কুশান গুপ্ত RSS feed

নাম পরিবর্তন করি, এফিডেফিট বিনা।আসল নামে হাজার হাজার ডক্টর হাজরা আছেন, কে প্রথম জানা নেই, কে দ্বিতীয়, কে অদ্বিতীয়, এ ব্যাপারে ধারণা অস্বচ্ছ। অধমের ব্লগ অত্যন্ত ইনকনসিস্টেন্ট,কিছু বা খাপছাড়া, খানিকটা বারোভাজা ধরণের। কিন্তু গম্ভীর নিবন্ধের পর ক্লান্তি আসে, তখন কবিতা, তারপর ঘুম, ক্লান্তি ও নস্টালজিয়া। কোনো গন্তব্য নেই, তবু হাঁটতে হয় যেমন। একসময় অবকাশ ছিল অখন্ড, নিষিদ্ধ তামাশা লয়ে রংদার সমকাল চোখ মারিত। আজকাল আর মনেও হয় না, এ জীবন লইয়া কি করিব? আপনাদের হয়?

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • শিরোনামহীন
    তত্কালে লোকে বিজ্ঞাপন বলিতে বুঝাইতো সংবাদপত্রের ভেতরের পাতায় শ্রেণীবদ্ধ সংক্ষিপ্ত বিজ্ঞাপন, এক কলাম এক ইঞ্চি, সাদা-কালো খোপে ৫০ শব্দে লিখিত-- পাত্র-পাত্রী, বাড়িভাড়া, ক্রয়-বিক্রয়, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, চলিতেছে (ঢাকাই ছবি), আসিতেছে (ঢাকাই ছবি), থিয়েটার (মঞ্চ ...
  • Take love
    জন্মদিনে সবার আগে যেটা হয় সেটা হচ্ছে টাইমলাইন আর ইনবক্স জুড়ে জন্মদিনের শুভেচ্ছাগুলোর জবাব দিতে দিতে প্রাণ যায় যায় অবস্থা। রিপ্লাই দিতে দিতে একপর্যায়ে নিজেকে মানসিক রোগী মনে হতে থাকে।যাইহোক,সবাই ভালোবেসে শুভেচ্ছা জানায় জবাব না দেয়াটাও বেয়াদবি ভেবে ...
  • রাতের ঢাকা শহর
    ঢাকা শহরের নানা সমস্যা। দুই একদিন আগে দেখলাম সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিয়ায় ওপরের দিকে নাম ঢাকা শহরের। যারা ঢাকা শহরে থাকে বা থেকেছে তারা জানে নাগরিক জীবনের নানা সমস্যা আষ্টেপিষ্টে জরিয়ে আছে। বাতাস শুধু দূষিত না এ শহরের, আরও কত কী যে দূষিত তার কোন হিসেব নেই। ...
  • মাইনাস তিন ডিগ্রি
    মাইনাস তিন ডিগ্রি ▶️প্রতি সন্ধ্যায় শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড় থেকে মাত্র কয়েক ফার্লং দূরে যশোর রোডের ডানদিকে দেড়তলা বাড়িটা অন্ধকারেই থাকে। রাত ন'টা নাগাদ পুট করে গেটের আলোটা জ্বলে ওঠে। কোলাপসিবল গেটে চাবি তালার খুট খুট ধাতব শব্দ। সিঁড়ির আলো জ্বলে। ডাইনিং ...
  • যে হাতে জ্বলেছিল আলোর শিখা - ডঃ বিভা চৌধুরী
    বিভা চৌধুরীকে নিয়ে আমার আগ্রহ অনেক দিনের। আগ্রহের সুচনা কেন্দ্র অবশ্যই তাঁর বিজ্ঞানচর্চা । বৈজ্ঞানিককে তার বিজ্ঞান ছাড়া ধরা যায় না। তবে তিনি যখন বিজ্ঞান সাধনায় নামেন , তখন সে জগত এক অবিচ্ছিন্ন জ্ঞানের জগত, আমার বিজ্ঞানের যে সীমিত জ্ঞান তাই দিয়ে তাঁকে আবছা ...
  • পৌরাণিক ঘরওয়াপ্‌সি ও হরে দরে কশ্যপ গোত্র
    পৌরাণিক ঘরওয়াপ্‌সি ও হরে দরে কশ্যপ গোত্র সৌরভ মিত্র ধরা যাক, অতি খাজা একখানা প্রবন্ধ পড়তে পড়তে মুখ থেকে অজান্তেই একটি শব্দ বেরিয়ে এল, -‘জঘন্য’। বেজায় সমস্যা এই তৎসম শব্দটিকে নিয়ে। এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ কিনা ‘জঘনভব’ বা ‘জঘনতুল্য’ [জঘন + য (যৎ)]। কিন্তু, সেই ...
  • শুভায়ু শুক্রবার
    প্রতিভা সরকারদিল্লীর রাজপথে শিরদাঁড়া সোজা করে বসে আছে একদল বাচ্চা ছেলেমেয়ে। স্কুলে না গিয়ে তারা এইখানে। হাতে প্ল্যাকার্ড "স্কুলে যাইনি, বড়দের শেখাব বলে"। ব্যাঙালুরুতে কিশোররা গম্ভীর মুখ। হাতে লেখা "পিতৃতন্ত্র নয়, প্ল্যানেট বাঁচাও"। বার্লিনে বাচ্চারা ...
  • নারীদের শ্রম-জীবন
    লোপামুদ্রা সরকারভদ্রলোক ব্যস্ত মানুষ। উচ্চপদস্থ। তাঁকে প্ল্যান্টে নিয়ে যেতে কোয়ার্টারের সামনে গাড়ি আসে। তিনি সকালে উঠে, চা খেয়ে, কিঞ্চিৎ স্বাস্থ্যচর্চা করে, ব্রেকফাস্ট সেরে, পোশাক পরিচ্ছদ পরে তৈরি হয়ে প্ল্যান্টের গাড়ির জন্য অপেক্ষা করেন। এই সময় তাঁর হাতে ...
  • মেয়েবেলা
    ইন্দ-রানীএকটি অতি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে কঠোর পুরুষতান্ত্রিক পরিকাঠামোয়, হাজার নিয়ম ও বাধা নিষেধের বেড়ার ভেতর যেমন মেয়েবেলা কাটতে পারে, তেমনি ছিল মেয়েটির ছোটবেলা। মেয়েবেলার কথা ভাবতে বসলে সত্যি বলতে তেমন আনন্দের কোন উপাখ্যান অথবা সুখস্মৃতি তার মনে ...
  • #মারখা_মেমারিজ (পর্ব ৯)
    কাং ইয়াৎজে বেসক্যাম্প (০৯.০৯.২০১৮) ____________________...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

কুশান গুপ্ত প্রদত্ত সর্বশেষ দু পয়সা

লেখকের আরও পুরোনো লেখা >> RSS feed

ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন বম্বে

বেশ মনে পড়ে, 'অমর প্রেম' ও 'আনন্দ' ছবিদুটি ক্লাস নাইনের আনাড়ি হৃদয়ে দাগ কেটেছিল। 'অমর প্রেম' ছবিতে রাজেশ খান্না দিব্যি ধুতি-পাঞ্জাবি পরে শর্মিলার দরজায় 'এ পুষ্পা' ব'লে সান্ধ্যকালীন, নৈমিত্তিক, টোকা মারতেন। বারবনিতা শর্মিলা দেরাজ থেকে মদের বোতল খুলে সযত্নে গেলাসে ঢেলে দিতেন রঙিন পানীয়। ক্লীন শেভড খান্না-গালে একটি  লালচে দর্শনীয় ব্রণ ছিল। ব্রণসম্বলিত সুপারস্টার গেলাসে মারিতেন আলতো সিপ। মধ্যে মধ্যে, অকস্মাৎ, চিত্রনাট্যের প্রয়োজনীয়তা মেনে, দার্শনিক হয়ে উঠতেন।  গালে টোল পড়া প্রেমাভিলাষী শর্মিলা ঘনঘন

শ্রীপঞ্চমী: পুণ্য মাঘ মাস

"যায় অন্তরীক্ষেতে অঙ্গদ ডাকাবুকা।
বায়ুভরে উড়ে যেন জ্বলন্ত উল্কা।।
লঙ্কাপুরী গেল বীর ত্বরিত গমন।
পাত্রমিত্র লয়ে যথা বসেছে রাবণ।।"


গল্পটি শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক সৌমেন্দ্রনাথ পালের কাছে শোনা। সৌমেনবাবু আমার বাবারই বয়েসী ছিলেন। স্যারের জন্মদিন বোধহয় 11ই মার্চ, বাবার 5ই মার্চ।

স্যার যাদবপুরেই পড়েছেন, তবে কিছুদিন প্রেসিডেন্সিতে পড়েছিলেন, পরে ছেড়ে দেন। সেটা ষাটের দশক। প্রেসিডেন্সির কোনো এক স্বনামধন্য বাংলার অধ্যাপক ক্লাশ নিচ্ছেন। সৌমেনবাবুর সহপাঠী একটি পাগলা মতন ছেলে, ক্লাস

সিজনস অব বিট্রেয়াল: দময়ন্তী

"কে কাকে রেখেছে মনে?
হিজলের বনে দোল খায় পুবদেশী হাওয়া
আজীবন যাকে চাওয়া সে হয়েছে ঈশানের মেঘ..."

সেই পুবদেশী আশ্চর্য হাওয়া আজও বয় কলকাতায় তথা মফস্বলে। সে দেশ একটাই ছিল, তারপর কাদের প্ররোচনায়, কাদের বিট্রেয়ালে কবে ভাগ হয়ে গেল গঙ্গায় পদ্মায়? দেশভাগ উদ্বেল করেছিলো সাদাত মান্টো আর ঋত্বিক ঘটককে, যুগপৎ। সমরেশ বসুর আদাব আমরা আঠারো পার করার আগেই পড়েছি। এই নিয়ে বিস্তর চর্চা ঐতিহাসিকদের। সম্প্রতি পড়লাম দময়ন্তীর লেখা ' সিজনস অব বিট্রেয়াল'। তিনি 'দ' নামে লেখেন গুরুচন্ডা৯ তে। দ বলে একটি লোকশব্

পাড়াতুতো চাঁদ: ইন্দ্রাণীর গল্প সংকলন

"তুমিও হয়ত লিখবে একদিন। আসলে, একটা নদী আছে কোথাও, দেখা যায় না, তবে আছে। সেই নদীর ধারে, সন্ধ্যার পরে অদ্ভূত এক হাট বসে। সেখানে দুঃখের বেচাকেনা হয়। ঐ নদী যেদিন দেখতে পাবে, লেখা ছাড়া গতি থাকবে না।"

বোধহয় ইন্দ্রাণী ওই নদীটি দেখে ফেলেছেন। আর দুঃখের বেচাকেনা করেন সেই হাটে যারা, তাঁদের কথা লেখেন ইন্দ্রাণী। আমরা যারা পাঠক, তারা শিউরে শিউরে উঠি এসমস্ত তীব্র আখ্যানে।

কাদের কথা লেখেন দুখজাগানিয়া ইন্দ্রাণী? কারা এই গল্পের চরিত্র? পাঠক পড়ুন, নিজেদের চিনবেন একভাবে। পাঠিকারা হয়ত চিনবেন আরো অন

সাধু কালাচাঁদ, ট‍্যাঁপা-মদনা, পটলা ও রুনু

'ভালো লাগছে না রে তোপসে' বা 'ডিলাগ্রান্ডি' বললে বাঙালি মননে এক ধরনের রিফ্লেক্স অ্যাকশন কাজ করে যেন। ফেলুদা/তোপসে, টেনিদা, ঘনাদা ইত্যাকার নামগুলি বাঙালির আড্ডার স্বাভাবিক উপাদান। এই অনুষঙ্গগুলি দিয়ে বাঙালি তার হিউমারের অভ্যাস ঝালিয়ে নেয়, কিছুটা আক্রান্ত হয় নস্টালজিয়াতেও।

তবে, এইসবের মধ্যে বাল্যবেলায় পড়া কিছু কিশোরচরিত্ররা হারিয়ে গেছে, কিছুটা উপেক্ষিতই যেন তারা। ক'জন আর নগণ্য সাধু কালাচাঁদকে মনে রেখেছে? ট্যাঁপা-মদনা বললে আমরা ক'জনই বা সহসা আবার ক্লাস ফোরের পূজাপ্রাক্কালে চলে যাই? এইসব চরি

বসন্তকাল

(ছোটদের জন্য, বড়রাও পড়তে পারেন)

'Nay!' answered the child; 'but these are the wounds of Love'

একটা দানো, হিংসুটে খুব, স্বার্থপরও:
তার বাগানের তিন সীমানায় ক'রলো জড়ো,
ইঁট, বালি, আর, গাঁথলো পাঁচিল,
ঢাকলো আকাশ,
সেই থেকে তার বাগান থেকে উধাও সবুজ, সবটুকু নীল।
রঙ হারালো সবক'টি ঘাস।

সেই থেকে কেউ আর আসে না তার বাগানে।
সেই শিশুরা কোথায় গেলো কেউ কি জানে?
শীত চ'লে যায়, লাগল আগুন সব বনে তাই;
পলাশ, শিমুল, কৃষ্ণচূড়ার পাতায় পাতায়।
কিন্তু দানোর সেই

শীতের কবিতাগুচ্ছ


ফাটাও বিষ্টু

এবার ফাটাও বিষ্টু, সামনে ট্রেকার,
পেছনে হাঁ হাঁ করে তেড়ে আসছে দিঘাগামী সুপার ডিলাক্স।
আমাদের গন্তব্য অন্য কোথাও,
নন্দকুমারে গিয়ে এক কাপ চা,
বিড়িতে দুটান দিয়ে অসমাপ্ত গল্প শোনাব
সেই মেয়েটার,
সেই যার
জয়া প্রদার মত ফেস কাটিং, রাখীর মত চোখ।
বাঁয়ে রাখো, বিষ্টুপদ, মেজাজ হারিও না,
যতক্ষন হারু আছে জমিয়ে চালাও,
সঙ্কেত শুনে নিও, কখন বলছি, 'আস্তে, লেডিজ'

এখন দুধারে ধানক্ষেত, পাগলা হাওয়া...
তোমার জন্য চালিয়ে দিচ্ছি, ' কি আশায়

শীতকাল কবে আসবে, সুপর্ণা?

শীতের সেই শিহরিত সন্ধেগুলো মনে পড়ে, আশিস?

হাড়জমানো বাঘের মত জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়ত দক্ষিণবঙ্গের ডিসেম্বর-অধ্যুষিত 'মাওয়া' গ্রামে। বাঁদর টুপি, রঙিন মাফলার ও ধূসর চাদরে ঢেকে যেত নানাবয়সের মুখ, কান, নাকসকল। সন্ধে থেকে রাত শীতকালীন গ্রামবাংলা মেতে উঠত পাঁচদিন ব্যাপী যাত্রানুষ্ঠানে। এ সেই সুসময়, যখন খেজুর রসের মৌতাত ও শস্যফলনের হাসি বাংলার ঘরে ঘরে, আপামর বাংলার গ্রামীণ জীবনের এ এক ঐকান্তিক উদযাপন। গ্রামের, গঞ্জের আবালবৃদ্ধবনিতাকে জাপটে ধরত শীতের বিশ্রুত যাত্রাজ্বরের তাড়স।

ক্লাস ফোরে দে

কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

কাঁসাইয়ের থেকে আনুমানিক একশো দেড়শো মিটার দূরে মাটির বাঁধ। কংসাবতী ব্রিজ আড়াআড়ি এই বাঁধকে দ্বিখন্ডিত করেছে। আশির দশকে সেই বাঁধ ধ'রে  ক্যানালের দিকে হেঁটে যেত এক তরুণ। তাকে দেখলেই সদরঘাট ও গান্ধীঘাট অঞ্চলের ছেলেছোকরারা এই গান ধরত:

'ওরে, ট্যাংরা তবু কাটন যায়,
মাগুর মাছে ক্যাটক্যাটায়,
আর, শিঙ্গি মাছটা মারল কাঁটা,
পরাণ যায় জ্বলিয়া রে!
কি মাছ ধরিছ বড়শি দিয়া?
ও দরদী, কি মাছ ধরিছ বড়শি দিয়া?'

যাকে উদ্দেশ্য করে এই গান, সেই দরদী, 'বামুণ ঘরের পিন্টা' , মিটমিট ক'রে হাসত,

উল্টোরথ, প্রসাদ ও কলিন পাল

ছোটবেলা থেকেই মামাবাড়ির 'পুরোনো ঘর' ব'লে একটি পরিত্যক্ত কক্ষে ঝিমধরা দুপুরগুলি অতিবাহিত হতো। ঘরটি চুন সুরকির, একটি অতিকায় খাটের নীচে ডাই হয়ে জমে থাকত জমির থেকে তুলে আনা আলু, পচা গন্ধ বেরুত।দেওয়ালের এক কোণে ছিল বিচিত্র এক ক্ষুদ্র নিরীহ প্রজাতির মৌমাছির বাসা। বাতিল হয়ে যাওয়া গ্রামোফোন রেকর্ড, সেজমামার '১৯৭২ সালের কবিতাগুচ্ছ' সম্বলিত ডায়ারি, অজস্র আত্মীয়স্বজনের চিঠিপত্র, দাদুর হাতের লেখায় 'সান্ত্বনার ফ্রকের মাপ' এসব তুচ্ছাতিতুচ্ছ জিনিসের ভিড় দৃষ্টি আকর্ষণ করত। দ্বিপ্রাহরিক নির্জনতায় অধিকতর আকর্ষণ ছ
>> লেখকের আরও পুরোনো লেখা >>

এদিক সেদিক যা বলছেনঃ

15 Mar 2019 -- 11:48 AM:মন্তব্য করেছেন
ধন্যবাদ সবাইকে।
05 Feb 2019 -- 06:58 PM:মন্তব্য করেছেন
আমার তিন কপি মিনিমাম লাগবে। আগের দিন গিয়ে আসেনি বলে পাইনি। পরের দিন গিয়েও হয়ত শুনব দেরিতে গেলাম বলে ...
03 Feb 2019 -- 10:19 PM:মন্তব্য করেছেন
ভাই রৌহীন। তোমার লিখনে ক্ষুরের চেয়ে অনেক বেশি ধার। তাই বিশেষণ খুঁজে পাচ্ছি নে। ধার-আ-বিবরণী পড়ে ...
28 Nov 2018 -- 09:44 PM:মন্তব্য করেছেন
আলোচনাটি ভাল। তবে, সত্যজিৎকৃত 'জন অরণ্য'-তে নটবর মিত্রর রোলটি একটি দুরূহ ভিন্ন ধারার অভিনয় ...
28 Nov 2018 -- 09:39 PM:মন্তব্য করেছেন
আরে!! উপরের মন্তব্যটিও আমার (কুশান গুপ্তর) করা নয়। কি করে বারবার এমন ঘটছে ? Admin, অনুগ্রহপূর্বক দেখ ...
28 Nov 2018 -- 09:43 AM:মন্তব্য করেছেন
সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। 'অনিন্দিতা', নীরেনবাবুর কবিতাটি চমৎকার উল্লেখ।করেছেন। 'অরণ্য', কোন মলয়ের ল ...
27 Nov 2018 -- 12:17 AM:মন্তব্য করেছেন
'অরণ্য', 'ন্যাড়া', 'দেব', 'মহুয়া', 'ঝরা', 'অনিন্দিতা','টিম', 'রঞ্জন'- সবাই প্রতিক্রিয়া দেওয়ার জন্য আ ...
26 Nov 2018 -- 12:13 AM:মন্তব্য করেছেন
সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই এই সামান্য লেখা পড়ে মন্তব্য দেওয়ার জন্য। প্রতিভাদির প্রশ্নের উ ...
25 Nov 2018 -- 11:24 PM:মন্তব্য করেছেন
কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ প্রতিভাদি। এটা আমি কুশানই লিখছি। এডমিন একটু অনুগ্রহপূর্বক দেখবেন অন্যের কমেন্ট ...
25 Nov 2018 -- 01:12 PM:মন্তব্য করেছেন
চমৎকার ঝরঝরে গদ্য লেখকের। মন ভরে যায়। অনেক অজানা তথ্য জানলাম। ভালো হয় লেখা এবং লেখকের সঙ্গে ...
16 Nov 2018 -- 02:41 PM:মন্তব্য করেছেন
দ, আপনার দীর্ঘ লেখার জন্য ধন্যবাদ। i dd ও স্মৃতি যে, আমার তুচ্ছ লেখা মন দিয়ে পড়লেন, ধন্যবাদ জানবেন।
16 Nov 2018 -- 02:17 PM:মন্তব্য করেছেন
ভুল শুধরে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। শৈলেশ ই হবেন। আমি সুভাষ বলছি কিছুটা পড়েছিলাম। ওখানে উল্লিখিত নিকুঞ্জ ...
16 Nov 2018 -- 09:44 AM:মন্তব্য করেছেন
শৈলজাসংক্রান্ত তথ্যটি একেবারেই জানতাম না, dd.শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
16 Nov 2018 -- 09:36 AM:মন্তব্য করেছেন
মতামত ও প্রতিক্রিয়ার জন্য ধন্যবাদ জানবেন সবাই। dd না কবিতা ছাপা হতো না বলেই মনে হয়। তবে এগু ...
14 Nov 2018 -- 07:15 AM:মন্তব্য করেছেন
ধন্যবাদ। আপনি ঠিকই বলেছেন। সম্পূর্ণ স্মৃতির ওপর নির্ভর ক'রে লিখেছি বলেই এই অসতর্ক ভুল, হয়তো বা, মার্ ...
11 Nov 2018 -- 10:18 AM:মন্তব্য করেছেন
ভূত চতুর্দশী তে আহ্লাদে আটখানা হইয়া ভালোবাসা লইলাম। তথাপি, পায়সান্ন খাইতে ইচ্ছুক।
11 Nov 2018 -- 08:18 AM:মন্তব্য করেছেন
আজকের হুজুগে মধ্যবিত্ততার বিপক্ষে শাণিত প্রতিবাদ অনমিত্রর কলমে। বেঁচে থাক কলম, বেঁচে থাক বিকল্প চিন্ ...
10 Nov 2018 -- 11:12 PM:মন্তব্য করেছেন
সৎ উচ্চারণ। এক ধরণের বিশ্বাসবোধ, আর জীবনের প্রতি আস্থার সংরাগ পংক্তিমালায়। ভাবতে বাধ্য করে। পড়তেও।শু ...
05 Nov 2018 -- 02:13 PM:মন্তব্য করেছেন
খালপাড়, ধানি-বিল,ডাল বা ঢাকুরিয়া লেকে এক পায়ে যে দণ্ডায়ে আছে সে কি তালগাছ? আসলে সে অধার্মিক ও সন ...
04 Nov 2018 -- 06:48 PM:মন্তব্য করেছেন
আমি সর্বাঙ্গাসনে এই প্রস্তাব সমর্থন করিলাম। এবং, মৌনতা। আসলে শবাসনে আছি।