Muradul islam RSS feed
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • কালচক্রের ছবি
    বৃষ্টিটা নামছি নামছি করছিল অনেকক্ষন ধরে। শেষমেশ নেমেই পড়ল ঝাঁপিয়ে। ক্লাশের শেষ ঘন্টা। পি এল টি ওয়ানের বিশালাকৃতির জানলার বাইরে ধোঁয়াটে সব কিছু। মেন বিল্ডিং এর মাথার ওপরের ঘড়িটা আবছা হয়ে গেছে। সব্যসাচী কনুই দিয়ে ঠেলা মারল। মুখে উদবেগ। আমারও যে চিন্তা ...
  • এয়ারপোর্টে
    ১।আর একটু পর উড়ে যাবভয় করেকথা ছিল কফি খাবফেরার গল্প নিয়েকত সহজেই না-ফিরেফুল হয়ে থাকা যায়যারা ফেরে নি উড়ার শেষেতাদের পাশ দিয়ে যাইভয় আসেকথা আছে কফি নেব দুজন টেবিলে ফেরার পর ২।সময় কাটানো যায়শুধু তাকিয়ে থেকেতোমার না বলা কথাওরা বলে দেয়তোমার না ছুঁতে পারাওরা ...
  • ভগবতী
    একদিন কিঞ্চিৎ সকাল-সকাল আপিস হইতে বাড়ি ফিরিতেছি, দেখিলাম রাস্তার মোড়ের মিষ্টান্নর দোকানের সম্মুখে একটি জটলা। পাড়ার মাতব্বর দু-চারজনকে দেখিয়া আগাইয়া যাইলাম। বাইশ-চব্বিশের একটি যুবক মিষ্টির দোকানের সামনের চাতালে বসিয়া মা-মা বলিয়া হাপুস নয়নে কাঁদিতেছে আর ...
  • শীতের কবিতাগুচ্ছ
    ফাটাও বিষ্টুএবার ফাটাও বিষ্টু, সামনে ট্রেকার,পেছনে হাঁ হাঁ করে তেড়ে আসছে দিঘাগামী সুপার ডিলাক্স।আমাদের গন্তব্য অন্য কোথাও,নন্দকুমারে গিয়ে এক কাপ চা,বিড়িতে দুটান দিয়ে অসমাপ্ত গল্প শোনাব সেই মেয়েটার, সেই যারজয়া প্রদার মত ফেস কাটিং, রাখীর মত চোখ।বাঁয়ে রাখো, ...
  • তঞ্চক প্রবঞ্চক - একটি নাটক দেখার অভিজ্ঞতা
    ন্যায় কী? মর‍্যালিটিই বা কী?বিশুদ্ধবাদীদের মতে, কিছু শাশ্বত সত্যি তো থাকবেই, এবং কিছু শাশ্বত মানবিক নীতিবোধ। যেমন, চুরি কোরো না, লোক ঠকিয়ো না বা মানুষ মেরো না।কিন্তু, একজন মানুষ যদি লোক ঠকায়, মানুষকে শোষণ করে, অত্যাচার করে - তাকে পাল্টা ঠকানো, বা তাকে ...
  • কুহু কেকা ডাকে
    নিমো গ্রামের বাকি ছেলেদের মতন আমারও হৃদয়ে আপন করে নেবার ক্ষমতা ভালোই ছিল। কিন্তু একটা জিনিস বাদ দিয়ে, আর সেটা আমি অনেক পরে বুঝতে পেরেছিলাম – সেগুলি ছিল সো কলড্‌ প্রফেশ্যানাল লাইফে ‘সফট স্কিল’ জাতীয় ট্রেনিং। আগে এমন ট্রেনিং-এর শুরুতে বেশ ফালতু টাইপের জিনিস ...
  • মায়ের কাজ
    আমি একজন সাধারণ মধ্যবিত্ত স্বনির্ভর মহিলা। অন্য পরিচয় আমি একজন স্কুল পড়ুয়া শিশুর মা। রাজনীতিতে আগ্রহ থাকলেও সক্রিয়ভাবে কখনো কিছু করে ওঠা হয়নি। তবে বামপন্থী বাড়িতে বড় হবার সুবাদে শ্রেণী সংগ্রাম শব্দবন্ধটির সঙ্গে বেশ পরিচিত। যত বয়স বাড়ছে তত বেশি করে ...
  • ক্রিকেট ক্রিকেট
    আমি না ক্রিকেটে ওপেন করতাম আর উইকেট-কিপিং করতাম। এবং স্কুল-পাড়া লেভেলে খুব খারাপ করতাম না। সিএবির ইন্টার-স্কুল ক্রিকেট - যাকে সামার ক্রিকেট বলা হত - সেই টুর্নামেন্টে একবছর শুধু খেলিইনি, একটি গুরুত্বপূর্ন ম্যাচে ক্রিটিকাল টাইমে মিড-অনে দাঁড়িয়ে একটি ...
  • ভুখা বাংলাঃ '৪৩-এর মন্বন্তর (পর্ব ৪)
    'একটা কোনো দেশকে ছাড় দিলেই হয়ে গেল- আর দেখতে হবে না; সবাই মিলে একেবারে 'দাও' দাও' বলে চীৎকার জুড়ে দেবে'- ৪৩'এর ১০ই মার্চ ওয়ার ক্যাবিনেটের এক মেমোতে মন্তব্য করবেন চার্চিল, কলোনিগুলিতে যুদ্ধকালীন খাদ্যসরবরাহ নিয়ে কথা বলছিলেন তখন তিনি-'আমাদের ...
  • ফেসবুক সাহিত্য
    মুখস্থ বিদ্যাটা বরাবরের কম। তবুও ক্লাস সেভেনে হেগেমেতে কোনরকমে শক্তির সংজ্ঞাটা মুখস্থ করেছিলাম -- শক্তি অবিনেশ্বর, ইহার সৃষ্টি বা বিনাশ নেই, শক্তি এক শক্তি থেকে অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয় মাত্র । সংজ্ঞাটিকে এবার ফেসবুকে পোষ্ট করা কোনো আপাত "মৌলিক" লেখার ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

Muradul islam প্রদত্ত সর্বশেষ দু পয়সা

লেখকের আরও পুরোনো লেখা >> RSS feed

ক একটি গল্প

পিরিতি বিষয়ক সত্যালাপ

প্রেম পিরিতি নিয়া আপনারা যেসব কথাবার্তা বলেন, অধিকাংশই ইডিয়টিক, ফালতু সব ভাবাবেগে আক্রান্ত, এবং একথা আপনারাও জানেন, আমি এবং অন্যসব জীবজন্তুরা আমরা সবাই জানি যে ঐসব রোমান্টিক কথাবার্তার পিছনে কোন যুক্তি নাই, যেমন ভূতের গল্পের যুক্তি নাই, সাত আসমানের যুক্তি নাই, এবং আরো অনেক কিছুরই নাই;

কিন্তু তাও চলে এসব, মানুষরে বুজরুকী দিয়া চালান চালাকেরা, এবং নির্জলা যৌন আকর্ষণরে প্রেম পিরিতি ও স্বর্গীয় জিনিস ভাইবা আনন্দ পান, নিজেদের বিশেষ মনে করে অন্য জীব জানোয়ারে

আলী ও কাঠবিড়ালী

এক

শাফাকাত আলী অনেক আগে গ্রাম ছেড়েছিলেন। এখন ষাটোর্ধ্ব বয়সে তিনি আবার গ্রামে ফিরলেন। না ফিরে উপায় ছিল না। শহুরে দুনিয়ার অবস্থা ভালো না। যুদ্ধ যুদ্ধ পরিস্থিতি চারিদিকে। বিশ্ব পরিস্থিতিও খারাপ, একেক দেশ তাদের মানববিধ্বংসী অস্ত্র নিয়ে উন্মত্ত শিং উঁচানো ষাঁড়ের মতো লাফাচ্ছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন আরেকটা বড় যুদ্ধ এবার হবেই।

শাফাকাত আলী ভয়ে ফিরে এসেছেন প্রত্যন্ত গ্রামে এমন ভাবার কোন কারণ নেই। ভয়ে তিনি আসেন নি। এসেছেন সামাজিক ও পারিবারিক অমানবিকতায় ক্ষুব্ধ হয়ে। তার পুত্র কন্যা সবাই বিদেশ

হউল মাছের মজা

এইবার আমি যেই গল্পটি বলব আপনাকে তা কিন্তু আমার জীবনের না সরাসরি, তবে একেবারে আমার জীবনের না তাও বলা যায় না, বরং একরকম জীবনের সাথে সংযুক্ত বলা যায়; কিন্তু একেবারে নিজের গল্প যেমন, যেমন আমার ছেলেবেলার গল্প, আলোর ইস্কুলে যাবার গল্প, কিংবা কিংবা দূর দীঘির জলে ডুব নিয়ে পাতাল থেকে কীসব লতাগুল্ম ফল নিয়ে আসার গল্প, ঐসব যেমন আর কি একেবারে আমার নিজের জীবনের, এমন না কিন্তু গল্পটা, তাই অনুমতি প্রার্থনা করছি, গল্পটা কি বলব, মহাশয়?

হ্যা, কোন সমস্যা নেই। আপনি বলে যান।

আসলে হয়েছে কি, এটাও অনে

নিজেকে চেনার শুরু

রাতের শুরুর দিকে আমি গিয়েছিলাম থিয়েটারে, দারুণ সব নৃত্যগীত হবে, হবে সার্কাস ম্যাজিক। নাম জানা অনেক দেশ বিদেশ থেকে এসেছেন শিল্পী ও কলাকুশলীরা। তাদের নাম যশ খ্যাতি দিগন্ত বিস্তৃত। পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গিয়েছিল আমাদের শহরের রাস্তাঘাট, দোকানপাট। এই কয়দিন এই অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে ছিল মহা উৎসবের আমেজ।

রাত বাড়ার সাথে সাথে মানুষের ঢল নামল থিয়েটারে। যেন শহর উজার করে চলে এসেছে সবাই।
সিটে বসে আছি আমি, একেবারে পিছনের দিকে। দর্শকদের বিমোহিত করছিল নৃত্যগীত, অভিনয়। আমার হাই উঠল, ঘুম পেল। মনে হলো সব

হিমুর মনস্তত্ত্ব

সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্যারিশমাটিক চরিত্র হিমু। হিমু একজন যুবক, যার ভালো নাম হিমালয়। তার বাবা, যিনি একজন মানসিক রোগী ছিলেন; তিনি ছেলেকে মহামানব বানাতে চেয়েছিলেন। হিমুর গল্পগুলিতে হিমু কিছু অদ্ভুত কাজ করে, অতিপ্রাকৃতিক কিছু শক্তি তার আছে বলে মনে হয়, কিন্তু সে কখনো তা স্বীকার করে না, এ নিয়ে প্রশ্নের মুখে সে রহস্যময় হাসি হাসে।

এই চরিত্রের প্রায় গল্পই সম্ভবত হিমুর নিজস্ব বয়ানে লেখা। হিমুর পোশাক হলুদ পকেটবিহীন পাঞ্জাবি, খালি পায়ে সে হেঁটে বেড়ায়, এবং সে রাতে হাঁটে, সে অদ্ভু

আকাশী ম্যাডাম

রাত বারোটা আটাশ মিনিট এবং আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম নগরীর জিন্দাবাজার এলাকায় একটি অর্ধ নির্মিত, ভগ্ন দশাগ্রস্ত চেহারার বহুতল ভবনের পাশে। তখন বৃষ্টি নামল আকাশ ভেঙ্গে। বড় বড় ফোঁটায় নামল ঝমঝম করে। আমি দৌড়ে গিয়ে বিল্ডিংটার বারান্দায় আশ্রয় নিলাম।

শহর যেন থেমে গেছে আমার মনে হলো।

বৃষ্টির বড় ফোঁটাগুলিকে আমি রাস্তায় পড়তে দেখছিলাম। ছোটবেলা থেকেই আমার মনে হয় প্রতিটি বৃষ্টির ফোঁটা মানুষকে স্পর্শ করার জন্যই আসমান থেকে লাফ দেয়। এর মাত্র ক্ষুদ্র একটি অংশ তাদের উদ্দেশ্যে সফল হয়। আর বাকীরা স্থলে পড়ে,

হেলেন

এমন হয়, প্রায়শই হয়। কথাবার্তায় উঠে আসে কোনও কোনও নাম। আমাদের লেখকের ক্ষেত্রেও তাই হলো। লেখক ও তার বন্ধু হাসানুজ্জামান ইনু সেইদিন রাত আটটা ন’টার দিকে জিন্দাবাজারে হাঁটছিলেন। তারা বাদাম খাচ্ছিলেন এবং বলছিলেন যে রিকাবিবাজার যাবেন, ও সেখানে গুড়ের চা খাবেন।

তখন শীতের সময়। চারিদিকে পড়েছে শীত। মানুষজন গরম কাপড় পরে বের হয়েছেন। অনেকে ব্যস্তভাবে হাঁটছেন, অনেকে দাঁড়িয়ে ভাপা পিঠা খাচ্ছেন। ব্যস্ত রাতের পূণ্যভূমি।

এমন অবস্থায় আমাদের লেখক ও তার বন্ধু হাঁটতে হাঁটতে বললেন হেলেনের কথা। ইনু বললে

নিউ এইজ জিগোলো সার্ভিস

আমি, দিপু, অপু আর বিপ্রদাশ; চার বন্ধু একসাথে মিলে সন্ধ্যার পরে চা খাই আর জগতের নানাবিদ বিষয় নিয়া আলোচনা করি। আমাদের জীবন প্রায় নিস্তরঙ্গ, তাতে বিশেষ কোন চড়াই উৎরাই নাই। ফলে আমরা জগত সংস্লিষ্ট আলাপের ফুসরত পাই এবং আমাদের মনে হয় এটা খুবই গুরুত্বপূর্ন এক কাজ।

এইসব আলাপের চরিত্র কীরকম হয়, তা হয়ত আপনাদের অনেকেই বুঝতে পারছেন। পরিচিত, দূর পরিচিত মহিলা ও পুরুষদের বিষয়ে, ছেলে ও মেয়েদের বিষয়ে, নানা রাজনৈতিক বিষয় নিয়া, কখনো কখনো হালকা দার্শনিক বিষয়াবলীও আমাদের আলোচনায় চলে আসে। কিন্তু কোন আলাপই আম

পিপীলিকার পাখা

এক
আরমান সাহেব তার কাজের ছেলে মজনুকে জিজ্ঞেস করলেন, “এতে কি হবে বলছিস?”

মজনু মাথা নেড়ে বলল, “জি স্যার। এই বেপারে নিশ্চিন্ত থাকেন। বইন্যার সময় দেখেন না পিঁপড়া নাই হইয়া যায়। বলেন তো তারা কই যায়?”

আরমান সাহেব আসলেই বুঝতে পারলেন না বন্যার সময় পিঁপড়াগুলো কোথায় যায়। এ নিয়ে তিনি আগে কখনো চিন্তা করেন নি। মজনুকে জিজ্ঞেস করলেন, “কোথায় যায়?”

মজনু হাসিমুখে বলল, “মাটির নিচে যায়। গিয়া সেইখানে বইসা থাকে। আর যারা সাহসী আছে তা

আমরহস্য

শহরে একজন বড় পীরের মাজার আছে তা আপনি জেনে থাকবেন, পীরের নাম শাহজালাল, আদি নিবাস ইয়ামন দেশ। তিনি এস্থলে এসেছিলেন এবং নানাবিদ লৌকিক অলৌকিক কাজকর্ম করে অত্র অঞ্চলে স্থায়ী আসন লাভ করেছেন। গত হয়েছেন তিনি অনেক আগেই, কিন্তু তার মাজার এখনো জাগ্রত। প্রতিদিন দূর দূরান্ত থেকে মানুষেরা আসেন, আসেন ভক্ত আশেকান। নানাজন নানা মানত করেন, গান বাজনা করেন, অনেকে বলেন এইসব বেদাত। এইভাবেই চলে আসছে আর আমরা এই মাজারকে দরগা বলে ডাকি।

ঘটনাটি এই দরগাকে নিয়ে, বা দরগার বিস্ময়কর আমগাছটিকে নিয়ে। আমগাছটি সাধারণ আমগাছ,
>> লেখকের আরও পুরোনো লেখা >>

এদিক সেদিক যা বলছেনঃ

25 Jun 2018 -- 01:43 PM:মন্তব্য করেছেন
@বিপ্লব রহমান- সবই অবিশ্বাস্য।
25 Jun 2018 -- 02:01 AM:মন্তব্য করেছেন
যাক, কাঠবিড়ালীর কথা বলা বিশ্বাসযোগ্য হয়েছে তাহলে।
31 Jan 2017 -- 03:24 PM:মন্তব্য করেছেন
@প্রশ্ন > বেইল নাই অর্থ টাইম নেই। অর্থহীন। বেইল শব্দটি 'বেলা' শব্দের সিলেটি রূপ।
11 Feb 2016 -- 03:46 PM:মন্তব্য করেছেন
আপনি ঠিক বলেছেন। এটা ফ্যাতাড়ু দ্বারা অনপ্রাণিত, তেমন অরিজিনাল কিছু না।