Arijit Guha RSS feed

নিজের পাতা

Arijit Guhaএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • মেডিকেল কলেজঃ গত দুদিনে যেমন দেখলাম
    গতকাল, শুক্রবার দুপুরে গেছিলাম মেডিকেল কলেজ। যখন পৌঁছালাম, ওখানে বেশ কিছু লোক – যদিও সব মিলিয়ে দুশোর বেশী নয় অবশ্যই – পরিচিত মুখও দেখা গেল কিছু। কাবেরী বসু ছিল, অমিত দত্ত দা ছিলেন, কোয়েল, দেবিকা, আরো কয়েকজন। অরিজিত গুহ চলে এল আরেকটু পরেই। শুভদীপ অবশ্য তখন ...
  • জবা ফুল গাছ সংশ্লিষ্ট গল্প
    সেদিন সন্ধ্যায় দেখলাম একটা লোক গেইটের কাছে এসে দাঁড়িয়েছে। বয়স আনুমানিক পঞ্চাশের উপরে। মাথায় পাকা চুল, পরনে সাধারণ পোষাক। আমার দিকে চোখ পড়তেই লোকটি এগিয়ে এলো।আমি বারান্দায় ছিলাম। নেমে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, কাকে চাচ্ছেন?লোকটি নরম কন্ঠে বলল, আমি আপনাদের কয়েক ...
  • আবার কাঠুয়া
    ধর্ষণের মামলায় ফরেন্সিক ডিপার্টমেন্টের মুখ বন্ধ খাম পেশ করা হল আদালতে। একটা বেশ বড় খাম। তাতে থাকার কথা চারটে ছোট ছোট খামে খুন হয়ে যাওয়া মেয়েটির চুলের নমুনা। ঘটনাস্থল থেকে সিট ওই নমুনাগুলো সংগ্রহ করেছিল। সেগুলোর ডি এন এ পরীক্ষাও করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু ...
  • ওই মালতীলতা দোলে
    ২আহাদে আহমদ হইলমানুষে সাঁই জন্ম নিললালন মহা ফ্যারে পড়ল সিরাজ সাঁইজির অন্ত না পাওয়ায়।এক মনে জমিতে লাঙল দিচ্ছিল আলিম সেখ। দুটি জবরজঙ্গী কালো মোষ আর লোহার লাঙল। অঝোরে বৃষ্টি পড়ছে। আজকাল আর কেউ কাঠের লাঙল ব্যবহার করে না। তার অনেক দাম। একটু দূরে আলিম সেখের ...
  • শো কজের চিঠি
    প্রিয় কমরেড,যদিও তুমি আমার একদা অভিভাবক ছিলে, তবুও তোমায় কমরেড সম্মোধন করেই এই চিঠি লিখছি, কারন এটা সম্পূর্নভাবে রাজনৈতিক চিঠি। এই চিঠির মারফত আমি তোমায় শো কজ জানাচ্ছি। তুমি যে রাজনীতির কথা বলে এসেছো, যে রাজনীতি নিয়ে বেচেছো, যে রাজনীতির স্বার্থে নিজের ...
  • ক্যালাইডোস্কোপ ( ১)
    ক্যালাইডোস্কোপ ১। রোদ এসে পড়ে। ধীরে ধীরে চোখ মেলে মানিপ্যান্টের পাতা। ওপাশে অশ্বত্থ গাছ। আড়াল ভেঙে ডেকে যায় কুহু। ঘুমচোখ এসে দাঁড়ায় ব্যালকনির রেলিং এ। ধীরে ধীরে জেগে ওঠা শহর, শব্দ, স্বরবর্ণ- ব্যঞ্জন; যুক্তাক্ষর। আর শুরু হল দিন। শুরু হল কবিতার খেলা-খেলি। ...
  • শেষ ঘোড়্সওয়ার
    সঙ্গীতা বেশ টুকটাক, ছোটখাটো বেড়াতে যেতে ভালোবাসে। এই কলকাতার মধ্যেই এক-আধবেলার বেড়ানো। আমার আবার এদিকে এইরকমের বেড়ানোয় প্রচণ্ড অনীহা; আধখানাই তো ছুটির বিকেল--আলসেমো না করে,না ঘুমিয়ে, বেড়িয়ে নষ্ট করতে ইচ্ছে করে না। তো প্রায়ই এই টাগ অফ ওয়ারে আমি জিতে যাই, ...
  • পায়ের তলায় সর্ষে_ মেটিয়াবুরুজ
    দিল ক্যা করে যব কিসিসে কিসিকো প্যার হো গ্যয়া - হয়ত এই রকমই কিছু মনে হয়েছিল ওয়াজিদ আলি শাহের। মা জানাব-ই-আলিয়া ( বা মালিকা কিশওয়ার ) এর জাহাজ ভেসে গেল গঙ্গার বুকে। লক্ষ্য দূর লন্ডন, সেখানে রানী ভিক্টোরিয়ার কাছে সরাসরি এক রাজ্যচ্যুত সন্তানের মায়ের আবেদন ...
  • ফুটবল, মেসি ও আমিঃ একটি ব্যক্তিগত কথোপকথন (পর্ব ৩)
    ফুটবল শিখতে চাওয়া সেই প্রথম নয় কিন্তু। পাড়ার মোড়ে ছিল সঞ্জুমামার দোকান, ম্যাগাজিন আর খবরের কাগজের। ক্লাস থ্রি কি ফোর থেকেই সেখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পড়তাম হি-ম্যান আর চাচা চৌধুরীর কমিকস আর পুজোর সময় শীর্ষেন্দু-মতি নন্দীর শারদীয় উপন্যাস। সেখানেই একদিন দেখলাম ...
  • ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি
    অনেক সকালে ঘুম থেকে আমাকে তুলে দিল আমার ভাইঝি শ্রী। কাকা দেখো “ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি”। একটু অবাক হই। জানিস তুই, কাকে বলে ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি? ক্লাস এইটে পড়া শ্রী তার নাকের ডগায় চশমা এনে বলে “যে বৃষ্টিতে ইলিশ মাছের গন্ধ বুঝলে? যাও বাজারে যাও। আজ ইলিশ মাছ আনবে ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

Arijit Guha প্রদত্ত সর্বশেষ দু পয়সা

লেখকের আরও পুরোনো লেখা >> RSS feed

ক্যানভাস(ছোট গল্প)

#ক্যানভাস


সন্ধ্যে ছটা বেজে গেলেই আর অফিসে থাকতে পারে না হিয়া।অফিসের ওর এনক্লেভটা যেন মনে হয় ছটা বাজলেই ওকে গিলে খেতে আসছে।যত তাড়াতাড়ি পারে কাজ গুছিয়ে বেরোতে পারলে যেন হাঁপ ছেড়ে বাঁচে।এই জন্য সাড়ে পাঁচটা থেকেই কাজ গোছাতে শুরু করে।ছটা বাজলেই ওর ডেক্সের কম্পিউটার লগ অফ হয়ে যায়।এই রোগটা কয়েকমাস ধরে শুরু হয়েছে।আগে এটা ছিল না।একসময় এরকমও হয়েছে আটটা সাড়ে আটটা বেজে গেছে, অথচ হিয়া কম্পিউটারে মুখ গুঁজে পড়ে রয়েছে।বাকি সব কলিগরা বেরিয়ে গেছে, ওর কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই।অবশেষে সিকিউরিটি এসে যখন

এক অজানা অচেনা কলকাতা

১৬৮৫ সালের মাদ্রাজ বন্দর,অধুনা চেন্নাই,সেখান থেকে এক ব্রিটিশ রণতরী ৪০০ জন মাদ্রাজ ডিভিশনের ব্রিটিশ সৈন্য নিয়ে রওনা দিলো চট্টগ্রাম অভিমুখে।ভারতবর্ষের মসনদে তখন আসীন দোর্দন্ডপ্রতাপ সম্রাট ঔরঙ্গজেব।কিন্তু চট্টগ্রাম তখন আরাকানদের অধীনে যাদের সাথে আবার মোগলদের আদায় কাচকলায় সম্পর্ক।দুর্ধর্ষ আরাকানদের মোগলরা কিছুতেই পরাজিত করতে পারে নি।রণতরীটি চট্টগ্রামে গিয়ে অন্য ডিভিশনের সেনাদের সাথে যোগ দেবে।তার কারন ব্রিটিশদের সাথে মোগলদের বাঙলাপ্রদেশ নিয়ে এক স্বার্থের সংঘাত ঘটেছে,সেই সংঘাত মেটাতেই ব্রিটিশরা আরা

ভারতবর্ষ

গতকাল বাড়িতে শিবরাত্রির ভোগ দিয়ে গেছে।একটা বড় মালসায় খিচুড়ি লাবড়া আর তার সাথে চাটনি আর পায়েস।রাতে আমাদের সবার ডিনার ছিল ওই খিচুড়িভোগ।পার্ক সার্কাস বাজারের ভেতর বাজার কমিটির তৈরি করা বেশ পুরনো একটা শিবমন্দির আছে।ভোগটা ওই শিবমন্দিরেরই।ছোটবেলায় ঠাকুমার সাথে বাজারে গেলেই মন্দিরের ঘন্টা বাজিয়ে আসতাম।চরণামৃতর সাথে দুটো নকুল দানা ছিল ফ্রি।নতুন কেউ বাজারে এলে চট করে মন্দিরটা খুঁজে পাবে না।মেন এন্ট্রান্স দিয়ে ঢুকে বাঁ দিকে গেলে প্রথমে মাছের বাজার পড়বে।মাছের বাজার ছাড়িয়ে সবজি বাজারের দিকে একটু এগোলে বাঁ দ

টুকরো ঘটনা

সকালে উঠেই জয়রাজ ভট্টচার্যের এই পোষ্টটা পেলাম।এর সাথে আমারও কিছু কথা মনে পড়ে গেল।আগে ওর লেখাটা দিই।

গনেশ ঘোষের তখন বাহাত্তর তিয়াত্তর বছর বয়স, সিদ্ধার্থর সরকার রাজ্যে, দক্ষিণ কলকাতা কেন্দ্রে তাঁকে হারিয়েই প্রিয়রঞ্জন প্রথমবার সাংসদ। কিছু চ্যাংড়া কংগ্রেসি কালী পুজোর চাঁদা চাইতে বাড়িতে গেছে। তার বিখ্যাত অতি নম্র গলায় গনেশ ঘোষ বলেন- আমি তো কম্যুনিস্ট, পুজোতে চাঁদা দিই না, আপনারা কোন সমাজকল্যাণের কাজে চাঁদা চাইলে নিশ্চই দেবো। মানুদা, প্রিয়দার জমানা, কাটা পাইপের ছিটকিনি লাগানো মেশিন বের

১৯৪৬, এক ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বছর

সদ্য তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়েছে।ফ্যাসিস্ট বাহিনীর চূড়ান্ত পরাজয় ঘটেছে।পৃথিবীর ইতিহাসে এক যুগসন্ধিক্ষণ।পৃথিবী জুড়ে সব মানুষের বাধ ভাঙা উচ্ছ্বাস। যারা যারা যুদ্ধে নিজের প্রিয়জনকে হারিয়েছে, তারাও এই বিভৎসতার শেষে হাপ ছেড়ে বেঁচেছে।সারা পৃথিবীর মুক্তিকামী মানুষ এই যুদ্ধে চেয়েছিল হিটলারের পরাজয়।কারন পৃথিবী নিয়ন্ত্রণের ভার এক উন্মাদের হাতে পরলে সে যে কী ভয়াবহ অবস্থা হত তার ধারণাও করা যায় না।
কিন্তু বাংলায়, তখনকার অবিভক্ত বাংলা প্রদেশে অবস্থাটা একটু অন্যরকম।ভারতে তখন চলছে ব্রিটিশ শাসন, আর ব

টুকরোটাকরা ৭



বম্বে থেকে কোনো গানের রেকর্ডিং করে মান্না দে কলকাতায় ফিরছেন।এয়ারপোর্ট থেকে পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় ওনাকে রিসিভ করে নিয়ে আসছেন।শ্যামবাজারের দিক দিয়ে পুলক বাবু ড্রাইভ করে আসছেন, সেই সময় মান্না দে হঠাৎ একটা ভজন গেয়ে উঠলেন 'ঘুংঘট কে পট খোলো'।পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় একবার শুনলেন।তারপর বললেন 'দাদা আরেকবার গানটা করুন তো'।মান্না দে ও আরেকবার গানটা গাইলেন।গাড়ি তখন শ্যামবাজার মোড় পাড় করে গেছে।পুলকবাবু গাড়ি ঘুড়িয়ে শ্যামবাজার মোড়ে বাণীচক্র গানের স্কুলের সামনে এসে দাঁড়ালেন।গাড়ি থেকে মান্না দে কে টেনে

টুকরোটাকরা ৬

১৯৫১ সালে অশোক কুমারের আহ্বানে সারা দিয়ে বম্বে টকিজের ব্যানারে নিউ থিয়েটার্স ছেড়ে বিমল রায় তার ইউনিটের একাংশ নিয়ে বম্বে চলেছেন হিন্দি সিনেমা বানাবেন বলে।ইউনিটের সদস্যরা হচ্ছেন প্রধান সহকারী অসিত সেন,এডিটর হৃষিকেশ মুখার্জি, পল মহেন্দ্র, চিত্রনাট্যকার এবং সহকারী নবেন্দু ঘোষ।হ্যা, এনারা প্রত্যেকেই পরে বলিউড কাঁপানো এক একজন নামী শিল্পী হবেন, কিন্তু তখন কেউই তাদের চেনে না।
বম্বেতে তাদের স্থান হয় বনবিহার নামের একটা তিনতলা বাড়ির একদম ওপরের ফ্ল্যাটে।সেই সময়কার পশ্চিম বাংলার বিখ্যাত সুন্দরী

টুকরোটাকরা_৫

'শো ম্যান অফ দ্যা মিলেনিয়াম' এমনি এমনি হওয়া যায় না।সব তো আর হরলিক্স নয় যে লোকে রাজ কাপুরকে এমনি এমনি খাবে।রাজ কাপুর নিজেও হয়ত জানতেন না সিনেমার প্রতি তার দায়বদ্ধতা কোন জায়গায় নিয়ে গেছেন উনি।সেটা যারা তার সাথে কাজ করেছে তারাই বলতে পারে।তার লিপে কেউ যদি প্লে ব্যাক করেন তাহলে সেই শিল্পীর রিহার্সালের সময়টা পুরোটা থেকে গানটা তুলতেন এবং গান গাওয়ার সময় গায়ক কিভাবে অঙ্গভঙ্গি করেন সেগুলো খুব খুঁটিয়ে লক্ষ্য করতেন।এরপর গানটা যখন সিনেমায় ব্যাবহার করা হত তখন ঠিক সেই ভাবেই গানের সাথে এক্সপ্রেশনগুলো দিতেন

টুকরোটাকরা ৪

দাদামণি অশোক কুমারের প্রপিতামহ মানে মায়ের ঠাকুরদা ছিলেন ভাগলপুরের রাজা শিবচন্দ্র ব্যানার্জি।আগেই লিখেছি সে কথা।ছোটবেলায় অশোক কুমার একটা বড় সময় ভাগলপুরে কাটিয়েছিলেন।সেই সময় মাঝে মাঝেই রাজা শিবচন্দ্র ব্যানার্জি বাচ্চা অশোক কুমারকে ডেকে বলতেন 'অ্যাই ছোড়া, একটা গল্প শোনা'।আসলে অশোক কুমার ছোটবেলায় খুব ভালো বানিয়ে বানিয়ে গল্প বলতে পারতেন।এবার পরদাদা,মানে প্রপিতামহর নির্দেশে গল্প বলতে শুরু করতেন, 'কাল আমি একটা জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে হাঁটছিলাম তখন কত কত পাখিরা কিচিরমিচির করছিল ময়ূর নাচছিল আমার খুব ভালো

অভিজ্ঞতার ঝুলি

আমাদের পাশের পাড়ায় একটা কালিপুজো হত আদর্শ বালক সঙ্ঘের নামে।আমার জন্মের বহু আগে থেকে সেই পাড়ার কাকা জ্যাঠারা তারা যখন বালক ছিল সেই সময়ে ওই পুজোটা চালু করে।সেই জন্যই নাম ছিল আদর্শ বালক সঙ্ঘ বা এবিএস।তো বালকরা কালের নিয়মে কৈশোর পার করে যৌবনে উপনীত হল, তাতেও নামটা আর পালটালো না।যখন তারা কাকা জ্যাঠা হয়ে গেছে, অর্থাৎ বিয়ে থা করে ছেলেপুলের বাপ হয়ে গেছে তখনও পুজোটা তারা ওই নামেই করে যেত।ওরা করত শ্মশানকালীর পুজো।শ্মশানকালীর পুজো সারারাত ধরে হয়ে ভোরবেলা অঞ্জলী হয়।পুজো শুরু হত মোটামুটি রাত বারোটা ফারো
>> লেখকের আরও পুরোনো লেখা >>

এদিক সেদিক যা বলছেনঃ

26 Mar 2017 -- 07:52 PM:ভাটে বলেছেন
বারো তেরো বছর আগেকার কথা।তখন হৈ হৈ করে দুর্গা পুজো কালি পুজোর চাঁদা তুলতাম।একবার হয়েছে কি যে যে বাড়ি ...
23 Mar 2017 -- 07:12 PM:ভাটে বলেছেন
এটা যুদ্ধ। হ্যা যুদ্ধই এটা।যুদ্ধে কোনো আত্মীয় স্বজন বন্ধু বান্ধব হয় না।সবাই শত্রুপক্ষ।নাহ, আমার কথা ...
16 Mar 2017 -- 06:42 PM:টইয়ে লিখেছেন
#টুকরোটাকরা_৩ আগেরদিন গৌরীদেবি আর কুঞ্জলাল গাঙ্গুলির গল্প বলেছি।আজ তাদের ছেলে কিশোরক ...
16 Mar 2017 -- 06:41 PM:টইয়ে লিখেছেন
@pi ওনার বম্বে টকিজে কাজ করার সময় যে অভিজ্ঞতা হয় তাই নিয়ে একটা ছোট গল্প লিখেছিলেন।সেই গল্পের কথাই বল ...
15 Mar 2017 -- 07:26 PM:টইয়ে লিখেছেন
#টুকরোটাকরা_২ ভাগলপুরের 'রাজা' উপাধিধারী উকিল শিবচন্দ্র ব্যানার্জির ছেলে উকিল সতীশচন্দ্র ...
15 Mar 2017 -- 06:05 PM:ভাটে বলেছেন
#টুকরোটাকরা_২ ভাগলপুরের 'রাজা' উপাধিধারী উকিল শিবচন্দ্র ব্যানার্জির ছেলে উকিল সতীশচন্দ্র ...
13 Mar 2017 -- 10:10 AM:টইয়ে লিখেছেন
#টুকরোটাকরা_১ বম্বে টকিজের ব্যানারে হিমাংশু রায়ের অনেক ছবির গল্পকার ও চিত্রনাট্যকার ছিলে ...
13 Mar 2017 -- 09:48 AM:টই খুলেছেন
টুকরোটাকরা ১
12 Oct 2016 -- 05:46 PM:টইয়ে লিখেছেন
'ওম শ্রী শ্রী দুর্গা মাতা সহায় নমঃ' পরপর পাঁচবার। ওম শ্রী শ্রী সরস্বতী মাতা সহায় নমঃ
12 Oct 2016 -- 05:44 PM:টই খুলেছেন
দশমীর পরের দিন