বকলমে RSS feed

বকলমের খেরোর খাতা। (যাঁরা টেকনিকাল/অন্য কোনো সমস্যার কারণে ব্লগে লিখতে পারছেন না, তাঁদের হয়ে ব্লগ পোস্ট করার জন্য এই প্রোফাইল।)

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • ব্রুনাই দেশের গল্প
    আশেপাশের ভূতেরা – ব্রুনাই --------------------...
  • 'বখাটে'
    তেনারা বলতেই পারেন - কেন, মাও সে তুঙ যখন ঘোষণা করেছিল, শিক্ষিত লোকজনের দরকার নেই, লুম্পেন লোকজন দিয়েই বিপ্লব হবে, তখন দোষ ছিল না, আর 'বখাটে' ছেলেদের নিয়ে 'দলের কাজে' চাকরি দেওয়ার কথা উঠলে দোষ!... কিন্তু, সমস্যা হল লুম্পেনের ভরসায় 'বিপ্লব' সম্পন্ন করার পর ...
  • ডাক্তার...
    সবচেয়ে যে ভাল ছাত্র তাকেই অভিভাবকরা ডাক্তার বানাতে চায়। ছেলে বা মেয়ে মেধাবী বাবা মা স্বপ্ন দেখে বসে থাকল ডাক্তার বানানোর। ছেলে হয়ত প্রবল আগ্রহ নিয়ে বসে আছে ইঞ্জিনিয়ারিঙের কিন্তু বাবা মা জোর করে ডাক্তার বানিয়েছে এমন উদাহরণ খুঁজতে আমাকে বেশি দূর যেতে হবে ...
  • বাতাসে আবারও রেকর্ড সংখ্যক কার্বন-ডাই-অক্সাইড, কোন পথে এগোচ্ছে পৃথিবী?
    সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদন বলছে বায়ুতে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ আবারও বেড়ে গেছে। এই নিয়ে প্রতিবছর মে মাসে পরপর কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পেতে বর্তমানে বায়ুতে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ রেকর্ড সংখ্যক। গত মাসে (মে-তে) কার্বন ডাই অক্সাইডের ...
  • ফেসবুক রোগী
    অবাক হয়ে আমার সামনে বসা ছেলেটার কান্ড দেখছি। এই সময়ে তার আমার পাশে বসে আমার ঘোমটা তোলার কথা। তার বদলে সে ল্যাপটপের সামনে গিয়ে বসেছে।লজ্জা ভেঙ্গে বলেই ফেললাম, আপনি কি করছেন?সে উৎকণ্ঠার সাথে জবাব দিলো, দাঁড়াও দাঁড়াও! 'ম্যারিড' স্টাটাস‌ই তো এখনো দেইনি। ...
  • ভালো গরু খারাপ গরু
    আজকাল হ্যাজ দিতে ভালো লাগেনা। সামাজিক অসামাজিক রাজনৈতিক প্রাকৃতিক পারিবারিক - কিচ্ছুর ওপর না। পুরো " ভাড় মে যায় দুনিয়া হাম বাজায়ে হারমুনিয়া" মোডে থাকি। তবু, তবু, তবু দু একটা জিনিস নিয়ে না লিখলে ব্রেন থেকে চোঁয়া ঢেকুরের আওয়াজ আসে। বাধ্য হয়ে এই ক্যাচাল ...
  • চলো পাল্টাই ২০২১ আন্দোলন
    বিগত কয়েকদিন ধরে "চলো পাল্টাই" নামক বঙ্গভাষীদের একটি আন্দোলনের নাম সামাজিক মাধ্যমের ইতিউতি কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে। এও শোনা যাচ্ছে, এ নিয়ে আসাম উত্তাল। যদিও পশ্চিমবঙ্গের বঙ্গভাষীরা এ নিয়ে খুব বেশি ওয়াকিবহাল, একথা বলা যায়না। কী নিয়ে এই আন্দোলন? খুব বড় ...
  • ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব
    আমার জীবনে দেখা একটা ইন্টারেস্টিং ক্যারেক্টার হলো প্রত্যয়। খুব সুন্দর করে কথা বলতে পারে সে। আর সবসময়ই হাসছে। কেউ খারাপ কথা বললেও হাসছে,ভালো কথা বললেও হাসছে। পরিবার নিয়ে আমাকে দেখতে এসেছিলো প্রত্যয়। সেখানেই আমাদের প্রথম আলাপ। কথাবার্তা প্রায় পাকা হয়ে ...
  • দৃশ্যের জন্ম:ব্রোকন ইমেজেস
    রাণী ছিল গাঁয়ের মেয়ে। ছোট্ট।লক্ষ্মী। শান্ত।যেমনটি মেয়েদের হতে হয় আর কি।মানে যেমন হলে লোকে লক্ষ্মী মেয়ে বলে।ধরা যাক তাকে নিয়ে একটা গান বাঁধা হল।এইরকম।এক যে ছিল মেয়ে মেয়ের নামটি ছিল রাণীঘন চুলে খোঁপা বেঁধে সাজাতো ফুলখানি।রাণীর হাঁটু পর্যন্ত ঘন কালো কোঁকড়া ...
  • জোড়াসাঁকো জংশন ও জেনএক্স রকেটপ্যাড-১০
    আমায় তাই পরালে মালা, সুরের গন্ধ ঢালা....------------...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

ত্রিপুরায় আচ্ছে দিন

বকলমে

লিখেছেন -- তাপস

প্রহসন! শুধু প্রহসন বললে ভুল হবে, আজ পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনে নির্লজ্জভাবে আত্মসমর্পন করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। অবশ্য এছাড়া কোনও উপায় ও ছিল না। অন্ধ ধৃতরাষ্ট্র শুধু বসে দেখতেই পারে গনতন্ত্র নামক দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ। শুরুটা হয়েছিল গতকাল রাত থেকেই, পুর্ব পরিকল্পনামাফিক আচমকাই তুলে নেওয়া হল নিরাপত্তা বাহিনী, শুরু হল রাজনৈতিক সন্ত্রাস যা ১৯৮৮ কেও হার মানাবে।ফ্রি হ্যান্ড বাহিনীর একের পর এক বোমা বর্ষন বিরোধী দলের বাড়ী ঘরে, কংগ্রেস প্রার্থীর রাস্তা অবরোধ, বাড়ী বাড়ী গিয়ে ভোটারদের হুমকি- কিছুই বাদ যায় নি। এমন কি রাজ্যের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত IGM হাসপাতাল থেকে ডাক্তারকে তুলে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মার (উনি এখন জিবি হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন), কোনটাই বাদ যায় নি। সকাল হতেই শুরু অন্য খেলা। শহর থেকে গ্রাম- সবখানেই ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দান, না শুনলে বেধড়ক মার, বাদ যায়নি ১৮ এর কিশোরী থেকে ৭৫ এর বৃদ্ধ পর্যন্ত। আগরতলা,বিশালগড়, বিশ্রামগঞ্জ, সোনামুড়া, উদয়পুর, বিলোনীয়া সর্বত্র একই চিত্র।এখন অব্দি প্রায় দেড়শর বেশী লোক আহত যার মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। একসময় উৎসবের মেজাজে ভোট হত ত্রিপুরায়, একদলের পোলিং এজেন্ট আরেক দলের পোলিং এজেন্টের সাথে একসাথে পান খেতে যেতেন, আর একটা পান নিয়ে আসতেন প্রিসাইডিং অফিসারের জন্য। গর্ব করে আমরা বলতাম ৯২% ভোট কাস্টিং হয় ত্রিপুরায় যা দেশের মধ্যে রেকর্ড। আজ সব ভেঙ্গেচুরে একাকার। প্রথমেই বিরোধী দলের পোলিং এজেন্টকে ভোটকেন্দ্র থেকে তাড়িয়ে দেওয়া, তারপর লাইনে দাঁড়ানো ভোটারদের বেছে বেছে বের করে দেওয়া। ভোটারদের বাড়ীর সামনে পিকেটিং করে বাড়ী থেকে বের হতে না দেওয়া সর্বোপরি অমৃতবচন “আপনের ভোট হইয়া গেছে, বাড়ী যান গা তাড়াতাড়ি”।

দায় কার? একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল গুন্ডামী করছে আর প্রশাসন চুপ? কুম্ভ নিদ্রায় নির্বাচন কমিশন? কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ভোটকেন্দ্রের বাইরে রেখে রাজ্য পুলিশ ও টিএসআর দিয়ে ভোট করানো হচ্ছে ত্রিপুরায়!! কাকে অভিযোগ করবেন?? যেখানে খোদ নির্বাচন কমিশন তার নিজের বানানো নির্বাচনী আচরন বিধি লঙ্ঘন করছে সেখানে কিসের ন্যায় আর কিসের বিচার?? নির্বাচনে যেই জিতুক না কেন হার গনতন্ত্রের। আর মিডিয়া!! হায় রে গনতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ, চাটুকারীতার চূড়ান্ত সীমায় পৌছে গেছেন তারা। স্যোসাল মিডিয়া না থাকলে সারা ভারত জানত ত্রিপুরায় অবাধ ও শান্তিপুর্ন ভোট হয়েছে।

সমাপন? না,এখানেই শেষ নয় গনতন্ত্রের চার স্তম্ভের তিনটি যখন চুড়ান্ত অপদার্থতার পরিচয় দিয়েছে সেখানে জনগনের ঘুরে দাঁড়ানো ছাড়া আর অন্য অপশন নেই। ত্রিপুরার মানুষ ২৫ বছরের রাজত্ব যেমন শেষ করতে পারে এক লহমায় তেমনি তারাই আবার পরিবর্তন করতে পারে। হ্যাঁ, শেষের শুরু হয়ে গেছে।

561 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: Taposh

Re: ত্রিপুরায় আচ্ছে দিন


জ! শ ই র ছমছম , ফ উ ন এই জর আর ন গ ই এই জ আর জ ন। আ ই? ৮১% ট () ? আ জ আর মগত ষ আম র ক নই। র এক র অনইন স গতল (১১ এল) ৮৫% ষ র সন ও চন কর স নন। এ র চন ন। হ । ৩০% ক র র গ ক ন । অর পস ন ৮১%! র ১ অ ৩৫% ট, ল ৩ অ ৬৮% ও ষ ৮১%!! বন? বন? - এর কন আর সরর ও র “তর” বন অধ ও চন। ল , থ দখল আর র ওর অও ল জয অর ।
সম এ ন, সম আগত। ভ এই হ। ১৮ খ আর ট । আ খ ন ন প। এর । এর একই প গ ক ফল । রন সই ক হ।ইম আওজ ধ ও র। ক অশ সহজ সরল উপ অত কস আ ল প র সব র ফফল ক। ই ম জর আর ন গ ই কত ল ন ক বর অরসহ হণ ন ক অ ন। আ য রত হ ন ই এই ঘট ও আওজ ন বর , অর । ষ ষ ন, জ র পতন হ নন সর জ।
Avatar: pi

Re: ত্রিপুরায় আচ্ছে দিন

ফন্ট তো পুরো ঘেঁটেছে। কীসে লেখা?
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: ত্রিপুরায় আচ্ছে দিন

আপনের ভোট হইয়া গেছে, বাড়ী যান গা তাড়াতাড়ি”।

পুরাই ঢাকাই স্টাইল।
🙈🙊🙉
Avatar: S

Re: ত্রিপুরায় আচ্ছে দিন

সব্বাইকেই তো দোষ দিলেন। রাজ্য সরকার, তাদের কর্মচারী, রাজ্য পুলিশ, নির্বাচন কমিশান, কেন্দ্রীয় বাহিনী, বিজেপির গুন্ডা, এমনকি মিডিয়াকেও।

কিন্তু এই পরিস্থিতির জন্য যারা সত্যিই দায়ী, ত্রিপুরার জনগণ, তাদের কোনও দায় নেই? আপনি নিজেই বলেছেন যে দেশের মধ্যে সেরা ভোট হতো ত্রিপুরায়। সেই শান্তি যারা একটা পে-কমিশানের লোভে ছেড়ে দিতে চায়, তাদের প্রতি কোনো সহানুভুতিই নেই।

২৫ বছরের রাজত্ব শেষ তো করেছিলেন এক লহমায়, সেই সঙ্গে রাজ্যটাকেও যে সেই লহমায় শেষ করে দিয়েছিলেন রাজ্যবাসী। এখন এইটাই আপনাদের উচিত শিক্ষা। ভোট দিয়ে কি হবে? পে-কমিশানের টাকা গুনুন বাড়িতে বসে। অভিনন্দন আপনাদের।
Avatar: PT

Re: ত্রিপুরায় আচ্ছে দিন

মানুষ কখন ভেড়া হয়........!!!
Avatar: Amit

Re: ত্রিপুরায় আচ্ছে দিন

বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মানুষ নিজেরা যেরকম, সরকার ও সে রকম ই হয়। ভারতের মতো দেশে বেশির ভাগ লোকজন নিজেরাই জাতপাতের অন্ধকারে ডুবে থাকতে ভালোবাসে, সরকার ও সেটাই চায় । এর মধ্যে যারা ডেমোক্রেটিক রাইটস, সমানাধিকার, চাকরি , এসব নিয়ে বলতে চায় , তারাই মিসফিট ।
Avatar: PT

Re: ত্রিপুরায় আচ্ছে দিন

তাই তো কবি বলিয়াছেনঃ "you get the government you deserve"! পব-র বাঙালী পথ দেখিয়েছে আগে। ত্রিপুরাই বা পিছিয়ে থাকে কেন?


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন