Ashoke Mukhopadhyay RSS feed

নিজের পাতা

Ashoke Mukhopadhyayএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • বিজাতীয় ভীমরতি
    বিজাতীয় ভীমরতি ( বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বাবু' অবলম্বনে )ঝুমা সমাদ্দারজনমেজয় কহিলেন,হে মহর্ষে! আপনি কহিলেন যে, কলিযুগে রিয়্যালিটি শো নামে একপ্রকার জয়ঢাক পৃথিবীতে আবির্ভূত হইবেন। তাঁহারা কি প্রকার জয়ঢাক হইবেন এবং পৃথিবীতে আবির্ভুত হইয়া কি কার্য্য ...
  • জিওরদানো ব্রুনো—সত্যনিষ্ঠার এক অনির্বাণ জাগপ্রদীপ # তিন
    [আগামি ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ বিজ্ঞান শহিদ জিওরদনো ব্রুনোর ৪১৭-তম মৃত্যু বার্ষিকী। এই উপলক্ষে আমি ব্রুনো সম্পর্কে আমার একটি লেখা এখানে সকলের সাথে ভাগ করে নিতে চাই। যাঁরা ওই দিন বা ওই সময়ে ব্রুনো চর্চা করবেন, তাঁদের কাছে আনুষঙ্গিক এই সব তথ্য থাকা দরকার। যাঁরা ...
  • সেনাবাহিনী ও মানবাধিকার
    বেশ কিছুদিন আগে গুরুচন্ডা৯ সাইটের একটা লেখার সূত্রে আলোচনা হচ্ছিল, সেনাবাহিনীর অত্যাচার নিয়ে আমরা এত কিছু বলি, কিন্তু তারা নিজেরা কী পরিবেশে থাকেন, কী সমস্যার সামনে দাঁড়ান, তা কখনোই তেমনভাবে আলোচিত হয় না। সেনাবাহিনীতে (পুলিশ, বি এস এফ বা বিভিন্ন আধা ...
  • আমার আকাশ
    আমার আকাশঝুমা সমাদ্দারএক টুকরো আকাশ ছিল আমার । দূ..উ..রে , ওই যে মাঠ…. মাঠের ও পারে সেই যে গাছটা …. কি যেন নাম ছিল সে গাছটার ….কি জানি…. কোনো নাম ছিল কি গাছটার ? কোনোদিন জানতাম কি তার নাম ? ….না, জানতাম না বোধহয় । জানতে চাই-ই নি কোনো দিন…. ওটা তো আমার গাছ ...
  • জিওরদানো ব্রুনো—সত্যনিষ্ঠার এক অনির্বাণ জাগপ্রদীপ # দুই
    [আগামি ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ বিজ্ঞান শহিদ জিওরদনো ব্রুনোর ৪১৭-তম মৃত্যু বার্ষিকী। এই উপলক্ষে আমি ব্রুনো সম্পর্কে আমার একটি লেখা এখানে সকলের সাথে ভাগ করে নিতে চাই। যাঁরা ওই দিন বা ওই সময়ে ব্রুনো চর্চা করবেন, তাঁদের কাছে আনুষঙ্গিক এই সব তথ্য থাকা দরকার। যাঁরা ...
  • অ-খাদ্য ভীমরতি
    অ-খাদ্য ভীমরতিঝুমা সমাদ্দারযত্ত আদিখ্যেতা আর ন্যাকামো । যেন চা দিয়ে পরোটা খেতে এতই খারাপ , হোলোই বা তা একখান পরোটা । আমাদের গরিব বেচারা দেশ , কতো কতো লোকের বলে এ-ই জোটে না । কি চাই ? না বাটার, জ্যাম, আচার ! আহা ! আল্হাদে মরে যাই । আবার দুপুরে ডাল-রুটি ...
  • কারফিউ
    [এক-এগারোর (২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি) পর সেনা সমর্থিত অস্বাভাবিক তত্ত্ববধায়ক সরকার সারাদেশে বিক্ষোভ দমনে কারফিউ জারি করেছিল। এর দমন-পীড়নের শিকার হতে হয়েছিল সাংবাদিক, শিক্ষক, ছাত্র, দিনমজুরসহ সাধারণ জনতাকে। প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থেকে সে সময়ের একটি ব্লগ নোট। ...
  • মুকুলমামার পক্ষীপ্রেম
    মুকুলমামার পক্ষীপ্রেমঝুমা সমাদ্দার“আ..আ.. আঃ ! ওইর'ম কইরা কেউ চাটনি খায় ? কিসুই শিখে নাই মাইয়াডা। চাটনির মইধ্যে গন্ধরাজ লেবুখান চিইপ্যা 'ল , হঁ , এইবার লবন দে , আরও দে , এক্কেরে বোগ্দা মাইয়াডা । এইবার একটুখানি আঙ্গুলে লইয়া সাইট্যা খাইয়া দ্যাখ , কেমন ? ” ...
  • জিওরদানো ব্রুনো—সত্যনিষ্ঠার এক অনির্বাণ জাগপ্রদীপ # এক
    [আগামি ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ বিজ্ঞান শহিদ জিওরদনো ব্রুনোর ৪১৭-তম মৃত্যু বার্ষিকী। এই উপলক্ষে আমি ব্রুনো সম্পর্কে আমার একটি লেখা কয়েকটি ভাগে এখানে সকলের সাথে ভাগ করে নিতে চাই। যাঁরা ওই দিন বা ওই সময়ে ব্রুনো চর্চা করবেন, তাঁদের কাছে আনুষঙ্গিক এই সব তথ্য থাকা ...
  • নীলমাধবঃ একটি বিকল্প নিমপুরাণ
    নীলমাধব বৃদ্ধ হয়েছেন। নিজে গোলযোগ সইতে পারেন কি না, জানিনা। তবে তাঁকে নিয়ে অভ্রভেদী কোলাহল শুরু হয়েছিলো সেই কবে। উনিশ বছর পরে কায়াপলট হবে দেবতার। তাই গত বছর তিনেক ধরে সাজো সাজো প্রস্তুতি চলেছিলো চারদিকে। পুরীর জগন্নাথদেবের নবকলেবর হলো গত বছর রথযাত্রার ...

Ashoke Mukhopadhyay প্রদত্ত সর্বশেষ দু পয়সা

<< লেখকের আরও নতুন লেখা      লেখকের আরও পুরোনো লেখা >> RSS feed

হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিতে গরু: দেশ কোনদিকে? # পর্ব - ২

সংবিধান, ধর্ম নিরপেক্ষতা ও খাদ্য নির্বাচনের অধিকার

সেকালের এলাকা ছেড়ে বেরিয়ে এসে এবার আমরা এখানে আধুনিক কালের প্রেক্ষিতে কিছু নতুন যুক্তি তর্ক হাজির করব শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষদের ভেবে দেখবার জন্য। আমাদের প্রথম প্রশ্ন ধর্মনিরপেক্ষতা (secularism)-এর মাপকাঠিতে একজন সাধারণ নাগরিকের খাদ্য বিষয়ে সাংবিধানিক অধিকার কতখানি সুরক্ষিত সেই সম্পর্কে। ভারতের সংবিধান নাকি ভারত রাষ্ট্রকে একটা ধর্মনিরপেক্ষ ব্যবস্থা গড়ে তুলবার নির্দেশ দেয়। এই ব্যাপারে শুধু কংগ্রেস বা গান্ধীবাদীরা নন, বেশিরভাগ বামপন্থী দ

হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিতে গরু: দেশ কোনদিকে? # পর্ব - ১

প্রচারক। শাস্ত্র বলে গরু আমাদের মাতা।
বিবেকানন্দ। হ্যাঁ, গরু যে আমাদের মা, তা আমি বিলক্ষণ বুঝেছি—তা না হলে এমন সব
কৃতি সন্তান আর কে প্রসব করবেন?
[“স্বামী-শিষ্য-সংবাদ”; স্বামীজীর বাণী ও রচনা, ৯ম খণ্ড]

ভারতেও “নাসা”!

আপনারা ভাবছেন, আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রে নাসা (NASA) নামক যে সংস্থাটি মহাকাশ বিষয়ক গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের সাথে সংযুক্ত, তারা বুঝি আমাদের দেশেও কোনো শাখা খুলছে বলে আ

বুদ্ধিমুক্তি আন্দোলনের অগ্রতাপস―ডিরোজিও # পাঁচ

।। ৭ ।।
মৃত্যুতেও ডিরোজিও তাঁর এই উচ্চগ্রাম মূল্যবোধের পরিচয় দিয়ে গেছেন। ১৯ ডিসেম্বর ১৮৩১ তিনি ধর্মতলা অ্যাকাডেমি স্কুলে গেলেন বার্ষিক পরীক্ষা নিতে। সেখানেই তিনি দিলেন তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনের শেষ ভাষণ। আশা প্রকাশ করে গেলেন শেষবারের মতো, ড্রামন্ডের এই বিদ্যালয়ের ছাত্রদের মতোই এক দিন আসবে—
When man to man the world o’er
Shall brothers be, and a’ that.

সেখান থেকে ফিরেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। দুরারোগ্য কলেরায় আক্রান্ত হন। আসলে সেই সময় সারা কলকাতা জুড়েই কলেরা এক মহামারীর রূপ নিয়ে

বুদ্ধিমুক্তি আন্দোলনের অগ্রতাপস―ডিরোজিও # চার

।। ৬ ।।
ডিরোজিওর এই সমস্ত মতাদর্শগত সাফল্যের পেছনে মৌল উৎসগুলি কী কী? তিনি কি প্রচলিত বা প্রাতিষ্ঠানিক কোনো রকম ঈশ্বরের ধারণায় বিশ্বাস করতেন? অথবা, তিনি কি পুরোপুরি নাস্তিক ছিলেন? তাঁর কি সুনির্দিষ্ট কোনো দার্শনিক বোধ তৈরি হয়েছিল? নাকি, তিনি যখন যা মনে হত সেই মতো বলতেন বা আচরণ করতেন? তাঁর ছাত্রদের কাছেই বা তাঁর মতাদর্শগত বার্তা ঠিক কী ধরনের ছিল? খ্রিস্টান ধর্মের প্রতি তাঁর মনোভাব ঠিক কী ধরনের ছিল? ভারতের খ্রিস্টান মিশনারিরাই বা তাঁর সম্পর্কে কেমন ধারণা পোষণ করত?

এবার সেই সব প্রশ্নে

বুদ্ধিমুক্তি আন্দোলনের অগ্রতাপস―ডিরোজিও # তিন

।। ৪ ।।
একটা বেশ বড় সাফল্য এল। হিন্দু রক্ষণশীল মাতব্বররা দারুণ উল্লসিত হয়ে এবার আর একটা আক্রমণ হানল। অ্যাকাডেমিক অ্যাসোসিয়েশন-এর সভা তো আগেই কলেজের বাইরে চলে গেছে। কলেজে তখন শুধু রাধাকান্ত দেবের ধর্মসভার অধিবেশন বসে। এবার ফতোয়া এল, কলেজের ছেলেরা যেন কলেজের বাইরেও সেই সভার আলোচনায় যোগদান না করে। করলে তারা কলেজের কর্তাব্যক্তিদের “বিরাগ ভাজন” হবে। সেই মর্মে নোটিশও পড়ে গেল। কিন্তু ছেলেদের তাতেও নিরস্ত করা গেল না। ডিরোজিওর আকর্ষণ তখন শক্তিশালী চুম্বকের মতো কলকাতার নতুন আলোকপ্রাপ্ত ছাত্রদের টানছে।

বুদ্ধিমুক্তি আন্দোলনের অগ্রতাপস―ডিরোজিও # দুই

।। ৩ ।।
“Truth is the goal; reason is thy way.” কত সহজেই এই কথাটা বলতে পেরেছিলেন সতের বছরের এক কিশোর শিক্ষক প্রায় তাঁর সমবয়সী ছাত্রদের কাছে। শ্রেণিকক্ষের দরজা বন্ধ করে। অনুচ্চ কণ্ঠে। ১৮২৬ খ্রিস্টাব্দে তিনি এসে যোগ দিলেন এই কলেজের চতুর্থ শিক্ষক হিসাবে। হিন্দু কলেজে ডিরোজিওর অভিমন্যূ-ভূমিকা এই ভাবেই শুরু হয়েছিল। শুনতে আজ আশ্চর্য লাগলেও দরজা বন্ধ করেই এসব কথা সেদিন বলতে হত। চার বছরের মাথায় এটাই তাঁর বিরুদ্ধে ধর্মীয় মাতব্বরদের একটা বড় অভিযোগ হয়ে উঠ্ববে। তারা দাবি জানাবে দরজা খুলে ক্লাশ নেবার জন্

বুদ্ধিমুক্তি আন্দোলনের অগ্রতাপস―ডিরোজিও # এক

রাতের আকাশে ক্ষণস্থায়ী এক উল্কার মতো বাংলার সমাজে জন্মগ্রহণ করেছিলেন হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও (১৮০৯-৩১), সূত্রপাত করেছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দের প্রথম পাদে এই পরিচিত বাংলাদেশ তথা ভারতবর্ষের মাটিতেই এক বিরাট সম্ভাবনাময় মুক্তবুদ্ধি আন্দোলনের। আর তার ঊর্মিমালা সেদিন সমসাময়িক ঐতিহ্যবাদী ও সনাতনপন্থী চিন্তাধারার মেদ-মেদুর শরীরে প্রবল আঘাত করেছিল। সেই অভিঘাতের কাহিনি স্মরণ করলে এটা খুব বিস্ময়ের যে আমরা একশ বছর যেতে না যেতে তাঁকে প্রায় ভুলেই গেছি। রাম মোহন রায় (১৭৭২-১৮৩৪) বা ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের (১৮২০-

রাজেন্দ্রলাল মিত্র: উনিশ শতকের ভারতবিদ্যা পথিক # পঞ্চম পর্ব

[এবছর ২৬ জুলাই ২০১৬ রাজেন্দ্রলাল মিত্রের মৃত্যুর একশ পঁচিশ তম বছর সূচিত হচ্ছে। উনিশ শতকের ভারতের এই অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্রকে আমরা আজ ভুলে গেলেও তাঁর জীবনের কর্ম ও সাধনাকে যতটুকু স্মরণ করব সেই অনুপাতে সেই ভুলের প্রায়শ্চিত্য করতে ইচ্ছে হবে। সেই তাগিদ থেকেই এই রচনার জন্ম। ধাপে ধাপে কয়েকটি ক্রমে আমরা চেষ্টা করেছি স্মরণ করার ছলে এই মহৎ মানুষটিকে তাঁর প্রাপ্য সম্মানের কিছু ভাগ অন্তত ফিরিয়ে দিতে। এবারে সূত্রোল্লেখ সহ পঞ্চম বা শেষ পর্ব।]

।। ৮ ।।
এই সমস্ত দিক থেকে বিচার করলে আমরা রাজেন্দ্রলা

রাজেন্দ্রলাল মিত্র: উনিশ শতকের ভারতবিদ্যা পথিক # চতুর্থ পর্ব

[এবছর ২৬ জুলাই ২০১৬ রাজেন্দ্রলাল মিত্রের মৃত্যুর একশ পঁচিশ তম বছর সূচিত হচ্ছে। উনিশ শতকের ভারতের এই অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্রকে আমরা আজ ভুলে গেলেও তাঁর জীবনের কর্ম ও সাধনাকে যতটুকু স্মরণ করব সেই অনুপাতে সেই ভুলের প্রায়শ্চিত্য করতে ইচ্ছে হবে। সেই তাগিদ থেকেই এই রচনার জন্ম। ধাপে ধাপে কয়েকটি ক্রমে আমরা চেষ্টা করছি স্মরণ করার ফাঁকে ফাঁকে এই মহৎ মানুষটিকে তাঁর প্রাপ্য সম্মানের কিছু ভাগ অন্তত ফিরিয়ে দিতে। এবারে চতুর্থ পর্ব। সূত্রোল্লেখ পঞ্চম বা শেষ পর্বে থাকবে।]

।। ৬ ।।
উপরোক্ত গ্রন্থ কয়টির

রাজেন্দ্রলাল মিত্র: উনিশ শতকের ভারতবিদ্যা পথিক

[এবছর ২৬ জুলাই ২০১৬ রাজেন্দ্রলাল মিত্রের মৃত্যুর একশ পঁচিশ তম বছর সূচিত হচ্ছে। উনিশ শতকের ভারতের এই অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্রকে আমরা আজ ভুলে গেলেও তাঁর জীবনের কর্ম ও সাধনাকে যতটুকু স্মরণ করব সেই অনুপাতে সেই ভুলের প্রায়শ্চিত্য করতে ইচ্ছে হবে। সেই তাগিদ থেকেই এই রচনার জন্ম। ধাপে ধাপে কয়েকটি ক্রমে আমরা চেষ্টা করব স্মরণ করার ফাঁকে ফাঁকে এই মহৎ মানুষটিকে তাঁর প্রাপ্য সম্মানের কিছু ভাগ অন্তত ফিরিয়ে দিতে। এবারে তৃতীয় পর্ব। সূত্রোল্লেখ শেষ পর্বে থাকবে।]

তৃতীয় পর্ব
।। ৫।।
ইউরোপীয় রেনেশাঁস এ
<< লেখকের আরও নতুন লেখা <<     >> লেখকের আরও পুরোনো লেখা >>

এদিক সেদিক যা বলছেনঃ

09 Sep 2016 -- 10:11 PM:মন্তব্য করেছেন
এক কথায় দারুণ সাড়া দেখতে পাচ্ছি। প্রবল উৎসাহ পাচ্ছি। আর সাহস। আপনাদের মন্তব্যগুলোকে ধরে ধরে আলোচনা ন ...
31 Aug 2016 -- 04:43 PM:মন্তব্য করেছেন
আমার লেখার শেষ প্যারাটা পড়ুন। হিন্দু কাগজে কি খবর ছিল দেখে নিন। আমিও জানি না কি করে পাঠানো হয়। সম্ভব ...
31 Aug 2016 -- 11:08 AM:মন্তব্য করেছেন
গোহত্যা বন্ধ হলে রপ্তানিযোগ্য গরুর সংখ্যা বাড়বে। আর গরু রপ্তানিতে তো কেউ বাধা দিচ্ছে না। দেশের আইনেও ...