Koushik Ghosh RSS feed

Koushik Ghoshএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • শেষ ঘোড়্সওয়ার
    সঙ্গীতা বেশ টুকটাক, ছোটখাটো বেড়াতে যেতে ভালোবাসে। এই কলকাতার মধ্যেই এক-আধবেলার বেড়ানো। আমার আবার এদিকে এইরকমের বেড়ানোয় প্রচণ্ড অনীহা; আধখানাই তো ছুটির বিকেল--আলসেমো না করে,না ঘুমিয়ে, বেড়িয়ে নষ্ট করতে ইচ্ছে করে না। তো প্রায়ই এই টাগ অফ ওয়ারে আমি জিতে যাই, ...
  • পায়ের তলায় সর্ষে_ মেটিয়াবুরুজ
    দিল ক্যা করে যব কিসিসে কিসিকো প্যার হো গ্যয়া - হয়ত এই রকমই কিছু মনে হয়েছিল ওয়াজিদ আলি শাহের। মা জানাব-ই-আলিয়া ( বা মালিকা কিশওয়ার ) এর জাহাজ ভেসে গেল গঙ্গার বুকে। লক্ষ্য দূর লন্ডন, সেখানে রানী ভিক্টোরিয়ার কাছে সরাসরি এক রাজ্যচ্যুত সন্তানের মায়ের আবেদন ...
  • ফুটবল, মেসি ও আমিঃ একটি ব্যক্তিগত কথোপকথন (পর্ব ৩)
    ফুটবল শিখতে চাওয়া সেই প্রথম নয় কিন্তু। পাড়ার মোড়ে ছিল সঞ্জুমামার দোকান, ম্যাগাজিন আর খবরের কাগজের। ক্লাস থ্রি কি ফোর থেকেই সেখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পড়তাম হি-ম্যান আর চাচা চৌধুরীর কমিকস আর পুজোর সময় শীর্ষেন্দু-মতি নন্দীর শারদীয় উপন্যাস। সেখানেই একদিন দেখলাম ...
  • ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি
    অনেক সকালে ঘুম থেকে আমাকে তুলে দিল আমার ভাইঝি শ্রী। কাকা দেখো “ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি”। একটু অবাক হই। জানিস তুই, কাকে বলে ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি? ক্লাস এইটে পড়া শ্রী তার নাকের ডগায় চশমা এনে বলে “যে বৃষ্টিতে ইলিশ মাছের গন্ধ বুঝলে? যাও বাজারে যাও। আজ ইলিশ মাছ আনবে ...
  • দুখী মানুষ, খড়ের মানুষ
    দুটো গল্প। একটা আজকেই ব্যাংকে পাওয়া, আর একটা বইয়ে। একদম উল্টো গল্প, দিন আর রাতের মতো উলটো। তবু শেষে মিলেমিশে কি করে যেন একটাই গল্প।ব্যাংকের কেজো আবহাওয়া চুরমার করে দিয়ে চিৎকার করছিল নীচের ছবির লোকটা। কখনো দাঁত দিয়ে নিজের হাত কামড়ে ধরছিল, নাহলে মেঝেয় ঢাঁই ...
  • পুরীযাত্রা
    কাল রথের মেলা। তাই নিয়ে আনন্দ করার বয়স পেরিয়ে গেছে এটা মনে করাবার দরকার নেই। তবু লিখছি কারণ আজকের সংবাদপত্রের একটি খবর।আমি তাজ্জব কাগজে উকিলবাবুদের কান্ডকারখানা পড়ে। আলিপুর জাজেস কোর্ট ও পুলিশ কোর্টে প্রায় কোন উকিলবাবু নেই, দু চারজন জুনিয়র ছাড়া। কি ...
  • আমার বন্ধু কালায়ন চাকমা
    প্রথম যৌবন বেলায় রাঙামাটির নান্যাচরের মাওরুম গ্রামে গিয়েছি সমীরণ চাকমার বিয়েতে। সমীরণ দা পরে শান্তিচুক্তি বিরোধী ইউপিডিএফ’র সঙ্গে যুক্ত হন। সেই গ্রুপ ছেড়েছেন, সে-ও অনেকদিন আগের কথা। এরআগেও বহুবার চাকমাদের বিয়ের নিমন্ত্রণে গিয়েছি। কিন্তু ১৯৯৩ সালের শেষের ...
  • শুভ জন্মদিন শহীদ আজাদ
    আজকে এক বাঙ্গালি বীরের জন্মদিন। আজকে শহীদ আজাদের জন্মদিন। মাগফার আহমেদ চৌধুরী আজাদ। মুক্তিযুদ্ধে ঢাকার কিংবদন্তীর ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্য, রুমির সহযোদ্ধা এবং অবশ্যই অবশ্যই মোসাম্মাৎ সাফিয়া বেগমের সন্তান। শহীদ আজাদ হচ্ছেন এমন একজন মানুষ যার কথা বলতে গেলে ...
  • রামায়ণ, ইন্টারনেট ও টেনিদা (পর্ব ২)
    ঘুগনীটা শেষ করে শালপাতাটা আমার দিকে এগিয়ে টেনিদা বললে, "বলতো, রামায়ণ কাকে নিয়ে লেখা?"আমি অনেকক্ষণ ধরে দেখছিলাম শালপাতায় কোণায় এককুচি মাংস লেগে আছে। টেনিদা পাতাটা এগোতেই তাড়াতাড়ি করে কোণে লেগে থাকা মাংসের কুচিটা মুখে চালান করে দিয়ে বললুম, "কেন, রামচন্দ্রকে ...
  • এক উন্মাদ সময়ের স্মৃতিকথন
    দেশভাগ, বাটওয়ারা, পার্টিশান – উপমহাদেশের চুপচুপে রক্তভেজা এক অধ্যায় নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা, নির্মম কাটাছেঁড়া এই সবই ভারতে শুরু হয় মোটামুটি ১৯৪৭ এর পঞ্চাশ বছর পূর্তির সময়, অর্থাৎ ১৯৯৭ থেকে। তার আগে স্থাবর অস্থাবর সবকিছু ছেড়ে কোনওমতে প্রাণ নিয়ে পালানো মানুষজনও ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

Koushik Ghosh প্রদত্ত সর্বশেষ দু পয়সা

RSS feed

'শীতকাল': বীতশোকের একটি কবিতার পাঠ প্রতিক্রিয়া

বীতশোকের প্রথম দিকের কবিতা বাংলা কবিতা-কে এক অন্য স্বর শুনিয়েছিলো, তাঁর কণ্ঠস্বরে ছিলো নাগরিক সপ্রতিভতা, কিন্তু এইসব কবিতার মধ্যে আলগোছে লুকোনো থাকতো লোকজীবনের টুকরো ইঙ্গিত। ১৯৭৩ বা ৭৪ সালের পুরনো ‘গল্পকবিতা’-র (কৃষ্ণগোপাল মল্লিক সম্পাদিত) কোনো সংখ্যায় আমার মামাবাড়ির পুরনো বইয়ের ঘরে খুঁজে পেয়েছিলাম এই কবিতা-টি, কবিতার নাম ‘শীতকাল’।

"চেয়ে দ্যাখো, সেরকম-ই রেখেছি স্বভাব;
সহজ কবচে কত যত্ন করি, বেতার যন্ত্রের কাছে  কান পেতে থাকি
কারা এত শব্দ করে, মনে প’ড়ে যায়
কত ডেকে কাকে যেন লিখ

বিনয় মজুমদারের 'একটি উজ্জ্বল মাছ'-পাঠ প্রতিক্রিয়া

'সকলেই কবি নন, কেউ কেউ কবি।' কবিরা সংবেদনশীল হন। কবিরা দ্রষ্টা হন।যে দৃশ্য অন্যরা সাধারণভাবে দেখেন, সেই 'কেউ কেউ কবি', এ-সব দৃশ্যের অন্তরালে দেখতে পান অন্যতর সত্য। সেই সত্যের ধারাভাষ্য লেখেন তাঁরা।
বিনয় মজুমদার এই ধরনের কবি ছিলেন। চেনা ও আপাত দৃশ্যের আড়ালে ঢাকা সত্য বের করে আনতেন স্বকীয় দক্ষতায়। তাঁর বহুচর্চিত কাব্যগ্রন্থের নাম ' ফিরে এসো চাকা'। 'ফিরে এসো চাকা'র প্রথম কবিতাটি নিয়েই এই সামান্য প্রয়াস, সেটি পড়লে বিস্ময়ের উদ্রেক হয়:

একটি উজ্জ্বল মাছ একবার উড়ে
দৃশ্যত সুনীল কিন্তু প্

শক্তির একটি কবিতা: পাঠ প্রতিক্রিয়া

শক্তির কবিতা পড়লে কখনো কখনো মনে হয় ভেতরে বারুদ ঠাসা রয়েছে। অনেকে শক্তির কবিতায় জটিলতা খুঁজে পান, কেউ পান গভীর আস্তিক্য। আমার শক্তি পাঠ করে মনে হয়েছে তিনি ভীষণ প্রশ্ন করতে ভালোবাসেন, আর নিরন্তর উত্তর খুঁজে চলেন। এবং, তাঁর কবিতায় থাকে বিনির্মাণের ঝোঁক। একটি বিখ্যাত কবিতা পড়ে যা মনে হলো লিখছি।

তীরে কি প্রচন্ড কলরব
'জলে ভেসে যায় কার শব।
কোথা ছিল বাড়ি?'
রাতের কল্লোল শুধু বলে যায় -'আমি স্বেচ্ছাচারী।'

সমুদ্র কি জীবিত ও মৃতে
এভাবে সম্পূর্ণ অতর্কিতে
সমাদরণীয়?
কে

বাংলা কমিক্স ও আমাদের ছোটবেলা

সবে স্লেট-পেন্সিল থেকে খাতা-পেন্সিলে উত্তরণ হচ্ছে। আঁকাবাঁকা অক্ষরে নিজের নাম লিখি। স্যার রোলকল করলে ‘ইয়েস স্যার’ বা ‘প্রেজেন্ট প্লিজ’ বলি। আমাদের বাংলা মিডিয়ামে ওইটুকু ইংরিজি-ই বলতাম। সঙ্গে চলছে যোগ-বিয়োগ আর অভিশপ্ত নামতা। একের নামতা আর দশের নামতা সবচে সুন্দর লাগতো। সকলের-ই লাগে। পাঁচেরটাও মন্দ ছিলো না। কিন্তু ঝামেলা পাকাতো বাকি সংখ্যাগুলো, বিশেষ করে পাঁচ এর পরেরগুলো। এরকম ঘোর দুর্দিনে হাতে এসে পড়লো শুকতারা পত্রিকা। কমিক্সে রঙিন বাঁটুল দি গ্রেট, আর শাদা কালোর হাঁদা-ভোঁদা। এলো বেশ স্বস্তি নিয়ে।

জেঠু

প্রায় প্রত্যেক ক্লাশেই একজন মামা, জেঠু, কাকা বা দাদু থাকে। কে এই নাম দেয়, কি তার জেনেসিস, তা বেশ কুয়াশায় ঢাকা। তবে এই পরিবারতান্ত্রিক নামগুলি এত জনপ্রিয় হয় যে এদের আসল নাম ও পদবী বন্ধুরা একসময় ভুলে মেরে দেয়। প্রচলিত ডাকনামেই নামডাক হয় ইঁহাদের। ক্রমে ক্রমে বার্তা রটিয়া যায়, মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক, আমি তোমাদেরই লোক। ধীরে ধীরে নিজ-ক্লাশ ছাড়িয়ে, এই সমস্ত পারিবারিক নিকনেম, উঁচু, নীচু ক্লাশ ছাড়িয়ে, গোটা স্কুলে ছড়িয়ে যায়।

জেঠু নামে যার কথা বলছি সে ঈষৎ গাম্বু-প্রকৃতির। সে ক্লাশটিমের স্টপার পো

লীন তাপ

ক্লাশ নাইন-ই হবে। লক্ষ্মণবাবু চশমার একটা ডাঁটিতে আঙুল দিয়ে তুলে, স্বাভাবিক মুদ্রাদোষে, প্রশ্ন করলেন: ‘লীন তাপ বলতে কি বোঝো?’ পরক্ষণে, একটু থেমে, আবার প্রশ্ন: ‘কে বলবে?’

আমার পাশে যে সহপাঠী বসে ছিলো সে প্রশ্ন শুনে কেমন একটা উশখুশ করছিলো। সে হঠাৎ হাত তুললো। গোটা ক্লাশ অবাক। যার কথা বলছি সে পড়াশুনোয় ভালোও নয়, খারাপও নয়, কথা সেটা নয়; কিন্তু, সে, সচরাচর প্রশ্ন শুনে উত্তর দেওয়ার জন্য হাত তোলে না।

তারপর, ধরা যাক, তার নাম- কৃষ্ণেন্দু; তো, কৃষ্ণেন্দু দাঁড়ালো, লক্ষ্মণবাবু তার দিকে তাকালে

এদিক সেদিক যা বলছেনঃ

23 Mar 2018 -- 09:23 PM:মন্তব্য করেছেন
সুন্দর বলেছেন, দেবাশিস।
21 Mar 2018 -- 10:23 PM:মন্তব্য করেছেন
স্বচ্ছ জীবন দর্শন এবং সাবলীল গদ্যভঙ্গি লেখাটিকে অনবদ্য করে তুলেছে। বন্ধুর প্রতিবেশী আর প্রতিবেশী ...
21 Mar 2018 -- 10:16 PM:মন্তব্য করেছেন
ধন্যবাদ, ফরিদা ও সুতপা।
21 Mar 2018 -- 08:38 PM:মন্তব্য করেছেন
যথার্থ বলেছেন, ঝর্না।
17 Mar 2018 -- 11:20 PM:মন্তব্য করেছেন
ধন্যবাদ, অরণ্য।
05 Mar 2018 -- 09:19 AM:মন্তব্য করেছেন
আপনাদের মতামত ও প্রতিক্রিয়ার জন্য ধন্যবাদ। প্রতিটি কবিতা ভিন্ন পাঠকমননে ভিন্ন অভিঘাত তৈরি করে। আমার ...
04 Mar 2018 -- 06:19 PM:মন্তব্য করেছেন
কালস্রোত নিয়ে ভাবিনি। আপনার ভাবনা কবিতাটির নতুন একটি অদেখা তলের দিকে দিকনির্দেশ করে। বিশদে পারলে লিখ ...
03 Mar 2018 -- 10:33 PM:মন্তব্য করেছেন
ধন্যবাদ
03 Mar 2018 -- 10:32 PM:মন্তব্য করেছেন
ধন্যবাদ।
01 Mar 2018 -- 07:21 PM:মন্তব্য করেছেন
জেঠু থাকতেও আমরা গোল খেয়েছি। সে অন্য গল্প!!