করে বললাম না, বি এর লেখা মনে হয় এই টই এ আগে দেখিনি।




Name:   রুকু           

IP Address : 11.187.190.251 (*)          Date:24 Feb 2018 -- 03:48 AM

ফরিদা,

মাংস, আর আশিস :-)


Name:   এহ          

IP Address : 57.29.157.208 (*)          Date:24 Feb 2018 -- 08:28 AM

কবিতার টইতে এরকম টাইপো ধরলে তাল কেটে যায়!


Name:  ফরিদা          

IP Address : 116.212.146.120 (*)          Date:24 Feb 2018 -- 09:16 AM

কিন্তু বানান ভুল ধরালে যে সুবিধাই হয় আখেরে।

থ্যাঙ্কু রুকু।


Name:  Ramiz Ahamed           

IP Address : 233.231.31.121 (*)          Date:02 Mar 2018 -- 06:09 PM

                             আবরণ

     দালান পেরিয়েছি, মন্ত্রঅতীত বিকেলে
     বিদেহীদের বৈঠকী,
     চৌখুপীতে জরাসন্ধ, জল-স্হল-আচমন
     নির্বাপিত স্তবকোচ্চারণ।
     বায়ুচর্চিত, তক্ষকদের দুয়ো
     ফাঁপা সন্ধ্যে নামায়---
     ঝুরোবটের আলখাল্লায়
     নোনাধরা গল্পসাজানো।
      লৌহমুখ, ছাইরঙা দুঃখ
      ঘিরে আসে, শাশ্বত আবরণী।
  
      শব্দবন্দরে ঈশ্বর নাবিক হয়ে ভূমিকা ঘাঁটেন, এখনো।


Name:  রুকু          

IP Address : 212.142.101.47 (*)          Date:02 Mar 2018 -- 09:32 PM

যাক, রামিজ খুঁজে পেয়েছে ফাইন্যালি। :)


Name:   ফরিদা           

IP Address : 11.38.4.9 (*)          Date:15 Mar 2018 -- 11:46 PM

প্যাণ্ডেল হবে


গুচ্ছ গুচ্ছ বাঁশ জমা হতে থাকলেই মনে হয়
আশু প্যাণ্ডেলের কাজ শুরু হবে।
উৎসব আসন্ন ভেবে প্রফুল্ল লাগে।

এজমালি বাড়িটায় একটা চৌকো আকাশ ছিল
সেই উঠোন ঘিরে বসবাসের ঘরগুলি
একদিকে কলঘর রান্নাঘর।
বাড়িতে বিয়েটিয়ে লাগলে ছাতে প্যাণ্ডেল হ’ত বলে
দিনের বেলাতে বাড়িতে আর রোদ্দুর ঢুকতা না তখন।

সেই থেকে আকাশ মেঘলা হলে খুব ফুর্তি হয়
বাঁশ জড়ো হচ্ছে দেখলে আনন্দ হয়
মনে হয় উৎসব আসন্ন, শীঘ্রই প্যাণ্ডেল হবে।


Name:  কালকেতু          

IP Address : 55.249.82.86 (*)          Date:16 Mar 2018 -- 12:10 AM

যদিও এপাড়ায় নতুন, তবু আমিও খানদুয়েক ট্রাই করছি, কেমন? ;)

# অথ সুখদুঃখ কথা

পৃথিবীতে সুখের পরিমাণ নির্দিষ্ট, দুঃখও তাই।
সেজন্যেই আমি কখনও বেশী সুখ চাই না,
কখনও বেশী দুঃখকেও আমি ঠাঁই দিই না;
পৃথিবীকে আমি নিরপেক্ষ রাখতে চাই —
তবুও কেউ কেউ বেশী সুখী হয়ে পড়ে, যতটা হবার কথা ছিল না তার,
কেউ কেউ আবার একটু বেশীই দুঃখী যতটা না হলেও চলত।

# স্কোরবোর্ড

চোখ খুলে ঘুম ভেঙে যদি দ্যাখো বাঙালি মধ্যবিত্তের ঘরে জন্মেছ,
জীবনের স্কোরবোর্ডে সত্বর যোগ কর মাইনাস পাঁচশ;
যদি মেয়ে হও তুমি, তবে তো সোনায় সোহাগা —
ডানদিকে গায়ে লাগাও আরো একখানা বড়ো শূন্য।
এইবার ওঠো; যাও, ব্রাশ করো —
ব্রাশ করতে করতে বেসিনের আয়নাতে মুখ দ্যাখো। দেখতে দেখতে
নিজেকে বলো — এইখান থেকেই খেলা শুরু করতে হবে, বস!
পিচ তো খচরামি করবেই — এমনকি কখনো কখনো আম্পায়ারও।
তা'বলে খবর্দার! মাঝপথে কিছুতেই ইনিংস ডিক্লেয়ার করে দিওনা যেন।


Name:   ফরিদা           

IP Address : 181.78.249.255 (*)          Date:28 Apr 2018 -- 10:26 AM

সেতু


তুমি মনে রেখেছ এখনও?
সেই রাস্তা পারাপার সেতুটির কাছে
একত্র গিয়েছিলাম বহুদিন আগে।
যা বলতে চেয়েছিলাম
মুগ্ধতা পথরোধ হেতু কিছুই গোচর হ’ল না।

প্রথম সমুদ্র স্নানে মানুষ আছাড় খায়
মনে থাকে শুধু বালি নুন ঘোলাজল
অথচ সামান্য দূরত্বে আজীবন কাটিয়ে দেয়
জেলেবস্তিগুলি বিস্তারে চমৎকৃত হয়ে।

আজকাল কোথাও যাই না আর
খোড়ো চালে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা হয়ে
শুধু দেখি দুই চোখে
হাওয়া দেয়, ঝড় ওঠে, ভিত টলে,
সমুদ্রসৈকতে পর্যটক ভিড় বাড়ে।
তবু স্নান দূরস্ত, বালিতেও নামছি না আর -
দূর থেকে বিস্তার দেখি মুগ্ধতার সঙ্গে বসে,
মাঝখানে নড়বড়ে সেতু, আজীবন স্বপ্নে পারাপার।



Name:  nabagata          

IP Address : 116.203.156.183 (*)          Date:29 Apr 2018 -- 01:16 PM

হুদুর দুর্গা



মেট্রোয় পাশাপাশি অসুর ও দেবী, কোলের গনেশ টিও অবিকল

কষ্টিপাথরে কোঁদা ছিরিছাঁদ ঘাড় বেয়ে কোঁকড়ানো চুল দেখে

অসুরকে চেনা যায়, দুর্গা আর তত গৌরী নেই তবু টিপে ঢাকা

তৃতীয় নয়নটি চিনিয়ে দেয় ঠিক, ঘামে ভেজা চুলের দু এক কুচি

সরাতে গিয়ে বুঝি হাত পড়ে, ব্যাথা লাগে তৃতীয় আঁখিতে?

এখনো মাঝে মাঝে বিষাদে ধিক্কারে কেঁপে ওঠে ওই চোখ

শত্রুর শেখানো ঘৃণা কুৎসা মিথ্যার বিষে নীল কাজলের টান

কপালের গোপন পল্লবে, অথচ খোলা চোখে জীবন্ত দৃষ্টিতে

দেখেছি তোমায় কত, প্রিয়তম, ঘাসে ভরা প্রান্তরের মতো

উদার ও বুকে ডুবিয়েছি মুখ সে তো মিথ্যে নয়, মাটির সুঘ্রাণে

বিবশ হয়েছি, ভেবেছি মাটি ছেনে তৈরী এ দেহ কত শত

রোদেলা দুপুর শুষে পেয়েছে পাথুরে পেশী, সেই পাথরের বুকে

নদীর উতল ঢেউ কখন যে জেগে ওঠে, পূর্ণিমা চাঁদের টানে

গহীন সুখের বানে, ভেসে যেতে যেতে হঠাৎ তৃতীয় নয়ানে



তক্ষকের গোপন ফনা, বিষ ঢালে কানে

সেই সব ভীষণ কথা যা ভুলতে চেয়েছি

দেবতার গৃহে নাগরিক সুচারু বয়ানে

সেই সব দিনের আলোর মতো সত্যি মনে হতো

পরে তা ভুলেছি অরণ্যের উদার আঁধারে

জোয়ারের নিবিড় জল যেমন ঢেকে দেয়

বালির পুঁজরক্ত ক্ষত



তবু কোন স্নায়ু পথে উঠে এলো গরলের স্রোত

লকলকে নীল লাভার মতন

সন্দেহের সুচলো বর্শামুখ

উদ্যত ফলায় তোমার পাঁজরে

বিঁধলো মর্মস্থানে



তারপর আর কিছু মনে নেই।।।

স্বপ্নের ভেতর যেন সহস্র কণ্ঠের হাহাকার

উল্লাসে সিংহনাদে আকাশ বাতাস

ছিড়ে পড়ে তীব্র যন্ত্রণার মতো



চোখ মেলে দেখি তুমি হাত ধরে মণ্ডপে মণ্ডপে

শিকারী দৃষ্টির ভিড়ে আগলে চলেছো

দশমীর রাতে

রক্তের দাগ অনাবিল স্রোতে

ধুয়েমুছে, এক সাথে

ভেসে যাবে বলে


Name:  রুকু          

IP Address : 212.142.104.235 (*)          Date:29 Apr 2018 -- 11:48 PM

নিষেধ

বন্ধ জানলা দেখে বুঝে যাই শহরে দুপুর
বালিশে নামানো মুখ, ক্লান্ত ছায়ায় ঘর কালো
অথবা অসময়ের তীব্র স্বপ্নবিলাস
ঘুমের আড়াল।
বন্ধ জানলায় চোখ রেখে এই সব ভাবি
কেননা এ জানালায় একবার তোমার আদল
দেখা গিয়েছিল, আর তারপর এত সময় ধরে
বন্ধ, বন্ধ, দেখে শ্বাসহীন চোখে মনে হয়,
মনে হয়...
জানালার ওই পারে অনন্ত শ্মশান শুয়ে আছে।


Name:   ফরিদা           

IP Address : 181.78.214.71 (*)          Date:05 May 2018 -- 08:16 AM


সে, আমাকে

সে আমাকে হাতছানি দিয়ে ডাকে মনে মনে
অথচ সময় নেই, ব্যস্ত আছি, সাড়া দিচ্ছি না দেখে
মাঝে মাঝে চৌকাঠেই থেবড়ে বসে পড়ে
মিছিলের পিঁপড়েই গোণে।

কাছে গেলে দেখেছি সে ফিরেও তাকায় না
চুপচাপ উঠে শুরু করে চলা -
পিছু নিতে হবে আমাকেই, রাস্তায় দেখা হবে
অজস্র শব্দ না বলা, এতদিন পরে
চেনা মুখ দেখে খিলমিল করে ওঠে।

একবার সঙ্গে বেরোলে, কাজকর্ম শিকেয়
হাঁটিয়ে হাঁটিয়ে মারবে আমায়
যতক্ষণ না রাতের জুঁইফুলগুলি ফোটে।


Name:  অনুপম পাত্র          

IP Address : 55.249.73.62 (*)          Date:19 May 2018 -- 08:37 PM

অনুপম অসুখ

এই যে কেমন অ সুখ করলো বিকেল বেলায়,গা টা গরম গলাব্যাথা,এখুনি কি জ্বর আসবে ?

আবার আকাশ টাও ঠিকঠাক নেই, কেমন মেঘলা, সঙ্গে গুমোট।পাতাও নিথর, ঝড় আসবে?

আসলে তো আমার এখন বেঁচে থাকার কথাই ছিল, নাকি হয়নি কিছু,কথা দেওয়াই

মরে গেছি, কবে কখন, মনে তো নেই
বন্ধুরা বল, এপিটাফ টা কোথায় আছে, পড়ব আবার।

আকাশ থেকে বৃষ্টি নামবে, চেয়েই আছি। কান ধরি নি, দু পায়ে ব্যাথা,
রাগ করলি কি ?

খুব রেগেছিস, কিশোর দুপুর ছিল যখন, বাগে পেলে কি করতিস, কলার ধরতিস, কিংবা চিমটি ??

এখন কেমন চোখের তলায় কালি পড়ছে, চামড়ায় ভাঁজ, মাথার চুলে রুপালি রং চিকুর দিচ্চে,

বিশ্বাস কর, বয়েস আমার একটুও তো বাড়ল না আর, এই তো সেদিন কুইজ হল, স্টেট ব্যাঙ্কে

প্রশ্ন করল, সৎপাত্রের নামটা বলো, নামটা বলো, ভুলেই গেছি গঙ্গারাম হায়, কাকে দেখে !!

এই দ্যাখ, ওই ঝড় উঠলো, বাজ পড়ছে, আমি ভীতু, ঘরের ভিতর আমার জীবন , সুসংঘত

তুই আসছিস, তোরা আসছিস, অপেক্ষা কি ছিল কিছু, রংটা কেমন মনে পড়ছে না।

দূরে দেখছি মেঘের ফাঁকে উড়ো জাহাজ, পাইলটের কি ভয় করে না ?
ভয় করে না !

পাখির চোখে কেমন লাগে এ দুনিয়া
খুব কি ছোট, ভালো কথা ,আমি আজও প্লেন চড়ি নি !!

মনটা ভীষণ ভালো নাকি খুব যে খারাপ কে বলবে আর, নাকি এখন স্বপ্ন দেখছি তৃষ্ণা নিয়ে।

আবার যেন সকাল হল, রোদ উঠছে!, হয়তো ,জানিস ,রি ইউনিয়নে
যেতে পারব না

এবার দুঃখ দলা পাকাচ্ছে, গলার নীচে, পাঁজর কি আর দেখা যাচ্ছে
সত্যি দুঃখ জমাট বেঁধে

ওদের কথা মনে পড়ছে, ফুটফুটে দুই ফুলের মত, ওদের বাবা রাজারকুমার
সত্যি ছিল

সবাই বলছে জাস্টিস চাই, আসুন লড়ি, আমি তবু হারিয়ে যাচ্ছি,স্বপ্নে শুধু বোমা ফাটছে।

তুই নামলি,আকাশ থেকে, অনেক দিনের পরে কি
এই মাঠের উপর রোদ উঠলো, তবু পাচ্ছি বারুদ গন্ধ !!

আমি কোনো সাবান শ্যাম্পু গায়ে মাখি না, মানুষ গন্ধ লেগে থাকুক নেই আক্ষেপ কোনো কিছুই

কিন্তু দেখছি আমার ঘরে রম্য সুবাস, কি পারফিউম ইউস করিস , বিদেশি ঠিক, হবে হয়তো।

কি বললি , চা ? মাটির ভাঁড়ে , নদীর ধারে, ওসব কি আছে এখন, তার চে যাই কফি শপেই

ক যুগ পরে দেখা হবে, আঙ্গুল গুনি, আঙ্গুলে ঘা ,অনেকটা দ্যাখ সেরেই উঠলো তাড়াতাড়ি !!

বলছিস তুই, এসব কথা লেখার কিছু প্রয়োজন নেই, আমার জানিস , সব কিছুতেই বাড়াবাড়ি।

অথবা, আর জানবি কেন, জানার মত কিছু কি ছিল, জানলা দরজা বন্ধ ছিল সে কৈশোরে ....

অহল্যা নই, যে বদলে যাব, পাথর জীবন পারলে একটু ছুঁয়ে দেখিস,পারলে আসিস।


Name:   ফরিদা           

IP Address : 132.161.106.33 (*)          Date:25 May 2018 -- 09:55 PM

একটা মিহি চশমা কিনেছি
যাতে শব্দের বানানগুলো ফের ঠাহর করা যায়
এতদিন স্মৃতি হাতড়িয়ে কাজ চালাতাম।
এটা খুব সুবিধার হ’ল,
অক্ষরের বাঁক, চৌমাথা, রিক্সা স্ট্যান্ড
সব কিছু গ্রীষ্মসকালের মতো স্পষ্ট, উচ্চকিত
ইত্যবসরে, চোখে এল অনেক বদল-

যেখানে বর্ষার বিকেলে শান্তিতে ফড়িং দেখতাম
এখন সেখানে শ্বাপদসঙ্কুল কংক্রিট জঙ্গল।



Name:   ফরিদা           

IP Address : 12.38.45.11 (*)          Date:06 Jun 2018 -- 03:38 PM

ভেঙে পড়।
কীসের ভয়?
অবক্ষয় -
শরীর জুড়ে বাস্তুসাপ
ঘুরছে ফের।

ভেঙেই পড়,
আজ না হয়
ওই ক’টা ভাত ফেলাই যাক গে
রোজই যেন পরমান্ন মায়ের ভোগে।

কী আসে যায়
কার কী এতে
দু’হাত বাঁধা থাক কপাটে
হাড়হাভাতে -
ভেবেই ম’ল।

আর ভেব না
ভেঙেই পড়
আছাড়পিছাড়
গাছের ডালও
যেমন ভাঙে ব্যস্ত দিনে
ঝড় না হলেও
ফোঁপড়া হয়ে আমড়াগাছি
দিন কয়েকের পথকষ্ট
রাস্তা জুড়ে নয়া রোদ্দুর
দু’দিন গেলেই ফের পুরনো
জড়সড় -
ভেঙেই পড়।



Name:  nabagata          

IP Address : 4512.139.232323.72 (*)          Date:06 Jun 2018 -- 03:59 PM

নটার মেট্রো
হ্যাঁ এইবার খেয়াল করুন। চোখ রাখুন প্রজেক্টরের পর্দায়। আপনাদের ভীষণ চেনা মেট্রোরেলের প্লাটফর্ম, বুঝতেই পারছেন
সকল নটার ট্রেনের অপেক্ষায় সবাই, এখনো ছড়িয়ে ছিটিয়ে যেন কোনো তাড়া নেই , কচিমুখ সালোয়ার কামিজের সঙ্গে
চশমা পরা রাশভারী মাসিমা কেমন খোশগল্প জুড়েছেন দেখুন, কলেজ পড়ুয়া জটলা নিজেদের মধ্যে মগ্ন, হাঁফাতে হাঁফাতে
প্লাটফর্মে ঢুকে মোটাসোটা অফিসবাবু ঘাম মুছলেন, এখনো ট্রেন দেয় নি দেখে নিশ্চিন্ত হয়ে চেনা মুখগুলোর দিকে একটু
খেজুরে হাসি, হাইলাইট করে দেখুন মুখের পেশী, চিবুকের রেখা কেমন লতানে নরম; দেখুন দেখুন বিদ্যুতের ছোঁয়ায় রেখাগুলো
টানটান হয়ে জেগে উঠেছে, ভিড়ের মধ্যে দিয়ে অদৃশ্য চাবুকের মতো একটা ঢেউ চলে যাচ্ছে; আসলে ডিসপ্লে বোর্ডে নটার ট্রেন
দিলো এইমাত্র, ঘোষণার সঙ্গে টিং করে ঘন্টার আইডিয়াটা পাভলভের কাছে থেকে নিয়েছে কিনা কে জানে , বলতেই হবে খুব
কার্যকরী। এলোমেলো ভিড়টা কয়েক সেকেন্ডের ভেতর হুড়মুড়িয়ে লাইনের সমান্তরালে সাজিয়ে গুজিয়ে টানটান। যারা প্রথম
সারিটা ধরতে পারে নি কনুই আর গোড়ালির সূক্ষ্ম কারুকাজে একটু একটু করে ঢুকে আসার চেষ্টা করছে। এ সি দেবে কিনা
জানা নেই, এ সি আর নন এ সি তে দরজার স্থানাঙ্ক ঈষৎ বদলে যায় এটা মাথায় রেখে জটিল সম্ভাবনার মানসাঙ্ক কষে
দাঁড়াতে হবে; ওদিকে ট্রেন দেখা দিলো এইমাত্র: ব্যাসিলিস্ক-হলুদ চোখে আলো জ্বেলে এঁকেবেঁকে এগিয়ে আসছে, সামনের সারির
পালস রেট হার্ট বিট আর নানান হরমোনের লেভেল গুলো লুকোনো যন্ত্রে ধরা হয়েছিল, ঠিক এই মুহূর্তটার আশপাশে গ্রাফগুলোর
বল্লমের মতো সরু ও ধারালো লাফ, খেয়াল করুন চরম মানে কেমন নিপুন লক্ষ্যভেদ করেছে! এইবার ট্রেন থামলো। দরজা কিন্তু
এখনো বন্ধই থাকবে। এটা সবচেয়ে চিত্তাকর্ষক এক মুহূর্ত। জানলার চওড়া কাঁচের মধ্যে দিয়ে খালি সিট গুলো পরপর দেখা যায়,
এক এক জন করে ঠিক করে নিয়ে ফোকাস করুন, না শুধু মুখে নয় সর্বাঙ্গে বিশেষ করে নিচের দিকটায়। সরু বিনুনি করা চিকন মুখের
মেয়েটাকে যত নিরীহ ভাবছেন তা নয়, হাই হিল দিয়ে হালকা গুঁতোয় হলুদ রেখার ওপর কোনাকুনি এগোচ্ছে খুবই সাবলীল ভাবে ,
মনে মনে লেডিস সিট এর ডিগ্রী মেপে নিয়েছে; ওদিকের ঝোলাব্যাগ কবি-কবি চেহারা শরীরটাকে আস্তে আস্তে হেলিয়ে, ফাস্ট বোলারের
বল ছোঁড়ার ভঙ্গিমায় তৈরী হচ্ছে, সেকেন্ডের ভগ্নাংশ এদিক ওদিক হলেই গেলো-- এই সব দেখতে দেখহতে সপাং চাবুক টানে দরজা
খুলেছে, কিন্তু একই সঙ্গে হালকা ঝাঁকিতে ট্রেন ফুট তিনেক এগিয়ে নিলো নিজের সর্পিল দেহ; রোজ যে এরকম হয় তা নয় তবে আজ
বলাই ছিল; এতোক্ষনের হিসেবে নিকেশ তছনছ করে এবার পেশী ও স্নায়ুর আসল পরীক্ষা, আদিম হরমোনের খেলা। দাঁত-নখ বের করা
হিংস্র আগ্রাসী রোখ, মোষের জেড আর বাঘের রিফ্লেক্স যার সেই সিকান্দর। একেকটা সিট জিতে যারা বসে পড়ছে তারা নিজেরাও
একটু আগে জানতো না এতটা কিলার ইনস্টিংক্ট কোন কোষে লুকিয়ে রেখেছিলো। যেন একটা ডুব পাহাড়ের গোপন জ্বালামুখ খুলে
লাল গনগনে আগুন ভলোকে ভলোকে বেরিয়ে আসছে, একবার খুলে গেলে আর চিন্তা নেই নিজে নিজেই পুড়িয়ে গড়েপিটে
ন্যাতানো পাঁজর পেশিকে লোহা বানিয়ে নেবে, হাড়ের গভীরে ধিকিধিকি জ্বলতে থাকা আধপোড়া অঙ্গার বয়ে নিয়ে যাবে ইস্কুল কলেজ
অফিসে আর সারাদিন গরম বাতাসের প্রশ্রয়ে জ্বলতে জ্বলতেও একেবারে শেষ হবে না, ঘরে ফিরে ছড়িয়ে দেবার মতো যথেষ্ট আঁচ থাকবে।
এভাবে, একদিন এ দেশের প্রত্যন্ত সব কোণ যে শানিত ইস্পাতের দীপ্তিতে আলো হয়ে উঠবে এ গ্যারান্টি দিতে পারি। ফলিত অর্থনীতির
দিগন্ত খুলে দেয়া এই পরীক্ষা পৃথিবীকে একদিন পথ দেখাবে জানি, তবে তার চেয়েও বড়ো কথা লৌহপুরুষ দেশনায়ক ঠিক এমনটাই
চেয়েছিলেন, নটার মেট্রো তাঁর স্বপ্নের ভারতবর্ষের দিকে অমোঘ রেখায় এঁকেবেঁকে চলে যাচ্ছে দেখে আবেশে চোখ বুজে আসে...

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3] [4] [5] [6] [7] [8] [9] [10] [11] [12] [13] [14] [15] [16] [17] [18] [19] [20] [21] [22] [23] [24] [25] [26] [27] [28] [29] [30] [31] [32] [33] [34] [35] [36] [37] [38] [39] [40] [41] [42] [43] [44] [45] [46] [47] [48] [49] [50] [51] [52] [53] [54]     এই পাতায় আছে1580--1610