Muradul islam RSS feed
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • আরও একটি ভ্রমণ কাহিনী - কুমায়ুনে চারদিন
    প্রাককথনযেমন আর পাঁচটা বেড়াতে যাওয়ার ক্ষেত্রে হয়, কোথায় যাওয়া হবে, তারিখ, ফেরা কবে, কতদূর যাব এইসব টালবাহানা চলে, এবারেও ঠিক তাই ছিল। তা, সেই পর্ব মিটে যায় ভালোয় ভালোয়। আরও একটা বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা যেমন থাকে, তবু তার বাইরেও অনেকটা অনিশ্চয়তা থাকে, ...
  • জ্যামিতিঃ পর্ব ৫
    http://bigyan.org.in...
  • সেখ সাহেবুল হক
    শ্রীজগন্নাথ ও ছোটবেলার ভিড়-----------------...
  • মাতৃত্ব বিষয়ক
    এটি মূলতঃ তির্যকের 'রয়েছি মামণি হয়ে' ও শুচিস্মিতা'র 'সন্তানহীনতার অধিকার'এর পাঠপ্রতিক্রিয়া।-----...
  • ভারতে বিজ্ঞান গবেষণা
    ভারতে বিজ্ঞান গবেষণা ও সেই সংক্রান্ত ফান্ডিং ইত্যাদি নিয়ে কিছুদিন আগে 'এই সময়' কাগজে একটা লেখা প্রকাশিত হয়েছে। http://www.epaper.ei...
  • কেমন হবে বেণীমাধব?
    - দিস ব্লাডি ইউনিয়ন কালচার ইস ক্র্যাপ। আপিস ফেরত পথে চিলড্ বিয়ারে চুমুক দিয়ে বলেছিল অসীম। কেতাদুরস্ত মাল্টিন্যাশন্যালে প্রজেক্ট ম্যানেজার অসীম। ব্যালেন্স শিট, ডেটা মাইনিং, ক্লায়েন্ট মিটিং’র কচকচানি, তার উপর বিরক্তিকর ট্রাফিক, আর গোদের উপর বিষ ফোড়া ...
  • ইফতার আর সহরির মাঝে
    কলকাতার বুকের মধ্যে যে কত অগুন্তি কলকাতা লুকিয়ে আছে! রমজান মাসে সূর্য ডুবে গিয়ে রাত ঘনিয়ে এলে মধ্য কলকাতার বুকে জেগে ওঠে এক আশ্চর্য বাজার। যে বাজার শুরু হয় রাত দশটার থেকে আর তুঙ্গে ওঠে রাত বারোটা একটা নাগাদ। ফিয়ার্স লেন, কলুটোলা, জাকারিয়া স্ট্রিট, সাবেক ...
  • #বাহামণিরগল্প
    অনেক অনেক দূরে শাল বনের জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে একটা লাল মাটির পথ ছিল আর পথের শেষে ছোট্ট একটা গ্রাম। সেই গ্রামে একটা ছোট্ট মেয়ের বাড়ি। জানি এ পর্যন্ত পড়েই আপনারা ভুরু কুঁচকে ভাবছেন, এ আর নতুন কথা কি? পথের শেষে গ্রাম থাকবেই আর সে গ্রামে যে একটা না একটা মেয়ে ...
  • হেতিমগঞ্জ বাজার
    নিলয় সেইদিন আমাদের আইসা বলে যে বিজনপুর নামে একটা জায়গা আছে এবং সেখানে অতি অদ্ভুত একটি ঘটনা ঘটে গেছে, একটি মেয়ে আচানক মাছে পরিণত হইছে। তাও পুরা মাছ না, অর্ধেক মাছ। আমাদের জীবন সমান্তরালে বইতে থাকা নদীর প্রবাহ বিশেষ, এতে কোন বিরাট ঢেউ কিংবা উথাল পাতাল ...
  • জলধরবাবুর ভগ্নাংশ
    ম্যাঘে ম্যাঘে ব্যালা গড়িয়ে আসে। নয় নয় করেও পঞ্চাশের ধাক্কা বয়েস হতে চলল জলধরবাবুর। তবে আজকাল পঞ্চাশ-টঞ্চাশ নস্যি। পঁচাশি-নব্বই পার করে দিচ্ছে লোকে হাসতে হাসতে। এ তো আর শরৎবাবুর আমলের নাটক-নবেল নয় যে চল্লিশ পেরোলেই পুরুষমানুষ সুযোগ্য ছেলের হাতে সংসারের ...

Muradul islam প্রদত্ত সর্বশেষ দু পয়সা

লেখকের আরও পুরোনো লেখা >> RSS feed

হেতিমগঞ্জ বাজার

নিলয় সেইদিন আমাদের আইসা বলে যে বিজনপুর নামে একটা জায়গা আছে এবং সেখানে অতি অদ্ভুত একটি ঘটনা ঘটে গেছে, একটি মেয়ে আচানক মাছে পরিণত হইছে। তাও পুরা মাছ না, অর্ধেক মাছ।

আমাদের জীবন সমান্তরালে বইতে থাকা নদীর প্রবাহ বিশেষ, এতে কোন বিরাট ঢেউ কিংবা উথাল পাতাল পরিবর্তন নাই। আমি, নিলয়, ও আরমান। আমরা কাজ করি, খাই, একসাথে আড্ডা দেই।
নিলয়ের কথাটি আমাদের আগ্রহ জাগাইয়া তুলে। যদিও আমরা আমাদের যুক্তিবাদী মন ও স্নাতক পর্যন্ত পড়ালেখার বরাতে জানি এই ধরনের ঘটনা ঘটা সম্ভব না। কোন মানুষ মাছ হইতে পারে না,

একটি ভূতের গল্প

অন্ধকার রাতে পাঁচিল টপকে কারো বাসায় অনধিকার প্রবেশ ভালো কথা নয়। হীন কোন উদ্দেশ্য থাকলে তো নয়ই। জয়ন্তবাবুর উদ্দেশ্যটা কী, তা বলা যাচ্ছে না, এমনকী তার নিজেরও এ ব্যাপারে স্পষ্ট কোন ধারণা নেই। যে তীব্র মনোবেদনা, অভিমান, লাঞ্ছনা গঞ্জনার সার তার হৃদয়ের গহীনে জমে আছে পলির মত, সেগুলোই যে তাকে এখানে টেনে এনেছে এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। কিন্তু তিনি কী উদ্দেশ্যে এসেছেন, কী করবেন বা করতে যাচ্ছেন তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। স্মৃতিশক্তি যতদূর যায়, যতদূর স্মৃতির দূরবীনে চোখ রেখে ফেলে আসা দিনগুলিকে দেখা যায়, তার

গরু ও মানুষের বিবরণ

সেই সময়ের গল্পটা আপনাদের আজ বলা প্রয়োজন, কারণ আজ হয়ত সেই সময়ের চেয়ে পূর্বের বা পরের একটা সময়, যখন আপনি এই গল্পটা পড়ছেন, এটিকে আপনার ভুল বুঝার যথেষ্ট অবকাশ আছে, কারণ লিখিত বক্তব্য লিখিতই এবং তা যেসব বক্তব্য তৈরি করে ক্ষেত্রবিশেষে তা এতই স্বাধীন হয়ে যায় যে সৃষ্টিকর্তার প্রয়োগ করা অর্থের বাইরে গিয়ে নিজে নিজেই নানা অর্থ তৈরি করে, নানা বিভ্রান্তি ছড়ায়;

আমার আশঙ্কা হচ্ছে গল্পটি হয়ত আপনাদের কাছে বিশ্বসযোগ্য মনে হবে না, হয়ত আপনারা মনে করবেন এটা কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপূর্ন কষ্টকল্পনা বা অন্য কিছ

নগরকাকের গল্প

নগরকাকের গল্প


শামসোজ্জোহা বাসায় এসেই খবর পেয়েছে তার স্ত্রী ও কন্যা একসাথে কাক হয়ে উড়ে গেছে। এটি কোন ভালো খবর না। খারাপ খবর। খারাপ খবরে শামসোজ্জোহার মন খারাপ হল। সে একহাতে জ্বলন্ত সিগারেট রেখে আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবতে লাগল কী করা যায়।

দূরে শাহজালাল(র) এর দরগার মসজিদের উচু মিনারে নিচের রাস্তার দিকে তাকিয়ে বসেছিল এক নগরকাক। তারও মন খারাপ । তার মন খারাপের কারণ জানতে যেতে হবে একটু দূর...কিছু আগের ঘটনায়......

শহরের কাকদের তখন

অবন্তীর মৃত্যু


প্রথম অধ্যায়

টিটো মিয়া মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, “স্যার আমি বাড়িত যাইতে চাই। জরুরী খবর আসছে।”

রহমান সাহেব মনযোগের সাথে তার পড়ার টেবিলে ঝুঁকে কিছু একটা পড়ছিলেন। তিনি মাথা না তুলেই জিজ্ঞেস করলেন, “কবে?”

“আইজই স্যার। এক্ষনি যাইতে হবে।”

রহমান সাহেব এবার তাকালেন টিটো মিয়ার দিকে। ভালো বাবুর্চী হিসেবে তার নাম এলাকাতে ছড়িয়ে পড়েছে। আশপাশের কয়েক বাড়িতে বিভিন্ন উপলক্ষ্যে রান্নার ডাকও পড়েছিল।

রহমান সাহেব বললেন, “টাকা পয়সা কিছু লাগবে?”

আমাদের ব্যবসার গল্প

দেশের যা অবস্থা, ইয়াং জেনারেশনের সংখ্যা বাড়তেছে, চাকরি নাই, বাকরি নাই ইত্যাদি ভাবতে ভাবতে আমরা প্রায়ই হতাশ হওয়ার কাছাকাছি পৌছে যেতাম। আমাদের কথাবার্তায় আগে যেখানে নানা ধরনের হাস্যরসাত্মক ফালতু বিষয়বস্তু এসে ভীড় করত তখন সেই জায়গায় এর পরিবর্তে আসতে লাগল জীবন ভাবনা, এই জীবন লইয়া আমরা কী করিব সিসিফাস?

আমরা মনাফ হাজীর চায়ের দোকানে বসে ভাবতাম আসলে কী করা যায়। আমরা কি চাকরি করব? প্রাইভেট চাকরি যেগুলা আছে তা খুব ভালো না এমন মত দিল হাসনাত। তার হিসাবে প্রাইভেট ব্যাংক ট্যাংকের চাকরির বেইল নাই। চা

ভূমিকম্পে বেরিয়ে আসে অজগর সাপ

“আপনি কি স্বাধীনতা কী বুঝেন?”

ভদ্রলোক আমার চোখের দিকে তাকিয়ে প্রশ্নটি করলেন।

আমি বললাম, “বুঝব না কেন? স্বাধীনতা হচ্ছে নিজের মত থাকার বা কিছু করতে পারার সুযোগ।”
ভদ্রলোক সামান্য হেসে ফেললেন। তিনি তার মুখভর্তি খোঁচা খোঁচা কাঁচাপাকা দাড়ি হালকা চুলকাতে চুলকাতে বললেন, “আপনার স্বাধীনতা সম্পর্কে প্রাইমারী লেভেলের জ্ঞাণও নাই। কিন্তু আমি এতে অবাক হই নাই। এখনকার মানুষদের স্বাধীনতা নিয়ে জ্ঞাণ থাকবে না এটা স্বাভাবিক। খুব স্বাভাবিক। আপনারা হাজার হাজার মেকী স্বাধীনতা দেখে বড় হয়েছেন। হাজার

মার্চ করে চলে যাওয়া একদল কাঠবিড়ালি ও খয়েরি ঘাসফড়িং

রোদ পড়ে গেছে। সূর্য এখন আস্তে আস্তে রঙ বদলাবে। তারপর মিলিয়ে যাবে। কাঠবিড়ালিদের সূর্য চন্দ্র ইত্যাদি নিয়ে বোধহয় কোনও আদিখ্যেতা নেই। মানুষের আছে। তেরাব আলী বারান্দায় বসে ভাবেন। ইদানীং তাঁর হাতে নতুন কাজ আসছে না। কাজ না থাকলে তার হাঁসফাঁস লাগে। তখন তিনি কবিতা লেখেন। অথবা গলা পর্যন্ত পানিতে ডুবিয়ে বসে থাকেন বেশিরভাগ সময়।

এসময় কাঠবিড়ালিরা তাঁর চিন্তার অধিকাংশ জুড়ে থাকে। তিনি কাঠবিড়ালি সম্প্রদায়ের সাথে মানুষের মিল খুঁজেন। বেশিরভাগ সময়ে হতাশ হন। তাঁর বারান্দার পাশের লম্বা গাছটিতে

শুভাশিষ দেবের মৃত্যু

শুভাশিষ দেব তার বাবার মৃত্যুর প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর পর এক বিকেলে পিতার মৃত্যুশয্যায় বলে যাওয়া কথাটির অর্থ বুঝতে পারলেন। তিনি চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে একটি হাসির গল্পের বই পড়ছিলেন এবং এই বই পড়তে পড়তেই হঠাৎ তার কেন যেন পিতার বলে যাওয়া শেষ কথাটি মনে পড়ল। আর সাথে সাথেই প্রায় বিদ্যুৎ চমকের মত তার মনে চমকে উঠল এই কথাটির মর্মার্থ। আশ্চর্য! তিনি এতদিন কথাটি এভাবে ভেবে দেখেন নি। শুভাশিষ দেবের শরীর ঘামতে শুরু করল। অসহ্য ভয় এবং অতি তীক্ষ্ণ বেদনা একরাশ পাশবিক হৃদয় নিংড়ানো ঘৃণার মোড়কে আবদ্ধ হয়ে শুভাশিষ দেবের উপর

আবু তুরাবের স্ত্রী নিখোঁজ হবার পর

আবু তুরাব বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েছে কারণ এইমাত্র সে একটা ব্যাখ্যা পেয়েছে কেনো সে তার স্ত্রীকে খোঁজে পাচ্ছে না। যদিও ব্যাখ্যাটা তার কাছেই মনে হচ্ছে অযৌক্তিক কিন্তু অবস্থার প্রেক্ষিতে এবং যেহেতু আর কোন ব্যাখ্যা সে পায় নি তাই এটাই তার মস্তিষ্কে গৃহীত হয়েছে। আবু তুরাব কিছুক্ষণ তার শোবার ঘরের বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে সবুজ ব্যাঙটাকে দেখল। ব্যাঙটি বিছানায় বসে স্থির ভাবে তার দিকে তাকিয়ে আছে।

বসার কক্ষে মোবাইল ফোন বাজছে। আবু তুরাব গিয়ে ফোন রিসিভ করল। তার মা ফোন করেছেন।

উদ্বিগ্ন কন্ঠে মা জিজ্ঞ
>> লেখকের আরও পুরোনো লেখা >>

এদিক সেদিক যা বলছেনঃ

31 Jan 2017 -- 03:24 PM:মন্তব্য করেছেন
@প্রশ্ন > বেইল নাই অর্থ টাইম নেই। অর্থহীন। বেইল শব্দটি 'বেলা' শব্দের সিলেটি রূপ।
11 Feb 2016 -- 03:46 PM:মন্তব্য করেছেন
আপনি ঠিক বলেছেন। এটা ফ্যাতাড়ু দ্বারা অনপ্রাণিত, তেমন অরিজিনাল কিছু না।