San Gita RSS feed

নিজের পাতা

San Gitaএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • প্যারিস পাণ্ডুলিপি এবং অর্ধেক আকাশ
    (গত এক বছর ধরে কার্ল মার্ক্সের দুশ'তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আরেকরকম পত্রিকাতে মার্ক্সের বিভিন্ন লেখাপত্রে কম আলোচিত দিকগুলো, যেমন জেন্ডার, ধর্ম, প্রাক-পুঁজিবাদী সমাজ, জাতিসত্বার আত্মনিয়ন্ত্রণ, গ্রান্দ্রিস, শেষ জীবনের নোটবুক ইত্যাদি নিয়ে একটা সিরিজ লিখছি। ...
  • কথায় কথায় হ্যারি পটারঃ ভুত এবং রাজনীতি
    লেখাটা টইতে ছিল - সেখানে একজন একটা ভুল ধরিয়ে দিলেন। সেটা ঠিকঠাক করে এখানেই তাই আবার দেওয়া গেল - সুমিত রায়ের একটি টই এর (দেখলাও কাঁহা ভুত) পরিপ্রেক্ষিতে আমি যে মন্তব্য করেছিলাম - তারই এক্সটেনশন বলা যায় এই লেখাটা -ভুলটা ধরিয়ে দিয়েছেন দেব।তা কথা হচ্ছিল ভুতের ...
  • মৃত্যুমাখা ট্রাম ও কবিদেহ
    দাঁতের মাজন শেষ হয়ে গেছে। বাজারে কিনতে গেলে পাশ দিয়ে স্বাস্থ্যবতী ঝিটি চলে যায়। তার পাছাপেড়ে কাপড়ের রেশ থাকতে থাকতেই পকেট হাতড়ে দেখা গেলো পাঁচ টাকা সম্বল। আকাশ জুড়ে অসম্ভব এক অন্ধকার। দেশে থাকতে মাদার গাছের তলায় এমন অন্ধকার নামতো সেই যুবতীর কেশে। চারপাশে ...
  • মৃত্যুমাখা ট্রাম ও কবিদেহ
    দাঁতের মাজন শেষ হয়ে গেছে। বাজারে কিনতে গেলে পাশ দিয়ে স্বাস্থ্যবতী ঝিটি চলে যায়। তার পাছাপেড়ে কাপড়ের রেশ থাকতে থাকতেই পকেট হাতড়ে দেখা গেলো পাঁচ টাকা সম্বল। আকাশ জুড়ে অসম্ভব এক অন্ধকার। দেশে থাকতে মাদার গাছের তলায় এমন অন্ধকার নামতো সেই যুবতীর কেশে। চারপাশে ...
  • নিজভূমে পরবাসী?
    কালে কালে কত কিছুই হোল। ভাইফোঁটা ভাইদুজ হোল। কালীপুজো হোল দিওয়ালী। হিন্দিকে একটা যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোয় তৈরী হওয়া রাষ্ট্রের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপানোর প্রস্তাব দিয়ে যার শুরু, গোটা ভারতের ট্যাক্সপেয়ারের পয়সা দিয়ে তৈরী হওয়া দুরদর্শন, আকাশবাণী র ...
  • সংখ্যাসংকট
    তখন বোধহয় কাঁপা কাঁপা হাতে স্লেটে খড়ি দিয়ে অ আ লিখতে শুরু করেছিলাম, সাথে ঘাস ,পাতা, সাপ ব্যাঙ হিজিবিজি লিখতে লিখতে একদিন মা শিখিয়েছিল ত্রিনয়ন,দশভুজ, আর একটু কারিকুরি দিয়ে তৈরী হয় দুর্গাঠাকুর। তার পাশে খড়ি দিয়ে বাবার এঁকে দেওয়া দুষ্টু অসুর।তারপর ওয়াটারবটল ...
  • বলি নিয়ে যেটুকু যা বলার
    কালীপূজোর ভাসান মিটে গিয়ে আজ দ্বিতীয়া। প্রতিবারের মত এবারেও গাদা গাদা জায়গায় গাদা গাদা 'সেন্সেটিভ' বলিবিরোধী স্ট্যাটাসেরও পালা শেষ হয়ে গেছে। তাই বলি নিয়ে দুচার কথা লিখে যাওয়ার এখন প্রকৃষ্ট সময়।বলি প্রথাটিকে অনেকেই গোঁড়া ধর্মবিশ্বাস, কুসংস্কার ইত্যাদি ...
  • জ্যামিতিঃ পর্ব ৬ (শেষ পর্ব)
    http://bigyan.org.in...
  • বাউন্ডুলে পিঁপড়ের গল্প
    *********বাউণ্ডুলে পিঁপড়ের গল্প*******মহারাজ গল্প টল্প লেখেন না, যা দেখেন তাই। তা আমার সাথে সেদিন এক মক্কেলের মুলাকাত হয়েছিলো, নচ্ছারটা যদিও আমায় নানান কু কথা বলেছে, তাও বন্ধুত্বের খাতিরের ওর কথা গুলো বলে গেলাম। 'এই শোন একটা গাড়ি আসছে বুঝলি একটু চমকাবি ...
  • ১৯৪৬, এক ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বছর
    সদ্য তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়েছে।ফ্যাসিস্ট বাহিনীর চূড়ান্ত পরাজয় ঘটেছে।পৃথিবীর ইতিহাসে এক যুগসন্ধিক্ষণ।পৃথিবী জুড়ে সব মানুষের বাধ ভাঙা উচ্ছ্বাস। যারা যারা যুদ্ধে নিজের প্রিয়জনকে হারিয়েছে, তারাও এই বিভৎসতার শেষে হাপ ছেড়ে বেঁচেছে।সারা পৃথিবীর ...

San Gita প্রদত্ত সর্বশেষ দু পয়সা

RSS feed

পুঁটিকাহিনী১০- আমগাছটা



প্রত্যেক বছর গরমকালে পুঁটির নিয়ম করে ওজন বাড়ে। বাড়বে না? বাড়িতে তিন-তিনটে বিরাট বিরাট আমগাছ, দাদাশ্বশুরের হাতে লাগানো আর তাতে হাজার হাজার আম। সামনের গাছদুটো কে জানে কিভাবে একসাথে জুড়ে গেছে, আলাদা দুটো গাছ বোঝাই যায় না সম্বৎসর, শুধু আম হয় একটু আগে পরে- একটায় একটু গোলালো আম, মুখের দিকটা লালটুকটুকে, মিষ্টি গন্ধওয়ালা, পাতলা খোসা, পাতলা আঁটির গোলাপখাস আর আরেকটায় হয়ত তার দু'হপ্তা পরেই সবুজ গা, লম্বাটে, আঁশওয়ালা অন্য আমের দেখা পাওয়া যায়।

আমের ব্যাপারে বাবার মত পুঁটিরও কিছু ক্ষ্যাপাম

পুঁটিকাহিনী ৯- মাতা-কন্যা সংবাদ


মাতৃদেবীকে পুঁটিরাণী বিলক্ষণ বুঝিয়া চলে। প্রবল ব্যাক্তিত্বময়ী এবং সর্বকর্মনিপুণা মাতৃদেবী পুঁটিকে বেশ চাপে ফেলিয়া দেন যখন তখন। মাতার অভিযোগ মিথ্যা নহে- ফাঁকিবাজ পুঁটিরাণী কী প্রকারে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হইত বা একাধিক দপ্তরে কী প্রকারে তাহার কর্মসংস্থান হইল, এই সবের ব্যাখ্যা আজও মাতার যুক্তিবুদ্ধির বাহিরে। এখন পরিণত বয়সেও পুঁটি সাংসারিক কর্মে নিতান্তই অপটু, সন্তানাদি মানুষ করায় তাহার অদক্ষতার সীমাপরিসীমা নাই, তাহার ঘরদোর ছবির মত একেবারেই নহে, তাহার দ্বাদশবর্ষীয় পুত্র মাতার চক্ষুর দিকে চাহিয়া প

পুঁটিকাহিনী ৮ - বাড়ি কোথায়!!


একটা দুষ্টু পরিবারের বাড়িতে পুঁটিরা ভাড়া থাকত। নেহাত স্কুল কাছে হবে বলে বাড়িটা বাছা হয়েছিল, নইলে খুবই সাদামাটা ছিল বাড়িটা। ২৭৫ টাকা ভাড়ায় কেজি টুতে ঐ বাড়িতে চলে আসে পুঁটিরা। ও বাড়ির লোকেরা কথায় কথায় নিজেদের মধ্যে বড্ড ঝগড়া করত, যার মধ্যে নাকি খারাপ খারাপ কথাও থাকত অনেক। পুঁটির মা-বাবা তাড়াতাড়ি জানলা, দরজা বন্ধ করে দিতেন তখন, রেডিওতে গান চালিয়ে দিতেন। ওদের দু'বোনের তাই ঝগড়ার স্মৃতি থাকলেও বাজে কথা শেখা হয় নি ওখানে।

তবে বাড়িতে আরো তিনটে ছোট ছেলেমেয়ে ছিল, খুব জমিয়ে খেলত ওরা সবাই মিলে।

#পুঁটিকাহিনী ৭ - ছেলেধরা

আজ পুঁটির মস্ত গর্বের দিন। শেষপর্যন্ত সে বড় হল তাহলে। সবার মুখে সব বিষয়ে "এখনও ছোট আছ, আগে বড় হও" শুনে শুনে কান পচে যাবার জোগাড়! আজ পুঁটি দেখিয়ে দেবে সেও পারে, সেও কারো থেকে কম যায় না। হুঁ হুঁ বাওয়া, ক্লাস ফোরে কি আর সে হাওয়া খেয়ে উঠেছে!!

রোজ মা মামনদিদি সমেত তাদের ইস্কুলে পৌঁছে অফিস যান আর ছুটির সময় মামনদিদির মা এসে তাদের বাড়ি নিয়ে যান, এই বন্দোবস্ত নিজেদের মধ্যে। এই হপ্তায় মায়ের পড়েছে অফিসের ট্রেনিং, মহা মুশকিল! অগত্যা সকালে বাবা নিয়ে আসছেন অসুবিধে করেই, বাবার অফিস একদম অন্যদিকে কিনা

পুঁটিকাহিনী ৬ - পারুলদি পর্ব

পুঁটির বিয়ের আগে শাশুড়িমা বললেন যে, ওবাড়ি গিয়ে পুঁটিকে কাজকম্মো বিশেষ করতে হবে না। ওমা! তাও আবার হয় নাকি! গিয়ে কিন্তু দেখা গেল, সত্যিই তাই। পুঁটি সপ্তাভর আপিস করে আর সপ্তাহান্তে মাসতুতো-মামাতো দেওর-ননদ জুটিয়ে দিনভর আড্ডা- অন্তাক্ষরী-তাস খেলা এ সব করে। শখের রান্না বা ঘর গোছানো এসব করতে ইচ্ছে হলে করে, আর কিছু না। যা করে, তার আবার বিস্তর প্রশংসা পায়! শান্ত পরিবারটি হইচইবাজ পুঁটিকে পেয়ে বেশ খুশি হয়ে উঠল।

শাশুড়িমা যেমন ভালোমানুষ, তেমন কর্মঠ। তাঁর সাথে ঘরের কাজ করার জন্য দুই বোন আছে। ছোট বোন

পুঁটিকাহিনী ৫- সখী যাতনা কাহারে বলে



ক্লাস সেভেনে উঠে পুঁটির মধ্যে আমূল পরিবর্তন এল। আগে ছিল চুপচাপ, শান্ত ধরণের- এখন হয়ে দাঁড়াল দুর্দান্ত! আগে বাড়িতেও গল্পের বইতে মুখ ডুবিয়ে বসে থাকত, কারো বাড়ি গিয়েও চুপচাপ গল্প শুনত বা যা হাতের কাছে পেত, পড়ে ফেলত। গল্পের বইয়ের নেশা কমেনি মোটেই, তবে দেখা গেল, এখন সারা ক্লাস গল্প করে কাটানোয় তার জুড়ি নেই। পড়াশুনায় তো তার কোনকালেই মন ছিল না। ক্লাস থ্রী থেকে নিজে পড়ছে তো, বুঝে গেছে মোটামুটি কতটা পড়লে উতরে যাওয়া যাবে। দিদিমণিরা জায়গা বদলে বেছেবেছে ক্লাসের সবচেয়ে ঠান্ডা, ঝিমন্ত ধরণের মেয়েদের

পুঁটিকাহিনী 8 - পিউকাহিনী বলাই ভাল


পিউকে মনে আছে তো আপনাদের? পিউ এক ছুটির দিন বিকেলে পুঁটির বাড়ির খাটে বসে জমিয়ে গল্প ধরল। "জানো তো কাকু, আমার না খুব ইচ্ছে আমার শ্বশুর ডাক্তার হোক!" ঘরে পিন পড়লেও শোনা যায়, এমন নীরবতা নেমে এল। নব্বইয়ের দশকে কোন উনিশ বছরের মেয়ে যে বন্ধুর বাবার সামনে নিজের বিয়ের প্রসঙ্গ তুলে গল্প করতে পারে, এটাই যেন ঠিক বিশ্বাস করে ওঠা যাচ্ছে না। খাটের মাঝখানে পিউ আর তাকে ঘিরে পুঁটিরা চারজন বসে। প্রত্যেকের চোখ গোলগোল, যেন কি আশ্চর্য ঘটনা ঘটে যাচ্ছে ঘরের মধ্যে। পিউ কিন্তু অবলীলায় বলে যাচ্ছে "আমি হব বাড়ির বড় বউ,

পুঁটিকাহিনী ৩- প্রাণেশ্বর


আজ পুঁটির নিজের আর নিজের চারিদিকের বন্ধুবান্ধবের ইংরেজী না বলতে পারার হীনমন্যতার কথা মনে পড়ল। সে পড়েছে এক মিশনারী স্কুলে, তাদের কেজি থেকেই ইংরেজি পড়তে হয়েছে, তবুও স্কুলটা তো শেষমেশ বাংলা মাধ্যমের! লেখায় কোনদিন সমস্যা হয়নি, শুধু গড়গড় করে বলতে পারত না। অবশ্য, কলেজ ছাড়ার সময় নাগাদ পুঁটি নিজেকে মোটামুটি চলনসই করে গড়েপিটে নিয়েছে, কোথাও আর তেমন অসুবিধে হত না। তবে হীনমন্যতায় যে তারা জাস্ট কিস্যু না, তা হাড়ে হাড়ে বুঝিয়ে ছাড়লেন পুঁটিরানীর প্রাণেশ্বর!

তিনি নাকি জয়েন্টে ইঞ্জিনীয়ারিং-এর জন্য

ভাষাদিবসের প্রাক্কালে যা নিকেছিনু

বাংলাভাষা বাংলাভাষা করে এত হেদিয়ে মরার কী হয়েছে, শুনি? আমরা হিন্দিও খুব ভালো বলি। বিশেষতঃ আমার মা-মামা-মাসিরা।

প্রথমে ধরা যাক আমার মায়ের কথাই। তুখোড় স্মার্ট মহিলা। না, না, পোশাকে-আষাকে স্মার্ট নয়, সত্যিকারের স্মার্ট! আমায় দেখে মা কেমন বোঝার চেষ্টা করলে ডাহা ঠকবেন, আমি হলাম মায়ের ক্যাবলা মেয়ে। মা সকাল পৌনে ন'টায় দুই ছানা নিয়ে বেরোচ্ছেন, তাদের স্কুলে পৌঁছে নিজে অফিস যাবেন। কিন্তু জমিয়ে খেয়ে বেরোচ্ছি আর সপ্তাহে পাঁচদিন জিভে-জল-আনা পাঁচরকম টিফিন আমাদের। একসময় বর্ধমানে ডেলি প্যাসেঞ্জারি করে

#পুঁটিকাহিনী 1- একেই কি বলে ফেমিলি?


পুঁটির জীবনে শান্তি নেই। কারো বাড়ির লোক যে এরকম শত্রুতা করতে পারে, না দেখলে বিশ্বাস করা মুশকিল! মা, বোন তো বটেই! এমনকি বাবা, মামা, মাসি, কাকা, পিসি- কত নাম আর নেওয়া যায়!! ভাল্লাগে না!! বেঁচে থাকতে ইচ্ছে করে না!

আচ্ছা, ছোটবেলা থেকে কি সবাই বিশুদ্ধ বাংলায় কথা বলে? কত বাচ্চাই তো কত কিছু বলে। সেটা আঁচলে শক্ত করে গিঁট দিয়ে রেখে কার বাড়ির লোক সারাটা জীবন এমন দুর্বিষহ করে তোলে, শুনি? তাও তেমন কিছু না। জোরে বৃষ্টি পড়লে ছোট বাচ্চা বললই নাহয় "কী মুছলমান ধারায় বিত্তি পচ্চে!", বা হিন্দিভাষী

এদিক সেদিক যা বলছেনঃ

08 Oct 2017 -- 06:22 PM:টইয়ে লিখেছেন
এক টুকরো উত্তরাঞ্চল- পর্ব ২ ------------------------------- এত সুন্দর ঘরদোর, পাশে মস্ত গাছের ...
08 Oct 2017 -- 06:21 PM:টইয়ে লিখেছেন
এক টুকরো উত্তরাঞ্চল- পর্ব ১ ------------------------------- এবারের বেড়ানোটা মূলতঃ ছিল পাখি দ ...
08 Oct 2017 -- 06:21 PM:টই খুলেছেন
এক টুকরো উত্তরাঞ্চল
08 May 2017 -- 07:48 PM:মন্তব্য করেছেন
তৃতীয় কিস্তি দিলাম। আলাদা করে।
07 May 2017 -- 12:05 AM:মন্তব্য করেছেন
আহা!! পুঁটি বিগলিত!!