Asish Das RSS feed

নিজের পাতা

Asish Dasএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • অনন্ত দশমী
    "After the torchlight red on sweaty facesAfter the frosty silence in the gardens..After the agony in stony placesThe shouting and the crying...Prison and palace and reverberationOf thunder of spring over distant mountains...He who was living is now deadWe ...
  • ঘরে ফেরা
    [এ গল্পটি কয়েক বছর আগে ‘কলকাতা আকাশবাণী’-র ‘অন্বেষা’ অনুষ্ঠানে দুই পর্বে সম্প্রচারিত হয়েছিল, পরে ছাপাও হয় ‘নেহাই’ পত্রিকাতে । তবে, আমার অন্তর্জাল-বন্ধুরা সম্ভবত এটির কথা জানেন না ।] …………আঃ, বড্ড খাটুনি গেছে আজ । বাড়ি ফিরে বিছানায় ঝাঁপ দেবার আগে একমুঠো ...
  • নবদুর্গা
    গতকাল ফেসবুকে এই লেখাটা লিখেছিলাম বেশ বিরক্ত হয়েই। এখানে অবিকৃত ভাবেই দিলাম। শুধু ফেসবুকেই একজন একটা জিনিস শুধরে দিয়েছিলেন, দশ মহাবিদ্যার অষ্টম জনের নাম আমি বগলামুখী লিখেছিলাম, ওখানেই একজন লিখলেন সেইটা সম্ভবত বগলা হবে। ------------- ধর্মবিশ্বাসী মানুষে ...
  • চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি #সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্যমন ভালো রাখতে কবিতা পড়ুন,গান শুনুন,নিজে বাগান করুন আমরা সবাই শুনে থাকি তাই না।কিন্তু আমরা যারা স্পেশাল মা তাঁদেরবোধহয় না থাকে মনখারাপ ভাবার সময় না তার থেকে মুক্তি। আমরা, স্পেশাল বাচ্চার মা তাঁদের জীবন টা একটু ...
  • দক্ষিণের কড়চা
    দক্ষিণের কড়চা▶️অন্তরীক্ষে এই ঊষাকালে অতসী পুষ্পদলের রঙ ফুটি ফুটি করিতেছে। অংশুসকল ঘুমঘোরে স্থিত মেঘমালায় মাখামাখি হইয়া প্রভাতের জন্মমুহূর্তে বিহ্বল শিশুর ন্যায় আধোমুখর। নদীতীরবর্তী কাশপুষ্পগুচ্ছে লবণপৃক্ত বাতাস রহিয়া রহিয়া জড়াইতে চাহে যেন, বালবিধবার ...
  • #চলো এগিয়ে চলি
    #চলো এগিয়ে চলি(35)#সুমন গাঙ্গুলী ভট্টাচার্যআমরা যারা অটিস্টিক সন্তানের বাবা-মা আমাদের যুদ্ধ টা নিজের সাথে এবং বাইরে সমাজের সাথে প্রতিনিয়ত। অনেকে বলেন ঈশ্বর নাকি বেছে বেছে যারা কষ্ট সহ্য করতে পারেন তাঁদের এই ধরণের বাচ্চা "উপহার" দেন। ঈশ্বর বলে যদি কেউ ...
  • পটাকা : নতুন ছবি
    মেয়েটা বড় হয়ে গিয়ে বেশ সুবিধে হয়েছে। "চল মাম্মা, আজ সিনেমা" বলে দুজনেই দুজনকে বুঝিয়ে টুক করে ঘরের পাশের থিয়েটারে চলে যাওয়া যাচ্ছে।আজও গেলাম। বিশাল ভরদ্বাজের "পটাকা"। এবার আমি এই ভদ্রলোকের সিনেমাটিক ব্যাপারটার বেশ বড়সড় ফ্যান। এমনকি " মটরু কে বিজলী কা ...
  • বিজ্ঞানের কষ্টসাধ্য সূক্ষ্মতা প্রসঙ্গে
    [মূল গল্প - Del rigor en la ciencia (স্প্যানিশ), ইংরিজি অনুবাদে কখনও ‘On Exactitude in Science’, কখনও বা ‘On Rigour in Science’ । লেখক Jorge Luis Borges (বাংলা বানানে ‘হোর্হে লুই বোর্হেস’) । প্রথম প্রকাশ – ১৯৪৬ । গল্পটি লেখা হয়েছে প্রাচীন কোনও গ্রন্থ ...
  • একটি ঠেকের মৃত্যুরহস্য
    এখন যেখানে সল্ট লেক সিটি সেন্টারের আইল্যান্ড - মানে যাকে গোলচক্করও বলা হয়, সাহেবরা বলে ট্র্যাফিক টার্ন-আউট, এবং এখন যার এক কোণে 'বল্লে বল্লে ধাবা', অন্য কোণে পি-এন্ড-টি কোয়ার্টার, তৃতীয় কোণে কল্যাণ জুয়েলার্স আর চতুর্থ কোণে গোল্ড'স জিম - সেই গোলচক্কর আশির ...
  • অলৌকিক ইস্টিমার~
    ফরাসী নৌ - স্থপতি ইভ মার একাই ছোট্ট একটি জাহাজ চালিয়ে এ দেশে এসেছিলেন প্রায় আড়াই দশক আগে। এর পর এ দেশের মানুষকে ভালোবেসে থেকে গেছেন এখানেই স্থায়ীভাবে। তার স্ত্রী রুনা খান মার টাঙ্গাইলের মেয়ে, অশোকা ফেলো। আশ্চর্য এই জুটি গত বছর পনের ধরে উত্তরের চরে চালিয়ে ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

Asish Das প্রদত্ত সর্বশেষ দু পয়সা

RSS feed

ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ্যা ও লিঙ্গ অসাম্য


ভারতের সেরা প্রযুক্তি শিক্ষার প্রতিষ্ঠান কোনগুলি জিজ্ঞেস করলেই নিঃসন্দেহে উত্তর চলে আসবে আইআইটি। কিন্তু দেশের সেরা ইনস্টিটিউট হওয়া সত্ত্বেও আইআইটি গুলিতে একটা সমস্যা প্রায় জন্মলগ্ন থেকেই রয়েছে। সেটা হল ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যার মধ্যে তীব্ররকমের লিঙ্গ অসাম্য। আইআইটি ক্যাম্পাসে এসে একবার শুধু চোখ বোলালেই আপনি দৃশ্যতই ব্যাপারটা অনুভব করতে পারবেন। মোটামুটি সব আইআইটি মিলিয়ে  প্রযুক্তিবিদ্যার বিভাগগুলিতে ছাত্রী সংখ্যা মোট আসনের ৮% মত। ২০১৬ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী আইআইটির সব মিলিয়ে ১০৫০০ আসনের মাত্র ৮

ছদ্ম নিরপেক্ষতা

আমেরিকায় গত কয়েক বছর ধরে একটা আন্দোলন হয়েছিল, "ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার" বলে। একটু খোঁজখবর রাখা লোকমাত্রেই জানবেন আমেরিকায় বর্ণবিদ্বেষ এখনো বেশ ভালই রয়েছে। বিশেষত পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গদের হেনস্থা হবার ঘটনা আকছার হয়। সামান্য ট্রাফিক ভায়োলেশন যেখানে শ্বেতাঙ্গদের সতর্ক করে বা সামান্য জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয় সেখানে কৃষ্ণাঙ্গদের গ্রেপ্তার করা, কৃষ্ণাঙ্গ কেউ দামী গাড়িতে গেলে চোর সন্দেহে তার কাগজপত্র চেক করা এসব তো রয়েইছে, ২০১৩ সালে এক কৃষ্ণাঙ্গ নাবালকের পুলিশের গুলিতে মৃত্যুর পর আন্দোলনের তীব্রতা আরো

গর্ব

গর্ব
---------------------------------------------

পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা বরাবর তাদের দুর্বল ইংরেজি স্কিলের জন্য হাসির পাত্র হয়ে এসেছেন। মজা অবশ্যই মজা হিসেবে নেওয়া যায়। কিন্তু যখন একটা উপমহাদেশীয় দেশের ক্রিকেটারদের ইংরেজিতে দুর্বলতা নিয়ে ক্রমাগত ট্রল করা হতে থাকে তখন বুঝতে হয় মজ্জায় মজ্জায় কলোনিয়ালিজম কিভাবে ঢুকে আছে আজও। একজন ক্রিকেটারের কাজ খেলা, মাতৃভাষা ব্যাতীত অন্য ভাষা জানতেই হবে এরকম দাবী হাস্যকর রকমের অযৌক্তিক। তবে আমরা আর কবেই বা যুক্তিপূর্ণ কাজ করেছি?

যাইহোক এত

ব্রেক-আপ রিকভারি সেন্টার


- হ্যালো?

- নমস্কার। ব্রেকআপ রিকভারি সেন্টার। বলুন।

- ইয়ে আমার.. মানে..

- লেঙ্গি খেয়েছেন, তাই তো? তা ভাল। বেঁচে গেছেন। বলছি আমাদের নাম্বারটা কে দিল? নাকি আপনি আগেও..?

- না না এক বন্ধু দিলো। আমি ঠিক জানিনা। একটু যদি খুলে বলেন ব্যাপারটা।

- কিছুই ব্যাপার না। জলবৎ। তিনটে প্যাকেজ। বেসিক, অ্যাডভান্সড আর লেজেন্ডারি। কোনটা চান?

- সেরেছে। কিছুই জানিনা তো কোনটা কি।

- আচ্ছা আপনারা ওয়েবসাইট চেক করে আসেন না কেন বলুন দেখি?

- আসলে নে

একটি গোপন সরকারি প্রজেক্ট সম্পর্কে দুচার কথা

থর মরুভূমির ধু ধু প্রান্তরের মধ্যে জায়গাটা হঠাৎ দেখলে কেউ ভাবতে পারে হঠাৎ এরকম জনমানবশূন্য জায়গায় এটা কিসের ফেসিলিটি? কিছুদূর এগিয়ে গেলে বোর্ড চোখে পড়বে, অ্যাডভান্সড নিউক্লিয়ার রিসার্চ ল্যাব, এন্ট্রি ফর অথোরাইজড পার্সোনেল অনলি। তার বেশি এগোনো যাবেনা, ষন্ডা চেহারার সিকিউরিটি এসে আটকাবে। সাথে হাজারটা প্রশ্ন, উত্তর সন্তোষজনক না হলে কপালে জেলের ঘানিও থাকতে পারে। যদিও সবার চোখের আড়ালে নিউক্লিয়ার ফেসিলিটির নামে এখানে আসলে যা চলে তা যাকে বলে সর্ব্বোচ্চ স্তরের ক্লাসিফায়েড ইনফরমেশন। ভূভারতে যত লোক এই ফে

রিলায়েন্স-জিও: জালিয়াতি না প্রযুক্তিবিপ্লব?

রিলায়েন্স জিও মার্কেটে আসার পর থেকেই চারদিকে সাড়া পড়ে গেছে। বহুদিন ধরে বদ্ধ জলার মত স্থির থাকা ইন্ডিয়ান টেলিকম মার্কেটে জিও-র আবির্ভাব প্রায় ছোটখাটো সুনামি বললে অত্যুক্তি হবে না। এখন স্বাভাবিক ভাবেই প্রায় ৫০% কম রেটে কিভাবে রিলায়েন্স এত ডাটা এত মানুষকে প্রোভাইড করবে সেটা নিয়ে অনেকেরই কৌতুহল। তার উপর রয়েছে আনলিমিটেড ফ্রি ভয়েস কল! শুনতেও অবাস্তব লাগে। এরমধ্যে নরেন্দ্র মোদী জিও-এর প্রায় ব্র‍্যান্ড আইকন হয়ে গিয়ে এতে কিছু রাজনৈতিক মশলাও মিশিয়ে দিয়েছেন। তাই রাজনৈতিক লাভের জন্য বা নেহাতই ভারতীয় সুলভ সং

অজ্ঞ ক্রীড়া-মূর্খের চোখে দীপা কর্মকার

নাহ বলতে কোন দ্বিধা নেই একসপ্তা আগেও দীপা কর্মকারের নামটা আমি শুনিনি। সেই ২০১৪ গ্লাসগো কমনওয়েলথে ব্রোঞ্জ পাবার পর হয়তো একটু মাতামাতি হয়েছিল হয়তো। কিন্তু একে জিমন্যাস্ট তাও আবার ত্রিপুরার, এতদিন কার মনে থাকবে বাওয়া? ভুল বুঝবেন না। আমার এই অজ্ঞতায় আমি যে লজ্জিত তা স্বীকার করতে কোন দ্বিধা নেই। তাই আর নতুন করে কমেন্টে “এতদিন মনে পড়েনি, এখন হুজুগে পড়ে নাচানাচি করছে” বলার কোন মানে নেই। নোবেল না পেলে বাঙালি অমর্ত্য সেন, এমনকি রবীন্দ্রনাথকেও মনে রাখত কিনা সন্দেহ।
যাই হোক। নিউজফিডে নামটা খুব ঘুরছে দে

এদিক সেদিক যা বলছেনঃ