Muradul islam RSS feed
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • শীঘ্রই বের হতে যাচ্ছে সফল ক্যান্সার প্রতিশেধক, অপেক্ষা হিউম্যান ট্রায়ালের
    খুব সম্প্রতি চিকিৎসাবিজ্ঞানের জগতে পাওয়া গেছে এক অবাক করা সাফল্য। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এরকম একটি ক্যান্সার প্রতিষেধক কে ইঁদুরের উপর প্রয়োগ করে অসাধারণ ফলাফল পাওয়া গেছে। আর তাই এখন একে মানুষের উপর প্রয়োগ করার চিন্তা করা হচ্ছে। এই বছরেরই ৩১ ...
  • কে পাচ্ছে এবারের বিশ্বকাপ? শুনে নেয়া যাক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ভবিষ্যদ্বাণী...
    বিশ্বকাপ শুরু হয়েছে, আর সবাই তাদের নিজেদের ভবিষ্যদ্বাণী দেয়াও শুরু করেছে। খেলাধুলার ক্ষেত্রে কিছু কিছু ভবিষ্যৎবাণী করা অনেকটা সহজ যেমন ধরুন আজকের ব্রাজিল বনাম কোস্টারিকা ম্যাচ কে জিতবে, অথবা এখন যে ম্যাচটা চলছে সেটা কি ড্রাগ হবে নাকি হবে না। এর চাইতে ...
  • আমার লেখা অনুবাদ করার সময় এসে গেছে – ছফা [পুনর্পাঠ]
    নয়ের দশকে ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানে জেনারেল এরশাদ সরকারের পতন একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। সেই রক্তাক্ত আন্দোলনের শ্লোগানার, কমরেডের লাশ ও লিটিল ম্যাগের ভুত মাথার ভেতর বয়ে বেড়ানোর কালে সাংবাদিকতার প্রথম পাঠে মুখোমুখি হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল কয়েক গুনিজনের। তারা ছিলেন আমাদের ...
  • কুলীন ব্রাহ্মণের কন্যা, বিবাহ বণিক এবং রবার্ট মার্টনের সমাজচিন্তা
    ব্রাহ্মণদের বহুবিবাহ প্রথার জন্য প্রায় উনবিংশ শতক পর্যন্ত বাঙ্গালী সমাজ কলঙ্কিত ছিল। পশ্চিমবঙ্গ বা রাঢ় অঞ্চলে ব্রাহ্মণের অভাবের কারণে একাদশ শতাব্দীতে উত্তর ভারতের কনৌজ থেকে বাংলায় ৫টি গোত্রের ব্রাহ্মণকে আনা হয় বলে জানা যায়। এরাই বাংলায় কুলীন ব্রাহ্মণ নামে ...
  • ওয়াতন তেরে লিয়ে
    এখানে সবুজের ছড়াছড়ি। সবুজ মাঠের শেষে, সবুজ টিলার দল মাথা তুলতে তুলতে মিশে গেছে ধোঁয়ার মতো দলমা পাহাড়ে। আগে ছিল ঘন জঙ্গল। তখন নাম ছিল জারাগোড়া। হাতিদের দেশ। মাঝে মাঝে কয়েক ঘর আদিবাসীর ঝুপড়ি। খানিকটা চাষের জমি। আর তাদের ঘিরে ঘন শালের বন। তারপর জানা গেল এ ...
  • ট্রেড ওয়ার ও ট্রাম্প শুল্ক নিয়ে কিছু সাধারণ আলোচনা
    বর্তমানে আলোচনায় আসা সব খবরের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের বিলিয়ন ডলার মূল্যের উপর কঠিন শুল্ক বসিয়ে দিয়েছে, যাদের মধ্যে ডিশ ওয়াশার থেকে শুরু করে এয়ারক্রাফট টায়ার সবই আছে। চায়না অনেক দিন ধরেই এই হুমকির মুখে ...
  • নারীবাদ নিয়ে ইমরান খানের বক্তব্য ও নারীবাদে মাতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক
    সম্প্রতি একটা খবর পড়লাম। পাকিস্তান তেহরিক ই ইনসাফ এর নেতা ও পাকিস্তান দলের সাবেক ক্রিকেটার ইমরান খান বলেছেন, তিনি পশ্চিমাদের থেকে আমদানি করা নারীবাদ সমর্থন করেন না। তার নারীবাদকে সমর্থন না করবার কারণও তিনি জানান, তার মতে নারীবাদ মাতৃত্বের মর্যাদাকে ছোট ...
  • রেনবো জেলি: যেমন লাগলো দেখে.....
    ইপ্সিতা বলল, রিভিউ লেখ। আমি বললাম, আমি কি সিনেমা বুঝি নাকি? ইপ্সিতা বলল, যা দেখে ভাল লাগল তাই লেখ। আমি বললাম, তবে তাই হোক।সিনেমা র নাম, রেনবো জেলি। ইউটিউবে ট্রেলার দেখেই বড্ড ভাল লাগল। তাই রিলিজ করার পরের দিনই আমার চারবছুরের কন্যে সহ আমি হলমুখী।টাইটেল ...
  • বর্ষা ও খিচুড়ি
    বর্ষাকাল। তিনদিন ধরে ঝমঝম করে বৃষ্টি হয়েই চলেছে। আমাদেরও ইস্কুল টিস্কুল বন্ধ। রাস্তায় এক হাঁটু জল। মায়েরও আজ অফিস যাওয়ার উপায় নেই। কি মজা। যদিও পুরোনো বাড়ির ছাদ চুঁইয়ে জল পড়ছে, ঘরের মেঝেতে ড্যাম্প, জামাকাপড় না শুকিয়ে স্যাঁতস্যাঁত করছে, কিন্তু তাতে আমাদের ...
  • বিশ্বাস, পরিবর্তন ও আয়ার্ল্যান্ড
    সম্প্রতি আয়ার্ল্যান্ডে আইনসিদ্ধ হল গর্ভপাত । যদিও এ সিদ্ধান্তকে এখনও অপেক্ষা করতে হবে রাষ্ট্রপতির আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের জন্য, তবু সকলেই নিশ্চিত যে, সে কেবল সময়ের অপেক্ষা । এ সিদ্ধান্ত সমর্থিত হয়েছে ৬৬.৪ শতাংশ ভোটে । গত ২৫ মে (২০১৮) এ ব্যাপারে আইরিশ সংসদের ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

Muradul islam প্রদত্ত সর্বশেষ দু পয়সা

লেখকের আরও পুরোনো লেখা >> RSS feed

হউল মাছের মজা

এইবার আমি যেই গল্পটি বলব আপনাকে তা কিন্তু আমার জীবনের না সরাসরি, তবে একেবারে আমার জীবনের না তাও বলা যায় না, বরং একরকম জীবনের সাথে সংযুক্ত বলা যায়; কিন্তু একেবারে নিজের গল্প যেমন, যেমন আমার ছেলেবেলার গল্প, আলোর ইস্কুলে যাবার গল্প, কিংবা কিংবা দূর দীঘির জলে ডুব নিয়ে পাতাল থেকে কীসব লতাগুল্ম ফল নিয়ে আসার গল্প, ঐসব যেমন আর কি একেবারে আমার নিজের জীবনের, এমন না কিন্তু গল্পটা, তাই অনুমতি প্রার্থনা করছি, গল্পটা কি বলব, মহাশয়?

হ্যা, কোন সমস্যা নেই। আপনি বলে যান।

আসলে হয়েছে কি, এটাও অনে

নিজেকে চেনার শুরু

রাতের শুরুর দিকে আমি গিয়েছিলাম থিয়েটারে, দারুণ সব নৃত্যগীত হবে, হবে সার্কাস ম্যাজিক। নাম জানা অনেক দেশ বিদেশ থেকে এসেছেন শিল্পী ও কলাকুশলীরা। তাদের নাম যশ খ্যাতি দিগন্ত বিস্তৃত। পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গিয়েছিল আমাদের শহরের রাস্তাঘাট, দোকানপাট। এই কয়দিন এই অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে ছিল মহা উৎসবের আমেজ।

রাত বাড়ার সাথে সাথে মানুষের ঢল নামল থিয়েটারে। যেন শহর উজার করে চলে এসেছে সবাই।
সিটে বসে আছি আমি, একেবারে পিছনের দিকে। দর্শকদের বিমোহিত করছিল নৃত্যগীত, অভিনয়। আমার হাই উঠল, ঘুম পেল। মনে হলো সব

হিমুর মনস্তত্ত্ব

সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্যারিশমাটিক চরিত্র হিমু। হিমু একজন যুবক, যার ভালো নাম হিমালয়। তার বাবা, যিনি একজন মানসিক রোগী ছিলেন; তিনি ছেলেকে মহামানব বানাতে চেয়েছিলেন। হিমুর গল্পগুলিতে হিমু কিছু অদ্ভুত কাজ করে, অতিপ্রাকৃতিক কিছু শক্তি তার আছে বলে মনে হয়, কিন্তু সে কখনো তা স্বীকার করে না, এ নিয়ে প্রশ্নের মুখে সে রহস্যময় হাসি হাসে।

এই চরিত্রের প্রায় গল্পই সম্ভবত হিমুর নিজস্ব বয়ানে লেখা। হিমুর পোশাক হলুদ পকেটবিহীন পাঞ্জাবি, খালি পায়ে সে হেঁটে বেড়ায়, এবং সে রাতে হাঁটে, সে অদ্ভু

আকাশী ম্যাডাম

রাত বারোটা আটাশ মিনিট এবং আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম নগরীর জিন্দাবাজার এলাকায় একটি অর্ধ নির্মিত, ভগ্ন দশাগ্রস্ত চেহারার বহুতল ভবনের পাশে। তখন বৃষ্টি নামল আকাশ ভেঙ্গে। বড় বড় ফোঁটায় নামল ঝমঝম করে। আমি দৌড়ে গিয়ে বিল্ডিংটার বারান্দায় আশ্রয় নিলাম।

শহর যেন থেমে গেছে আমার মনে হলো।

বৃষ্টির বড় ফোঁটাগুলিকে আমি রাস্তায় পড়তে দেখছিলাম। ছোটবেলা থেকেই আমার মনে হয় প্রতিটি বৃষ্টির ফোঁটা মানুষকে স্পর্শ করার জন্যই আসমান থেকে লাফ দেয়। এর মাত্র ক্ষুদ্র একটি অংশ তাদের উদ্দেশ্যে সফল হয়। আর বাকীরা স্থলে পড়ে,

হেলেন

এমন হয়, প্রায়শই হয়। কথাবার্তায় উঠে আসে কোনও কোনও নাম। আমাদের লেখকের ক্ষেত্রেও তাই হলো। লেখক ও তার বন্ধু হাসানুজ্জামান ইনু সেইদিন রাত আটটা ন’টার দিকে জিন্দাবাজারে হাঁটছিলেন। তারা বাদাম খাচ্ছিলেন এবং বলছিলেন যে রিকাবিবাজার যাবেন, ও সেখানে গুড়ের চা খাবেন।

তখন শীতের সময়। চারিদিকে পড়েছে শীত। মানুষজন গরম কাপড় পরে বের হয়েছেন। অনেকে ব্যস্তভাবে হাঁটছেন, অনেকে দাঁড়িয়ে ভাপা পিঠা খাচ্ছেন। ব্যস্ত রাতের পূণ্যভূমি।

এমন অবস্থায় আমাদের লেখক ও তার বন্ধু হাঁটতে হাঁটতে বললেন হেলেনের কথা। ইনু বললে

নিউ এইজ জিগোলো সার্ভিস

আমি, দিপু, অপু আর বিপ্রদাশ; চার বন্ধু একসাথে মিলে সন্ধ্যার পরে চা খাই আর জগতের নানাবিদ বিষয় নিয়া আলোচনা করি। আমাদের জীবন প্রায় নিস্তরঙ্গ, তাতে বিশেষ কোন চড়াই উৎরাই নাই। ফলে আমরা জগত সংস্লিষ্ট আলাপের ফুসরত পাই এবং আমাদের মনে হয় এটা খুবই গুরুত্বপূর্ন এক কাজ।

এইসব আলাপের চরিত্র কীরকম হয়, তা হয়ত আপনাদের অনেকেই বুঝতে পারছেন। পরিচিত, দূর পরিচিত মহিলা ও পুরুষদের বিষয়ে, ছেলে ও মেয়েদের বিষয়ে, নানা রাজনৈতিক বিষয় নিয়া, কখনো কখনো হালকা দার্শনিক বিষয়াবলীও আমাদের আলোচনায় চলে আসে। কিন্তু কোন আলাপই আম

পিপীলিকার পাখা

এক
আরমান সাহেব তার কাজের ছেলে মজনুকে জিজ্ঞেস করলেন, “এতে কি হবে বলছিস?”

মজনু মাথা নেড়ে বলল, “জি স্যার। এই বেপারে নিশ্চিন্ত থাকেন। বইন্যার সময় দেখেন না পিঁপড়া নাই হইয়া যায়। বলেন তো তারা কই যায়?”

আরমান সাহেব আসলেই বুঝতে পারলেন না বন্যার সময় পিঁপড়াগুলো কোথায় যায়। এ নিয়ে তিনি আগে কখনো চিন্তা করেন নি। মজনুকে জিজ্ঞেস করলেন, “কোথায় যায়?”

মজনু হাসিমুখে বলল, “মাটির নিচে যায়। গিয়া সেইখানে বইসা থাকে। আর যারা সাহসী আছে তা

আমরহস্য

শহরে একজন বড় পীরের মাজার আছে তা আপনি জেনে থাকবেন, পীরের নাম শাহজালাল, আদি নিবাস ইয়ামন দেশ। তিনি এস্থলে এসেছিলেন এবং নানাবিদ লৌকিক অলৌকিক কাজকর্ম করে অত্র অঞ্চলে স্থায়ী আসন লাভ করেছেন। গত হয়েছেন তিনি অনেক আগেই, কিন্তু তার মাজার এখনো জাগ্রত। প্রতিদিন দূর দূরান্ত থেকে মানুষেরা আসেন, আসেন ভক্ত আশেকান। নানাজন নানা মানত করেন, গান বাজনা করেন, অনেকে বলেন এইসব বেদাত। এইভাবেই চলে আসছে আর আমরা এই মাজারকে দরগা বলে ডাকি।

ঘটনাটি এই দরগাকে নিয়ে, বা দরগার বিস্ময়কর আমগাছটিকে নিয়ে। আমগাছটি সাধারণ আমগাছ,

মসলিন চাষী

ঘুমালে আমি হয়ে যাই মসলিন চাষী, বিষয়টা আপনাদের কাছে হয়ত বিশ্বাসযোগ্য মনে হবে না, কিন্তু তা সত্য এবং এক অতি অদ্ভুত ব্যবস্থার মধ্যে আমি পড়ে গেছি ও এর থেকে নিস্তারের উপায় কী তা আমার জানা নেই; কিন্তু শেষপর্যন্ত আমি লিখে যাচ্ছি, যা থাকে কপালে, যখন আর কিছু করা সম্ভব না এবং যখন অতি অবাস্তব এক পরিণতির দ্বারপ্রান্তে এসে আমি উপস্থিত হয়েছি তখন এ ভিন্ন আর কিছু আমার মাথায় আসছে না;

ঘটনা হচ্ছে ঘুমালে আমি হয়ে যাই মসলিন চাষী, এবং তা শুরু হয়েছে মাত্র দুয়েকদিন আগে থেকে, আমি দেখলাম আমি একটি রাস্তা দিয়ে হেটে

কয়েকটি রঙিন স্যান্ডেল

সেদিন সন্ধ্যায় সৈয়দ শামসুর রহমানের মনে হল তিনি জীবনে ব্যর্থ হয়েছেন। তার ব্যর্থতার পরিমাণ দেখে তিনি নিজেই বিস্মিত হলেন। তার গলা শুকিয়ে গেল অতীতের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ছন্নছাড়া কিছু চিন্তা করে। সৈয়দ শামসুর রহমান বিছানায় শুয়ে ছিলেন। তিনি উঠে বসলেন। বিছানার লাগোয়া আলনাতে অগোছালো কাপড় চোপড়ের মধ্য থেকে খয়েরী ময়লা পাঞ্জাবীটা নিয়ে পরে ফেললেন। তারপর হালকা নিঃশ্বাস ছেড়ে ডাক দিলেন, ময়না মিয়া, ময়না মিয়া!

কেউ কোন উত্তর দিল না।

সৈয়দ শামসুর রহমান আবার ডাকলেন। এবার গলার স্বর আরেকটু গম্ভীর এবং শব্
>> লেখকের আরও পুরোনো লেখা >>

এদিক সেদিক যা বলছেনঃ

31 Jan 2017 -- 03:24 PM:মন্তব্য করেছেন
@প্রশ্ন > বেইল নাই অর্থ টাইম নেই। অর্থহীন। বেইল শব্দটি 'বেলা' শব্দের সিলেটি রূপ।
11 Feb 2016 -- 03:46 PM:মন্তব্য করেছেন
আপনি ঠিক বলেছেন। এটা ফ্যাতাড়ু দ্বারা অনপ্রাণিত, তেমন অরিজিনাল কিছু না।