Ashoke Mukhopadhyay RSS feed

নিজের পাতা

Ashoke Mukhopadhyayএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • বাম-Boo অথবা জয়শ্রীরাম
    পর্ব ১: আমরাভণিতা করার বিশেষ সময় নেই আজ্ঞে। যা হওয়ার ছিল, হয়ে গেছে আর তারপর যা হওয়ার ছিল সেটাও শুরু হয়ে গেছে। কাজেই সোজা আসল কথায় ঢুকে যাওয়াই ভালো। ভোটের রেজাল্টের দিন সকালে একজন আমাকে বললো "আজ একটু সাবধানে থেকো"। আমি বললাম, "কেন? কেউ আমায় ক্যালাবে বলেছে ...
  • ঔদ্ধত্যের খতিয়ান
    সবাই বলছেন বাম ভোট রামে গেছে বলেই নাকি বিজেপির এত বাড়বাড়ন্ত। হবেও বা - আমি পলিটিক্স বুঝিনা একথাটা অন্ততঃ ২৩শে মের পরে বুঝেছি - যদিও এটা বুঝিনি যে যে বাম ভোট বামেদেরই ২ টোর বেশী আসন দিতে পারেনি, তারা "শিফট" করে রামেদের ১৮টা কিভাবে দিল। সে আর বুঝবও না হয়তো ...
  • ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনঃ আদার ব্যাপারির জাহাজের খবর নেওয়া...
    ভারতের নির্বাচনে কে জিতল তা নিয়ে আমরা বাংলাদেশিরা খুব একটা মাথা না ঘামালেও পারি। আমাদের তেমন কিসছু আসে যায় না আসলে। মোদি সরকারের সাথে বাংলাদেশ সরকারের সম্পর্ক বেশ উষ্ণ, অন্য দিকে কংগ্রেস বহু পুরানা বন্ধু আমাদের। কাজেই আমাদের অত চিন্তা না করলেও সমস্যা নেই ...
  • ইন্দুবালা ভাতের হোটেল-৪
    আম তেলবিয়ের পরে সবুজ রঙের একটা ট্রেনে করে ইন্দুবালা যখন শিয়ালদহ স্টেশনে নেমেছিলেন তখন তাঁর কাছে ইন্ডিয়া দেশটা নতুন। খুলনার কলাপোতা গ্রামের বাড়ির উঠোনে নিভু নিভু আঁচের সামনে ঠাম্মা, বাবার কাছে শোনা গল্পের সাথে তার ঢের অমিল। এতো বড় স্টেশন আগে কোনদিন দেখেননি ...
  • জোড়াসাঁকো জংশন ও জেনএক্স রকেটপ্যাড-৯
    আমি যে গান গেয়েছিলেম, মনে রেখো…। '.... আমাদের সময়কার কথা আলাদা। তখন কে ছিলো? ঐ তো গুণে গুণে চারজন। জর্জ, কণিকা, হেমন্ত, আমি। কম্পিটিশনের কোনও প্রশ্নই নেই। ' (একটি সাক্ষাৎকারে সুচিত্রা মিত্র) https://www.youtube....
  • ডক্টর্স ডাইলেমা : হোসেন আলির গল্প
    ডক্টর্স ডাইলেমা : হোসেন আলির গল্পবিষাণ বসুচলতি শতকের প্রথম দশকের মাঝামাঝি। তখন মেডিকেল কলেজে। ছাত্র, অর্থাৎ পিজিটি, মানে পোস্ট-গ্র‍্যাজুয়েট ট্রেনি। ক্যানসারের চিকিৎসা বিষয়ে কিছুটা জানাচেনার চেষ্টা করছি। কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি, এইসব। সেই সময়ে যাঁদের ...
  • ঈদ শপিং
    টিভিটা অন করতেই দেখি অফিসের বসকে টিভিতে দেখাচ্ছে। সাংবাদিক তার মুখের সামনে মাইক ধরে বলছে, কতদূর হলো ঈদের শপিং? বস হাসিহাসি মুখ করে বলছেন,এইতো! মাত্র ছেলের পাঞ্জাবী আমার স্যুট আর স্ত্রীর শাড়ি কেনা হয়েছে। এখনো সব‌ই বাকি।সাংবাদিক:কত টাকার শপিং হলো এ ...
  • বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা
    ‘কেন? আমরা ভাষাটা, হেসে ছেড়ে দেবো?যে ভাষা চাপাবে, চাপে শিখে নেবো?আমি কি ময়না?যে ভাষা শেখাবে শিখে শোভা হবো পিঞ্জরের?’ — করুণারঞ্জন ভট্টাচার্যস্বাধীনতা-...
  • ফেসবুক সেলিব্রিটি
    দুইবার এস‌এসসি ফেইল আর ইন্টারে ইংরেজি আর আইসিটিতে পরপর তিনবার ফেইল করার পর আব্বু হাল ছেড়ে দিয়ে বললেন, "এই মেয়ে আমার চোখে মরে গেছে।" আত্নীয় স্বজন,পাড়া প্রতিবেশী,বন্ধুবান্ধ...
  • বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা
    ‘কেন? আমরা ভাষাটা, হেসে ছেড়ে দেবো?যে ভাষা চাপাবে, চাপে শিখে নেবো?আমি কি ময়না?যে ভাষা শেখাবে শিখে শোভা হবো পিঞ্জরের?’ — করুণারঞ্জন ভট্টাচার্য স্বাধীনতা-পূর্ব সরকারি লোকগণনা অনুযায়ী অসমের একক সংখ্যাগরিষ্ঠ ভাষাভাষী মানুষ ছিলেন বাঙালি। দেশভাগের পরেও অসমে ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

Ashoke Mukhopadhyay প্রদত্ত সর্বশেষ দু পয়সা

লেখকের আরও পুরোনো লেখা >> RSS feed

বিজ্ঞানের অ(নেক?)-ক্ষমতা # পর্ব-৫

[৭] অপরাবিদ্যা

শেষ করার আগে জরুরি কথাগুলো আর একবার সারসংক্ষেপ করে বলি। ধর্মীয় আধ্যাত্মিক ধারণাগুলো কেন বিজ্ঞানের খাতায় পাওয়া যাবে না—বুঝে নেবার জন্য। ধর্ম এবং অধ্যাত্মবাদের তুলনায় বিজ্ঞান খুবই দুর্বল এবং ভিরু প্রকৃতির। ঈশ্বর আত্মা পরমাত্মা পুনর্জন্ম ব্রহ্ম জাতীয় অত্যন্ত গুরুগম্ভীর জটিল জিনিসগুলি প্রমাণ করার মতো মালমশলা বা সাহস কোনোটাই এর নেই। এটা তার নিতান্তই সীমাবদ্ধতা, বা অক্ষমতাও বলা যায়!

ধর্ম ও আধ্যাত্মিক সাধনায় জ্ঞানলাভ করা এক দিক থেকে কত সহজ। এক একজন মুনি ঋষি সাধু সন্ত পি

বিজ্ঞানের অ(নেক?)-ক্ষমতা # পর্ব-৪

[৬] সবজান্তা বনাম জ্ঞানার্থী

উপরের আলোচনায় আমি এটা দেখাতে চেয়েছি, বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারার সাথে অধ্যাত্মবাদের বিরোধটা অত্যন্ত কঠোর বাস্তব। কী জানতে হবে তাতেও, কীভাবে জানতে হবে তা নিয়েও—বিরোধ এই উভয় মৌল বিন্দুতেই। তথ্য যুক্তি তর্ক সংশয় প্রমাণ অপ্রমাণ পরীক্ষা নিরীক্ষা পরিমাপন তুলনা বিচার বিশ্লেষণ—এই সমস্ত ব্যাপার ধর্মীয় চিন্তার পক্ষে শুধু অপাংক্তেয় নয়, বিপজ্জনকও বটে। “তাঁর ইচ্ছাতেই সব”, “তিনি যা করাচ্ছেন তাই হবে”, “মেলাবেন, তিনি মেলাবেন”—এই রকম ধারণা বা বিশ্বাস কোনো প্রমাণ অপ্রমাণের ধার ধা

বিজ্ঞানের অ(নেক?)-ক্ষমতা # পর্ব-৩

[৪] এস্পার ওস্পার!

এখন, এরকম একটা তর্ক অনেকে তোলেন, “আচ্ছা বেশ, বিজ্ঞানের সঙ্গে ধর্মের সমন্বয় সম্ভব নয়—এটা না হয় মেনে নিলাম। কিন্তু আপনাদের বিজ্ঞান কি প্রমাণ করতে পারে যে ঈশ্বর নেই? বিজ্ঞান কি দেখাতে পারে, আত্মার ধারণা ভুল? টেলিপ্যাথি অসম্ভব? ইত্যাদি। বিজ্ঞান কি এই সব নিয়ে কোনো পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখেছে যার মাধ্যমে এই সব ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়ে গেছে?”

না, সত্যি কথা বলতে কি, আমি যদ্দুর জানি, বিজ্ঞান এ পর্যন্ত এরকম কোনো চেষ্টাই করেনি। কারণ, যুক্তিশাস্ত্রের বুনিয়াদি নিয়ম অনুযায়ী

বিজ্ঞানের অ(নেক?)-ক্ষমতা # পর্ব-২

[২] তুমি আর আমি . . .

তাহলে, যুক্তিতর্ক এবং ইতিহাসের সাক্ষ্য, দুদিক থেকেই বোঝা গেল—কোনটা শেষ হলে কোনটা শুরু হয়। সুতরাং ধর্ম ঈশ্বর আত্মা ইত্যাদিকে আর বিজ্ঞানের উপরে চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। থাকতে হলে পেছনেই অপেক্ষা করতে হবে। যে সমস্ত দূরদর্শী ধর্ম দার্শনিক এটা বুঝে ফেলেছেন, তাঁরা এর পর থেকে একটা নতুন বাণী শোনাতে লাগলেন: বিজ্ঞান আর ধর্মের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। বিজ্ঞান মানুষের ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য ইহজাগতিক বাস্তব জগতের শরীরের চাহিদা মেটায়; সুখ শান্তি এনে দেয়। জীবনকে উপভোগ্য করে তোলে। আর ধর্ম মানুষ

বিজ্ঞানের অ(নেক?)-ক্ষমতা # পর্ব-১

১৯৫৬ সালে প্রখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী রিচার্ড ফাইনম্যান (১৯১৮-৮৮) ক্যালিফর্নিয়া ইন্সটিটিউট অফ টেকনলজি-তে খ্রিস্টধর্মাবলম্বী ছাত্রদের সঙ্গে মধ্যাহ্ন ভোজনে মিলিত হয়ে একটি বক্তৃতায় বিজ্ঞানের সঙ্গে ধর্মের সম্পর্ক বিষয়ে একটি ভাষণ দিয়েছিলেন। [Feynman 1956]। ষাট বছর পেরিয়ে, সেটি সম্প্রতি বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াতে খুব গুরুত্ব সহ ঘুরে বেড়াতে শুরু করেছে।

কেন? কেন??

ফাইনম্যান একজন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী। সেই যে ষাটের দশকে তিনি ক্যালটেকে স্নাতক ছাত্রদের পদার্থবিজ্ঞানের ক্লাশ নিতে গিয়ে একটা লেকচার-নো

আজ কার্ল মার্ক্স (১৮১৮-২০১৮) ...

উনিশ শতকের এক উদ্ভ্রান্ত সময়ের কথা। ইউরোপে তখন শিল্প বিপ্লবের ধাক্কায় কৃষি থেকে উচ্ছিন্ন হয়ে যে বিপুল কারখানা শ্রমিক কর্মচারির দল তৈরি হয়েছে, তাদের তখন ভালো করে দুবেলা খাবার জুটছে না। সকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত কাজ আর কাজ। কাজের কোনো সময় সূচি নেই। বারো ঘন্টা বা চোদ্দ ঘন্টা করে কাজ। মাথা গুঁজবার ঠাঁই নেই অধিকাংশের। দেশলাই বাক্সের মতো বস্তিঘরে আলুর বস্তার মতো গা ঘেঁষাঘেঁষি করে থাকতে হয় প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের। সবচাইতে শিল্পোন্নত পুঁজিবাদী দেশ ইংল্যান্ডের এই জঘন্য হাল হকিকত নিয়ে সদ্য এক গ্রন্থ র

বল ও শক্তি: ধারণার রূপান্তর বিভ্রান্তি থেকে বিজ্ঞানে#2

[৩] যাদুবিদ্যা ও ধর্ম

পৃথিবীর সমস্ত প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মই প্রথম যুগে এই ম্যাজিক সংস্কৃতির বিরোধিতা করেছিল। কিন্তু কেন? আসুন, এবার আমরা সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে দেখি।

সমাজ বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানে দেখা যাবে, ধর্মের উদ্ভবের সময়কালের সাথে এই যাদুবিদ্যার আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটের পার্থক্য দিয়েই সেই উত্তর খুঁজে পাওয়া যাবে। মনে রাখতে হবে, ম্যাজিক সংস্কৃতির বিকাশ ও বিস্তারের সময় হচ্ছে প্রস্তর যুগের সংগ্রহ ও শিকার ভিত্তিক যাযাবর আদিম সাম্যবাদী জ্ঞাতিগোষ্ঠীভিত্তিক সমাজ সংগঠন। আর ধর্মের উদ্ভব

বল ও শক্তি: ধারণার রূপান্তর বিভ্রান্তি থেকে বিজ্ঞানে#1

আধুনিক বিজ্ঞানে বস্তুর গতির রহস্য বুঝতে গেলেই বলের প্রসঙ্গ এসে পড়ে। আর দু এক ধাপ এগোলে আবার শক্তির কথাও উঠে যায়। সেই আলোচনা আজকালকার ছাত্ররা স্কুল পর্যায়েই এত সহজে শিখে ফেলে যে তাদের কখনও একবারও মনেই হয় না, এর মধ্যে কোনো রকম জটিলতা আছে বা এক কালে ছিল। কিন্তু আজ থেকে মাত্র দু চার হাজার বছর আগেকার কথা স্মরণ করুন। সেই ইতিহাসের গুহায় ঢুকলে দেখতে পাবেন, তখন অবধি মানুষ জানতই না, বস্তু যে চলে তা কিসের জোরে। তার নিয়ম কী, তার ভিত্তি কী। বল ও শক্তি--এই দুটো ধারণাই যে আদিম মানুষের ম্যাজিক সংস্কৃতির আঁতুরঘর

।। ধর্ম সাম্প্রদায়িকতা মৌলবাদ: কিছু কথা।। চার

[মধ্য প্রদেশের এক দলিত অধ্যুষিত গ্রামে মেয়ের বিয়েতে ঢোল না বাজিয়ে ব্যান্ড বাজানোর অপরাধে গ্রামের একমাত্র কুয়োর জলে কেরসিন ঢেলে দিয়েছে গ্রামের উচ্চবর্ণের মাতব্বররা। আইসিস সন্ত্রাসীদের মতো এক কোপে গলা না কেটে সঙ্ঘু সন্ত্রাসীরা এই ভাবে সহনশীল পদ্ধতিতে গলা শুকিয়ে তিলে তিলে পরলোকে প্রেরণের আয়োজন করছে। ঠিক সেই দিন যেদিন দক্ষিণ এশিয়ার নামে ভারত সরকার একটি কৃত্রিম উপগ্রহ আকাশে তুলবে বলে ঘোষণা হল। মন্দ না! এই ভাবেই হিন্দু রাজ চায় ১৬ শতাংশের জন্য আধুনিক সুখী রাজ্য গড়ে তুলতে, আর ৮৪ শতাংশকে নিয়ে যেতে চায় ২৭

।। ধর্ম সাম্প্রদায়িকতা মৌলবাদ: কিছু কথা।। তিন

[মধ্য প্রদেশের এক দলিত অধ্যুষিত গ্রামে মেয়ের বিয়েতে ঢোল না বাজিয়ে ব্যান্ড বাজানোর অপরাধে গ্রামের একমাত্র কুয়োর জলে কেরসিন ঢেলে দিয়েছে গ্রামের উচ্চবর্ণের মাতব্বররা। আইসিস সন্ত্রাসীদের মতো এক কোপে গলা না কেটে সঙ্ঘু সন্ত্রাসীরা এই ভাবে সহনশীল পদ্ধতিতে গলা শুকিয়ে তিলে তিলে পরলোকে প্রেরণের আয়োজন করছে। ঠিক সেই দিন যেদিন দক্ষিণ এশিয়ার নামে ভারত সরকার একটি কৃত্রিম উপগ্রহ আকাশে তুলবে বলে ঘোষণা হল। মন্দ না! এই ভাবেই হিন্দু রাজ চায় ১৬ শতাংশের জন্য আধুনিক সুখী রাজ্য গড়ে তুলতে, আর ৮৪ শতাংশকে নিয়ে যেতে চায় ২৭
>> লেখকের আরও পুরোনো লেখা >>

এদিক সেদিক যা বলছেনঃ

07 May 2017 -- 02:37 PM:মন্তব্য করেছেন
এক এক করে বলি: মুক্তমনায় প্রকাশিত লেখাটিকে এখানে সামান্য বর্ধিত করতে হয়েছে। আসলে যত সময় যাচ ...
09 Sep 2016 -- 10:11 PM:মন্তব্য করেছেন
এক কথায় দারুণ সাড়া দেখতে পাচ্ছি। প্রবল উৎসাহ পাচ্ছি। আর সাহস। আপনাদের মন্তব্যগুলোকে ধরে ধরে আলোচনা ন ...
31 Aug 2016 -- 04:43 PM:মন্তব্য করেছেন
আমার লেখার শেষ প্যারাটা পড়ুন। হিন্দু কাগজে কি খবর ছিল দেখে নিন। আমিও জানি না কি করে পাঠানো হয়। সম্ভব ...
31 Aug 2016 -- 11:08 AM:মন্তব্য করেছেন
গোহত্যা বন্ধ হলে রপ্তানিযোগ্য গরুর সংখ্যা বাড়বে। আর গরু রপ্তানিতে তো কেউ বাধা দিচ্ছে না। দেশের আইনেও ...