Salil Biswas RSS feed

salil.biswas@facebook.com
নিজের পাতা

Salil Biswasএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • ৬২ এর শিক্ষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের শিক্ষা দিবস
    গত ১৭ই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে ‘শিক্ষা দিবস’ ছিল। না, অফিশিয়ালি এই দিনটিকে শিক্ষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি বটে, কিন্তু দিনটি শিক্ষা দিবস হিসেবে পালিত হয়। সেদিনই এটা নিয়ে কিছু লেখার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু ১৭ আর ১৯ তারিখ পরপর দুটো পরীক্ষার জন্য কিছু লেখা ...
  • বহু যুগের ওপার হতে
    কেলেভূতকে (আমার কন্যা) ঘুড়ির কর (কল ও বলেন কেউ কেউ) কি করে বাঁধতে হয় দেখাচ্ছিলাম। প্রথম শেখার জন্য বেশ জটিল প্রক্রিয়া, কাঁপকাঠি আর পেটকাঠির ফুটোর সুতোটা থেকে কি ভাবে কতোটা মাপ হিসেবে করে ঘুড়ির ন্যাজের কাছের ফুটোটায় গিঁট বাঁধতে হবে - যাতে করে কর এর দুদিকের ...
  • ভাষা
    এত্তো ভুলভাল শব্দ ব্যবহার করি আমরা যে তা আর বলার নয়। সর্বস্ব হারিয়ে বা যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে যে প্রাণপণ চিৎকার করছে, তাকে সপাটে বলে বসি - নাটক করবেন না তো মশাই। বর্ধমান স্টেশনের ঘটনায় হাহাকার করি - উফ একেবারে পাশবিক। ভুলে যাই পশুদের মধ্যে মা বোনের ...
  • মুজতবা
    আমার জীবনে, যে কোন কারণেই হোক, সেলিব্রিটি ক্যাংলাপনা অতি সীমিত। তিনজন তথাকথিত সেলিব্রিটি সংস্পর্শ করার বাসনা হয়েছিল। তখন অবশ্য আমরা সেলিব্রিটি শব্দটাই শুনিনি। বিখ্যাত লোক বলেই জানতাম। সে তিনজন হলেন সৈয়দ মুজতবা আলী, দেবব্রত বিশ্বাস আর সলিল চৌধুরী। মুজতবা ...
  • সতী
    সতী : শেষ পর্বপ্ৰসেনজিৎ বসু[ ঠিক এই সময়েই, বাংলার ঘোরেই কিনা কে জানে, বিরু বলেই ফেলল কথাটা। "একবার চান্স নিয়ে দেখবি ?" ]-- "যাঃ ! পাগল নাকি শালা ! পাড়ার ব্যাপার। জানাজানি হলে কেলো হয়ে যাবে।"--"কেলো করতে আছেটা কে বে ? তিনকুলে কেউ আসে ? একা মাল। তিনজনের ঠাপ ...
  • মকবুল ফিদা হুসেন - জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য
    বিনোদবিহারী সখেদে বলেছিলেন, “শিল্পশিক্ষার প্রয়োজন সম্বন্ধে শিক্ষাব্রতীরা আজও উদাসীন। তাঁরা বোধহয় এই শিক্ষাকে সৌখিন শিক্ষারই অন্তর্ভুক্ত করে রেখেছেন। শিল্পবোধ-বর্জিত শিক্ষা দ্বারা কি সমাজের পূর্ণ বিকাশ হতে পারে?” (জনশিক্ষা ও শিল্প)কয়েক দশক পরেও, পরিস্থিতি ...
  • আমি সংখ্যা লঘুর দলে...
    মানব ইতিহাসের যত উত্থান পতন হয়েছে, যত বিপদের সম্মুখীন হয়েছে তার মধ্যে বর্তমানেও যা প্রাসঙ্গিক রয়ে গেছে এমন কিছু সমস্যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে শরণার্থী সমস্যা। হুট করে একদিন ভূমিহীন হয়ে যাওয়ার মত আতঙ্ক খুব কমই থাকার কথা। স্বাভাবিক একজন পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে ...
  • প্রহরী
    [মূল গল্প – Sentry, লেখক – Fredric Brown, প্রথম প্রকাশকাল - ১৯৫৪] .......................
  • ইতিহাসের সঙ্কলন, সঙ্কলনের ইতিহাস - একটি বইয়ের প্রেক্ষাপট, উপক্রমণিকা
    ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টর্স ফোরামের তরফ থেকে, বেশ কিছু লেখালিখি একসাথে সাজিয়ে, একটা সঙ্কলন প্রকাশিত হলো।নাম, ইতিহাসের সঙ্কলন, সঙ্কলনের ইতিহাস।একটা উদবেগজনক আর দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতিতে আমরা এই বই প্রকাশ করেছি। সত্যি বলতে কি, এই বইয়ের জন্মের কারণই আমাদের উদবেগ, ...
  • সতী
    সতী : প্রথম পর্বপ্রসেনজিৎ বসুমেয়েটা মাসতিনেক হল এসেছে এই পাড়ায়।মেয়ে ? এই হয়েছে শালা এক মুশকিল ! বিয়ের পর মেয়েরা বউ হয়, কিন্তু ডিভোর্সের পর তারা কি বউই থাকে ? নাকি ফের মেয়ে বনে যায় ? জল জমে বরফ হয়। বরফ গললে আবার জল। কিন্তু এক্ষেত্রে ? ডিভোর্সি মহিলারা ঠিক ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

Salil Biswas প্রদত্ত সর্বশেষ দু পয়সা

লেখকের আরও পুরোনো লেখা >> RSS feed

কুর্নিশ

আজ ছিল নবমী। এই ৩রা সেপ্টেম্বর সন্ধ্যাবেলা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেমেয়েরা সল্ট লেকের লাবনী-র সামনে তাদের দাবী নিয়ে অকুতোভয়ে দাঁড়িয়েছিল উৎসবমুখর মানুষের সামনে, সবাইকে জানাতে যে তাদের শান্তিপূর্ণ সংগীতময় আন্দোলন ‘হোককলরব’ তাদের ন্যায্য সম্মান রক্ষার ন্যায্য দাবী। সেই ভয়হীনতা সহ্য হল না শাসকের। তারা পাঠিয়ে দিল তাদের ভাড়াটে পুলিশ বাহিনী। বন্ধ করতে হবে সাহসিকতা। চেষ্টা চলল ভীতিপ্রদর্শণের। বিশাল বাহিনী ধরে নিয়ে গেল তেরো জন তরুণ-তরুণীকে। আবার দাঁড়ালো লাঠির মুখে গানের সুর। আরও অনেক বার দাঁড়াবে। আরও

কলেজে ভর্তির মজারু গপ্পো

এখন সেপ্টেম্বর শেষ হতে চলল। ২০১৪ সাল।
সব কলেজে ভর্তি শেষ। প্রায় সব কলেজেই চলছে ঝরতি-পড়তিদের অনুনয়-বিনয়ের পালাও শেষ। যারা ভর্তি হয়েছে তাদের মধ্যে ভাগ্যবানেরা অন্য আরো “ভাল” কলেজে চলে গেছে। বাকিরা “টিউশনি স্যার/ম্যাডাম” খুঁজতে ব্যস্ত। অল্প কয়েকজন বই-টই কিনে ক্লাস করছে। অনেক কলেজে এই সদ্য “রুটিন” তৈরি হয়েছে।
নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়েছে।
শেক্সপীয়র সাহেব একটি নাটক লিখেছিলেন – “ম্যাকবেথ”। রাজা হবার লোভে আগের রাজা ডানকান-কে খুন করে নিজের রক্তাক্ত হাত দেখে ম্যাকবেথ স্বগতোক্তি করেছিল : This i

শিক্ষক দিবস ও সেই মেয়েটি

এই তো সেদিন, ৫ সেপ্টেম্বর, গেল “শিক্ষক দিবস”। বলছিলাম স্কুল থেকে ফেরার পথে এক বন্ধুকে, এই নিয়ে স্কুল কলেজ মিলিয়ে ৪৫টা শিক্ষক দিবসে হাজির থাকলাম আমি। ৪৫ বার ছাত্ররা আমাকে অভিনন্দিত করল, আমি তাদের এই নিয়ে ৪৫ বার স্নেহ ভালোবাসা জানালাম। আমার খুব ভালো লাগল এই নিয়ে ৪৫ বার। ওদেরও নিশ্চয় ভালো লাগল।
সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণাণকে স্মরণ করা হল। স্মরণ করা হল না লক্ষ লক্ষ গ্রামেগঞ্জে পড়ে থাকা সেই সব দরিদ্র সম্বলহীন শিক্ষকদের যাঁরা নানা প্রতিকূলতা আর স্থানীয় নেতাগুণ্ডাদের হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও চেষ্টা করে চলেছেন ত

হরির গল্প

এটা দ্বিতীয় বার দিচ্ছি। আগের পোস্টটা ভুলভাল। এখানে ঠিক করে দিলাম।
( আর একটি পূর্ব-প্রকাশিত গল্প। কমলাদি-র কথা বলতে গিয়ে বাস্তবের উপরে একটা আস্তরণ টেনেছিলাম। এই কাহিনীতে স্থান-কাল-পাত্রের নাম শুধু বদলানো হয়েছে। আর কিছু নয়। বাকি ঘটনা প্রায় অবিকৃত। আসুন, আমরা ভাবি, কেমন করে আমাদের সংস্পর্শে তথাকথিত “অপর”-গণকে কেমন করে পরিবর্তিত করে। যে সংস্কৃতি অন্তজ নয়, কেবল স্বতন্ত্র, তাকে বদলে দেবার, সেখানে হস্তক্ষেপ করার অধিকার আছে কি আমাদের? জানি না। )

একটি ছেলে আর একটি লোকের কথা লিখব এখানে। এদের

হরির গল্প

( আর একটি পূর্ব-প্রকাশিত গল্প। কমলাদি-র কথা বলতে গিয়ে বাস্তবের উপরে একটা আস্তরণ টেনেছিলাম। এই কাহিনীতে স্থান-কাল-পাত্রের নাম শুধু বদলানো হয়েছে। আর কিছু নয়। বাকি ঘটনা প্রায় অবিকৃত। আসুন, আমরা ভাবি, কেমন করে আমাদের সংস্পর্শে তথাকথিত “অপর”-গণকে কেমন করে পরিবর্তিত করে। যে সংস্কৃতি অন্তজ নয়, কেবল স্বতন্ত্র, তাকে বদলে দেবার, সেখানে হস্তক্ষেপ করার অধিকার আছে কি আমাদের? জানি না। )



একটি ছেলে আর একটি লোকের কথা লিখব এখানে। এদের দু’জনের কেউই গুরুত্বপূর্ণ মানুষ নয়। এদের কথা না জানলে কারো

কমলাদি

এটি একটি পূর্ব-প্রকাশিত গল্প। ‘নবান্ন’ পত্রিকায়। সনতারিখ মনে নেই। এই মুহূর্তে দরকারও নেই। অবশ্য এটাকে শুধু ‘গল্প’ বললে ভুল হবে হয়ত। যা ঘটেছিল (বা বলা ভালো, যা ঘটেছিল ত্তার যতটা আমার মনে আছে) তাই লিখেছিলাম। মাঝে মাঝে ফাঁকফোকর ভরে দিয়েছিলাম কল্পনা থেকে। নামগুলো পাল্টে নিয়েছিলাম। তাছাড়া, ঘটনা যেমন ঘটে তেমন লিখে ফেললে কেমন যেন ম্যাড়মেড়ে লাগে। ঘটনা তো শিল্প মেনে ঘটে না। তাই রংগুলোকে একটু চড়িয়ে নিতে হয়, একটু সীবনশিল্পের আশ্রয় নিতে হয়। এখানেও তাই করা হয়েছে। তবে তেমন বেশি নয় সেই মিশ্রণের পরিমাণ। আর একটা

আঁধারে মলিন হল

কালো একটা ছায়া পড়ে আছে গোটা উপত্যকা জুড়ে। প্রতি মুহূর্তে বন্দুকের নল ক্রূঢ় দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে আছে মানুষের দিকে। তুমি আতঙ্কবাদী, তুমি ভারতবিরোধী, তুমি ভারতের পক্ষে, তুমি দেশদ্রোহী, তুমি পাকিস্তানের পক্ষে, তুমি পাকিস্তানবিরোধী, তুমি দেশদ্রোহী, তুমি আমার শত্রু। তোমাকে শায়েস্তা রাখতে হবে।
ভূস্বর্গের অসামান্য নৈসর্গিক সৌন্দর্য ম্লান হয়ে থাকে ভীতির বাতাবরণে। শুধু প্রহরীদের নয়, তথাকথিত জঙ্গিদেরও কম ভয় পায় না মানুষ।
আমার খেরোর খাতার মূল বিষয় থেকে একটু সরে এসে লিখছি এটা। অল্প ক’টা কথা।
আমি এ

বছর পরে ফিরে দেখা

[এই লেখাটি আরও পরে এখানে দেব ভেবেছিলাম। কিন্তু, এক, আমি তথা আমরা সকলের মতামত চাই, নিজেদের বুঝে নিতে; দুই, এই লেখাটি অন্য নামে, কিছুটা অন্য রূপে ‘শ্রমজীবী স্বাস্থ্য’ পত্রিকায় ছাপা হয়েছে, কাজেই এখানে তা দিয়ে দেওয়া যায়। তাছাড়া, শুধু বিবরণ পড়তে আপনাদের সারাক্ষণ ভালো লাগবে না, সেটা স্বাভাবিক। আপনাদের অনুরোধ, এই লেখাটি এবং অন্য যা লিখব পড়ে, খোলাখুলি মতামত জানাবেন। সোজা আমাকে লিখুন এই ঠিকানায় – bissal@rediffmail.com . আপনাদের অকৃপণ উপদেশ আমাদের সঠিকতর হয়ে উঠতে সাহায্য করবে।]


শ্রমজীবী বিদ্

খুব সংক্ষেপে ঘটনাক্রম – যেখান থেকে শুরু স্কুলের পথচলা – লিখে দিয়েছেন কৃশানু মিত্র

১। দীর্ঘদিন ধরে শ্রমজীবী হাসপাতাল প্যারামেডিক্যাল শিক্ষাদানে সফল ভূমিকা নিয়েছিল। কিন্তু ডক্টরস অ্যাসিস্ট্যান্ট কোর্স নিয়ে চিন্তাভাবনা থাকলেও তা প্রয়োগে নিজেদেরই দ্বন্দ্ব ছিল, যা কাটিয়ে উঠতে আমাদের দীর্ঘ সময় লেগেছে।
২। এই বিষয়ে প্রথম মিটিং হয় ২০১২ সালে নভেম্বর মাসে। মিটিঙে অংশগ্রহণ করেন ডাক্তার গৌরীপদ দত্ত, দীপাঞ্জন রায়চৌধুরী, ডাক্তার তাপস ভট্টাচার্য, শুভাশীষ মুখার্জি ও বিশিষ্ট আরো কিছু ব্যক্তিবর্গ। মিটিং হয় শ্রমজীবী বেলুড় হাসপাতালে।
৩। কেজি টু পিজি ভাবনার কথা আমরা আগেই ঘোষণা করেছিলাম, কি

গন্তব্যের গোড়ায়

প্রথম জানতে পারি দীপাঞ্জনের (রায়চৌধুরি) কাছ থেকে, শ্রমজীবী হাসপাতাল একটি স্কুল তৈরির কথা ভাবছে। আমি কি আগ্রহী? আগ্রহী তো বটেই, এই রকম যে কোনো প্রচেষ্টায় আমি আগ্রহী। কিন্তু এই স্কুল তৈরির কথা শুনে শুনে কান পচে গেছে, ‘আপনাকে বলছি স্যার’ পড়লেই স্কুল করার কথা মনে পড়ে, আর ক’দিন পরেই আরও অনেক ভালো ইচ্ছার মত এও উপে যায়। না, না, এনাদের কথা শুনে মনে হচ্ছে এঁরা সিরিয়াস। স্কুলটা ওঁরা করতে চাইছেন আমাদের পদ্ধতি মেনে, আমাদের একেবারে ফ্রি হ্যান্ড দেবেন। দরিদ্র কিন্তু মেধাবী ছেলেমেয়েদের নিয়ে হবে স্কুল। পুরো ফ্র
>> লেখকের আরও পুরোনো লেখা >>

এদিক সেদিক যা বলছেনঃ

05 Oct 2014 -- 03:53 PM:মন্তব্য করেছেন
সত্যি কি কিছু করতে পারি না আমরা? আমার এক অগ্রজ অর্থনীতিবিদ বলেছিলেন, নিজের কাজটা নিজের মত করে যাওয়াট ...
25 Sep 2014 -- 01:02 PM:মন্তব্য করেছেন
সে = অনেক কিছুই তো তাও লিখিনি।
25 Sep 2014 -- 12:43 PM:মন্তব্য করেছেন
আর এক ছাত্র = কোন কথাটার কথা জানতে চেয়েছেন বুঝলাম না ... একটু উল্লেখ করে বলুন। এখানে কিছু কোনো বই থ ...
16 Sep 2014 -- 01:10 PM:মন্তব্য করেছেন
তুই তো অনেক জরুরী কাজ করছিস, খুকু। ওই কাজেই তো বাবার ভাবনা মিশে আছে। তোর স্কুল অনেক বড় হবে। বাবা খুব ...
15 Sep 2014 -- 10:57 PM:মন্তব্য করেছেন
না না, এভাবে লোককে হেনস্থা করা ঠিক না। কী আর করেছে? কটা টাকা মেরেছে, তার বেশি কিছু তো নয়!
09 Aug 2014 -- 07:35 PM:মন্তব্য করেছেন
http://www.guruchandali.com/blog/2014/08/08/1407511704850.html?author=salil.biswas#.U-Ypoi8cRMs = E ...
08 Aug 2014 -- 09:12 PM:ভাটে বলেছেন
আমি সলিল বিশ্বাস। আমার খেরোর খাতাতে শেষ পোস্টটা আমার ভুলে একদম ঘেঁটে গেছে। ওটা মুছে ফেলতেও পারছি না। ...
08 Aug 2014 -- 09:07 PM:মন্তব্য করেছেন
এই লেখাটা কেউ প্ড়বেন না। আগে পরে পোস্ট হয়ে সব গোলমাল হয়ে গেছে ... এটা আবার নতুন করে পোস্ট করতে হবে। ...
08 Aug 2014 -- 09:00 PM:মন্তব্য করেছেন
যে কোনো কারণেই হোক, বস্তিগুলিতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়, মহিলারা ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার ব্যাপারে ...
06 Jul 2014 -- 11:30 PM:মন্তব্য করেছেন
চমৎকার!
05 Jun 2014 -- 08:59 PM:মন্তব্য করেছেন
কল্লোল। আকারে বাড়াবার ইচ্ছে নেই আমার। কিন্তু এইট নাইন হতেই নতুন এইট এসে ঢুকে পড়েছে। দেখা যাক কী হয়। ...
15 Apr 2014 -- 02:48 PM:মন্তব্য করেছেন
রাস্তা নিয়ে বলে চলেছি, গন্তব্যর সঙ্গে তার যোগাযোগ গভীর বলে। তবে, রাস্তা (আপাতত) শেষ হয়ে আসছে।
31 Mar 2014 -- 09:21 PM:মন্তব্য করেছেন
সবটাই লেখার ইচ্ছে আছে। যখন যতটা পারি।
03 Oct 2013 -- 10:41 PM:ভাটে বলেছেন
শুরু করা যাক। এভারেট রাইমার নামে এক ভদ্রলোক একটা কথা বলেছিলেন যেটা আমার খুব পছন্দ। বলেছিলে ...
03 Oct 2013 -- 10:36 PM:ভাটে বলেছেন
শুরু করা যাক। এভারেট রাইমার নামে এক ভদ্রলোক একটা কথা বলেছিলেন যেটা আমার খুব পছন্দ। বলেছিলেন ...