Prativa Sarker RSS feed

নিজের পাতা

Prativa Sarkerএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • গো-সংবাদ
    ঝাঁ চকচকে ক্যান্টিনে, বিফ কাবাবের স্বাদ জিভ ছেড়ে টাকরা ছুঁতেই, সেই দিনগুলো সামনে ফুটে উঠলো। পকেটে তখন রোজ বরাদ্দ খরচ ১৫ টাকা, তিন বেলা খাবার সঙ্গে বাসের ভাড়া। শহরের গন্ধ তখনও সেভাবে গায়ে জড়িয়ে যায় নি। রাস্তা আর ফুটপাতের প্রভেদ শিখছি। পকেটে ঠিকানার ...
  • ফুরসতনামা... (পর্ব ১)
    প্রথমেই স্বীকারোক্তি থাক যে ফুরসতনামা কথাটা আমার সৃষ্ট নয়। তারাপদ রায় তার একটা লেখার নাম দিয়েছিলেন ফুরসতনামা, আমি সেখান থেকে স্রেফ টুকেছি।আসলে ফুরসত পাচ্ছিলাম না বলেই অ্যাদ্দিন লিখে আপনাদের জ্বালাতন করা যাচ্ছিলনা। কপালজোরে খানিক ফুরসত মিলেছে, তাই লিখছি, ...
  • কাঁঠালবীচি বিচিত্রা
    ফেসবুকে সন্দীপন পণ্ডিতের মনোজ্ঞ পোস্ট পড়লাম - মনে পড়ে গেলো বাবার কথা, মনে পড়ে গেলো আমার শ্বশুর মশাইয়ের কথা। তাঁরা দুজনই ছিলেন কাঁঠালবীচির ভক্ত। পথের পাঁচালীর অপু হলে অবশ্য বলতো কাঁঠালবীচির প্রভু। তা প্রভু হোন আর ভক্তই হোন তাঁদের দুজনেরই মত ছিলো, ...
  • মহাগুণের গপ্পোঃ আমি যেটুকু জেনেছি
    মহাগুণ মডার্ণ নামক হাউসিং সোসাইটির একজন বাসিন্দা আমিও হতে পারতাম। দু হাজার দশ সালের শেষদিকে প্রথম যখন এই হাউসিংটির বিজ্ঞাপন কাগজে বেরোয়, দাম, লোকেশন ইত্যাদি বিবেচনা করে আমরাও এতে ইনভেস্ট করি, এবং একটি সাড়ে চোদ্দশো স্কোয়্যার ফুটের ফ্ল্যাট বুক করি। ...
  • রূপকথা মগলা
    মগলাকে দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। যাতে সানথাল, দেখতে শুনতেও মানুষ। কিন্তু মানুষ না। ওর পূর্বপুরুষরা ছিল ম্যাস্টোডন। হাতিদের সঙ্গেই ওঠাবসা। হাতিদের মতই দিনে চার ঘন্টা ঘুমোয়, কুড়ি ঘন্টা দাঁত নাড়ে। অবশ্য, শুধু হাতি নে, জঙ্গল আর জঙ্গলের সমস্ত প্রাণীর জন্যই ...
  • কয়েকটি রঙিন স্যান্ডেল
    সেদিন সন্ধ্যায় সৈয়দ শামসুর রহমানের মনে হল তিনি জীবনে ব্যর্থ হয়েছেন। তার ব্যর্থতার পরিমাণ দেখে তিনি নিজেই বিস্মিত হলেন। তার গলা শুকিয়ে গেল অতীতের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ছন্নছাড়া কিছু চিন্তা করে। সৈয়দ শামসুর রহমান বিছানায় শুয়ে ছিলেন। তিনি উঠে বসলেন। বিছানার ...
  • পুরনো পথ সাদা মেঘ, পর্ব ৪
    পুরনো পথ সাদা মেঘ — বুদ্ধদেবের পথে পথ চলা, পর্ব ৪[অন্যত্র: https://medium.com/জ...
  • পুরনো পথ সাদা মেঘ - পর্ব ৩
    [এটি আপনি https://medium.com/জ...
  • পুরনো পথ সাদা মেঘ - দ্বিতীয় পর্ব
    মোষ চরাণোর কথকতাসুশীতল দিন। গভীর মনসংযোগ সহকারে দ্বিপ্রাহরিক আহার শেষ করে ভিক্ষুরা যে যার পাত্র ধুয়ে মেজে মাটিতে আসন বিছিয়ে বুদ্ধদেবের দিকে মুখ করে বসলেন। বাঁশবন মঠটিতে অজস্র কাঠবেড়ালি, তারা নির্ভয়ে ঘুরে বেড়ায়, সাধুদের মাঝখান দিয়েই খেলে বেড়াতে ...
  • ক্রিকেট
    ১।সেলিব্রিটি পাবলিকদের মাঝে মাঝে সাংবাদিকরা ইন্টারভিউ নেবার সময় গুগলি প্রশ্ন দেবার চেষ্টা করে। তেমনি এক অখাদ্য গুগলি টাইপের প্রশ্ন হল, আপনি জীবনে সবচেয়ে বড় কমপ্লিমেন্ট কি পেয়েছেন এবং কার কাছ থেকে। বলাই বাহুল্য আমি বিখ্যাত কেউ নেই, তাই আমাকে এই প্রশ্ন কেউ ...

Prativa Sarker প্রদত্ত সর্বশেষ দু পয়সা

লেখকের আরও পুরোনো লেখা >> RSS feed

মে ডে

সঙ্গের ছবিটা খুব ভালো করে দেখবেন। আজই তোলা। মে ডের ছবি। তবু মে ডে -র ছবি নয়। আসলে মে ডের দুটো ছবি। প্রথমটা এই।

পাতার ফাঁকেফাঁকে দেখুন বিশাল একটা মোটর সাইকেলে অবহেলায় বসে আছে দুই সুপুরুষ শাহেনশা। সামনের চাকার কাছে গড়াগড়ি খাচ্ছে এক মাতাল। আর এপাশের রাস্তা দিয়ে হনহনাচ্ছেন এক শ্রমজীবী মহিলা।
খুব প্রতীকী মনে হচ্ছে কি? শাসক শোষিত ইত্যাদির সহাবস্থান এক পরজীবীর মোবাইলে ?
ব্যাপারটা তা নয়। নেমিং আর শেমিং কখনো কখনো ঠিক কিনা মনস্থির করে উঠতে পারিনি এখনো, তাই দূর থেকে তুললাম কথা কাটাকাটির পর

সবার জন্য স্বাস্থ্য

সবার জন্য স্বাস্থ্য - একটি আন্দোলন, আন্দোলকেদের কথায় একটি স্বপ্ন যা সত্যি করা যায়। ঠিক এই নামেই আজ ওয়েস্ট বেঙ্গল ভলান্টারি হেলথ এসোসিয়েশন কেন্দ্রে ডঃ পুণ্যব্রত গুণের সম্পাদনায় প্রকাশিত হল একটি বই - সবার জন্য স্বাস্থ্য। গুরুচণ্ডা৯ এবং সবার জন্য স্বাস্থ্য কমিটির যৌথ প্রয়াসে। একগুচ্ছ লেখা রয়েছে নিবেদিতপ্রাণ স্বাস্থ্যকর্মীদের।

বইপ্রকাশের সঙ্গে কনভেনশন। সেখানে লেখকদের সঙ্গে উপস্থিত প্রত্যন্ত গ্রামের ডেলিগেটরা।
হাতে হাত বেঁধে থাকা এইসব মানুষগুলির কথায় বাস্তব হয়ে উঠে আসে এমন এক দেশের কথা,

হুজুক

হুতোম সেই কবে বাঙালীদের খোঁচা মেরে লিখে গেছেন "হুজুকে কলকাতা "।
শাইনিং ইন্ডিয়াতেও এখন নিত্যি নতুন হুজুক, তাতে মিথ্যাকে আটপৌরে হাফ প্যান্ট বা ঘরে পরা নাইটির মতো ব্যবহার করা চলছে দেদার। জড়িয়ে নিলেই হলো।

নেড়ে বা কাটাদের নিয়ে হুজুকের শেষ কবেই বা ছিলো। তীব্র শ্লেষের সঙ্গে হুতোম একটির উল্লেখ করেছেন। কাবুলি মেওয়াওয়ালারা নাকি ছেলে ধরে কাবুলে নিয়ে যায়, তারপর ছেলেটাকে ছেড়ে দেয় মধু মিষ্টি মেওয়া বাগানে। মেওয়া খেয়ে খেয়ে সে একেবারে ফুলে ওঠে, গায়ের রঙ যেন দুধে আলতা। টুস্কি মারলে রক্ত বেরোয়।

এবারের নারীদিবস

One who says 'hm' will be jailed
One who asks 'why'? will be exiled.

লিখেছিলেন তামিল কবি ভারথী।
আমাদের দেশের অবস্থা তো এখন এইরকমই। তবু না লিখে পারছি না কাল রন্ধন প্রতিযোগিতায় অংশ আপনি নিতেই পারেন, কিন্তু আমাকে দয়া করে ট্যাগ করবেন না। আলপনা দেওয়া খুব পছন্দ করি,বিশেষ করে আদিবাসী গ্রামের আলপনা। কিন্তু কাল সেরকম প্রতিযোগিতাতেও অংশ নেব না। কারণ কালকের দিনটা মেয়েদের ললিতকলায় পারদর্শিতা দেখাবার দিন নয়। রন্ধন বিদ্যায় নৈপুণ্য দেখাবারও নয়। হেভি ডিস্কাউন্টে জুয়েলারি, শাড়ি বা অন্য ভোগ্য খরি

সম্পর্ক

চিরকালই আমার মনে হয়েছে মৃত্যু কোন সীমারেখা, ভেদাভেদের পরোয়া করেনা। আর যে মৃত তার ওপর এই পৃথিবীর কোন লেনদেন, সম্পর্ক,লিঙ্গ,ধর্ম, সমাজ সংস্কৃতির কোন নিয়ম খাটে না।

কারণ সে আর কোথাও নেই। আঙুলের ফাঁকে গলে পড়া জল যেমন, শুধু স্মৃতির আর্দ্রতা অনুভব করা যায়। এমন কি আপাদমস্তক তিক্ততাকেও মন্ত্রবলে ঔদাসীন্যে বদলে দিতে পারে মৃত্যু।

তাই হুমায়ুনের মূল সমাধিগৃহ বেড় দেওয়া প্রশস্ত চাতালে যে কবরগুলি রয়েছে সেগুলো হিন্দুস্তানের মহামহিম বাদশার মতো অভিজাত কারোর নয় জেনেও একটির ওপর জুতো পায়ে বসে থাকা

আল ইজ ওয়েল

দৈহিক যন্ত্রণার কান্না আর তীব্র আবেগের অশ্রু, যার জন্ম যন্ত্রণাতেই, এই দুটোর মধ্যে তফাৎ করা খুব মুস্কিল এটা বোঝাবার জন্য সোনার গৌর সাহেবজান ঘর ভর্তি দর্শকের সামনে প্রথমে কচকচিয়ে একটি পেঁয়াজ খেলেন, তারপর একটি বিরাট কাঁচা লংকার অর্ধেকটা ! ফলে তার ঈগলচঞ্চু নাসা আরো টকটকে লাল হয়ে গেল, মুখ একটু হাঁ ।
কিন্তু তার চোখে জল এলো না। অথচ সে দৃশ্যে তখন পুরো এক প্লেন ভর্তি মানুষের ছোঁয়াচে হাপুস কান্নারোগে আক্রান্ত হবার কথা বলা হচ্ছিল। ব্যতিক্রম ওই চরিত্রটি।একেবারে শেষে পাগলের মতো হ্যান্ড স্যানিটাইজার ঘষত

জয়ললিতাদের মৃত্যু আর সাধারণ মানুষ।

ভারত মহাসাগরের তীরে এক বর্ণময় নারীর জীবনাবসানের সাক্ষী হতে হচ্ছে নেহাত ঘটনাচক্রে। হঠাতই এসে পড়েছি তামিলনাড়ুর পাশে, ইচ্ছে ছিল আজ শ্রীরঙ্গাপত্তনমে টিপুর কাছে যাবার, সব ভন্ডুল করে দিয়ে ঘাড়ের ওপর নিঃশ্বাস ফেলছে এক বৃদ্ধা অভিনেত্রীর, আপাতসফল কিন্তু নিষ্ঠুর একনায়িকার অবশ্যম্ভাবী মৃত্যু। সে আগুনের আঁচের সেঁক নিচ্ছে চেন্নাইতে এপোলো হাসপাতালের সামনে মানুষের কাতার, সন্ত্রস্ত সেবাকর্মীরা,রেলস্টেশন,এয়ারপোর্ট জুড়ে আটকে পড়া অসহায় মুখের ভিড়, বন্ধ দোকান বাজার আর ক্রমশ জনবিরল হতে থাকা রাস্তাঘাট। বন্ধ করে দেওয়া হ

ভোঁ কাট্টা

আজ অটোর জানালা দিয়ে রাজাবাজারের মোড়ে দেখি আকাশের অনেক উঁচুতে চৌকো গোল নানা রঙিন ছোপ।

ঘুড়ি !

নাকি হৃদয়ের কথা যা কোনদিন কেউ শুধোল না!

সে যাই হোক, ছোটবেলাটা ছুট্টে এলো কোথা থেকে এই ঘিঞ্জি ভিড় ঠেলেও! তার মাথায় এখনো রিবন বাঁধা, হাঁটু ঝুল ফ্রক। মনে করিয়ে দিল ডানপিটে মেয়েটাকে যে একগাদা ছেলের সঙ্গে পাশাপাশি দুটো বড় গাছে ঘুড়ির সুতো পেঁচাচ্ছে। ঘুরিয়েই যাচ্ছে।
তেতলার হাতে এরারুট বা গদের আঠা। ওই আঠা ন্যাকরায় নিয়ে পেঁচানো সুতোয় লাগাতে হবে। আর সাগরের হাতে হামানদিস্তায় পেষা ফটো

রোজ রোজ

মেয়েছেলেরা বেশি রাত করে বাইরে থাকবে না। ওটা পুরুষের একচেটিয়া। লক্ষ্মীর স্বামী রোজ দেড় রাতে টলোমলো হয়ে বাড়ি ফিরতে পারে। ওকে চুল ধরে টেনে ওঠায়। সোয়ামির জন্য যত রাতই হোক জেগে বসে থাকতে হয় ওর বারোভাতারি মা শেখায়নি ?
ধুপধাপ মারের চোটে বস্তি জেগে যায়। কিন্তু কেউ এগোয় না। বাবুরাও তো কারো ঘরেলু মামলায় দখল নেয় না।

লক্ষ্মী তাই পা টেনে টেনে আমার ঘর মোছে, বাসন মাজা সাবান কাটা আঙুলে ঢুকে গেলে আঃ উঃ করে। আমারও কষ্ট হয়, কিন্তু ওর চোয়াড়ে বর এই সৌখিন ফ্ল্যাটে চড়াও হলে সম্মান যাবে এই ভয়ে চুপ থাকি।

তিলোয়ার অস্ত্র

ভোরবেলা ঘরের দরজা খুলতেই প্রচণ্ড দুর্গন্ধ ! পা যেন পিছলে গেল হলুদ পেছল আধা-তরলের ওপর ! কি ভয়ংকর ! এ তো মানুষের মল।!

আমার খুব ছোটবেলার ঘটনা। মনে আছে পাশের বাড়ির কাকিমার চিলচিৎকারে মা ছুটে গিয়েছিলেন টিউকলের পাশে জিগা গাছের নীচ দিয়ে।
সবে তখন সূর্য উঠছে। সেই অল্প আলোতেই সদ্য ঘুম ভাঙা ছোট্ট আমি মায়ের পেছন পেছন না গিয়ে বোকার মতো উঠোনে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম দূরে ধূসর আকাশের গায়ে মহাকাল পর্বতের আবছা নীল রেখা।

ব্যাপারটা হয়েছিল কি, তখন ওদিকে প্রায় বাড়িতে খাটা পায়খানা। বাড়ির চৌহদ্দি যেখা
>> লেখকের আরও পুরোনো লেখা >>

এদিক সেদিক যা বলছেনঃ

15 May 2017 -- 12:35 PM:মন্তব্য করেছেন
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লেখা। অনেক প্রশ্ন তুলে দিলো।মৃতদেহ ছেড়ে দেবার পরে বা এইরকম কেসে পরে কিভাবে টাকা ...
14 May 2017 -- 11:23 PM:মন্তব্য করেছেন
ঠিক তাই। আর এই সখ্যটুকুই পরম নির্ভর ও নির্ভার করা ও হবার জায়গাও বটে। এইটুকু থাকলেই মাদার্স ডে সার্থ ...
13 May 2017 -- 11:47 PM:মন্তব্য করেছেন
বাড়ি ভাড়ার ব্যাপারটা সাউথে খুব ঘটে। ওরা খাদ্যাভ্যাস এবং অন্যান্য কালচারাল রিজনে উত্তর ভারতীয় তো বটেই ...
02 May 2017 -- 12:35 PM:মন্তব্য করেছেন
ধন্যবাদ ঈপ্সিতা। ছবিটা না দিলে লেখাটা সম্পূর্ণ হয় না।
01 May 2017 -- 09:22 PM:মন্তব্য করেছেন
ছবিটা দেওয়া গেল না।
18 Dec 2016 -- 08:02 AM:মন্তব্য করেছেন
একদম ভোর ভোর এলেখা পড়ার পর মনে হলো আজকের দিনটা ভালো যাবে কি যাবে না আমি নিশ্চিত নই। নিশ্চিত নই কোনকি ...
16 Dec 2016 -- 02:53 PM:মন্তব্য করেছেন
শুধু আদিবাসী সমাজ ও তার আইন নিয়ে লেখকের বক্তব্য আর একটু পরিষ্কার হওয়া দরকার।
16 Dec 2016 -- 02:36 PM:মন্তব্য করেছেন
সত্যি মুসলিম রমণীদের এতো হিতাকাঙ্ক্ষীরা মোদী শিবিরে রয়েছেন দেখে ব্যাপারটা আসলে কি আগেই বোঝা যাচ্ছিল। ...
10 Dec 2016 -- 11:53 AM:মন্তব্য করেছেন
যারা আম্মার ফ্যান তাদের বলি আম্মার পপুলিস্ট রাজনীতির খাই মিটতো কেমনে ? এই যে বন্যাখান পুরো চেন্নাইর ...
10 Dec 2016 -- 11:42 AM:মন্তব্য করেছেন
অনেক প্রয়োজনীয় কথা জানা হলো।
19 Oct 2016 -- 01:08 PM:মন্তব্য করেছেন
ডার্ক হিউমার, সুররিয়াল না গ্রটেস্ক নাকি এইসবের মিশ্রণে অন্য এক ধারা এইসব চিন্তা ছাপিয়েও জেগে থাকে মা ...
13 Oct 2016 -- 02:03 PM:মন্তব্য করেছেন
লেখাটা যেমন আন্তরিক, অনুবাদ তেমনি স্বচ্ছন্দ। ভালবাসা খুব কঠিন কাজ, আবার ওতেই লুকিয়ে আছে সমস্ত দ্বন্দ ...
12 Oct 2016 -- 07:48 PM:মন্তব্য করেছেন
পড়তে পড়তে কথাকার,সুরকার চন্দ্রাবতীর কথাই মনে আসছিলো, গল্পের মাঝামাঝি দেখলাম সেটা ঠিক। তাঁর ছায়াতেই ব ...
10 Jul 2016 -- 10:03 PM:মন্তব্য করেছেন
সত্যি খুব ভালো লেখা। এত তথ্যসমৃদ্ধ। আর শুনতে শুনতে পড়া বা পড়তে পড়তে শোনা। একসাথে গেঁথে দিয়ে খুব উপকা ...
09 Jul 2016 -- 09:35 AM:মন্তব্য করেছেন
অভ্যু, সত্যি এবারের ঈদ মুবারক হবার চাইতে শত যোজন দূর!
09 Jul 2016 -- 09:35 AM:মন্তব্য করেছেন
অভ্যু, সত্যি এবারের ঈদ মুবারক হবার চাইতে শত যোজন দূর!
09 Jul 2016 -- 09:32 AM:মন্তব্য করেছেন
নিদেনপক্ষে একটা পিটিশন ? রোজ উড়তা পাঞ্জাব, ছাদ থেকে কুকুর ফেলে মোবাইলএ সেই আনন্দ তুলে রাখা, সব নিয়ে ...
17 Jun 2016 -- 04:24 PM:মন্তব্য করেছেন
মতামত দেবার স্পেস আছে, নাম লিখবার স্পেস খুঁজে পেলাম না। যাই হোক সে না হয় নীচে দিয়ে দেব। কিন্তু লেখাট ...
13 Jun 2016 -- 11:58 PM:মন্তব্য করেছেন
রোজাভা মডেল সম্বন্ধে আপনার লেখাই সচেতন করে। কুর্দরা নিপীড়িত বলে দরদ ছিলো, কিন্তু নারী পুরুষ নির্বিশে ...
13 Jun 2016 -- 11:49 PM:মন্তব্য করেছেন
আগের জমানায় প্রাইমারীতে ইংরাজিতেই ইংরাজি শেখাবার জন্য বিশাল এক কর্মকান্ড হাতে নেওয়া হয়েছিল সুদূর স্ক ...